আমার প্রিয় পোস্ট
- ঘরে বসেই 3D মুভি উপভোগ করতে চান? বেশি না লাগবে একটা মনিটর আর নিজের বানানো চশমা!!

- হাসান জোবায়ের
- ও মোর রমজানের ঐ বয়স শেষে এল জন্মদিন - বিষাক্ত মানুষ
- শুভ জন্মদিন মানুষ - আউলা
- চটাশ... - দ্বিধা
- ছোটগল্প : যখন একুশ শতকের আকাশে ফুটছিলো ফসফরাস ফুল, সভ্য কুকুরটি তখন নিহত হয়েছিল - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ফ্রেন্ঞ্চ খোঁপায় শ্বাসরুদ্ধ চুলের জোছনা - নম্রতা
- হলুদ দেয়ালের টিকটিকি - নাজনীন খলিল
- ছুটি - আশরাফ মাহমুদ
- গল্প : অপেক্ষা - একরামুল হক শামীম
- মানুষ - সবাক
- আমার বামহাতটা কব্জির নীচ থেকে উড়ে গিয়েছিলো ............... - হনলুলু
- কব্জিতে শুধুই শেকলের দাগ ----- - বিষাক্ত মানুষ
- (প্রিয় কবিতা-১/মহাদেব সাহা) মানুষের বুকে এতো দীর্ঘশ্বাস - তানজু রাহমান
- অন্তর্দহন অতঃপর ...................... (গল্প) - রন্টি চৌধুরী
- কাজলাদিদি .............. উতসর্গ আউলাদি - হনলুলু
- উৎসর্গ: আউলা - চানাচুর
- কি সখী ডরাইলা! - রাশেদ
- একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান - রাশেদ
- আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভীড়ে
(উৎসর্গ: প্রিয় ব্লগার মানুষকে) - মুকুল
- টুকুনের জন্য । - নরাধম
- মুক্তি - আউলা
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- সেই সব মা জননীদের আমাদের প্রনাম - ইরতেজা
- ক্লান্তিকর পরবাস ; তোমার কাছে ফেরার নিস্ফল রোদন ! - আহমেদ শারফুদ্দীন
- বিশ্বাস করো , আজ তোমাকেই চাইতাম - রাগ ইমন
- একটা ব্লগ লিখেই ফেলি সমাজ বদলের (ব্লগ লিখলেই সমাজ বদল হয় না):২ - উদাসী স্বপ্ন
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- কথা দাও - কালপুরুষ
- পথ আগলে থাকা কোন এক নারীকে (সূফীর কবিতাঞ্জাল) - সূফি
- প্রুফ রিডার - ফয়সল
হৈমন্তী (মানুষের ছোট গল্প)
২১ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫৩
কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু আমি সবুর করিতে চাহিলাম না। কারণ আমার মস্তকের টাকটি বাড়াবাড়ি রকমের বাড়িয়া যাইতেছে, আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টিও পার হইয়া যাইবে। কন্যা দেখিতে যেমনি হউক কিন্তু তাহার বাবার ব্যাংক ব্যালান্সের আপেক্ষিক গুরুত্ব কম নহে। অতএব কাল বিলম্ব না করিয়া বিবাহের পিড়িতে বসিবার জন্য উদগ্রীব হইয়া উঠিলাম।
আমাদের দেশে যে পুরুষ একবার বিবাহ করিয়াছে বিবাহ সম্বন্ধে তাহার মনে আর কোন মোহ অবশিষ্ট থাকে না। বাঘের সামনে পড়িলে মানুষের যে দশা হয়, স্ত্রীর সম্বন্ধে তাহার ভাব সেইরুপ হইয়া উঠে। অবস্থা যেমনি ও বয়স যতই হউক স্ত্রীর সামনে নতজানু হইয়া থাকিতে তাহারা দ্বীধা করে না। বোধকরি এই কারণেই আমাদের মতো নবীন বেকারদিগের বিবাহের কথা শুনিলে গায়ে কম্প দিয়া জ্বর আসে। সত্য বলিতেছি, আমার মনে এমন বিশেষ উদ্বেগ জন্মে নাই। বরঞ্চ বিবাহের কথায় আমার মনে যেন দক্ষিনের হাওয়া বহিতে লাগিল। যে চাকুরি বিহীন বেকার তাহার পক্ষে এই ভাবটা দোষের। কিন্তু কি করিব, কবি বলিয়াছেন, “এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার সময় তার।”
কিন্তু এ কী করিতেছি? এ কি একটা গল্প যে উপন্যাস লিখিতে বসিলাম। এমন বেসুরে যে আমার লেখা শুরু হইবে এ আমি কি জানিতাম? মনে ছিল, কয় বৎসরের বেদনার যে মেঘ কালো হইয়া জমিয়া উঠিয়াছে, তাহাকে নাসিকা ঝাড়িবার মতো করিয়া ব্লগে ঝাড়িয়া ফেলিব। কিন্তু না পারিলাম বাংলায় শিশুপাঠ্য লিখিতে, কারণ তাহা লিখিলে উনি মুখে একখানা মুগ্ধবোধ বসাইয়া দিবেন; আর না পারিলাম কাব্য রচনা করিতে, কারণ তাহাকে দেখিলেই মনের সকল কাব্য মৃত পুষ্পসম ঝরিয়া যায়। সেই জন্যই দেখিতেছি, আমার ভিতরের সদা চঞ্চল বানরটি অট্যহাস্যে আপনাকে আপনি পরিহাস করিতেছে। না করিয়া করিবে কী। তাহার যে অশ্রু শুকাইয়া গিয়াছে।
যাহার সঙ্গে আমার বিবাহ হইয়াছে, তাহার সত্য নামটি দিব না, কারণ সে টের পাইলে আমার খবর হইয়া যাইবে। শোসনের গুতোয় তাহার নাম যে তাম্রপটে অক্ষয় হইয়া রহিয়াছে সেটা আমার ললাট। শত চেষ্টাতেও তাহা মুছিতে পারিব না।
আমার এ লেখা যেমনই হউক তাহার একটা নাম চাই। আচ্ছা তাহার নাম দিলাম হৈমন্তী। রবি'দার হৈমন্তী গল্পকে ফলো করিয়া নাম ধার্য করিলাম।
তৃতীয়বারের মতো বি.এ.-তে ফেল মারিয়া, পড়াশুনোয় ক্ষান্ত দিয়াছি, আমার বয়স তেত্রিশ (অবশ্য সার্টিফিকেটে পঁচিশ) এমন সময়ে আমার বিবাহ হইল। বেকার অবস্থায় বিবাহ, দলের মতে বা দল সংস্কারকের মতে উপযুক্ত কিনা তাহা লইয়া তাহারা হরতাল-কার্ফু ডাকুক, কিন্তু আমি বলিতেছি বেকার অবস্থায় বিবাহ মোটেও সুবিধার নহে।
বিবাহের অরুনোদয় হইল একখানি ফটোগ্রাফের আভাসে। লুকাইয়া রসময় গুপ্ত পড়িতেছিলাম। ঠাট্টার সম্পর্কের এক আত্মীয়া চটিখানি কাড়িয়া লইয়া, হৈমন্তীর ছবিখানি টেবিলে রাখিয়া কহিল, “এই বার সত্যিকারের পড়া পড়ো-- একেবারে ঘাড়মোড় ভাঙিয়া।”
হাল ফ্যাসন অনুযায়ী, সে খোপা বাঁধে নাই, গায়ে গহনাও ঝুলায় নাই কিন্তু ফটোশপের কারসাজিতে তাহার রুপ ফুটিয়াছে ভালই। দেখিয়া আসল চাহারা বুঝিতে পারি নাই।
পঞ্জীকার পাতা উল্টাইতে লাগিল। একসময় আসিয়া পড়িল সেই কুক্ষন। সেদিনের সানাইয়ের প্রত্যেকটি তান আমার মনে বেদনার সুর তুলিতেছে। সেদিনের পর হইতে জীবনের সকল সুখ দুরিভুত হইয়াছে। আহা! আমার সেই তেত্রিশ (সার্টিফিকেটে পঁচিশ) বছরের জীবন যদি অক্ষয় হইয়া থাকিত!!! সেদিনকার বিবাহের সেই হট্টোগোলের মাঝে তাহার হাতখানি যখন আমার হাতে পড়িল তখন আমার মনে হইল, 'পাইলাম, আমি ইহাকে পাইলাম।' হায়! তখন কি জানিতাম ইহাই আমাকে পাইয়াছে!!!
তাহার পরের কাহিনী আর লিখিতে পারিতেছি না। বেদনা বিধুর সে কাহিনী রবি'দাও লিখিতে পারিবে কি না সন্দেহ, আমিতো তাহার তুলনায় ছারপোকা।
ঐ যে, হৈমন্তী আমার সন্ধান করিতেছে। মনে হয় ঘর ঝাড়ু দিতে বলিবে। ঝাড়ু দিতে অপারগতা প্রকাশ করিলে আমার উপরেই ... । থাক, আর বলিয়া কাজ কী!
প্রকাশ করা হয়েছে: রম্য বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মে, ২০১১ বিকাল ৫:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নরাধম বলেছেন:
আমিও উহাকে ৫ দিলাম। স্ত্রীগণ তাহাদের স্বামীদিগকে আজকাল নরাধম বলিয়া বিবেচনা করে।
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
"সে আমার সম্পত্তি নয় সম্পদ"
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
এইটা মানুকাব্য হইয়াচে
মানুষ বলেছেন:
ভাই হাসিবেন না। ইহা একটি ট্রাজেডি গল্প, রম্য নহে @ ফারহান দাউদথ্যাংকু @ বিষু
হক কথা @ নারুদা
"সে আমার সম্পত্তি নহে, আমি তাহার সম্পত্তি" @ ষাঁড়ফু
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
তুমি একটা ক্রিমিনালের কথা কইলা । সে হইবে জগতের সম্পত্তি
মানুষ বলেছেন:
হইতে পারে। তুমি জ্ঞানী ষাঁড়। তুমি জানবা @ ষঁড়ফু এই গল্পের সাথে লেখকের কোন সম্পর্ক নাই @ ফারহান দাউদ
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
তুমি চামে আমারে অপমান করতাছ ????
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
তুমি না তুমারে সাইজ করা লাগবে। হাজী সাব বাদে কেউ এই কাম করতে পারবেনা
আিরফা েহােসন বলেছেন:
আজব জোস।আহারে আজকাল কার ছেলে হয়ে এতটুকু মর্ডান তো হতেই হবে।ঝাড়ু দেওয়াতো কিছুই না। রান্না করা বউয়ের সেবা করা,গা মেসেজ করা, বাচ্চাদের স্কুলে নেওয়া,কাপড় কাচা....একটু হজম কর ভাইয়া..হাজার হোক তুমি তো ভাবিরই।তুমি তাকে কত ভালবাস।থাক থাক একটু কর।আমিও হলে তো ঘরটা মুছিয়েও নিতাম। ভাবি কতই না উদার তোমার প্রতি...
েজবীন বলেছেন:
হাসতে হাসতে গাল ব্যাথা হয়ে গেল......অনেক মজার হইছে......৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫................
শরীর ভাল হইছে?
মানুষ বলেছেন:
এইটা আমার গল্প না
@ আরিফা হোসেনআপনি কি ভুক্তোভোগি@ সামী মিয়াদাদ
হুম্ম এখন ভাল আছি। তোমার খবর কি? @ জেবীন
রাশেদ বলেছেন:
রবি ঠাকুরের রয়ালটি ফি আমার কাছে দিতে কইছে!
মানুষ বলেছেন:
রবি'দার সোল এজেন্ট হইছ কবে থেকে @ রাশু
েজবীন বলেছেন:
আছি মোজে মে....একটা জোক শুনছিলাম- বোম্বের একলোক, কলকাতার একজন কে জিগ্গেস করল"ক্যায়সা হো?" কলকাতা কয়"মোজে মে"
বোম্বে -"বাবা ক্যায়সা?"
কলকাতা কয়- "মোজে মে"
বোম্বে -"বিবি বাচ্চা সাব ক্যায়সা?"
কলকাতা কয়- "মোজে মে" এবার কলকাতা বোম্বেকে জিগ্গেস করল " আপ ক্যায়সা হো?"
বোম্বে কয়- "জুতে মে, ইসলি কে সাব মোজে ভরগ্যায়া"
রাশেদ বলেছেন:
হা হা!
অন্যরকম বলেছেন:
ফইটক্যা..... হৈমন্তিরে কইছিলা.... কিভাবে স্কুলে সামনে কান ধইরা উঠবস করছ? (হি হি হি)
রাশেদ বলেছেন:
কয়বার জানি! ৫০ বার না ফইটকা!!
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
ভালো হইসে।
নূর-ই-হাফসা বলেছেন:
আপনে H.s.c তে পড়েন নাকি।হৈমন্তি গল্পের হুবহু কয়েক লাইন আপনে তুলে দিয়ছেন।আবার বাকিটা বানানো।
অন্যরকম বলেছেন:
হেইডা কইলে ত ঝারুর বাড়ি একটাও মাথায় পড়বে না...সব পিছন দিয়া....(সেনসরড)!@ড়ষী
রাশেদ বলেছেন:
না। মানু এইবার মেট্রিক দিলো। কেবল ভর্তি হইছে কলেজে। দোয়া কইরেন ছেলেটার জন্য।
মানুষ বলেছেন:
পুলাপাইন খালি পিছে লাগো কেন
। নুর ভাই, নারে ভাই ঐ দিন শেষ।
সিলেবাসতো শেষ, এইবার কি নিয়া লিখমু, পুলাপাইন সাজেশন দেও।
মানুষ বলেছেন:
আমারে ব্যান খাওয়াইতে চাও নাকি? নজরুল ভাইরে ফলো কইরা লিখমু ভাবতেছি, নাকি নাদুর মতো "গুলে ভরা ডাইরি" লিখমু?
রাশেদ বলেছেন:
হা হা! নাদু দেখলে পিডাইয়া মাইরা লাইবো তোমারে!!
মানুষ বলেছেন:
যে যায় কও, সবাই ঐ রাস্তা দিয়া হাইটা আইছো।
রাশেদ বলেছেন:
এইখানে বড়দের কথা হইতেছে। পুকা তুমি ভাগো!
মানুষ বলেছেন:
হুম পুকা এইডা রাশুর ফেভারিট রাইটার নিয়া মুল্যবান আলোচনা চলতেছে। তুমি এইসব বুঝবানা।
রাশেদ বলেছেন:
আমার এক বন্ধু সবগুলা পর্ব স্ক্যান কইরা সিডিতে রাইট করছিলো। পরে গাধাটা হারাইয়া ফেলছে।
রাশেদ বলেছেন:
হ!
মানুষ বলেছেন:
ইস!!! তোমার দোস্তরে পিটানি লাগান দরকার @ রাশু
অজানা একজন বলেছেন:
ওম্মা । মানুষ ভাই হৈমন্তী নিয়া গবেষনা শুরু করলেন কবে?সুন্দর হইসে । রবিদা হইলে অক্কা পাইতেন ।
রাশেদ বলেছেন:
আরুরে! আমার এক বন্ধু সিডিতে নিছিলো। কিন্তু পরে হারাইয়া ফেলছে। কেউ মনে হয় মাইরা দিছিলো! ব্যাকাপ ছিলো না।
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
তয় মানুয় গুল মারসে, কেলাস সেভেন হৈতারে না..
নিধিরাম সর্দার বলেছেন:
পোলাটা অসত সন্গে থাইকা নষ্ট হইয়া গেলো
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
ডাক্তার, আপনে কি আর বুঝবেন,.... একলা থাকার কষ্ট..
রাশেদ বলেছেন:
আমিও সেভেনে পড়ছি! তয় গুপ্ত কিনা জানি না।
রাশেদ বলেছেন:
পোলাপাইনের বিয়া ইমার্জেন্সি!
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
আয়-ইনকাম নাই, পুলাপাইনকে মাইয়া বিয়া দেয় কোন শালা , থুক্কু শ্বশুরের বাচ্চা
মানুষ বলেছেন:
গুপ্তদার কালেকশন আমিও হাতড়াইতেছি। কারও কাছে থাকলে আওয়াজ দিয়েন।
মানুষ বলেছেন:
তাইতো দেখতেছি !!!
রাশেদ বলেছেন:
সব মানুর দোষ!
মানুষ বলেছেন:
আরে গুপ্তদার বই সবাই কম বেয়েসেই পড়ে
রাশেদ বলেছেন:
বড়বেলায় আইসা আর কোন উপায় না পাইয়া আবার গুপ্তার কাছেই ফিরে যায়!
মানুষ বলেছেন:
কি আর করমু? মনে বড় জ্বালা।
দ্বিধা বলেছেন:
খাইছে...
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
পোস্টের ছবিখানা বড়ই জীবন্ত হইয়াছে; মনে হইতেছে জলকণাগুলি স্পর্শ করা যাইবে... আর আপনার জন্য বিশেষ শুভকামনা...
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
ক্যামেরা সহযোগে আপনাকে দেখিয়া সেইরকমই ধারনা করিয়াছিলাম..যাহা হউক..পঞ্চক দাগাইতে ভুলিয়া গিয়াছিলাম।
লেখক বলেছেন: হ
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
বালকদিগের বালখিল্যতা দেখে আর বাঁচিনে। লেখক বলেছেন: রবিদা হার্টফেইল করবে এই কমেন্ট পড়লে
লেখক বলেছেন: খিকজ
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু
রবিবাবু বাঁচিয়া থাকিলে এ দন্ডেই কচু বৃক্ষের সহিত আঁতাত করিয়া অত্র পোষ্টদাতাকে বিনাবাক্যব্যয়ে ঝুলাইয়া দিতেন!
লেখক বলেছেন: হা হা হা ....
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু
জেরী বলেছেন:
ঐ যে, হৈমন্তী আমার সন্ধান করিতেছে। মনে হয় ঘর ঝাড়ু দিতে বলিবে। ঝাড়ু দিতে অপারগতা প্রকাশ করিলে আমার উপরেই ... । থাক, আর বলিয়া কাজ কী! ---অফলাইনে পড়ে হাসতে হাসতে শেষ
মুরাদ-ইচছামানুষ বলেছেন:
ভাল হয়েছে।এই দেখেন আরেক হৈমন্তী
রবীন্দ্রনাথের "হৈমন্তীর" ডিজিটাল সংস্করন ----------দি "হ"
নিশম বলেছেন:
চারিদিকে শুধু হৈমন্তি আর হৈমন্তি !!
কেনো? আমাদের কি নেই বাধন, জয়া, শ্রাবন্তী ?সৌন্দর্য্য হইয়াছে বড়ভাই !!!
রিমি (স. ম.) বলেছেন:
সুখপাঠ্য বটে।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
এমন একটা লেখা এখন এই ব্লগে কবে এসছে কেউ বলতে পারে?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















লে হালুয়া! আমি আবার কি করিলাম







