আমার প্রিয় পোস্ট
- রাসূল (সাঃ) এর সাথে বিয়ের সময় আয়শা (রাঃ) র বয়স ৬ বছর ছিল এটা এক বিরাট ঐতিহাসিক ভ্রান্তি। - গুপী গায়েন
- Top 10 কম্পিউটার বা ইন্টারনেটের ছোটখাটো সমস্যা এবং তার সমাধান - robot_eee
- আমার কিছু প্রিয় এ্যানিমেশন মুভি
- বাবুনি সুপ্তি
- সর্বকালে সর্বশ্রেষ্ঠ ১০০ মুভি। মৃত্যুর পূর্বে অব্যর্শই এই মুভিগুলো দেখা উচিত।#আধুনিক ক্লাসিক লিষ্ট# - টনি
- বান্দরবনে কুমির চাষ - আবু শরীফ মাহমুদ খান
- অনলাইনে জিডি (আইনি সেবা যেন হিতে বিপরীত না হয়) - আবু শরীফ মাহমুদ খান
- কাজলা দিদি। উৎসর্গ: সোমহেপি - নীল-দর্পণ
- পিডিএফ ফাইল তৈরির সফটওয়্যার ডুপিডিএফ (DoPDF) - বিপ্র
- Self-Realization Fellowship -লেক শ্রাইন বা লেক ধর্মস্থান .........যা ছিলো শান্তি, আর শান্তি। - চিটি (হামিদা রহমান)
- সৌদি মরুভূমিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় KAUST - মেহেদী_হাসান
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- গান ডাউনলোড করার কিছু সাইট - আলাউল হোসেন
- Internet Download Manager 5.17 ফুল ভার্সন
- দি ফ্লাইং ডাচম্যান
- আই.ডি.এম. ফুল ভার্সন(ক্র্যাক ও সিরিয়াল সহ)। ডাউনলোড করুন ফ্রি। ণিয়মিত আপডেটের কোন ঝামেলা নেই। - নিশ্চুপ নিরবতা
- মৃত্যুর পরে পুনর্মূল্যায়ন - এটা ঈশ্বরের রীতি না; মানুষেরই রীতি। - সুমন প্রবাহন স্মরণ প্রয়াস
- । দেখুন তো, চিনতে পারেন কিনা ? - রণদীপম বসু
- অস্থিরতায় পার করা দিন রাত্রী - আলী আরাফাত শান্ত
- মান্দার, সুমন প্রবাহন, আর সব নিখোঁজ মুখেরা - সুমন রহমান
- প্রিয় মুভির লিষ্ট - শূন্য আরণ্যক
- [ভাইরাসের কারনে] আপনার পিসি ফরম্যাটের আগে একবার এটা পরখ করে দেখে নিতে পারেন - নামহীনা
- পাঁচটি মনিপুরি কবিতা - মাইবম সাধন
- কিছু PC টিপস এন্ড ট্রিকস - নাফিস ইফতেখার
- কেউ নই শূন্য মাতাল - রেটিং
- পতন - রেটিং
- সদ্যপ্রয়াত সুমন প্রবাহনের কিছু কবিতা - মুয়ীয মাহফুজ
- একাকিত্ব থেকে আরও একা - রেটিং
- সুমন প্রবাহনের কবিতা (কাব্যগ্রন্হ : পতন ও প্রার্থনা) ও স্বার্থপর আমরা ! - রেটিং
- সুমন প্রবাহনের আরো দুটি কবিতা - মুয়ীয মাহফুজ
- অসমতল। - রাতিফ
- এই ঘরে এসেছেন নতুন অতিথী। ''আমাদের স্বপ্ন, ছোট্র একটি ঘর'র কবি রেটিং বহুত খুশী আজ
- আবুল বাহার
- জীবন মু্দ্রা। - রাতিফ
- প্রতিধ্বনি শুনি, আমি পদধ্বনি শুনি.....!!! - মানবী
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ও সরকারী ফর্মের ওয়েবে জন্ম নিবন্ধনের দুই ধরণের ফর্ম - কৌশিক
- উইনএক্সপি তে করাপটেড ফাইল যেভাবে ঠিক করবেন। - আহমদ কায়েস
ডোবংসান পর্বতে আরোহন এবং সবুজের মেলায় একদিন! (ফটোব্লগ)
১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬
প্রতিদিন সাইকেলে ঘোরা বা হাটতে হাটতে আমরা বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলাম। স্বাদ বদলের মতই চলে গেলাম পর্বত আরোহনের মেলায়! অভিজ্ঞতা বলতে শুধু ইন্টারনেটের কিছু ছবি আর তথ্য! তবে কোরিয়াতে পর্যটনের জন্য সবকিছুরই ভালমতন তথ্য পাওয়া যায়! তাই ইন্টারনেট বাবাজির হাত ধরে সকালে চললাম ডোবংসান পর্বতের দিকে! পুরা কোরিয়া পর্বতের মাঝে। আমাদের বাসা থেকে ডোবংসানে যেতে মাত্র ১ ঘন্টার মত লাগল! সাবওয়ে স্টেশন থেকে নামার পর পর্বতের গোড়ায় আসতেই ২০-২৫ মিনিট লেগে গেল। চোখে ঘুম এখনও কাটে নাই, তাই শরীর চলছিল না! কিন্তু ভেতরে ঢোকার পর ঘুম যে কোথায় পালালো আর মনে নেই! গ্রানাইট পাথড়ের পর্বত! তার মাঝে ঝর্ণা, বৌদ্ধ-মন্দির( কি করে এত উচুতে বানিয়েছে অবাক লাগে দেখলে) আর অপরূপ সুন্দর প্রাকুতিক সৌন্দর্য। হাটতে হাটতে ভুলেই গিয়েছিলাম কখন আমরা বিগিনার্স-দের জায়গা পার করে মডারেটদের এরিয়াতে চলে এসেছি! আমাদের গন্তব্যটা আসলে ছিল মডারেট পর্বাতোরহীদের জন্য! তবে আমরা ঐ ইনফরমেশনটা মিস করে ফেলেছিলাম! এবং তর জন্য কিছুক্ষনের জন্য হলে মৃত্যুর ভয়ে দুজনে আরও কাছকাছিতে চলে এসেছিলাম! লিখতে গিয়ে এখনও গায়ে কাটা দিয়ে উঠছে! সেই যাই হোক, এই কাটা দেয়া অভিজ্ঞতা আমাকে বলছে জিনিষটা খারাপ না, আবারও সময় পেলেই চলে যাব ব্যাগ-ব্যাগেজ নিয়ে, পাহাড়ের চূড়ায়, আকাশকে ছোয়ার জন্য!
পাথড়ের কি অপরূপ সৌন্দর্য্য!
পৃথিবীতে একমাত্র দেশ কোরিয়া যেখানে মাউন্টেন হাইকিং স্বাভাবিক কর্মকান্ডের মধ্যে পড়ে। একেবারে চূড়ায় উঠার পর ৮০~৯০ বছরের বৃদ্ধ যখন আমাদেরকে হাই বলল তখন লজ্জায় লেগে গিয়েছিল!
টলটলে ঝর্ণার পানি!
পথে পথে ..পথ হতে পথে!
ঝর্ণার পানিতে অন্যদের আনন্দ করতে দেখে অনেক লোভ লাগছিল! সাধারন মানুষ এই পর্যন্ত আসে!
কি আর করা, আমরাও নেমে পড়লাম ঝর্ণার পানিতে! আহ! কি ঠান্ডা মনোরম পানি!
প্যান্ট যাক জাহান্নামের চুলায়, আমি আজ আনন্দ করব!
ঝর্ণার পানির অন্য আংগিক!
বৌদ্ধ-মন্দিরের দরজায় অনেকে প্রনাম করছিল (যদিও তা একেবারেই নগন্য)! এই ছবিতে লোকটার হাতে তালোয়ার আছে!
এর হাতে আছে মন্দিরে, আর পেটে দৈত্য!
ফুল দেখলে ভালাই লাগে সবসময়!
পাহাড়ের চুড়া দেখা যায়!
পাহাড়ের চুড়া দেখা যায়!
ধোয়ার মাঝ দিয়ে নীচের বাড়িঘর দেখা যায়!
বোঝায় যাচ্ছে না কি ভয়ংকর এই জায়গাটা!
মাদাংবাই চূড়াই উঠলাম অবশেষে, আহ কি আনন্দ! এর পরে আরও একটা চূড়া আছে যেখানে এক্সপার্টরা শুধু যায়!
দূর বহুদুর.....।
ফেরত চলে যাচ্ছি!
এইরকম কোন একটা চূড়ায় উঠছি, বুঝতে পারছি না আর!
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৫০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: বেশ ভাল আছি। পাহাড়ে পাহাড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি। সময় পেলেই হাটতে যাচ্ছি, সাইকেল নিয়ে দুইজন চলে যাচ্ছি এক এলাকা থেকে অন্য এলাকাতে! এই আর কি!
কেমন আছেন আপনি ? ঘুরতে গিয়ে ব্লগিং একেবারে কমে গেছে!
লেখক বলেছেন: আমার এইরকম অনুভুতি আর কখনো হয় নি। আসলে বলে বোঝাতে পারব না! অনেক ভয়, অনেক আনন্দ, আসলে তীব্রতা অনেক বেশী!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চিটি আপা! ![]()
লেখক বলেছেন:
কেমন আছেন ?
লেখক বলেছেন: হাহাহা.....আরও অনেক ছবি ছিল...আপলোড করতে কষ্ট। একটু বিযি আছি আজাইরা কাম নিয়া। আবার কোনদিন ফ্রি হইলে আগের মত চইলা আসুম! আপনে কেমন আছেন ? আরিজ কেমন আছে ?
লেখক বলেছেন: ব্যাপক ধন্যবাদ সৌন্দর্য অবলোকনের জন্য ![]()
লেখক বলেছেন: পুরান সবাই আমার চেহারা মোবারক ভালই কইরা চিনে, তাই নয়া কইরা আর কি চিনাইমু কন
![]()
সুবিদ্ বলেছেন:
দারুণ........
লেখক বলেছেন: থ্যান্কু সুবিদ ভাই ![]()
হাসান মাহবুব বলেছেন:
onekdin pore dekhlam apnake. kemon achen? post e +++
লেখক বলেছেন: আসলে অকাজ নিয়ে অযথা ব্যস্ত হয়ে পড়েছি, তাই আর আসা হয় না তেমন! প্রজেক্টটা শেষ করতে পারলে আবার হয়ত কিছুটা ফ্রি হয়ে যাব, তখন আগের মতই আসব! আপনি কেমন আছেন? পোস্টগুলি মুছে ফেলেছেন কেন ?
লেখক বলেছেন: চলে আসুন, আমি আপনাকে গাইড করব ![]()
মানবী বলেছেন:
যদিও পাহাড়ে বসবাস তবু পর্বরআরোহন বলতে গাড়ী ড্রাইভ করে হাজার হাজার ফুট উঁচু পাহাড়ে চলে যাওয়া :-)হাইকিং সেভাবে আকর্ষন করেনা কখনও তবে এই পোস্টের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা আর চমৎকার ছবিগুলো দেখে খুব ভালো লাগলো।
এমন ভুল করা জরুরী, ভুল করাতেই দুজন আরো কাছাকাছি চলে এসেছেন :-)
আপনাদের দুজনের সাথে আমরাও ডোবাংসানের অপরূপ সৌন্দর্য দেখে এলাম, ধন্যবাদ ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: আপা, কোরিয়াতে একটা ট্ড়েডিশন আসে হাইকিং করার। ওরা অনেক কর্মঠ জাতি! ওরা মনে করে পাহাড়ে চড়লে ওদের রোগ-বালাই কমে যাবে! পাহাড় হাইকিং করাদের মাঝে ডায়াবেটিক্স রোগীরা মেজর, তাছাড়াও কোরিয়ানরা পৌরুষত্বের প্রতীক বলে মনে করে পাহাড়ে চড়াটাকে। আমরা যখন বাসে করে ফিরছিলাম, তখন পরিচয় হয় ২৫+ বছরের এক দারুন ফিগারের ছেলের সাথে, সাথে তার বাবা (৫৫+)। কিন্তু পরিচয় দেবার আগে আমি বুঝতে পারি নাই যে সাথের লোকটা ওর বাবা। পৃথিবীতে খুব কম দেশই আছে যারা পাহাড়, পর্বতে কোরিয়ার মত সুযোগ সুবিধা রাখে! এখানকার ট্রেইলগুলো এত চমৎকার যে কি বলব। একটু পর পর আপনি অত্যাধুনীক টয়লেট পাবেন ( যেগুলোতে কিছুক্ষন পর অটোফ্লাশ হয়ে যায় কেও টয়লেটে নাও থাকলে, সো টয়লেটেও গন্ধ পাবেন না একটুও), ঝর্নার পানিও পাবেন খাবার জন্য ( টেনে আনে পাইপ দিয়ে)। আর রেসকিউ টিম কাছেই থাকে, একটু সমস্যা হলেই চলে আসে তারা! এইজন্য সাধারন লোকরাও হাইকিং করতে পারে! এখানকার কোরিয়ানরা আমেরিকা, কানাডার পাহাড়গুলো বেশী পছন্দ করে না, কারন ঐখানে টয়লেট থাকেনা তেমন করে। আর কোরিয়ানদের টয়লেট লাগেও অনেক বেশী
। ওরা ঐদিকে গেলে অবাক হয়ে যায়! আসলে কোরিয়ানরা বলতে গেলে পাহাড়কে পুজাই করে (রূপক অর্থে)। আমি কিছু ওেয়ট লুজ করতে চাই, তাই আমিও ওদের সাথি হয়েছি। তবে সামনেই রমজান, ১ মাস আর যেতে পারব না!
আপনেরা কখনও কোরিয়াতে আসলে জোর করে পাহাড়ে নিয়ে যাব, আর তার পরের বেঘোরে ঘুমাবেন পায়ের, গায়ের ব্যথার জন্য! কেমন আছেন আপা?
সৌম্য বলেছেন:
খুব সুন্দর লাগলো।তবে পাহাড়, জঙ্গল ঝিরি গুলো কেমন যেন কৃত্রিম।
আমি গতকালকে ফিরলাম। বান্দারবানে এখনো ঝর্না বলতে ট্যুরিস্টরা শৈলপ্রপাত দেখে (এটাকে ঝিরি বললে ঝিরির অপমান)... কিন্তু ঘোর বর্ষায় মেঘের চাদর ভেদ করে বগা লেক-কেওকারাডং এর যে বুনো চেহারা দেখলাম অসাধারন।
লেখক বলেছেন: এদের পাহাড়গুলো কৃত্রিম না ভাইয়া! এরা খুব যত্ন নেয়। প্রতিদিন কয়েকবার ওরা দেখে সব ঠিক আছে কিনা। আর মাঝে মাঝে মাঝে পার্বতের যত্ন নেবার জন্য দর্শনার্থীদের আগমন নিষিদ্ধ করে দেয়! অথবা কোনগাছের ক্ষতি হলে ওরা ঐদিকে লোকের এন্ট্রি বন্ধ করে দেয়! এরা গাছকে ওদের জানের মত ভালবাসে! আর বাংলাদেশের সোন্দর্য একেবারেই অন্যরকম! আমি রাংগামটিতে গতবছর গিয়েছিলাম, মনটা ভরে গিয়েছিল, কিন্তু যত্নের অনেক অভাব। আশা করি পরের বার বান্দরবনে যাব ঘুরতে! মাটির পাহাড়ে ঝর্না ভাল হয় না, অনেক ইনভেস্টমেন্ট দরকার হয় ঐটা মেইনটেন্স করতে, বাট আমরা নিজেরাই খেতে পাই না, এবং ইচ্ছা আমাদের একটুও নাই। ভাল থাকবেন ভাইয়া!
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ![]()
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
বড় মওজে আছেন দেখি!ভালাই লাগলো ফটু দেইখা।
ভালো থাকেন সর্বদা
নিরন্তর শুভেচ্ছা!
লেখক বলেছেন: হ মওজে থাকি আমি সবসময়, একটাই তো জীবন। তো কেমন আছ শান্ত! তোামরে অনলাইনে দেখি না কেন ?
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
অনলাইনে কি করুম তুমরা নাইনেটে বসার চেয়ে নানা ধরনের বাংলা বই পড়া ম্যাগাজিন পড়া আর টিভি দেখতেই বেশি ভালো লাগে!
লেখক বলেছেন: আমি অনলাইনে থাকি। ইনভিগিবল মুডে। টেবিলে সবসময় থাকি না এইটাই যা, ভাল কইরা পড়াশুনা কইর ![]()
আসিফ আহমেদ বলেছেন:
সান মানেই হলো পর্বত। দোবোং পর্ব্ত বললেই ঠিক হবে।পাহাড়েও সাইকেল নিয়া যাইতি
দারুণ হইছে ছবিগুলান।
লেখক বলেছেন: হালা এতদিন কোরিয়াতে থাকলি, লেভেল টু-তে জীবনেও উঠতে পারস নাই (ল্যাংগুয়েজ কোর্স), আর তুই আমারে কোরিয়ান শেখাস ? তুই জানস আমি লেভেল ১ এই পর্যন্ত ৪ বার করছি, এইখানেও একবার, সো তোর কি আমারে ভাষা শেখানো কি ঠিক হইল ? (রাগের ইমো)
লেখক বলেছেন: (রাগের ইমো) আজকেও অনেকে ডিগ্রি পাইব, গ্রেজুয়েশন ডে। মেরা নাম্বার কব আয়েগা! ![]()
অপরাজিতা ০০৭ বলেছেন:
সোহাগ ভাই এবং আসিফ ভাই একেবারে অনিয়মিত হয়ে গেছেন ব্লগে। সোহাগ ভাইয়ের ব্লগে আসিফ ভাই এর কমেন্ট দেখে খুশী হলাম।পোস্টের জন্য সোহাগ ভাইকে +
লেখক বলেছেন: ব্যস্ততা আমাদএর দেয় না অবসর। অবসর থেকে আবার ফেরত আসতে পারি যেকোনসময়!
যীশূ বলেছেন:
দারুন জায়গা!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইজান। কেমন আছেন ?
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
মুখোশখাতায় দেখেছি আগে। অনেক সুন্দর ছবিগুলো।শুধু ঘোরাঘুরি করলে হবে? ব্লগিং করবে কে?
লেখক বলেছেন: দারুন নাম দিছতো , মুখোশখাতা! ঘুরাঘুরিই তো জীবন। আছ কেমন ?
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
আহারে ! কি সৌন্দর্য সৌন্দর্য সব ছবি । ঘুরতে মন চায় !
রেটিং ভাইডির খবর কি ?
এইবার একটু নিয়মিত হওয়া যায় ?
লেখক বলেছেন: আরাশী বদ্দা চইলা আসেন, ছুটির দিনগুলাতে আমি আপনারে ঘুরামু। অনে সুন্দর সুন্দর জায়গা আছে। আসলে মাঝে মাঝে পড়ি, কিন্তু লগইন করি না। একটু ঝামেলায় আচি। মুক্ত হলে আবার ফিরে আসব!
লেখক বলেছেন: থ্যন্কু ভায়জান! ঝর্ণা আমারও অনেক ভাল লেগেছিল। আমরা ঝর্ণার পানিতে বসে পিকনিক করেছিলাম ![]()
দূর্ভাষী বলেছেন:
সোহাগ ভাই, ানেকদিন পরে আপনাকে পেয়ে ভালেঅ লাগল, কেমন আছেন, ভাবী কেমন আছে।
লেখক বলেছেন: কয়দিন একটু দম নিচ্ছি, পরে আবার চলে আসব! তোমার শরীর ভাল জেনে বেশ ভাল লাগল। আমি কিছুক্ষন আগে অপরাজিতার পোস্ট দেখলাম। আগে জানতাম না! ভাল থেকো। আগে শরীর, তারপর কাজ!
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
কেমন আছো ভাইয়া?
লেখক বলেছেন: জানি না কেমন আছে...।বোধহয় বেচে আছি.....মন ভালা নাই
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
কি খবর সোহাগ?
অনেক বেড়াচ্ছো?
গরম ভাত আর ঝাল তরকারী কেমন চলছে?
আমরাও কদিন ঘোরাঘুরিতে আছি.......বসে যে লিখবো...সময়ই হচ্ছে না।
খুব সুন্দর ছবিগুলো.........বিশেষ করে মাদাংবাই চূড়া থেকে নীচের দৃশ্যগুলো।
অনেক ভালো থেকো।
শুভকামনা তোমাদের জন্য।
লেখক বলেছেন: জ্বী আপা ভাল আছি। আপনি কেমন আছেন ? খুব একটা ঘুরছি না....সময় পেলে একটু ঘুরে স্ট্রেস রিলিফ করছি। এটা ছাড়া তো আর বাইরে স্ট্রেস রিলিফের কোন উপাই নাই। একদিন হাইকিং এ যাবার পর থেকে নেশা হয়ে গেছে..।রমজান শেষ হলে আবার যাওয়া শুরু করব.....।আপা, ঘুরাঘুরির ছবিগুলো দিয়েন....একটু দোয়া কইরেন আমার জন্য......।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
কেমন আছো ভাইয়া?
লেখক বলেছেন: আছি ভাইয়া মোটামুটি। রমজান যাচ্ছে। নিজেকে আরও অসহায় লাগে! তোমার খবর কি ? কেমন আছ ?
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
কেমন আছেন।দারুণ পোস্ট আর অসাধারণ ছবিগুলো দেখে মুগ্ধ হলাম!বগা লেকের কথা মনে পড়লো।আবার যেতে হবে পাহাড়ে।
লেখক বলেছেন: এইতো ভালই আছি! আমার পাহাড়ের প্রতি একটা কেমন যেন সম্পর্ক তৈরী হয়ে গেছে। খুব টানে। রোযা শেষ হলে আবার যাব! সবুজে সবুজে পহাড়ে পাথড়ে ভয়ে আনন্দে মন ভরে যায়।
লেখক বলেছেন: ঠ্যাং ভাংগে নাই
তবে পায়ে অনেক ব্যথা থাকে। তবে কেও যদি বেশী রেস্ট করে তাহলে ব্যথাটা পার্মানেন্ট হয়ে যায়( ৩-৪ দিনের জন্য)। কিন্তু আপনি যদি রেস্টে ধারে কাছেও না ঘেষেন তাহলে পরের দিন অলমোস্ত ফিট হয়ে যাবেন ![]()
লেখক বলেছেন: আছি মোটামুটি। আপনি কেমন আছেন ? প্রকৃতি আমার ভাল লাগে!
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
দারুন ভাল লাগল। মনে হচ্ছিল আমিও পাহাড়ে পাহাড়ে ঘুরছি। প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লোমান ভাই। পাহাড় আসলেই অনেক চমৎকার। আর কোরিয়াতে পাহাড়ী ট্রেইলগুলো বানানো হু খুবই চমৎকারভাবে। মনটা ভরে যায় ঐখানে গেলে!
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
বেচে আছি!
লেখক বলেছেন: বেচে আছি Click This Link
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

























কেমন আছেন? অনেকদিন পর দেখালাম।