আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে তৃণমূল নেতাদের কিছু সাহসী উচ্চারণ আজকের আমাদের সময় পত্রিকায় উপরোক্ত শিরোণামে চাপা হয়েছে। রিপোর্টের কিছু চুম্বকীয় অংশ আপনাদের উপহার দিচ্ছি।
……………………….
বর্ধিত সভায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ, অভিমান ও নানান অভিযোগ শুনতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় নেতাদের। সরকারের সঙ্গে কোনো আতাঁতের মাধ্যমে কারাবন্দি শেখ হাসিনার মুক্তি হয়েছে কিনা, সরকারের সঙ্গে আতাঁত হলে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা নির্বাচনের বিরোধীতা কেন করা হচ্ছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণ কিংবা বর্জন কেন স্পষ্ট করা হচ্ছে না, শেখ হাসিনার মুক্তির পর ৬ দফা দাবি আন্দোলন কেন ঝিমিয়ে পড়ল, তৃণমূল নেতাকর্মীদের এধরনের নানান প্রশ্নের মুখেও পড়তে হচ্ছে তাদের। জানা গেছে, কেন্দ্রীয় নেতারা অনেক প্রশ্নেরই উত্তর দিতে পারছেন না।.
২১ জুন গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য তোফায়েল আহমেদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুকুল বোস। সভায় তৃণমূল নেতাকর্মীরা তোফায়েল আহমেদের কাছে রাজনৈতিক অনেক প্রশ্নের উত্তর জানতে চান। তোফায়েল আহমদ বেশিরভাগ প্রশ্নই এড়িয়ে যান।
ঐ নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ’৮৬’র নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং মাঝপথে সংসদ থেকে পদত্যাগ করে খালেদা জিয়াকে আপসহীন নেত্রী হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলো আওয়ামী লীগ। রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্তের কারণে খালেদা জিয়া আবারো আপসহীন নেত্রী হতে চলেছেন। কেন্দ্রীয় এক সহ-সম্পাদক এসময় বলেন, সরকারের দালালি করলে ভালোভাবেই করা উচিত। ধরি মাছ না ছূই পানি এর কোনো মানে হয় না।
ঐ আওয়ামী লীগ নেতা সাহস নিয়ে এমন মন্তব্য করলেও এই ব্লগের আওয়ামী লীগাররা কিন্তু হাসিনার মুক্তি ও সরকারের সাথে আঁতাত নিয়ে এখনও কিছুই বলছে না! ব্যাপারটা রহস্যজনক বৈকী!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


