সেনানিবাসের ২৯ মইনুল রোডের বাসা থেকে বিরোধী দলীয় নেত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।ক্যান্টমেন্ট বোর্ড হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী তাদের সম্পওি দখল নিতে সকাল ৭ টা থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়।তার বাড়ি থেকে সোফা সেট, স্টিলের আলমারি,ওয়ারড্রোপ সহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ট্রাকে তুলে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।এসময় খালেদা জিয়া বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।
সকাল ১১ টায় আইন শৃংখলা বাহিনী বাড়িতে থাকা খালেদা জিয়ার ৬১ জন ব্যক্তিগত স্টাফকে আটক করে ক্যান্টমেন্টের বাইরে পাঠিয়ে দেয়।
খালেদা জিয়ার সেনানিবাসের বাড়ি ইস্যুতে আগামীকাল রোববার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে বিএনপি।পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে রুদ্ধদ্বার এক বৈঠকে দলের সিনিয়র নেতারা এ সিদ্ধান্ত নেন।বৈঠকে দলের মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার,স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার,গয়েশ্বর চন্দ্র রায়,ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া,আবদুল্লাহ আল নোমান,সাদেক হোসেন খোকা প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ হয়েছে।২০/২৫ টি গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে।পুলিশ ১০ জনকে আটক করে।
সেনানিবাসের ২৯ মইনুল রোডের বাড়িটিতে মিশে আছে শহীদ রাস্টপতি জিয়াউর রহমানের পদচিহ্ন। বাড়ির ভেতরের প্রতিটি কক্ষ,আসবাবপত্র,ভেতরের অলি-গলি ও গাছপালার সাথেও মিশে আছে জিয়ার স্মৃতি।স্বামীর স্মৃতি মাখা এই বাড়ীটির প্রতি স্ত্রী খালেদা জিয়ার শুরু থেকেই ছিল অন্যরকম আবেগ-অনুভূতি।শুধু স্বামীর সাথে বসবাসের সময় থেকেই নয়,জিয়ার মৃত্যুর পরও নানান প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও কখনও এই বাড়ির বাইরে থাকেননি খালেদা জিয়া।৮৮'র স্মরনকালের ভয়াবহ বন্যার সময়ও জিয়ার স্মৃতি মেশানো বাড়ি ছেড়ে যাননি খালেদা জিয়া।সেইসময় আশ-পাশের সড়কসহ বাড়িটির ভেতরেও বন্যার পানি ঢুকেছিল।এমনকি জিয়াউর রহমান যেই খাটে ঘুমাতেন সেটির নিচেও পানি জমে।
এই বাড়িটির মালিকানা বা লিজের বৈধতা নিয়ে সরকারি পর্যায়ে বির্তক চলছে গত ১০ বছর ধরে।
এই বাড়িটি নিয়ন্ত্রনে এনে দ্রুত ভেঙ্গে দিয়ে নিহত বিডিআর সেনাকর্মকর্তাদের পরিবারের জন্য যে ফ্ল্যাট নির্মান হবে তার নকশা ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত করা হয়েছে।
দুই একর ৭২ শতক জায়গা নিয়ে তৈরী করা বাড়িটি জিয়া পরিবারেরই একটি অংশে পরিনত হয়েছে।সময়ের বিবর্তনে খালেদা আজ বাড়িটি ছাড়লেও ইতিহাসের পাতা থেকে ওই অংশটি ছেঁড়া যাবে কিনা,সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
খালেদা জিয়া বাড়িটিকে যাদুঘর বানাতে চেয়েছিলেন।১৯৮১ সালের ৩০ মে রাস্টপতি জিয়াউর রহমানে মৃত্যুর পর ১২ জুন ভারপ্রাপ্ত রাস্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাষ্ট্রপতির পরিবারকে শহীদ মইনুল রোডের বাড়িটি স্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেয়া হয়।
খালেদা জিয়া স্বামীহারা,ছেলেরাও কেউ পাশে নেই,এই অসহায় মানুষটাকে ঈদের আগে এভাবে নাকাল করা সরকারের উচিত হয়নি।একটি স্বাধীন দেশে এ ধরনের আচরন মেনে নেয়া যায় না।হায়রে প্রতিহিংসার রাজনীতি!!সরকারের উচিত দেশের জন্য কাজ করা,কাউকে ঘর ছাড়া করা নয়।
আলোচিত ব্লগ
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।