somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... রেসিপিঃ ডিম ভাজি
চারি দিক হতে এল পন্ডিতের দল—
অযোধ্যা কনোজ কাঞ্চী মগধ কোশল।
উজ্জয়িনী হতে এল বুধ-অবতংস
কালিদাস কবীন্দ্রের ভাগিনেয় বংশ।
মোটা মোটা পুঁথি লয়ে উলটায় পাতা,
ঘন ঘন নাড়ে বসি টিকিসুদ্ধ মাথা।
বড়ো বড়ো মস্তকের পাকা শস্যখেত
বাতাসে দুলিছে যেন শীর্ষ- সমেত।
কেহ শ্রুতি, কেহ স্মৃতি, কেহ-বা পুরাণ,
কেহ ব্যাকারণ দেখে, কেহ অভিধান ।
কোনোখানে নাহি পায় অর্থ কোনোরূপ,
বেড়ে ওঠে অনুস্বর-বিসর্গের স্তূপ।

এমনই কঠিন যে প্রশ্ন তার উত্তর যে আমার ফ্রিজের মধ্যে লুক্কায়িত থাকবে তা কি কেউ কখনো জানত? ধৈর্যশীল পাঠক নিশ্চয় এতক্ষনে অধৈর্য হয়ে ভাবিতেছেন প্রশ্নখানা কি? প্রশ্নই এখন বিরাট প্রশ্ন, ঢাকা ইউনিভার্সিটির 'গ' ইউনিটের প্রশ্নপত্রের মতো। তবে খুলেই বলি সেই আদি অকৃত্রিম প্রশ্নখানা, "ডিম আগে না মুরগী আগে?"

গতকাল রাতের কথা। প্রচন্ড ক্ষুধা নিয়ে প্লে-স্টেশনে জেমস্ বন্ডের ব্লাড ডায়মন্ড গেমখানা খেলছিলাম। এ যাবৎকালের সব চাইতে অখাদ্য ০০৭ গেম এইটা। জঘন্য গ্রাফিক্স আর গাদা খানিক বাগ দিয়ে ভর্তি। রাত একটার সময় কোনমতে জেমস্ বন্ডের জীবন রক্ষা করার পর খিয়াল করলাম খাদ্যাভাবে আমি নিজে মরো মরো। দ্রুত বেগে কিচেনে গিয়ে তড়িৎ গতিতে ফ্রীজ খুলে দেখলাম সেখানে আছে ডিম আর মুরগী। সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলাম ডিম আগে না মুরগী আগে। পরে ভেবে দেখলাম এত রাতে মুরগী রান্না করা সম্ভব না। অতঃপর ডিম খানা ভেজে খেলাম। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29497083 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29497083 2011-12-05 21:35:22
মনা চোরার একদিন
সে যাহোক আমরা অতীত নিয়ে ঘাঁটাঘাটি না করি। স্মৃতি বড় জ্বালাময়, বারেবারে সে কাঁদায়। মনা দ্রুত অতীত চিন্তা ভাবনা হতে বর্তমানে ফেরত আসলো। এই মুহুর্তে সে বঙ্গভবণের প্রাচীর ঘেসে লুকিয়ে আছে। মতলব পরিস্কার, প্রাচীর টপকে ভিতরে ঢুকবে। কিন্তু ঢুকতে চাইলেইতো আর ঢোকা যায় না। এতো আর রমনা থানা নয় যে মোতালিব দারোগা সদর দরজা খোলা রেখেই দিয়েছে, দেখলেই ঢুকিয়ে দিবে। চারিদিকে কড়া পাহারা দারোয়ান রোবটগুলো নিয়ে অবশ্য মনার মাথা ব্যথা নাই। চীন থেকে তার ভাতিজা সম্প্রতি একখানা ‘স্তব্ধভাষ’ যন্ত্র পাঠিয়েছে। ঐটা চালু করলে আর দেখতে হয় না, আসে পাশের যত রোবট সব তব্ধা খেয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। মূল সমস্যাটা হল প্রাচীরের উপর দিয়ে বয়ে চলা অদৃশ্য লেজার। খালি চোখে দেখা যায় না বটে, তবে মনা পোড় খাওয়া লোক, আক্ষরিক অর্থেই। বহু আগে যখন মনার কচি বয়স, হাত পাকেনি তখন একবার এমন প্রাচীর টপকাতে গিয়ে আর একটু হলেই বেগুন পোড়া হয়ে মারা যাচ্ছিল। সে যাত্রা সদানন্দ ভুত তাকে রক্ষা না করলে আর দেখতে হত না। উপকারি হলেও বড্ড খিটখিটে মেজাজের ভুত সে। বেগুনপোড়া হওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য মনা তার চরণে খানিকটা কৃতজ্ঞতা নিবেদন গিয়েছিল। রে রে করে তেড়ে এসে সে বলল, ‘মারার আর সময় পাস না? বলি এত অল্প বয়সে কেন মরার শখটা হল? ধীরে সুস্থে পৃথিবীর চারটা আলো বাতাস খেয়ে মরলে কার কি ক্ষতি শুনি? ভুত সমাজে আজকাল আর পা ফেলারও জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না, সবাই মরে ভুত হয়ে গেলে জায়গা হবেই বা কিভাবে? তোদের বাঁচাতে গিয়ে আমার ভুত জীবন থুড়ি মরণটা মাঠে মারা ধুত্তর জীবিত হল’। তারপর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে ঝুপ করে বাতাসে মিলিয়ে গেল।

নাহ্! বঙ্গদেশের জনগণের সময় জ্ঞান আর হল না, মনে মন ভারি বিরক্ত হল মনা। হিসেব মতোন এই সময়ে লোড শেডিং শুরু হবার কথা কিন্তু এখনো তার কোন সাড়া শব্দ নাই। এই কদিন আগেও বঙ্গ ভবনে লোড শেডিং হত না। জনগণের প্রবল প্রতিবাদের মুখে শেষটাই বঙ্গভবনও লোড শেডিং-এর আওতাভুক্ত। হুঁ হুঁ বাবা, কেউ খাবে কেউ খাবে না, তা হবে না তা হবে না। তা এর ফলে মনার সুবিধায় হয়েছে বলতে হবে। জেনারেটর চালু হতে হতে মিনিট দুই লাগবে এই দুই মিনিটে চাইলে সে মোটামুটি পুরো বঙ্গ ভবন হাপিস করে দিতে পারে। তবে তার আজকের উদ্দেশ্য ভিন্ন। বিদ্যুৎ চলে যেতেই স্তব্ধভাষ যন্ত্রখানা চালু করে সে পাচিল টপকে সুড়ুৎ করে ভিতরে ঢুকে গেল। ঐতো সামনেই ফুটে রয়েছে থোকা থোকা গোলাপ, একেবারে খাঁটি প্রাকৃতিক জিনিস। এ জিনিস আর কোথাও পাওয়া যায় না। প্রথমে হল টিপাই মুখ বাঁধ, তারপর এ বাঁধ সে বাঁধ পুরো দেশটা দেখতে দেখতে মরুভুমি হয়ে গেল। এখন ফুল যা দুই চারটা ফোট তা এই বঙ্গভবন, হাওয়া ভবন এসব জাগাতেই। টুঙ্গিপাড়া আর জিয়া উদ্যানও আজকাল ভোঁ ভোঁ করে। সময় নষ্ট না করে টপাটপ কয়েকটা ফুল ছিঁড়ে নিল মনা চোরা। এই জিনিস এখন সোনার চেয়েও দামি। নির্বিঘ্নে কর্ম সম্পাদিত হবার পর পাচিল টপকে ঘুরে দাঁড়াতেই টের পেল কে জানি তার হাতখানা চেপে ধরেছে। ধরার স্টাইলটাও বেশ পরিচিত পরিচিত লাগছে, এর আগেও অনেকবার সে এভাবেই ধরা খেয়েছে কিনা। মোতালিব দারোগা সব কটা দাঁত বের করে বলল, ‘জানতাম তোকে এখানেই পাওয়া যাবে। চল আজকে আমার সাথে তোকে চারটা ভাত খেতেই হবে।’ মনে মনে প্রমাদ গুনল মনা। জেলের ভাত তার মোটেও পছন্দ না। সব সিন্থেটিক খাবার দাবার সেখানে। কিভাবে বজ্র মুষ্ঠি হতে মুক্তি পাওয়া যায় মনে মনে তাই ভাবছিল, যদিও সে জানে এ বাঁধন যাবে না ছিঁড়ে। ছেঁড়ার আশা স তো দুরাশা মাত্র।

ঠং করে একটা শব্দ হল কোথায় তরপর পরই মোতালিব দারোগার মুখে একখানা প্রশান্তির হাসে ফুটে উঠল এবং ঠিক তারপরেই সে ঠাস করে ঘুমিয়ে পড়ল। দারোগার পিছনে দেখা গেল সদানন্দ ভুত একখানা লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে আছে। মুখে সাধু পুরুষের ভাব যেন পৃথিবীর কোন পাপ তাকে স্পর্শ করেনি। মনা কে হা করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সে হুড়ো দিল, ‘হা করে দাঁড়িয়ে আছিস কেন? জলদি ভাগ। লগ্ন বয়ে যায়।’ মনা একখানা কৃতজ্ঞতার হাসি দিয়ে ঝেড়ে দৌড় দিল।

জাতীয় স্মৃতি সৌধ। ইদানিং এখানে আর কেউ আসে না। চারিদিকে শুধু ধুলো বালি আর নিঃসঙ্গ বাতাসের হাহাকার। মনা চোরা তার চুরি করা ফুলকটা স্মৃতি সৌধের পাদদেশে রাখলো। বহু আগের কিছু আধ পাগলা মানুষ মরে গিয়ে তাকে শিখিয়েছিল স্বাধীনতা কাকে বলে। প্রতি বছর এই দিনে মনা তাদের কথা স্মরণ করে। দিব্যচশমাটা চালু করতেই সে দেখতে পেল তার সোশ্যাল নেটওয়ার্কের সব বন্ধুরা বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে রঙচঙে সব স্ট্যাটাস দিচ্ছে। সব কটা পত্রিকায় প্রধানমন্ত্রির বাণী, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে ছাড়ব আমরা।’ বিচার যে করে ছাড়বে সেটা মনাও জানে। বিচারের জন্যইতো লইফ সাপোর্ট দিয়ে গোলাম আযম, নিজামী আর মইত্যা রাজাকারদের বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে।

মনা ব্যালান্স চেক করে দেখলো এখনো তার স্টকে একটা দীর্ঘঃশ্বাস ছাড়ার মতো বাতাস বাকি আছে। তারপর সাবধানে বাতাসটুকু খরচ করল সে। নাহ্ এখন সে দীর্ঘঃশ্বাস খরচ করতেই পারে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29495025 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29495025 2011-12-02 19:57:21
পাঁচ বছর ধরে ব্লগিং করছি। এইবারও যদি আমার লেখা অপরবাস্তবে না যায় তাইলে আমরণ অনশনে যাব " style="border:0;" /> ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29492331 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29492331 2011-11-28 19:50:14 চোরের সাক্ষী গাটকাটা
Click This Link

জয় বাবা গুগল নাথ।

বাচ্চারা লিংকে ঢুকবি না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29483533 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29483533 2011-11-15 02:32:43
আমার ক্রমশ বাবা হয়ে ওঠা কইত্থিকা আরম্ভ করি? মাইর দিয়াই শুরু করি। পিতৃ শাসন বলিতে যাহা বুঝায় অর্থাৎ মাইর, সেইটা আমার পিতা সারা জীবনে একবারই দিছিলেন। তখনো ইস্কুলে ভর্তি হই নাই। আহ্লাদের অতিসজ্জে উনার পেটের উপরে ডাব্লিউ ডাব্লিউ এফ স্টাইলে একবার একটা লাফ দিছিলাম। প্রতি উত্তরে উনিও মোলায়েম ভাবে একখানা চপেটাঘাত মারিলেন। এই জীবনে আমার মাতৃদেবীর হাতে কম মাইর খাই নাই, কিন্তু একটার কথাও মনে করতে পারি না। বাবার হাতের সেই মোলায়েম চাটি আমি আজও ভুলতে পারি নাই।

আমি ইস্কুলে ভর্তি হইবার পর আমার পিতার মাথায় একটা দুইটা চুল পাকা শুরু করল। খুব সম্ভবত আমার রেজাল্ট দেইখা ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তায় এই পাকা চুলের দুর্বিপাক আরম্ভ হইছিল উনার। তবে কবি বলেছেন কারু পৌষ মাস কারু সর্বনাশ। এই ক্ষেত্রে পিতার সর্বনাশে আমার পৌষ মাস আরম্ভ হইল। প্রতি চুল আর আনা চুক্তিতে পাকা চুল বাইছা দিতাম। চুল বাছা বাছির প্রথম এক মিনিটে উনি ঘুমাইয়া যাইতেন আর আমি সেই সুযোগে একটা চুলরে দুই ভাগ করিয়া এক টাকা বানাইতাম। আহা কই গেল সেই দিন।

সকাল বেলা ঘুম থিকা তোলার জন্য উনার ছিল এক নিজস্ব স্টাইল। গরমকালে ভোর বেলা পাখা বন্ধ কইরা দিতেন আর শীতকালে জানালা খুলে দিতেন। একেবারে মোক্ষম অস্ত্র। ঘুমের বাবাও থাকবে না এই তরিকায়। এছাড়া তার ছিল একটা টু ইন ওয়ান রেডিও, ঐটারে ফুল ভলিউমে খবর শুনতেন সকাল বেলা। সংবাদ পাঠিকার আওয়াজের চাইতে উৎকট ঘ্যাড় ঘ্যাড় শব্দ বেশি শোনা যাইত। এই দারুন শব্দ দূষণের মাঝে ঘুমাবে কোন কুম্ভকর্ণ। বাধ্য হইতাম বিছানা ছাড়তে।

ব্যক্তি হিসাবে তিনি কবি, তবে উনার কবিতা কোথাও ছাপা হয় না। দুই আলমারি ভর্তি বিশাল বিশাল খাতায় তার জীবনী লিখেছেন তিনি। এত বিশাল ডিটেইল যুক্ত জীবনী মনে হয় না পৃথিবীর কারু আছে, এপ্লাই করলে গিনেস রেকর্ড বুকে নাম উঠবে ইনশাল্লাহ। ধর্ম নিয়া কোন বাড়াবাড়ি নাই। প্রথম যৌবনে জনৈকা হিন্দু বিধবারে বিবাহের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছিলেন যেইটা নিয়া আমরা আজও হাসাহাসি করি। তবে আজকাল নামাজ পড়েন বলে শুনছি। কিন্তু আমাদের নামাজ রোজা নিয়া কোন দিনই কোন উপদেশ দেন নাই। তার নীতি ছিল চোখ কান মন খোলা রাখো এক সময় নিজেই নিজের পথ খুঁজিয়া পাইবে। লাভের লাভ হইছে আজও ধর্ম খুঁইজা পাই নাই।

বাড়ি ছাড়ছি প্রায় সাত-আট বছর হবে। হাটে মাঠে ঘাটে জীবন কাটে। বছরে এক আধবার বাড়ি যাই। যতবারই যাই দেখি বাবা আর একটু বুড়া হইয়া গেছেন। ক্রমশ দুর্বল অসহায় হইয়া যাইতেছেন। একসময় আমি বাবারে আঁকড়াইয়া থাকতাম নিগূঢ় ভরসায়। আজকাল আমারে তিনি আকর্ষী দিয়া আঁকড়াইয়া ধরতে চান। ডাক নামের আগে বাবা শব্দটা ব্যবহার করেন। আমার বড় খারাপ লাগে, আবার একই সাথে ভালও লাগে। অদ্ভুত মমতা জন্ম নেয় মনে বারবার; কিভাবে জানি আমি ক্রমশ বাবা হয়ে উঠি।


* পোস্টটা গত বছর বাবা দিবসে লিখেছিলাম। আবার পোস্টাতে ইচ্ছা হল। বাবারে মিস করি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29482829 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29482829 2011-11-14 01:32:20
আফসুস তোমার জন্ম, আজন্মের ভালোবাসার দিবস রজনী
আয়ত চোখের রঙ আর তাতে কাজল ছিল কি ছিল না
কিছুতেই মনে পড়ে না
চুলের সীঁথিটা ডান নাকি বামপন্থি ছিল
কপোলে তিলক ছিল কি না
বিগত যুগ গত হবার আগেই ভুলে বসে আছি।
তবুও সে সব ভুল, ভুলে যাওয়া মেনে নেয়া যায়।
অথচ দেখ কি বিব্রতকর,
আমি বারবার শুধু ভুলে যাই তুমি আমার নও। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29480231 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29480231 2011-11-09 16:36:18
মিথ্যাবাদি ডাকাত
মনার তখন বাড়ন্ত বয়স। সহপাঠীদের নিকট হইতে নিত্য কলাটা মুলোটা ডাকাতি করিয়া বেড়াইতেছিল সে। প্রতিবেশীদিগের নিয়মিত নালিশ হেরিয়া মনার পিতৃদেব অনুধাবন করিলেন, পুত্র লায়েক হইয়াছে, এইক্ষনে তাহাকে বিষয় কর্মে ঢুকাইয়া দেওয়া চলে। অতঃপর মনার মাতার শত ক্রন্দন, ওজর-আপত্তি উপেক্ষা করিয়া মনাকে এক আন্তঃজেলা ডাকাতের দলে ভর্তি করিয়া দেওয়া হইল। তা সেখানে তাহার দিন কাল খারাপ যাইতেছিল না। দিব্যি প্রত্যহ রাত্রিকালে পথে-ঘাটে ওত পাতিয়া চলমান নৈশ-কোচের ঘুমন্ত যাত্রীগণের যাত্রাভঙ্গ করিয়া বেড়াইতেছিল সে। হেনকালে হায় যমদূত প্রায়, কোথা হতে এলো RAB। ইতঃপূর্বে পুলিশ ভাইয়াদের সহিত তাহার ডাকাত দলের যথেষ্ট দহরম মহরম বিদ্যমান ছিল। নিয়মিত বখরা পাওয়ায় পুলিশ ভাইয়ারাও তাহাদের পাহারা দিয়া আসিতেছিল। কিন্তুক এই RAB বাহিনী মোটেও বন্ধু ভাবাপন্ন নহে। তাহাদের ধারে কাছে ঘেঁষিবার উপায় নাই। দেখিতে পাইলেই ধরিয়া ধরিয়া ক্রসফায়ার করিয়া দেয়। ডাকাতের দল তাহাদের ভয়ে চোরের মতন লুকাইয়া থাকে। তাহাদের ইজ্জতের শেষ টুকরাটিও হাতছাড়া হইবার উপক্রম। তো ডাকাতির এই ক্রান্তিলগ্নে কোন এক প্রত্যুষে ডাকাত সর্দার ভগ্ন হৃদয়ে গাড়ু হস্তে বনভূমিপানে ছুটিতেছিলেন প্রাতঃক্রিয়া সম্পন্নের উদ্দেশ্যে। হেনকালে মনার গগনবিদারী চিৎকার, RAB আসিতেছে, RAB আসিতেছে। RAB-এর কথা শুনিয়া সর্দারের আর বনভূমিতে প্রবেশ করা হইল না, পথ প্রান্তেই কর্ম সম্পাদিত হইয়া গেল। সকলে ছুটিয়া বাহির হইয়া দেখিল মনা হাসিয়া গড়াগড়ি খাইতেছে আর সর্দার বিরস বদনে কিংকর্তব্যবিমুঢ় অবস্থায় দণ্ডায়মান। সর্দারের অবস্থা দেখিয়া সকলে মুখ টিপিয়া হাসিলেও উপরে উপরে মনাকে একচোট দেখিয়া লইল। অতঃপর দুই দিন যাইতে না যাইতেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। তারপর আবার। শেষে অবস্থা এমন দাঁড়াইল যে মনার ডাক না শুনিলে সর্দার প্রকৃতির ডাকে ঠিক ঠাক মতো সাড়াই দিতে পারেন না।

তো এইভাবে সুখে-দুঃখে, কায়-ক্লেশে তাহাদের দিনাতিপাত হইতেছিল। হয়ত এইভাবেই মিথ্যা বলিতে বলিতে আর ডাকাতি করিতে করিতে মনা এক সময় বড় নেতা হইতে পারিত। কিন্তু বিধি সকলের ললাটে চির সুখের তিলক রচনা করেন না, মনারও করেন নাই। একদিন প্রত্যুষে মনা যখন সর্দারের জন্য ঘাপটি মারিয়া বসিয়া রহিয়াছে ঠিক সেই সময় অবলোকন করিল সত্যি সত্যিই RAB আসিতেছে। মনা RAB আসিতেছে বলিয়া তারস্বরে চিৎকার করিয়া উঠিল। তাহার হাঁকাহাঁকি শুনিয়া সর্দার গাড়ু হস্তে টুক করিয়া জঙ্গলে প্রবেশ করিলেন, ডাকাত দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট বিরক্ত হইয়া কম্বলের তলদেশে পাশ ফিরিয়া শুইলেন। কেউ কেউ মনার চতুর্দশ গোষ্ঠীর পিণ্ডি চটকাইতে লাগিল আর বাকিরা শুনিয়াও শুনিল না। মনা বুঝিল অবস্থা বেগতিক। সে স্বীয় লুঙ্গিখানি মালকোঁচা মারিয়া ঝড়িয়া একখানা দৌড় দিল, উক্ত কর্মে সে চিরকালই বিশেষ পারদর্শী।

তাহার পরের কাহিনী সংক্ষিপ্ত। পরদিন খবরেরে কাগজে খবর বাহির হইল ডাকাত দল বমাল সমেত গ্রেপ্তার। সাথে গাড়ু হস্তে ডাকাত সর্দারের একখানা বিরস বদন ছবিও শোভা পাইতে লাগিল। তাহাদের ক্রস ফায়ার হইয়াছিল কিনা তাহা জানা যাই নাই। হইলে খবরের কাগজে অস্ত্র উদ্ধারের সংবাদ আপনারা নিশ্চয় পাইতেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29479912 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29479912 2011-11-08 22:43:38
খুব আনন্দের একটা ব্লগ
ঋতু'কে নিয়ে চশমার দোকানে বসেছিলাম। সকালে চশমার ফ্রেমখানা ভেঙে বসে আছে, নতুন একটা চাই। সেখানেই ছেলেটাকে দেখলাম। পরনে আধ ময়লা স্কুল ড্রেস, কাঁধে ক্লাসের বই এক হাতে ধরা। আশপাশের দোকানে তাড়া খেয়ে চশমার দোকানটার সামনে দাঁড়াল। দোকানি দাঁত মুখ খিঁচিয়ে একটা গালি দিয়ে বলল, "তোকে না গত সপ্তাহেই দশ টাকা দিলাম?"

ছেলেটা নির্বিকার। দীর্ঘদিন ধরে গালিগালাজ খেয়ে অভ্যস্ত অথবা নিজের অবস্থান সম্পর্কে সচেতন। বলল, "খাতা শেষ হইয়া গেছে?"
- খাতা শেষ তো বাপকে কিনে দিতে বল। আমার এইখানে প্রত্যেক দিন কি?
ছেলেটা নিশ্চুপ।

আমি ডাক দিয়ে নাম জিজ্ঞেস করলাম।
- কিছু একটা বলল। এদের নাম আবার আমার মনে থাকে না।
- তোমার খাতার দাম কত?
- দশ টাকা।
- এই নাও দশ টাকা। যাও খাতা কিনে নাও। খবরদার সিগারেট কিনবে না।

ছেলেটা কিছু না বলেই টাকাটা নিয়ে চলে গেল যেন এটা তার প্রাপ্য।

আমি দোকানদার'কে চশমার ফ্রেম দেখাতে বললাম।
- স্যার দেশি দেখাব না ইমপোর্টেড?
- ভালটাই দেখান।
- দাম একটু বেশি পড়বে। তিন-চার হাজার টাকার মধ্যে।
- ঠিক আছে সমস্যা নাই। একটু তাড়াতাড়ি করেন।

আমার এখন তাড়াহুড়ো। বাড়িতে ফিরে দশ টাকা দান নিয়ে একটা ব্লগ লিখতে হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29380311 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29380311 2011-05-13 14:17:36
সেই কচি মেয়েটি এবং আমি
ভিড় ঠেলিয়া বাসে উঠিয়া দেখি বেস কয়েকটা সিট খালি পড়িয়া রহিয়াছে। আসন খালি থাকা সত্বেও কিছু লোক জনের দাঁড়াইয়া থাকিবার হেতু অনুসন্ধান করিতে গিয়া জানিলাম উহারা মফিজ গোত্রীয়। আসনে বসিতে হইলে যে অতিরিক্ত পয়সা গুনিতে হয় তাহা উহারা গুনিবে না। দুঃখে মনে মনে কিছুক্ষণ নিজ ললাট চাপড়াইলাম। আগে জানিলে আমিও দাঁড়াইয়া যাইতাম। সে যাই হোক পয়সা যখন গুনিয়াছি বাছিয়া বাছিয়া ভাল আসনখানা দখল করাটা আমার নৈতিক দায়িত্ব। ঠেলিয়া ঠুলিয়া জানালার পাশে একখানা আসন প্রায় ম্যানেজ করিয়া ফেলিয়াছিলাম, হেন কালে আমার চোখ পড়িল তাহার চোখে, চার চক্ষুর মিলন হইল। তাহার বাঁশরীসম নাক, মেঘ কালো কেশ, সুমিষ্ট কমলার ন্যায় অধর কোন কিছুই অবলোকন করিতে পারিলাম না কারণ তাহার সর্বাঙ্গ বোরকা দিয়া আবৃত। এক্ষণে বুঝিলাম কবি কেন বলিয়াছেন, "একটা বুরকা পরা মেয়ে পাগল করেচে!"। বিশ্বের তাবত মুসলিমের উপর আমার ভারী রাগ হইল। ইহাদের কারণে চৈত্রের এই দাবদাহে বেচারি নিজেকে হিজাবের আবরণে আবৃত করিয়াছে। কি পশ্চাদপদতা! জাগো গো ভগিণী! থুড়ি! এইখানে ভগিনী বলিলে আবার প্রবলেম। দেখিলাম তাহার পাশের আসনখানা খালি রহিয়াছে। মুহুর্তেই সিদ্ধান্ত বদলাইতে বিলম্ব হইল না আমার। হুড়মুড়াইয়া তাহার পাশে গিয়া বসিলাম। এইক্ষণে অনেকেই আমাকে লুল ভাবিতে পারেন। তাহাদের জোর গলায় বলিতে চাই, অসহায় এক নারীর পাশে দাঁড়ানো, নিদেন পক্ষে বসাটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তাহার পাশে কোন এক লুল বসিয়া তাহাকে উত্যক্ত করিবে দেশের একজন সচেতন নাগরীক হিসাবে আমি ইহা কিছুতেই সহ্য করিব না। আহা বেচারী গরমে কী কষ্ট পাইতেছে। হাতপাখা খানা হাতে লইয়া তীব্রভাবে বাতাস করা শুরু করিলাম। ভাবখানা নিজেকে বাতাস করিতেছি ছিটেফোঁটা তাহার পানে ছুটিতেছে। কিন্তু এ পথে হইবে না। তাহার সাথে ভাব জমাইতে হইলে আমাকেই পদক্ষেপ নিতে হইবে এবং এসব ক্ষেত্রে পিছপা হওয়াটা আমার স্বভাব নহে। সূতরাং তাহাকে বলিলাম যে প্রয়োজনে তিনি আমার হাতপাখাখানি ধার করিতে পারেন। ছোট একটা ধন্যবাদ দিয়া সে আমার হাত হইতে হাতপাখাখানি প্রায় ছিনিয়া লইল। কিন্তু তাহার ছোট্ট ধন্যবাদখানি আমার কানে চিনিসম সুমিষ্ট ঠেকিল, বুকে শেলসম বিঁধিল। হাতপাখার শোকে কাতর হইলাম না কারণ আমার হৃদয় তখন স্বপনের রঙীন পাখা মেলিয়াছে।

আরিচা ঘাট আসিতে আসিতে তাহার সহিত আমার সখ্যতা তীব্রতর হইল। নিজের পারফর্মেন্সে নিজেই নিজের পিঠ চাপড়াইলাম মনে মনে। ফেরিতে উঠিবার পর সে জানাইল সে তৃষ্ণা বোধ করিতেছে এইক্ষণে কিছু কেক কুকের শ্রাদ্ধ করা যাইতে পারে। শুনিয়া আমি খানিক দমিয়া গেলাম। কবি সাধে বলেন নাই, "ভালবাসা মোরে ভিখারী করছে ...."। আমার মনোভাব বুঝিয়াই কিনা জানি না সে বলিল কেক কুকের ব্যবস্থা তাহার সাথেই রহহিয়ছে। শুনিয়া আমার হৃদয় পুনরায় পুলকিত হইল। কেক অথবা কুক কোন একটার শ্রাদ্ধ করিতে গেলেই তাহার আব্রু খুলিয়া যাইবে, শ্রীমুখ খানি দেখিতে পাইবো এই ভাবিয়া পুলক দ্বিগুন হইল। তাহার হস্ত হইতে আমার হস্তে কোকের বোতলখানি সমাগত হইবার সময় তাহার আলতো স্পর্শ পাইলাম আবারও পুলকিত হইলাম। পুলকিত আমি অগ্র পশ্চাৎ বিবেচনায় না নিয়া কোকের বোতলখানি এক নিঃশ্বাসে নিঃশেষ করিলাম।

ইহার পর গতানুগতিক রাস্তায় চলিতে পারিতো কাহিনী। বালিকার সাথে কথা বলিয়া আমার সেল নাম্বার খানি তাহাকে হস্তগত করিতে পারিতাম। তাহার পর হাতপাখা খানা সমেত তাহাকে বিদায় দিতে পারিতাম। তাহার পর ম্যাসেঞ্জারে তাহার সহিত কথা হইতে পারিতো। ভালবাসা নামক কট্টিন জিনিসটাকে অনুভব করিতে পারিতাম। অতঃপর শুভ বিবাহের কর্ম সারিবার পর ব্লগে আমাদের প্রেম কাহিনী লইয়া পোস্টও আসিতো, কিন্তু হতভাগার কপালে পোড়া আলু ছাড়া আর কিইবা আছে। আমার ঘুম ভাঙিল সাত দিন পর কুষ্টিয়া সরকারী হাসপাতালে।সে পাষাণী আমার হৃদয় ছাড়া আর সমস্ত কিছু লইয়া পলায়ন করিয়াছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29242523 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29242523 2010-09-20 20:41:34
অলস ব্লগ " style="border:0;" />

কয়দিন আগে ব্লগার মুন্নারে দেখলাম পানি-বিদ্যুৎ নিয়া হেভি চিল্লাচিল্লি করতেছে। বাইরে গেলে তেল গ্যাস নিয়া চিল্লাচিল্লি ব্লগে আসলে পানি-বিদ্যুৎ, কই যাই। যায় হোক কথা সেইটা না, মুন্নার চিল্লাচিল্লি দেখে আমারও মাথায় কিছু আইডিয়া আসল। যেমন: টয়লেটে প্রতিবার ফ্লাস করার সময় কত লিটার লিটার পানি নষ্ট হয়। পরিবারের সবাই যদি ক্রমান্বয়ে কর্ম সম্পাদনের পর একবারে ফ্লাস করে তাহলে কতখানি পানি বাঁচানো সম্ভব একবার ভেবে দেখেন। অবশ্য বিষ্ঠা মোটেও দৃষ্টিনন্দন বস্তু না। সূতরাং আমরা টয়লেটের লাইট বন্ধ রাখতে পারি, তাতে বিদ্যুৎ বাঁচবে প্লাস কালো পুরিস দর্শন হইতেও নিষ্কৃতি মিলবে।
এইসব ব্রিলিয়ান্ট আইডিয়ার সমন্বয়ে একটা পোষ্ট দিতে চেয়েছিলাম, শুধু অলসতার কারণে হল না।

অ্যারিস্টটল-সক্রেটিসের আমলে ফেসবুক ছিল না। তিনারা নিশ্চিন্ত মনে ফাঁকা মাঠে গোল দিয়ে গেছেন। আজকাল ফেসবুকে ঢুকলেই দেখা যায় নানামুখী দার্শনিক রচনাবলী। উদাহরণ : উন্মথিত মগজ ঘুটা দিবার লাগছে...মিশরের জ্ঞানের দেবতা 'থট' তার স্বহস্তীয় লেখ্য ও সুপাঠ্য ; আমদুয়াত কেতাবে ও ফটক কেতাবে যা কইছে,তাই চিন্‌তা কর্‌তাছে.....শালার কাম নাইক্যা দেইখা,তাই খই ভাজে তেল দিয়া; অথবা টেলিফোন তারে বসা কাক তুমি কালো, কত কথা আসে যায় বুঝো না তার বালও। এইসব কালজয়ী বচনামৃতের কাছে কিসের অ্যারিস্টটল-সক্রেটিস। এইসকল বদন গ্রন্থ বচনামৃত নিয়ে একখানা সংকলন প্রকাশের খায়েস ছিল, আলসেমির কারণে সেটাও হল না।

সম্প্রতি আবিষ্কার করেছি কবিতার নামে যেইসব ঘুটাঘুটি করি ঐগুলা আসলে ববিতা। তারপরেও মাথার মধ্যে উল্টাপাল্টা কথা ঘুরা ফিরা করে। যেমন :
মৃত গন্ধারজনীর কথা যদি ভাবো‌ চেপ্টে বইয়ের ভাঁজে লেপ্টে মৃত্যুহীনতার অন্বেষণে পড়ে থাকে তেমন মৃত্যুহীন নয় আমৃত্যু চেয়েছিলাম
ইহার মানে কি আল্লাহ মালুম। যাই হোক এইসব কালজয়ী ববিতা দিয়ে ব্লগ সয়লাবের ইচ্ছা ছিল, অলসতার কারণে হল না।

ধুর লাইফটা বড়ই অলস!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29235155 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29235155 2010-09-04 18:14:53
প্রভা ৩
এনজয় .... <img src=" style="border:0;" />


প্রভা-৩ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29234276 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29234276 2010-09-02 22:51:09
কোবতে - বাতাসে পেঁয়াজুর গন্ধ আজো আমি স্বপ্নে বেগুনীর রুপ দেখি।
রোজাদারের কাতর গোঙানি রমাজান মাসে,
সে কি ভুলে গেছে সে রোজা আছে? শপিং মলে ষোড়সীদের দিকে-
লোলুপ দৃষ্টি এই সংযমের মাসে!
বাতাসে পেঁয়াজুর গন্ধ ভাসে।
ফুটপাথে ইফতারীর দোকান ফিরে ফিরে আসে।
এই সব সুখাদ্যের মায়া ভুলে একদিন সেহরী খেয়েছিলাম,
তারপর বহু শতাব্দির বিনীদ্র সংযম।
বাতাসে পেঁয়াজুর গন্ধ দিয়ে যায় নাকে সুড়সুড়ি,
সারি সারি পর্দা ঝোলানো হোটেলের অশ্লিল আহ্বান,
আর কত সইব বল এই নির্দয় আপমান।


* গত রমজানে লিকছিলাম <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29220252 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29220252 2010-08-11 18:53:40
রাজাকার শিরোমণিদের আরও কিছুদিন ফ্রী থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিল আদালত
জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আবদুল কাদের মোল্লার উপস্থিতিতে এদিন আদালত তাদের হাজিরা গ্রহণ করে। এরপর তাদেরকে গ্রেপ্তার রাখার আদেশ দিয়ে পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ ছাড়া আদলত মুলতবি ঘোষণা করা হয়।

এর কিছুক্ষণ পর জামায়াতের এই চার নেতাকে কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিন প্রথমবারের মতো পুরানো হাইকোর্ট ভবনে স্থাপিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাদেরকে হাজির করা হয়।

এর আগে কড়া পুলিশ প্রহরায় কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে একটি পুলিশ ভ্যানে তাদেরকে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সকাল ১০টায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালের নিচ তলায় অবস্থিত হাজতখানায় নেওয়া হয়।

সেখান থেকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাদেরকে দ্বোতলার এজলাস কক্ষে নেওয়া হয়। এরপর ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নিজামুল হক, এ টি এম ফজলে কবির ও এ কে এম জহির আহমেদ আসন গ্রহণের পর আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।

কাঠগড়ায় জামায়াতের এই চার নেতার জন্য চারটি চেয়ার রাখা ছিলো। তারা সেই চেয়ারে বসেছিলেন। আদালত মুলতবির আগেই চার জামায়াত নেতাকে কারাগারে নিতে এজলাস কক্ষ থেকে নিয়ে যাওয়ার আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।

কাঠগড়ায় নেওয়ার পর নিজামী, মুজাহিদ, কামারুজ্জামান ও কাদের মোল্লা তাদের আইনজীবীদের সঙ্গে কানে কানে কথা বলেন। এক পর্যায় তারা চেয়ারে বসেন। আদালতের কার্যক্রম শুরুর পর প্রায় ১০ মিনিট তারা কাঠগড়ায় ছিলেন।

আদালতে আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন, গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী আলাল, জসিম উদ্দিন সরকার, ফেরদৌস আখতার ওয়াহিদা, ফরিদ উদ্দিন খানসহ ২০/২৫ জন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

সরকার পক্ষে ছিলেন ট্রাইব্যুনালের আইনজীবী প্যানেলের প্রধান গোলাম আরিফ টিপু, সদস্য সৈয়দ রেজাউর রহমান, সৈয়দ হায়দার আলী, জিয়াদ আল মালুম, আবদুর রহমান হাওলাদার ও আলতাফ হোসেন।

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান, মুরাদ রেজা, মমতাজ উদ্দিন ফকির ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন প্রমুখ এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে আসামিদের পক্ষে আইনজীবী তাজুল ইসলাম ও জয়নুল আবেদিন আদালতের কাছে ওকালতনামা ও তিনটি আবেদন উপস্থাপন করেন। আদালত এসব বিষয় ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দিতে বলেন।

আদালত থেকে বেরিয়ে জয়নুল আবেদিন সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা চার নেতার পক্ষে ওকালতনামা আদালতের কাছে উপস্থাপন করেছি। আদালত তা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া তিনটি আবেদনও আমরা দিয়েছি। এগুলো হচ্ছে- অভিযোগের প্রত্যায়িত (সার্টিফাইড) অনুলিপি, আগের জারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল আবেদন এবং মামলা কাগজপত্র।"

তিনি জানান, আদালত পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেনি।

কঠোর নিরাপত্তা : মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতের এই চার নেতার হাজিরা উপলক্ষে সোমবার ট্রাইব্যুনালসহ আশ-পাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। স্থাপন করা হয় সিসিটিভি ও আর্চওয়ে।

র‌্যাব-পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

পুলিশের একটি প্রিজন ভ্যানে জামায়াতের চার নেতাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা এবং সেখান থেকে পুনরায় কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। পথে আসামিদের বহনকারী ভ্যানের সামনে-পেছনে পুলিশের ৫/৬ টি পিকআপ ছিলো।

আদালতের বাইরে বিক্ষোভ : জামায়াতের এই চার নেতাকে ট্রাইব্যুনালে আনার সময়ে শিশু একাডেমীর পাশে আদালতের প্রবেশ পথের সামনে 'আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান' কেন্দ্রীয় কমিটির ৩০/৩৫ জন কর্মী বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এ সময় তারা 'যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই', ' জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু ' ইত্যাদি স্লোগান দেয়।

পর্যবেক্ষক: আদালত কক্ষে পর্যবেক্ষকদের বসার জন্য আলাদা আসন রয়েছে। এদিন বিদেশি কোনো পর্যবেক্ষককে দেখা যায়নি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত ২৬ জুলাই ১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আটক দেখানোর এক আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ শেষে জামায়াতে ইসলামীর এই চার নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে তাদেরকে ২ আগস্ট (সোমবার) হাজির করার আদেশ দেন।

এর মধ্য দিয়ে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারে এই আদালতের বিচার কাজ শুরু হয়।

১৯৭৩ সালের ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট এর ৩/২ ধারার অপরাধ তদন্তের স্বার্থে জামায়াতের এই চার নেতাকে আটক দেখানোর জন্য ওই আবেদন জানানো হয়। এ ধারায় হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের কথা উল্লেখ রয়েছে।

নিজামী, মুজাহিদ, কামারুজ্জামান ও কাদের মোল্লাকে স�প্রতি গ্রেপ্তারের পর বিভিন্ন মামলায় হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ঢাকার পল্লবী ও কেরানীগঞ্জ থানায় মুক্তিযোদ্ধা হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধ বিচারের জন্য আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গত ২৫ মার্চ তদন্ত সংস্থা, আইনজীবী প্যানেল ও ট্রাইব্যুনাল গঠনের ঘোষণা দিলে বহু প্রতীক্ষিত এই বিচারের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সূত্র : বিডি নিউজ ২৪.কম ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29213513 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29213513 2010-08-02 15:07:32
মিস সুলতা - উৎসর্গ কবিকুল শিরোমণি শফিকুল ভাই হাজার বছর খুটছো মাথা, কাব্য ভরা খাতা,
বৃথাই তোমার কাব্য সাধন, করছো মাথা নষ্ট
মিস সুলতা শ্রেষ্ট নারী কইছে কবি পষ্ট।
তাজা গুলাব খোমায় তাহার মেকাপ দিবা রাত্র,
রুপে তাহার আগুন জ্বলে যৌবন ভরা গাত্র।
পাখীর বাসার মতন আহা বনলতার চক্ষু
মিস সুলতার কাজল নয়ন, ঘুচল আমার দুঃখু।
বনলতার চুলের বাহার বহু জাগায় দেখছি।
হয়নি দেখা মিস সুলতার মতো নারী সেক্সি।
এত কিছুর পরেও ভাবো বনলতাই শ্রেষ্ট!
নাটোর গিয়া মরো তুমি, মিলবে নাকো কেষ্ট।



*এই পোস্টাখানা পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে লিখা ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29212756 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29212756 2010-08-01 15:44:39
মজার কৌতুক (১৮+)
শনিবার এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, "দেশে ইসলামী রাজনীতি করার অধিকার ও ফতোয়া দেওয়ার অধিকার সুপ্রিম কোর্ট ও সংসদের মাধ্যমে কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে।

"অতীতে ফতোয়া দেওয়ার অধিকার নিষিদ্ধ করার রায় প্রদানকারী দুই বিচারককে আমরা মুরতাদ ঘোষণা করেছিলাম। ওই ফতোয়া এখনো বহাল আছে। ভবিষ্যতে এরকম উদ্যোগ যারাই নেবেন, তাদেরকেও মুরতাদ ঘোষণা করা হবে।"

জাতীয় প্রেসক্লাবে ইসলামী ঐক্যজোটের উদ্যোগে 'হাফেজী হুজুরের রাজনীতি ও বর্তমান প্রেক্ষাপট' শীর্ষক ওই আলোচনা সভা হয়। এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন দলের মহাসচিব আবদুল লতিফ নেজামী।

ফজলুল হক আমিনী বর্তমান সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, "যারা আল্লাহ'র আইন মানে না- তারা কাফের বা বিধর্মী। আওয়ামী লীগ আল্লাহ'র আইনের বিরোধিতা করছে। দেশ পরিচালনায় তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে।"

ইসলামী রাজনীতি সম্পর্কে তিনি বলেন, "ইসলামকে নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

"আমরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলতে চাই- যদি দেশে ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়, ঈমান ও কোরআন নিয়ে টানাটানি করা হয়- আমাদের কোনো ক্ষতি হবে না। ক্ষতি হবে আওয়ামী লীগের। তারা নিজেরাই নিজেদের পতন ডেকে আনছে।"

মুফতি আমিনীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, সিনিয়র সহ সভাপতি মাওলানা মো. আবদুর রকীব, সহ সভাপতি জহিরুল হক ভূঁইয়া বক্তব্য রাখেন।

সুত্র: বিডিনিউজ২৪.কম ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29212017 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29212017 2010-07-31 17:20:01
আব্দুল বাতেন মিরপুর এক নম্বর হইতে সি.এন.জি-র সন্ধানে
অনেক ঘুরেছি আমি। ধোঁয়া, ধুলোয় ঢাকা মিরপুর রোডে
সেখানে ছিল সে। পায়ের উপর পা তুলে আয়াসে বসে
আমি ক্লান্ত প্রাণ এক। সেধেছি দ্বিগুণ ভাড়া পিঠে হাত বুলিয়ে
তবুও দুদণ্ড শান্তি দেয়নি সি.এন.জি. চালক, ধরিয়ে দিয়েছে হাতে হারিকেন।

সি.এন.জি. তার কবেকার, কি বাহার বলিবার পাই না ভাষা
মুখে তার দাড়ির কারুকার্য। অতিদূর মতিঝিলে যাব
দেরী হলে ঝাড়ি দিয়ে বনলতা করবে বেদিশা,
কুচকুচে কালো রাস্তার রঙ যেরকম মিশমিশে রঙের
তেমনি দেখছি চোখে অন্ধকার। সে বলে দিয়েছে সাফ কথা যাব না
পাখীর বাসার মতো দাড়িতে হাত বুলিয়ে বলেছে, রাস্তা মাপেন।

মগের মুল্লুকের মগ-রাজার মতন
সে থাকে বসে। পিচিক করে ফেলে পানের পিক।
আমার সকল কর্ম ভন্ডুল করার পান্ডুলিপি করে আয়োজন,
রাগে ব্রক্ষ্মতালু রি রি করে জ্বলে।
নির্বাক বসে থাকে সে। আমার সাথে কোনভাবেই করবে না লেনদেন
চোখে দেখি অন্ধকার, নির্বাক বসে থাকে সি.এন.জি চালক, আব্দুল বাতেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29211331 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29211331 2010-07-30 21:37:13
রাজাকারের শেষ আশাটাও ধুলিস্মাৎ হইয়া গেল
রিট আবেদনটির ওপর সোমবার উভয়পক্ষের শুনানি গ্রহণ শেষে বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি সৈয়দা আফসার জাহানের বেঞ্চ আদেশের দিন ধার্য করে মঙ্গলবার।

জামায়াত ইসলামী সমর্থিত আইনজিবী অ্যাডভোকেট নওয়াব আলী এই রিট আবেদন দায়ের করেন।


সুত্র : বিডিনিউজ২৪.কম ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29208678 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29208678 2010-07-27 13:30:19
জেল বন্দি রাজাকারদের নিয়ে হিটলারের পেরেশানি ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29208654 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29208654 2010-07-27 12:53:59 শীতঘুম পৌষ-ফাগুনের পালা আসে ঘুরে ফিরে।
কার্তিকের নবান্ন ফুরিয়ে গেলেও,
ঘাস-ফড়িঙের রঙিন ডানায়, এইসব বখাটে রাতে
শুনেছি এখনো নাকি স্বপ্ন সেলাই করো।

এখানে সকলে শীতঘুমে।
মধ্যবয়েসী মনে জমেছে মেদ।
না জেগে বাঁচার আচ্ছন্নতায়
এক জীবন পেরুবে তারা।
শুনেছি তুমি ঘুমুতে পারোনি।

এইসব পালাগান ফুরিয়েছে,
কবিয়াল নিয়েছে বিদায়,
ডানা ভাঙা ঘাসফড়িং চিত হয়ে মরে আছে ঘাসে,
তবুও শুনেছি এইসব বখাটে রাতে
তুমি নাকি এখনো অপেক্ষায় থাক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29208593 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29208593 2010-07-27 11:37:04
মাইনাস রহস্য - ছাইদীর মাল্টিনিক
বলিলাম, ‌ইয়া হুজুর, আপনারতো কারাগারে আন্ডা উপভোগ করার কথা আপনি এইখানে কি করেন।

- তোরে সাবধান করতে আসছি নালায়েক। আর একদিন যদি আমার বিরুদ্ধে লিখিস তাইলে তোর ব্লগ মাইনাস দিয়া ভাসাইয়া দিমু। দেখছিস তো আমার মাল্টি নিকের ক্ষমতা।

আপনারা আমার কথা বিশ্বাস না করলে এই পোষ্টখানা পড়েন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29207803 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29207803 2010-07-26 13:25:21
বুজুর্গদের নিকট এক‍খানা নাদান প্রশ্ন


ছবি কৃতজ্ঞতা : সুজন চৌধুরী ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29206032 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29206032 2010-07-23 23:15:01
চটি গল্প


অরিগনে প্রাপ্ত চটি



বাংলাদেশে প্রথম চটি আবিস্কার করেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ তাঁর 'জুতা আবিস্কার' নামক কাব্যটিতে। যারা কাব্যটি পড়েছেন তারা তারা সেটা জানেন আর যারা পড়েননি তারা এখান থেকে ঘুরে আসিতে পারেন


চটির প্রধান আকর্ষণ হল সুকতলা যেটাকে ইংরেজিতে বলে সোল যার বাংলা করলে দাঁড়ায় প্রাণ। চটির প্রাণ হল সোল। সোল আবার তিন প্রকার ইন সোল, আউট সোল এবং মিড সোল। এছাড়াও হাফসোল নামে আরেকটা জিনিস আছে। ইনসোল থাকে চটির ভিতরের দিকে পায়ের নিচে বেহেস্তের কাছাকাছি (যদি সেটা কারও মা অথবা স্বামীর পা হয় আর কি)। আউট সোলের কাজ রাস্তার সাথে পৃষ্ঠ পোষকতা করা। এছাড়া কোন কোন চটিতে মিডসোল থাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পায়ের গোড়ালির দিকে যেখানটাতে চাপ সবচেয়ে বেশী চাপাচাপি করে। তবে হাফসোল কোনভাবেই চটির সাথে সম্পৃক্ত নয়। ওটা বঙ্গ সন্তানেরা খেয়ে থাকেন।


চটির কর্মকান্ড শুধুমাত্র পরিধানে সিমাবদ্ধ থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে তার কর্ম ব্যাপ্তি ব্যাপক ভাবে প্রসারিত। চটি যে শুধুই ধরনীর ধূলা হতে আমাদের পদযুগল রক্ষা করে তা নয়। বর্তমানে আমাদের সম্মানের ধারক এবং বাহক হল চটি। যতক্ষণ চটি পায়ে থাকে সম্মান আমাদের পায়ে পায়ে ঘোরাফেরা করে। এই কারণে অনেকেই পদযুগল হতে পাদুকা পদত্যাগ করতে চান না।


চটি পায়ে একদল সম্মানিত (!) ব্যাক্তি।


আবার এই চটিই গালে উঠলে সম্মান সমূহের সমাধি রচিত হয়।


রাজাকার শিরোমনি গোলাম আযমের চটিপাঠ।

আমাদের সাহিত্য অঙ্গনেও চটি স্বমহিমায় মহীয়ান। শুধু রসময় গুপ্ত নয় স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও চটি নিয়ে সাহিত্য করেছেন (উপরের লিংক দ্রষ্টব্য)। 'গরু মেরে চটি দান' এক ব্যাপক আলোচিত বাগধারা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুশ সাহেব ইরাকের গরু মেরে চটি দান করেছিলেন। পরবর্তিতে অবশ্য তাকে সে চটি ফেরত দেয়া হয়েছে। এছাড়াও জনৈক কবির, 'একদা ছিলনা জুতা চরণ যুগলে' শীর্ষক কাব্যটির সাথে বোধকরি সকলেই পরিচিত।

চটি আমাদের জীবন মরণ। চটি আমাদের উপাসনার বস্তু। হরতালে পিকেটারের ধাওয়া খেলে অথবা জরুরী অবস্থায় মিলিটারি তেড়ে আসলে আমরা প্রাণ হাতে নিয়ে দৌড় দেওয়ার আগে চটি হাতে নেই। মসজিদে, ঈদগাহে চটি চুরির ভয়ে সেটাকে সামনে রেখে সেজদা করি। প্রতিদিন সকালে কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার আগে সযত্নে ঘষামাজা করি। মোদ্দা কথা নিজের অজান্তেই আমরা চটি প্রেমে পাগল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29205763 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29205763 2010-07-23 13:08:45
জনাব কামরুজ্জামান'কে রাজাকার বলায় আমি দুঃখিত এই পোষ্টটিতে জনাব কামরুজ্জামান'কে কামরু রাজাকার বলার জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থি। উনি আসলে আলবদর ছিলেন। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29205368 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29205368 2010-07-22 21:20:51 রাজাকার কাদের মোল্লা এবং কামরু রাজাকার'কে আরো এগারো দিন জামাই আদরে রাখার ঘোষণা মহানগর হাকিম আবদুল মজিদ পল্টন থানার তিনটি মামলায় কামারুজ্জামান, কাদের মোল্লা ও খুলনা বিভাগের ছাত্রশিবির নেতা মিয়া মুজাহিদুল ইসলামকে আট দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।
অন্যদিকে মহানগর হাকিম এস কে তোফায়েল হাসান রমনা থানার মামলায় জামায়াতের দুই নেতার দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রাষ্ট্রপতির গাড়িবহরে হামলা ও পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে গত ফেব্রুয়ারিতে দায়ের করা মামলায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ কামারুজ্জামান ও কাদের মোল্লা আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়। পরে পৃথক দুই আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সুত্র: প্রথম আলো ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29205346 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29205346 2010-07-22 20:52:08
রাজাকার সাঈদীর পিরোজপুরের ২ মামলা যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে
গত বছরের আগস্টে সাঈদীর বিরুদ্ধে পিরোজপুর সদর ও জিয়ানগর উপজেলার দুই ব্যক্তি বিচার বিভাগীয় হাকিম আদালতে মামলা দুটি করে। আদালত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দুই থানার ওসিকে নির্দেশ দেয়।

এই মামলা দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের জন্য বুধবার সদর থানার ওসি শেখ মো. আবু যাহিদ ও জিয়ানগর থানার মামলার তদন্তকর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু জাফর হাওলাদার পিরোজপুর মুখ্য বিচার বিভাগীয় হাকিম আদালতে আবদেন করেন।

আবেদনে তারা বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যকারিতা থাকায় মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সংঘটিত অরপাধের অভিযোগ দুটি ওই আদালতে স্থানান্তর করা হোক।

হাকিম চৌধুরী মাহবুব হোসেন আবেদন আমলে নিয়ে মামলা দুটি ওই ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের আদেশ দেন।

সদর থানার ওসি আবু যাহিদ সাংবাদিকদের জানান, আদালতের আদেশ অনযায়ী তারা মামলার কাগজপত্র আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠাবেন।

গত বছরের ৩১ আগস্ট জিয়ানগর উপজেলার টেংরাখালী গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল আলম বাদি হয়ে সাঈদীর বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন।

এই মামলায় অভিযোগ করা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় সাঈদীর নেতৃত্বে ওই গ্রামে হত্যা, অগ্নিসংযোগ, বেশ কয়েকটি সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি-ঘরে লুটপাট চালায় হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর দোসর রাজাকাররা।

সাঈদীর বিরুদ্ধে ওই গ্রামের বিনাবালি নামের এক ব্যাক্তিকে নারিকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে হত্যার অভিযোগও আনা হয়।

গত বছরের ১২ আগস্ট সদর উপজেলার চিথলীয়া গ্রামের মালিক পশারী মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যার অভিযোগে সাঈদীর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন।

এতে অভিযোগ করা হয়, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সাঈদীর নির্দেশে পাড়েরহাট বন্দরের নিরীহ অধিবাসী ইব্রাহিম হাওলাদারকে গুলি করে হত্যা করে রাজাকাররা। এই হত্যাকাণ্ড ও ওই এলাকায় লুটপাটের নেতৃত্ব দেন সাঈদী।

সাঈদীর বাড়ি জিয়ানগর উপজেলার সাউথখালী গ্রামে। তিনি পিরোজপুর-১ আসনের জামায়াতদলীয় সাংসদ ছিলেন।


সূত্র: বিডিনিউজ২৪.কম ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29205067 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29205067 2010-07-22 12:47:48
অবহেলিত মাছি ঝলমলে রঙীন ডানা ঝাপটানো শব্দ
সময়ের স্রোতে দিব্যি বিবর্ণ হয়ে আসে
ব্যস্ত বধির কর্ণ যুগল ইদানিং ভ্রুকুটি হানে না আর।
পচে যাওয়া মন খেয়ে খেয়ে ফুলে ফেঁপে
মগজের ডোবায় বাসা বেঁধে বসে থাকে
উড়ে যায়, উড়ে আসে।
কবিতার সবুজ মাছিদের আনাগোনায়
নিয়ত ধাবিত দুচোখের ভ্রুক্ষেপ নেই আর।

ক্ষয়ে যাওয়া হাতে এখন রাজ্যের ব্যস্ততা
এখন আর মাছি মারা হয় না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29205043 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29205043 2010-07-22 11:55:26
বুরকা প্রিয় জামাতি ছাগুদের জন্য একখানা জনপ্রিয় গান লিরিকসহ উপাহার দিলাম



এই পতে যখনই আমি যাই
মাজে মাজে একটা মেয়ে দেকতে পাই
আলতা রাঙ্গা পাই আবার নুপুর পরেচে
বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে
একটা বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে

চোকেতে চশমা হাতে কাঁচেরও চুড়ি
বয়সটা অনুমানে উনিশ কি কুড়ি
চশমা খুইল্যা যকন একটু আমার দিকে চায়
ফুরুৎ কইরা পরান পাকি শূন্যে উইড়া যায়
একন বুজি মজনু কেন লাইলির জন্য মরেচে
বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে
একটা বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে

ছট্টু একটা নল দিয়া খায় যখন জুশ
খুদার কসম তকন আমার তাকে না যে হুশ
জুশের পেকেট ফেলে দিয়ে আবার জকন হাটে
জানি না তার কেমুন লাগে আমার বুকটা ফাটে
গাড়িতে নয় বাড়িতে নয় মানে আগুন ধরেচে
বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে
একটা বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে

হাটতে হাটতে এসে দাড়াই রাস্তারো মোড়ে
রিশকাতে চড়িয়া আবার কিচুখন গুড়ে
বুক পকেটে রাকে যখন মুবাইল টেলিফন
বাকুম বাকুম করে তখন আমার অবুজ মন
নতুন গাছে ফুল ফুটিয়া বাগান আমার বরেচে
বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে
একটা বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে

এই পতে যখনই আমি যাই
মাজে মাজে একটা মেয়ে দেকতে পাই
আলতা রাঙ্গা পাই আবার নুপুর পরেচে
বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে
একটা বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29204744 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29204744 2010-07-21 21:03:22
জামাত শিবিরেরে পঁচিশ জন রোকনের থাকা খাওয়ার দায়িত্ব নিল সরকার
সূত্র জানায়, জামাতের শীর্ষ তিন নেতা গোয়েন্দাদের জানিয়েছেন, যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে জামাতের শীর্ষ নেতারা গ্রেপ্তার হলে বিএনপি আন্দোলন চালানোর আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু তারা কথা রাখেনি। আন্দোলন তো দূরের কথা একটা বিবৃতিও দিচ্ছে না, এর ফলে জামাতের নেতাকর্মীরা বেশি হতাশ হয়ে পড়েছেন। এছাড়া দলের কিছু নেতার ভূমিকায়ও ক্ষুব্ধ তারা। ওইসব নেতারা দলের শীর্ষ পদ পেতে গ্রেপ্তারের বিষয়ে কোনো কথা বলছেন না।

সূত্র মতে, বিগত জোট সরকারের আমলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দুর্নীতির ব্যাপারে দলের মহাসচিব মান্নান ভূঁইয়াকে বারবার জানিয়েছেন জামাতের আমির মতিউর রহমান নিজামী ও সেক্রেটারি জেনারেল আলী

আহসান মুজাহিদ। এ দুজন তখন মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু মান্নান ভূঁইয়া তারেকের ব্যাপারে খালেদা জিয়ার কাছে কিছু বলতে পারবেন না বলে জানিয়েছিলেন। একপর্যায়ে মন্ত্রিত্ব হারানোর ভয়ে দুজনই চুপ হয়ে যান। তখনই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন খালেদা জিয়া যতোদিন রাজনীতিতে থাকবেন তার সঙ্গে জোটবদ্ধ রাজনীতি করবে জামাত। আর তারেক রহমান দলের দায়িত্ব নিলে জোট থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে তারা রাজনীতি শুরু করবেন। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য জানিয়েছেন নিজামী ও মুজাহিদ।

সূত্র আরো জানায়, নিজামী ও মুজাহিদ জানিয়েছেন, তারেকের মতো দুর্নীতিবাজ ও লম্পট ছেলে তারা জীবনেও দেখেননি।

এদিকে ৫টি মামলায় ১৬ দিনের রিমান্ড শেষে গোয়েন্দা পুলিশ মুজাহিদ ও সাঈদীকে গতকাল আদালতে পাঠিয়ে দিয়েছে। আগামীকাল ১৬ দিনের রিমান্ড শেষে নিজামীকেও আদালতে হাজির করা হবে। সিআইডি পুলিশ তাদেরকে পল্লবী থানায় দায়েরকৃত যুদ্ধাপরাধের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে জানা গেছে।

গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, রিমান্ডে সাইদুর রহমান বলেছেন, জামাতে ইসলামীর ছক অনুসারেই ২০০৫ সালে দেশজুড়ে সিরিজ বোমা হামলা হয়েছিল। সে সময় জামাত সহযোগিতা না করলে এ কাজটি করা জেএমবির পক্ষে দুরূহ ছিল। সিরিজ বোমা হামলার আগে-পরে জামাতের কেন্দ্রীয় বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে বৈঠক করার কথা স্বীকার করেছেন সাইদুর রহমান।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিসি সাউথ) মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছেন, ওই ২৫ রোকনের বিষয়ে ব্যাপক অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে। শিগগিরই তাদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি জানান, জামাতের কেন্দ্রীয় যেসব নেতা জেএমবির সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের সার্বিক কর্মকাণ্ডের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি রিমান্ডে থাকা মওলানা সাইদুরের জবানবন্দি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, জেএমবির বোমা হামলার মামলায় জামাত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহিদকে শ্যোন এরেস্ট করে জিজ্ঞাসাবাদের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।


সূত্র: ভোরের কাগজ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29204034 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29204034 2010-07-20 16:37:15
ননসেন্স রাইম ওরে কোথায় গেল ডিম?
খূঁজে হচ্ছি যে হিমসিম‌।
ওরে হাট্টিমা টিমটিম!

পাশের সেলে ছাইদী ছাহেব
রাজাকারের ছা!
ডিম গেল তার পিছে
তাইরে নাইরে না!


*ছবি কৃতজ্ঞতা:- সুজন চৌধুরী ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29202504 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29202504 2010-07-18 15:11:14
সদ্য HSC পাশ ছোট ভাইদের উদ্দেশ্যে - শিবির হইতে সাবধান
অতএব তোমরা এই বেলা হইতে সতর্ক থাকো। পায়ে কম দামি চটি পরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করিতে যাইও। কারণ শিবির দেখিলে উহা ছুঁড়িয়া মারিতে হইতে পারে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29200467 http://www.somewhereinblog.net/blog/ranjan1357blog/29200467 2010-07-15 18:57:04