যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে সরকার পক্ষ থেকে কেনো প্রতিদিন আতংক ছড়ানো হচ্ছে সাধারণ জনগনকে। আশরাফুল বলছে হুমকী দমকী আসছে। আমরা জানতে চাই তারা কারা? আপনার দলের বেয়াই মোশারফ বা স্বগোষিত প্রিন্স শেখ সেলিমের বেয়াই মুছা বিন শমসেরের পক্ষ থেকে নয়তো?
ডিজিটাল সরকারের বিলম্বের কারনে যুদ্ধাপরাধীরা হয়ে যাচ্ছে সংগঠিত। আজকে গতকাল ও আজকের কালের কন্ঠের রিপোর্ট পড়ে আতংকিত হলাম। যে্বখানে জামায়াতের প্রস্তুতি অবাক করার মতো। এদের প্রস্তুতি আর সরকারের প্রস্তুতি আকাশ পাতাল পার্থক্য। প্রস্তুতিতে সরকার আছে ১০ এ আর জামাত ৮০ তে।
ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির আহ্বায়ক ডা. এম এ হাসান বলেন, 'শতকরা ৯৫ ভাগ যুদ্ধাপরাধ করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। তাদের বাদ দিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্পূর্ণ হতে পারে না। নাচতে নেমে ঘোমটা দিলে চলবে না, বিচারে না এলে তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার করতে হবে।'
ডা. এম এ হাসান বলেন, 'সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মাওলানা নুরুল ইসলাম ও মুছা বিন শমসেরের মতো বড় বড় যুদ্ধাপরাধীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতারা আত্দীয়তার সম্পর্ক করেছেন। এ কথা লিখতে গিয়ে একজন সাংবাদিক পা হারিয়েছেন
'বার অনুমতি দিলে সে সুযোগ তো থাকবেই' মন্তব্য করে শাহরিয়ার কবির বলেন, 'আমার তো ধারণা ল'ইয়ারের সংখ্যা ওদের তুলনায় আমাদেরই কম হবে। কারণ শিবিরের বহু ছেলেকে ইংল্যান্ডে পাঠিয়ে ব্যারিস্টারি পড়িয়ে ওখানে প্র্যাকটিস করানো হচ্ছে শুধু এজন্যই।'
ডা. এম এ হাসান জানান, জামায়াতে ইসলামী আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বাঘা বাঘা আইনজীবীর সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ করেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশি-বিদেশি আইনজীবীদের সহায়তা নেওয়ার জন্য জামায়াত একটি তহবিল গঠন করছে। সঠিক হিসাব জানা না গেলেও সূত্র আভাস দিয়েছে, এর পরিমাণ ১০ কোটি টাকার
এবার আপনাদের বিচার করতেই হবে না হলে ঘদামের উপর রাখবো, তরুন প্রজন্মের একভোট ও পাবেন না। তবে বিচারের নামে প্রহসন আমরা মানবোনা। কারো বিচার হবে কারো হবেনা তা হবেনা।
সুত্র- http://www.kalerkantho.com/
Click This Link
ছবি- সংগৃহিত
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



