সবচেয়ে ছোট আকৃতির কার !!!
Peel P50 হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট আকারের কার। এই গাড়ির প্রস্ততকারক কোম্পানীর নাম PEC-The Peel Engineering Company। ১৯৬৩-৬৪ সালে সর্বপ্রথম এই গাড়ি প্রস্তুত করা হয়। তখন গাড়িটির মূল্য ছিল ১৯০ পাউন্ড কিন্তু বর্তমান বাজার মূল্য ৩৫০০০-৫০০০০ পাউন্ড। এই গাড়ি কয়েকটি ডিজাইন ও রংয়ের হয়ে থাকে। গাড়িটি দৈর্ঘ্যে ৪ ফুট ৫ ইন্চি, প্রস্হে ৩ ফুট ৩ ইন্চি এবং উচ্চতা ৩ ফুট ৫ ইন্চি। এক দরজা বিশিষ্ট এই গাড়ির গড় ওজন ১৩১ পাউন্ড। এক গ্যালন তেলে এই গাড়ি ১০০ মাইল পথ অতিক্রম করতে সক্ষম। গাড়িটিতে দুইটি আসন থাকলেও শুধুমাত্র একজন মানুষ বসতে পারেন।
The Icehotel
বরফের তৈরী হোটেলটি সুইডেনের Jukkasjärvi গ্রামে অবস্হিত। Torne নদীতে জমে থাকা বরফ দিয়ে অত্যন্ত নিপুঁনভাবে নির্মান করা হয়েছে এই হোটেল। আধুনিক সব সুযোগ সুবিধাও রয়েছে এখানে। বরফের ঘরে অন্যরকম বৈচিত্র ও স্বাদ গ্রহন করতে প্রতি বছর অসংখ্য পর্যটক এখানে অবস্হান করেন। হোটেলটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
বিশ্বের সর্ব বিস্তৃত মাকড়সার জাল!!!
আমাদের সবার বাড়ির আশেপাশে মাকড়সার জাল দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু বিশ্বের সর্ব বিস্তৃত মাকড়সার জাল এখনও দেখা হয়নি অনেকের। এটির সন্ধান মিলেছে আমেরিকার Texas এ। অসংখ্য মাকড়সার বাস rangers পার্কের গাছগুলিতে। শরৎকালে মাকড়সাগুলি অনবরত জাল তৈরী করে এবং কয়েকটি গাছ পুরোটা ঢেকে ফেলেছে এই জাল দ্বারা। পর্যটকদের বরাবরই বিমোহিত করে এই বিস্তৃত মাকড়সার জাল।
The Banana Wall
শখের বশে ও রেকর্ড গড়ার জন্য মানুষ কতো কিছুই না করেন। তেমনই একটি অসাধারন শিল্পকর্ম উপহার দিয়েছিলেন গ্রাফিক্স ডিজাইনার Stefan Sagmeister। ২০০৮ সালে তিনি নিউয়র্ক সিটির একটি এক্সিবিশনে উপস্হাপন করেছিলেন কলা দিয়ে সাজানো বা তৈরী দেয়াল। এই দেয়াল তৈরীতে তিনি ব্যবহার করেছিলেন সর্বমোট ৭২০০ টি পাঁকা কলা।
বিচিত্র প্রাণী সামুদ্রিক গরু
গরু। নামটির সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। গৃহপালিত পশু হিসেবে গরুর অবস্থান সবার উপরে। কিন্তু সামুদ্রিক গরু নামটি শুনলেই যেন আশ্চর্য লাগে। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, সমুদ্রে চার ধরনের গরু রয়েছে। এর একটার নাম ডুগঙ্গ এবং অপর তিনটির নাম ম্যানাটিস। ধীর গতির এ প্রাণীটি সাইরেনিয়াবর্গের একটি জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী। সমুদ্রের লতাপাতা খেয়েই এরা জীবন ধারণ করে।
এর মুখের অবয়ব অনেকটা মানুষের মতো বলে একে মৎসকন্যাও বলা হয়। ভারত মহাসাগর থেকে অস্ট্রেলিয়ার উত্তর সমুদ্র-তলবর্তী অঞ্চলে ডুগঙ্গ শ্রেণীর সামুদ্রিক গরু দেখা যায়। এদের দৈর্ঘ্য ৮ থেকে ৯ ফুট পর্যন্ত হয়। উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং পশ্চিম আফ্রিকায় ম্যানাটিসের তিনটি শ্রেণীই দেখা যায়। ম্যানটিসগুলো ১৫ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয় আর ওজন ৫০০ পাউন্ড পর্যন্ত হয়। এছাড়া পারস্য সাগরের উপকূলের পানিতে এবং ফিলিপাইনেও সামুদ্রিক গরু দেখা যায়। ডলফিনের মতো ডুগঙ্গ এর সাঁতার অঙ্গ রয়েছে। এ সাঁতার অঙ্গ সমুদ্র তলদেশে খাবার গ্রহণের সময় ব্যবহার করে। পুরুষ ডুগঙ্গের দাঁত গজায় ১২-১৫ বছর বয়সের মধ্যে। এরা জোড়ায় জোড়ায় চলাফেলা করে। সাধারণত মা ও তার বাচ্চা একসঙ্গে চলাফেরা করে।
১২-১৪ মাস গর্ভধারণের পর এ প্রাণী বাচ্চা প্রসব করে। জন্মের পর বাচ্চারা কয়েক বছর তাদের মায়ের সঙ্গে কাটায়। বাচ্চা ডুগঙ্গ ১৮ মাস পর্যন্ত মায়ের দুধ পান করে।
সামুদ্রিক গরু পানির নিচে সুতীক্ষ্ন এবং তীব্র শব্দ সৃষ্টি করার মাধ্যমে স্বল্পমাত্রার যোগাযোগ সম্পন্ন করে। হাঙ্গর, তিমি, কুমির ইত্যাদি প্রাণীর স্বাভাবিক শিকার এ প্রাণটি। কিন্তু এরা সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার হয় মানুষের দ্বারা। তবে কিছু এলাকায় আইন প্রয়োগের মাধ্যমে সুরক্ষিত করা হয়েছে সামুদ্রিক এ গরুগুলোকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


