somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... পোস্ট বন্ধ্যাত্বে ভুগছি....

লক্ষন: পোস্ট দিতে ইচ্ছা করে না। খালি পড়তে আর মাঝে মাঝে কমেন্ট করতে পারি। কমেন্ট বেশি বড় হৈলে আর লিখেতে ইচ্ছা করে না।

জটিলতা: সমস্যা হয় যখন মাথায় কোন আইডিয়া আসে লেখার জন্য এবং মনে হয় এখন লিখতে পারি । কিন্তু সামুতে লগিন করতে না করতেই আর লেখতে ইচ্ছা করে না। গলার মধ্যে দলা পাকায় থাইকা যায়। কিছুক্ষন গিলতে পারিনা আবার উগড়াতেও পারি না। তারপরে একসময় অটোমেটিক পেটে মধ্যে ঢুকে যায়। কয়েকদিন পরে আইডিয়া হজম হয়েও যায়।পোস্ট আর প্রসব করা হয় না।

এমন না যে আমি খুব ভালো লেখক... আমি পোস্ট দিতে পারি না বৈলা সামু কোন ক্ষতি হৈতাছে। আমি লেখলে দেশ জাতি উদ্ধার ও হবে না...এমন কি লেখতে পারতাছিনা বৈলা আমার রাতের ঘুম নস্টও হৈতাছে না।

কিন্তু এরপরেও মনে হয় একধরনের যন্ত্রনার মধ্যে আছি। দেখা যাক এই কোস্ঠকাঠিন্য কবে নাগাদ দুর হয়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29262157 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29262157 2010-10-27 05:06:36
বাংলাদেশ মধ্যআয়ের দেশ হলে কি হবে? ১। আমার তাতে কি উন্নতি হবে।
২। মধ্য আয়ের দেশ কিভাবে হতে যাচ্ছে।
মুলতঃ রেমিটেন্স এর প্রবাহ দিয়েই শুনলাম এই অর্জন। তা আমিও রেমিটকারি। আমার প্রশ্ন, মধ্যআয়ের দেশ হওয়ার মাধ্যমে কি ঢাকা শহরের রাস্তা ঘাট থেকে ভুখা নাংগা মানুষের মিছিল কমবে? দেশে আসলে রাতের ঢাকার ফুটপাথে গৃহহীন মানুষের শয্যা কি আর দেখতে হবে না? গ্রামের সরল মানুষেরা ঢাকা না এসে গ্রামে বসেই কি দুমুঠো ভাত তিনবেলা পেটভরে খেতে পারবে? আমি জানি এসবের কোন সমাধান হবে না। কারন এই মধ্য আয়ের দেশ হওয়ার ব্যাপারটা পরিসংখানগত ব্যাপার। হয়তো এরমাধ্যমে গরীব মানুষের সংখ্যা আরো বাড়বে। বাস্তবে উপরের কোন কিছুরই সমাধান হবে না। এসব পরিসংখ্যানগুলো হয়তো ক্ষমতাসীনদের সফলতার ঢোল হিসাবে ব্যাবহার হবে। সুতরাং কখন দেশ মধ্যআয়ের হলো আর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফুলে ফেপে উঠলো সেসবর আদতে আমার কিছুই আসে যায়না। এমন কি এটা দিয়ে নিজেদের লজ্জাস্থান ও হয়তো ঢাকতে পরবো না। কারন যতদিন উপরোক্ত ব্যাপার গুলো সমাধান না হবে আমরা যা কিছু ফুটানি করি না কেন আমরা উলংগই থেকে যাবো।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29085266 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29085266 2010-01-25 10:38:08
ভারত যা তাকে সেভাবেই দেখতে হবে - আনু মোহাম্মদ ভারতকে বুঝতে গেলে বা ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঠিকভাবে নির্ধারণ করতে গেলে প্রথমে দুটো দৃষ্টিভঙ্গী বাতিল করতে হবে। এগুলো হল প্রথমত, যেহেতু ভারত ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সহযোগিতা করেছিল সেহেতু ভারত কখনো বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কোন অবস্থান গ্রহণ করতে পারে না। সুতরাং বাংলাদেশ সম্পর্কে ভারতের কোন ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা অকৃতজ্ঞতার শামিল। এবং দ্বিতীয়ত, ভারত একটি হিন্দুপ্রধান রাষ্ট্র সুতরাং সেই হিসেবে মুসলিমপ্রধান রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের উপর সে আধিপত্য বিস্তার করছে। ভারতকে মোকাবিলা অতএব একটি সামপ্রদায়িক প্রশ্ন।

রাষ্ট্রের সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্ক নৈব্যক্তিক। এখানে মহানুভবতা, দয়া দাক্ষিণ্য এমনকি সমপ্রদায়গত বিবেচনা কাজ করে না। রাষ্ট্র কাজ করে তার আভ্যন্তরীণ শ্রেণীশক্তির বিন্যাস, তার চাহিদা, নীতি ও প্রতিষ্ঠান অনুযায়ী। অন্যান্য উপাদান এর অধীনস্ত। ব্যক্তির ভূমিকা সেখানে খুবই গৌণ, নিছক মুখপাত্রের।

ভারতকে বিবেচনা করতে হবে একটি বৃহৎ রাষ্ট্র হিসেবে, আশেপাশের সবগুলো দেশের তুলনায় যার অর্থনৈতিক, শারীরিক, সামরিক শক্তি অনেকগুণ বেশি। এটি এমন একটি রাষ্ট্র যেটি স্বাধীনতা লাভের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে নির্বাচিত সরকার দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে, কিনা একইসঙ্গে যার এক তৃতীয়াংশ অঞ্চল এখন সামরিক বাহিনী দ্বারা পরিচালিত। ভারত এমন একটি রাষ্ট্র যেখানে কোটিপতির সংখ্যা পৃথিবীর সর্বোচ্চ, রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় বৃহৎ পুঁজিপতির একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হয়েছে সেখানে যার চাহিদা বাজার সমপ্রসারণ, পুঁজিবিনিয়োগ, মূলধন সংবর্ধনে দখল বিস্তার। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কৌশলগত ঐক্য এই শ্রেণীর দাপট আরও বৃদ্ধি করেছে। আবার ৪০ কোটি মানুষেরও বেশি অর্থাৎ একদেশে পৃথিবীর সবচাইতে বৃহৎ সংখ্যক দরিদ্রের বাসও এই ভারতেই। একদিকে জাকজমক অনেক বৃদ্ধি পেলেও শ্রেণীগত জাতিগত লিঙ্গীয় বর্নগত আঞ্চলিক বৈষম্য খুবই প্রকট। সামপ্রদায়িকতা আর জাতপাতের সংঘাত সহিংসতা নানাভাবে জারী আছে। বৈষম্য, নিপীড়ন ও মূলধন সংবর্ধনের আদিম ও আধুনিক দুটো রূপই সেখানে এখনও প্রবলভাবে উপসি'ত। শাসক শ্রেনীর বাঁধ নির্মাণ সহ তথাকথিত উন্নয়ন উন্মাদনায় ভারতের বহু কোটি মানুষ এখন উদ্বাস', ছিন্নভিন্ন। প্রতিরোধও নিচ্ছে নানা মাত্রা। অন্যদিকে যেসব অঞ্চলে খনিজ সম্পদ বেশি সেখানে নানা অজুহাতে সামরিকীকরণ বাড়ছে, বাড়ছে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড।

নিজ দেশেই সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ যেখানে রাজনৈতিক অর্থনৈতিক ও সামরিক নিপীড়নের শিকার সেই
ভারত তার আশেপাশের তুলনামূলক দুর্বল দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক স্থাপনে কাদের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করবে তা বুঝতে অসুবিধা হবার কথা নয়। বাংলাদেশের সাথে ভারতের যেসব সমস্যা জটিল আকার ধারণ করেছে সেগুলো তাই নিছক ভুল বোঝাবুঝি বা সরকার বিশেষের বাংলাদেশ বিদ্বেষ প্রসূত নয়। এর কারণ একদিকে ভারতের শাসক শ্রেনীর পাশ্ববর্তী তুলনামূলকভাবে দুর্বল দেশগুলোর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী এবং তার এজেন্ডা বাস্তবায়নে পরিকল্পিত পদক্ষেপ এবং অন্যদিকে বাংলাদেশের সরকারগুলোর বা নির্দিষ্টভাবে শাসকশ্রেণীর অবনত অবস্থান থেকে সৃষ্ট।

তালপট্টি ইস্যু ও ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশের একটি অনেক পুরনো বোঝা। কোন সরকার এগুলো নিয়ে নিজেদের অবস্থান নিজদেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। আর তার ফলে এখন আরও অনেক বিপদ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের সমুদ্র সীমার দুই তৃতীয়াংশ এখন ভারত ও মায়ানমার দাবি করছে। ভারত, মায়ানমার আর সেইসঙ্গে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরকে ভাগাভাগি করে নেবার আয়েজনে ব্যস-, বাংলাদেশের সরকারগুলো এই বিষয়ে তাদের বিভিন্নমাত্রায় সুযোগ ও সেবাদান ছাড়া আর কিছু করেনি। নদীর পানি বন্টন এখন আরও বড় ঝুঁকির মুখে। টিপাইমুখ বাঁধ ও সেইসঙ্গে ফুলেরতল ব্যারেজ বাংলাদেশের জন্য একটি বড় বিপদ হিসেবে হাজির হতে যাচ্ছে। সরকারের অবস্থান একেবারেই নাজুক। ভারত বাংলাদেশের সীমান্ত জুড়ে একদিকে কাঁটাতারের বেড়া দিচ্ছে, গুলি করে প্রায় প্রতিদিন তারা মানুষ মারছে আবার অন্যদিকে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে তার এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাবার নিরাপদ রাস্তা তৈরির প্রকল্প তৈরি করছে। এসব বিষয়ে সরকারের অবস্থান খুবই দুর্বল কিংবা ভারতের প্রতিধ্বনি ছাড়া আর কিছু নয়।

বাংলাদেশের সরকার যদি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে তাহলে এই মুহূর্তে ভারতের সাথে অন্য যেকোন আলোচনার আগে তিনটি বিষয় স্পষ্টভাবে উপসি'ত ও নিশ্চিত করতে হবে: ১. সীমানে- মানুষ হত্যা অবিলম্বে বন্ধ করা এবং এযাবতকালের হত্যাকান্ডের আন-র্জাতিক বিচার। ২. টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে যৌথ সমীক্ষা শুরু। এবং ৩. সমুদ্র সীমায় বাংলাদেশের ন্যায্য অবস্থানের স্বীকৃতি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভারত সফরে এবিষয়গুলো কীভাবে উপস্থাপিত করেন তা থেকেই তাঁর অবস্থান পরিষ্কার হবে।

-ফেসবুকে আনু মোহাম্মদের এই লেখাটি পড়ে ভালো লাগলো, তাই শেয়ার করলাম। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29076023 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29076023 2010-01-10 23:46:10
জীবন থেকে নেয়া...ডলা খাওয়ার পরে তারেক রহমান এখন...

তারেক রহমান দেশে বিশাল একটা হেলথ সিটি করতে চান। যেখানে কিনা উন্নত বিশ্বের সুবিধা সম্বলিত চিকিৎসা ব্যাবস্থা থাকবে। যাতে কিনা তার ভবিষ্যতে চিকিৎসা করতে আর বৈদেশে যাওন লাগবে না। মানে হৈল ভাইয়ার আবার ভবিষ্যতে ডলা খাওনের ভয় আছে মনে। তারমানে আবার হওয়া ভবন মার্কা জনসেবা করতে চান তিনি। কিন্তু এবার জনসেবা করতে গিয়া যদি ডলা খান তাতে যেন দেশেই চিকিৎসা নিতে পারেন সেই ব্যবস্থাটাই করতে চান। আম্রা অপ্লুত হৈলাম উহা জানিতে পাইরা যে দেশে সিংগাপুর মার্কা চিকিৎসা হৈবৈ, নিশ্চই খরচ ও সিংগাপুরের লাহান হৈব। ভাইয়ারা জনসেবা কৈরা কুটি কুটি টাকা কামাইবো। এতে আবার রিস্ক আছে কৈলাম। ওয়ান ইলেভেন আয়া ডলা দিতারে। তখন লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে উনি দেশে বৈসাই সিংগাপুরের চিকিৎসা করাইবো। আর আম্রা ম্যাংগো পাবলিক গর্বে গর্ভবতী হৈমু এই ভাইবা যে দেশে কত আগায়া গেসে, দেশে এখন সিংগাপুরের মত চিকিৎসা হয় টাকা থাকলে।

তারেক রহমান ডলা খাওনের পরে বিএনপিতে এখন নতুন একটা পুস্ট পজিশন হৈসে, নাম তার স্বাস্হ্য বিষয়ক সম্পাদক। এখানে নতুন কোন চামচার নেতা হৈবার সুযোগ হৈসে। আম্রা খুশি হৈসি যে তারেক ভাইয়া ডলা খাওনের কারনে বিএনপির এই স্বাস্থ্য বিষয়ক উপলব্ধি হৈসে, যা কিনা দেশের হাজার হাজার মানুষ নিরন্তর রাস্ট্র কর্তৃক নির্যাতিত হওয়ার পরেও হয়না বা দেশের কুটি কুটি মানুষ চিকিৎসার অভাবে ধুকলেও হয়না। তাই বইলা আমরা কিন্তু এখন এমন আশা করুমনা যে ভাইয়া আরো কয়েকবার ডলা খাক, যাতে আমাগোর গর্বের লাইগা লাইগা এমন কিসু হেলথ সিটি করনের প্ল্যান করবার পারে যেইখানের বারান্দায়ও আম্রা হালায় চিকিৎসার লাইগা যাইতে পারুমনা। কিন্তু আমি কসম খায়া কৈতারি যে বিএনপির অগুনিত কর্মিরা বুকভরা আশা লইয়া বইয়া থাকবো প্রতিবার কাউন্সিলের আগে, যেন তারেক রহমান রেগুলার এম্নি কইরা ডলা খায় আর নতুন নতুন উপলব্ধি থেইকা নতুন নতুন পদ সৃষ্টি কইরা চামচাগো নেতা হৌনের সুযুগ কৈরা দেয়, আমিন....। <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29071412 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29071412 2010-01-04 04:53:33
আসেন সবাই প্রফাইলে জাতীয় পতাকা উড়াই।

ডিসেম্বর মাস বাংগালীর গৌরবের মাস। আমাদের বিজয়ের মাস। এই মাসেই আমাদের অনেক সাধনার ফল স্বাধীনতার স্বপ্ন অনেক অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের হাতে ধরা দিয়েছিলো। এ মাসের ১৬ তারিখে আমরা পরাজিত করেছিলাম হানাদার অপশক্তিকে আর ছিনিয়ে এনেছিলাম গৌরবজ্জ্বল স্বাধীনতাকে। আমি জানিনা বাংগালীর হাজার বছরের ইতিহাসে এমন একটি দিন আছে কিনা। তবে আমাদের হাজার বছরের ভবিষ্যত যেন এই মাসের মতই বিজয়পুর্ন থাকে। আর কোন আধিপত্যবাদী শক্তি যেন আমাদের উপর থাবা বিস্তার করার সাহস কখনো না পায়। পুর্ব দিগন্তে যে সুর্য উদিত সেদিন উদিত হয়েছিলো তা যেন আর কখনই ম্লান না হয়। এই বিজয়ের মাসকে উদযাপন করার জন্য আসুন আমরা সবাই আমাদের প্রত্যেকের প্রফাইল পিকচার কে লাল সবুজের রাঙিয়ে দেই। ১৬ তারিখকে সামনে রেখে প্রতিকিভাবে আমরা আমাদের জাতীয় ঐক্য এবং সংহতি প্রকাশ করি। এসব প্রতিকি প্রকাশের অনেক গুরুত্ব আছে।

আসেন সবাই প্রফাইলে জাতীয় পতাকা উড়াই।
নোট: ফেসবুক বা অন্যকোন একাউন্টেও আমরা এটা করতে পারি যাতে সমগ্র বিশ্ব অনুভব করে করে এদিকে কিছু একটা হচ্ছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29057431 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29057431 2009-12-12 09:30:52
জাবির ধর্ষন বিরোধী আন্দোলনের কিছু কথা.. এই পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে মনে হলো মন্তব্য নয় বরং আলাদা পোস্ট দেই। তবে এই পোস্টা পড়ে আসলে ভালো হয়।


একজন প্রত্যক্ষদর্শী এবং আন্দোলনকারী হিসাবে আমি সম্পুর্নভাবে সুমনের ব্লগের বক্তব্যের সাথে এক্মত। একে বারে নির্ভুল স্মৃতিচারন হইয়েছে। তবে দৃশ্যমান ঘটনার পিছনেও কিছু ঘটনা থাকে। সুতরাং প্রত্যক্ষদর্শনের বাইরেও কিছু থাকে। বাস্তবতার বাইরেও কিছু সত্য থাকে। নিম্ন বিষয় গুলোতে এমন এমন কিছু কথা বলা হলো।

১। জাবিতে ধর্ষন বিরোধী আন্দোলন হইসে মানে কিন্তু এইনা যে সেখান ধর্ষন বা নারী নির্যাতন বেশী হয় বা হইসে। আসলে সেখানে সবসময় এসব ব্যাপারে প্রতিবাদ বেশী হয়। নারীদের বিরুদ্ধে কোনরকম অপরাধ করে পার পাওয়া খুবই কষ্ট সেখানে, সে যত ক্ষমতাশালীই হোক। (যেমন ধর্ষন বিরোধী আন্দোলন) সেখানে নারীদের নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতা বাংলাদেশের অন্য যেকোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বেশী। আমি গর্ব বোধ করি সবসময় যে এখানে এভাবে প্রতিবাদ হয়েছিল এবং এখনো হয়, অথচ খারাপ লাগের অনেক মানুষের ভুল ধারনা অর্জন করা দেখে। কি ধরনে ভুল ধারনা সেটা বলতে চাই না। আশা করি বুঝে নিতে পারবেন।

২। কোন কিছু নিয়ে প্রতিবাদ/আন্দোলন করা আর সেটাকে সফল করার মধ্যে পার্থক্য আছে। যে কোন আদর্শিক অবস্থান নিয়ে বা মন্দের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যায় কিন্তু যে কোন বিষয়ে সফল হতে হলে অনেক পরিকল্পনা, কৌশল করে এগুতে হয়। এর পিছনে অনেক রাজনীতি থাকে। অনেক সময় কুট কৌশল ও থাকে। অনেক প্রোপাগান্ডা লাগে। অনেক কিছু বিসর্জন দিতে হয়। এসব বোঝার বাস্তব জ্ঞান যার আছে তারা নিম্ন লিখিত সত্য গুলো বুঝবে।

এই আন্দোলনের সময় এমন কিছু নিউজ মিডিয়াতে করা হয়েছে যা হয়তো খাতাকলমে একেবারে সত্য নয় কিন্তু আন্দোলনের স্বার্থে , চাপ প্রয়োগের কৌশল হিসাবে এমন করতে হয়েছে।
ক্যম্পাসে ধর্ষন হইসে এটা যেমন সত্য তেমনি এটাও সত্য যে মানিক যে একটা খারাপ এবং ধর্ষকামী মানসিকতার লোক। আবার এও সত্য যে জাবিতে কখনই ১০০ জন ছাত্রী কে মানিক ধর্ষন করে নাই। এটা কখনই সম্ভব ছিলো না। তবে সে আর তার সাংগ পাংগরা তার শততম নারীভোগের( সে প্রেম করতো, মাগী লাগাইতো, আবার চান্স পেয়ে দুয়েকটা ধর্ষন ও করেছিলো যার মধ্য আবার ছাত্রী ছাড়াও গার্মেন্টস কর্মী ছিলো) জন্য নিজেরা মিষ্টি খাওয়া খাওয়ি করেছিলো এবং এই ঘটনাকেই এমনভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যাবহার করা হয়েছিলো যাতে আজ সত্য হিসাবে প্রতিস্ঠিত জাবিতে ধর্ষনে সেন্চুরী হয়েছে। যাই হোক আমি এখানে প্রতিস্ঠিত সত্যকে বদলানোর জন্য তর্কের অবতারনা করতে চাই না কিন্তু শুধু বলতে চাই জাবিতে কেউ কোন মেয়েদেরকে যদি টিজও করে তবে তার যে শাস্তি হয় সেটা দেশের অন্য কোথাও
হয়তো ধর্ষন করলেও হয় না।

৩। ধর্ষনের দায়ে সেই তেরজন বহিস্কৃত এর মধ্যে যেমন মানিক কুলাংগার ধর্ষনকারী ছিলো তেমনি অনেকে ছিলো যারা মেয়েদের উত্যক্ত করতো এর বেশী কিছু করে নাই আবার এমন কেউও ছিলো যে কোনদিন কোন মেয়েকে উত্যক্তও করেনি কিন্তু ঐযে রাজনীতির স্বার্থেই তারা কুরবানী হয়ে গেসিলো। সংগ দোষে লোহা ভাসে। কেউ নিরপরাধী হয়ে শাস্তি পেলে তাদের জন্য খারাপ লাগতে পারে কিন্তু এটাই বাস্তবতা ছিলো, এছাড়া আন্দোলন সফল করা যেতো না।

৪। জাবিতে ধর্ষনের সেন্চুরী হইসে , এত বড় আন্দোলন হইসে
আজ পর্যন্ত কেউ জনে না যে কে কে ধর্ষিতা। আন্দোলনের এক পর্যায়ে ভিসি এসে জমায়েত মেয়েদের বলেছিলো যে আমি এই মুহুর্তে ব্যাবস্থা নেবো শুধু আমাকে বল যে কে ধর্ষিত হয়েছে? এবং তাকে কে ধর্ষন করেছে? কারন প্রচলিত আইনে অভিযোগ আর প্রমান ছাড়া কোন বিচার করা যায় না। তখন সব মেয়েরা চিৎকার করে বললো যে আমি ধর্ষিতা ( ওখানে ৫০০ এর মত মেয়েছিলো )। আর ধর্ষিতা কখনই প্রমান করবে না যে সে ধর্ষিত হয়েছে বরং ধর্ষনকারীকেই প্রমান করতে হবে যে সে ধর্ষন করে নাই। এটাও ছিলো পুর্বপরিকল্পনার অংশ এবং এর পিছনে যে তত্ত্ব ছিলো তা হল যে প্রচলিত আইনে একজন ধর্ষিতাকে যখন কোর্টে আলামত দিয়ে প্রমান করতে হয় যে সে ধর্ষিতা তখন সে আসলে সামাজিকভাবে কয়েকশতগুন বেশী ধর্ষিত হয়। ধর্ষনের শরিরীক ব্যাপারের চেয়ে এর সামাজিক প্রভাব অনেক বেশী। সুতরাং ধর্ষনের বিচার প্রচলিত পন্থায় এবং আইনে হবে না। ধর্ষিতা কে সেটা কখনো প্রকাশ করা হবে না। বরং কারো বিরুদ্ধে যদি ধর্ষনের অভিযোগ আসে তবে তাকেই প্রমান করতে হবে সে ধর্ষন করেনি।

এখন এমতাবস্হায় কি কি হতে পারে বুঝে নিন নিজে নিজে। অনেক ধর্ষনের দায়ে বহিস্কৃত তাই এমন ভাবতেই পারে যে তার প্রতি চুড়ান্ত আবিচার হয়েছে, কিণ্তু আসলে ঘটনা যখন ঘটে তখন এভাবেই ঘটে। ১০০% সুবিচারের নিশ্চিত করার আন্দোলন সেটা ছিলোনা তা কারো কিছু করারও ছিলো না।

জাবির ধর্ষন বিরোধী আন্দোলনে অনেক নারীবাদি তত্ত্বের ব্যাবহারিক প্রয়োগ হয়েছিলো। অনেক বিশদ পুর্ব পরিকল্পনা ছিলো।অনেক রাজনীতি কুটকৌশল ছিলো। অনেক এসপিওনাজ, অনেক ক্ষমতা চর্চা ছিলো। অনেক বীপ্রতিপ স্বার্থধারী গ্রুপছিলো যারা একটি কমন স্বার্থে এক হয়েছিলো যে ক্ষমতাশালী মানিকের বিচার করতে হবে এবং তার পুরো গ্রুপকে তাড়তে হবে। এখানে ক্ষমতাসীন ছা্ত্রলীগের আরেকটি গ্রুপও জড়িত ছিলো আন্দোলনে। এমনকি মানিকের গ্রুপের মধ্যেও এমন কেউ ছিলো যারা চাইতেছিলো মানিক এখানে ফেঁসে যাক যাতে তারা লাভবান হতে পারে। কিন্তু আসলে মানিকের সাথে তারাও ফেঁসে গিয়েছিল কারন নাহয় পুরো গ্রুপকে উচ্ছেদ করা যাবে না।

অতঃপর এই আন্দোলনের কিছু সুদুর প্রসারি লক্ষ্য ছিলো যেমন সব শিক্ষা প্রতষ্ঠানের জন্য ধর্ষন বিরোধী নীতিমালা তৈরী করা যেটা নিয়ে এখন পর্যন্ত আন্দোলন এবং কাজ হচ্ছে । অতএব জাবির এই আন্দোলন খুব সহজ বিশ্লেষ্য বিষয় নয় যা থেকে যে কেউ যে কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারে। তবে যে কোন বিচারেই এটা একটা মহান ঘটনা যার কৃতিত্ব জাবির সেসব সাহসী প্রতিবাদ মুখর ছাত্রীদের যারা সামনে এগিয়ে বলতে পরেছিলো যে আমরা সকলেই ধর্ষিতা। জবির এই মুক্তমান, সাহসী ও স্বাধীনচেতা ছা্ত্রীদের জন্যই আজো শিবির এই ক্যম্পাসে ঢুকতে পারেনি।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29054372 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29054372 2009-12-06 13:53:50
সিক্সথ সেন্স, একটি ডিজিটাল বিষ্ময় !!
1.


2.


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29045308 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29045308 2009-11-18 08:56:02
আমার এক ছা্ত্রীর গল্প...


ইহা একটি ফেসবুক সৌজন্য।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29044321 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29044321 2009-11-16 12:37:02
প্রতি-মুক্তিযুদ্ধ !!
১৬ ই ডিসেম্বর যদি বাংগালীর মুক্তিসংগ্রামের বিজয় হয়ে তবে সেদিন পরাজিত হয়েছিলো যারা তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ পর্ব শুরু হয়েছিলো ১৫ আগস্ট। সেটা চলেছে তারপরে বছরের পর বছর। ৭ ই নভেম্বর এমন আরেকটি দিন যেদিন কে উদযাপন করে তারা যারা ১৬ ডিসেম্বর উদযাপন করতে কষ্ট পায়। তাদের আরেকটি দিবস দরকার ছিলো। প্রতি-মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয় দিবস বলা যায়।

আমি অনেকদিন এসব বিষয় পরিষ্কার ছিলাম না কারন ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছিলো। কিন্তু আসলে সত্য খুবই সহজ আর তা হল ১৫ আগস্ট আর ৭ ই নভেম্বর করে যদি দেশে গনতন্ত্র আর উন্নয়ন চালু করা হয়ে থাকে তবে সেই রাস্তায় দেশ আজ অবধি চলছে। এই তিরিশ বছরে তো তাহলে আমাদের উন্নত হয়ে যাওয়ার কথা। স্বাধীনতায় সুফল পাওয়ার কথা। কিন্তু আজো কেন আমরা পৃথীবির দরিদ্রতম দেশ? কেন আমরা সবার পিছন সারিতে? আসলে কি আমরা নিজের পতাকা করে ভুল করেছিলাম? নাকি ৭৫ এর ১৫ তারিখে আমাদের উদিয়মান রক্তিম সুর্য্যকে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। আর তারপর এখনো পর্যন্ত ভুল সুর্য্যদয় হচ্ছে। জানিনা আর কতদিন এভাবে দিকভ্রান্ত হয়ে থাকবো আমরা। কতদিন আমরা ৭ই নভেম্বরের কলংক নিয়ে উল্লাস করবো। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29039118 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29039118 2009-11-07 09:51:28
সেইরকম ট্রান্সপোর্টার








]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29024881 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29024881 2009-10-13 08:10:51
দেহঘড়ি

"মন আমার দেহঘড়ি সন্ধান করি বানাইয়াছেন কোন মেস্তরি মন আমার দেহ ঘড়ি..."

আমাদের বাউল-সাধকগন দেহতত্ব নিয়া অনেক গান,গবেষনা করেছেন। আমি সাধারন মানুষ সেসব শুনে পড়ে কিছু ধারনা লাভ করেছিলাম। পরবর্তিকালে নিজের দেহঘড়ি নিয়া কিছু পরিক্ষা নিরীক্ষা চালাইলাম যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। দেখলাম যে, আমাদের দেহ সব সময় রুটিনে চলতে চায়। রুটিনে চল্লে ভালো থাকে। তবে এই রুটিনটা পরিবর্তন করা যায়। যেমন রাত দশটায় ঘুম আর সকাল ছটায় উঠা এটা একটা রুটিন। এভাবে চললে দশটার দিকে ঘুম আসবে স্বাভাবিক পরিস্তিতিতে। কিন্তু এখন আমার যদি প্রয়োজন হয় রাত দুটা পর্যন্ত লেখা পড়া করা তবে সেটাও সম্ভব। বডি ক্লক রিসেট করতে হবে। প্রতিদিন এক ঘন্টা করে পেছানো যায় ঘুমের সময় এবং জাগায় সময়। একসময় রাত ২টায় এসে স্হির করা যায়।
এমনকি কারো যদি ৭ ঘন্টা ঘুমের অভ্যাস থাকে সেটাকেও বিশেষ প্রয়োজনে কমিয়ে আনা যাবে দেহঘড়ির নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে। তবে এসবই করতে হবে ধিরে ধিরে। একে একে। কিন্তু রুটিনের বাইরে বা দেহঘড়ির বাইরে গিয়ে কোন কিছু করলে সেটা যদিও করা যায় কিন্তু শরীরের জন্য সমস্যাজনক হয়। কাজটাও ঠিক মত করা যায় না। দেহঘড়ির উপর নিয়ন্ত্রন তৈরী করে চলাটা সুস্থ থাকার জন্য অনেক জরুরী আমার মতে। আমি যেমন আজকে রাত জাগছি কারন আগামী কাল আমার সারারাত অফিসে কাজ করতে হবে। অতএব বডি ক্লক রিসেক করছি। আমার দেহঘড়িটা এমন যে উইকডেজে আরলি বেড আর উইক এন্ডে লেট।
সকালে নিয়মিত বাথরুম করাও খুব জরুরী একটা কাজ। সেটাও নিয়মিত করা যায় দেহঘড়ির মাধ্যমে।
সুন্দর একটা জীবনের জন্য শরীর মহাশয়কে সিস্টেমে রাখা দরকার। আর সেটা রাখতে পারলে অনেক কাজই আমরা শরীরকে দিয়ে করিয়ে নিতে পারি কোন সমস্যা ছাড়াই। আর সেজন্য নিজের দেহঘড়িকে বোঝা আর নিয়ন্ত্রন করতে পারা খুবই প্রয়োজন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29023457 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29023457 2009-10-10 14:39:47
বহুদ্দিন পরে ভালোই ঈদ কর্লাম মনে হইতাসে.. ও হ্যাঁ মজা যা করতাম, চানরাইতে বন্ধুদের সাথে। তার জের ধরে সকালে ঘুম থেকে উঠতে বা নামাজে যেতে খবর হয়ে যাইতো। সেইসবও এখন কাহিনী। বর্তমান কাহিনী হইলো আগের বছর ঈদের দিন অফিস কর্ছি আর রাতে বাংগালী কমিউনিটির বাসায় দাওয়া খাইসি। আর এই বছর কিছুটা বেশী মজা হইসে। কারন আসলে দেশের বাইরে এতটা এক্সপেক্ট করিনাই। ডালাস আসা পর থেকে প্রচুর বাংগালীর সাথে পরিচয়। বিশেষ করে ইউটিএর স্টুডেন্ট কমিউনিটি। তাছাড়া সানডেতে ঈদ হওয়ায় সবাই ফ্রি আছে। বিভিন্ন বাসার দাওয়াত। তো মোটামুটি প্রিপারেশন নিলাম যে ভালোমতই ঈদ করুম। কিন্তু সকালেই বাগড়া দিলো অফিসের ফোন। সার্ভারে কি ালের প্রবলেম হইসে ব্রীজে জয়েন কর্তে হবে। এই কাম কর্তে গিয়া নামাজটা গেলো। প্রবলেম শেষ কইরা রেডিমেডি হইয়া গেলাম প্লেনো ইমরান ভাইদের বাসায়। সেখানের এপার্টমেন্ট কম্প্লেক্সেটা মসজিদের পাশে বলে প্রচুর মুসলিম থাকে। ঐখানে ঢুইকা মনে হইলো ঢাকা। বাহ। জামান ভাইদের সাথে দেখা হইলো। গেলাম মনিষদাদের বাসায়। খাইতে খাইতে অবস্থা খারাপ। জাস্ট লাইক ঢাকা। যাউগা দেরী হইয়া গেলো আরলিংটন যাইতে পুরা ৮০/৯০ এ চালাইয়াও নিবিড়দের ফাটাফাটি অনুস্ঠান মিস হইলো। কিন্তু পরে আরেক বাসায় গিটার গানের আসরে ব্যাপক মজা পাইলাম, আমি এসবেই বেশী মজা পাই। তারপর গেলাম নিবিড়ের আন্টির বাসায়। ডিনারের দাওয়াত। আবার খাওয়াদাওয়া। ফিরতে অনেক রাত হয়ে গেলো। গাড়ীতে আমরা খুব মজা করে গান গাইতে গাইতে আসছিলাম আরলিংটনের দিকে নিবিড়দের ড্রপ করতে কিন্তু রাস্তায় এক ভয়াবহ এক্সিডেন্ট আর বিশাল জ্যাম পাইলাম। এর উপ্রে আবার আমেরিকান ফুটবল ছিলো কাউবয় স্টেডিয়ামে যেখানে ডালাস কাউবয় হারলো নিউইয়র্ক জায়ান্টদের কাছে। ফিরতি গাড়ীর জ্যাম ঠেইলা আরলিংটনে ঢুকতে অনকে রাত হয়ে গেলো। সবাই টায়ার্ড। আমার মনমেজাজ বিলা , আবার যাইতে হবে সেই আরভিং পরেরদিন আবার অফিস। যাউকগা রাইত ২ দিকে বাসায় ফিরা ঘুম দিলাম। বহুদিন পরে ঝাক্কাস একটা ঈদ হইলো। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29014271 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29014271 2009-09-22 11:14:26 আনু স্যার ও আরেকটি ফুলবাড়ী

আনু স্যারকে লাঠিপেটা করেছে পুলিশ এখবরটা পড়ার পর আমার যা অনুভুতি হল সেটা হল যে গ্যাস লুটেরাদের পায়ে কুড়াল মনে হয় পড়লো। আওয়ামীলীগ সরকারের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে এরা মনে হয় আর গ্যাস লুটতে পারবেনা। কারন আমরা দেশপ্রেমিক সৎ মানুষ চিনতে ভুল করিনা। যদিও আমরা বস্তা পচা আওয়ামী, বিএনপি রাজনীতিতে বিভক্ত, যদিও আমি নিজে এই বিভাজনে নিজেকে সবসময় আওয়ামীলীগের পক্ষেই দেখি কিন্তু আমি তো জানি এসব আসলে সাজানো ছেলে খেলা। সত্যকার ইস্যুগুলো থেকে আমাদের দৃষ্টি সরিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের গ্যান্জাম, বিভাজন তৈরী করা হয়। বাংগালী/বাংলাদেশী, ঘোষক আরো কত কি? আমরাও এসব ঠুলি পরে ছুটতে থাকি গাধার মত, এভাবে থেকে থেকে আমরা অন্ধ হয়ে গেলেও আমরা জানি আনু স্যারের মত কেউ কেউ অতন্দ্র প্রহরী হয়ে আছেন। কোন দ্বিধা থাকেনা যখন আনু স্যাররা বলেন যে এরা তেল গ্যাস লুটতে এসেছে। কারন আমি জানি স্যার সব বুঝে শুনে বিশ্লেষন করে আমার ও বাংলার আপামর জনতার স্বার্থের পক্ষেই ওকালতি করছেন। আমি এটাও জানি তাকে কিনতে পারেনি ঐ মহাপরাক্রমশালী পশ্চিমা আর তাদের পদলেহী দুর্নীতিবাজ দালালরা কোন কিছুর বিনিময়েই। সুতরাং আমরা বোধ হয় দ্বিধা দন্দ্ব ছাড়াই তার ডাকে সাড়া দিতে পারি।
তেলগ্যাস রক্ষা করতে গিয়ে উনি আহত হয়েছেন শুনে আমি ব্যাক্তিগতভাবে দুঃখ পেয়েছি কারন আমি তার ছাত্র। আমি বিক্ষুব্ধ হয়েছি সরকারের প্রতি চরমভাবে। আসলে আমাদের আরেকটি ফুলবাড়ী দরকার রাজপথে। ফুলবাড়ী সৃষ্টি করতে হবে তেলগ্যাস লুটেরাদের ভাগাতে, টিপাই সহ যেকোন নদীর উজানে বাঁধ উড়িয়ে দিতে এবং এশিয়ান হাইওয়ের একটি ছাড়া অন্য যেকোন বাস্তবায়ন রুখে দিতে। ফুলবাড়ী তৈরী করলে আর কোন সরকার বিদেশীদের দালালী করে সম্পদ তুলে দিতে পারবেনা।আর যদি তা করে আমাদের মন্দের ভালো আওয়ামী লীগকেও আস্তাকুড়ে ছুড়ে ফেলতে আমরা দ্বিধা করবোনা। দরকার নাই আমাদের এই বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার আর ডিজিটাল দিনবদলের। সব বিদেশী লুটেরাদের এশিয়ান এনার্জীর মত বিতাড়িত করার আগে থামা যাবেনা। আর আমরা যদি তা করতে পারি তবে আনু স্যার আজ আহত বলে কোন দুঃখ থাকবে না। আসলে এই ঘটনাকে তখন শাপে বর বলেই মনে হবে। চলুন তবে মাতম ফেলে কাজে ঝাপিয়ে পড়ি। টার্গেট আরেকটি ফুলবাড়ী।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29003980 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/29003980 2009-09-03 11:51:21
এদের লজ্জা শরমের বালাই নাই

আলি আল মেগরাহ। লকারবি বিমান হামলার হোতা। কয়েকশ মানুষকে বোমা মেরে উড়িয়ে দিয়েছিলো কোন বিচার বিবেচনা ছাড়াই। এদের মাঝে নারী ছিলো শিশুছিলো। ব্যাপার্না। এটা আমেরিকার বিমান। আমেরিকার সাথে মুসলিমদের যুদ্ধ চলছে। সুতরাং উড়িয়ে দাও আমেরিকার পতাকাবাহী বিমান যদিও এতে থাকতে পারে নিরপরাধ মানুষ। এমনকি থাকতে পারে কোন মুসলিম। কিন্তু এটা যুদ্ধ! সম্মুখ সমরে, কৌশলে না পারলেও....।
ঠিক যেন সিনেমার ভিলেইন যখন নায়কের সাথে মারামারিতে হেরে গিয়া শেষে নায়িকাকে বা কোন শিশুকে জিম্মি করে। হাহ.. কি বীরত্বরে..। তারপরেও তারা যুদ্ধ করছে!? আলি আল মাগরাহ তাই মসুলিম নামধারীর কাছে বীর। ব্যাপার্না।
তো সেই বীর আবার ধরা খাইছিলো। বিচারে তার সাজাও হৈছিলো। যাবজ্জীবন জেল খাটছিলো। যদিও আমার বিশ্বাস তারা নিজেরা হৈলে এইক্ষেত্রে বিচার বা সাজার ধার ধারতো না । সোজা কতল। যাউকগা এটা অন্য বাহাস।
কাহিনী হৈল সেই বীর(?) ক্যান্সার এ আক্রান্ত হওয়ার কারনে স্কটল্যান্ড সরকার তাকে মুক্তি দিয়েছে। মানবিক বিবেচনায়। এখানে তাকে বীরোচিত সংবর্ধনা দেওয়র কি হৈলো? সেতো যুদ্ধ জয় করে ফিরছে না। বরং অন্যদের দয়ায় মুক্তি মিলেছে।
তাকে ঘিরে উল্লাস করাটা কতটা জঘন্য খারাপ লাগবে সেসব নিরপারাধ মৃত মানুষের আত্মীয়দের কাছে সেটা যদি বিবেচনায় নাও নেই কিন্তু মানবিক কারনে দয়া করে মুক্তি পাওয়া কাউকে কতটা দেউলিয়া মানসিকতা থাকলে সংবর্ধনা বা বিজয়উল্লাস করা যায়? এই আরবদের কি লজ্জা শরমের কোন বালাই নাই? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28998230 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28998230 2009-08-23 01:15:41
বন্ধু ঘুরে আসিস..।



যুবতী নদীর কোলে যখন
সোনালী সুর্যডুবি হয়, অথবা
শুকনোপাতা ঝরানো, অলস,
তৃষ্ণার্ত কোন কাকদুপুর
আমরাও তেমনি ছিলাম
বন্ধু খুবই ভালো থাকিস।

হাজার মানুষের ভিড় যখন
নির্জন বনানী হয়, অথবা
একটি চায়ের পেয়ালা, সিগারেট,
সবার তৃপ্ত হাতঘুরে অনিঃশ্বেষ
আমরা একই গানে হৃদয় বাজাতাম
বন্ধু কিছু মনে রাখিস।

গজিয়ে উঠা দুর্ভেদ্য দেয়াল যখন
এমনকি শ্বাসরোধী হয়, অথবা
ব্যাস্ততার হাতকড়া, সুখের বন্দিত্ব,
জীবনের সব মিথ্যে আয়োজন
মনেপড়ে সে মায়ায় হারাতাম
বন্ধু কিন্তু ঘুরে আসিস।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28987947 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28987947 2009-08-03 01:09:13
মাইকলের মায়া


মিউজিক ব্যাপারটা অনেক গভীরভাবে মানুষকে প্রভাবিত করে। এটা খুবই শক্তিশালী যা দেশ-কাল-ভাষা সকল কিছু অতিক্রম করতে পারে। মাইকল জ্যাকসান তার বাস্তব উদাহরন।
তার মহাপ্রস্থানের কথা শুনে চরম শোকাচ্ছন্ন হলাম, যেন সে আমাদের আত্নার অংশ। আসলে আমাদের জেনারেশনের বেড়ে উঠার সাথে মাইকলের মিউজিক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সেই ছোটকালে যখন বাসায় প্রথম মিউজিকপ্লেয়ার আসলো আমার প্রিয় ইংরেজী গান ছিলো সব থ্রিলার এলবামের গান! ক্লাস থ্রি/ফোরে হয়তও পড়ি তখন, কোন এক বন্ধুর বাসায় বন্ধুরা মিলে মাইকলের মত ব্রেক ড্যান্স দেওয়ার চেস্টা, মেঝেতে পাউডার ছিটিয়ে। সেই ব্যাডের পোস্টার যা রুমের দরজায় লাগানো থাকতো।
ওহ, সেই ফেনোমেনাল মুনওয়াক। কিছু বন্ধু আরো পরে অনেক ভালো ব্রেক শিখেগেলো।
গেম বের হলো মাইকল জ্যাকসন আর মুনওয়াকার।
তার গানের এলবামের সাথের মিউজিক ভিডিও, বছরের পর বছর মুগ্ধ করে রেখেছিলো। বাংলাদেশে জন্ম ও বেড়ে উঠেও আসলে মাইকলের মিউজিকের বিশ্বজয়ী প্রভাব থেকে আমরা কোনভাবেই বিচ্ছিন্ন ছিলাম না। জীবনযাত্রারই একটা অংশে পরিনত হয়েছিলো। আর এখন সেটা হয়েগেছে জীবন স্মৃতি। মিউজিক স্মৃতিচারনের ক্ষেত্রে এমনই গুরুত্বপুর্ন যে প্রতি পুরোনো গান একটানে নিয়ে যায় সেই সময়কার জগতে। মুহুর্তের মধ্যেই তৈরী করে ফেলে অতীতের হু হু করা চলচিত্র। তখন আর কোন কষ্টই করতে হয়না পুরোনো দিনের আর বন্ধুদের ঘটনা মনে করতে।
মাইকলের অনেক মিউজিকের সাথেই এভাবে জড়িত আমার ও বন্ধুদের স্মৃতি। তাই মাইকল ভিন্নভাষার সংগীত শিল্পী হলেও আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংগ হয়েগেছিলো। তার চলে যাওয়ায় তাই সেরকমই বেদনার।
যদিও এদের মাধ্যমেই আমেরিকান কালচারাল সমগ্র পৃথিবীকে গ্রাস করেছিলো তারপরেও মাইকল একজন লিজেন্ড। তারসাথে মায়ার সম্পর্ক। তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।


নোট:
আমার জীবনের অন্যতম বড় ইচ্ছা ছিলো মাইকল জ্যাকসানের আর গানস এন রোজেস ব্যান্ডের লাইভ শোতে ক্রেজী পার্টিসিপেইট করা। কোনটাই আর হলো না..<img src=" style="border:0;" />। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28969739 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28969739 2009-06-26 08:19:12
সাময়িক: একটা সুন্দর নাম দিয়ে সাহায্য করুন..। নামটা,
১। ইংরেজী
২। এক/দুই বা সর্বোচ্চ তিন সিলেবল
৩। গানিতিক কোন অর্থপুর্ন শব্দ( যেমন গুগল) বা পৌরানিক শব্দ (ওরাকল)
হলে ভালো হয়।

যারা নাম দিচ্ছেন তাদের অগ্রীম ধন্যবাদ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28959902 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28959902 2009-06-04 06:46:06
"টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ" সহমত এবং..

চমৎকার একটি বিশ্লেষনী লেখার জন্য ধন্যবাদ লেখক দিনমজুরকে।
এমন একটা ক্ষতিকর বিষয়কে যদি কেউ সফলভাবে প্রতিরোধ করতে চায় তবে কিছু বিষয় আগেই ফায়সালা করে নেওয়া ভালো।
১। বাঁধ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য, পক্ষে বিপক্ষে আরো ব্যাপক আলোচনা হওয়া দরকার। আমি জানিনা এর পক্ষে ভালো কোন যুক্তি আছে কিনা তবে যদি থাকে তবে সেগুলো ও সামনে আসা ও পর্যলোচনা করা দরকার।
২। সব বিচার বিবেচনা করার পর এর বিপক্ষে যদি দাড়াতেই হয় তবে যেন শুধু নিস্ফল প্রতিবাদের মধ্যেই আরেকটা ফারাক্কার জন্ম না হয়। রুখে দাড়ালে এই বাধকে ঠেকিয়ে দিতে হবে। কোনভাবেই ব্যর্থ হওয়া যাবে না।
৩। প্রতিরোধ করার জন্য আগেই কৌশল ঠিক করে নিয়ে আগাতে হবে যে কোন বিষয়কে সামনে নিয়ে আমরা প্রতিবাদ করবো।
৪। দলীয়, ধর্মীয়, জাতীয় সহ সব সংকির্ণতার উর্ধ্বে উঠে তারপর ভারতীয় স্থানীয়দের ও সেখানকার সহ সমগ্র বিশ্বে পরিবেশবাদীদের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে আমাদের।
৫। যারা এই ইস্যুকে ব্যাবহার করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চায় তাদেরকে চিন্হিত করে তাদের দুরে রাখতে হবে।
এমন কিছু গোষ্ঠী হল বিচারের সম্মুখিন যুদ্ধপরাধীরা, ধর্মীয় জংগী, চরমপন্থি অথবা যারা এই ইস্যুকে সামনে এনে ক্ষমতায় যেতে চাইবে। কারন এদের স্বার্থ যেহেতু অন্য তাই তারা একে ইস্যু বানিয়ে জনগনকে ব্যাবহার করবে শুধুমাত্র।তারপর সময় মত নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে আন্দোলনের পিঠে ছুরি মেরে সটকে পড়বে। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এমন হয় অতএব সাধু প্রথম থেকেই সাবধান। ( এই ব্লগেও এমন অনেক নিক আছে)
৬। বিভিন্ন সেক্টরে যেমন মিডিয়া, আন্তর্জাতিক কমিউনিটি, জাতিসংঘ, ইন্টারনেট সব জাগাতে একে একযোগে প্রতিবাদের ঝড় উঠাতে হবে। সফলতার জন্য প্রযোজনীয় সকল মাধ্যমই ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে রক্ত দিতেও প্রস্তুত থাকতে হবে।
৭। সরকারকে বুঝিয়ে দিতে হবে যে এই বিষয়ে যদি তারা জনগনের স্বার্থে সাথে একমত না হয় তবে তারা ক্ষমতায় থাকতে পারবে না।

যতই ভারতীয় সরকার বা বিশাল ক্ষমতাবান পুজি এই বাধের পিছনে থাকুক আর বাংলাদেশের সরকার দালালী করুক
এই অন্চলের (সীমান্তের উভয়দিকের) জনগন যদি ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাড়ায় তবে কোনদিনই এই বাধ হবেনা বলেই আমার বিশ্বাস। কারন প্রকৃতির বিকৃতির বিরুদ্ধে যারা আন্তরিকভাবে কাজ করবে মহাপরাক্রমশালী মাদার নেচার তাদের সাহায্য করবে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28953576 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28953576 2009-05-21 08:40:10
!!!কি ভয়ানক ব্যাপার... ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28950497 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28950497 2009-05-14 07:06:24 আউলাইয়া গেসি, একটু হালকা হয়া লই।
মোটামুটি ৬/৭ মাস ধইরা ব্লগে পইরা থাকি। মোটামুটি ধারনা ছিলো এখানে কি কি ধরনের আলোচনা হয়। কিন্তু এই বিডিআর কাহিনীর পরে বিশ্লেষনের ঠেলায় আউলাইয়া গেলাম গা পুরা। গোজামিল আর গোজামিল। ঘরপোড়ার মধ্যে আলুপোড়া। তার উপ্রে আবার নতুন নতুন নিকে। কিছু আবার ভ্যাম্পায়ার নিক মানে ১০ মাসে ২ পোস্ট। মাথাডা পুরা জ্যাম লাইগা গেসে। একটু হালকা হওয়া দরকার। পুরান একটা কৌতুক পাইলাম ফেসবুকে। কমন পইরা গেলে মাইন্ডায়েন্না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28919193 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28919193 2009-03-02 22:45:51
সচেতন থাকা জরুরী
আমার ধারনা, এই ঘটনার পিছনের কুশিলবদের উদ্দেশ্য ছিলো এমন একটি ঘটনা ঘটানো যাতে আর্মিকে খেপিয়া তোলা যায় সরকারের বিরুদ্ধে। সেজন্যই তারা এই ম্যাস কিলিং করিয়েছে। আর এখন যখন বিডিআর ব্যাপারটা সরকার সামাল দিতে ব্যস্ত তখন আবার আর্মিকে খেপিয়ে তোলার চেস্টা করা হচ্ছে। বিভিন্ন গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এভাবে ঘোলা জলে মৎস শিকার করতে কারা চাইতে পারে সেটাও তো ধারনা করা যায়।

এমন একটি সময়কে আসলেই জাতীয় সংকটকাল বলা যায়। এই সময় আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরী। সবাই মিলে যার যা খুশি না ভেবে বা করে বরং জনগন যাদের ভোট দিয়েছে তাদের উপরে আস্থা রাখতে হবে যাতে সংকট কাটিয়ে উঠা যায়। আর না হয় দেখা যাবে ষড়যন্ত্রকারীরা আরো বড় কোন ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেছে। আমরা চাইনা গনতন্ত্র ব্যাহত হোক, আরো কোন হত্যা হোক। সবাই সবার সীমানার মাঝে থাকি আর ধৈর্য ধারন করি যাতে এই নৃশংস ঘটনার পেছনে কারা ছিলো সে রহস্য উদঘাটিত হয়। ৭১ এর ১৫ আগস্ট থেকে ৭ ই নভেম্বর পর্যন্ত এমনভাবে ঘটনা ঘটেছিলো যে জনগন ছিলো বিভ্রান্ত যে কি হচ্ছে। আমাদের এখন বিভ্রান্ত না হয়ে সচেতন থাকা জরুরী না হয় ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে যেতে পারে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28918420 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28918420 2009-03-01 13:36:32
পিল্খানা
পিল্খানা নাম্ডা কোন্তে আইলো? পিল+খানা। এইডা আসলে ছিলো ফিল্খানা। ফিল্মানে কি?
'Alam tara kayfa fa'ala rabbuka bi-as-habil fil"
ফিল আরবি শব্দ। ফিল্মানে হাতি। আগে এইখানে হাতি বাহিনী থাক্তো।অখন মানুষ বাহিনী থাকে। হাতি বুদ্ধিমান প্রানী। হাতি মানুষের মত বেক্কল্না। হাতি হাতির মইধ্যে হাতাহাতি হইলেও তাদের্হাতে শতশত হাতি মারা পর্তো না। হাতি বাংগালীদের্মত আত্নঘাতি ছিলো না। হাতি হাতি মাইরা গনকবর দিতো না। হাতিরা অখন্নাই কিন্তু তাগো নামাছে অখনো। হাতিখানা>ফিল্খানা>পিল্খানা। মানুষ না থাইকা হাতি থাক্লেই ভালো হইতো। হাতি যখন্ছিলো তখন্সেখানে অনেক শান্তি ছিলো।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28918327 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28918327 2009-03-01 09:00:55
পক্ষ যদি নিতেই হয় তবে,
আবার বিদ্রোহ দমনের পরে কিছু বিডিআর জওয়ানের বেপোরোয়া হত্যা, লুঠতরাজ এবং অপরাধের শিকার অফিসারদের লাশ দেখে, তাদের স্বজনদের দুরবস্থা দেখে আমরা চলে গেলাম আর্মিদের পক্ষে। এবার বিডিআরদের ক্ষমা নাই, বিচার করতে হবে, ফাঁসি দিতে হবে। তাদের কোন দাবী নাই মানার প্রশ্নই উঠে না।

কিন্তু আমার মনে হচ্ছে এসব কোন পক্ষই নেওয়াই আসলে বোকামীর নামান্তর এবং ক্ষতিকর। এতে কাঁদাছোড়াছুড়ি আর বিভাজন বাড়বে, সুবিবেচনা করা যাবে না এবং ষড়যন্ত্রকারীরা আরো সুযোগ পেয়ে যাবে। আর একান্তই যদি পক্ষ নিতেই হয়, পক্ষ-বিপক্ষ ছাড়া যদি আমরা থাকতেই না পারি, তবে একটা পক্ষই আমরা নিতে পারি এই সময় তা হলো দেশের পক্ষ। আর সুস্থ মস্তিস্কে যদি দেশের পক্ষ নিয়ে চিন্তা করি তাহেল দেখছি যেটা করা দরকার তা হল দ্রুত এই ক্ষত সারিয়ে তোলার ব্যাবস্থা করা। সেজন্য বিডিআর আর্মি বিভাজন করা যাবে না কোন ভাবেই। এমন কোন পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না যাতে জল আরো ঘোলা হয়। খুঁজে বের করতে হবে বিডিআর বা আর্মির সাধারন জওয়ানদের এমন কোন ক্ষোভ আছে কিনা যা বারুদের স্তুপের মত বিস্ফোরিত হতে পারে। আর অবশ্য দেখতেই হবে কে বা কারা এসব বারুদের স্তুপ খুজে তাতে অগ্নিসংযোগ করে, ধ্বংসের পৈচাশিকতার মাধ্যমে স্বীয় স্বার্থ হাসিল করতে চায়। আর না হয় এমন অসহনীয় ধ্বংস যজ্ঞের মধ্যে আমাদের আবারও যেতে হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28918035 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28918035 2009-02-28 15:24:08
তাঁদের আত্মা শান্তি পাক মানব জমিনের রিপোর্ট পড়ে চোখের পানি ধরে রাখা গেলো না। সব হত্যাকান্ডই হৃদয়বিদারক। স্বজন হারানোর বেদনা সব সময়ই এক। সবার রক্তের রং ই লাল। তবু কেন এই খুনোখুনি। সেই যে ১৫ আগষ্ট শুরু হল তারপর আর কতদিন আমরা এমনভাবে আত্মঘাতী কাজ করে যাব? জনগনের টাকায় কেনা অস্ত্র দিয়ে আর কতকাল আমাদেরই ভাইয়ের বুকে গুলি চালানো হবে?


চলুন সব পক্ষ-বিপক্ষ, মতপার্থক্যে আর বাদানুবাদ একপাশে সরিয়ে রেখে কিছুক্ষনের জন্য হলেও আমরা স্বজনহারাদের বেদনাকে অনুভব করি। যারা চলে গেলেন অকালে তাদের আত্মার শান্তি প্রার্থনা করি। তাদের রুহের মাগফেরাত জন্য দোয়া করি। তাদের পরিবার-স্বজনদের জন্য একটু চিন্তা করি। আর প্রতিজ্ঞা করি এমনটি যেন আমরা আর হতে না দেই।

View this link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28917317 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28917317 2009-02-27 05:02:55
বিডিআরদের বিশৃংখলার উৎস
নিচের অংশটা আমার আগের পোস্ট থেকে ..।

"আমাদের এখন আসলেই সিরিয়াসলি ভেবে দেখার সময় এসেছে যে আমাদের আর্মড ফোর্সকে ব্যাবসায় নামিয়ে হালুয়া রুটি নিয়ে কামড়া কামড়ি করতে দেবো কিনা। অপারেশন ডাল-ভাত ,লাভ-লোকসান সেটা নিয়ে বিডিআর জওয়ান আর ডিজির সংঘর্ষ থেকে বিদ্রোহ রক্তপাত। থ্যাংকস গড যে খুব অল্পের উপর দিয়ে আমাদেরেক লক্ষন দেখিয়ে দিলেন যে বিদেশ শান্তি রক্ষ মিশন, বৈদেশীক মুদ্রার কাচাটাকা, আর সেনা কল্যান, ট্রাস্ট ব্যাংক , রেডিসন ওয়াটার গার্ডেন হোটেল, ব্লা..ব্লা..ব্লা এসবের হালুয়া রুটির ভাগা ভাগি নিয়ে যদি লাগে তবে কি হতে পারে। হালুয়ারুটি আর ভাগাভাগি থাকলে লাগতেই পরে। কিয়ামত নেমে আসবে। আর আমরা সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা দিয়ে এই বাহীনি পুষি কি আমাদের মতই হালুয়া রুটির ভাগ নেবার জন্য? আমাদের উপর কিয়ামত নামানোর জন্য? অতএব সাধু সাবধান।"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28917272 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28917272 2009-02-27 02:03:46
বিদ্রোহ কি পরিকল্পিত ছিলো? বিশ্লেষন ও ভবিষ্যত
এই ব্লগে অনেক দ্বন্দ সংঘাত দেখার পরেও একটি সংকট মুহুর্তে ব্লগারদের তথা সব মানুষের মনের ভালো দিকই প্রতিফলিত হয়েছে যে আমরা আসলে শান্তি দেখতে চাই। আমাদের সহানুভুতিশীল একটা মন আছে। সবাই মনে প্রানে সংকটের সুষ্ঠ সমাধান চেয়েছেন। সবাই দেশ নিয়ে আসলে আমরা উৎকন্ঠিত থাকি। এমন ঘটনা কারো কাম্য নয়। এটাও ঠিক যে এসকল ঘটনা থেকে ফায়দা উঠানোর মত স্বার্থান্বেষী অমানুষও আছে সংখ্যায় নগন্য হলেও। তবে দেখে মনে হলো, আমরা যতই নিজেরা ঝগড়া ঝাটি করিনা কেন বৃহত্তর সংকটে বাংগালী ভালো বা সঠিক সিদ্ধন্তের দিকেই থাকে, কোন রকম হঠকারি আচরন করে না।এবং আমরা যেন ভবিষ্যতেও যে কোন জাতীয় সংকটে ঐক্যবদ্ধ এবং সুশৃংখল থাকি।

এই ধরনের বিদ্রোহ রক্তপাতের সময় প্রথম এবং প্রধান প্রায়োরিটি উচিৎ যেকোন মুল্যে আত্মঘাতি সংঘর্ষ বন্ধ করা। আমার মতে শান্তিপুর্ন সমাধানের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করা উচিৎ। এমন কি এক্ষেত্রে কৌশলী হওয়াও খারাপ নয় মোটেই। সুতরাং রক্তপাত এড়ানোর জন্য, বিদ্রোহীদের ঠান্ডা করার জন্য সাধারন ক্ষমা , দাবী মেনে নেওয়ার প্রতিস্রুতি সবই করা যায়। আর এসব সিদ্ধান্ত দ্রুত হলেও খুবই ঠান্ডা মাথায় নিতে হয় এবং সঠিক সিদ্ধান্তে অবিচল থাকতে হয়। বিভিন্ন তাত্ত্বিক ও আদর্শিক দৃষ্টিভংগী থেকে বিশ্লেষন করলে এসবের হয়তো ভালো-খারাপ দিক বের করা যায় কিন্তু সবসময় এসব বিশ্লেষন করা ভালো না। কারন তা হলে গুরুত্বপুর্ন মুহুর্তে কোন সিদ্দ্বান্তই নেওয়া যাবে না।

দুইদিনের টান টান স্নায়ু নিয়ে ব্লগে বসে সবার পোস্ট পড়ার পরে এখন মনে হলো যে একটু স্বস্থির নিঃশ্বাস ফেলা যায়। এখন কিছু বিশ্লেষন বা তর্ক বিতর্ক করা যায়। আমার মনে হয় যে এই বিদ্রোহ কোন সুদুর প্রসারী পরিকল্পিত ব্যাপার ছিলো না। তাই আমি একে বিদ্রোহ বলার চেয়ে বিশৃংখালা বলবো। এখন পর্যন্ত যতটুকু জেনেছি তাতে আমি যেটা কল্পনা করতে পারছি যে দরবার হলে বিক্ষুব্দ বিডিআর জোওয়ানদের প্রতি নিশ্চই এমন কিছু করা হয়েছিলো যাতে চেইন অব কমান্ড ভেংগে যায় এবং তারা আফিসারদের গুলি করতে বাধ্য হয়। এবং ব্যাপারটা সাময়িক উত্তেজনার ফসল। কিন্তু জওয়ানদের হাতে অফিসার মারা যাওয়ার পরেই তারা বুঝতে পারে যে তারা আসলে কমান্ডিং আফিসার যে কিনা আবার আর্মি, মেরে ফেলেছে। এতে তারা আতংকিত হয়ে পরে এবং ভাবতে থাকে তাদের সব কিছুই শেষ হয়ে গেছে। আর্মি এসে তাদের টেক ওভার করবে, প্রতিশোধ নেবে এবং শাস্তি দেবে। সেকারনে তারা বিদ্রোহ করে এবং বাকি আফিসারদের জিম্মি করে। তখনই তারা এই বিদ্রোহের যুক্তি হিসাবে এতদিনের বন্চনার ব্যাপার গুলো সামনে নিয়ে আসে। সেনাবাহীনির আক্রমনের ভয়ে তারা গোলাগুলি করে চারদিকে। যাতে প্রতিয়মান হয় যে আক্রমন হলে তারা প্রতিরোধ করতে পারবে। কিন্তু প্রথম থেকেই তাদের মোটিভ ছিলো যে ঘটনা ঘটে গেছে সেটা থেকে উদ্ধার পাওয়া বা ক্ষমা পাওয়া।

সুতরাং যা বোঝা গেছে যে একটা উদ্ভুত সিচুয়েশন কন্ট্রোল করার ব্যাপারে বিডিআর এর ডিজি এর ব্যার্থতাই এমন একটা ঘটনা ঘটেছে। আর ডিজি যদি মারা গিয়ে থাকেন তবে উনি জীবনের বিনিময়ে এই ব্যার্থতার মুল্য শোধ করলেন। এখান থেকে শিক্ষা নিতে হবে কঠোর চেইন অব কমান্ড থাকলেও জওয়ানরা ও মানুষ। আর এই যুগে তাদেরকে কন্ট্রোল করতে হলে অনেক অনেক বেশী স্মার্ট হতে হবে। কোন রকম দুর্নীতি বা স্বার্থ বিষয়ে জড়িত থাকলে সেই নৈতিক মনোবল বা স্মার্টনেস থাকেনা। আর খালি গালিগালাজ আর বাজখাই গলা দিয়ে চেইন অব কমান্ড থাকেনা।

জওয়ানদের বোঝা উচিৎ যে আজ তারা আসলে বিপদে পড়েছে এই কাজটা করে। আর মানুষও সেটা বুঝতে পেরেই কিন্তু তাদের প্রতি সহানুভুতি দেখাচ্ছে। কিন্তু হঠকারি কোন ঘটনা থেকে যে ভালো কিছু আসে না সেটাও সত্য। বিশেষ করে দাবী আদায়ের জন্য সেনা বিদ্রোহ, এমন কিছু আমরা স্বপ্নেও ভাবতে পারিনা। এটা কোন অপশন নয়। আমরা বাংগালীরা দাবী আদায়ের জন্য কত কিছু করি , হরতাল-ভাংচুর, ধ্বংসাত্নক কার্যকলাপ, কিন্তু আমরাও কোন মতেই দাবী আদায়ের জন্য সেনা বিদ্রোহ সমর্থন করবো না কখনো।

সরকার এ পর্যন্ত শান্তিপুর্ন উপায়ে সমাধানের চেস্টা করছে বলে ধন্যবাদ। অনেক সমালোচনা, ষড়যন্ত্র হতে পারে, কিন্তু তরীর হাল যেহেতু আপনাদের হাতে, খুব খিয়াল কৈরা। কোন ঘটনাই কিন্তু রাজনীতি আর স্বার্থ হাসিলের বাইরে নয়। আমাদের সমাজে সবার মনেই কোন না কোন বন্চনা বা ক্ষোভের আগুন থাকতে পারে। সব আগুন তো আপনারা নিভিয়ে দিতে পারবেন না কিন্তু আপানাদের খেয়াল রাখা উচিৎ কাদের স্টকে প্রচুর ঘি আছে যে ক্ষোভের আগুনে ঢেলে ফায়দা হসিল করতে চাইবে। পরিকল্পিত বিদ্রোহ বা ক্যু না হলেও এখানে যে উস্কানি আছে সেটা কিন্তু বোঝা যাচ্ছে। না হয় শত বছরের বন্চনা কেন এই মুহুর্তে বের হবে।

আর আমাদের এখন আসলেই সিরিয়াসলি ভেবে দেখার সময় এসেছে যে আমাদের আর্মড ফোর্সকে ব্যাবসায় নামিয়ে হালুয়া রুটি নিয়ে কামড়া কামড়ি করতে দেবো কিনা। অপারেশন ডাল-ভাত ,লাভ-লোকসান সেটা নিয়ে বিডিআর জওয়ান আর ডিজির সংঘর্ষ থেকে বিদ্রোহ রক্তপাত। থ্যাংকস গড যে খুব অল্পের উপর দিয়ে আমাদেরেক লক্ষন দেখিয়ে দিলেন যে বিদেশ শান্তি রক্ষ মিশন, বৈদেশীক মুদ্রার কাচাটাকা, আর সেনা কল্যান, ট্রাস্ট ব্যাংক , রেডিসন ওয়াটার গার্ডেন হোটেল, ব্লা..ব্লা..ব্লা এসবের হালুয়া রুটির ভাগা ভাগি নিয়ে যদি লাগে তবে কি হতে পারে। হালুয়ারুটি আর ভাগাভাগি থাকলে লাগতেই পরে। কিয়ামত নেমে আসবে। আর আমরা সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা দিয়ে এই বাহীনি পুষি কি আমাদের মতই হালুয়া রুটির ভাগ নেবার জন্য? আমাদের উপর কিয়ামত নামানোর জন্য? অতএব সাধু সাবধান।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28917135 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28917135 2009-02-26 22:29:47
জামাতের রাজনীতি ও ধর্মবানিজ্যিক রাজনীতি নিষিদ্ধ হোক পেপারে দেখলাম জামাতে ইসলামী হিন্দের তিন নেতাকে আটক করেছে বি এস এফ। অপরাধ হলো এরা অবৈধভাবে সিমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছিলো। জামাতে ইসলামী বাংলাদেশের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলো।

জামাতে ইসলামী একটা আন্তর্জাতিক দল। জামাতে ইসলামী পাকিস্তান, বাংলাদেশ আর হিন্দ আছে। একটা আন্তর্জাতিক দল আমাদের দেশে জাতীয় রাজনীতি করবে কেন? ব্যাপারটা খুবই আপত্তিকর। তাদের তো দেশের চিন্তার বাইরেও বড় বড় চিন্তা আছে। তারা তো তাদের আন্তর্জাতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য দেশের স্বার্থ জলান্জলি দিয়ে দিবে। তাদের হাতে জাতীয় স্বার্থ নিরাপদ নয়। এরা গোপনে তাদের হিন্দ বা পাকি ভাইবেরাদারদের দিয়ে অনেক কাজ করিয়ে নিতে পারে। এরা আবার ঐ ভাইবেরাদারদের হয়ে অনেক কিছু করে দিতে পারে। এবং এই দলের জন্ম অন্যদেশে। এদের প্রতিষ্ঠাতা বিজাতীয় লোক। তাহেল এরা কিভাবে বাংলাদেশের স্বার্থ দেখবে?
এসব প্রশ্ন একজন ভবিষ্যত সচেতন লোকের হতে পারে। তাই জামাতে ইসলামী বাংলাদেশ নাম বদলিয়ে বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী রেখেছে। যাতে ওরা বলতে পারে যে ওরা ঐ আন্তর্জাতিক শক্তির একটা বাংলাদেশী অংশ নয়। এভাবে ওরা আইন এর ফাকফোকর কাজে লাগিয়ে হয়তো রাজনীতির বৈধতা বজায় রাখবে কিন্তু আমরা তো জানি এরা আসলে কারা। আজ বিজেপি বা শিবসেনা যদি বাংলাদেশে একটা শাখা খুলে হিন্দু ধর্ম বেচে রাজনীতি শুরু করে সেটা আমাদের জন্য যতটা শকিং হবে আজকের জামাত সেটা থেকে আলাদা কিছু নয়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28913689 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28913689 2009-02-20 05:44:17
স্বপ্ন দেখবো বলে

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28908907 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28908907 2009-02-09 22:40:41
দেশী খেলাধুলা কি হারিয়েই যাবে?
যাহোক আমরা সবসময়েই গ্রহনে যথেষ্ট উদার তাই বিদেশী এসব খোলাধুলা এখন আর বিদেশী নেই, আমাদের সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের দেশেরও নিজস্ব কিছু খেলাধুলা আছে বা ছিলো। মনোযোগ, যত্নের অভাবে এসব এখন হারিয়ে গেছে বা যাচ্ছে। বিদেশী খেলাধুলা নিয়ে মেতে থাকার পাশাপাশি আমরা কি এসব নিজেদের খেলা নিয়ে কিছুটা সময় বা ভাবনা দিতে পারিনা? বাংলাদেশের নিজস্ব অনেক খেলা আছে, গ্রামে বা পাড়ায় মহল্লায় একসময় কিশোর-কিশোরী, যুবক-তরুনরা সেসব খেলতো।
আমরা ইচ্ছা করলে উদ্যোগ নিয়ে সেসব খেলার নিয়ম-কানুন সংগ্রহ করে সেগুলোকে আরো আধুনিক ও আকর্ষনীয়ভাবে প্রজেন্ট করতে পারি মডার্ন অডিয়েন্সের সামনে। আর মিডিয়া যদি এগিয়ে এসে সেগুলোকে প্রমোট করে তাহলে মানুষ নতুন করে জানবে আর আগ্রহ প্রকাশ করবে। তারপর আমরা দলবেধে সেসব খেলায় অংশ গ্রহন ও উপভোগ করলে হয়তো এগুলো আবার প্রান পেয়ে বিকশিত হবে। এমনকি বৈশ্বিকও হয়ে যেতে পারে কে জানে?

এতকিছু না হোক, এটলিস্ট আমাদের কিছু নিজস্ব খেলাধুলা ছিলো সেগুলোর ইতিহাস যাদুঘরে সংরক্ষনের জন্য হলেও আমাদের এসবের বিবরন, নিয়েম সংগ্রহ করা দরকার। আমি কিছু খেলার নাম জানি কিন্তু হয়তো বিস্তারিত নিয়ম বা বিবরন জানি না। ব্লগাররা যদি সবাই নিজ নিজ নলেজ আর মেমোরী থেকে কিছু কিছু ইনপুট দেন দেখা যাবে যে এখানেই একটা ভালো সংগ্রহ দাড়িয়ে গেছে।

১। হাডুডু:


২। দাড়িয়াবান্ধা:


৩। বৌছি:


৪। ডাংগুলি:


৫।লাটিম:


৬। ঘুড়ি:


নোট: আরো নাম বা বিবরন জানা থাকলে বলেন আমি এড করে নেবো। একদম পাড়া গাঁয়ের অজানা খেলাটির নামও বলতে পারেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28907655 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28907655 2009-02-06 22:03:37
আহা জীবন

এইখানে এই তরুর তলে
তোমার আমার কৌতুহলে
যে কটি দিন কাটিয়ে যাব প্রিয়ে,

সংগে রবে সুরার পাত্র
অল্প কিছু আহার মাত্র
আরেকখানি ছন্দমধুর কাব্য হাতে নিয়ে ।

-- ওমর খৈয়াম।
-- ছবি: গুগল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28906980 http://www.somewhereinblog.net/blog/rajorshi/28906980 2009-02-05 10:26:30