স্বেচ্ছাচার না করা গেলে তারে স্বাধীনতা বলে না। স্বাধীনতা মানেই স্বেচ্ছাচারের অধিকার।

খাড়া হওয়া বিষয়ে নোট

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮

শেয়ারঃ
0 0 0

জাতীয় সঙ্গীত বাজার সময়ে এবং জাতীয় পতাকা ওড়ার সময়ে দাঁড়ানোটা পৌত্তলিকতা তো বটেই। আগে রাজাদের (জাতীয় রাজা) দেখলে দাঁড়ানোর বিধান ছিল। পতাকা দেইখা খাড়াইলে সেইটা যদি আমাদের বাপ আমেরিকার লোকরা খাড়ায় কি সৌদি আরবের লোকরাও খাড়ায় তা পৌত্তলিকতাই হয়। আমি চাইলে পৌত্তলিক হব, চাই না তো হব না।

কিন্তু এইটা যে পৌত্তলিকতা তা অস্বীকারের মধ্যে চউখ বুইনজা থাকার ঘটনা আছে। হিন্দুরা জানে তারা পৌত্তলিক। এবং দেব-দেবীর পূজা করে। দুই নম্বরী নাই। মুসলমান হিসাবে যারা নিজেদের জানেন তারা শুনছি কোনো পূজা-অর্চনায় বিশ্বাস করেন না। কিন্তু আধুনিক সমাজের পূজাগুলা ঠিকই তারা করেন। এমনকি কাবা শরিফের দিকে কেবলা কইরা নামাজও পড়েন। নিরাকারে বিশ্বাস আর আকারে প্রণতি কীভাবে মিলান?

এগুলা নিয়া বিদ্যাজগতের বাইরে কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু আমরা যারা রাষ্ট্রে ঈমান আনি নাই, সীমানায় আত্মনিবেদন করি নাই তারা কেন জাতীয় সঙ্গীতে কী জাতীয় পতাকায় খাড়া হইয়া থাকব! আমরা তো রাজা-রাজরায়ও খাড়াই না। আল্লারেই মানি না তো পতাকা আর সঙ্গীত! এগুলা রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত বিদ্যালয়ের গইড়া দেওয়া কুসংস্কার। যত ঝাইড়া ফেলানো যায় ততই মঙ্গল।

--------
কমেন্ট করার জন্য ফেসবুকে মূল নোটের শরণ লউন। লিংক: Click This Link

 

প্রকাশ করা হয়েছে: শিক্ষামূলক!  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

 

লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫২১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস