somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজনীতি
২০০৬ এর ২৮ অক্টোবর ঢাকার রাজপথে হাসিনার দ্বারা লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার দায়ে শেখ হাসিনার ফাসি চাই।২২৮ অক্টোবর রাজপথে হাসিনার দ্বারা লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার দায়ে শেখ হাসিনার ফাসি চাই।

আমাদের প্রশাসনের গতি এবং ভাবনা! চিন্তা শুধু পাবলিকের।

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

RAB একজন এএসপি। নাম শোয়েব আহমেদ। সৈনিক ও কনস্টেবল পদমর্যাদার কিছু সদস্যকে নিয়ে তিনি গড়ে তুলেছিলেন একটি বাহিনী। এটি র্যা বের কোন বাহিনী ছিল না, বরং বলা যেতে পারে শোয়েব-বাহিনী। তবে এ বাহিনী RAB নাম ব্যবহার করে মানুষকে ভয়ভীতি দেখাতো, টাকা নিতো, লুণ্ঠন করতো। শোয়েব-বাহিনী ক্রসফায়ারের ভয়ও দেখাতো।
গত ১৫ জুনের একটি ঘটনা। রাত ১১টার দিকে ঢাকার বনশ্রী এলাকায় হলুদ ট্যাক্সিক্যাবে কয়েকজন লোক আসে। বনশ্রীর ২ নম্বর রোডের সি-ব্লকের একটি বাসায় এসে তাদের একজন দারোয়ানের কাছে পানি খাওয়ানোর অনুরোধ জানায়। দারোয়ান পানি খাওয়ানোর জন্য গেট খোলার সঙ্গে সঙ্গে লোকটি দারোয়ানের বুকে পিস্তল চেপে ধরে। এরপর কয়েকজন লোক প্লাস্টিকের তিনটি বস্তায় করে মদের বোতল, ফেনসিডিল, বিয়ার ও অন্যান্য নেশা জাতীয় দ্রব্য নিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ে। বস্তাগুলো তারা সিঁড়ির রুমে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা দারোয়ানের কাছে নিজেদের র্যা ব সদস্য বলে পরিচয় দেয়। তারা হুমকি দিয়ে বলে কোনো কথা বলবে না। বাড়াবাড়ি করলে ক্রসফায়ারে দেয়া হবে। আর সহযোগিতা করলে ৫০ হাজার টাকার লোভ দেখানো হয়। এরপর তারা যায় ভবনের চতুর্থ তলায়। দারোয়ানকে দিয়ে ঐ তলার ফ্ল্যাটের ব্যবসায়ী ভদ্রলোককে ডাকা হয়। ব্যবসায়ী দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে তাকে অশালীন ভাষায় গালাগাল করে ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ে তারা। কিছুক্ষণের মধ্যেই আরও ৪/৫ জন তাদের সাথে যোগ দেয়। এরা সবাই ছিল সাদা পোশাকে। বাসায় ঢুকে দরজা বন্ধ করে সবার কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। ল্যান্ডফোনের তার কেটে দেয় এবং তাদের কোন শব্দ না করার নির্দেশ দেয়। এ ফাঁকে দারোয়ান নীরবে ছয় তলায় চলে যায়। ছয় তলা থেকে সে মোবাইলে বিভিন্ন লোককে খবর দেয়। বাসায় ডাকাত পড়েছে বলে চিৎকার করে। র্যা ব সদস্যরা ততক্ষণে ঘরের প্রতিটি আলমারি, সিন্ধুক ও ওয়ারড্রপের কাপড়-চোপড় তছনছ করে ফেলে। ব্যবসায়ীর স্ত্রীর বিয়ের সব স্বর্ণালঙ্কার একটি চাদরে জড়ো করে। বাসা থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকাও হাতিয়ে নেয়। এরই মধ্যে অনেক লোক ডাকাত ধরার জন্য ভবনের নিচে জড়ো হয়ে যায়। অবস্থা বেগতিক দেখে এএসপি শোয়েব আহমেদ সহযোগীদের নির্দেশ দেন, যাদের কাছে RAB পোশাক আছে তারা যেন তা পরে নেয়। উপস্থিত লোকজনের কাছে শোয়েব নিজেকে বিসিএস ক্যাডার ও চৌকস র্যা ব অফিসার হিসেবে দাবি করেন। লোকজন জড়ো হওয়ায় RAB সদস্যরা আর স্বর্ণালঙ্কারগুলো নেয়নি, তারা তখন ভোল পাল্টে ফেলে। শোয়েব ওই বাসায় অভিযানের কথা বলে এক সদস্যকে মালামালের সিজার লিস্ট তৈরি করতে বলেন। বাসায় আপত্তিকর কিছু না পাওয়ায় তাদের আনা মদের বোতল, ফেনসিডিল ও বিয়ারের বোতল লিস্টে ওঠাতে থাকে। পরে রাত দেড়টায় ব্যবসায়ীকে একটি সাদা রঙের গাড়িতে করে র্যা ব ৩-এর কার্যালয়ে নিয়ে যায়। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে রাত ২টার দিকে অবশ্য ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেয়া হয়। ব্যবসায়ী ভয়ে এতদিন কথা বলার সাহস পাননি। এখন দুঃখ প্রকাশ করে বলছেন, যারা রক্ষক তারাই যদি ভক্ষক হয়ে যায় এবং মানুষের ক্ষতি করে তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?
প্রিয় পাঠক, শোয়েব আহমেদ কোন গল্প কিংবা থ্রিলার কাহিনীর চরিত্র নন, তিনি RAB এএসপি এবং বাস্তব কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। ‘দুষ্টের' দমন ও শিষ্টের পালন' তার কর্তব্যকর্ম হলেও তিনি বিপরীত কর্মকান্ডে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। শুধু অভ্যস্ত নয়, তিনি বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। বনশ্রীর ঘটনার পর ২২ জুলাই আর এক ঘটনার জন্ম দেন এএসপি শোয়েব। এদিন তাজুল ইসলাম হিরন নামের এক ব্যবসায়ীকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ১১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেন। পরে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার হয় RAB ৩ -এর এএসপি শোয়েব, সেনাবাহিনীর সৈনিক সাগর চন্দ্র বিশ্বাস ও শাহীন আলম। স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ছিনতাইয়ের ৬ লাখ ৫৮ হাজার ৫শ টাকা। RAB গোয়েন্দারা জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা জানতে পেরেছেন। শুধু RAB কিছু সদস্যই নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের বহু সদস্যও ‘দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন' ভুলে গিয়ে নিজেরাই দুষ্ট হয়ে উঠেছেন। এদের একজন হলেন মতিঝিল থানার এসআই সিরাজুল ইসলাম। রাজধানীর ফকিরাপুল এলাকায় বৃদ্ধ আকলুস মিয়ার কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৬০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন এসআই সিরাজুল ইসলাম। বৃদ্ধ এই টাকা জোগাড় করেছিলেন ছেলে নাজমুল মিয়াকে লিবিয়া পাঠানোর উদ্দেশে। উক্ত এসআই এখন সাসপেন্ড অবস্থায় আছেন।
আইন-শৃক্মখলা পরিস্থিতির ক্রমাবনতির সাথে সাথে আইন-শৃক্মখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের এসব কর্মকান্ড জনমনে নিরাপত্তাহীনতাসহ এক ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। তাদের মনে আজ একটাই প্রশ্ন, রক্ষকই যদি ভক্ষক হয়ে ওঠে তাহলে আমাদের নিরাপত্তা দেবে কে? আর যখন জনগণ দেখে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখল-বেদখল কিংবা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে জব্দ করার ব্যাপারে অপরাধী ও পুলিশের মেলবন্ধন তখন হতাশার মাত্রা আরও বেড়ে যায়। এ প্রসঙ্গে পিরোজপুরের পর্দানশীন ৩ তরুণীর ভোগান্তির কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সরকারি দলের কর্মীরা ইসলামী ছাত্রীসংস্থার ৩ তরুণীকে উত্যক্ত করলো, মোবাইল ছিনিয়ে নিল অথচ পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নিল না। উল্টো চিহ্নিত অপরাধীদের অভিযোগের ভিত্তিতে পর্দানশীন ৩ তরুণীকে জেএমবি বানাবার চেষ্টা করা হলো। তাদের থানা-হাজতের ভোগান্তির পর আদালতের কাঠগড়ায় পর্যন্ত নেয়া হলো। তদন্তে অবশ্য অভিযোগের কোন সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি।
উন্নত জীবনের জন্যই মানুষ গণতান্ত্রিক সমাজ চায়, আইনের শাসন চায়। ভোটের সময় রাজনৈতিক দলগুলোও জনগণের আশা-আকাক্মখার সমর্থনে উন্নত সমাজ ও আইনের শাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে। আর এবারের নির্বাচনে তো দিন বদলের প্রতিশ্রুতিও দেয়া হয়েছে। কিন্তু দিন বদলের ওয়াদা তো শুধু কথামালায় সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন হবে যথা আচরণের, ইনসাফ ও আইনের শাসনের। কিন্তু দিন বদলের সরকারের আচরণে আবশ্যিক এই বিষয়গুলো তেমন দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না, বরং উল্টো বিষয়ের প্রতাপে আশা ভঙ্গের কারণ ঘটেছে।
দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে পুলিশের সদর দফতরও অবগত। থানার এসআই, ওসি থেকে শুরু করে এসপি, ডিআইজি পর্যন্ত কিছু পুলিশ অফিসার এখন ফ্রি স্টাইলে দুর্নীতি করছেন। শীর্ষ অফিসাররা এদের দুর্নীতি সম্পর্কে অবহিত থাকার পরও দলীয় চাপের কারণে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক কোন ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা সরাসরি ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থাকায় শীর্ষ অফিসাররা সবকিছু জেনেও নীরব থাকছেন। কয়েক মাস আগেও পুলিশ প্রশাসনের অবস্থা এমন ছিল না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুলিশ বাহিনীতে কয়েক দফা বড় ধরনের রদবদল করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনিক বিবেচনায় নয় বরং দলীয় বিবেচনাই রদবদলের ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। ফলে দুর্নীতিবাজ দলভক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা গুরুত্বপূর্ণ পদে বসার সুযোগ লাভ করে। আর সরকার দলীয় এমপি ও মন্ত্রীদের তদবীরে থানার দারোগার মতো মাঠ পর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদেরও রদবদল করা হয়। এসব কারণে পুলিশ প্রশাসনে চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে পড়েছে। ফলে এখন পুলিশের পক্ষে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঠ্যাঙানো সম্ভব হলেও ‘দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন' সম্ভব হচ্ছে না। উল্টো অনেক ক্ষেত্রে পুলিশই এখন সাধারণ মানুষের জন্য হুমকি হয়ে দেখা দিচ্ছে। এছাড়া বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও দেখা যাচ্ছে এক লেজেগোবরে অবস্থা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর গত কয়েক মাসের ভূমিকাও এ অবস্থার জন্য অনেকাংশে দায়ী।
বর্তমানে আইন-শৃক্মখলা পরিস্থিতির অবনতির আর এক কারণ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দ্বৈতশাসন। ফলে চেইন অব কমান্ডে দেখা দিয়েছে সমস্যা। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ মানছেন না জেলা পুলিশ সুপার। অন্যদিকে থানার ওসি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশ মানছেন না। এতে আইন-শৃক্মখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটছে বলে খোদ জেলা প্রশাসকরাই মনে করছেন। এদিকে গত মঙ্গলবার মন্ত্রী পরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত বিষয়াবলীর কার্য অধিবেশনে জেলা প্রশাসকরা জেলার আইন-শৃক্মখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রে সমস্যা হিসেবে দায়ী করলেন সমন্বয়হীনতাকে। তারা আরও বলেছেন, জেলার আইন-শৃক্মখলা রক্ষার দায়িত্ব জেলা প্রশাসকদের ওপর অর্পিত। কিন্তু এ জন্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ ক্ষমতা তাদের দেয়া হয়নি। তদুপরি আইন-শৃক্মখলা বাহিনীর সাথে সমন্বয়হীনতা এবং অনেক ক্ষেত্রে তাদের অনীহার কারণে জেলা প্রশাসকরা আইন-শৃক্মখলা রক্ষায় আশানুরূপ ভূমিকা রাখতে পারছেন না। জেলা প্রশাসকদের বক্তব্যে আইন-শৃক্মখলা রক্ষার ক্ষেত্রে যেসব সমস্যার কথা উঠে এসেছে তার সমাধানে সরকার কী ভূমিকা পালন করবে তা এখন দেখার বিষয়। তবে সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্রে দলবাজি ও দলীয় তোষণ নীতি যে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে তা সরকারের গত কয়েক মাসের কর্মকান্ড থেকে স্পষ্টভাবেই বলা চলে। প্রসঙ্গত বর্তমান সরকারের আমলে ২০০০ পুলিশ নিয়োগের বিষয়টি উল্লেখ করা যায়। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত উপ-কমিটি। কি প্রক্রিয়ায় এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং কোটা পদ্ধতি কীভাবে অনুসরণ করা হয়েছে তা জানিয়ে কমিটির আগামী সভায় প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ত্রুটিপূর্ণ আখ্যায়িত করেছে এ কমিটি।
এখানে আরও উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, বর্তমানে পুলিশের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা বাড়ার একটি প্রধান কারণ হলো অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা ইউনিটের কার্যক্রম বন্ধ থাকা। এছাড়া ডিসিপ্লিন ডিভিশন থাকলেও এর কার্যক্রম প্রায় বন্ধ। এসব কারণে পুলিশের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আমরা মনে করি এসব বিষয়ে সরকারের নজর দেয়া প্রয়োজন। সাথে সাথে পুলিশকে দলীয় বাহিনীর বদলে রাষ্ট্রের আইন-শৃক্মখলার বাহিনী হিসেবে বিবেচনার সততাও প্রদর্শন করতে হবে সরকার এবং সরকারি দল আওয়ামী লীগকেও। থানায় যেন পুলিশ প্রশাসনের ওসি কার্যকর থাকেন। সেখানে যদি আওয়ামী লীগেরও একজন ওসি থাকেন তাহলে সরকারের দিন বদলের ঘোষণাটি প্রহসনে পরিণত হবে। বিষয়টি সরকার প্রধান এবং আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা এবং তার পরিষদবর্গ উপলব্ধি করলেই মঙ্গল। আসুন দিন বদলের কথাকে বাস্তবে রূপ দেই।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×