somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

নারী এক প্রকার বৃক্ষ

০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(পুরুষ যেন মেয়েদের না কাদায় স্বয়ং ভগবান রাখেন তাদের চোখের জলের হিসাব।
মেয়েরা কেমন হয়,ইশ্বর জানেন না বলে প্রচারিত।ছেলেরা কেমন হয় এই প্রশ্নের উওর দেবে কে?)

আমার মাথাটাই হলো উচ্চ ভাবনার কারখানা।মন সবসময় গবেষনার দিকে ছুটছে।বড় কোনো আবিস্কারে।যে আবিস্কার পৃথিবীকে স্তম্ভিত করে দিবে।ইশ্বর থমকে যাবেন।স্বয়ং দেব দেবী'রা নড়ে চড়ে বসবেন।সারা পৃথিবীর মানুষ একসাথে এমন হাত তালি দিবে যে মনে হবে কেয়ামত এসে গেছে।

আমরা ক্রমশ খুব সভ্য হয়ে উঠেছি,তাই না?শিক্ষার হার বাড়ছে,চেতনার উন্নতি হচ্ছে,কুসংস্কার কমে যাচ্ছে,মানুষের মধ্যে সচেনতা বাড়ছে,বিজ্ঞান ইশ্বরের কাছাকাছি এসে পড়েছে।আমরা যে আগের চেয়ে উদার হয়েছি তার প্রমান এত মানুষ এক জাগায় শান্তিতে বাস করছি।প্রতিটা মানুষ যদি নিজেকে সামলে চলে তাহলে আর কোনো সমস্যা থাকে না।আমি নিশ্চিত একদিন সবাই এই ব্যাপার টা বুজবেন।

মানুষ! মানুষ! মানুষ!
মেহেদী পাতার গাঢ় সবুজ এর অন্তরালে কত যে রক্ত লুকিয়ে থাকে তা কত জন জানে?আমাদের এই জীবনে কত যে রহস্য,অজানা ঘটনা লুকিয়ে আছে সেটাই বা ক'জন জানে?সত্যজিৎ রায়ের একটা কথা আমার খুব মনে পড়ছে-"মানুষের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশী সাদাসিধে,তারও মন একটা বাঘের মনের চেয়ে অনেক বেশী প্যাঁচানো।তাই একজন অপরাধীকে সায়েস্তা করাটা বাঘ মারার চেয়ে কম কৃ্তিত্ব নয়।কার ন- জানোয়ারের মন মানুষের মত জট পাকানো নয়।
মানুষের পৃথিবী মানুষের নিয়মেই চলবে।আর্দশ এক জিনিশ,আচরন আর এক জিনিশ।একটা থিয়রী,আর একটা প্র্যাকটিস। স্বর্গের ব্যালকনিতে বসে ইশ্বর তারা'র চোখে তাকিয়ে আছেন পুরোন প্রাচীন পৃথিবীর দিকে।
মানুষ ছোট ছোট বাচ্চাদের হাত পা ভেঙ্গে বসিয়ে রাখে পথের পাশে।তাদের দিয়ে ভিক্ষা করার।যে মানুষ এমন কাজ করে,সেই মানুষ'ই আবার প্যাকেটে হাত ঢোকায় ভিক্ষা দেবার জন্য।এখানেই স্বর্গ,এখানেই নরক।ইশ্বর আর শয়তান একই আকাশের নীচে মজা লুটছে!এই সমাজে যৌবন বিকোয়,অভিজ্ঞতা নিলামে উঠে।শিক্ষা.... হা হা হা!অতীতে কিছু জ্ঞানী কল্পনা প্রবন মানুষ ধর্ম নিয়ে আর্দশ নিয়ে,জীবন নিয়ে ভালোবাসা নিয়ে পাতার পর পাতা বড় বড় কথা লিখে গেছেন।তখন আদালত ছিল না,কলকার খানা ছিল না।নির্বাচন ছিল।মালিক শ্রমিক সম্পর্ক ছিল না।পৃথিবীতে পোকার মতো মানুষ গিজ গিজ করতো না।যে মানুষের মাথা থেকে বের হয়ে ছিল আবিস্কার,গীতা,সভ্যতা সেই মানুষের মাথা থেকেই সৃষ্টি হয়েছে পর্নোগ্রাফি,সেক্স শপ,টর্চার মেশিন,আরো কত কি।
যেই মাটিতে যীশু,সেই মাটিতেই হিটলার।মসজিদ,মন্দির,গীর্জা'র বারো হাত দুরেই সুসজ্জিত 'ব্রোথেল'।একদল মানুষ যখন মা মা করছে,আর এক দল মানুষ সেক্স সেক্স
করছে।যে নারীতে মা,সেই নারীতেই মায়া।একজনের আর্শীবাদ নেই আর একজন কে গুলি করে মেরে ফেলি।ভালোবাসা'র মানুষের জন্য তাজমহল বানাই,আবার রুপালি ব্রা পড়িয়ে উলঙ্গ করে ক্যাবারে নাচাই।যে নারীতে জন্ম আবার সেই নারীতেই জারজ সন্তান।যে মাটিতে রাজা,সেই মাটিতেই প্রজা।মানুষ কারো প্রভু,কারো দাস।হায়রে.... মানুষ! মানুষ! মানুষ!
একটু ছোট হলে যদি বিরাট হওয়া যায়,তাহলে অত মর্মবেদনা কেন?ক্ষমতাশীল মানুষ যদি কুকুরের বাচ্চা বলে,তাহলে কি তুমি জেনুইন কুকুরের বাচ্চা হয়ে যাবে!তোমার ও তো একটা এলাকা আছে,যেখানে তুমি মানুষ,অন্যরা কুকুরের বাচ্চা।আলো আর ছায়ার মতো এই তুমি মানুষ,এই তুমি কুকুর।থিয়েটারের ষ্টেজ।চরিএের উপর আলোর ফোকাস পড়ছে।কখনও সবুজ,কখনও লাল।আবার কখনও দুটোই।

কোনো মানুষই স্বাধীন নয়।সংসারী মানুষ বা সন্ন্যাসী কেউ না।মানুষ তো দুরের কথা কোনো রাষ্ট'ই পুরোপুরি স্বাধীন নয়।আমার মতো ক্ষুদ্র মানুষরা কল্পনায় বিশাল হতে চায়।মনস্তত্বের ভাষায় একে বলে বিপরীত ইচ্ছা।দাঁত পড়ে গেছে তাই নিরামিষাশী,চোখে ভালো দেখতে পাই না তাই জগৎ সুন্দর।
সব মানুষের মধ্যেই জ্ঞান আছে,অজ্ঞানতা আছে,নীচতা আছে,উদারতা আছে,দয়া আছে,নিষ্ঠুরতা আছে,ছাঁকনি ছাঁকা মানুষ হয় কি?হয় না।

কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছে-"যত কথা হইল কবিতা/শব্দ হইল গান/নর দিল ক্ষুধা/নারী দিল সুধা/সুধায় ক্ষুধায় মিলে জন্ম লভিছে মহা মানবের মহা শিশু তিলে তিলে"।মানুষ মানুষে সম্পর্ক বড়ো ঠুনকো।দিন দিন মনের ফাটল বেড়েই চলেছে।খেয়ে পরে বেঁচে থাকাটাই কঠিন।
'হিমি' আমি হৃদয়হীন নই,সে প্রমান তোমাকে আবারও দেই।যারা খুন করে তারাই হৃদয়হীন ,আমি কাউকে খুন করিনি,খুন করলে জেলে যেতাম।যেহেতু জেলে যাইনি,সেহেতু 'ল অফ দি ল্যান্ড' অনুসারে আমি সাধু।আর সাধুরা হৃদয়হীন হতে পারে না।তবে এখন আর কোনো কিছুতেই কৌতুহল লাগে না।যেন আমি শ্বেতপাথরের ভাস্কর্য।অথবা মর্মর মূর্তি।পৃ্থিবীর নিরন্তর আনন্দ ধারা থেকে ইশ্বরের অভিশাপে সবকিছু থেকে বঞ্চিত আমি।শাপ মোচনের পথও অজানা।


'হিমি' নীলা আপা বারবার বলেন -আমি মরে যাবো,আমার ভালো লাগে।আমার বোকা আপা টা বুজে না বেঁচে থাকাটাই বড় কথা।কিভাবে বেঁচে থাকব সেটা বড় না।সময়ের আগে মরে যাওয়া তো পরাজিত হওয়া।আর পরাজিত মানুষের ছায়া থাকে না।ছায়াহীন মানুষের কষ্ট কি আমি বুজি।

পৃথিবীতে যত ইতিহাস যত ক্ষয়
মানবের সাথে মানবের প্রান বিনিময়ে অবিনয়
যত গ্লানি ব্যথা ধূসরতা ভুল হয়
সকল সরায়ে ঘুমোনো নগরী
ঘুম নগরীর রাজকুমারী কি জাগে।
নিখিলের শাদা চাতকের মতো প্রান
তোমার আমার হৃদয়ে করে কি গান
(করে আহবান,করে -করে আহবান)
অপার অসীম সুর্য্য শালিনী মহা পৃথিবীর অনুরাগে।

আশা করি,ভবিষ্যতে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে,এই স্বপ্ন যদি না দেখি তাহলে বাঁচবো কি করে?কে বেশী অভিজ্ঞ বলতো?যে অনেকটা পথ একা একা হেঁটে ক্লান্ত, নাকি যে চুপচাপ অন্ধকারে শুধু বসেই থেকেছে?,অপেক্ষা করেছে?আমি কি এদের দু'জনকেই চিনি?Ring a ring O'rose/A pocket full of poises/Atishoo! Atishoo!/We all fall down.

বিঃদ্রঃ মরিচ গাছে সাদা ফুল-
আমার লেখায় অনেক ভুল।।
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×