বনলতা সেন, যুদ্ধে যাবার শ্রেষ্ঠ সময় ইত্যাদি কবিতা পুরা পড়ছি প্রথম ব্লগে এসে।
আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের নাম প্রথম শুনি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে যখন উঠি। ওনার মৃত্যুর খবর পেপারে দেখে। তখন জানলাম উনি ঢাকা কলেজেরই একজন টিচার। তারপর খালার কাছ থেকে চিলেকোঠার সিপাই বইটা এনে দুই পাতা পড়ছিলাম। আর পড়তে ভালো লাগে নাই।
হুমায়ুন আহমেদ, মুহাম্মদ জাফর ইকবাল টাইপ লেখা ছাড়া আর তেমন কোন লেখা পড়ি নাই।
রবীন্দ্র বা নজরুল কোনদিন পড়ি নাই।
রবীন্দ্র সঙ্গীত নিজে থেকে শুনি নাই তেমন। বাসায় আম্মু শুনতো, তখন কানে আসতো।
রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ ইত্যাদি নিয়ে তেমন সচেতন ছিলাম না। ব্লগে এসে মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপারে অনেক কিছু জেনেছি। তবে জামাত আর রাজাকার সব সময়ই ঘৃণা করছি। এইখানে ব্লগের কোন অবদান নাই।
মুভি দেখার ব্যাপারে হিন্দী বা ইংলিশ ভেদাভেদ নাই। পাইলে সবই দেখি।
হিন্দী গান খুব প্রিয়। তবে মিউজিক ভিডিওগুলো মেইনলি।
সিং ইজ কিং ছবির গানে ক্যাটরিনার পা দেখে আমি মুগ্ধ।
ক্যাথেরিন জেটা জোন্সরে ভালো লাগতো। কিন্তু বুইড়ারে বিয়া করার পর থাইকা টাকাখোড় মনে হয় তারে।
ব্লগে এসে কবিতা পড়তে ও লেখতে বাধ্য হইছি!
অনেক গান শুনা হইছে যেইগুলো আগে শুনি নাই। সতীনাথ, শ্রীনাথ মার্কা গান ব্লগে এসেই শুনি, আগে কানে আসতো, নিজে থেকে শুনতাম না।
খেলাধূলা করতে সবস্ময়ে আইলসামি লাগে।
প্রিয় জিনিস ঘুমানো। ১০ -১২ ঘন্টা ঘুম না দিলে ভালো লাগে না।
রান্না করতে ভয়াভয় কষ্ট লাগে। রান্না তেমন করি না। মাঝে মাঝে দেখা যায় মুরগি গন্ধ হয়ে গেছে তাও সেইটা খাইতেছি।
খাবার পর প্লেট হাড়ি পাতিল ধুতে মেলা কষ্ট লাগে। মাঝে মাঝে রুমে দুই তিন দিন পড়ে থাকে এঁটো প্লেট।
চায়ের কাপ প্রায়ই অনেক ঘসে ঘসে ধুতে হয়। কারন রুমে ফেলে রাখি।
ফ্রিজ থেকে মুরগি বের করে মাঝে মাঝে পানিতে দুই তিন দিন ভিজাই রাখি। তারপর বিনে ফেলে দেই পঁচা গন্ধের কারনে।
জিমে যাবার প্ল্যান নিয়ে বসে আছি দুই বছর ধরে।
সাতার শিখার ইচ্ছেও আছে মেলাদিন ধরে। ঢাবির পুলে শিখতে গেছিলাম। একদিন নাকানি চুবানি খেয়ে গভীর পানিতে আর যাই নাই।
হাত পায়ের নখ কাটতে আইলসামি লাগে। হাতেরটা কাটলেও পায়েরটা কাটা হয় না।
রান্না করার সময়ে ধনে পাতা বা কাঁচা মরিচ দিতাম না প্রায় আড়াই বছর। কিছুদিন ধরে হলো দেয়া শুরু করছি।
ইদানিং ভাব বাড়ছে! কমেন্টের উত্তর দেই অনেক লেটে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

