স্বেচ্ছাচার না করা গেলে তারে স্বাধীনতা বলে না। স্বাধীনতা মানেই স্বেচ্ছাচারের অধিকার।

প্রাণদুর্ভিক্ষ

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৮

শেয়ারঃ
0 0 0

রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাঁচজন খুনিকে প্রাণভিক্ষা দিতে পারলেন না। কিন্তু তিনি কি চাইলেই প্রাণভিক্ষা দিতে পারতেন?

রাষ্ট্রধর্ম ইসলামওয়ালা রাষ্ট্রে ইসলাম প্রাণের প্রতি সংবেদনশীল; এ ব্যাপারে মুসলমানরা কেবল আল্লাহতালার উপরই নির্ভরশীল। ফলে প্রাণভিক্ষা দেওয়া না দেওয়া অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রাণভিক্ষা দানের বিষয়টি শিরকের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সংকটের মধ্যে থাকে। আমি এখনও ইসলামী চিন্তাবিদ হইয়া উঠতে পারি নাই তাই এই ব্যাপারে ইসলামী বুদ্ধিজীবীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেছি।

যদি প্রাণভিক্ষা দিতে না পারেন তাইলে রাষ্ট্রপতি কী দিবেন? তিনি আদালতের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বাতিল করতে পারেন। সেটি তাঁর রাষ্ট্রের কর্মচারী হিসাবে এখতিয়ার। তাতে কি প্রাণভিক্ষা ঘটে না। না ঘটে না। তাতে কেবল একটি নির্বাহী কার্যক্রম সাধিত হয়। ইসলামী রাষ্ট্রে আল্লাহর অনুগত বান্দা হিসাবে রাষ্ট্র কর্তৃক বিধিবদ্ধ একটি নিয়মিত কার্যক্রম সাধিত হয়। প্রাণের মালিকানা তৈরি হয় না।

আপনারা জানেন "প্রাণভিক্ষা" দেওয়ার ব্যাপারে জিল্লুর রহমানের অভ্যাস রয়েছে। তিনি এর আগে একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর "প্রাণভিক্ষা" দিয়েছেন। তাই তাকে সাধুবাদ। কিন্তু সকল প্রাণের ব্যাপারে তিনি সমান ভিক্ষা দেন না, দেখা গেল।

প্রাণ সংহার বা মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে মডার্ন মানুষদের আপত্তি আছে। দেশের একটি জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোর ম্যাগসাইসাই পুরস্কারপ্রাপ্ত সম্পাদক মতিউর রহমান দেখলাম ফাঁসির পক্ষে আবাহন করছেন। তিনি লিখেছেন, "আমরা চাই সব ঘাতকের ফাঁসি কার্যকর হেক। - ন্যায়বিচারের জয়"

প্রথমত, তিনি মনে করেন এটি ন্যায়বিচার হয়েছে। আদালতের রায় ঘোষণার পর বিচার-কে ন্যায় বা অন্যায় বিচার বলা যায় কিনা সেটি এক প্রশ্ন। দুই, ন্যায়বিচার হইলে তা কি ন্যায়বিচারের জয় হওয়া বলা যায় কিনা? একদা বামপন্থীর এই ফাঁসির পক্ষে সম্পাদকীয় লৈখন কি ট্রান্সকম গ্রুপকে একটি টিভি চ্যানেল হাতে ধরাইয়া দিবে না, এই আওয়ামী লীগ আমলেই? দেখা যাক।

সকল প্রকার হত্যা ও মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আমার সোচ্চার মত জানাই। আমাকেও কি একটি টিভি চ্যানেল দেওয়া যায় না? আমি সেখানে শুধু প্রধানমন্ত্রী সঙ্গীত গাইব।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: শিক্ষামূলক!  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৬
কেমিকেল আলী বলেছেন: আজকে অনেকেই খোলস ফেলে আসল চেহারাটা দেখাইতেছে।
আর সেইসব চেহারা দেখতেই রাত জেগে বসে আছি।
বড়ই সৌন্দয্য
৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩১
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: ইসলামী আইনে রাষ্ট্র পতির বাবার ও সাধ্য নাই যে মৃত্যুদন্ড মওকুফ করতে পারেন, ইসলামী আইন অনুষারে শুধু মাত্র যে মারা গিয়াছে তার ওরস ব্যক্তি বর্গ তা করতে পারেন। অন্য কেও নয়। তবে, প্রাণভিক্ষা শব্দ ব্যবহার না করে, মৃত্যুদন্ড মওকুফ শব্দ ব্যবহার করা উচিত।

ঐ ঘটনার ক্ষেত্রে শুধু মাত্র শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ছাড়া অন্যকেউ ইসলামি আইন অনুষারে মৃত্যুদন্ড মওকুফ করতে পারবে না। তবে, আমার অজানা অন্য কোন ইসলামি ল থাকলেও থাকতে পারে, যা দিয়ে রাষ্ট্রপতি এ কাজ করতে পারেন।

আপনার লেখাতে আমার কোন মত নেই, আমি ইসলামি আইনের বিষয়টি ব্যাক্ষা করলাম মাত্র।
৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৭
সরসিজ আলীম বলেছেন: মহান কবি, বিচার বহির্ভূত হত্যা হলে হাততালি দেয়ার লোকের অভাব নাই। এটাতে তো বাঙালিকে ইতিহাসের পিছনের দিকে নিতে চাওয়াকে একটা প্রচলিত বিচার ব্যবস্থার মধ্যে ফেলে রোধ করার প্রচেষ্টা মাত্র।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে ফাঁসি দিতে পারলে এটাকে কিভাবে মূল্যায়নের চেষ্টা করবেন মহানুভব?

আল মাহমুদের মতো আপনাকেও একসময় সম্বোর্ধনা দেয়া হতে পারে। সাবাস!
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় না আল মাহমুদ মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করায় তাঁকে সম্বর্ধনা দেওয়া হইছে। তিনি জামাতে ইসলামীর পত্রিকা সংগ্রামে কাজ করছেন, জামাতের পক্ষের একজন হওয়ায় তাকে সম্বর্ধনা দেওয়া হইয়া থাকতে পারে। তাতে আপত্তির কী হইল? আপনি কি চান মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওনারে সম্বর্ধনা দেউক?

আমি জামাত কিংবা আওয়ামী-বিএনপি করি না। বা ছদ্মবেশে বাঙালি বা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের চর্চা করি না, ইসলামী মূল্যবোধেরও না। আমারে বলতে পারেন অ্যামনেস্টি বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন লাইনের লোক। ওনাদের সম্বর্ধনা দেওনের কালে আমারে ডাইকেন।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার মানেই ফাঁসি দেওয়া এইভাবে আমি দেখি না। আমি যে কোনো হত্যার বিরুদ্ধে। প্রাণসংহার আমার রুচিবিরোধী ব্যাপার।

৬. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫১
রাগ ইমন বলেছেন: োচ্চার হইয়া লাভ নাই।

এত আদম রাখার জায়গা বাংলাদেশে নাই । আমাদের তো আর গু-ইয়ান্তানামো বে নাই যে আসামি পাচার করে দিব।

এই ফাঁসি গুলার খুবই দরকার ছিলো ।
৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৬
মগ্নতা বলেছেন: আপনারা জানেন "প্রাণভিক্ষা" দেওয়ার ব্যাপারে জিল্লুর রহমানের অভ্যাস রয়েছে। তিনি এর আগে একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর "প্রাণভিক্ষা" দিয়েছেন। তাই তাকে সাধুবাদ। কিন্তু সকল প্রাণের ব্যাপারে তিনি সমান ভিক্ষা দেন না, দেখা গেল।..

সকল প্রকার হত্যা ও মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আমার সোচ্চার মত জানাই। আমাকেও কি একটি টিভি চ্যানেল দেওয়া যায় না? আমি সেখানে শুধু প্রধানমন্ত্রী সঙ্গীত গাইব।..

একখান কথা: ইসলামে রাষ্ট্রপতি প্রাণ ভিক্ষা দিতে পারে না, কিন্তু মৃতের ওয়ালি বা অভিভাবক বা উত্তরসূরি অপরাধিকে ক্ষমা কইরা দিতে পারেন।
৮. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৮
আমি বিপ্লবী বলেছেন: বাংলাদশে তো ইসলামী রাষ্ট্র নয় - পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জনসমক্ষে দেয়া বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ মুসলিম দেশও নয়, এটা একটা ধর্মনিরপেক্ষ দেশ - তবে, এদেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলিম (শব্দগুলো হবহু নয়, ২/১টা শব্দ এদিক সেদিক হতে পারে - তবে বক্তব্যে কোন বিকৃতি নেই)। সুতরাং, এখানে ইসলামী রাষ্ট্রের বিধান বর্ণনা করাটা, উলুবনে মুক্তা ছড়ানো। কথাগুলো আপনাকে সচেতন করতে বলা - আপনার বিরোধিতা করতে নয়।
৯. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৮
সরসিজ আলীম বলেছেন: ভালো বলছেন! আপনি যে পীরের মুরিদ তাদের আইনে মৃত্যুদন্ড নাই, ভালো ব্যাপার।
দেশে দেশে যুদ্ধ করে কোটি কোটি নরহত্যা করলে সমস্যা নাই!

আপনার মতো মহান মানুষের জয় হোক!!!
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৮

লেখক বলেছেন: দেখেন, আপনার বাচাল জিহ্বা আমার মুখে স্থাপন কইরেন না। আমি বলছি, "আমারে বলতে পারেন অ্যামনেস্টি বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন লাইনের লোক।" আমার পীর লাগে না। আমি আপনার পীর হইতেও রাজি না।

নরহত্যায় সমস্যা তো আপনিও বোধ করছেন না। আমি করতেছি।

১০. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৭
আধার রাতের মুসাফির বলেছেন: বাংলাদেশ ইসলামিক কান্ট্রি নয়।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: ঠিক কইরা নিতেছি। থ্যাংকস।

১১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১১
বাউল! বলেছেন: কেমিকেল আলী বলেছেন: আজকে অনেকেই খোলস ফেলে আসল চেহারাটা দেখাইতেছে।
আর সেইসব চেহারা দেখতেই রাত জেগে বসে আছি।
বড়ই সৌন্দয্য
১২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৫
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: এরে কয় সুশীল বিলাপ ;)
১৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৬
এনটনি বলেছেন: "বঙ্গবন্ধুর খুনীদের মৃত্যুদন্ডে জাতি হিসাবে আমরা দায়মুক্ত হয়েছি" এই কথাটায় আপত্তি আছে......

জাতি হিসাবে আমাদের দায়মুক্তি হবে যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে.....
১৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৪
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: আমি প্লাস দিসি......পইড়া মজা পাইসি। তবে আমি এই ফাঁসির পক্ষে। আমি মনে করি অদূর ভবিষ্যতে ফাঁসি বা মানব হত্যার শাস্তির বদলে নিউট্রাল কইরা ;দেওনের শাস্তি (যেমন ধরেন মাথাকে অকেজো করে দেয়া ইত্যাদির প্রচলন হবে)।
১৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৪
জলপাই দেশি বলেছেন: আপনাকে অভিবাদন। আপনার কলমের জয় হোক।
১৬. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৪
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: ব্লগ জুইড়া পচুর বিনোদন। মাইনাস দিলাম। হা হা হা!
১৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১০
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন: আপনার লেখা ভাল লেগেছে। আমার মতে খুনের বিচার ফাঁসিই হওয়া উচিত, যে খুন করে তার মধ্যে মানবতা কাজ করে না অথচ তাকে ফাঁসি দিতে গিয়ে আমাদের মধ্যে মানবতা চলে আসে!!! বলি তাকে খুন করার অধিকার কে দিয়েছে??? অবাক বিষয়!!!!

তারা মুজিবকে বন্দি করতে পারত, উৎখাত করতে পারত। আমরা সংবাদ পত্র থেকে জানি যে, জাতি তখন কঠিন এক সঙ্কটের মধ্যে পড়েছিল, জাতি দ্বিতীয়বারের মত স্বাধীনতা পেয়েছিল। তাতে কি, খুন তো খুনই তাই না ভাইজান???
১৮. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৪
ত্রিশোনকু বলেছেন: বাউল! বলেছেন: কেমিকেল আলী বলেছেন: আজকে অনেকেই খোলস ফেলে আসল চেহারাটা দেখাইতেছে।
আর সেইসব চেহারা দেখতেই রাত জেগে বসে আছি।
বড়ই সৌন্দয্য
১৯. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৮
টংকার বলেছেন: রাইচু বাই,

হত্তরের সুমায় আম্রিকাৎ গরমেন্টের মাইরা ফালানি বন্দো কইরালছিল্ আইন কইরা। তয় কিচুদিন বাদে নয়া কইরা মারনের আইন কইরতে হইছিল। খুন জকম ব্যাবাক বাইরা যাওনে।

আন্নে তাহেন ডাহা, খান ডাহাৎ গুমানো এইহানে আর চিন্তা খরেন কোপান হাগনের।

আন্নে চিন্তাৎ চিন্তাৎ আসমানে উইডা গ্যাছেন। মাডিৎ নাইম্মা আহেন বাইজান।
২১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৬
ত্রিভুজ বলেছেন: রাইসু দা, টিভি চ্যানেলে শুধু গান গাইলে তো হবে না। টক-ঝাল-মিষ্টি শো করতে হইবেক। সেখানে সরকারী দল আর বিরোধী দলের দুই সাবেক মন্ত্রীকে বসিয়ে দিবেন, তারপর শুধু সরকারী দলের মন্ত্রীরে কথা বলতে দিবেন। তাহলেই হয়ে যাবে....(টিভি চ্যানেলের কথা শুনেই মন্তব্য অ.ট হয়ে গেল।)

যাই হোক কেমন আছেন? অনেকদিন পর দেখলাম।
২২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৮
ত্রিভুজ বলেছেন: রাইসু দা, টিভি চ্যানেলে শুধু গান গাইলে তো হবে না। টক-ঝাল-মিষ্টি শো করতে হইবেক। সেখানে সরকারী দল আর বিরোধী দলের দুই সাবেক মন্ত্রীকে বসিয়ে দিবেন, তারপর শুধু সরকারী দলের মন্ত্রীরে কথা বলতে দিবেন। তাহলেই হয়ে যাবে....(টিভি চ্যানেলের কথা শুনেই মন্তব্য অ.ট হয়ে গেল।)

যাই হোক কেমন আছেন? অনেকদিন পর দেখলাম।
২৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৩
কৌশিক বলেছেন: আমগো ইউরোপিয়ান হইতে পারি নাই বইলা......ফাঁসিই চাই

অমর্ত্য সেন একটা কথা কইছেন। পৃথিবীকে জাস্ট এন্ড ফেয়ার করা হয়তো যায় না, কিন্তু ইনজাস্টিস কমানো যায়।

এই ফাঁসি ইনজাস্টিস কমাতে ভূমিকা রাখবে। কিন্তু কোথাও ফাঁসি না হওয়া হয়তো পৃথিবীকে জাস্ট এন্ড ফেয়ার করতে পারে, তবে সে তো কেবলই ইমপসিবল ঘটনা।
২৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৬
রাসেল ( ........) বলেছেন: রাইসু কি তৃণভোজী?
ভেজী?

প্রাণসংহারে রাইসুর অরুচি জাইন্যা ভালো লাগলো, তয় রাইসুর ডেইলী ডায়েটে হাওয়া ছাড়া আর কি থাকতে পারে যা তারে প্রাণ সংহারের রুচীবিরোধিতা থেইক্যা মুক্তি দিতে পারে?

উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে, জনাব জগদীশ বলেছেন, রাইসু তৃণভোজী হইলেও রাইসুকে প্রাণ সংহারী ভুমিকায় অবতীর্ণ হইতেই হয়,

রাইসু কি ডিম খাওয়া বাদ দিছে? না কি কুমারী মুরগীর ডিম ছাড়া রাইসু আহার করে না?

রাইসুর জন্য খাদ্য তালিকায় ঝরে পড়া ফল, কিছু চিড়া ডাল, তৃণভোজীর দুধ, আর কুমারী মুরগীর ডিম ছাড়া কিছু পাওয়া গেলো না। তবে রাইসুর প্রোটিনের চাহিদা পুরণ হইবে কিভাবে? রাইসু কি ঘরে খাঁচায় মুরগি পালে? সে মুরগি কি মোরগের চেহারা দেখেছে? মোরগের সাথে একত্রবাস না করা মুরগির অধিকারহননের সামিল, এই বিষয়ে রাইসুর বক্তব্য কি?

তবে রাইসু জ্ঞানী, বিস্তর জ্ঞানী, রাইসু কি তবে গায়ে ক্লোরোফিলের কোট লাগিয়েছে, রাইসু কি নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করে নেয়, রাইসুর চামড়ায় ক্লোরোফিল, রাইসু আমাদের সবুজ রাইসু, আমাদের পরিবেশবাদী অহিংস রাইসুকে অভিনন্দন।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: আমি খাদ্য গ্রহণের জন্য প্রাণ সংহার করি না। রাসেলের মতো পাচকেরা রাইন্ধা দিলে খাই।

মানুষ হত্যা নিয়া কথাটা টানতেছেন তো...।

এই ব্যাপার ভিন্ন। মানুষের মাংস রাইন্ধা দিলেও খাই না। আপনারা যারা নরহত্যায় মগ্ন তারা ভাবগত ভাবে ক্যানিবাল, অর্থাৎ মানুষের মাংস খান। খাইতে থাকেন।

২৬. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৬
খোমেনী ইহসান বলেছেন: অনেকেই শেখ মুজিবর রহমান হত্যার ব্যাপারটিকে বেঠিক ও ঠিক ধরে নিয়ে তর্কাতর্কি করে। এই ধরাধরিটা রাজনৈতিক। তারা মনে করেন শেখ মুজিবর রহমানের খুন রাজনৈতিক, স্বাভাবিক খুনাখুনি না।


মুশকিল হইলো রাজনৈতিক খুনের বিচার করার তাকত বাংলার আদালতের এখনও হয়ে ওঠেনি।আদালতে বিচার চর্চার ইতিহাস পাঠ করলে দেখা যায় বিচারকদের সক্ষমতা সাধারণ অপরাধের বিচার করার মধ্যেই।
কিন্তু রাজনৈতিক মামলায় তাদের পিছু হটতে হয়, অনেক সময় তাদের হাত থেকে মামলা কেড়ে নেয়া হয়, তাদের দেয়া রায় অনেক ধাঙ্গর উকিলরা উল্টে দেন। এমনকি বিচারকরা যে তালপাতার সেপাই, যারা ও লাঠি-বন্দুক দিয়ে খেদানো গরু-ছাগলের মতো পরিচালিত হন তা জিয়াউর রহামন, এরশাদ ও মইন উর মতো স্বৈর নায়কদের আবির্ভাবের সময় ঠিকই দেখা গেছে।

এমতা বস্থায় শেখ মুজিবর রহমান হত্যাকান্ডের মতো রাজনৈতিক হত্যাকান্ডে আদালত ন্যায় বিচার করতে সক্ষম হয়েছে, এটা পাগলেও বিশ্বাস করতে পারে না।
বরং আদালত বিচার করেছে ব্যক্তি শেখ মুজিব হত্যাকান্ডের। এই বিচারে আদালত ধন্যবাদ পাইতে পারে।।।কারণ তারা একজন ব্যক্তির খুনের দায়ে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাধর কিছু মানুষকে ফাসিতে ঝুলানোর নির্দেশ দিতে পেরেছে।
তবে এই ধন্যবাদ এই জন্য ফিরায়ে নিতে হয় যে, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না থাকলে আদালত এমন নির্দেশ দিতে পারতো কি না।
বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচার নিয়ে তাই কেউ যদি হাততালি পায়, বাহবা পায় সেইটা পাবেন স্বয়ং শেখ হাসিনা আর কেউ নয়।
তাই প্রথম আলোর সম্পাদকরা যখন ন্যায় বিচারের জয় হয়েছে বলে রায় দেন সেইটা ধোপে টেকে না। বরং বলতে শেখ হাসিনার জয় হয়েছে।
বিচারপতিদের কাছ থেকে ধন্যবাদ এ কারণেও ফেরত নিতে হয়, তারা যেই গ্রাউন্ড থেকে রায় দিয়েছেন তাতে তারা ফাসিপ্রাপ্তদের শেখ মুজিবর রহমানের খুনী প্রমাণ করতে পারেন নি। তারা এতটুকুই পেরেছেন যে তারা ওই হত্যা কান্ডের চক্রান্তের সঙ্গে জড়িত।

ঘটনা এতদূর গড়ালে প্রশ্ন থেকেই আর সব জড়িতরা, বিশেষত মুশতাকসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কি ধোয় তুলসি পাতা।

একই সঙ্গে একটি বিষয়ে মজা লুটতেছি, যখন ১/১১'র সামরিক শাসন ছিলো তখন আদালত সব রাজনীতিককে জেল-জরিমানা করেছে ও সামরিক বাহিনীর লোকদের খালাস দিয়েছে(যেমন লেজেহোমো এরশাদের খালাস পাওয়া)

আবার হাসিনার রাজনৈতিক সরকার আসার পর থেকে সামরিক বাহিনীর লোকেরা জেল-জরিমানা কী ছাড় ফাসির কাষ্ঠেও ঝুলে যাচ্ছে। আর দলে দলে রাজনৈতিক লোকের মামলাই বাতিল হয়ে যাচ্ছে।
এইটাকেই বলে ক্ষমতা!
২৭. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৫
ও.জামান বলেছেন: নৃসংসতার প্রতিকার কি নৃসংসতা?

আমরা মানুষ হবো কবে?

সত্য কথা বললে হয় মগবাজারী বলা হবে নয় বাকশালী বলা হবে। এর বাইরে কি কেউ নেই?

আমার তো মনে হয় মগবাজারীরা আছে বলেই কারো কারো অস্তিত্ব বর্তমান। নিজেদের স্বার্থেই এদের টিকিয়ে রাখা হয়। তা নইলে এমন ছবি কেন দেখতে হয়?
আর এর প্রতিবাদে তো মগবাজার বিরোধীদের সরব হতে দেখলাম না।

এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদের ডাকে সাড়া দিয়ে পাশাপাশি বসেছেন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের জোষ্ঠ্য সদস্য, ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাতা কেন্দ্রীয় সভাপিত, ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী এবং দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাশেম আলী।
২৮. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৯
সিনসিয়ার বলেছেন: অনেক দেরিতে আপনার পোষ্টটা পড়লাম... পড়ে মন্তব্য না করে থাকতে পারলাম না !!! (থাকতে না পাইরা কোথায় গেলাম?)

ফেসবুকে সুব্রত গোমেজ আপনেরে নছিহত করছে - আপনার আরো কয়েকটা পায়ু দরকার...

আপনার লেখা পইরা আমারো মনে হইতেছে - আপনার আরো কয়েকটা পায়ু দরকার...
২৯. ০২ রা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:০২
তাজা কলম বলেছেন: ফাঁসী কিংবা মৃত্যৃদন্ড নি:সন্দেহে সমর্থনযোগ্য নয়। যাবজ্জীবন কারাদন্ডই হওয়া উচিৎ সভ্য জগতের সর্বোচ্চ শাস্তি ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৪৪১০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস