আমাদের দেশে দানবদের পুণরুত্থান ঘটতে শুরু করেছে। সেভাবে বললে আসলে বলা উচিত, দেশে দানবদের পুণরুত্থান ঘটানো হচ্ছে। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, মানবদের মাঝে দানবদের পুণরুত্থান যে ভয়াবহ বিপজ্জনক, সেই বোধটুকু কীভাবে জানি লোপ পেয়ে গেছে। আমরা কেউ বিষয়টি নিয়ে খুব একটা সচেতন বলে মনে হয় না। আর সেই সুযোগে কাদের স্বার্থে, কীভাবে দানবদের পুণরুত্থান ঘটছে তা বুঝে ওঠার আগেই দানবরা জেঁকে বসেছে। তাদের এই জেঁকে বসার অর্থ হলো তারা এখন শক্ত একটা অবলম্বন নিয়ে জোরেশোরে বাড়ছে এবং একসময় বাড়তে বাড়তে মানবদের ধ্বংস করার মতো শক্তি অর্জন করবে। সেই শক্তি এক করে তখন দানবেরা তাদের আসল চেহারা প্রকাশ করবে। মানবদের জন্য সেটি হবে ভয়াবহ দুর্দিন।
এই যখন প্রেক্ষাপট, তখন পয়লা নম্বরের জরুরি প্রশ্নটা হলো, জনগণ একদিন তাদের সম্মিলিত শক্তি দিয়ে যে দানবদের ইতিহাসের আসত্মাকুঁড়ে নিক্ষেপ করেছিলো, তাদেরকে আবার তুলে এনে কোলে বসানোর দুঃসাহস হলো কাদের? না, তারা তো দূরের কেউ নন। তারাও আমাদের দেশের জনগণের ভোট পেয়েই নির্বাচিত হন, তাই নির্বাচন এলে তারা ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে সেই জনগণের কাছেই যান। জনগণ তাদের ফেরায় না। গত ১৫ বছর ধরে জনগণ একে নয়তো ওকে কাউকে না কাউকে ভোট দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় বসিয়ে নিশ্চিনত্ম হবার চেষ্টা করেছে। কিন’ আসলে কি নিশ্চিনত্ম হতে পেরেছে? না পারেনি, পেটে ভাত নেই, গায়ে কাপড় নেই এমন মানুষের অভাব এখনো আমাদের দেশে নেই।
কিন্তু যাদের ভোট দিয়ে জনগণ ভাত-কাপড়ের নিশ্চয়তা চেয়েছিলো, তাদের মুখ থেকে ডলার পাউণ্ডের হিসাব আর রেমিটেন্স কিংবা বিনিয়োগ নিয়ে স্টাইলিশ কথাবার্তা শুনে মনে হয় অন্য কিছু। যে যাই বলুক, জনগণ যে নিশ্চিনত্ম হতে পারেনি এটা তো নিশ্চিত। কিন’ তারপরেও কি জনগণের ভোট পাওয়া সেই ক্ষমতাবানদের হুঁশ ফিরেছে? যা হোক, কথাটা হলো দানবদের কোলে নেয়ার দুঃসাহসটা হলো কাদের? স্বাভাবিক অবস’ায় একজন মানবের তো এই দুঃসাহস হবার কথা নয়। তাহলে নিশ্চয়ই এই দুঃসাহসটা যাদের হয়েছে তারা বেশ খানিকটা অস্বাভাবিক অবস’াতেই কাজকর্মগুলো করেছে এবং করছে। তাহলে কী সেই অস্বাভাবিক অবস্থা?
আজকের এই পুণরুত্থিত দানবেরাও কিন্তু একদিন অস্বাভাবিক অবস্থায় ছিলো। জনগণ থেকে দূরে গিয়ে তাদের দুর্বলতাকে ব্যবহার করে তারা রাজনীতি করতে চেয়েছিলো। আজকে যারা সেই দানবদের আশ্রয় দিচ্ছে তারাও কি জনগণের কাছ থেকে দূরে সরে যাননি? এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে হলে হয়তো অপেক্ষা করতে হতে পারে। কিন’ ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে আমরা দানবদের পরিকল্পনাগুলো তো মিলিয়ে নিতে পারি।
আমি জানি না, এখন দেশে একাত্তরে পাকিসত্মানের দালালদের রাজাকার বললে আবার আমার বিরুদ্ধে কেউ মানহানির মামলা করবে কি না।
আমি এও জানি না, আমাদের চেয়েও নতুন প্রজন্ম আসলে রাজাকার বলে কিছু ছিলো তা জানবে কি না। কিন’ সেই দায়িত্বটা ছিলো কাদের? আমরা কি আমাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পেরেছি? আমরা নতুন সুর ধরেছি, বিভাজন নয়, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ বলে কিছু নেই, আমরা সবাই ভাই ভাই! মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ, আজ এই কথাটাও শুধু রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারের জন্য ভাঙা রেকর্ডের মতো বাজানো হয়। কিন’ কীসের বিভাজন নেই? পাকিসত্মানের পক্ষ আর বাংলাদেশের পক্ষ- এই ব্যবধান রাখা যাবে না? ঠিক আছে, তা নাহয় নাই রাখলেন, তাহলে আপনাকে স্পষ্ট করে বলতে হবে, আপনি কি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার পক্ষে না বিপক্ষে?
বুঝতে হবে পাকিসত্মান রক্ষায় লড়াই করাই সেই দানবদের্ মূল লক্ষ্য ছিলো না। ছিলো আরো পরিস্কার লক্ষ্য। আর সেটি হলো ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে সহজ পথে শোষক হওয়া। এখন যখন তাদেরই পুণরুত্থান ঘটছে তখন দেখার বিষয় হলো, তাদের সেই লক্ষ্য থেকে তারা কতো দূর?
এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকাগুলোর আশ্রয় নিতে হয়। বর্তমান সরকারের শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী সেই সময় পাকিসত্মান ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিলেন। আজাদী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত ছাত্র সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, পাকিসত্মান শুধু কোনো ভূখণ্ড নয়, একটি আদর্শের নাম।
ইসলামী আদর্শের প্রেরণাই পাকিসত্মান সৃষ্টি করেছে এবং সেই আদর্শই পাকিসত্মানকে টিকিয়ে রাখতে সক্ষম। এরপর তিনি ইসলামপ্রিয় ছাত্র সমাজ বেঁচে থাকা পর্যনত্ম পাকিসত্মান টিকে থাকবে বলে উল্লেখ করেন। নিজামীর এই বর্ক্তৃতা প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ১৬ আগস্টের দৈনিক সংগ্রামে। অর্থ্যাৎ পাকিসত্মান রাষ্ট্রকে রক্ষা করতে হবে কারণ ধর্ম নিয়ে রাজনীতির পথ সুগম করতে হবে। নিজামীর ইসলামপ্রিয় ছাত্র সমাজ যদি তখন হয় ইসলামী ছাত্র সংঘ তাহলে তাদের উত্তরসুরী ইসলামী ছাত্র শিবির তো আজো টিকে আছে। তবে সেই পাকিসত্মান টিকে নেই। তারা দাবি করেন, ইসলামী আদর্শ তারা এখনো টিকিয়ে রেখেছেন। তারা সেই আদর্শের প্রেরণা দিয়ে কী সৃষ্টি করতে চান, সেই প্রশ্ন কি তাদেরকে শক্ত ভাষায় করার সময় আসেনি?
একাত্তরের ৭ নভেম্বর বিকেলে ঢাকা শহর ইসলামী ছাত্র সংঘের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত গণজমায়েতে পূর্ব পাকিসত্মান ইসলামী ছাত্র সংঘের তখনকার সভাপতি বর্তমানে জামাতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ যে ৪ দফা উত্থাপন করেছিলেন তার দ্বিতীয় দফা ছিলো, ‘আগামীকাল থেকে হিন্দু লেখকদের কোনো বই কিংবা হিন্দুদের দালালি করে লেখা কোনো বই লাইব্রেরিতে স্থান দিতে পারবে না।’ আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের সেই দাবি এখন তার মনের কোন কোণে লুকিয়ে আছে তা বলা দুষ্কর। তবে অন্য ধর্মকে শত্রু বানিয়ে জনতার পরিচয় ধর্মের বৃত্তে আবদ্ধ করার যে মানসিকতা তার এই বক্তব্যে লুকিয়ে আছে তা কি তিনি ত্যাগ করেছেন এখনো?
১৯৭১ সালের ৮ নভেম্বর দৈনিক আজাদে বদর দিবসের সংবাদে ইসলামী ছাত্রসংঘের অনুষ্ঠানের যে সংবাদটি ছাপা হয়েছিলো সেখানে পূর্বপাকিসত্মান ছাত্র সংঘের সাধারণ সম্পাদক মীর কাশেম আলী বলেন, ১৪ শ বছর পূর্বে কাফেররা রছুলুল্লাহর (সা.) ওপর যেভাবে হামলা চালানো হয়েছিলো হিন্দুয়ানিতে আকৃষ্টরা সেভাবেই ইসলাম ও পাকিসত্মানের ওপর হামলা করছে। ৫ আগস্ট দৈনিক সংগ্রামে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, চট্টগ্রামের এক সুধী সমাবেশে বর্ক্তৃতা করতে গিয়ে মীর কাশিম আলী বলেন, পাকিসত্মানের বুকে ইসলামী শাসনব্যবস্থা কায়েমের মাধ্যমেই একে টিকিয়ে রাখা সম্ভব। মানে ভীষণ সোজা, রাজনীতিটা আসলে হবে ধর্ম নিয়ে এবং সেখানে ইসলামী শাসনব্যবস্থা বলে একটা ব্যবসা চালু করে নিজেদের সেই সিস্টেমের মাতব্বর বলে জাহির করা হবে, যাতে শোষণের পথটা পরিস্কার হয়।
প্রকৃত ধর্ম সেখানে কতোটুকু উপস্থিত থাকবে আসলে মূখ্য বিষয় সেটিও নয়। ধর্মীয় আইন, না জানি সেটা কী! বাংলাদেশের মানুষের এই ভাবনার সুযোগ নেয়াটাই মুখ্য। রাষ্ট্রের জনগণের জন্য বৈষম্য তৈরি করাটাই মুখ্য। ১৯৭১ সালের ৬ জুন জামাতের আমীর সৈয়দ আবুল আলা মওদুদী পাকিসত্মানের পক্ষে সাফাই গেয়ে এক বিবৃতি দেন। দৈনিক পাকিসত্মান পত্রিকায় সেটি ছাপা হয় পরদিন ৭ জুন। এতে মুক্তিযুদ্ধকে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত নয় বলেই এক শ্রেণীর চরমপন্থী পাকিসত্মানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছে। এখনো যেকোনো অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে, নেতিবাচক কোনো সামাজিক অবস্থার কথা উঠলেই জামাতের নেতারা বলেন, মানুষ ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত হলে সমাজে কোনো বিপর্যয় ঘটবে না। শিক্ষাটাকেও একেকটি বিশেষায়িত শ্রেণীতে ফেলে ফায়দা লোটার চেষ্টা তখন থেকেই তারা পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছেন।
এই লেখায় শেষবারের মতো পুরানো দৈনিকের সাহায্য নিই। ১৯৭১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর হোটেল এম্পায়ারে সদ্য গঠিত মন্ত্রিসভায় জামাতের দুই নেতা প্রাদেশিক শিক্ষামন্ত্রী আব্বাস আলী খান ও রাজস্ব মন্ত্রী মাওলানা একেএম ইউসুফ স্থান পাওয়ায় জামাত তাদের সংবর্ধনা দেয়। এই সংবাদটি পরের দিন ২৬ সেপ্টেম্বর দৈনিক পাকিসত্মানে ছাপা হয়। এতে জামাতের আমীর গোলাম আজম বলেন, জামাতে ইসলামীর কর্মীরা মুসলিম জাতীয়তাবাদকে বিসর্জন দিয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদকে মেনে নিতে রাজী না।
যে উদ্দেশ্য নিয়ে জামাত রাজাকার বাহিনীতে লোক পাঠিয়েছে, শানিত্ম কমিটিতে লোক পাঠিয়েছে সেই একই উদ্দেশ্যে জামাত মন্ত্রিসভায় লোক পাঠিয়েছে। প্রশ্ন হলো, জামাতে ইসলামীর কর্মীরা এখন কোন জাতীয়তাবাদ লালন করেন? সেই একাত্তরে পাকিসত্মান সরকারের মন্ত্রিসভার পর এবার সরকারের মন্ত্রিসভায়ও তারা রয়েছেন। প্রশ্ন হতে পারে, এবার কী উদ্দেশ্যে তারা মন্ত্রিসভায় লোক পাঠিয়েছেন?
আমরা কি এতোসব প্রশ্ন কখনো তুলেছি? কেনো তুলিনি? পক্ষ-বিপক্ষ রাখবো না, এই খোঁড়া যুক্তির কারণে? আপনি, আমি যে বলছি, পক্ষ-বিপক্ষ রাখবো না, সব এক হয়ে যাবো, ভেবে দেখেছেন, যাদের নির্দেশ করে আপনার-আমার মুখ থেকে এই কথা বের হয়, তারা তাদের কৃতকর্মের জন্য এখনো একটুকু অনতপ্ত কি না? একাত্তরে তাদের বিতর্কিত ভূমিকা দলিল দসত্মাবেজ সমেত হাজির করা যায়। অথচ তারা একটিবারের জন্যও এ বিষয়ে ক্ষমা চায়নি। যে রাষ্ট্রে বসবাস করছে, যে রাষ্ট্রের জাতীয় পতাকা গাড়িতে উড়ছে, সেই রাষ্ট্রের জন্মটাকেই যারা মেনে নেয়নি, তাদেরকে রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদার বানিয়ে আমরা আসলে কোন পথে চলেছি? তাহলে নতজানু কি আমরাই হয়ে আছি? যে দানবকে একাত্তরে জনতা আসত্মাকুঁড়ে নিক্ষেপ করেছিলো, সেই দানবকে যত্ন করে তুলে এনে কি আবার আমাদের সর্বনাশের পথ খুলে দেয়া হচ্ছে?
দানব শুধু এই একটিই নয়। নব্বুইয়ের গণঅভুত্থানে রক্তের বিনিময়ে যে স্বৈরাচারের পতন ঘটেছিলো, সেই দানবটিকেও আবার আমরা ফিরিয়ে আনছি। একের পর এক মামলা থেকে খালাস পাচ্ছেন এরশাদ। ক’দিন আগেও যার পেছনে লোক হাতে গোনা যেতো কাল দেখলাম আদালত থেকে বের হবার পর তার পেছনেই আবার লোকের শেষ নেই। বাহ! কতো চমৎকার উপায়ে পতিত স্বৈরাচারকে এভাবে আবার জনগণের ঘাড়ে চাপানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে! তিনি আবার বিগলিত হয়ে জানাচ্ছেন, তিনি পতিত স্বৈরাচার নন এবং তাকে রাজনৈতিক দলগুলোর দরকার।
জোটের রাজনীতি আর ভোটের রাজনীতির স্বার্থে এই দানবদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অংশীদার বানানো কিংবা তার খুব কাছাকাছি নিয়ে সুবাস পেতে দেয়া- এসবের মধ্যে জনগণের স’ান কোথায়? পুরো প্রক্রিয়াটাই গদিটা নিজের দখলে রাখার জন্য। জামাত সরকারের শরীক হবার কারণে কি বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে? সব মানুষ কি এখন পেটপুরে খেতে পারছে? এখন কি পুলিশের গুলি খেয়ে মানুষ মরছে না? এখন কি ঘুষ ছাড়া সব কাজ হয়? এখন কি পানি সংকট দূর হয়েছে? দ্রব্যমূল্যের আকাশ ছোঁয়া দাম কি একটানে মাটিতে এসে ঠেকেছে? এসবের কিছুই হয়নি। কিংবা এরশাদ যে নতুন করে চাঙা হচ্ছেন, তাতে কি খুব বেশি কিছু আসছে যাচ্ছে মানুষের? না। তাহলে জনগণ এই পুরো প্রক্রিয়ার কোথাও যখন নেই, তখন তাদেরকে সর্বনাশের পথে ঠেলে দেয়ার অধিকার কি তথাকথিত বড় রাজনৈতিক দলগুলোর আছে? নিজের গদি রক্ষা করতেই যদি দানব ডাকতে হয়, তাহলে বুঝতে হবে, সেই দানব ডাকা হচ্ছে, মানব ধ্বংস করতে। জনতার ওপর শোষণের ছড়ি আরেকটু জোরে ঘোরাতে। আবার সেই পুরানো কথা বলতে হয়, আসলে শিক্ষাটা ইতিহাস থেকেই নিতে হয়। সেখানেই সবার পরিণতি লেখা আছে।
[সংগৃহিত ]
দানবদের পুণরুত্থান ঘটানো হচ্ছে কাদের স্বার্থে?
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।