somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজনীতি
২০০৬ এর ২৮ অক্টোবর ঢাকার রাজপথে হাসিনার দ্বারা লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার দায়ে শেখ হাসিনার ফাসি চাই।২২৮ অক্টোবর রাজপথে হাসিনার দ্বারা লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার দায়ে শেখ হাসিনার ফাসি চাই।

অবশেষে এই ব্যাটায় ও দূর্নীতি করলো????????? জাতি যাবে কোনদিকে?

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(দুদক) চেয়ারম্যান ও সাবেক সেনাপ্রধান, দি ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান লে. জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মাধ্যমে ২০ কোটি ২৯ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩৮ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় আনীত অভিযোগের এজাহারটি গ্রহণ

করেনি রাজধানীর রমনা ও মতিঝিল থানা পুলিশ। অর্থ আত্মসাতের ঘটনা সংঘটনের স্খান তাদের আওতাধীন নয়-এই অজুহাতে পুলিশ এজাহারটি গ্রহণ না করে এজাহারকারী আমার দেশ পাবলিকেশন্সের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমানকে ফিরিয়ে দেয়। সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান গতকাল শনিবার বিকালে এজাহার দায়েরের জন্য থানার দ্বারস্খ হন। এজাহার না নেয়ার ঘটনাকে বর্তমান সরকারের সর্বক্ষেত্রে কেমন স্বচ্ছতার নজির বলে তিনি উল্লেখ করেন। আনীত এজাহারে তিনি সাবেক সেনাপ্রধান হাসান মশহুদ চৌধুরীর অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় আর কাউকে অভিযুক্ত করেননি এবং ঘটনা সংঘটিত হওয়ার সময় ২০০২ সালকে উল্লেখ করেন।

মাহমুদুর রহমান গতকাল বিকেল পৌনে ৫টায় ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী, এডভোকেট খোরশেদ আলম ও এডভোকেট ফিরোজ খন্দকারকে সাথে নিয়ে রমনা থানায় প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) রুমে প্রবেশ করলেও তাকে পাননি। ওসি এ সময় থানায় ছিলেন না। পরে রমনা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মোস্তাফিজুর রহমান এসে থানায় ওসির চেয়ারে বসেন। তখন মাহমুদুর রহমান তার এজাহারটি এসি মোস্তাফিজুর রহমানের হাতে দেন। তিনি এজাহারটি পড়ে মাহমুদুর রহমানকে জানান, প্লেস অব অকারেন্স (অপরাধ সংঘটনের স্খান) এই থানার মধ্যে না পড়ায় আপনাকে এজাহারটি নিয়ে মতিঝিল থানায় যেতে হবে। পরবর্তীতে মাহমুদুর রহমান তার আইনজীবীদের নিয়ে বিকেল সাড়ে ৫টায় মতিঝিল থানায় যান। এ সময় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুর রহমান ছিলেন না। মাহমুদুর রহমান তার আইনজীবীদের নিয়ে ডিউটি অফিসারের কাছে গেলে ডিউটি অফিসার এজাহারটি গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করে জানান, ওসির অনুমতি লাগবে। ওসিকে খবর দেয়া হয়েছে। এর আধা ঘন্টা পর ওসি ফজলুর রহমান থানায় আসার পর মাহমুদুর রহমান তার আইনজীবীদের নিয়ে ওসির রুমে প্রবেশ করেন। ওসিকে মাহমুদুর রহমান এজাহারটি দিয়ে এজাহারে বর্ণিত বিষয়টি বর্ণনা করে শোনান। এ সময় ওসি মোটামুটি ভড়কে যান। ওসি ফজলুর রহমান এজাহারটি হাতে নিয়ে নেড়ে চেড়ে দেখে মাহমুদুর রহমানকে জানান, এটি যেহেতু মানি লন্ডারিং এর ঘটনা সেহেতু মামলা নিতে গেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন লাগবে। এ সময় মাহমুদুর রহমান ও তার আইনজীবীরা ওসিকে এজাহারের সাথে ২০০২ সালের ২৯ ডিসেম্বরে সম্পন্ন করা ব্যাংকের একটি অডিট রিপোর্ট, মানি লন্ডারিং আইন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো পড়ে শোনান ও দেখান এবং ওসিকে জানান, দি ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের রেজিস্টার্ড অফিস পিপলস ইন্স্যুরেন্স ভবন, ৩৬ দিলকুশা এলাকা আপনার থানা এলাকায়। আপনি এটা গ্রহণ করতে পারেন। এ সময় ওসি ফজলুর রহমান জানান, দুদকের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।



এর জবাবে মাহমুদুর রহমান ওসিকে দুদক আইন দেখান। এ সময় তিনি বলেন, জরুরি অবস্খা জারির পর যে অধ্যাদেশ দুদক আইনে হয়েছে সেহিসাবে আপনি (ওসি) মামলা নিতে বাধ্য। আপনি মামলা নিতে পারবেন কিনা তা আমাকে জানান। আপনাকে বিপদে ফেলতে চাই না। তিনি বলেন, এ সরকার স্বচ্ছতায় বিশ্বাসী। সব কিছুতেই তাদের জবাবদিহিতা আছে- সব সময় বলে আসছে। তাহলে কেন এজাহারটি নেবেন না তার একটা আইনগত ভিত্তি দেখাতে হবে। তিনি ওসিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনাকে মামলা নিতে হবে না। শুধু এজাহারটি গ্রহণ করে তা দুই কার্যদিবসের মধ্যে দুদকে পাঠিয়ে দিন। তারপর দুদক যে ব্যবস্খা নেয় নেবে। এর জবাবে ওসি বলেন, আপনি এটি রেখে যান। আমরা পরে দেখবো। এ সময় মাহমুদুর রহমান ও তার আইনজীবীরা ওসিকে বলেন, আপনি গ্রহণ করে নিলেই আমরা চলে যেতে পারি। এ কথা বলার পরই অজ্ঞাত স্খান থেকে একটি কল আসে ওসির মোবাইল ফোনে। ওসি ফজলুর রহমান কলটি রিসিভ করে রুমের বাইরে চলে যান। আসেন ১৫ মিনিট পর। এসে ওসি জানান, এটি একটি মানি লন্ডারিং মামলা। এই মামলা নিতে গেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন লাগবে। এ কথার প্রেক্ষিতে মাহমুদুর রহমান ওসিকে বলেন, সরকারের দুর্নীতি দমন অভিযানকে আমরা সাহায্য করতে চাই। মামলাটি গ্রহণ করে তদন্তের জন্য দুদকে পাঠিয়ে দিন। এ সরকার দুর্নীতির নামে রাজনীতিবিদদের হয়রানি করছে। প্রকৃত দুর্নীতিকে লুকিয়ে রাখছে। এ সময় ওসি মাহমুদুর রহমানের উদ্দেশে বলেন, স্যার এসব কথা এখানে না বলে অন্যত্র বলেন। আর সাবেক সেনা প্রধান ট্রাস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকাবস্খায় তার ব্যাংকের বোর্ড মিটিং করতেন ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে। সেহেতু ঘটনা যদি ঘটে থাকে তাহলে সে থানায় ঘটেছে। আপনি ক্যান্টনমেন্ট থানায় যান। আমার জানামতে তিনি দিলকুশার অফিসে কোনদিন অফিস করেননি। করতেন না। এ সময় ওসির সাথে তর্ক-বিতর্ক হয় মাহমুদুর রহমান ও তার আইনজীবীদের। এরপর মাহমুদুর রহমান থানা থেকে বের হয়ে যান। এ সময় তিনি বলেন, দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে সরকার আই ওয়াশ করছে, তামাশা করছে। গত দু'বছরে দেশকে ১০ বছর পিছিয়ে দিয়েছে। নিজেদের দুর্নীতি লুকিয়ে রাখছে। জনগণের ওপর আইনের নামে প্রহসন চালাচ্ছে। তিনি বলেন, আসল কথা হচ্ছে তারা উপরের নির্দেশ পায়নি। তাই তারা অভিযোগ নিচ্ছে না। সরকারের মুখে এখন দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের কথা মানায় না। তারা দুর্নীতি দমনের নামে টার্গেটেড রাজনীতিবিদদের জেলে ভরছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে কোন আইনের শাসন আছে কি না তা এখন বোঝার সময়। এখন আইনের মাধ্যমে কোন প্রতিকার হবে না- এটা স্পষ্ট। প্রায় পৌনে এক ঘন্টা মতিঝিল থানায় অবস্খান শেষে মাহমুদুর রহমান তার আইনজীবীদের নিয়ে তার গন্তব্যে চলে যান। এ সময় তিনি জানান, তার আইনজীবীদের সাথে আলাপ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।

এজাহারে আনীত অভিযোগ

দি ট্রাস্ট ব্যাংকের মালিক সেনা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ। পদাধিকার বলে সেনা প্রধান ব্যাংকের চেয়ারম্যান। ২০০২ সালে তৎকালীন সেনা প্রধান লে: জেনারেল হাসান মশহুদ চৌধুরী সেনা প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন এবং আইনানুযায়ী তিনি ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদেও অধিষ্ঠিত ছিলেন।

বাংলাদেশের প্রখ্যাত অডিট ফার্ম হোদা ভাসি চৌধুরী এন্ড কোম্পানী ২০০২ সালে অডিটকৃত উল্লিখিত ব্যাংকটির বার্ষিক প্রতিবেদনে অর্থ পাচারের ঘটনা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। হাসান মশহুদ চৌধুরী তৎকালীন চেয়ারম্যান থাকাবস্খায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ব্যাংকের ২০ কোটি ২৯ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩৮ টাকা পাচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। এই আত্মসাৎকৃত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন খাতে ২০০২ সালে লোকসান দেখানো হয়। একেই বলে চোরের মা'র বড় গলা।



২৮টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×