সৃষ্টি রহস্য
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৩২
![]()
(এই সীমিত জ্ঞানে বিজ্ঞানের বিষয় গুলা বুঝার চেষ্টা করি। কিন্তু অতবেশী লেখাপড়া করতে পারিনা, আর বুঝিও কম। তাই ব্লগের দ্বারস্থ হলাম।বল্গের বন্ধুরা সময়ে/অসময়ে এসব নিয়া একটু ব্লগর ব্লগর করে গেলে আমার ও অন্যদের ধারনাগুলো পরিষ্কার হত। )
বিজ্ঞানীরা এখন বিগব্যাং পরিস্থিতি কৃত্রিমভাবে তৈরী করার জন্য চেষ্টা করছে। আমরা এই মহাবিশ্বকে বস্তু আকারে দেখি। একসময় মানুষের ধারনার বাইরে ছিলো যে এই বস্তু বা পদার্থ শক্তি ( এনার্জী) থেকেই সৃষ্টি হয়েছে।
আসলে আগে শক্তি সম্পর্কেও সঠিক ধারনা ছিলো না। তাপ , আলো, বিদ্যুত ইত্যাদি শক্তি কে মানুষ আলাদা আলাদা ক্ষমতা হিসাবে দেখতো। কিন্তু বিজ্ঞান একসময় দেখালো যে শক্তির আসলে সৃষ্টি বা ধ্বংস নাই। শক্তি এক রুপ থেকে আরেক রুপে পরিবর্তিত হয়। বিজ্ঞান শক্তি আর বস্তুকে আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করতে থাকলো যতদিন না আইনষ্টাইন নতুন ধারনা নিয়ে আসলেন। e=mc2। পুরা কাহিনীই বদলে গেলো। তার মানে পদার্থেকে ভেংগে ফেলতে পারলে বিপুল শক্তি নির্গত হয়। বস্তুর ধ্বংস মানে শক্তিতে রুপান্তর। তাহলে বস্তুর সৃষ্টিতে শক্তি জড়িত। বিগব্যং এর সময় প্রচন্ড পরিমান শক্তি থেকে এক বিশেষ অবস্থায় এই মহাবিশ্ব জগতের সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারনা করা হয়। তাই এখন সার্নের তত্বাবধানে এলএইচিসর ( large hadron collider) মাধ্যমে সেই বিগব্যাং এর পরিস্থিতি তৈরী করা হচ্ছে যাতে সৃষ্টির রহস্য বোঝা যায়। ( বেশী বুঝতে গিয়া যদি আবার সব ধ্বংস কইরা ফালায় তাইলে তো বিপদ)
এই মহাবিশ্ব সৃষ্টির পুর্বে তাহলে শক্তি ছাড়া কিছুই ছিলো না? ঐ শক্তি কি রুপে ছিলো? কেন ঐ শক্তি থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হল। ধর্মে বর্নিত সৃ্ষ্টিকর্তাকে কি আমরা ঐ শক্তি বলতে পারি?
এসব বিষয়ে যার যার ভান্ডার থেকে মুক্ত মস্তিস্কে যার যার সাধ্যমত কিছু জ্ঞান দান করে যান।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সৃষ্টি রহস্য, সৃষ্টি রহস্য ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ভাবনারা বিভাগে ।
মিঠাই বলেছেন:
সব কিচু কুরানে লিখা আছে। কুরান পড়েন মনোযোগ দিয়া, বুঝতে পারবেন।
লেখক বলেছেন: আপনে পইড়া থাকলে তার কিছু বয়ান দিয়া যান, আমি পুষ্টে এড করতাম চাই।
মিঠাই বলেছেন:
কেন আপনে কুরান পড়েন নাইক্কা? বিগব্যাং থিউরি ত্থিকা সব অতিত, বর্তমান আর ভবিষ্যতের বিজ্ঞান সেখানে ইশারা-ইঙ্গিতে দেওয়া আছে। দুইন্যার এমুন কুন গিয়ান নাইক্কা, যেইটার হিন্টস সেহানে দেওন নাই। কুরানে বলা হইসে 'পড়'। আর মিঞা আপনে নিজে পরতে চাইতেসেন না, আমার পড়া দিয়া নিজের গিয়ান বাড়াইতে চাইতেসেন? লাইপে উন্নতি করবার পারবেন না, কয়া দিলাম।
লেখক বলেছেন: হুদাই না প্যাচাইয়া কয়া ফালান ।
কমল বলেছেন:
আপনার লিখাটি পড়ে ভালো লাগলো, তবে আমার ভান্ডারে কিছুই নাই।
নুশেরা বলেছেন:
আমার মতো অগাবগার জন্য খুবই দরকারী পোস্ট। আশা করছি অনেক দরকারী মন্তব্য, লিঙ্ক-- এসব পাব।
লেখক বলেছেন: আশা করি পাবো।
নাজিম উদদীন বলেছেন:
মিঠাই সব বলে দিয়েছে।
লেখক বলেছেন: পোষ্ট দিলাম কিছু জ্ঞান লাভের জন্য। আর আপনেরা দেখি সব বলে দিছেন। কেমনে কি? কিন্তু কিছু তো জানলাম না।
রামন বলেছেন:
মহাবিশ্ব ধ্বংস হয়ে যাবার যে সংশয় আমাদের পেয়ে বসেছিল আপাতত সেটি দুর হয়েছে বিগব্যাং মেসিনটির যান্ত্রিক ত্রুটির মধ্যদিয়ে। আগামী দুমাসের ভেতর এল,এইচ,সি কোনো প্রকার সংর্ঘষ বা পরীক্ষামূলক কার্য চালাতে পারবে না। ব্যয়বহুল মেসিনটির দ্বারা মহাবিশ্ব ধ্বংস হবে না, সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীগন বারবার কথাটি বলেছেন।
দৌবারিক বলেছেন:
হ ভাই, কোরান পড়েন। না বুঝলে হুজুরের কাছে যান। তিনি আপনাকে মহাগর্জনতত্ত্ব বুঝিয়ে দিবেন। ব্লগে কোনো হুজুর-ব্লগার আছে বলে মনে হয় না। কাজেই এখানে কারো ভান্ডার থেকে কিছু পাবেন না। (আমার মন্তব্য পছন্দ না হলে মুছে ফেলতে পারেন।)
লেখক বলেছেন: এইখানেও হুজুর আঁচে।
চিপা রংবাজ বলেছেন:
সব কিচু কুরানে লিখা আছে।
দৌবারিক বলেছেন:
হুমায়ুন আজাদের 'মহাবিশ্ব' পড়া আছে আমার। বাংলা ভাষায় এরকম একটা জটিল বিষয়কে যে এত সাবলীলভাবে লেখা যায় তাঁর বইটা না পড়লে বোঝা যাবে না। আপনার জানা মতে আর কোনো বই আছে? শেয়ার করতে পারেন।
রাজর্ষী বলেছেন:
আমি পড়িনি এটা। পড়ার ইচ্ছা আছে।

















