এই ব্লগে যারা কিঞ্চিত পুরান, ছালুর সাথে তাদের আলাপ পরিচয় থাকতে পারে। পোলাটার ছোট বেলায় শখ ছিল লিওনের দাদা ভিঞ্চি'রে ছবি আঁকায় ডিফিট দিবে। তার ক্লাসমেট ছিল দুই সুন্দরী মোনা আর লিসা। অংকের খাতায় জ্যামিতি আঁকা বাদ দিয়া দিবা রাত্র মোনা, লিসার ছবি আঁকায় ব্যস্ত থাকত সে। তো এই জ্যামিতির খাতায় ছবি আঁকতে আঁকতে সে শিখে গেল আর্ট আর অংকের জটিল কম্বিনেশন অর্থাৎ ফটুকশপ। কবির ভাষায় যাকে বলে ...
যখন কাম কাজ নাই
একেবারে ইজি
লুঙ্গিটা কাঁচা মাইরা
বসি নিয়া সিজি।
ক্যামেরার কারসাজি
আঁকি হিজিবিজি
ডিস্টার্ব কইরো না কেউ
আমি বহুত বিজি!
দিন যায় রাত যায় ... মোনা, লিসার বিবাহ ঠিক হয়, এক সময় বিবাহও হইয়া যায়। শুধু মোনা আর লিসা না একে একে সখিনা, জরিণারাও বিদায় নেয়। পড়ে থাকে শুধু ছালু আর তার সিজি। এই বিরাট বিরহের বরাহ সামাল দিতেই তার আগমন ঘটে আমাগো সামু ব্লগে। আহা কি সব দিন আছিল আমাগো। ছালু, আমি, রাশু, বিমা, কাছিম, আউলা, শান্ত, জেবীন, জইতা, মাথু, অনযু ... এত নাম কইতে গেলে সামুর হার্ড ডিস্ক ক্রাশ করবো, কত রাইত পার করছি সামু ব্লগের পাতায় পাতায়। বিদ্রোহে, বিপ্লবে, সুখে দুঃখে যার পাশে আমরা থাকছি তার নাম ছালু।
আর সেই হতচ্ছাড়া, পাজি বেল্লিক একদিন হুট কইরা বিবাহ কইরা ফালাইলো। যারে এতকাল আপন জাইনা আসছি আৎকা জানলাম সে আর আমাগো নাই। দিলে বড়ই আঘাত পাইছিলাম সেই দিন। তারপরেও বুকে পাথর চাইপ্পা সেই দিন শুভেচ্ছা জানাইছিলাম। নিজেগো শান্তনা দিছিলাম যে, "না, একদিন আমাদেরও বিবাহ হইবে"।
সেই হইতে আমাগো মনে প্রতিশোধের আগুন ধিকি ধিকি জ্বলতেছিল, যা আজকে নিভলো। খবর পাইলাম ছালুর এক খানা কন্যা হইছে। এখন ব্যাটা বুঝবি, গু-আলা ন্যাপি চেঞ্জ করতে কিরাম লাগে।
আর হ্যাঁ, তোমার মাইয়ার সাথে আমার কোন মারামারি নাই। তারে বুকের গভীরে যেইখানে এখনও কোন কালি পৌছাইতে পারে নাই, ঠিক ঐখান থিকা ভালবাসার একটা টুকরা উপহার দিলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

