somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভাবছি ব্যবসা করবো। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাস্তায় পাওয়া ডায়েরী থেকে- ৬৯

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



১। সব মিলিয়ে ৩০ সেকেন্ড।
দুপুর তিনটায় উত্তরাতে একটা ভয়াবহ এ্যাকসিডেন্ট ঘটেছে।
বাসে উঠতে গিয়ে দুই বাসের মাঝখানে পড়ে গিয়েছিলাম। প্রায় চাকার নিচে চলেই গিয়েছিলাম! হাত-পা ছিলে গিয়েছে, প্যান্ট ছিড়ে গিয়েছে। পায়ে এবং কোমরে ব্যাথা পেয়েছি। মরতে গিয়েও মরিনি। মৃত্যুর খুব কাছ থেকে বেঁচে ফিরেছি।
আজ যদি মরেই যেতাম!
মা কাঁদতো।
সুরভি কাঁদতো।

২। একজনের সাথে কথা বলতে ভাল লাগে, দেখা হলে কাছাকাছি হতে ভালো লাগে আর তার নাম হয়ে গেল প্রেম। বিশাল কিছু, মহৎ কিছুর সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিলাম। এটা মোহ ছাড়া কিছু নয়।

৩। একটা ঝাঁটা হাতে নিয়ে মুমূর্ষু বাবা ডাকলেন তাঁর ছেলেদের।
একটি ঝাঁটার কাঠি নিয়ে তা ভেঙে ফেললেন। সেটা দেখিয়ে তিনি ছেলেদের বললেন, ‘দেখলি তো, একটা কাঠি সহজেই ভেঙে যায়।’
এরপর দশটি কাঠি হাতে নিয়ে ছেলেদের সেদিকে তাকাতে বললেন। একটু চেষ্টা করতেই ১০টি কাঠিই ভেঙে গেল।
দীর্ঘশ্বাস ফেলে বাবা বললেন, ‘দুর! ভেবেছিলাম, খুব ভালো একটা উপদেশ দেব তোদের! হলো না !’

৪। ঠিক করেছি একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এক কাপ চা খেয়ে বের হয়ে যাবো সাদা একটা পাঞ্জাবি পড়ে। আর ফিরে আসবো না। তাহলে কেমন হয়?

৫। স্বচ্ছ কাচের মতো কড়া রোদ উঠেছে আজ । বালিভাজা গরম চারিদিকে । পরিচ্ছন্ন সুন্দর একটি দিন । আমি পাথরের মতো চুপ চাপ বসে আছি । কি করবো ভেবে পাই না । কিন্তু শরীর জ্বলে, হাত পা নিসপিস করে । অর্থহীন এক উত্তেজনা । কঠিন এই শহরের আস্তরণ, মানুষের মনে এবং ঘটনাবলী- এর কোথাও আঁচড় কামড়ের দাগ বসে না । পৃথিবীর যাবতীয় অপমান- বাস্তবিক আমি ভুলতে চাই ।



সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৪০
২১টি মন্তব্য ২২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্কাইপ বন্ধে সমস্যা কি?

লিখেছেন nahih09, ২০ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ২:০৭

স্কাইপ বন্ধে সমস্যা কি? এ বিষয়ে আলোচনার আগে এটা জানতে হবে বাংলাদেশে স্কাইপ ব্যাবহার করে টা কে?



বাংলাদেশে স্কাইপ ব্যবহারকারী খুবই কম। তবে যে কয়জন ব্যবহার করে তাদের প্রায় এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঘুঘু পাখির বসত গড়ি!

লিখেছেন নীল আকাশ, ২০ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:১৫


ছবিঃ ১ - আমার বারান্দায় ঘুঘু পাখি

আজকাল প্রায় সকাল বেলাই আমার ঘুম ভাঙ্গে বিভিন্ন পাখিদের সুমধুর ডাকে। কি যে ভালো লাগে! সকালে উঠেই মনটা একদম অন্য রকম হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেমন আছো সামহোয়ার ইন!

লিখেছেন অগ্নি সারথি, ২০ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:১৫



দুটো ছোট গল্পঃ

১। পরীবাগে আগুন!
বৃহস্পতিবার মধ্যরাত্রীতে কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে দপ করে জ্বলে ওঠে উপশহর মাগীপাড়া। বাড়িওলি থেকে শুরু করে সর্দারনী, ছুকরী কেউ রেহাই পায়নি সেদিন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কালী, মানুষকে খেতে দেয়, দরিদ্রদের খেতে দেয়!

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২০ শে নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:০৩



এই ঘটনাটি ঘটেছিলো আমার দশম শ্রেণীর শুরুর দিকে: আমার ঘনিষ্ঠ ক্লাশমেট, মেশকাত ইলেকটিভ ম্যাথে একটু কাঁচা ছিলো; সে আমার দলে ফুটবল খেলতো; তাই, তাকে অংকে সাহায্য করতে হতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রামানিক, গুরু তোমায় ছড়াঞ্জলি (গণতন্ত্রের উল্টো কথা)

লিখেছেন কি করি আজ ভেবে না পাই, ২০ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪০



মূলঃ গণতন্ত্রের উল্টো কথা-ছড়ারাজ প্রামানিক

হলোই না হয় চোর বাটপার
ঠগ বা ওদের দালাল;
দলের টিকেট পেলেই তো ব্যস
সব হয়ে যায় হালাল।

কে দাঁড়ালো সে কেবা চায়
মার্কা বাপু মুখ্য;
সুখ কিবা দুখ মার্কা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×