কাজের সন্ধান-৫ (২য় সংস্করন)
২১ শে জুন, ২০০৭ ভোর ৬:৫৭
আজকের ডায়রী:
আজ রোজ বৃহস্পতিবার
ঘুম থেকে উঠলাম ৪:৪০। ভূলে মোবাইলে এলাম্ দিয়ে রাখলাম ৪:৪৫। কিন্তু উঠার কথা ছিল ৫:৪৫।
উঠে দেখি আমার রুমমেট গোসল করছে। একটু পায়াচারি করে আবার ঘুমিয়ে পড়লাম।
উঠলাম ৫:৪৫। ট্রেন ধরতে হবে ৬:৪০।তাড়াতিড়ি করে হাত মুখ ধোয়ে রুটি কলা খেয়ে দৌড় ঝাপ দিলাম। যেতে হবে রক্ডেল। সিটি থেকে ২-৩টা স্টেশনের পরে। কনকনে শীত এখানে। জিনস, সোয়েটার, মাথা ক্যাপা আর বুট পরে বের হলাম। পৌছলাম ৬:২০। একটু খোজাখোজি করে সন্ধান পেয়ে গেলাম। শুরু করে দিলাম।
আবার বেক্ করলাম ৯:১৫টা। ট্রেন আসতে দশ মিনিট। কি আর করার, মোবাইলে গান লোড্ করা ছিল হাবিবের। বাস্, হেয়ার ফোন দিয়ে গান শুনতে শুনতে এসে পৌছলাম আবার আগের ঠিকান।
বাসায় এসে রিফ্রেশ হয়ে ব্রাউজ করতে বসলাম। তারপর দুপুরে লাঞ্চ (তখন ১১ টা বাজে) করে আবার সন্ধানের আশায় বের হয়ে পড়লাম। উদ্দেশ্য একটা রেস্টুরেন্টে যাওয়া। অবশ্য রৌনা হওয়ার পূর্বে নতুন একটা আইডিয়া আসল মাথায়। ভাবলাম চিনা রাস্তা হাটা বাদ দিয়ে অচেনা রাস্তা দিয়ে হাটব আজকে। যেমন চিন্তা তেমন আমল। হাটা ধরলাম। অনেক হাটলাম। পা ঝিনঝিন করছে। একসময় দেখী সব গুলিয়ে ফেলেছী। কিছুই চিনছী । হাটছি আর হাটছি। উমা এরপর দেখি আমি আমার বাড়ির রাস্তায় চলে এসেছি্। সব চিন্তা বাদ দিয়ে চিনা রাস্তা দিয়ে হাটা ধরলাম। যাক্ একসময় পেয়ে গেলাম গন্তব্যস্থল। সোজা ডোকে পড়লাম। প্রথমে সেকিউরিটির সাথে কথা হলো। বল্ল এখন খুব ব্যান্ত। এই সময় আসাটা বোধহয় ঠিক হয়নি। বল্লাম ওকে অন্য সময় আসব। বল্ল বিকালে দেখা করতে। বল্লাম হা। বলে দিল
No worry (এটা অসিদের খুবই কমন শব্দ,কথায় কথায় তারা এই শব্দটা ব্যবহার করে) বের হয়ে যাবার পর আবার পিছন থেকে ডাক মাড়ল। স্বাচ্ছন্দে গেলাম আবার। এরপর মূল বসের সাথে কথা হলো। সে সব কিছু জেনে নিল। তারপর সেফের সাথে পরিচয় করে দিল। আর ভদ্রতা সূলভ পিটে একটা আছাড় মারল। কিন্তু সাধ বাধল সময় নিয়ে ফুল টাইম করার জন্য। বল্লাম এটা সম্ভব না। বল্ল ফুল টাইম দরকার। ' না' বলে সেখান থেকে এসে পড়লাম। আবার হাটা ধরলাম। অনেক দূরের পথ। গন্তব্য স্কুলে যাওয়া। ভাবলাম এতদূরের পথ শুধু হাটব। গান শুনে শুনে গেলে কেমন হয়। বাস মোবাইল থেকে হেয়ার ফোন লেগে হাবিবের গান শুনতে শুনতে চলে আসলাম। এসে লাইব্রেরীতে ঢুকে ব্রাউজ করতে বাসলাম সাম ওয়াইরে ...
এভাবে পথিকের পথ চলতে থাকবে..................
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুন, ২০০৭ সকাল ১০:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন:
কাজ পেয়েছেন শুনে ভাল লাগল।
অতন্দ্র প্রহরী বলেছেন:
জলদস্যু@ ধনবকাদ মূল্যায়ন ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য। আপনি এখন কোথায় আছেন? অসি নাকি বিডি?আর সিডনহামের কথা বলছেন সেখানে আমি গিয়েছিলাম সন্ধানের জন্য। কোন জায়গাতে গেলে পাওয়া যাবে বল্লে কৃতজ্ঞ থাকব।
ঝড়ো@ আমার ভাল লাগল ঝড়ো বাতাস বহাবার জন্য।
জলদস্যু বলেছেন:
এখনও অসিতেই আছি। খালি স্হান আর কাল বদলে গেছে। থাকি এখন ব্রিসবেনে। সিডনহামে স্টেশন থেকে বেরিয়ে ডান দিকে যাবেন। ঐদিকে অনেক ফ্যাক্টরি আছে। ওদের দরকার হয় প্রসেস ওয়ার্কারের। পেয়ে যাবেন ওখানে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















কষ্ট করতেই আসা আমাদের এই দেশে। যদি থাকেন, তাহলে কবরে যাওয়ার আগে পর্যন্ত কষ্ট করতে হবে। তবে নিজের হাতে গড়া সম্রাজ্যে থাকার যে আনন্দ অপূরণীয়, তা বুঝতে আপনার বেশি সময় লাগবে না।
"পাকা হোক তবু ভাই পরেরও বাসা, নিজ হাতে গড়া মোর কাঁচা ঘর খাসা"
লেগে থাকবেন। উদ্দেশ্য আপনার সফল হবেই। আর জব খোঁজার জন্য সিডনহাম থেকে একটু ঢুঁ মেরে আসতে পারেন। ঢুঁ মারতে গিয়েই সিডনহামে জব পেয়েছিলাম। টানা দু'বছর কাজ করেছি। চেন্ঞ্জ করার চিন্তা মাথায় আসেনি একদম। ইলাওয়ারা লাইনের ট্রেনে উঠলে সেন্ট্রাল-রেডফার্নের পরই সিডনহাম।
গুডলাক।