নিস্তব্ধ রজনীর বুকে ঘুমিয়ে থাকা
প্রকৃতির সবুজ খুঁজেছিলাম আমি গতকাল,
কোথাও সবুজ পেলাম না, চারিদিকে শুধু কালো,
কী ভীষন কালো; রজনীর তবে এতো ক্ষমতা?
কোন সেই অচিন সুয়ার মাদকতায় সে প্রকৃতিকে
মাতাল করে দিয়ে তার সমস্ত সবুজ লুকিয়ে ফেলে অনন্ত আঁধারে,
নাকি হয়তো আমাদের চেতনা-ঊর্ধ কোন এক মায়ায়
অনন্ত যৌবনা প্রকৃতিই তার সমস্ত সবুজ -যৌবন বিলিয়ে দিয়ে
প্রতি রাতেই নিজেকে বিসর্জন দিয়ে দেয় অসীম আঁধারের বুকে,
সেই আঁধরের মাঝেই হয়তো কোথাও লুকিয়ে থাকে
প্রকৃতির কোন অবুঝ প্রেমিক; প্রেমের সাতটি নীল পদ্ম হাতে;
যেমন তোমার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকি আমিও;
প্রতি রাতেই তুমি তোমার রুপ লহমার স্থির টলহীন নদীটাকে
একটা অবিনাশী খরস্রোতা বানিয়ে দিয়ে
ভেসে ভেসে এসে হারিয়ে যাও আমার মাঝে;
আমার বড় ভয় হয়;
আমার কৃষ্ণ আঁচড়ে না জানি তোমার রুপের নদীতে
নিরাকার কুৎসিত পুরু চর জমে,
অথচ প্রতিটি শুভ্র সকালেই কেমনে জানি
তোমার রুপ লহমার সেই নদীতে
স্নিগ্ধতার মৌনতার দ্বিগুন পরিমাণ জল নিয়ে
তুমি টলহীন ঠাঁয় জেগে ওঠো; যেমন জেগে ওঠে প্রকৃতিও;
রজনীর আঁধারে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে অসীম অদৃশ্য প্রেমময়তার পর সেও প্রতি শুভ্র সকালেই জেগে উঠে পৃথিবীর বুকে,
প্রেমিকার খোলস ঝেড়ে ফেলে অনন্ত যৌবনা প্রকৃতি আবারও জেগে ওঠে
সদ্য প্রেমে সিক্ত তার অনন্ত নির্মল সবুজ পত্র-পল্লব নিয়ে--
ধরনীর চির শাশ্বত, অথৈ সবুজ আঁচলের বেশে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

