somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজনীতি
২০০৬ এর ২৮ অক্টোবর ঢাকার রাজপথে হাসিনার দ্বারা লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার দায়ে শেখ হাসিনার ফাসি চাই।২২৮ অক্টোবর রাজপথে হাসিনার দ্বারা লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার দায়ে শেখ হাসিনার ফাসি চাই।

আন্চলিক টাস্কফোর্স কি টহল দেয়া শুরু করেছে? তন্মধ্যে আবার সংস্কৃতি , পানি, গ্যাস ও যদি বিকিয়ে দেয়া যায় তাহলে খারাপ কি?

৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

“আগরতলার ১৫ কিলোমিটার উত্তরে ভারতের নরশিংগড় সীমান্তে গতকাল (১৯ জুলাই) এক যৌথ টহলে অংশ নেয় বিডিআর (নীল পতাকা) ও বিএসএফ (কমলা পতাকা) জওয়ানরা। সীমান্তে অপরাধ ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করতে সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা পর্যায়ের বৈঠকে এই যৌথ টহলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। দু’দেশের সীমান্ত এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে চোরাচালান বেড়ে যাওয়া ও আন্ত:সীমান্ত অপরাধ রোধ করার বিষয়ে বিডিআর ও বিএসএফ শীর্ষ পর্যায়ে কর্মকর্তারা একমত হয়েছেন। দুই বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়েও সমঝোতা হয়েছে।” এই ছবিটি ‘রাজনৈতিক’ মহলে দারুণ চাঞ্চল্য এবং আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে যে প্রশ্নটি তাদের মনে উদিত হচ্ছে : তাহ’ল, দ্বিপাক্ষিক টাস্কফোর্সের কাজ শুরু হয়ে গেল? যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে আওয়ামী লীগ তার নির্বাচনী মেনিফেস্টো থেকে অনেক দূরে সরে গেল। এই নির্বাচনী মেনিফোস্টো নিয়েও তীব্র বিতর্ক রয়েছে। তবুও শুধুমাত্র আলোচনার সুবিধার জন্য বলতে হয় যে আওয়ামী লীগ তার তীব্র বিতর্কিত নির্বাচনী অঙ্গীকার থেকেও স্খলিত হল। নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল একটি আঞ্চলিক টাস্কফোর্স গঠন। ‘আঞ্চলিক’ বলতে দক্ষিণ এশীয় তথা সার্ক অঞ্চলভিত্তিক টাস্কফোর্সের কথা বোঝানো হয়েছিল। বিগত ৬ জানুয়ারি সরকার গঠনের পরপরই যখন তৎকালীন পররাষ্ট্র মন্ত্রী বাবু প্রণব মুখার্জী বাংলাদেশ সফরে আসেন তখন টাস্কফোর্স প্রসঙ্গটি উথাপিত হয়। প্রণব মুখার্জী কোনো রাখঢাক না করে আঞ্চলিক টাস্কফোর্সের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি প্রকাশ্যে দ্বিপাক্ষিক টাস্কফোর্স গঠনের দাবী করেন। এখানে দ্বিপাক্ষিক বলতে বোঝায় ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ বাহিনী সমবায়ে টাস্কফোর্স গঠন। এখন বাবু প্রণব মুখার্জী ভারতের নবগঠিত মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী।
ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলে যাওয়ার কিছুদিন পর মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী ঢাকা আসেন। তিনি ‘দ্বিপাক্ষিক’ টাস্কফোর্সের পরিবর্তে ‘আঞ্চলিক’ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন দেন। টাস্কফোর্স গঠন প্রশ্নে এই ক্ষেত্রে আমেরিকা এবং ভারতের অবস্খানে ভিন্নতার আভাস পাওয়া যায়। বিডিআর বিদ্রোহকে কেন্দ্র করে ৫৭ জন মিলিটারী অফিসারকে হত্যা করার পর ইস্যুটি সাময়িকভাবে তলিয়ে যায়। তখন অনেকে মনে করেছিলেন যে ভারত ও আওয়ামী লীগের মধ্যে যে সম্পর্ক বিরাজমান তার ফলে টাস্কফোর্স প্রশ্নে আওয়ামী লীগের কাছে আমেরিকার সুপারিশের চেয়ে ভারতীয় দাবী প্রাধান্য পাবে। এখন দেখা যাচ্ছে সেটি সত্য হতে চলল।
ঢাকায় বিডিআর ও বিএসএফ প্রধানদের রহস্যময় বৈঠক
মাত্র গত সপ্তাহে ঢাকায় বিডিআর ও বিএসএফ প্রধানদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। বেশ কিছুদিন আগে বিডিআর প্রধান ভারতে যান এবং বিএসএফ প্রধানের সাথে বৈঠকে মিলিত হন। এরপর যখন বিএসএফ প্রধান ঢাকায় আসেন তখন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ভেবেছিলেন যে এটি হয়ত দুটি দেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর নিয়মিত রুটিন বৈঠক। অতীতে এই ধরনের অসংখ্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সেগুলোতে কোন কাজের কাজ হয়নি। এবারও বৈঠকের আগের দিন এমনকি বৈঠকের দিনেও বিএসএফের গুলিতে বেসামরিক নিরীহ বাংলাদেশী নিহত হয়েছেন। এই বিষয়টি বিএসএফ প্রধানের কাছে উথাপন করা হলে তিনি বিষয়টিকে তেমন পাত্তা দেননি। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন যে, এই ধরনের গোলাগুলি রাতে হয়ে থাকে। ঐ বৈঠক শেষেই বলা হয় যে সীমান্তে বিডিআর এবং বিএসএফ যৌথ টহল দিতে সম্মত হয়েছে।
ঐ বৈঠকের পর এক সপ্তাহ অতিক্রান্ত হয়নি। বৈঠকের ঐকমত্য অনুযায়ী তিন চার দিনের মধ্যেই এত তড়িঘড়ি করে যে ঐ সিদ্ধান্ত কার্যকরী হবে সেটা অনেকে ভাবতে পারেননি। এই যৌথ টহল সম্পর্কে বাংলাদেশীদের মনে রয়েছে অনেক প্রশ্ন, রয়েছে অনেক সংশয়। সেগুলো ধীরে সুস্খে উথাপিত হতো। কিন্তু সেই সুযোগ না দিয়ে কংগ্রেস এবং আওয়ামী সরকার যে এত দ্রুত টহলদারী শুরু করবে সেটা অনেকে ভাবতে পারেননি। আগরতলা সীমান্তের ১৫ কিলোমিটার উত্তরে ভারতীয় অঞ্চলের নরশিংগড়ে যৌথ টহলের প্রয়োজন হয়েছে কেন? কোন দেশের স্বার্থে এই যৌথ টহলদারী? সাম্প্রতিককালে দেখা যাচ্ছে, সরকারের বক্তব্য মোতাবেক অনেক ভারতীয় জঙ্গি বাংলাদেশ থেকে গ্রেফতার হয়েছে। সর্বশেষ গ্রেফতার হয়েছে মাওলানা ওবায়দুল্লাহ এবং মাওলানা মনসুর আলী। বলা হচ্ছে যে তারা নাকি ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি। তারা নাকি ভারতের নিয়ন্ত্রণ থেকে কাশ্মীরকে মুক্ত করার সংগ্রামে যারা লিপ্ত তাদেরকে সাহায্য করতেন। তাদের অপরাধ, আফগানিস্তানকে সোভিয়েত দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করতে বহুজাতিক মুক্তি সংগ্রামী হিসেবে সেই লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। বাংলাদেশে ভারতীয়রা গ্রেফতার হচ্ছে। ভারতে কি বাংলাদেশীরা গ্রেফতার হচ্ছে? আমরা সেটা জানি না। ভারতীয় টেলিভিশন, বিশেষ করে দূরদর্শন, ইটিভি বাংলা, জি বাংলা প্রভৃতি চ্যানেল দেখি। বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক সন্ত্রাসী বা জঙ্গি গ্রেফতার হয়েছে, এরকম খবর আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেনি। আমাদের টেলিভিশন চ্যানেল এবং পত্র-পত্রিকাগুলোতে মাওলানা ওবায়দুল্লাহ এবং মাওলানা মনসুর আলীর গ্রেফতার নিয়ে যত হৈচৈ ও হুলস্খুল হয়, বাজার যত গরম থাকে, তেমন হৈচৈ ও হুলুস্খুল বাংলাদেশীদেরকে নিয়ে ভারতের পত্র-পত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যালেনগুলোতে হয় না। সে জন্যই প্রশ্ন উঠছে, দ্বিপাক্ষিক টাস্কফোর্স কেন? ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা, মনিপুরের রাজধানী ইমফল, আসামের রাজধানী গোয়াহাটি বা মিজোরামের রাজধানী আইজল প্রভৃতি স্খানে কি বাংলাদেশের সন্ত্রাসীরা লুকিয়ে আছে যে ভারতীয় বাহিনীর সাথে বাংলাদেশ বাহিনীকে ঐ সব জায়গায় অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশী সন্ত্রাসী খুঁজে বের করতে হবে? বাংলাদেশে মাওলানা ওবায়দুল্লাহ, মাওলানা মনসুর বা দাউদ মার্চেন্টদেরকে খুঁজে বের করার জন্য ভারতীয় বাহিনীকে ঢাকায় আসতে হয়নি। তাহলে ভারতীয় বাহিনীর সাথে বাংলাদেশ বাহিনী আগরতলা বা ত্রিপুরা গিয়ে কী খুঁজছে? কাদের খুঁজছে?
আওয়ামী লীগের মেনিফেস্টো অনুযায়ী এটি হওয়ার কথা ছিল আঞ্চলিক যৌথ টাস্কফোর্স। ভারত ও বাংলাদেশ বাহিনীর সাথে থাকার কথা ছিল পাক বাহিনী, নেপালী বাহিনী, লঙ্কা বাহিনী (শ্রীলংকা)। ভুটান এবং মালদ্বীপের নিয়মিত সেনা বাহিনী নাই। তাই তাদের কথা এখানে উল্লেখ করলাম না। সার্কের ৭ জাতি বাহিনীর স্খলে মাত্র দুই জাতি বাহিনী কেন? সে জন্যই শুরুতেই আশংকা প্রকাশ করেছিলোম যে তাহলে কি দ্বিপাক্ষিক অর্থাৎ ভারত-বাংলাদেশ টাস্কফোর্স গঠিত হয়ে গেছে এবং তারা অপারেশন শুরু করেছে?
এজেন্ডা বহির্ভূত সিদ্ধান্ত
বিএসএফ বিডিআরের বৈঠক হয় ৩ দিন ধরে। ঢাকায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে যৌথ টহলধারীর কোনো এজেন্ডা ছিল না। কিন্তু দেখা যায় যে তৃতীয় দিন, অর্থাৎ ১৪ জুলাই এজেন্ডায় না থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ করে এতবড় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় উঠে আসে। এমন অসাধারণ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে বাংলাদেশের তরফ থেকে সিদ্ধান্ত দেবে কে? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিডিআর। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে নাই, চিকিৎসার জন্য তখন সিঙ্গাপুরে অবস্খান করছিলেন। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীও তখন দেশে নাই (অবশ্য পরে জানা গেছে যে তিনি পদত্যাগ করেছেন)। তাহলে বিডিআর মহাপরিচালককে এত বড় সিদ্ধান্ত দিলো কে? তাহলে বাংলাদেশের নেপথ্যে আরো কিছু ছিল কি?
কাঁটাতারের বেড়া : তাহলে কোথায় টহল?
বাংলাদেশের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ-ভারত অভিন্ন সীমান্তের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভারত কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে। কাঁটাতারের এই বেড়া দিতে ভারতের এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশী মুদ্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা। তাহলেই বোঝা যায় যে সীমান্তের কতখানি অংশ ঘেরাও করেছে কাঁটাতারের বেড়া। এত বড় অংশ ঘেরাও করার পরেও কি প্রয়োজন হয় যৌথ টহলের? যৌথ টহলের অন্যতম উদ্দেশ্য নাকি চোরাচালান দমন। চোরাচালানকে অর্থনীতি ও বাণিজ্যের পরিভাষায় বলা হয় ‘ইনফরমাল ট্রেড’ বা অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে এই অনানুষ্ঠানিক ট্রেড বা ইনফরমাল বাণিজ্য কিন্তু বেড়েই চলেছে। এখন জনগণ দেখতে চায় যে দুই দেশের বাহিনীর যৌথ টহলের ফলে বাংলাদেশে ভারতের চোরাচালান বাড়ে, না কমে? অতীত অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায় যে চোরাচালান বাড়বে বৈ কমবে না।
সীমান্ত রক্ষা : তাহলে প্রতিপক্ষ কে?
বিডিআরের নাম পরিবর্তিত হচ্ছে। নতুন নাম হচ্ছে ‘বর্ডার গার্ড’ বা সীমান্ত রক্ষী। কাদের হাত থেকে প্রাক্তন বিডিআর বা নতুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষা করবে? যাদের হাত থেকে রক্ষা করার কথা, তাদের সাথেই তো ওরা মিলেমিশে টহল দিচ্ছে, যেমন দেখা যাচ্ছে ‘সমকালের’ ঐ ছবিতে। এখন দেখা যাচ্ছে যে ওরা ইতোমধ্যেই হয়ে গেছে তাদের ‘জিগরী দোস্ত।’ তাহলে আর কোন সীমান্ত রক্ষা করবে? এভাবে যদি যৌথ টহল চলতে থাকে তাহলে ভবিষ্যতে ভারত এবং বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষীরা মিলেঝুলে চা-বিস্কুট খাবে এবং বিড়ি-সিগারেট ফুঁকবে। আর সীমান্তের গাছের ছায়ায় দুই দেশের রক্ষীরা শুয়ে বসে শীতল হাওয়ার পরশ খাবে।
ঐদিকে ভারত তার এই সীমান্ত সম্পর্কে দুশ্চিন্তা মুক্ত হয়ে তার সামরিক শক্তি আরো বাড়াবে এবং পাকিস্তান ও চীন সীমান্তে আরো বেশী করে সেনা মোতায়েন করবে। ফলে অচিরেই সে চীনের সমকক্ষ হয়ে উঠবে এবং রাশিয়া ও চীনের সাথে সাথে নতুন পরাশক্তি হিসেবে নিজের নাম লেখাবে। সে জন্যই ভারত তার এবারের প্রতিরক্ষা বাজেট বরাদ্দ গত বছরের তুলনায় ৩৪ শতাংশ বাড়িয়েছে। বিপরীত দিকে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই সামরিকভাবে হীনবল হয়ে গেছে। এখন বিডিআরও পুলিশের পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। নিজের শক্তি খর্ব করে পরের শক্তি বৃদ্ধির এমন উৎকৃষ্ট নজির একমাত্র বাংলাদেশেই পাওয়া যায়। এটিকেই বলে টাস্কফোর্সের কেরামতি। যা আমাদের জন্য বরাবরের মত বড় একটি হুমকি। আর তারই মাঝে আজ মন্ত্রীসভায় সংস্কৃতির দায়িত্ব দিয়ে সরকার আবারো পানি সম্পদ মন্ত্রীর মত কবে না বলেন যে, আমাদের সংস্কৃতিই ভারতের সংস্কৃতি।এতে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবেনা। দেশের মন্ত্রী সভাও গঠিত হয় ওপারের দাদাদের নির্দেশে।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×