somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ভারত ভ্রমন " style="border:0;" /> ১৭ ঘন্টা জার্নি করে সকাল ১০টার সময় যখন দিল্লি নামলাম, মনে হলো দোজখে চলে এসেছি। তাপমাত্রা প্রায় ৩৮ ডিগ্রি <img src=(" style="border:0;" /> ( অবশ্য বাতাসে আদ্রতা না থাকায় গায়ে ঘাম হয় না। ) তারাতারি একটা হোটেল ঠিক করে সিদ্ধান্ত নিলাম ঘুরে কলকাতা চলে যাবো। এত গরমে থাকলে নিশ্চিত অসুখে পরবো। সেদিন আর হোটেল থেকে কোথাও বের হওয়ার সাহস হয়নি। পরের দিন মনেহয় আবহাওয়াটা শরীরের সাথে একটু সুট হয়ে গিয়েছিলো।বেশি গরম লাগলেও টুর প্লান চেন্জ করার ইচ্ছাটা আর হলো না।

দেখলাম কুতুব মিনার, জামে মসজিদ, ইন্ডিয়া গেট, পার্লামেন্ট ভবন, লাল দুর্গ ইত্যাদি। সব রাস্তায় টাটার বানানো ,আমাদের ঢাকার মত বেভকো টাইপের এসি বাস আছে যেগুলোতে চড়ে অনেক কম খরচে ,আরামে সব যায়গায় যাওয়া যায়। এই বাসগুলোতে উঠতে টিকিট কেটে লাইনে দাড়াতে হয়না। বাসে উঠে টিকিট সংগ্রহ করতে হয় হেলপারের কাছ থেকে।
জামে মসজিদের সামনে আছে করিমের বিরানি হাউজ । সেটি নাকি অল ইন্ডিয়া ও অনান্য দেশেও বিখ্যাত। সেখানে একবার খেলাম। অনেক টেষ্ট লেগেছে।

দিল্লীতে ভালো লাগলো বড় বড় সব যানযট মুক্ত রাস্তাঘাট , শক্তিশালী বাস সার্ভিস আর অতি আধুনিক মনোরেল। আরো ভালো লাগলো সেখানে কোন হাইরাইজ বিল্ডিং নাই । বেশ খোলামেলা পরিবেশ। রাতের অতি আলো ঝলমলে দিল্লীও অনেক সুন্দর।

লাল দুর্গ


কুতুব মিনার


ইন্ডিয়া গেট



জামে মসজিদের একাংশ



২ দিন পরে ভলবো বাসে গেলাম আগ্রা, মার্বলের শোকগাথা তাজমহল দেখতে। তাজমহল দেখার আগে আগ্রার দূর্গ দেখে নিলাম।

দূর্গের সামনে


দূর্গের প্রধান প্রবেশ পথ



ভেতরে







দূর্গ থেকে দূরে তাজমহল দেখা যায়




এবার গেলাম তাজমহল দেখতে। মার্বলের শোকগাথা তাজ সম্পর্কে তেমন কিছু বলার নাই । সাবেক একজন মার্কিন রাষ্ট্রপতি নাকি তাজমহল দেখে মন্তব্য করেছেন, ‘পৃথিবীতে দুই ধরণের মানুষ আছে- যারা তাজ দেখেছে আর যারা দেখেনি’।









তাজে গেলে সবাই এই ব্যাকগ্রাউন্ডে নিজের একটা ছবি অবশ্যই তোলে । <img src=)" style="border:0;" />



এতকিছু দেখে বিকেলে আবার দিল্লীর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম । রাত ১২ টায় হোটেলে আসলাম । পরের দিন ভোর ৫ টায় আবার জয়পুর যাবো । কম সময়ে আগ্রা থেকে সরাসরি জয়পুর যাওয়া যেত কিন্তু প্ল্যান একটু পরিবর্তন হওয়ার কারনে দিল্লী ফিরে আসতে হয়েছিলো। <img src=|" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29389653 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29389653 2011-06-01 15:59:57
নেপাল ভ্রমনের কিছু ছবি কাটমুন্ডু , পোখারা আর নাগরকোটে সাত দিনের বিশাল টুর। নেপালের অবস্হা আমাদের দেশের চেয়ে খারাপ। কিন্তু লোকজন মনে হলো অনেক অনেষ্ট। আমাদের মত টাউট কিসিমের না। আমাদের ১০০ টাকায় নেপালি ১০২ টাকা পাওয়া যায়। ইন্ডিয়ান রুপি আর নেপালি টাকা দুটোই সবখানে চলে। কাটমুন্ডুতে কিছু ঐতিহাসিক নিদর্শন (টেম্পলই বেশি) ছাড়া দেখার তেমন কিছু নেই । কাটমন্ডুর মেইন আকর্ষন হলো ৮/১০ টা বিশাল সাইজের ক্যাসিনো । যেগুলাকে মোটামুটি দুনিয়ার শয়তানি বেহেস্তখানা বলা যায়। জুয়া খেলে টাকা হারার জন্য এতরকম সু্যোগসুবিধা দিয়ে রেখেছে যে অবাক হয়ে গেছি।৫০/৬০ আইটেমের খুবই টেষ্টি ও উন্নত খাবার দিয়ে বিশাল বুফে টেবিল।শক্ত ড্রিংকস , কোমল ড্রিংকস ,সিগারেট , চকলেট ইত্যাদি সব আনলিমিটেড ফ্রি। সুন্দরী মেয়েরা ক্যাব্যারে ড্যান্স করছে সেটা দেখাও ফ্রি, এন্ট্রি ফ্রি , জুয়া খেলাও বাধ্যতামুলক নয়। খেতে খেতে ,দেখতে দেখতে, হারতে হারতে যদি গভীর রাত হয়ে যায় তাহলে নো চিন্তা ক্যাসিনোর ট্যাক্সি নিশ্চিন্তে আপনাকে রেখে আসবে হোটেলে এবং সেটাও ফ্রি ! ক্যাসিনোর পরিবেশটাও সুন্দর। অনেক ইন্ডিয়াদের দেখলাম ফ্যামেলি সহ এসেছে সাথে বাচ্চাকাচ্চাও এসেছে। তারা আবার স্লথও খেলছে। এতসব সুবিধা সব ফরেনার দের জন্য। মানে কোন নেপালির জন্য ক্যাসিনোতে ঢোকা নিষিদ্ধ। সে যতই হোমরা চোমরা হোক না কেন।স্লথ মেশিনে আমি প্রায় ৪০০০ হাজার টাকা হেরে গেছি। কিন্তু ব্যাপক আনন্দ পেয়েছি।
শপিংএর জন্য বিখ্যাত এক্সক্লুসিভ ন্যাচারাল পাথরের জুয়েলারি, ডিজাইন করা বিভিন্ন স্টাইলের গোরখা ডেগার আর নেপালি টুপি ।
এবার কাটমুন্ডুর কিছু ছবি ।

পাখির চোখে
















এটি নেপালের সবচেয়ে বড় বুদ্ধ টেম্পল


আরো কিছু টেম্পল




পোখারা, কাটমুন্ডু থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দূরের একটি ছোট্ট ছিমছাম শহর। এই শহর থেকে হিমালয়ের বিখ্যাত অর্নপূন্নার একটা অংশ ও ফিশটেল বা মাছের লেজ নামের একটা তিনকোনা পিক দেখা যায়। হিন্দুরা বিশ্বাস করে ফিশটেলে দেবতা শীব থাকে তাই সেখানে ট্রাকিং সম্পূর্ন নিষিদ্ধ। এছাড়া পোখারায় একটা সুন্দর ন্যাচারাল পাহাড়ি লেক আছে। আর আছে হাজার হাজার বছরের পুরানো কিছু গুহা । পোখারায় প্যারা গ্লাইডিং করা যায় আধা ঘন্টা ৭০০০ টাকা হিসাবে । প্লাস্টিকের বোট ভাড়া নিয়ে পাহাড়ি পাথুরে নদীতে ঘোরাও যায়। আর ঘন্টায় ৫০ টাকা হিসাবে সাইকেল আর ৩০০ টাকা করে মোটরসাইকেলও ভাড়া পাওয়া যায়। আমি ২ ঘন্টার জন্য একটা এফ জেড আর ভাড়া করেছিলাম।



দুনিয়া বিখ্যাত অর্নপূন্নার একাংশ



ফিশটেল


পাশাপাশি অর্নপূন্না ও ফিশটেল



পাহাড়ে একাকি এক পাহাড়





পথের পাশে এক কমলা বিক্রেতা



কমলা গাছ





কাটমন্ডু পোখারার রোডে একটা বেশ বড় রোপওয়ে আছে । পোখারা থেকে ফেরার পথে আমরা সেই রোপওয়েতে চড়েছিলাম। যাওয়া আসা রিটার্ন টিকিট ৩৮০ টাকা সার্ক টুরিষ্টদের জন্য ।নিচ থেকে দেখে মনে হচ্ছিলো ঔই যে পাহাড়ের চূড়া ওখানেই বুঝি শেষ হয়েছে রোপওয়ে। কিন্তু অবাক হলাম যখন চূড়ায় উঠে আর একটি চূড়া দেখতে পেলাম । এভাবে ৩ টি পাহাড় ক্রস করে রোপওয়ের গন্তব্য। সেখানে একটি বিখ্যাত টেম্পল , কমলা বাগান আর রেস্টুরেন্ট আছে। রোপওয়েতে একটু ভয়ই লাগে। এক্সিডেন্ট হলে বাচার সম্ভবনা -৯৯৯৯৯ %।







উপরে রোপওয়ে নিচে পাথুরে নদী







ক্যাসিনো





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29326920 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29326920 2011-02-15 00:45:44
একজন ব্যাচেলারের মৃত্যু
আমার জীবনটা ছিলো গন্তব্যহীন একটা কাঠের জাহাজের মত। সময়ের স্রোতে নিজেকে ছেড়ে দিতাম ইচ্ছা মতো। কোন চিন্তা নাই, ভাবনা নাই ,নেই কোন পিছুটান। মধ্যরাতে কখনো মনে হয়েছে জীবনটা অর্থহীন। ধুমধুম শব্দে গোথিক মেটাল এ্যালবাম কিছুক পর সেটাও বিরক্তিকর হয়ে ওঠে । মেইন গেটের চাবিটা চুরি করে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি অজানার উদ্দেশে । চাঁদ গলা রাতের রহস্যময় ভূতুরে আলোয় দিগন্তে বসে থেকেছি অনেকটা সময়। সারারাত বসেবসে গেম খেলে, সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বারোটা বেজে গেছে । নাহ ! আজ আর অফিস যেতে মন চাইছে না। মুঠোফোনে ডাকলাম বন্ধুদের ,বাইক নিয়ে সারাদিন টো টো করে ঘুরে বেড়ালাম । সন্ধা থেকে গভীর রাত চললো আড্ডা। প্রতি রাতেই মায়ের বকুনি খেতাম ,দেরি করে বাসায় ফেরার জন্য।আমি এখনোও মাঝেমাঝে ডিনার করি রাত একটা দেরটা সময়। <img src=" style="border:0;" /> কোন নোটিশ ছাড়া বেমালুম গায়েব হয়েছি তিন দিন, সাত দিন, পনের দিনও। মা একটু টেনশন করতো । একবার হয়তো ফোনে বলেছি নো টেনশান, আর তখন আমি মনের সুখে ঘুরে বেরিয়েছি যমুনার সাদা চরে কাশফুলের মধ্যে। আহা, কি জীবন !

আমার এই সুখের জীবন মোটেও পছন্দ ছিলো না আমার বাপ আর ভাই এর । সারাজীবন অনেক অনেক বকা খেলাম , কোন কিছুতেই আমি সিরিয়াস ও সিনসিয়ার না বলে। তারা আমার বিরুদ্ধে অপরাজনীতিটা শুরু করেছিলো আরো দুবছর আগেই । কিন্তু , মারপ্যাচে আমার আমার সাথে কখনই পেরে উঠেনি। <img src=" style="border:0;" /> (অবশ্য আমি জানতাম, এই যুদ্ধে আমার পরাজয় নিশ্চিত ) শেষে তাদেরই জয় হলো।

ওহে আমার প্রিয় সামহোয়ারইনবাসী , আগামী ২৩ ই জুলাই রোজ শুক্রবার আমার ব্যাচেলার জীবনের শেষ দিন। শুরু হবে আর একটা নতুন জীবন । আপনারা সবাই দোয়া করবেন যেন নতুন জীবনেও সুখে শান্তিতে বাপ ভাই যেমনটা চায় ঠিক তেমটা সিরিয়াস, সিনসিয়ার হয়ে বাকি জীবনটা কাটাতে পারি। <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29204197 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29204197 2010-07-20 22:07:41
সাহা্য্য করুন আমি কারো প্রোফাইল পিক দেখতে পাই না কেন? "ছবি আকারে দেখুন " এ ক্লিক করেও ছবি আসেনা কেন?]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29192460 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29192460 2010-07-04 20:48:25 হরতাল নাকি দুই বুড়ীর হাত থেকে রক্ষা কোনটা চান !
একজন ম্যাংগো পাবলিক হিসাবে আমি সরকারের কর্মকান্ডে অতিষ্ট। নিজে সাফার করেছি।
তাই বি এন পির আন্দোলনকে মিউচুয়ালি সাপোর্ট করছি আপাতত এই সময়টায়। বি এন পির বিকল্প নাই এটাই সত্য । আপনার পিসিতে ভাইরাস নাচতেছে রাজী থাকলে হা চাপুন না থাকলেও হা চাপুন । কিন্তু হরতাল মেথড পছন্দ করছিনা। হরতালের বিকল্প খুজুক ! এটা দেখুন Click This Link

এগুলার মদ্দেই সারা জীবন থাকতে চান ?

এখন আসল কথা বলি, ধরুন সবাই আন্দোলন করে খালেদাকে আবারো আনলো! বুড়ি খালেদা কি আমদের (ডিজিতালের পরের টেকনলজি কী আমার জানা নাই ) সেটাতে নিয়ে যে তে পারবে? ডিজিতাললাইজেশ্নানে বোর হয়ে গেছি।

দেশ জাতী হিসাবে আমাদের কি কোন ফিঊচার নাই? এ ভিশাস সার্কেল থেকে কি কোন মুক্তি নাই ?

দুটা চাইনিজ আছে আমাদের এখানে প্রায় দু মাস । নিজেদের কোন কিছু নিয়ে গর্ব করার মতো কিছুই খুজে পাইনা। ওদেরগুলাই শুনতে হয় সবসময়। খারাপ লাগে। আমার কাজে এসে আমার টাকায় খেয়েপরে আমাদের কেই খারাপ বলছে । এটা কারও সহ্য হবে? সেটাই হচ্ছে <img src=" style="border:0;" /> শ্লা চাইনিজের বাচ্চা! কিন্তু সব হজম করতে হয় । সব সত্যি বলে।/<img src=" style="border:0;" />

আমি একজন ন্যাশনাল হিরোর আশায় চেয়ে আছি যে সবাই কে আচ্ছা মতো টাইট দিতে পারবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29149427 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29149427 2010-05-05 23:08:57
ব্রেইন ড্রেইন হয়ে যাচ্ছে চীনদেশে। <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" />
আমারদেশে এত বিজ্ঞানী তারপরও আমাদের এই অবস্হা কেন? <img src=(" style="border:0;" />
বাংগালীরা কোনদিন জ্ঞানী গুনীর কদর করলো না । বিরাট আপচুচ ! <img src=(" style="border:0;" />
ব্রেইন ড্রেইন হয়ে যাচ্ছে চীনদেশে। <img src=" style="border:0;" />



বিদ্যুত্ সঙ্কট নিয়ে যখন সরকার ও জনগণ দিশেহারা, ঠিক তখন হাতিবান্ধার ১৮ বছর বয়সী তরুণ বিজ্ঞানী জিয়ন তার উদ্ভাবিত এনার্জি সেভার দিয়ে বিদ্যুত্ সঙ্কট মোকাবিলার স্বপ্ন দেখছে। তার উদ্ভাবিত এনার্জি সেভার টি এরই মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। চীনের কোয়ালিটি রয়েল নামের একটি আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান জিয়নের এনার্জি সেভার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাজারজাত করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

http://amardeshonline.com/pages/weekly_news/2010/04/19/1640 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29138129 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29138129 2010-04-19 23:42:03
"এ্যভাটার" সিনেমার হোম প্রিমিয়ার। " style="border:0;" /> কিছু দর্শকদের কাছে অতি সমাদৃত হয়েছ মুভিটা, আবার কারো কারো কাছে এত বিখ্যাত সিনেমাটা মোটেও পছন্দ হয় নি। তার প্রমান সিনেমা হলেই রেখে গেছে। <img src=" style="border:0;" /> <img src=(" style="border:0;" /> আপনারাও দেখুন।



















<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29067327 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29067327 2009-12-28 22:25:59
মানুষের ক্রিয়েটিভিটির শেষ কোথায়?
Animator_vs__Animation



এখানে ক্লিক করুন তারপর প্লেতে আর একটা ক্লিক করে মাউস ছেড়ে চেয়ারে হেলান দিয়ে আরামে বসুন। <img src=" style="border:0;" />


<img src=" style="border:0;" /> B:-) B<img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29047032 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29047032 2009-11-21 01:15:24
ডিজিটাল সরকারের পিডিএফ বই
এ অবস্হায় ,একটি বেসকারি টিভি চ্যানেলে বিঙ্গাপনে দেখলাম যে, সরকার সময়মত সব শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়ার জন্য দ্রুত ওয়েবসাইটে বইগুলো ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

খবরটি দেখে প্রথমে বেশ খুশি হলাম! এই না হলো ডিজিটাল সরকার! কিন্তু পরক্ষনে , অনেকগুলা চিন্তা মাথায় জট পাকতে শুরু করলো।

১। আমাদের কত শতাংশ লোক ইন্টারনেট ব্যাবহার করছে?
২। যারা বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যাবহার করছে তারা কোথায় থাকে?
৩। যারা বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যাবহার করছে তারা সবাই কি সুষ্ঠভাবে সরকারের ওয়েব থেকে বইগুলা নামিয়ে নিতে পারবে?
৪।যে বইগুলো ফ্রি বিতরন করা হয় সব শিক্ষার্থীরা কি ওয়েব থেকে ফ্রি পাবে?
৫। এ ক্ষেত্রে কি প্রকাশকরা যারা প্রতিবছর বই নিয়ে বানিজ্য করে তারা ফ্রি বইগুলো ওয়েব থেকে নামিয়ে প্রিন্ট করে বই আকারে বিক্রি করে ডবল বানিজ্য করার সু্যোগ পাবেনা?
৬। আপনাদের কি মনে হয় এ অবস্হায় একজন প্রত্যন্ত গ্রামের অশিক্ষিত লোক তার দ্বিতীয় শ্রেনী পড়ুয়া ছেলের হাতে সময়মতো ফ্রি বই তুলে দিতে পারবে?

সরকার বলবে বই ওয়েবে ছাড়ছি আর কোন চিন্তা নাই আপাতত। ডিজিটাল বাংলাদেশে সবাই এখন নৌকা ঠেলা বাদ দিয়া কম্পিুটিং ঠেলতাছে, তারা ক্ষমতায় আসার পর ঘরে ঘরে লগির বদলে কম্পু আর ল্যাসমার্ক প্রিন্টার আছে। এক ক্লিকে , একসেট পিডিএফ বই ঘ্যচঘ্যচ করে কাগুজে বই হয়ে যাবে তাইলে আপনারা কি কইবেন??

তবে সরকারকে ধন্যবাদ এই জন্য যে, কেউ উপকৃত হোক বা না হোক এটলিষ্ট একটা সঠিক সিদ্ধান্ত ,সঠিক সময়ে, বেশি সময় না নিয়ে, নিতে পারছে।(ভবিৎতে হয়তো কখনো এরকম সিদ্ধান্তগুলোর জন্য আমরা ভালো ফল পাবো)।যাইহোক, নতুন বই দিতে দিতে মে ২০১০ হলেও ছাফাই গাইতে পারবে যে তারা এটলিষ্ট ডিজিটাল ভাবে সময়মতই বই ছাড়ছে। বি এম পি কি এটা পারতো বা করেছিলো ?? <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29033975 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29033975 2009-10-29 13:19:08
ব্লক খাইলাম। " style="border:0;" />



<img src=(" style="border:0;" />





<img src=(" style="border:0;" />

প্রথম ব্লক খাইছি। দি রিটার্ন অফ মমতাজ আফা ওরফে পিংকিমনীর ব্লগে।

আর আজ এই আপার ব্লগে।

Click This Link

কি মজা আকাশে বাতাসে........ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29027381 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29027381 2009-10-17 17:11:14
ক্রিয়েটিভ এ্যাড " style="border:0;" />


বেপুক হারে মাইনাস প্রত্যাশা করিতেছি। <img src=" style="border:0;" />











<img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29025324 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29025324 2009-10-13 21:52:45
ব্যবসা করা মহা পাপ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পত্রপত্রিকা সরগরম চিনির বাজার নিয়ে। প্রায় প্রতিদিনই শিরোনামে চিনির বাজারের খবর। অবশ্যম্ভাবীভাবেই ব্যবসায়ীদের দায়ী করা হচ্ছিল চিনির অস্বাভাবিক দাম বাড়ার জন্য, যার পরিণতিতে আমরা দেখতে পেলাম, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হলো।

কোনো দ্রব্যের দাম বাড়লে তাতে অবশ্যই ব্যবসায়ীদের হাত থাকে। তবে সেটা বাজারের নিয়মে হচ্ছে, নাকি কোনো অসদুপায় অবলম্বন করে করা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। যদি বলা হয়, অসদুপায় অবলম্বন করে দাম বাড়ানো হয়েছে, তাহলে সে অসদুপায়টি সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা দরকার। চিনির দাম বাড়ার পেছনে ব্যবসায়ীরা আসলেই দায়ী থাকতে পারেন। কিন্তু তা প্রকৃতভাবে চিহ্নিত না করে তাঁদের হয়রানি করাটা কোন আইনের মধ্যে পরে?

চিনির ক্ষেত্রে যে অভিযোগটা এসেছে, সেটা হলো, ব্যবসায়ীরা চিনি মজুদ করে দাম বাড়িয়েছেন। কথা হলো, ব্যবসায়ীরা যদি এত সহজেই চিনির দাম বাড়াতে পারেন, তাহলে তাঁরা তা প্রতিবছর এক-দুবার করেন না কেন। চাইলেই তো তাঁরা সেটা পারেন। অসুবিধা কী?
শেষবার চিনির এ রকম অস্বাভাবিক দাম বেড়েছিল ২০০৬ এর এপ্রিলে। এর পর থেকে তিন বছরে চিনির কেজি ৪০ টাকার ওপরে আর ওঠেনি, বলতে গেলে এ বছরের মে মাসের আগ পর্যন্ত।

একজন ব্যবসায়ী, তিনি যে পরিমাণ টাকাই বিনিয়োগ করেন না কেন, তিনি কিন্তু একটা ঝুঁকি নিয়েছেন। ব্যবসা করা মানেই কাড়ি কাড়ি টাকা চলে আসবে, তা কিন্তু নয়। হিসাবে সামান্য ভুলের জন্য কাড়ি কাড়ি টাকা চলে যাওয়ারও যথেষ্ট আশঙ্কা আছে। একজন ব্যবসায়ী টাকা বিনিয়োগ করেছেন মুনাফা করার জন্য, দাতব্য প্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য নয়। সে জন্য ব্যবসায়ীকে মুনাফাখোর বলে গালি দেওয়াটা কি ঠিক? মুনাফার টাকা দিয়েই তো তাঁকে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে।
একজন ব্যবসায়ী যখন ঝুঁকি নিয়েছেন, তখন তিনি যথাসম্ভব লাভ করার চেষ্টা করবেন। তাঁর উদ্দেশ্য থাকবে, কম দামে দ্রব্য কিনে বেশি দামে বিক্রি করা। বেশি দামে বিক্রি করার যেকোনো সুযোগ তিনি নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

আমাদের চিনি ব্যবসায়ীর কথায় ফিরে আসি। ধরা যাক, আজ তিনি ৫০ বস্তা চিনি কিনলেন। এক সপ্তাহ পর খবর এল, আগামী মাস থেকে দাম বাড়বে। কারণ, বিশ্ববাজারে চিনির ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। ওই ব্যবসায়ী তখন অবশ্যই কিছু পরিমাণ চিনি বিক্রি না করে রেখে দেবেন আগামী মাসে বিক্রি করার জন্য। এটা ব্যবসার জন্য কি খুব স্বাভাবিক ব্যাপার নয়?
অনেক ব্যবসায়ী যখন একসঙ্গে ব্যাপারটা করবেন (এবং এটা করার জন্য তাঁদের মধ্যে কোনো সলাপরামর্শ বা তথাকথিত সিন্ডিকেট করার দরকার হবে না, ব্যবসার সহজাত প্রতিক্রিয়া হিসেবে সবাই এটা করবেন), তখন বাজারে সরবরাহ কমে যাবে এবং চিনির দাম বেড়ে যাবে। তখনি আমরা দেখতে পাব, বাজারে চিনির স্বল্পতা এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে মজুদ করার প্রবণতা বাড়ছে। এটাকে কোন হিসেবে অপরাধ বলব, তা কিন্তু বলা মুশকিল।

যে ঘটনার কথা বললাম, সেটার কিন্তু উল্টোটাও ঘটতে পারে। দেখা গেল, ব্রাজিলে চিনির বাম্পার ফলনের ফলে বিশ্ববাজারে এর দাম কমার সম্ভাবনা দেখা দিল। তখন কিন্তু সেই ব্যবসায়ী তড়িঘড়ি করে চিনি বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। ফলে বাজারে চিনির আধিক্য দেখা দেবে এবং চিনির দাম কমে যাবে। তখন যদি ওই ব্যবসায়ী ক্ষতির সম্মুখীন হন, তখন কি সরকার তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে? ক্ষতি হলে ব্যবসায়ী একা সামলাবেন, আর লাভ করতে গেলে সেটা মহা পাপ হয়ে যাবে—এ রকম মনোভাব ও আচরণ কি ব্যবসায়ীদের প্রতি অবিচার হয়ে যায় না?

আকস্মিক মূল্য পরিবর্তনের ব্যাপারগুলো তখনি ঘটে, যখন ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যতের মূল্য সম্বন্ধে প্রত্যাশা পরিবর্তিত হয়। সরকারের যদি কোনো ব্যবস্থা নিতে হয়, তাহলে কীভাবে এই মূল্য প্রত্যাশা তৈরি হচ্ছে, সেটা বুঝতে হবে। ভারত একটি অন্যতম বৃহত্ চিনি উত্পাদনকারী দেশ, যেখানে এ মৌসুমে চিনির উত্পাদন ৪৫ ভাগ কমে গেছে। এটা মূলত হয়েছে অনাবৃষ্টি এবং চাষীদের অন্যান্য শস্যের প্রতি বেশি ঝুঁকে যাওয়ার ফলে। সে জন্য এ বছরের শুরু থেকেই চিনির দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তে শুরু করেছে। এই জানুয়ারিতে চিনির দাম যেখানে ছিল সাড়ে ১২ সেন্ট/পাউন্ড, সেখানে জুন মাসের মধ্যে তা বেড়ে প্রায় সাড়ে ১৮ সেন্ট/পাউন্ড হয়ে গেছে। অর্থাত্ আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম প্রায় ৫০ ভাগ বেড়েছে। আমাদের দেশের চিনির চাহিদার ৯০ ভাগ আমদানি করা এবং স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ববাজারের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। সুতরাং এটা খুবই স্বাভাবিক যে, ব্যবসায়ীদের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা থেকে স্থানীয় বাজারেও মূল্য বাড়তে শুরু করবে। এর পরও একই সময়ে আমাদের দেশীয় বাজারে কিন্তু চিনির দাম সেভাবে বাড়েনি, বেড়েছে ২৫ ভাগের বেশি নয়। পরবর্তী সময়ে অবশ্য চিনির দাম পর্যায়ক্রমে আরও বাড়ে।

ব্যবসায়ীদের মধ্যে এই মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশাটা তৈরি হতো না, যদি সরকার ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের মাধ্যমে পর্যাপ্ত চিনি আমদানি করতে পারত। তাহলে বাজারে মূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা অনেকাংশেই স্তিমিত হয়ে আসত এবং ব্যবসায়ীরাও তখন মজুদ করার কোনো প্রয়োজনীয়তা বোধ করতেন না।
সরকারকে খেয়াল রাখতে হবে, কী ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতির কারণে ব্যবসায়ীরা মজুদ করছেন। তা না করে দাম বাড়লেই ব্যবসায়ীদের পেছনে লাগা, তাঁদের ধরার জন্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা খুবই অপরিপক্ব বাণিজ্যনীতির পরিচায়ক। এতে ব্যবসায়ীদের আস্থা কমে যায় এবং দীর্ঘ মেয়াদে এর ক্ষতিকর প্রভাব অর্থনীতিতে পড়তে পারে।

বাংলাদেশের কোনো আইনে মজুদদারির বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট কোনো কিছু বলা নেই। Anti hoarding act 1953-এ যেটা বলা আছে, সেটা হলো—কোনো প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে উল্লেখ করতে হবে, কত দিন ধরে মজুদ করলে সেটা অপরাধ বলে গণ্য হবে। সে ধরনের কিছু এখানে হয়নি। আর প্রজ্ঞাপন জারি করাটাও সহজ নয়। মজুদ কীভাবে অন্যায় হবে, সেটা সংজ্ঞায়িত করাও খুব সহজ নয়। একজন খুচরা বিক্রেতা আর একজন পাইকারি বিক্রেতার মজুদ অবশ্যই এক হবে না। শুধু তা-ই নয়, দুজন পাইকারি বিক্রেতার মধ্যেও অনেক পার্থক্য হতে পারে, যেটা নির্ভর করবে ব্যবসার আকারের ওপর। সুতরাং আইন করে বলে দেওয়া যে এত দিনের বেশি মজুদ রাখলে অপরাধ হবে, সেটা খুবই অকার্যকর একটা পদ্ধতি হবে।

যেই ৭৪ হাজার বস্তা চিনি আটক করা হয়েছে, সেটা কোন আইনের কোন অধ্যাদেশ অনুযায়ী হয়েছে, সেটা ব্যবসায়ী-মহলের জানার অধিকার রয়েছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যখন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেল, তখন ব্যবসায়ীদের হয়রানি আর গ্রেপ্তার করে ব্যবসায়ী-সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হলো। ফলে বাজারে দাম তো কমেইনি, উল্টো আরও বেড়ে গিয়েছিল। বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হলে তা করতে হবে বাজারের নিয়মেই। বাজারের অদৃশ্য হাত কোনো দৃশ্যমান শক্তির হুমকির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যে কতটা কঠিন, সেটা আমাদের নীতিনির্ধারকেরা একেবারেই মনে রাখেন না।

নিজেকে আমি ভাগ্যবান মনে করছি যে, আমি পেশায় কোনো ব্যবসায়ী নই। বিশেষত, কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ব্যবসায়ী। তাহলে মনে হয়, এত দিনে সমাজে অপাঙেক্তয় হয়ে যেতাম। আজকে চালের দাম বাড়লে লোকজন বলত, ‘এই চালের ব্যবসায়ীদের কারসাজির জন্য গরিব লোকজন দুই মুঠো ভাত খেতে পারছে না।’ কালকে আলুর দাম বাড়লে লোকজন বলত, ‘ব্যাটা, তোর জন্য আলু খেতে পারছি না।’ আর চিনির ব্যবসায়ী হলে তো কথাই নেই। এতক্ষণে ফেরারি আসামি হয়ে আত্মগোপন করে থাকতে হতো!

ড. রুশাদ ফরিদী: সহকারী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

__________________________________________________
এবার আমার কিছু কথা

একজন ব্যাবসায়ী হিসাবে আমি নিজে ভাগ্যবান মনে করি। আমার বাপ ও একজন ব্যবসায়ী। বিভিন্ন ভাবে বিচার করলে তাকে একজন শক্তিশালী বড় ব্যবসায়ী বলা যায়। তিনি বিভিন্ন ব্যবসার পাশাপাশি পার্ট টাইম হিসাবে ছোট আকারে চিনির ব্যবসা করেন।
গত চার মাস আগে তিনি ২০০০০০ (দুই লাখ)কেজি চিনি কিনেছিলে এ্যজ ইউজুয়াল ব্যবসার উদ্দেশ্যে।কিন্ত তার ভাগ্য এতই খারাপ ছিলো যে, দিনদিন চিনির দাম কমতে শুরু করলো। টেনশানে বেচারার নাওয়া খাওয়া ঘুম হারাম হয়ে গেল। শেষে প্রায় ২৫ লাখ টাকা লস করে বাপ সব চিনিগুলা বিক্রি করে দিলো এই চিন্তা করে যে , আর কিছুদিন থাকলে ৫০ লাখ লস হবে। আহা বেচারা !
আপচুচ, এত প্রবীন ব্যবসায়ী হয়েও কোনদিন সিন্ডিকেটের খোজ পেলেন না।

এখন আমরা অফিসে বসে হা হুতাস করি, চিনিটা যদি আর এক দু মাস রাখা্ যেত তাহলে কি বাম্পারটায় না মারা যেত। <img src=(" style="border:0;" />

এটাই হলো ব্যবসা। ব্যাবসায়ীরা কোটিকোটি টাকা ইনভেস্ট করে যে পরিমান টেনশানে থাকে তাতে কে কোথায় কি করছে, কি বলছে এসব খোজ নেয়ার সময় /এনার্জি কোনটায় থাকেনা।
আর এ সু্যোগে কিছু মাথামোটা লোক মনগলা কথা যেমন মুনাফাখোর, সিন্ডিকেট ইত্যাদি বলে ব্যাবসায়ীদেরকে গালি দ্যায়।

সরকারের কথা আর কি বলবো।এ সম্পর্কে কিছু বলার নাই <img src=(" style="border:0;" />


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29023453 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29023453 2009-10-10 14:31:51
আকাশ পথে নেপাল ভ্রমন
ঢাকা কাঠমুন্ডু ঢাকা রিটার্ন এয়ার টিকেট।
২ রাত ৩ দিন ৫ তারা হোটেলে থাকা ও তিনবেলা বুফে খাওয়া।
সাইট সিয়িং, ক্যাসিনো কুপন, সারারাত বিনেদন প্রোগ্রাম, <img src=" style="border:0;" /> শপিং কুপন, এয়ারপোর্ট ট্রানসফার, হ্যনত্যান বহুত কিছু। <img src=" style="border:0;" />

খরচ মাত্র ১৫৫০০ প্লাস ট্যাক্স। (টুইন শেয়ার বিছানা)

এছাড়া প্রতি এক্সটেনশান নাইট ৩০০০ টাকা করে।


এখন কথা হলো , ব্লগের কেউ কি আগে এই কোম্পানির প্যাকেজে নেপাল ভ্রমন করেছেন? (কো্ম্পানিটি বহুদিন থেকেই এই নেপাল প্যাকেজ পরিচালনা করছে)
যদি কেউ ভ্রমন করে থাকেন তাইলে আওয়াজ দেন । কেমন কি? সত্য মিথ্যা, ভালো খারাপ ইত্যাদি। <img src=" style="border:0;" />

ঈদের মধ্যে যাইতে মন চায়। <img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29000565 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29000565 2009-08-27 18:33:52
অর্জুনের তীর আমার দিকে " style="border:0;" />

যে দিন থেকে পিস্তল হাতে নিছি সেদিন থাইক্যাই অর্জুন আসলেই আমারে তীরধনুক নিয়া তারা করতাছে। /<img src=" style="border:0;" />

আমি এক নয়া ব্লগার । এ্যমনে ভুই দেখান কি ঠিক? /<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29000189 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/29000189 2009-08-26 23:56:16
একটি প্রজাপতি
বলুনতো কী ফুলের উপরে প্রজাপতিটা বসে আছে?






ছবিটা কিছুদিন আগে আমার মোবাইল ফোন দিয়ে তোলা। <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/28999506 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/28999506 2009-08-25 15:41:28
মুরগি কাহিনী
ইটের উপর দাড়িয়ে আছে এক মাতব্বর। এটার ঠ্যাং চিবানোর লোভে কারো জিভে জল এসে যেতে পারে <img src=" style="border:0;" /> আবার কেউ আমার উপর রেগেও যেতে পারে ফাউল পোষ্ট পাঠানোর জন্য। কেউ কেউ ভাববে কোন বিষয় না পেয়ে আমি হ্তাশ হয়ে এখন মোরগ মুরগি চেনানোর জন্য নতুন টপিক খুলছি যত্ত সব আজেবাজে। <img src=" style="border:0;" />

"এই মুরগিটা কি চেনেন?" এই একটা প্রশ্ন করে টপিকটা ছেড়ে দেয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু গনহারে - খাওয়ার ভয়ে প্ল্যানটা চেন্জ করলাম।
হয়তো অনেকে জানেন ব্যাপার টা কিন্তু বেশিরভাগই বলবেল এইটা একটা মোটাসোটা দেশি মোরগের ছবি ছাড়া আর কিছুই নয়।

এই "দেশি মোরগ" কথাটায় আমার একটু আপত্তি আছে।আজকাল গ্রামের বাজারেও দেশের দেশি মুরগি পাওয়া যায় না। একেবারে অজ পাড়াগায়ের মানুষেরা নিজেদের খাওয়ার জন্য আট দশটা দেশি মুরগি পালে। আর যদি টাকাপয়সার দরকার হয় তাহলে দু একটা বাজারে নিয়ে আসে। তাহলে
ঢাকার মতো জনবহূল নগরীতে প্রতিদিন যে হাজার হাজার মুরগী বিক্রি হয় সেগুলা কোথাথেকে আসছে??

ঢাকার বাজারে বেপারির ধোকায় দেশি মনে করে বেশি দাম দিয়ে যারা এ মোরগটি কেনে তারা আসলে একটা পাকিস্হানী অরিজিন মুরগি, আমাদের দেশে যার নাম "সোনালি" কিনে নিয়ে যায়।

দেশি বলতে আমরা যে মুরগি চিনি/জানি এটা সেই মুরগি না। ধোকা দেয়ায় বেপারিকে অবশ্য পুরাপুরি দোষ দেয়া যাবেনা। কারন স্বাদে গন্ধে এই মুরগি দেশির মতই।

ব্রয়লার মুরগি অনেকেই খেতে পারেনা (এ দলে আমিও) আবার বিয়ের অনুস্ঠানে খাওয়াদাওয়ার গুরুত্বপূর্ন আইটেম হলো "রোষ্ট" যেটা এ মুরগি ছাড়া হবেনা। খেয়াল করে দেখবেন ঢাকার প্রায় সব রেস্টুরেন্টে দেশি নামে এই মুরগিই বিক্রি হয়। এছাড়াও বিভিন্ন কারনে এ মুরগির গুরুত্ব অনেক।

আগুন ঝরানো বাজারে গরিবের মাংস বলতে এখন ব্রয়লারই বুঝায়।
দেশি মুরগির চাহিদা আর বানিজ্যিক ভাবে লাভজনক না হওয়ায় বিকল্প হিসাবে পাকিস্হানী মুরগি কয়েক ধাপে ক্রস হয়ে "সোনালির" জন্ম খুব বেশি দিন আগে নয় ১০ , ১২ বছর হবে ।

২০০১ -২০০২ সাল থেকে উত্তরের এক ছোট্ট জেলা জয়পুরহাটে একটা বিরাট অর্থনৈতিক বিপ্লব হয়েছে এই সোনালী মুরগিকে ঘিরে। ধিরে ধিরে শতশত কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে । পোল্ট্রি ফিড কারখানা গড়ে উঠেছে গোটা চার ,পাচেক, হ্যাচারি দশ বারোটা, আর গড়ে উঠেছে নয় দশ হাজার ছোট , মাঝারি ও বড় ফার্ম । প্রায় বিশ হাজার দরিদ্র , বেকার লোক স্বাবলম্বী হয়েছে। গতবছর বার্ডফ্লু আতংকের কারনে গাজীপুরে এ শিল্পে ধস নামে আর এই ফাকে মাংসের সোনালি মুরগি ও ডিম উৎপাদনে জয়পুরহাট এখন ১ নম্বর।

তো আর কি ! আপনারা দেশি, পাকিস্হানী চিনলেন আর আমি মুরগি কাহিনীও শেষ করলাম। <img src=" style="border:0;" />
সাথে চামেচামে আমার ফার্মের কিছু ছবি দিলাম। <img src=" style="border:0;" />








]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/28996667 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/28996667 2009-08-20 00:14:52
ভালোবাসা দেশে দেশে " style="border:0;" />


Indian English - 143
English - I love you
Afrikaans - Ek het jou lief
Albanian - Te dua
Arabic - Ana behibak (to male)
Arabic - Ana behibek (to female)
Armenian - Yes kez sirumen
Bambara - M'bi fe
Bangla - Aamee tuma ke bhalo ভাসি
Belarusian - Ya tabe kahayu
Bisaya - Nahigugma ako kanimo
Bulgarian - Obicham te
Cambodian - Soro lahn nhee ah
Cantonese Chinese - Ngo oiy ney a
Catalan - T'estimo
Cheyenne - Ne mohotatse
Chichewa - Ndimakukonda
Corsican - Ti tengu caru (to male)
Creol - Mi aime jou
Croatian - Volim te
Czech - Miluji te
Danish - Jeg Elsker Dig
Dutch - Ik hou van jou
Esperanto - Mi amas vin
Estonian - Ma armastan sind
Ethiopian - Afgreki'
Faroese - Eg elski teg
Farsi - Doset daram
Filipino - Mahal kita
Finnish - Mina rakastan sinua
French - Je t'aime, Je t'adore
Gaelic - Ta gra agam ort
Georgian - Mikvarhar
German - Ich liebe dich
Greek - S'agapo
Gujarati - Hu tane prem karoo chhoo
Hiligaynon - Palangga ko ikaw
Hawaiian - Aloha wau ia oi
Hebrew - Ani ohev otah (to female)
Hebrew - Ani ohev et otha (to male)
Hiligaynon - Guina higugma ko ikaw
Hindi - Hum Tumhe Pyar Karte hai
Hmong - Kuv hlub koj
Hopi - Nu' umi unangwa'ta
Hungarian - Szeretlek
Icelandic - Eg elska tig
Ilonggo - Palangga ko ikaw
Indonesian - Saya cinta padamu
Inuit - Negligevapse
Irish - Taim i' ngra leat
Italian - Ti amo
Japanese - Aishiteru
Kannada - Naanu ninna preetisuttene
Kapampangan - Kaluguran daka
Kiswahili - Nakupenda
Konkani - Tu magel moga cho
Korean - Sarang Heyo
Latin - Te amo
Latvian - Es tevi miilu
Lebanese - Bahibak
Lithuanian - Tave myliu
Malay - Saya cintakan mu / Aku cinta padamu
Malayalam - Njan Ninne Premikunnu
Mandarin Chinese - Wo ai ni
Marathi - Me tula prem karto
Mohawk - Kanbhik
Moroccan - Ana moajaba bik
Nahuatl - Ni mits neki
Navaho - Ayor anosh'ni
Norwegian - Jeg Elsker Deg
Pandacan - Syota na kita!!
Pangasinan - Inaru Taka
Papiamento - Mi ta stimabo
Persian - Doo-set daaram
Pig Latin - Iay ovlay ouyay
Polish - Kocham Ciebie
Portuguese - Eu te amo
Romanian - Te ubesk
Roman Numerals - 333
Russian - Ya tebya liubliu
Scot Gaelic - Tha gra\dh agam ort
Serbian - Volim te
Setswana - Ke a go rata
Sign Language - (represents position of fingers when signing'I Love You')
Sindhi - Maa tokhe pyar kendo ahyan
Sioux - Techihhila
Slovak - Lu`bim ta
Slovenian - Ljubim te
Spanish - Te quiero / Te amo
Swahili - Ninapenda wewe
Swedish - Jag alskar dig
Swiss-German - Ich lieb Di
Tagalog - Mahal kita
Taiwanese - Wa ga ei li
Tahitian - Ua Here Vau Ia Oe
Tamil - Nan unnai kathalikaraen
Telugu - Nenu ninnu premistunnanu
Thai - Chan rak khun (to male)
Thai - Phom rak khun (to female)
Turkish - Seni Seviyorum
Ukrainian - Ya tebe kahayu
Urdu - mai aap say pyaar karta hoo
Vietnamese - Anh ye^u em (to female)
Vietnamese - Em ye^u anh (to male)
Welsh - 'Rwy'n dy garu
Yiddish - Ikh hob dikh
Yoruba - Mo ni fe..e..
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/28995789 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/28995789 2009-08-18 13:35:02
কিছু আকাশ মেঘ আর গোধূলী " style="border:0;" />























]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/28991658 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/28991658 2009-08-10 16:18:44
ইত্যাদির যন্ত্রনা <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /> সব পেপারে ঢাকঢোল পিটায়া হানিফ সংকেত সেই পুরান কাসুন্দি নতুন বোতলে আর কত কাল বাংগালদের খাওয়াবে? <img src=(" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/28990363 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/28990363 2009-08-07 23:30:29 ট্রয়ের যুদ্ধ
কাহিনিটা এরকম । অলিম্পাসে একজন হিংসার দেবি ছিলো। কারো সাথে তার ভাব ছিলোনা। ঘটনার শুরু এক বিয়ের অনুষ্ঠানে। সব দেবদেবীরা ডাইনিং টেবিলে বসে খাওয়া দাওয়া করছিলো। এদিকে হিংসার দেবী জ্বলেপুরে মরছে কারন তাকে দাওয়াত করা হয়নি। হটাৎ তার মাথায় একটা শয়তানি বুদ্ধি আসলো। সে একটা সোনার আপেলের গায়ে লিখলো "যে দেবী সবচেয়ে সুন্দর, আপেলটা শুধুমাত্র তার জন্য " তরপর সেটা ডাইনিং টেবিলের মাঝখানে ফেলে দিলো । তিন দেবী হেরা , আফ্রেদিতি, আর পালাস এ্যথেনা নিজেদেরকে সবচেয়ে সুন্দর বলে দাবি করতে লাগলো। কিন্তু আপেল যেহেতু একজনের জন্য তাই গোন্ডগোল লেগে গেল। শেষে তারা দেবরাজ জিউসের কাছে গেল। জিউস পড়েগেল মহা পেজগীর মধ্যে। এমনিতে আফ্রেদিতি সুন্দর আর ভালোবাসার দেবী, পালাস এ্যথেনাও কম যায়না । তাদের দুজনের একজনকে যদি সুন্দর বলে তাহলে তার বউ হেরা তাকে আবার এক হাত দেখে নিবে। <img src=" style="border:0;" /> সব ভেবেচিন্তে সুন্দরের এই কঠিন দ্বন্দ জিউস নিজের ঘাড়ে নিলোনা । সে বলল "তোমরা তিনজন যাও আইডা পাহাড়ে। সেখানে প্যারিস নামের এক রাখাল ছাগল চরাচ্ছে । আমি নিশ্চিত প্যারিসই তোমাদের মধ্যে সঠিক জনকে নির্বাচন করবে। "

এদিকে প্যারিসের প্রথম জীবনে রাখাল হওয়ার পেছনে একটু কাহিনী আছে। প্যারিস যখন তার মায়ের গর্ভে, তখন তার মা স্বপ্নে দেখে যে, কোন মানু্ষ সন্তানের বদলে সে একটা আগুনের গোলার জন্ম দিয়েছে। এই কথা সে প্যারিসের বাপ রাজা প্রায়াম কে বলল। তখনকার দিনে তারা আবার ভবিষ্যৎ বক্তাদের খুবই বিস্বাস করতো কারন তাদের কথা কখনো মিথ্যা প্রমানিত হতো না। তো স্বপ্নের শানে নযুল জানার জন্য প্যরিসের বাপ সাথে সাথে রাজদরবারের খাস ভবিষৎ বক্তাকে ডাকলো। বক্তা বলল মহারানী যে সন্তানের জন্ম দেবে তার দ্বারা একদিন ট্রয় নগরী ধংস হবে। এই শুনে রাজা খুবই ভয় পেয়ে গেল । তাই রাজা প্রায়াম যেদিন প্যারিসের জন্ম হলো সেদিন জল্লাদ ডেকে দূর পাহাড় আইডায় প্যরিসকে নিয়েগিয়ে হত্যা করতে বলল। ঘটনাক্রমে জল্লাদের মনে ছোট বাচ্চার জন্য দয়া হওয়ায় তারা তাকে না মেরে সেখনে ফেলে রেখে আসে । তারপর দিনে দিনে নির্জন আইডা পাহারে প্যারিস বড় হয় নিজের আসল পরিচয় না জেনেই।

এবার আসল ঘটনায় ফিরে আসি। জিউসের কথা মতো তিন দেবী আইডা পাহাড়ে প্যারিসের সামনে আসলো সম্পূর্ন নগ্ন হয়ে । তাদের রূপ দেখে প্যারিসের ফিট লাগার অবস্হা।<img src=" style="border:0;" /> তার জবান বন্ধ হয়ে গেল।
তারা তিনজনই একসাথে বলল " ট্রয়ের যুবরাজ তোমাকে আভিন্দন।" একথায় প্যারিস একটু অবাক হয়ে গেল। তখন দেবীরা তাকে বলল যে সে সত্যিয় ট্রয়ের রাজপুত্র। এবং তার হাতে সোনার আপেলটা দিয়ে তাদের আসার উদ্দেশ্য বলল।

প্যরিস আপেল হাতে তিন দেবীর দিকে হা করে তাকিয়ে থাকলো। এদের কাকে ছেরে কাকে আপেল দিবে এই মহাচিন্তায় মধ্যে পরেগেল। তার কাছে তিনজনকেই সমান সুন্দর মনে হলো । তার উপর আবার দেবীরা এমন খবর দিয়েছে যে তার মাথা কাজ করছেনা।
দেবীরা প্যারিসের অবস্হা দেখে বুঝলো এভাবে কাজ হবে না । তাই তারা প্যারিসকে ঘুস দেয়ার ফন্দি আটলো।
প্রথমে হেরা বলল" প্যারিস তুমি আমাকে যদি আপেলটা দাও তাহলে তোমাকে দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী রাজা বানাবো।"
পালাস এ্যথেনা বলল " তুমি যদি আমাকে নির্বাচন কর তাহলে তোমাকে দুনিয়ার সবচেয়ে জ্ঞানী মানুষ বানাবো।"
ভালোবাসার দেবী আফ্রেদিতি বলল" প্যারিস , সোনার আপেলটা আমাকে দাও । আমি তোমারে দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দর নারীকে তোমার করে দিবো।"

প্যারিস এক সেকেন্ডও দেরী না করে সাথে সাথে আপেলটা আফ্রেদিতিকে দিয়ে দিলো। তারপর আর কি আফ্রেদিতির সহায়তায় প্যারিস গ্রীসের এক প্রদেশের রাজা মেনালিউয়াসের বাড়ীতে গেল অতিথি হয়ে এবং আফ্রেদিতিরই সহযোগিতায় মেনালিউয়াসের বউ হেলেন কে খুব অল্প সময়ে পটিয়ে ফেললো। এবং সুযোগ বুঝে চম্পট দিলো সোজা ট্রয়ে। প্যরিসের বাপ বুঝতে পারলো প্যারিস সাথে করে নিশ্চিত তাদের ধংস নিয়ে এসেছে। তারপরেও নিজের ছেলে বলে কথা। প্রায়াম নিজ রক্ত কে অস্বীকার করতে পারলো না । হেলেন সহ প্যারিস কে ঘরে তুলে নিলো। মেনালিউয়াস নিজের স্ত্রীর ভেগে যাওয়া হজম করতে পারলো না ( অনেকে মনে করে প্যারিস হেলেন কে অপহরন করে নিয়ে যায়। কিন্তু আসল ঘটনা তো জানলেন) আর মেনালিউয়াসের লোভী ভাই আগামেমনন ট্রয়ের মতো ধনসম্পদশালী নগর দখল করার জন্য পানির মতো সহজ একটা ইসু পেল।

তার পরের কাহিনী তো সবার জানা। ১২ বছরের যুদ্ধ ।

ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/28989657 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/28989657 2009-08-06 12:39:36
আমার আমি
আগে থাকতাম ধানমন্ডির ৫ নং রোডে শেখ হাসিনার বাড়ীর পাশে । গা্য়ে কেমন যেন একটা ভি আই পি মার্কা পচা গন্ধ লেগে থাকত । ঢাকায় মানুষের ঠেলাঠেলি আর শিশার বিষাক্ত বাতাসে দম বন্ধ হয়ে আসতো । তাই একদিন সবকিছু ছেড়েছুড়ে উত্তরের এক ছোট্ট গাঁয়ে "জয়পুরহাট" পালিয়ে এলাম। গায়ের পচা গন্ধটা আর নাই।

এখানে মুরগি আর ডিমের ব্যবসা করি। বিয়ার বয়স হইলেও আখনো সেটা হয়ে ওঠেনি । /<img src=" style="border:0;" /> দিগন্ত আর প্রকৃতির রূপ দেখতে ভালো লাগে। ভালো লাগে মধ্যরাতে গাড়ী নিয়ে লং ড্রাইভে যেতে অথবা কোন চাঁদ গলা রাতের রহস্যময় ভূতুরে আলোয় দিগন্তে একা বসে থাকতে।গান শুনতে ভালো লাগে। মেটাল, রক, সফট, বাংলা, হিন্দী সব গানই শুনি যেটা ভালো লাগে। মোবাইল দিয়ে ছবি তুলতে ভালো লাগে। সামু পড়তে ভালো লাগে। লুলদের কোমেন্ট পড়তেও ভালো লাগে। <img src=" style="border:0;" />
অনেক কথা লিখে ফেললাম। <img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/28977665 http://www.somewhereinblog.net/blog/rash/28977665 2009-07-13 14:40:23