বাংলাদেশ গর্ব করতে পারে এমন একজন লেখক
দুইটা জিনিস ঘটে আমাদের সমাজে- এক, কোনো কিছু জনপ্রিয় হয়ে গেলে সুধীসমাজ তাকে সন্দেহের চোখে দেখেন । আর, কেউ আইকন হয়ে গেলে তার শিল্প ও ব্যক্তিগত জীবনকে আমরা সাধারণ পাঠকেরা সমার্থক/সিনক্রোনাইজড ভাবতে আরম্ভ করি । এই দুইই ঘটেছে হুমায়ুনের ক্ষেত্রে, দুর্ভাগ্য তার, কারণ এই দুয়ের কোনোটাই তিনি ডিজার্ভ করতেন না । তিনি সাধারন, মানে সাইকো নন। সেজন্য তার লেখায় কোনদিন অস্বাভাবিক কোন বিশ্বাসের প্রচার হয় না। হুমায়ুন আহমেদ সমালোচকদের ব্যকগ্রাউন্ড চেক করলেই দেখবেন, প্রত্যেকটা হুমায়ুন আহমেদ সমালোচক কোন ধরনের বিশ্বাসে ফান্ডামেন্টালিস্ট! জানেনই তো রতনে রতন চিনে, আর যারা মানকচু ভালবাসে তাদের জন্য হুমায়ুন আহমেদ বড়ই তিক্ত । আমাদের হুমায়ূন আহমেদ শুধু বাংলা সাহিত্যের না, বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম সেরা লেখক । তার কোন স্কুল করার দরকার নাই, না কোন হাসপাতাল । তিনি এমনিতেই বাংলা সাহিত্যে হাজার বছর বেঁচে থাকবেন । তার মতো লেখক পেতে আমাদের আরো একশ বছর লাগবে । হুমায়ুন আহমেদ যিনি একটি জাতি'র কয়েকটি প্রজন্মের জীবনধারা নির্দৃষ্ট করে দিয়ে গেছেন ! ভাল পথে পরিচালিত করছেন, তাই খারাপ পথে পথিকদের কষ্ট লাগবেই । এবং ঐ কষ্ট প্রদান করে তিনি খুবই খারাপ কাজ করছেন !
হুমায়ূন আহমদের গান বলতে বাঙলা ভাষার অন্যতম প্রধান কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ রচিত গান বোঝানো হয়ে থাকে । হুমায়ূন আহমেদ মূলতঃ গান রচয়িতা বা গীতিকার নন । কেবল নাটক ও চলচ্চিত্রের প্রয়োজনে তিনি গান রচনা করে থাকেন । তার অনেকগুলো গান বেশ জনপ্রিয় । এসবের এলবাম প্রকাশিত হয়েছে । বাংলা একাডেমী পুরস্কার ১৯৮১, শিশু একাডেমী পুরস্কার
একুশে পদক ১৯৯৪, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (শ্রেষ্ঠ কাহিনী ১৯৯৩, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ১৯৯৪, শ্রেষ্ঠ সংলাপ ১৯৯৪), লেখক শিবির পুরস্কার (১৯৭৩), মাইকেল মধুসুদন পদক (১৯৮৭), বাকশাস পুরস্কার (১৯৮৮), হুমায়ূন কাদির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৯০)
জয়নুল আবেদীন স্বর্ণপদক । সবার মন জয় করে তোষামোদ করে চলার মতো মানুষ হুমায়ূন আহমেদ কখনো ছিলেন না এবং হবেনও না । তার এই গুণটিই মানতে কষ্ট হচ্ছে অনেকের । হুয়ামুন আহমেদের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো মুর্খ বাঙালীকে বই পড়তে শেখানো-তা তিনি যাই লেখুন না কেন । সাহিত্যমান বিশ্লেষণ করার যোগ্যতা আমার নেই, তাই তার সাহিত্য সমালোচনা করার দৃষ্টতাও আমার নেই । হুমায়ূন আহমেদকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ।
আসলে আমাদের সাহিত্যে হুমায়ূন নিজেই একজন জাদুকর। অসামান্য জাদুকর । এমন সম্মোহনী শক্তি নিয়ে আর কেউ আসেননি । আমরা আমাদের সময়ে একজন হুমায়ূন আহমেদকে পেয়েছি । এটা অনেক বড় প্রাপ্তি । নিকট অতীতে হার্টের সঙ্গে লড়ে বিজয় ছিনিয়ে আনা প্রিয় কথক হুমায়ূন আহমেদকে এবার লড়তে হবে কোলন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে । প্রার্থনা করি, এবারও বিজয়ী হবেন অসম্ভব ক্ষমতাবান এই সৃজনশীল মানুষটি । পাকিস্তান জন্মের পরের বছর জন্ম নেন হুমায়ূন আহমেদ৷ সাল ১৯৪৮ ৷ তারিখ ১৩ নভেম্বর৷ এক শীতের রাতে৷ জন্ম মাতুলালয়ে, নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জের কুতুবপুর গ্রামে৷ বাবা ফয়জুর রহমান ও মা আয়েশা ফয়েজের প্রথম সন্তান তিনি৷ ফলে অত্যধিক বাড়াবাড়ি রকমের আদরের মধ্য দিয়ে তাঁর শৈশবের দিনগুলি রাতগুলি পার হতে থাকে ৷ উনি তসলিমা নাসরিনের নির্বাসনের সমর্থন করেন না । তসলিমা সম্পর্কে হুমায়ূন আহমেদ দারুণ একটা কথা বলেছেন ।"আমাদের দেশের মেয়ে কেন বাইরে থাকবে । সে যদি কোন দোষ করে তার বিচার বাংলাদেশেই সম্ভব । স্বাধীনতা বিরোধীরা যদি পতাকা নিয়ে ঘুরতে পারে সেখানে তসলিমা বই লিখে কেন নির্বাসনে যাবে (কাঠপেন্সিল দ্রষ্টব্য) ।
ঈদের রাতে টিভিতে হুমায়ুনের নাটক না দেখলে বাঙালির কি ঈদ পরিপূর্ণ হয় ? পরিচালকরা শোবিজের নায়িকাদের সাথে আড়ালে মজা করেন,এটা এখন open secret. উনি সেটা না করে শাওনকে সামাজিক মযাদা দিয়েছেন। খ্যাতিমান লেখকরা সংসার জোড়াতালি দিয়ে continue করেন না ।বনিবনা না হলে আলাদা হয়ে যান, যেমনটা রাশিয়ার তলস্তয় করেছিলেন । after all হুমায়ুন সাহেব একজন মানুষ,ফেরেশতা নন, দোষত্রুটি থাকবেই । জেমসের গানের সুরে- এমন একটা মানুষ দেখা যে পাপ করে নাই । কে কয়টা বিয়ে করল তাতে মানুষের এত চুলকায় কেন জানি না । আমাদের ভাগ্য যে আমরা হুমায়ূন আহমেদের মত একজন লেখক পেয়েছি । যারা তার সমালোচনা করে পোস্ট দিচ্ছে তারা তার একটা পশমের সমান যোগ্যতাও রাখে না ! হুমায়ুন আহমেদ শাওনকে বিয়ে করেছেন এজন্য যাদের গা জ্বলে তাদের আসলে কিছু বলার নেই। শাওনের কাছ থেকে এমন কোন কথা শোনা যায়নি যে তিনি হুমায়ুন আহমেদকে নিয়ে সমস্যায় আছেন। তাহলে অন্যদের এতো সমস্যা কেন? আমাদের দেশের ভেকধারী সুশীল আর নিচু মনের নাস্তিকগুলা কাউকে ছোট করতে চাইলে প্রথমেই তার চরিত্র নিয়ে বাজে কথা বলে। এ থেকেই বোঝা যায় তাদের মনে আসলে কি আছে ।
হুমায়ূন আহমেদের পক্ষেই সম্ভব হাসির একটা বইয়ের মধ্যে এমন কয়েকটা তথ্য দিয়ে দেয়া যেইটা জ্ঞানের মোটা মোটা বইয়ের মধ্যে লুকায়া থাকে ।এই ক্ষমতাটা দুর্লভ । কারও সমালোচনায় কিছুই যায় আসে না বাংলাদেশের সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদ অতুলনীয় এত্ত গুলা বছরেও কেউ তাঁর ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে নাই সেই সম্ভাবনাও নাই । মধ্যবিত্ত জীবনের ছোট ছোট হাসি, কান্না সুখ দুঃখগুলো হুমায়ূন আহমেদের মত এত অসাধারন ভাবে কেও ই তুলে ধরতে পারে, সাহিত্য পণ্ডিতরা (!) তাকে পাত্তা দিক বা না দিক হুমায়ূন আহমেদের প্রতি ভাল ভালোবাসা কোন কালেই আমরা কমবে না..। যারা হুমায়ূন আহমেদের সমালোচনা করেন তারা আগে অন্তত হুমায়ূন আহমেদের মত কিছু একটা করে দেখাক তারপর না হয় তার সমালোচনা করুক । আর হুআ ও একজন মানুষ ফেরেশতা নয় , মানুষ হিসেবে তার হয়ত কিছু ভুল থাকতেই পারে । কারো কাছে তার লেখা ভাল না লাগতে পারে । লেখা ভাল লাগা বা না লাগা ব্যক্তিগত রুচির ব্যাপার । কিন্তু হুমায়ুন আহমেদের মত লেখক আর আছেন আমাদের দেশে? এত সহজ ভাষায় লিখতে পারে কয়জন লেখক ? এসবের জন্য তাকে সম্মান জানাতেই হয় । একবার ভাবুন, হুমায়ুন আহমেদ বলে কোনো লেখকের জন্ম হয়নি । তাহলে কেমন হত? নিঃসন্দেহে বাংলা সাহিত্য অনেক কিছু হারাতো ।
( বিভিন্ন ব্লগ থেকে সংগৃহিত )
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।