কোলা ব্যাঙ হাতীতে রূপান্তর তারপর একটি চুক্তি এবং.....................
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের তেমনি এক সরকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে ভারতের পক্ষে। এ সরকার এ পর্যন্ত যা কিছু করেছে তার কোন কিছুই বাংলাদেশের স্বার্থানুুকূলে না হলেও ভারতের স্বার্থ ব্যাপকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে। সরকার ভারতকে এশিয়ান হাইওয়ের নামে করিডোর দেয়ার ব্যবস্খা করছে। ভারত একতরফাভাবে গঙ্গার পানি প্রত্যাহার করে নিলেও তার প্রতিবাদ না করে মন্ত্রীরা ভারতের পক্ষে অবিরাম সাফাই গাইছে। ভারত বরাক নদীর ওপরে টিপাইমুখে বাংলাদেশের জন্য মহাবিপর্যয়কর বাঁধ নির্মাণের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রতিবাদ করাতো দূরের কথা মন্ত্রীরা ঐ বাঁধ দেয়ার ফলে বাংলাদেশের কি কি উপকার হবে তার একটা ফিরিস্তি দেয়ার চেষ্টা করছিলেন। ভারতীয় বাহিনী সীমান্তে ত্রাস সৃষ্টির জন্য যখন তখন সেখানে পাখি শিকারের মত গুলি করে বাংলাদেশীদের হত্যা করছে। সরকারের তরফ থেকে টু শব্দটিও উচ্চারণ করা হচ্ছে না। ভারতের ইচ্ছা মোতাবেকই সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনা ছাউনি সরিয়ে নিয়ে সেখানকার বাঙালী বসতি উচ্ছেদের পথ পরিষ্কার করছে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের ওপর বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রশ্নবিদ্ধ করছে। ভারত বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বিডিআর বাহিনী ধ্বংস করেছে এবং সেনাবাহিনীকে দুর্র্বল করে দিয়েছে। সরকার এসব ইস্যু ফেলে রেখে বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজে বেড়াচ্ছে।
দেশের মধ্যে অবিরাম চলছে প্রায় সকল ক্ষেত্রে ভারতীয় খবরদারি। বাংলাদেশে নিযুক্ত উপসচিব পদমর্যাদার ভারতীয় হাই কমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বাংলাদেশের দণ্ডমুণ্ডের অধিকর্তা সেজে বসেছে।বাংলাদেশের জনগণ, দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবী, সমাজ ও বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতেও পিছপা হননি এই রাষ্ট্রদূত। যেন বাংলাদেশ এক উপনিবেশ আর পিনাক চক্রবর্তী তার ভাইসরয় হিসেবে বাংলাদেশের শাসনকর্তা রূপে প্রতিষ্ঠিত। তার আচরণের ফলে তাকে যেখানে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়া দরকার ছিল সেখানে সরকার সামান্যতম প্রতিবাদ পর্যন্ত দেখাতে সাহস পায়নি। যে সরকারের নিজেদেরই কোন আত্মমর্যাদা নেই জনগণের মর্যাদা তারা রক্ষা করবে কিভাবে?
এদিকে সরকারকে সঠিক পথে রাখার জন্য মাঝে মাঝে অতি সঙ্গোপনে বাংলাদেশ সফর করে চলে যায়। এর আগে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এয়ারপোর্টে নেমে সোজা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে স্বদেশে ফিরে গিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। তার সফর সম্পর্কে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছুই জানতো না। জানতো না প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ও। ফেরার পথে তিনি সাংবাদিকদেরও কোনরূপ সাক্ষাৎকার দেননি। প্রধানমন্ত্রীও এ ব্যাপারে কাউকে কিছু অবহিত করেননি। কিন্তু দেশের মানুষের জানবার অধিকার আছে প্রধানমন্ত্রীকে কি কথা বলতে এসেছিলেন ঐ ভারতীয় কর্মকর্তা। আর তা নিয়ে এত গোপনীয়তা বা কেন? জনগণ জানতে পারেনি। গত ২২ আগস্ট ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ-শ্রীলংকা-মালদ্বীপ ডিভিশনের প্রধান ও যুগ্ম সচিব টিএস ত্রিমুর্তি বাংলাদেশ সফরে আসেন। ২৩ আগস্ট তিনি বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক মহাপরিচালকের সঙ্গে। সেই বৈঠকে কি আলোচনা হয়েছে সে কথা জানা যায়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডাক্তার দীপু মনি বলেছেন ত্রিমূর্তি ঢাকায় এসেছিলেন রুটিন বিষয়ে আলোচনা করতে। সে রুটিন বিষয়টা যে কি দীপু মনি তা আর স্পষ্ট করেননি। এ মাসেই তিন দিনের সফরে দীপু মনির নয়াদিল্লী যাওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশের সাথে ভারতের অমীমাংসিত সমস্যাও বহু। সে সব সমস্যা কমিয়ে আনার উদ্যোগ তো নেই বরং ভারত তা বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। দীপু মনির এই সফরকালে ভারত এশিয়ান হাইওয়ের সাথে করিডোর চুক্তি করতে চায়। চায় বন্দী প্রত্যার্পন চুক্তি। অপরাধ দমনে পারস্পরিক সহায়তা চুক্তি। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমনে দ্বীপক্ষীয় চুক্তি এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের বিনিময় করার চুক্তি। ওই কোন চুক্তির ফলাফলই বাংলাদেশের অনুকূলে রাখা যে সম্ভব হবে না সেটা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে গেছে।
ভারতের এই কর্মকর্তা রুটিন আলোচনা করতে বাংলাদেশে এসেছিলেন বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাবে এদেশের মানুষ ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে তিমিরে ছিল সে তিমিরেই রয়ে গেল। ১৯/২০ কিছুই হলো না। কিন্তু ভারতকে সবকিছু দিয়ে দেয়ার জন্য এত উতলা কেন সরকার। বিনিময়ে বাংলাদেশ কী পাবে? যদি কিছুই না পায় তাহলে বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে করদ রাজ্যের মর্যাদাই শুধু পাবে আর কোন লাভ হবে না। তাই দৃঢ় বিশ্বাস এদেশের মানুষ কোন অবস্খাতেই এমন পরিস্খিতি মেনে নেবে না। আসুন দেশ থেকে দালাল খেদাই।
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।