"সোমবার [২১ সেপ্টেম্বর; ঈদের দিন] বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১১টায় যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী এমিরেটস্ এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত বিমানে করে ঢাকা ছাড়েন।... দুবাইতে যাত্রাবিরতিসহ দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার ভ্রমণ শেষে শেখ হাসিনা নিউ ইয়র্ক পৌঁছান।... মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় (নিউ ইয়র্ক সময় [22 sept] সকাল নয়টা) নিউ ইয়র্ক পৌঁছান। নিউ ইর্য়ক থেকে নিউজ ওর্য়াল্ডের সম্পাদক আবু তাহের বুধবার সকালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে টেলিফোনে জানান… রাতে [22 sept] তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে মাত্র ২৫টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের নৈশভোজ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও ছিলেন।'… ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমন্ত্রণে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা।...'
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ২৩/৯/২০০৯
--------
: )
যদি ২২ সেপ্টেম্বর ঈদ হইত (ব্যবসায়ীদের তাতে পোয়া ষোলো হইত; যেমন প্রতিবছর হয়) তাইলে প্রধানমন্ত্রী ও সফরসঙ্গীদের ঈদের এক দিন আগে দেশ ছাড়তে হইত। রাজনৈতিক ভাবে সফরসঙ্গীদের জন্য তা সাবলীল হইলেও শেখ হাসিনার জন্য অশ্রেয় হইত! বিরোধী দলনেত্রী বলতে পারতেন এই প্রধানমন্ত্রী ঈদের দিনে দেশে থাকতে চায় না... ইত্যাদি।
আবার ২২ সেপ্টেম্বর ঈদ হওনের পরে সেই দিন রাত এগারোটায় রওনা দিলে তার পৌঁছতে হইত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্ক সময় সকাল নয়টায়। ফলে হাসিনা জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে ২৫টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের নৈশভোজ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারতেন না। তিনি অবশ্য বারাক ওবামার দাওয়াতটা রক্ষা করতে পারতেন। তাতে আমাদের রাক্ষস ব্যবসায়ীদের লাভই হইত।
আশা করি এমন বে-দিনে দাওয়াত পড়বে না ভবিষ্যত প্রধানমন্ত্রী আর সফরসঙ্গীদের। এবং ভবিষ্যত ব্যবসায়ী-বান্ধব ঈদগুলা রোজার ৩০ দিনেই সাধিত হইতে পারবে। ব্যবসায়ীরাও বাসী চান্দের ফজিলত আদায় করতে পারবেন ভালোই।
হায় সরকারের চন্দ্রপ্রদর্শন!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


