"কষ্ট আছি - আইজদ্দিন" কথাটা বারবার মনে পরে অষ্ট্রেলিয়াতে। সত্যিই কি বিচিত্র এই দেশ। এই দেশে আসার জন্য আমাদের দেশের সোনার ছেলেরা ভিটা বাড়ি বেচেও আসতে চায়। কিন্তু যখন এসে পরে তখন শুধু হাহা কার, চোখে এক কোনায় থাকে কান্নার জল।
হা কারও কারো এই দেশ স্বর্গের মতো, আবার কারো কারো অষ্ট্রেলিয়া এক নড়কের দেশ। তবে স্টুডেন্টেদের কাছে নড়করে মতো মনে হয়।
এই দেশে স্টার্টিফিকেট নাকি বিশ্বর যে কোন দেশের চেয়ে দামী। তবে এমন আছে যে কলেজ আপনাকে সার্টিফিকেট দিবে ঠিকই কিন্তু কোন ক্লাশ এমনকি পরীক্ষা ছাড়া।
এই দেশে কলেজগুলোর কোনো টিকটিকানা থাকে না। কোনটা হটাৎ করে ঘোষানা ছাড়াই বন্ধ হয়ে যায়, কোনটাতে আবার প্রিন্সিপাল লাপাত্ব থাকে।
যেমন সিডনী শহরে এক নামকরা কলেজ হলো Sydney International college (SIC)। যেটা গত মাসকানিক আগে বন্ধ হয়ে গেছে। স্টুডেন্ট ছিল প্রায় ২০০০ মতো। এখন তাদের ভবিষত কি? তাদের মেধা, সময়, শ্রম, অর্থ সব বৃতা গেল। তাদের মধ্যে অধিকাংশ ছিল আমাদের বাংলাদেশী।
এমনও ক্যাম্পাস আছে যে দ্বীতিয়, তৃত্বীয়, চুতুর্থ তালায় ভিন্ন ভিন্ন কলেজ।
এখানকার স্টুডেন্টরা বিশেষ করে বিদেশী স্টুডন্টেরা কলেজ থেকে কিছু সুবিধা ভোগ করতে চায়। যেমন ক্লাশে ঠিকমতো না আসা, খুব বেশী কড়াকড়ি না হওয়া ইত্যাদি। এটাই স্বাবাভিক। কারন কাজের পাশাপাশি ক্লাশে ব্যালেন্স করা খুবই কঠিন। আর এই ধরনের কলেজ পাইতে খুবই হিমশিম খেতে হয়।
সিডনীতে আরেকটা কলেজ আছে নাম Global College। এটাতেও সমস্যা প্রচুর। যারা এই কলেজে ভর্তি হয়েছে তারা অধিকাংশই PR এর আশায় Hospitality managment ভর্তি হয়েছে। কিন্তু ভর্তি হওয়ার সময় তাদের COE দেওয়া হয়েছে Business Managment। বলে দেওয়া হয়েছিল ২/৩ মাস পরে তারা সিওই অটোমেটিকভাবে চেজ্ঞ্জ করে দিবে। কিন্তু ৬ মাস পার হচ্ছে এখনও তারা চেজ্ঞ্জ করে দেই নেই। এই হচ্ছে সিডনীক কলেজের হালহাকীকত।
এজন্য যারা দেশে থেকে আসবেন তাদেরকে খুব বুঝে শুনে পা বাড়ানো উচিৎ।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



