আমার প্রিয় পোস্ট

বেঁচে থাকাই জীবন নয়, সত্যকে জানাতেই আছে জীবন!

আমরা অরাজনৈতিক বিশ্ববিদ্যালয়-ই থাকবো, যেমন আগেও ছিলাম ! অরাজনৈতিকতাই আমাদের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্ব!

১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫৫

শেয়ারঃ
0 1 0

শুধুমাত্র এক/তিন জনের কাছ থেকে শুনলে হয়ত ভাবতাম এটা সামান্য একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা, কিন্তু যখন সবাই একইভাবে একই ঘটনার বর্ণনা করে যায় তখন এটুকু বুঝতে খুব একটা কষ্ট হয় না যে পরিস্থিতির কথা যতটুকি বলা হয়েছে/হচ্ছে তার থেকেও অনেক খারাপ! যতদিন খুলনা ইউনি'র ছাত্র ছিলাম শুধু ততদিন-ই না, এতদিন পর্যন্ত একটা জিনিষ নিয়ে খুব গর্ব করতাম আমাদের ছাত্ররা রাজনীতিমূখী না! এরা আওয়ামী, বিনপি, শিবিরের কোলে দিন পার করে না!
কিন্তু আমি তখনও পারি নাই, আজও পারছিনা আমাদের সন্মানিত টিচারদের (সবাই নন) রাজনৈতিক কলুষতাকে লুকাতে ! এভাবে চলতে চলতে আমরা আমাদের পরের প্রজন্মকে (বর্তমানের ছাত্র-ছাত্রী ও ভবিষ্যতের যারা আসবে) ভয়ংকর বিপদের মধ্যে ফেলে দিয়েছি আমরাই! এটা অবশ্য জ্ঞাতব্য যে, শিক্ষকতা একটা মহান পেশা! সত্যি কথা বলতে কি, সব পেশাই মহান, যতক্ষন পর্যন্ত তা সৎ থাকে! আমি মনে করি খুলনা ইউনির ঐসব শিক্ষকরা শিক্ষার আলো থেকে অনেক আগেই দূরে সরে গেছেন, এবং ছাত্রদের তাদের আবশ্যিক জীবনে উপরে উঠার শর্টকার্ট পথ ভেবে বসে আছেন! শর্টকার্ট পথ যেমন নিন্দনীয় আজকের খুলনার ইউনিতে যে সমস্যা তাতে রিপ্রেজেন্টিভ শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট প্রশাষনের ভুমিকাও তেমন নিন্দনীয়!
একটা জিনিষ ভেবে আমার গর্বই লাগছে, এত কষ্ট, এত অত্যাচার--তারপরেও বর্তমান ছা্ত্র সমাজ ভেংগে পড়েনি! তোমাদেরকে স্যালুট জানাই তোমাদের সততার জন্য, তোমাদের প্রতিবাদী মানষিকতার জন্য! (আমি ৯৮ এর ব্যাচ, বিজিই) তোমাদের জন্য মনে সাহস পাই যে তোমরা খুলনার ভার্সিটির সত্য-সুন্দর মুখটাকে তুলে ধরার জন্য তোমাদের প্রতিবাদ জানিয়ে যাচ্ছ! একটা কথা মনে রেখ, গ্রেডিং কমিয়ে, তোমাদের মাঝে ভাংগন ধরিয়ে প্রশাষন কিচ্ছু করতে পারবে না, যতক্ষন পর্যন্ত তোমরা তোমাদের লক্ষ্যে অটল থাকবে! দু, একটা বন্ধু যদিও পিছুটানও দেয় ওর প্রতি করুনা করে ওর কথা ভুলে যেও! তোমাদের লক্ষ্য অনেক বড়! তোমাদের ভুল প্রমান করার জন্য সবাই চেষ্টা করলেও তোমারা সবাইকে দেখিয়ে দাও তোমরা নয়, ঐসব বুজরক শিক্ষক ও প্রশাষনই ভুল! একবার পিছুটান দিলে কিন্তু আর কখনো চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারবে না!
তাই বলি, হাল ছেড়োনা বন্ধু, কন্ঠ ছাড় জোড়ে!
সত্য কথা বলতে কি নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে দূরে বসে তোমাদের কষ্ট দেখতে! তবে যত দুরেই থাকি না কেন, দূর থেকে হলেও তোমাদের জন্য প্রার্থনাটুকু করতে পারব যেন তোমরা সত্যের আলো সবার চোখে জ্বালিয়ে দিতে পার!


যদি তোর ডাক শুনে কেও না আসে, তবে একলা চলরে----------!!

--------------------------------------

**মহাবেকুব নামে খুলনা ইউনির ছাত্র-ছাত্রীদের মুখপাত্র হিসেবে একটা আইডি খোলা হয়েছে, যেখানে নিয়মিত আপডেট পাওয়া যাবে সব খবরের। Click This Link



নীচের লেখাটি আমাদের খুলনা ইউনিভার্সিটি গ্রুপ থেকে নেওয়া!
-------------------------------------------
*৫ মার্চ, সোমবার রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের জরুরি সভার একটি**
সিদ্ধান্ত ; অতঃপর খু.বি**’**র ছাত্র-ছাত্রীরা***

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী কে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত প্রথম আলোর এক ফটো সাংবাদিক ৫ই মার্চ সোমবার খুবি প্রথম আলো বন্ধুসভার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা ছাত্র বিষয়ক পরিচালকের কাছে তার শাস্তির দাবি জানায়। এর পর সন্ধ্যা থেকে শুরু করে রাত ১১টা পর্যন্ত শিক্ষকেরা কোনো সিদ্ধান্ত না দিয়ে ফটো সাংবাদিক নেওয়াজকে ডি এসএর শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসিয়ে রাখে। তারপর ছাত্র-ছাত্রীরা এক পর্যায়ে বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠলে দাঙ্গা পুলিশ এনে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ধাওয়া করা হয়, নিক্ষেপ করা হয় রাবার বুলেট এবং টিয়ার শেল। অতঃপর সিন্ডিকেটের এক জরুরী সভায় অনির্দিষ্ট কালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষনা করা হয়।

*ঘটনার যেভাবে শুরু***

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হলের পিছনে ভিসিডি, ফ্লেস্কিলোড, খাবার সহ অনেক গুলো দোকান রয়েছে। এই দোকানগুলো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। এই দোকান গুলোর মধ্যে একটি দোকানে কাজ করে খানজাহান আলী হলের ডাইনিং এর কর্মচারী কবির। ফ্লেক্সিলোড তথা ভিসিডির ওই দোকানের মালিক যুবলীগকর্মী তথা প্রথম আলো ফটো সাংবাদিক নেওয়াজ মাঝে মধ্যে হিসাব নেওয়ার জন্য দোকানে আসে। এভাবেই চলছিল এতদিন। কিন্তু গত ২৫শে মার্চ একটু ব্যতিক্রম ছিল।

২৫ শে মার্চ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের ৫ম বর্ষের ছাত্র
নাহিয়ান ওই দোকানে কিছু টাকা ফ্লেক্সি করতে দেয়। কিন্তু নম্বর বুঝতে সমস্যা হওয়ায় কবির নাহিয়ানের মোবাইলে টাকা না পাঠিয়ে অন্য নম্বরে টাকা পাঠিয়ে দেয়। যথাসময়ে টাকা না পেয়ে নাহিয়ান কবিরকে ফোন দেয় কিন্তু ফোন রিসিভ করে দোকান মালিক নেওয়াজ। নাহিয়ান অনুরোধ করে যে যদি সম্ভব হয় তাহলে যে নম্বরে টাকা গিয়েছে তাকে
যেন নেয়াজ বলে টাকাটা পাঠিয়ে দিতে। কিন্তু নেয়াজ এ কথা রাজী হয় না এবং নাহিয়ানের সংগে তপ্ত বাক্য বিনিময় করে। এর পর নাহিয়ান দোকানে গেলে নেওয়াজ ও নাহিয়ান বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে নেয়াজ মুসলমানের বাচ্চা বলে নাহিয়ান কে গালি দেয় এবং নাহিয়ানকে দেখে নেবে বলে হুংকার দেয়। ইতিমধ্য সেখানে আসে গনিত
ডিসিপ্লিনের সোহেল এবং ফিসারিজ ডিসিপ্লিনের রায়হান। তারা বিষয়টায় মধস্থতা করার চেষ্টা করে। কিন্তু নেয়াজ এতে আরো ক্ষিপ্ত হয় এবং যুবলীগের বন্ধুদের ফোন দিতে থাকে। এই সময় রাত প্রায় ১২টা। পাশেই বধ্যভুমিতে স্বাধীনতা দিবসের শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা যুবলীগের কর্মীরা তিনটি মোটর সাইকেল নিয়ে ঘটনা স্থলে আসে এবং
একজন যুবলীগ কর্মী নাহিয়ানকে মারতে উদ্যত হয়। ততক্ষনে নাহিয়ান চা খেতে বসে। কিন্তু এ পর্যায়ে নেওয়াজ তার বন্ধুর মত বেশী উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং নাহিয়ান কে দেখিয়ে বলে “ এই সেই ছেলে” । তখন ওই বন্ধু প্রথমে নাহিয়ানকে ঘুসি মারে। সাথে সাথে মোটর সাইকেল আরোহী অন্যান্য বন্ধুদের নিয়ে নেয়াজ নাহিয়ান ও তার তিন বন্ধুর উপর ঝাপিয়ে পড়ে। কিন্তু নাহিয়ানের বন্ধুরা তথা অন্য দোকানের লোকজন তাদের থামিয়ে দেয়। সবাই যখন ঘটনা মেটাতে ব্যস্ত তখন নেয়াজ তার বন্ধুদের নিয়ে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। আমি আগেই উল্লেখ করেছি ওই দিন ছিল ২৫ শে মার্চ রাত সে জন্য ছাত্র-ছাত্রীরা সবাই ফুল দিতে গিয়েছিল। এর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য, ডি এস এ, ডিন, প্রভোস্ট সহ প্রায় ২০ জন শিক্ষক ঘটনা স্থলে আসে। তারা ছাত্র-ছাত্রীদের আশ্বাস দেয় যে নেয়াজের উপযুক্ত বিচার করা হবে। সে যেখানেই থাক
তাকে এরেস্ট করা করা হবে। এক পর্যায়ে শিক্ষক-ছাত্ররা খুব আবেগী হয়ে পড়ে। ডি এস এ সহ অপেক্ষাকৃত তরুন শিক্ষকেরা যারপরনাই ছাত্রদের উপর খুব রাগ করে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে কিভাবে বাইরের একজন লোক ছাত্রদের মেরে যায় এই বিষয়টা নিয়ে খুব মন খারাপ করতে থাকে। শিক্ষকেরা ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলে কেন তোমরা নেয়াজকে মেরে তার ঠ্যাং ভেঙে দিলে না। যাই হোক এভাবে ১ ঘন্টা অতিবাহিত হয় এবং ছাত্ররা নেয়াজের দোকান ভাঙতে উদ্দত হলে শিক্ষকেরা সেটা থামিয়ে দেয়। কিন্তু ঘটনা স্থল থেকে পুলিশ ও শিক্ষকেরা চলে গেলে ছাত্ররা নেয়াজের দোকান ভাংচুর করে এবং জিনিস পত্র বের করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

*৫ এপ্রিল, ২০১০, শিক্ষকদের উল্টো চেহারা এবং অতঃপর অসহায় ছাত্র-ছাত্রীরা ***

গত ৫ই এপ্রিল ছিল বিশ্ব এইডস দিবস। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধু সভা এই
উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। উক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশিষ্ঠ অভিনেতা তথা বিজ্ঞাপন নির্মাতা আফজাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। যাই হোক, উক্ত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে আসে প্রথম আলো ফটো সাংবাদিক তথা যুবলীগ কর্মী নেয়াজ। খোঁজ নিতে গেলে বন্ধুসভার সাহিত্য সম্পাদক নিরুপম দেবনাথ বলেন তারা সবাই নেয়াজ কে নিমন্ত্রনের বিপক্ষে ছিলেন, কিন্তু
বন্ধুসভার উপদেষ্টা তথা প্রথম আলোর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনীধী উম্মে উমামা পুতুল কারো কথার তোয়াক্কা না করে নেয়াজ কে দাওয়াত পত্র দেন। সবকিছু জেনে এবং তাকে আনা হলে একটা অঘটন ঘটবে এটা বুঝেও কেন নেয়াজকে দাওয়াত দেয়া হল জানতে চাইলে পুতুল
বলেন ‘ প্রথম আলো অফিস থেকে তাকে পাঠালে আমি কি করব”। কিন্তু নেয়াজ কোথায় জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন “ আমার আসলে ভুল হয়ে গেছে, কয়েকজন বন্ধুকে আমি বলছি যে নেয়াজ এসছে কিন্তু তারা প্রচন্ড ক্ষেপে গেছে তাই ওকে ডিএসের ল্যাবে বসায় রাখছি’’ । তখন প্রায় সন্ধা সাতটা বাজে পুতুলের মাধ্যমে খবর পাওয়া বন্ধুরা দলবেধে এসে
২য় একাডেমিক বিল্ডিং এ প্রবেশ করতে গেলে ডি এস এ ড. মনিরুল ইসলাম বাধা দেয়। তখন ছাত্ররা নেয়াজের শাস্তি দাবি করে পুলিশের হাতে তুলে দিতে বলে কিন্তু মনিরুল ইসলাম ছাত্রদের বকা ঝকা করেন এবং সবাই কে চলে যেতে বলেন। ছাত্ররা সেখান থেকে সরে এসে বিল্ডিংএর সামনে দাড়িয়ে সকলকে ফোন দিতে থাকে। এক পর্যায়ে প্রায় একশ জন ছাত্র সেখানে উপস্থিত হলে মনিরুল ইসলাম স্যার সহ আরো অনেক স্যার সবাইকে চলে যেতে বলেন এবং তারা নেয়াজের বিচার করবেন বলে জানান। কিন্তু এর পর ছাত্ররা শুধু নেয়াজকে দশবার কান ধরে উঠবস করতে বলে এবং তারপর পুলিশের হাতে তুলে দিতে বলে।
শিক্ষকেরা এতে রাজি না হলে ছাত্ররা ভিতরে ঢুকতে চেষ্টা করে। কিন্তু শিক্ষকরা কোনোমতেই ছাত্রদের ভিতরে ঢুকতে দেয় না। এক পর্যায়ে প্রায় ৪০০-৫০০ ছাত্র উপস্থিত হলে শিক্ষক ও ছাত্রদের আরেক দফা আলোচনা হয় কিন্তু কোনো ফল আসে না। প্রায় ১১.৩০ টা পর্যন্ত ছাত্ররা সেখানে দাড়িয়ে থাকে এবং এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে। এসময় তারা নিচ তলার কিছু জানালার কাঁচ ভাংচুর করে। এ সময় শিক্ষকরে আসছি বলে চলে যায়
এবং দাঙ্গা পুলিশ সংগে নিয়ে আসে এবং ছাত্রদেরকে ছত্র ভঙ্গ করতে নির্দেশ দেয়। এ সময় ডি এস এ পুলিশদের বলেন প্রয়োজনে গুলি করো। এর পর দাঙ্গা পুলিশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট এবং কাঁদানে গ্যাস ছাড়ে।

এর পর নিরস্ত্র ছাত্ররা দৌড়ে খাজা হলের দিকে যেতে থাকে এবং হলের নেম প্লেট সহ হল প্রভোস্টের রুম ভাংচুর করে। এর পর হল গেট বন্ধ করে দেয়া হয়। পুলিশ গেট থেকে ছাত্রদের উপর টিয়ার শেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সময় বেশ কয়েকজন ছাত্র টিয়ার শেলে গুরুতর আহত হয় । প্রচুর রক্ত ক্ষরনে হলের বারান্দা ভেসে যায়। এ পর্যায়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে আহত ছাত্রদের হাসপাতালে নেয়া হয়। রাত বাড়তে থাকে আর টিয়ার শেলের শব্দ বাড়তে থাকে। রুম বন্ধ করেও শেষ রক্ষা হয়নি ছাত্রদের। ২টার দিকে পরিস্থিতি একটু ঠান্ডা হলেও তিনটায় আবার পুলিশ হল গেটে জড়ো হয়। এরপর হল বন্ধের ঘোষনা আসে। বলা হয় সকাল ৬টার মধ্যে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যেতে হবে।

সকাল হওয়ার আগে সবাই ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। শুন্য হয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গন। যে বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা হয় ছাত্র রাজনীতি মুক্ত, যে বিশ্ববিদ্যালয়ে কখনো কোনো মারামারি হয়নি সেখানে শুধু রাজনীতির স্বার্থে সব ছাত্রদের মার খেতে হল। নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেখতে গেলে বলতে হয়, একজন লোক সে যেই হোক সে ভার্সিটির এক ছেলেকে মেরেছে, তাকে যদি পুলিশে দেয়া হত, তাহলে কোন মহাভারত অশুদ্ধ হতো? তা
এই রিপোর্টারেরও জানা নেই।

বিঃদ্র- তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে ঘটনা স্থল থেকে সরাসরি ছাত্র-ছাত্রী এবং
স্যারেদের সাথে কথা বলে । রিপোর্টারের মাথা বাচানোর স্বার্থে আরো অনেক খবর সেন্সর করা হল। পাঠক হতাশ হলে মাপ করবেন।

অন্য আরেকটি লেখা:
৫০টাকার নাহিয়ান, একজন ডঃ মুনির এবং শাহনেওয়াজের ইজ্জত…
http://www.nagorikblog.com/node/886

 

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০২
আসিফ আহমেদ বলেছেন: আমি বিশ্বাস করি আমাদের বর্তমান ছাত্র ছাত্রীরা আমাদের বরাবরের এই ঐতিহ্য ঠিকই ধরে রাখবে, তাদের উপর যতই অপশক্তি ভর করার চেষ্টা করুক না। বেশিরভাগ শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীও এই অরাজনৈতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফল বোঝেন। আমার বিশ্বাস তাদেরকেও পাশে পাওয়া যাবে।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১১

লেখক বলেছেন: একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে এর চেয়ে বড় আর কি পাওয়ার থাকতে পারে! এই ইউনিভার্সিটি সকল ভার্সিটির জন্য একটি আদর্শ মডেল হতে পারত, কিন্তু অপশক্তিরা চেপে ধরেছে রাজনীতিকে ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে নিয়ে আসার জন্য! এর আগেও এই চেষ্টা করা হয়েছে, পরেও হবে! কিন্তু আমাদের ছাত্ররা কোনদিনই এই প্রচেষ্টা সফল হতে দেবে না! অরাজনৈতিক ছিলাম বলেই কোনদিনও বুলেটের আঘাতে ক্লাসমেটের লাশ নিয়ে কবরস্থানে যেতে হয়নি, ছাত্র-ছাত্রে আওয়ামী-বিনপি-শিবির নাম নিয়ে মারামারিতে ক্ষতবিক্ষত হয় নি আমাদের ক্যাম্পাস! আমাদের ছাত্ররা ঠিকই পারবে এর অমলিনভাবকে ধরে রাখতে!

২. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:০৮
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: কি অবস্থা ভাইজান?
কেমন আছেন?
পোস্ট দেইখা লগ ইন করলাম।নয়তো সামুতে এখন কম আসার চেস্টায় থাকি:(
শুভ নববর্ষ!
ভুইলা যায়েন না আমারে!
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন: ভাল লাগে না ইদানিং, তবে যখন দেখি নরপশুরা আমাদের ইউনিকে ধ্বংস করার পায়তারা করছে তখন আর চুপ থাকতে পারি না! আর তোমাকে ভুলব কিভাবে! এত সহজে আমাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবে না! শুধু মোরাল সাপোর্ট দিয়ে যেত খুলনা ইউনি'র এই সময়ে! আমিও কিছু করতে পারব না, তবুও মোরাল সাপোর্ট দিয়ে আমরা এর একটা বিহিত করতে পারব! একটা ভাল কমেন্ট কিন্তু অনেক বড় একটা ব্যাপার! যারা এর পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে তারা বুঝবে আমরা ওদের সাথেই আছি!

শুভ নববর্ষ!

১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে!

৪. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৫৯
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: এরই নাম বাংলাদেশ!
এই ভাবেই চলবে সব কিছু
এই ভাবেই সব কিছু চলে যাবে নস্টদের কাছে

তুমি আমি চেষ্টা করবো কিন্তু কিছুই হবে না:(
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:১০

লেখক বলেছেন: উহু এটা ঠিক বললে না! সব কিছু চলে যাবে নস্টদের কাছে যাবে মার্কা কথা হল হতাশ কবি-সাহিত্যিকদের কথা! হতাশাবাদী কথা তোমাকে , তোমার দেশকে আরও হতাশার দিকে নিয়ে যাবে! সবসময় চেষ্টা করতে হবে, তোমাকে -আমাকে! যদি তোমার আর ডাকে যদি ২-১ জনও এগিয়ে আসে, দেখা যাবে আস্তে আস্তে আমাদের ছাত্র সমাজের চিন্তা চেতনা বদলে গিয়ে দেশপোযুগী হয়ে যাচ্ছে! নয়ত আমরা কোনদিন মাথা তুলে দাড়াতে পারব না! ভয়কি বল, বিপক্ষ অপশক্তি খুব বেশী হলে তোমাকে মেরে ফেলতে পারবে, এর থেকে বেশী কিছু পারবে না নিশ্চয়!

৫. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০১
আউলা বলেছেন: খারাপ লাগে এসব দেখলে ... নিজেদের অসহায় মনে হয়। ধন্যবাদ ভাইয়া পুরো ঘটনাটা পুরোপুরি বলার জন্য।

আমাদের টিচাররা যা ই করুক আমরা খুলনা ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্টদের ইউনিটি ই আমাদের শক্তি।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:২৬

লেখক বলেছেন: সব টিচার এইরকম না, অনেকে ভাল আছেন, কিন্তু তথাকথিত সুবিধাবাদী, মানবতাবাদী। সমাজসেবী কিছু শিক্ষক আছেন যারা দেশের নামে, ভার্সিটির নামে কাজ করে আসলে নিজেদের আখের গুছান। ঐসব ভেল্কিবাজী টিচারদের সত্যিকারের চিটার বলতে ইচ্ছা হয়! তবে ওড়া জানে না, আমাদের ছাত্রদের পাওয়ারটা কি!

১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৪০

লেখক বলেছেন: তোমার শরীর কেমন ? আমি ভাল আছি! তবে চিন্তায় আছি আমার খুলনা ইউনিটাকে নিয়ে!

৭. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০১
চানাচুর বলেছেন: কী অবস্থা ভাইয়া?:(
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৫

লেখক বলেছেন: এইতো! তোমার খবর কি ? কোথায় আছ এখন ? বিস্তারিত জানাইও!

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫৯৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
দূরে ......বহুদূরে....অথচ.............!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ