একজনের বল্গের লেখা পড়ছিলাম। বিষয় হচ্ছে রেল ক্রসিং এ যানযটের সমস্যা......।
আসলে আমার দেশের যারা আমলা বা সিবিল সার্জেন্ট এ কাজ করেন তারা একটু বুঝে শুনে কাজ করলে আমাদের মতো নাগরিকরা দুর্ভোগে পোহাতে হতো না।
যেমন অষ্ট্রলিয়ার কথা বলি। এখানে সব কিছু পরিক্লপিত করা হয়েছে। অথচ এই রাষ্ট্রটা উত্পত্ত্বি হয়েছে বেশি দিন হয় নি। এই ধরুন ১০০ থেকে ১৫০ বছর হবে। অথচ তারা সব কিছু করে পরিকল্পনা ও চাহিদা মাফিক। ট্রেনের ব্যবস্থা, ফেরীর বাস সব কিছুই পরিকল্পিত। যে ট্রেনটা ৮:১০ আসার কথা সেই ট্রেনটা অবশ্যই ৮:০৮ বা ৮:০৯ তে আসবেই কোনো হেরফের হবে না, যে বাসটা ১১:২৫-এ টাউন হল থেকে বারউডে যাবে সেটা অবশ্যই অবশ্যাই ২৩ কি ২৫ আসবে, তবে তার পরে নয়। তারপর বাসের ভিতরে টিকিটের ব্যবস্থা। কন্ট্রাটর নেই, হেলপারও নেই আমার দেশের মতো। ড্রাইভারই গাড়ী চালাচ্ছে, আবার টিকিটও দিচ্ছে ছোট একটা যন্ত্রের মাধ্যমে। কি সুন্দর ব্যবস্থা। আর রেলের টিকেট কিনতে শুধু কাউন্টারে গেলে হয়, আর রাত ১১টায় কাউন্টার বন্ধ থাকলে টিকেট মেশিন থেকেও কেনা যায়।
এখানে সাধারনত লিভিং স্টাইলটা একটু costly। যেমন বাসা ভাড়া বা যাতায়তের বাড়া। বাসা ভাড়া সপ্তাহ । কেউ হয়তো ১০০$, বা কেউ হয়তো ৫০$ আবার কেউ হয়তো ২০০$Bswjk]weeklyতে দিচ্ছে। কিস্তু যাতায়ত তো প্রায় ৩০ থেকে ৪০/৫০$ খরচ হয়ে যায়। সেটাও সোধরানোর ব্যবস্থা আছে। যেমন কেউ যদি green weekly টিকেট কিনে ৪১$ দিয়ে তাহলে সে সেই টিকিট দিয়ে বাস, ট্রেন বা ফেরীতে ইচ্ছামত যাতায়ত করতে পারবে। আবার কেউ যদি শুধু ট্রেনের ২৩$ টিকেট কেনে তাহরে সে পুরো এক সপ্তাহে ট্রেনে যে কোন সময় যত বার ইচ্ছা ভ্রমন করতে পারবে। এরকম বাসের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
তারপর আমার দেশে রাস্তা গেটে জেব্রা চিন্হিত থাকে যেটা শুধু টাকা অপচয়, কাজে আসে না। কিন্তু একানে জব্রা চিন্হিত কেউ হাটলে বা দাড়িয়ে থাকরে গাড়ী তামাতে বাধ্য।
তারপর রেড্ বা গ্রীন সিগনারের কথা।
মাঝেমধ্য রাত ২-৩টায় যখন ফেরী তখন দেখী লাল সিগন্যালে ঠিকিই গাড়ী দাড়িয়ে থাকে, যদিও আশেপাশে কোন গাড়ী বা পুলিশ নাই। আর আমার দেশে সিস্টেম ব্যবস্থা কি রকম। সেটা না বলাই বাহুল্য।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



