অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ বলেন, রাজনৈতিক কারণেই এটি করা হয়েছে। মন্ত্রিসভা ক্যান্টনমেন্টের সম্পদের বরাদ্দ বাতিল করতে পারে কি না, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। অধ্যাপক মোজাফফর বলেন, বাতিল করতে পারে তারাই, যারা বরাদ্দ দেয়। এই বাড়িটি তৎকালীন সেনাপ্রধান দিয়েছিলেন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের প্রধান হিসেবে। সুতরাং এটি বাতিল করতে হলে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডকেই করতে হবে।
অধ্যাপক মোজাফফর বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেত্রীকে ওই বাড়িটি ছাড়ার ব্যাপারে যে আহ্বান পার্লামেন্টে করেছিলেন, সেখানে থামলেই তিনি ভালো করতেন। বিধবাদের জন্য ওই জায়গাটুকু প্রধানমন্ত্রী চাইছেন। তা চাতুরি বলে আমার মনে হয়। শেখ হাসিনা যে মাত্র ১ টাকায় গণভবন পেয়েছিলেন এবং সেটা রাখতে পারেননি, সেই প্রতিহিংসা থেকেই এটি করা হয়েছে বলে মানুষের কাছে মনে হতে পারে।
একই ব্যক্তির নামে দু’টি বাড়ি বরাদ্দ দেয়ার বিধান নেই উল্লেখ করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও ড. আকবর আলি খান বলছেন, এ রকম কোনো আইন নেই। তিনি বলেন, সরকার একটি বাড়িও দিতে পারে, দুটোও দিতে পারে। আবার নাও দিতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



