somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আমরা অরাজনৈতিক বিশ্ববিদ্যালয়-ই থাকবো, যেমন আগেও ছিলাম ! অরাজনৈতিকতাই আমাদের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্ব! কিন্তু আমি তখনও পারি নাই, আজও পারছিনা আমাদের সন্মানিত টিচারদের (সবাই নন) রাজনৈতিক কলুষতাকে লুকাতে ! এভাবে চলতে চলতে আমরা আমাদের পরের প্রজন্মকে (বর্তমানের ছাত্র-ছাত্রী ও ভবিষ্যতের যারা আসবে) ভয়ংকর বিপদের মধ্যে ফেলে দিয়েছি আমরাই! এটা অবশ্য জ্ঞাতব্য যে, শিক্ষকতা একটা মহান পেশা! সত্যি কথা বলতে কি, সব পেশাই মহান, যতক্ষন পর্যন্ত তা সৎ থাকে! আমি মনে করি খুলনা ইউনির ঐসব শিক্ষকরা শিক্ষার আলো থেকে অনেক আগেই দূরে সরে গেছেন, এবং ছাত্রদের তাদের আবশ্যিক জীবনে উপরে উঠার শর্টকার্ট পথ ভেবে বসে আছেন! শর্টকার্ট পথ যেমন নিন্দনীয় আজকের খুলনার ইউনিতে যে সমস্যা তাতে রিপ্রেজেন্টিভ শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট প্রশাষনের ভুমিকাও তেমন নিন্দনীয়!
একটা জিনিষ ভেবে আমার গর্বই লাগছে, এত কষ্ট, এত অত্যাচার--তারপরেও বর্তমান ছা্ত্র সমাজ ভেংগে পড়েনি! তোমাদেরকে স্যালুট জানাই তোমাদের সততার জন্য, তোমাদের প্রতিবাদী মানষিকতার জন্য! (আমি ৯৮ এর ব্যাচ, বিজিই) তোমাদের জন্য মনে সাহস পাই যে তোমরা খুলনার ভার্সিটির সত্য-সুন্দর মুখটাকে তুলে ধরার জন্য তোমাদের প্রতিবাদ জানিয়ে যাচ্ছ! একটা কথা মনে রেখ, গ্রেডিং কমিয়ে, তোমাদের মাঝে ভাংগন ধরিয়ে প্রশাষন কিচ্ছু করতে পারবে না, যতক্ষন পর্যন্ত তোমরা তোমাদের লক্ষ্যে অটল থাকবে! দু, একটা বন্ধু যদিও পিছুটানও দেয় ওর প্রতি করুনা করে ওর কথা ভুলে যেও! তোমাদের লক্ষ্য অনেক বড়! তোমাদের ভুল প্রমান করার জন্য সবাই চেষ্টা করলেও তোমারা সবাইকে দেখিয়ে দাও তোমরা নয়, ঐসব বুজরক শিক্ষক ও প্রশাষনই ভুল! একবার পিছুটান দিলে কিন্তু আর কখনো চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারবে না!
তাই বলি, হাল ছেড়োনা বন্ধু, কন্ঠ ছাড় জোড়ে!
সত্য কথা বলতে কি নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে দূরে বসে তোমাদের কষ্ট দেখতে! তবে যত দুরেই থাকি না কেন, দূর থেকে হলেও তোমাদের জন্য প্রার্থনাটুকু করতে পারব যেন তোমরা সত্যের আলো সবার চোখে জ্বালিয়ে দিতে পার!


যদি তোর ডাক শুনে কেও না আসে, তবে একলা চলরে----------!!

--------------------------------------

**মহাবেকুব নামে খুলনা ইউনির ছাত্র-ছাত্রীদের মুখপাত্র হিসেবে একটা আইডি খোলা হয়েছে, যেখানে নিয়মিত আপডেট পাওয়া যাবে সব খবরের। Click This Link



নীচের লেখাটি আমাদের খুলনা ইউনিভার্সিটি গ্রুপ থেকে নেওয়া!
-------------------------------------------
*৫ মার্চ, সোমবার রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের জরুরি সভার একটি**
সিদ্ধান্ত ; অতঃপর খু.বি**’**র ছাত্র-ছাত্রীরা***

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী কে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত প্রথম আলোর এক ফটো সাংবাদিক ৫ই মার্চ সোমবার খুবি প্রথম আলো বন্ধুসভার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা ছাত্র বিষয়ক পরিচালকের কাছে তার শাস্তির দাবি জানায়। এর পর সন্ধ্যা থেকে শুরু করে রাত ১১টা পর্যন্ত শিক্ষকেরা কোনো সিদ্ধান্ত না দিয়ে ফটো সাংবাদিক নেওয়াজকে ডি এসএর শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসিয়ে রাখে। তারপর ছাত্র-ছাত্রীরা এক পর্যায়ে বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠলে দাঙ্গা পুলিশ এনে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ধাওয়া করা হয়, নিক্ষেপ করা হয় রাবার বুলেট এবং টিয়ার শেল। অতঃপর সিন্ডিকেটের এক জরুরী সভায় অনির্দিষ্ট কালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষনা করা হয়।

*ঘটনার যেভাবে শুরু***

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হলের পিছনে ভিসিডি, ফ্লেস্কিলোড, খাবার সহ অনেক গুলো দোকান রয়েছে। এই দোকানগুলো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। এই দোকান গুলোর মধ্যে একটি দোকানে কাজ করে খানজাহান আলী হলের ডাইনিং এর কর্মচারী কবির। ফ্লেক্সিলোড তথা ভিসিডির ওই দোকানের মালিক যুবলীগকর্মী তথা প্রথম আলো ফটো সাংবাদিক নেওয়াজ মাঝে মধ্যে হিসাব নেওয়ার জন্য দোকানে আসে। এভাবেই চলছিল এতদিন। কিন্তু গত ২৫শে মার্চ একটু ব্যতিক্রম ছিল।

২৫ শে মার্চ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের ৫ম বর্ষের ছাত্র
নাহিয়ান ওই দোকানে কিছু টাকা ফ্লেক্সি করতে দেয়। কিন্তু নম্বর বুঝতে সমস্যা হওয়ায় কবির নাহিয়ানের মোবাইলে টাকা না পাঠিয়ে অন্য নম্বরে টাকা পাঠিয়ে দেয়। যথাসময়ে টাকা না পেয়ে নাহিয়ান কবিরকে ফোন দেয় কিন্তু ফোন রিসিভ করে দোকান মালিক নেওয়াজ। নাহিয়ান অনুরোধ করে যে যদি সম্ভব হয় তাহলে যে নম্বরে টাকা গিয়েছে তাকে
যেন নেয়াজ বলে টাকাটা পাঠিয়ে দিতে। কিন্তু নেয়াজ এ কথা রাজী হয় না এবং নাহিয়ানের সংগে তপ্ত বাক্য বিনিময় করে। এর পর নাহিয়ান দোকানে গেলে নেওয়াজ ও নাহিয়ান বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে নেয়াজ মুসলমানের বাচ্চা বলে নাহিয়ান কে গালি দেয় এবং নাহিয়ানকে দেখে নেবে বলে হুংকার দেয়। ইতিমধ্য সেখানে আসে গনিত
ডিসিপ্লিনের সোহেল এবং ফিসারিজ ডিসিপ্লিনের রায়হান। তারা বিষয়টায় মধস্থতা করার চেষ্টা করে। কিন্তু নেয়াজ এতে আরো ক্ষিপ্ত হয় এবং যুবলীগের বন্ধুদের ফোন দিতে থাকে। এই সময় রাত প্রায় ১২টা। পাশেই বধ্যভুমিতে স্বাধীনতা দিবসের শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা যুবলীগের কর্মীরা তিনটি মোটর সাইকেল নিয়ে ঘটনা স্থলে আসে এবং
একজন যুবলীগ কর্মী নাহিয়ানকে মারতে উদ্যত হয়। ততক্ষনে নাহিয়ান চা খেতে বসে। কিন্তু এ পর্যায়ে নেওয়াজ তার বন্ধুর মত বেশী উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং নাহিয়ান কে দেখিয়ে বলে “ এই সেই ছেলে” । তখন ওই বন্ধু প্রথমে নাহিয়ানকে ঘুসি মারে। সাথে সাথে মোটর সাইকেল আরোহী অন্যান্য বন্ধুদের নিয়ে নেয়াজ নাহিয়ান ও তার তিন বন্ধুর উপর ঝাপিয়ে পড়ে। কিন্তু নাহিয়ানের বন্ধুরা তথা অন্য দোকানের লোকজন তাদের থামিয়ে দেয়। সবাই যখন ঘটনা মেটাতে ব্যস্ত তখন নেয়াজ তার বন্ধুদের নিয়ে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। আমি আগেই উল্লেখ করেছি ওই দিন ছিল ২৫ শে মার্চ রাত সে জন্য ছাত্র-ছাত্রীরা সবাই ফুল দিতে গিয়েছিল। এর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য, ডি এস এ, ডিন, প্রভোস্ট সহ প্রায় ২০ জন শিক্ষক ঘটনা স্থলে আসে। তারা ছাত্র-ছাত্রীদের আশ্বাস দেয় যে নেয়াজের উপযুক্ত বিচার করা হবে। সে যেখানেই থাক
তাকে এরেস্ট করা করা হবে। এক পর্যায়ে শিক্ষক-ছাত্ররা খুব আবেগী হয়ে পড়ে। ডি এস এ সহ অপেক্ষাকৃত তরুন শিক্ষকেরা যারপরনাই ছাত্রদের উপর খুব রাগ করে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে কিভাবে বাইরের একজন লোক ছাত্রদের মেরে যায় এই বিষয়টা নিয়ে খুব মন খারাপ করতে থাকে। শিক্ষকেরা ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলে কেন তোমরা নেয়াজকে মেরে তার ঠ্যাং ভেঙে দিলে না। যাই হোক এভাবে ১ ঘন্টা অতিবাহিত হয় এবং ছাত্ররা নেয়াজের দোকান ভাঙতে উদ্দত হলে শিক্ষকেরা সেটা থামিয়ে দেয়। কিন্তু ঘটনা স্থল থেকে পুলিশ ও শিক্ষকেরা চলে গেলে ছাত্ররা নেয়াজের দোকান ভাংচুর করে এবং জিনিস পত্র বের করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

*৫ এপ্রিল, ২০১০, শিক্ষকদের উল্টো চেহারা এবং অতঃপর অসহায় ছাত্র-ছাত্রীরা ***

গত ৫ই এপ্রিল ছিল বিশ্ব এইডস দিবস। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধু সভা এই
উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। উক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশিষ্ঠ অভিনেতা তথা বিজ্ঞাপন নির্মাতা আফজাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। যাই হোক, উক্ত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে আসে প্রথম আলো ফটো সাংবাদিক তথা যুবলীগ কর্মী নেয়াজ। খোঁজ নিতে গেলে বন্ধুসভার সাহিত্য সম্পাদক নিরুপম দেবনাথ বলেন তারা সবাই নেয়াজ কে নিমন্ত্রনের বিপক্ষে ছিলেন, কিন্তু
বন্ধুসভার উপদেষ্টা তথা প্রথম আলোর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনীধী উম্মে উমামা পুতুল কারো কথার তোয়াক্কা না করে নেয়াজ কে দাওয়াত পত্র দেন। সবকিছু জেনে এবং তাকে আনা হলে একটা অঘটন ঘটবে এটা বুঝেও কেন নেয়াজকে দাওয়াত দেয়া হল জানতে চাইলে পুতুল
বলেন ‘ প্রথম আলো অফিস থেকে তাকে পাঠালে আমি কি করব”। কিন্তু নেয়াজ কোথায় জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন “ আমার আসলে ভুল হয়ে গেছে, কয়েকজন বন্ধুকে আমি বলছি যে নেয়াজ এসছে কিন্তু তারা প্রচন্ড ক্ষেপে গেছে তাই ওকে ডিএসের ল্যাবে বসায় রাখছি’’ । তখন প্রায় সন্ধা সাতটা বাজে পুতুলের মাধ্যমে খবর পাওয়া বন্ধুরা দলবেধে এসে
২য় একাডেমিক বিল্ডিং এ প্রবেশ করতে গেলে ডি এস এ ড. মনিরুল ইসলাম বাধা দেয়। তখন ছাত্ররা নেয়াজের শাস্তি দাবি করে পুলিশের হাতে তুলে দিতে বলে কিন্তু মনিরুল ইসলাম ছাত্রদের বকা ঝকা করেন এবং সবাই কে চলে যেতে বলেন। ছাত্ররা সেখান থেকে সরে এসে বিল্ডিংএর সামনে দাড়িয়ে সকলকে ফোন দিতে থাকে। এক পর্যায়ে প্রায় একশ জন ছাত্র সেখানে উপস্থিত হলে মনিরুল ইসলাম স্যার সহ আরো অনেক স্যার সবাইকে চলে যেতে বলেন এবং তারা নেয়াজের বিচার করবেন বলে জানান। কিন্তু এর পর ছাত্ররা শুধু নেয়াজকে দশবার কান ধরে উঠবস করতে বলে এবং তারপর পুলিশের হাতে তুলে দিতে বলে।
শিক্ষকেরা এতে রাজি না হলে ছাত্ররা ভিতরে ঢুকতে চেষ্টা করে। কিন্তু শিক্ষকরা কোনোমতেই ছাত্রদের ভিতরে ঢুকতে দেয় না। এক পর্যায়ে প্রায় ৪০০-৫০০ ছাত্র উপস্থিত হলে শিক্ষক ও ছাত্রদের আরেক দফা আলোচনা হয় কিন্তু কোনো ফল আসে না। প্রায় ১১.৩০ টা পর্যন্ত ছাত্ররা সেখানে দাড়িয়ে থাকে এবং এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে। এসময় তারা নিচ তলার কিছু জানালার কাঁচ ভাংচুর করে। এ সময় শিক্ষকরে আসছি বলে চলে যায়
এবং দাঙ্গা পুলিশ সংগে নিয়ে আসে এবং ছাত্রদেরকে ছত্র ভঙ্গ করতে নির্দেশ দেয়। এ সময় ডি এস এ পুলিশদের বলেন প্রয়োজনে গুলি করো। এর পর দাঙ্গা পুলিশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট এবং কাঁদানে গ্যাস ছাড়ে।

এর পর নিরস্ত্র ছাত্ররা দৌড়ে খাজা হলের দিকে যেতে থাকে এবং হলের নেম প্লেট সহ হল প্রভোস্টের রুম ভাংচুর করে। এর পর হল গেট বন্ধ করে দেয়া হয়। পুলিশ গেট থেকে ছাত্রদের উপর টিয়ার শেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সময় বেশ কয়েকজন ছাত্র টিয়ার শেলে গুরুতর আহত হয় । প্রচুর রক্ত ক্ষরনে হলের বারান্দা ভেসে যায়। এ পর্যায়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে আহত ছাত্রদের হাসপাতালে নেয়া হয়। রাত বাড়তে থাকে আর টিয়ার শেলের শব্দ বাড়তে থাকে। রুম বন্ধ করেও শেষ রক্ষা হয়নি ছাত্রদের। ২টার দিকে পরিস্থিতি একটু ঠান্ডা হলেও তিনটায় আবার পুলিশ হল গেটে জড়ো হয়। এরপর হল বন্ধের ঘোষনা আসে। বলা হয় সকাল ৬টার মধ্যে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যেতে হবে।

সকাল হওয়ার আগে সবাই ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। শুন্য হয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গন। যে বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা হয় ছাত্র রাজনীতি মুক্ত, যে বিশ্ববিদ্যালয়ে কখনো কোনো মারামারি হয়নি সেখানে শুধু রাজনীতির স্বার্থে সব ছাত্রদের মার খেতে হল। নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেখতে গেলে বলতে হয়, একজন লোক সে যেই হোক সে ভার্সিটির এক ছেলেকে মেরেছে, তাকে যদি পুলিশে দেয়া হত, তাহলে কোন মহাভারত অশুদ্ধ হতো? তা
এই রিপোর্টারেরও জানা নেই।

বিঃদ্র- তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে ঘটনা স্থল থেকে সরাসরি ছাত্র-ছাত্রী এবং
স্যারেদের সাথে কথা বলে । রিপোর্টারের মাথা বাচানোর স্বার্থে আরো অনেক খবর সেন্সর করা হল। পাঠক হতাশ হলে মাপ করবেন।

অন্য আরেকটি লেখা:
৫০টাকার নাহিয়ান, একজন ডঃ মুনির এবং শাহনেওয়াজের ইজ্জত…
http://www.nagorikblog.com/node/886 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/29134707 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/29134707 2010-04-14 10:55:42
র‌্যানডম ক্লিক~ সয়োসন মাউন্টেনের পাদদেশে !
যেখানে যা দেখি টিপ মারি ক্যামেরাতে!


আগুন লেগেছে ....!



বড়ই ভালা লাগছিল ফুল গুলারে দেইখা!



নাম জানি না অধিকাংশ ফুলের!



দেখি আর ভাল লাগে~



চোখ চলে যায় একেবেকে~


কি গর্বিত তার প্রকাশ~


ইতিহাস হয়ে দাড়িয়ে রইব~


হলাম না হয় এক মূহুর্তের রাজা~



পথ হতে পথে



পথে পথে


পাহাড়ের বুকে কয়জন মানুষ~



জলাধারের জলে জল-ছায়া-পাতার খেলা~


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/29042362 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/29042362 2009-11-12 16:40:12
ঈদের আনন্দ ও এগিয়ে যাওয়া পথ..........
একটু বড় হবার পর ঈদের আগের রাতে আমার জন্যও কিছু কাজ বরাদ্ধ হয়ে গিয়েছিল! ইস্ত্রি করা! সবার পান্জাবী, পাজামা, সোফাসেটের কাপড়- ইস্ত্রি করেই ঘুমাতে যেতে হত। আমার বড় ভাইয়ার কাজ ছিল শাহবাগ থেকে অনেক রাত্রিতে ফুল কিনে আনা! আসলে অত রাত্রিতে ফুল কিনাটা ওর আসল উদ্দেশ্য ছিল নাকি ঈদের আগের রাতে সুন্দরী মেয়েদের সাথে দুষ্টমী করাটাই মুখ্য ছিল তা খুঁজতে যাব না এখন! ঈদের রাত বলে ক্যান্টর্মেন্টের মেইন খুলা থাক্‌ত প্রায় সময়, একটু রিকোয়েস্ট করলেই ছেড়ে দিত! ভাইয়া যখন গাদা গাদা ফুল নিয়ে বাসায় আসত পুরা বাসা মৌ মৌ গন্ধে ভরে যেতে! ভাইয়া বাসায় আসত ভোর ৪-৫টার দিকে! আমি ঢুলু চোখে জেগে থাকতাম ওর জন্য! সচরাচর আমাদের বাসায় কার্পেট বিছানো হত না। কিন্তু ঈদের দিন বলে কথা, বাক্স থেকে বের করে আনা হত দামি (আমাদের জন্য দামী ছিল ওটা) কার্পেট টা। জানি না এখনও আছে কিনা! সব কিছুই রাতের মধ্যে রেডী করে ঘরকে ঝকঝকে করেই তবেই ঘুমাতে যেতাম!

ঈদের জামা নিয়ে বরাবরই আমার অনেক আগ্রহ ছিল! কেও বাসায় আসলে একটু মুড নিয়ে দেখাতাম, এটা আমার গেন্জী/শার্ট, এটা আমার প্যান্ট, এটা আমার জুতা! আব্বা খুব ছোটবেলাও মারা গেলেও আমার জন্য কোন কিছুর কমতি কখনো হয় নি! সাধ্যমত আম্মা ও ভাইয়ারা সব জোগার করে রেখেছে আমার জন্য! বুদ্ধি হবার পর থেকেই (৮৩+ সাল থেকে) জানি যে আমার জন্য দামী কাপড় বরাদ্ধ আছে। হয়ত আমাকে বাসার সবাই ভুলিয়ে রাখতে চাইত যেন আমি বাবা না থাকার কষ্ট কোনদিন বুঝতে না পারি! সত্যি কথা বলতে কি কিছু কিছু সময় বাদে আর কখনই বাবা না থাকার কষ্টটা আমাকে ভোগ করতে হয় নি! বিছানাতে শুয়ে শুয়ে আকাশ পাতাল কল্পনা করতে করতেই আম্মা অথবা ভাইয়ার ধাক্কায় ঘুম ভেন্গে যেত! "সোহাগ তাড়তাড়ি উঠে গোছল কর, নইলে নামাজ পাবে না।" ঈদের জামায়াত বেশীর ভাগ সময় সকাল সাড়ে সাতটা থেকে সাড়ে আটটার মাঝে হত! টলতে গিয়ে বালতিতে পানি নিয়ে ঘুমকে শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলতাম! পান্জাবী পড়ে টুপি খুজতে খুজতে কাহিল হবার জোগাড় হত সবার। সারা বছর টুপিগুলোর তেমন খোঁজ না পড়লেও আজকে তারা মহামূল্যবান! মাথায় খুব টাইট অথবা ঢলঢল টুপি নিয়ে সোজা রান্না ঘরে-আম্মা বিভিন্ন রকম সেমাই রেডী করে রেখেছে। খেতে যেন সময় নষ্ট না হয় তার জন্য আগেই বাড়া থাকত সেমাই গুলো! অল্প একটু খেয়েই আম্মা/ ভাইয়াদের কাছ থেকে ভাংতি টাকা নিয়ে দিতাম দৌড়! "আল্লাহুম্মা.......রাব্বায়েক....।" মসজিদের মাইক থেকে দোয়াগুলোকে এত ভাল লাগত যে তখন ভালভাবে দোয়া না পারার পরেও ঠোট মেলাতে শুরু করে দিতাম! হাতে জায়ানাজ নিয়ে পুরা মুসল্লী হয়ে ছুটতাম মসজিদের দিকে। আমাদের ঘর থেকে মসজিদ মাত্র ৫-৭ মিনিটের পথ, তারপরেও মক্কার মানুষের মতই মসজিদের বাইরে রাস্তায় কিংবা ভাগ্য ভাল থাকলে মসজিদের ছাদে জায়গা পেতাম! হুজুর শুরু করতেন নামাজের নিয়ম তরিকা! বরাবরের মত আমি ভুল করেই যেতাম! পাশের লোকের দিকে আড় চোখে তাকিয়ে হাত ঠিক করতাম, অথবা রুকুতে যেতাম! নামাজ শেষ হবার সাথে সাথে মহল্লার ছেলেরা জায়নাজ নিয়ে চলে আসত মসজিদ, ঈমাম, মুয়াজ্জেন, কবরস্থান আরও বিভিন্ন নামে টাকা তুলতে! আমি আমার পছন্দমত ছেলেদেরকে ২-৫ টাকা করে দিতাম ...২০ টাকা শেষ হতে হতেই তাকিয়ে থাকতাম কখন খুতবা শেষ হয়! ঈদের জামাতের সবচেয়ে বিরক্তি লাগত শেষের বিশাল দোয়া-----আমার মন তখন কোলাকুলির দিকে.... তখন কি আর অত বড় দোয়া ভাল লাগে!

নামাজ শেষ হতে শুরু করি পাশের লোকের সাথে ঈদের কোলাকুলি! তারপর খুজিঁ এলাকার পরিচিত কাকা- ভাইয়াদের! আর যখন আমার বড় ভাই, মেজ ভাই, সেজ ভাই, ছোট ভাই ( আমার ইমিডিয়েট বড়)- যার সাথেই দেখা হবে প্রায় কোলে তুলে নিয়ে এমন চাপ দিয়ে আমার সাথে কোলাকুলি করবে যে ভর্তা হয়ে যেতাম। কিন্তু ঐরকম ভর্তা হতে আমার খুব ভালই লাগত! দৌড়ে বাসায় চলে আসতাম আম্মার সাথে কোলাকুলি করার জন্য! আম্মাকে দেখা মাত্রই ঝাপিয়ে পড়তাম! আম্মা অনেক আদর করে কপালে চুমু দিয়ে দিতেন! ঘরে কোরআন তেলায়াতের টেপগুলো বাজতে থাকত! আমার ভাইরা সবাই আমার থেকে অনেক বড় বলে সারা বাড়িতে আওয়াজ খুব কম হত, কিন্তু ঈদের দিনে অনেক ছোট ছোট ছেলেদের শব্দ পাওয়া যেত। আম্মার কাছে নামাজের পর একদল ছোট ছোট ছেলে মেয়ে চলে আসবে যাদেরকে উনি ৫-১০-২০ টাকা করে দিতেন তাদের বয়স অনুযায়ী!

নামাজ পড়ে আসার পর ভাইয়ার বন্ধুরা (এলাকার) চলে আসত সেমাই খেতে! সবার হৈচৈ এর মাঝে দিন কিভাবে যে কাটত টেরই পেতাম না। একবার ঈদের কথা পড়ে যেটা আমার জীবনে অনেক স্মরণীয়! ঐসময় টাতে আমাদের ভালই অর্থনৈতিক সমস্যা যাচ্ছিল! ঈদ যতই কাছে চলে আসছিল কিন্তু আমার জামাকাপড়ের কথা কেও বলছিল না! আমিও বুঝতে পারছিলাম এইবার বোধহয় কিছুই পাব না! টাকার অভাব হলে সব জায়গাতেই তার ছাপ পাওয়া যায়! আম্মা ও ভাইয়ারা কেমন যেন মনমরা হয়ে থাকে। পোষাক বাদেও ঘরের স্বাভাবিক কেনাকাটাও বন্ধ ছিল! সবার মন খারাপের সাথে সাথে আমিও মন খারাপ করে বসে ছিলাম! ঈদের আগের দিন দুপুর বেলায় বড় ভাই আমার হাতে একটা সপিং ব্যাগ ধরিয়ে বললেন, "এটা তোমার!" আমি খুলে দেখি ওখানে একটা শার্ট, অবশ্যই এলাকা থেকে কেনা ( যার রং পরের বার ধোয়াতেই উঠে গিয়েছিল)। শার্টটা পেয়ে আমার চোখ দিয়ে পানি চলে এসেছিল, অবশ্য তা পাওয়ার আনন্দে নয়, বাসার সবাই আমাকে কি পরিমান ভালবাসে তা বুঝতে পেরে!

ঈদ ২০০৬, আমি কোরিয়াতে! পরের দিন ঈদ। ঈদের আগেই আমার মন খারাপ হয়ে থেকে! ঈদের আগের রাতে চলে গিয়েছিলাম অন্যদেশী বন্ধুদের সাথে পার্টিতে! অনেক রাত করে ডর্মে ফিরেছিলাম। যখন ফোনে আমাকে বাংগালীরা ডাকছিল ঈদের জামাত পড়তে যাবার জন্য, আমি তখন গভীর ঘুমে কাতর! সেই ঈদে আমার নামাজ পড়া হয় নি, সেমাই খাওয়া হয় নি, অথবা ভাল করে কারও সাথে কথা বলাও হয়নি। সারাটা দিন মন খারাপ করে ছিলাম! চারিদিকে বিশাল শূন্যতায় পেয়ে বসেছিল, ঈদের খুশিতে পরিবার সাথে না থাকলে যে তা ঈদ হয় না তা ভালই বুঝতে পারছিলাম। আম্মা-ভাইয়াদের সাথে ঈদের কোলাকুলি - সবার কাছ থেকে নেয়া পরবী নেওয়ার আনন্দ সব ম্লান! দুপুর তিনটাই কোরিয়ান রেস্টুরেন্টে গিয়ে প্রথম খাবার খেয়েছিলাম, একা!

এখানে আর ৪/৫ দিন পর ঈদ, বাংগালীরা বিশাল প্রোগাম করবে। প্রথমে দাওয়াত বাংলাদেশী এমবাসিতে, তার পর পর আমার পুরনো সেই ডরমিটরির সুদৃশ্য ডাইনিং হলে ৪০ জনের ঈদজাপন! গত কয়েক বছর থেকে সবাই কম্বাইন্ডলি রান্না করে, তাই ঝামেলা তেমন হয় না কারও একার জন্য! অনেক মেনু থাকবে, আমি হয়ত বরাবরের মত সবাইকে জ্বালাব, হাসাব, দৌড়াব- কিন্তু সত্যিই মনের মাঝে কি আম্মার কথা মনে পড়বে না ! ভাইয়াদের সাথে কুস্তি করার মত কোলাকুলি কি আর হবে ! আমরা ৫ ভায়ের একসাথে বিরাট দল বেধে কি কোথাও আর যাব ! হয়ত যাব কোন দিন, হয়ত বা আর কোনদিন না! এভাবে সবকিছু হারানোর নামই হয়ত এগিয়ে যাওয়া, সিড়ি বেয়ে আরেকটা জায়গায় যাওয়া! দিনকে দিন একটা হাহাকার আমার জাগে, আমরা যতই এগোচ্ছি ততই কি জীবনকে হারাচ্ছি না! মেকানিস্টিক লাইফ, স্যালুট বস, শাঁই শাঁই করে এগিয়ে যাওয়া~]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/29011332 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/29011332 2009-09-16 09:14:20
ডোবংসান পর্বতে আরোহন এবং সবুজের মেলায় একদিন! (ফটোব্লগ)



পাথড়ের কি অপরূপ সৌন্দর্য্য!



পৃথিবীতে একমাত্র দেশ কোরিয়া যেখানে মাউন্টেন হাইকিং স্বাভাবিক কর্মকান্ডের মধ্যে পড়ে। একেবারে চূড়ায় উঠার পর ৮০~৯০ বছরের বৃদ্ধ যখন আমাদেরকে হাই বলল তখন লজ্জায় লেগে গিয়েছিল!














টলটলে ঝর্ণার পানি!












পথে পথে ..পথ হতে পথে!



ঝর্ণার পানিতে অন্যদের আনন্দ করতে দেখে অনেক লোভ লাগছিল! সাধারন মানুষ এই পর্যন্ত আসে!



কি আর করা, আমরাও নেমে পড়লাম ঝর্ণার পানিতে! আহ! কি ঠান্ডা মনোরম পানি!



প্যান্ট যাক জাহান্নামের চুলায়, আমি আজ আনন্দ করব!






ঝর্ণার পানির অন্য আংগিক!






বৌদ্ধ-মন্দিরের দরজায় অনেকে প্রনাম করছিল (যদিও তা একেবারেই নগন্য)! এই ছবিতে লোকটার হাতে তালোয়ার আছে!



এর হাতে আছে মন্দিরে, আর পেটে দৈত্য!











ফুল দেখলে ভালাই লাগে সবসময়!



পাহাড়ের চুড়া দেখা যায়!




পাহাড়ের চুড়া দেখা যায়!









ধোয়ার মাঝ দিয়ে নীচের বাড়িঘর দেখা যায়!



বোঝায় যাচ্ছে না কি ভয়ংকর এই জায়গাটা!




মাদাংবাই চূড়াই উঠলাম অবশেষে, আহ কি আনন্দ! এর পরে আরও একটা চূড়া আছে যেখানে এক্সপার্টরা শুধু যায়!



দূর বহুদুর.....।












ফেরত চলে যাচ্ছি!




এইরকম কোন একটা চূড়ায় উঠছি, বুঝতে পারছি না আর!



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28995265 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28995265 2009-08-17 13:36:56
আনিসুল হকের প্রতি! ( আপনার ফেসবুকের নোট কক্সবাজার গিয়ে শপথ নেওয়া প্রোগামের প্রেক্ষিতে)
এই যে সাংবাদিকরা এত ভাল কাজ, তারমাঝে কি করে আপনারা এইসব শুয়োপোকা গুলোকে সহ্য করেন! আগে সাংবাদিকদের ভাল করেন! ওহ, আরেকটা কথা, সকল সাংবাদিকদের পারিশ্রম অবশ্যই বাড়াতে হবে, তাদের মাসিক বেতনের নিশ্চয়তা থাকতে হবে! তবেই না তারা বিভিন্ন সামাজিক উদ্দেগে দেশের জন্য এগিয়ে আসতে পারবে! নিজেদেরই যদি কালকে ছেলের দুধ কেনার টাকা না থাকে তবে তারা কি করে এইসব ভাল কাজ করবে!

মুল কথা , আপনাদের মত নীতি নির্ধারকদের আরও বেশী ফোকাস্‌ড হতে দেশের ভালর জন্য! নামের জন্য নয়, দেশের জন্য! যেখানে ৫০ টাকা একটা দরিদ্র পরিবারের জন্য অনেক, সেখানে এইরকম শপথ তাদের অনাহারী পেটের প্রতি তীব্র ব্যন্ঙ ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28965313 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28965313 2009-06-16 12:21:27
কিছু নস্টালজিক মূহুর্ত, কিছু ফিরে দেখা!
মনে আছে, যেদিন আমার এক জুনিয়র এসে বলল, সোহাগ ভাইয়া ব্লগ জিনিষটা হেব্বী মজার, দারুন দারুন জিনিষ পড়া যায়, দারুন দারুন দারুন জিনিষ জানা যায়, আর সাথে একজনের সাথে আরেকজনের অম্লমধুর ইন্টারেকশতো আছেই! যথারীতি নাক শিটকে বলেছিলাম, ঐসব আলতু ফালতু জিনিষে সময় দেবার সময় আমার নেই! মুখটা কাচুমাচু করে জুনিয়র চলে গেল, অথচ আমার মস্তিষ্ক সামহোয়ারইনব্লগ নামটা মাথার মাঝে রেখে দিল! বেশ কিছুদিন পর গুগল বাবাজিকে বল্লাম বের করত সামহোয়ারইনব্লগকে, কি এটা একবার দেখে আসি! পেজটা খুলার পরই রাগিব, উদাসী, জ্বীনের বাদশা, আরিফ জেবতীক ও আরও কয়েকজনের অনেকগুলো পোস্ট পড়ে নিজেই চমকে উঠলাম। মানুষ এত ভাল লেখে, আর আমরা কিনা না জেনেই নাক শিটকায়! নিজের আগেকার কথা মনে করে নিজেই লজ্জা পেলাম! এত এত রথী মহারথীদের মাঝে নিজে রেজিস্টার করার আর সাহস হয় না! পড়ে যেতে থাকলাম ব্লগ মাসের পর মাস! হঠাৎ দেখি ব্লগের টিউব লাইটের (নুরা) জ্বলে উঠা আলোকে, তার সাপোর্টেই ফার্স্ট কমেন্ট করলাম এবং ঐটাই ছিল আমার প্রথম ভুল! জামাতীকে চিনতে এত কম সময় আসলেই পর্যাপ্ত ছিল না। এইরকম ভুল আরও করলেও লিখিত আকারে আর করি নাই। ফারজানা মাহবুবাও খুব ভাল লিখত, দারুন টাচী সব লেখা। কিন্তু কেন জানি মন সায় দিত না! তার একটা সাতার কাটার পোস্ট অনেক নামী দামী লোকের লুল ফেলা দেখে আর থাকতে পারলাম না, বলে ফেললাম, লুলে লুলে সয়লাব হয়ে গেছে পোস্টটা। তার প্রতিক্রিয়াস্বরূপ বিশাল একটা রিপ্লাই ফেলাম এবং তার ব্লগের ব্লক ক্যাটাগরীতে পদোন্নতি পেলাম! আরেকটা নিকের লেখা না বললেই নয়, চতুরভূজ! তার লেখাও বেশ টাচী লাগত, কিন্তু তার কবিতাগুলো ভাল লাগত না! তারপরেও তার পোস্টে প্লাসের বন্যা বয়ে যেত! বুঝতাম না কিভাবে তার এত সাপোর্টার হয়! কি আর করা, দেখে গেলাম জামাল ভায়ের কেরামতী!

আরেকটা জিনিষ আমার খুব ভাল লাগত এটিমের রাজাকার বিরোধী কার্যকলাপ। রাজাকারের গন্ধ পেলেই কিভাবে যেন হামলে পড়ত! অনেক নামী দামী লোকই ছিল সেখানে! আমি কখনও তাদের দলে ছিলাম না, তবুও তাদের এই কার্যক্রমগুলোকে ঠিকই সাপোর্ট করতাম। ভাল লাগত মানুষের নৈতিক সচেতনা দেখে! আসলে এটিম আর সামহোয়াইনব্লগ দুইটা দুইটার সাথে জড়িয়ে আছে নিবিড় আবেশে! যতই মডারেশন আসুক, যতই নতুন নিয়ম আসুক তা থাকবেই! তারপরেও এটিমের ছাতার নীছে কিছু পরগাছা ছিল যাদের অযথা ধর্মকে খোচা মারা, অথবা নতুনন কাউকে রাজাকার বলা একদম সহ্য করতে পারতাম না। আমিও কেপিটেস্ট পজিটিভ হয়েছিলাম একজনের দ্বারা! সে যাই হোক, কে আমাকে কি বললো না বললো তাতে আমার বিন্দুমাত্র যেত আসত না, এখনও যায় না! আমার সম্পৃক্ততা চেতনার সাথে, কোন দলের সাথে ছিল না! নৌকার পাল আমাকে কখনো সঠিক দিক নির্দেশনা দেয় নি, ধানের শীষও মনের কাছে ক্লেদগুলোকে না কমিয়ে শুধু বাড়িয়েছে, কমায়নি! যখন নিজের কাছে যা ভাল লেগেছে ব্লগে তা করেছি, যা ভাল লাগেনি তার বিদ্রোহ করেছি সেটা যেভাবেই হোক না কেন! পথ চলেছি শুধু নিজের সাথে , কারও সংগী হবার যোগ্যতা আমার কখনোই হয় নি! হবেও না হয়ত!

সকাল বেলা ল্যাবে এসে ল্যাব নোট না খুলে ব্লগটাই খুলতাম। তারপর টুকটাক কাজ করে যেটুকু ফাকা টাইম পেতাম তাতেই কমেন্ট করে যেতাম একের পর এক! অনেকের সাথে ইন্টারেকশনটা এমন একটা পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে খুব আপন লাগত ওদেরকে! রাশেদ, আসিফ, দূরন্ত, চিটি, আউলা, চানাচুর, রন্টি, রাতিফ, সুলতানা শিরিন সাজি, শান্ত, সাইফুর, প্রনব, বৃত্তবন্দী, শামীম, মুকুল, আশরাফ , উত্তরাধিকার, অন্তীম, শফিক ভাই, আরও অনেক নিক----কতনা সময় পার করেছিলাম উনাদের সাথে। পরবর্তী সময়ে আরও একজনের লেখা আমাকে খুব টানত , কিন্তু তার সিরিয়াস পোস্টে আমি কমেন্ট করতে অনেক ভয় পেতাম। মাঝে মাঝে কমেন্ট করলেও চুপচাপ দেখতাম রিপ্লাইটা, সেই নিকটার নাম নুশেরা! তার লেখাতেও আমি চেতনার স্বাদ পেতাম! যখন আড্ডা মারতাম সব ব্লগারের সাথে, পেজ রিফ্রেশ দিতে দিতে কিভাবে যে সময় পার হয়ে যেত টেরই পেতাম না। এমনও সময় গেছে সারাদিন সারারাত ব্লগিং করেছি একটানা , তাতেও যেন নেশা কাটত না! ছটফট করতাম ব্লগিংয়ের জন্য!

অথচ এখন সামুর পেজটা দৈনিক খোলা হয় না। যখন তখন ব্যান, আর কিছু রেসিডেন্ট ভাড়ের কলকাকলীতে অনেক বিষ জমে গেছে ব্লগে! আমরা হয়ত পারব না, আশা করি নতুন ব্লগাররা এই বিষগাছগুলোকে মুলোৎপাটন করে সেই আগেকার স্নিগ্ধ, শান্ত অথচ প্রাণচান্চল্যে ভরপুর ব্লগটাকে ফিরিয়ে আনবে। আমার বিশ্বাস সময় কখনই অন্ধকারে ঢাকা পড়ে না, আলোকে ফিরিয়েই আনে। আশা করি আরও কয়েকদিন পর সামুতে সেই ভালবাসার খোজ পাব যেখানে ব্লগাররা হিসেবের চিন্তা না করে কমেন্টের পর কমেন্ট করছে, ফান পোস্ট, সাহিত্য পোস্টের ছড়াছড়িতে ঝলমল করে উঠছে ব্লগটা! আর টেকি ভাইরা গোপনে গোপনে আমাদেরকে দিয়ে যাচ্ছেন তাদের নিজেদের জ্ঞানের ভান্ডারগুলোকে!

জানি না, কিভাবে যেন নিজের প্যাচালগুলোকে পোস্ট হিসেবে লিখে ফেললাম, কাওকে আঘাত দেবার জন্য নয়, নিজের কাছেই যেন এই পোস্টটা লেখা হল। যদি কোনদিন ভুলে যায়, তাই হয়ত রোজনামচাটা একটু আপডেট করা হল আরেকবার! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28955043 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28955043 2009-05-24 15:54:12
খুঁজি এভাবেই চলছিল গল্পের স্রোতটি,
একঘেয়ে হয়ে উঠার আগে জেগে ওঠে ক্ষুদ্র ভাবনা
পথ হারালেও পথে চুমু দিয়ে জেনে নেব পথটি আমার কিনা!

চিনচিন একটি ব্যথা, অনবরত, ঝিরঝিরে বর্ষার মতন
মাথায় বহন করে চলেছি, অবিরত, বুকে আগলে স্বপ্নকে সাথে করে
টান টান করে দেখি, অপলক চোখের পাতা, গন্তব্য দৃষ্টিসীমার বাইরে
চেনা চেনা পথটা আজও অচেনা!

নিস্ফল আক্রোশে অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে শক্ত করে ধরি
একটু একটু করে এগুই, পিচ্ছিল পথে উল্টে পড়ি
ভাংগা কোমড়ে আবার দাড়াই, আবারও টানটান করে তাকাই
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত খুজে যাব, পথ অথবা আমাকে!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28931706 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28931706 2009-03-31 13:24:50
বাংলাদেশের স্টক মার্কেট কি অনলাইন ভিত্তিক করা যায় না ? বাইরে যারা থাকেন, তাদের অনেকেই অনেক কষ্ট করে টাকা ইনকাম করেন। তাই নমিনি দিয়ে ব্যবসা করার সাহস তাদের হয় না। অনেক সময় উপযুক্ত লোকও পাওয়া যায় না নমিনি করার। ইচ্ছা থাকলেও ইনভেস্ট করার উপায় থাকে না।
নমিনি ছাড়া কি অন্য কোনভাবে শেয়ারবাজারে টাকা ইনভেস্ট করা যায় কিনা কেও জানলে প্লিজ শেয়ার করেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28913768 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28913768 2009-02-20 12:16:04
পথের সমাপ্তি নস্টালজিক হয়ে এলোচুলের কাল মেয়ের রক্তকামড়
ভাবনাতে মন অশরীরিতে ভর করে হামাগুরি দেয়।

নষ্ট নারী নষ্ট ধর্ম অথচ সুফিসাধু মৌলবাদি বুদ্ধিজীবি
সবার প্রয়োজনে নিরবতা বিচ্ছিন্ন ছুটি আজ পদতলে
কড়াল থাবায় শিশ্নভংগের যাতনায় বিবেক তিরোহিত।

অথচ যখন প্রয়োজন কাব্য ছুয়ে হাত খুলেনি
নারী হয়ে আকাশ দেখেনি, সূর্যের আংগিনায়
নিজকে লালাভ করেনি, তখনও হৃদয়ে সুর ছিল।

জড়িয়ে শিশুর পাজড় বুকে জড়িয়ে শিশু হতে পারি নি
কবির পুজো দিয়ে কবিও হতে পারিনি,
পুজিবাদি সমাজের লাঠিয়াল হয়ে বৃত্তের গোলকে বন্দী
এই ছিল সকল পথের শেষ পথের সমাপ্তি!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28912405 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28912405 2009-02-17 13:40:48
জানি না কি লিখছি ৩
বাবা মারা যাবার পর কোনদিন বুঝতে পারি নি বাবার অভাব। সে শুধু আম্মার জন্য। অনেকেই বলে আমেরিকা, ইংল্যান্ডে জন্মালে আম্মা নাকি মার্গারেট থ্যাচার, অথবা গোল্ডমায়ারের মত প্রধানমন্ত্রী হতে পারত। সবাই যখন এসব কথা বলে গর্বে আমার বুকটা ফুলে উঠে। মনে পড়ে আব্বা মারা যাবার পর আমাদের সেই কঠিন সময়ের কথা। ছোট ছোট সব ছেলেমেয়ে এবং আমি সারে চার বছরের, সবার ছোট। বড় ভাই ক্লাস নাইনে পড়ে, ঢাকা শহড়ে বাড়িটা ছাড়া আমাদের কোন বড় আত্মীয় নেই। সেই সময় থেকে আজকে আমাদের এখনকার অবস্থা। আমি আজ তিরিশ বছরের এক যুবক।

মনটা ভাল নেই। আজকে আম্মার অপারেশন হল, কিন্তু আমি কাছে থাকারও সুযোগ পেলাম না। বেশ কিছু কম্পিলকেশন থাকার কারনে অপরেশনটিও জটিল হয়ে গেছে। আমি জানি না, আম্মা ঘুম থেকে জেগে উঠলে আমাকে খুজবে কি না, অথবা বলবে কি না সোহাগ ফোন করেছিল কিনা ? ইচ্ছে হচ্ছে ছুটে যাই দেশে, একবার দেখি আম্মাকে। কিন্তু কত না হিসেব নিকেশ। মনে হয় লাথি মারি সব হিসেব নিকেশের বুকে, ছুটে যাই হাসাপাতালে।

ভাল লাগে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28911742 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28911742 2009-02-15 21:51:09
আগের গুলান ডিলিট খাইসে, খেলা দেখার নতুন লিন্ক থাকলে তাড়াতাড়ি দেন, প্লিজ!!!!!! " style="border:0;" />।

খেলা দেখবার পারি না <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28898258 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28898258 2009-01-16 15:09:45
সুন্দর একটা জীবন কাটুক তোমার ! হেপী বার্থডে চানাচুর! মাইনাস দেব নাকি! খুব চমকে গিয়েছিলাম ! আস্তে আস্তে ছেলেটার সাথে খুব ভাব হয়ে গেল। ওর পাগলাটে লেখার মাঝেও ক্ষুরধার লেখনীর আভাস কিন্তু ও সবসময় দিয়েছে। কিন্তু বোকা ছেলেটা সব পোস্টই ড্রাফট করে ফেলে, পাছে কেও যদি ওর আসল লেখনীর খোঁজ পেয়ে যায়! ওর একেকটা কমেন্টও যেন একেকটা বুলেট। অবশ্য সব বুলেট যে জায়গামত লাগে তা নয়, তবে যেটা লাগে তা একেবারে ঝাঁঝরা করে দেয়।

সবচেয়ে বড় চমকে গেলাম সেদিন যেদিন একটা মেয়ে বলে ওঠে ভাইয়া আমিই চানাচুর। এত অবাক আমি জীবনে খুব কমই হয়েছি। ২ দিন ভাবলাম এটা কিভাবে সম্ভব। তারপর বুঝলাম সবই সম্ভব চানাচুরের দ্বারা। ও নিজেকে ছদ্মনামেও অনন্যা করে রাখতে পারে। আগে ছোটভাই হিসেবে ভালবাসতাম, এখন না হয় ছোটবোন হিসেবেই ভালবাসব। ওর আসল পরিচয় জানার পরেও আমার একটু রাগই হয়েছিল, আগে বলেনি কেন ও যে মেয়ে। তারপর ভাবলাম যার আচরনকে এত ভালবাসি সে ছেলে হলেই বা কি আর মেয়ে হলেই বা কি। ওত একজন সত্যিকারের মানুষ এর চেয়ে বড় পরিচয় আর কিছুতেই হতে পারে না।

ব্লগে প্রায়ই থাকা হয় না। অনেক কারনেই ব্লগের প্রতি আগের মত আর ডেডিকেটেড আর থাকতে পারছি না। তারপর মাঝে মাঝে চুপিচাপি প্রিয়মানুষদের ব্লগগুলো পড়ে যাই। সেদিন চানাচুরের ব্লগটা ঘুরতে গিয়েই থমকে গেলাম। এ কার লেখা! ভাষা যেন তীব্র চাবুকের মতন। চাবুকের একটা আঘাত যেন ভন্ডামীকে ছিড়ে খুবলে ফেলছে। অবাক হয়ে পড়লাম ওর লেখাটি,''আমাকে শেষ পর্যন্ত বলতেই হলো''। যুক্তি, চেতনা, মানুষ হিসেবে নিজের প্রতি দায়ীত্ব, সব কিছুরই যেন প্রতিচ্ছবি লেখাটা। আরও একবার ভালবাসায় মনটা ভরে গেল। আমার ছোট ভাই-বোনটা সত্যই মানুষ হয়েছে, ও টিকে থাকবে যুগ যুগ থেকে। যতদিন মানুষের বিবেক থাকবে আমার ছোটবোন প্রদীপ শিখার মতই জ্বলতে থাকবে।

অনেক অনেক শুভকামনা রইল জন্মদিনে তোমার জন্য। সারাটা জীবনই যেন আনন্দে কাটে তোমার, মানুষের মত মানুষ হয়ে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28894162 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28894162 2009-01-07 13:20:06
আমার স্বপ্নেরা না হয় স্বপ্নই থাকুক!
অথচ আমি ইন্জিনিয়ার না, ফিজিক্সের সূত্র ভুলে গুলে খেয়েছি কোন আমলেই! তাও স্বপ্ন দেখা ছাড়ি নাই !

মানুষ বলে আমি অনেক সময় তাদের সাথে ভাল বিহেভ করি না। তারা যে কত বড় ভুল করে বোঝাতে পারব না আমি তাদের কোনদিনই। আমি জেগে জেগেও কল্পনা করি মডার্ণ বাংলাদেশের, খুধার যাতনাবিহীন এক বাংলাদেশের। সবুজ শ্যামল বাংলাদেশের। ম্যালনিউট্রিশনে ভোগা ছেলেমেয়েরা নয়, সুস্থ সবল কচিকাচার মেলাতে রঙিন একটা সমাজের। টাকার অভাবে ধুকে ধুকে মরা কোন জারিফ নয়, আমি ছবি আকি ফুটবলে জোর্‌সে শট মারা জারিফের, হায়েনার আঘাতে মৃত রাহেলারা আমার ঐ জগতে বিলুপ্ত। তারা এখন স্বপ্ন দেখে, স্বপ্ন বুনে।
কুজো হয়ে নয়, তারা বুক টান টান করে তাদের কথা বলে, বলে তাদের আগামীর কথা। আমি দেখি তাদেরই স্বপ্ন। আর আমার স্বপ্ন দেখার সময় কারও ডিস্টার্ব ভাল লাগে না। নিজের অজান্তেই খারাপ ব্যবহার করে ফেলি।

ছোট বেলা থেকে শুনি সিনেমার লোক, কবি, সাহিত্যিকরা নাকি বিদেশের দেশগুলোতে অনেক সন্মানিত ব্যক্তিত্ব। আমি স্বপ্ন দেখি মেগা হলিউডের যেখানে বাংলার দামালেরা তাদের তাদের সৃষ্টিসুখের উল্লাসে বিশ্বকে মাতিয়ে ফেলবে। কবি, সাহিত্যিকেরা সমসাময়ীক সবাইকে ছাড়িয়ে আরও অনেক স্বপ্নের জাল বুনবে। কোন সুমন প্রবাহনের মৃত্যু হবে না সকলের নিভৃতে। কোন সমুদ্র দাশগুপ্ত টাকার জন্য হাত পেতে বেড়াবে না নিজের চিকিৎসার জন্য। আমি স্বপ্ন দেখি বিরাট বিরাট মন্চের যেখানে সকল মন্চায়ন উন্নত প্রযুক্তির কারনে জীবন্ত হয়ে উঠছে!

আমি স্বপ্ন দেখি না এমন বাংলাদেশের, যেখানে রূপকথার দৈত্যরা আমাদের শাষন করছে, আমরা ঘুরে ফিরে তাদের ভোট দিচ্ছি। গুয়ের মাঝে নাক ডুবিয়ে বলি না এটাই একটু কম গন্ধ এটাকে ভোট দেই। আমি স্বপ্নের মধ্যের এমন শাসক দেখি না যারা ওয়েব ক্যামে চ্যাট করে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে। আমি এমন স্বপ্ন দেখি না যেখানে মন্ত্রী মহাশয় বলে, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, তিন তালা থেকে কমান্ড দিলেই এখন একতলাতে প্রিন্ট শুরু হয়।"

হায়রে আমার বাংলাদেশ, আমি আরও স্বপ্ন দেখব। আমার মৃত্যু পর্যন্ত আমি স্বপ্ন দেখব। স্বপ্নগুলো বাস্তবের মুখ দেখুক আর নাই দেখুক আমি স্বপ্ন দেখে যাব। হয়ত এই স্বপ্নগুলো একদিন কারও বুক থেকে নেমে বাংলার বুকে পিলারের পর পিলার তুলে আমার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। হাসি আনন্দ ভালবাসাতে সবাই বলে উঠবে, আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28888217 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28888217 2008-12-26 12:40:08
ছন্নছাড়া চিন্তাতে কর্তিত হৃদয় সবই ভাল লাগে, সত্যের শিহরনে সমাপ্তির পুর্বানুমানে শক্তিতে বলিয়ান হতে
শৃগালের অশুভ ডাকে আনন্দে জেগে ক্ষুধার্থ হয় মন অশুভকে ভড়কে দেবার খুশিতে
সত্যের অনিশ্চয়তাকে পকেটে পুরে হামাগুরি দিয়ে লক্ষ্যের দিকে যেতে।

কুকুরের কুহুডাকে কার জানি মৃত্যঘন্টা বাজে বিরক্ত হই সেটা আমার নয় বলে
ভোরের সকালে গন্ধমুখে তাকিয়ে দেখি সকল অসামন্জস্যগুলোকে
একবার করে কুলি করি গন্ধ ধুয়ে ফেলে আবার পানি নেই
ভোরের কুয়াশায় নিজেকে বড্ড পবিত্র লাগে।

ভীড় ঠেলে এগিয়ে যাই কেরানী হতে, সংঘর্ষ মলিন কোন বাসের চেয়ারে
আড় চোখে লোলুপের মত দেখি পাশে দাড়িয়ে থাকা তরুনীর উর্ধান্গ নিন্মান্গ সর্বান্গকে
ক্লান্ত লাগে অপ্রাপ্তির বেদনাতে শক্তশোকে নরম হতে
মহাপুরুষ হবার লোভটিকে যদিও সামলাতে পারি না।


উৎসর্গ: চিটি আপা..অগোছালো চিন্তাকে লিখে বলি কবিতা লিখি, আসলে তা নয়...কবিতা নয় প্রলাপরের ঘরে বকে চলা কিচু বকবক কথা।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28857312 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28857312 2008-10-20 13:16:16
ডর লাগে ! ৩১৬ রানের লিড "The Sleeping Tiger has at last woken!"
মাশরাফি ৩৯
শাহাদাৎ ০০ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28857249 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28857249 2008-10-20 10:02:52
গল্প: আগে চলে নানা ভাই পেছনে হলদিরাম পর্ব ২ (বহুত স্লো ৫০ করলাম)
অনেকক্ষন ভেবে গম্ভীরভাবে বলে ওঠে,' হলদি, বহুদিন হল কোন গা গরমের কোন কিছু করি না। চল আজকে রাইতে একটা কাম করি--অপারেশন মিজান কাওয়া" কাকা না বলে কাওয়া বলাতে অসাধারন তৃপ্তি বোধ করে নানা ভাই।

"তাড়াতাড়ি কন, উত্তেজনায় তরপাইতেসি।" তর যেন সয় না হলদিরামের।

"চল কাওয়ার বাড়িতে আইজকা ডাকাতি করি।" নানা ভাই খুব সাধারন ভাবে বলে ওঠে।

"আপনার কি মাথা খারাপ হইসে, শেষকালে কিনা জেলের ঘানি টাইনা জীবনডা পার কইরা দিতে হয়!" একান্তু অনুগত হলদিরামও ভয় পেয়ে যায় অজানা আশন্কায়।

নানা ভাই উত্তর না দিয়ে প্ল্যানের কথা বলতে থাকে,'তোরে আমি টাকা দিমু, তুই বাজারে গিয়া ৬ টা ককটেল বোমা (আসলে চকলেট বোমা), সাথে এক প্যাকেট আগরবাতি কিনবি।"

হলদিরামের বিশাল শরীর ভয়ে কাপতে থাকে," নানা ভাই, চাপাতি কিনুম একটা ?"

ধমকে ওঠে নানা ভাই," তোর শরীরডাই বড় হইসে, মাথায় ঘিলু নাই এক ছটাকও। হুন, আমরা কি আর সত্যি ডাকাতি করুম নাকি, কাওয়ারে ভয় দেখামু যেন হে আর আমগ পিছে লাগানের সাহস না পায়।"

হলদিরাম এতক্ষনে শান্তি হয়। এইজন্যই নানা ভাইকে ও এত পছন্দ করে। সবাই যেটা ভাবে নানা ভাই সেই রকম ভাবে না। প্রশান্তিতে সে ভুলেই যায় যে নানা ভাই তাকে বুদ্ধিহীন বলেছে।

"তুই ঠিক রাত একটার সময় মনিরদের পাটঝাড়ের কাছে চইলা আসবি। আমার আসতে দেরী হইলে মসজিদের বিল্ডিংয়ের তলায় বইসা থাকিস। আমি ঠিক সময়ে চইলা আসার চেস্টা করুম।" নানা ভাই প্ল্যানসমেত সবকিছুই হলদিরামকে বুঝিয়ে আজকের মত আড্ডা সমাপ্ত করে।

মিজান কাকার বাসায় এলাকার যেদিকে তার চারপাশে ঘিরে আছে গাছপালা আর শুনশান নিরবতা। ডানদিকে রয়েছে মনিরদের পাট ঝাড় ও অন্যান্য গাছের জংগল, বাঁশ ঝাড়ের পাশেই রয়েছে মসজিদ, যার বেসমেন্টের তলে বসে অনায়াসেই রাত কাটিয়ে দেয়া যায়। পাট ঝাড় আর মসজিদের বেসমেন্টের তল ঘেষে চলে গেছে ময়লা ফেলার জায়গা ও তারপরেই ধান ক্ষেত।

এতরাতে ঘর থেকে বের হওয়া বিশাল ঝামেলার কাজ। হলদিরামের বাবা নেই, মা ও বোনকে নিয়ে তিনজনের সংসার। সবাই না ঘুমানো পর্যন্ত বের হতে পারছে না। মায়ের নাক ডাকার শব্দ পেতেই লুকিয়ে দরজা খুলে টয়লেটের দিকে রাস্তা দিয়ে বের হয়ে অনেক ঘুরপথ দিয়ে আসল জায়গায় এসে দাড়িয়েছে। রাত পোনে বাজে। জায়গাটা এত বেশী নিরব বলেই ভয়ে গায়ে কাটা দিয়ে উঠছে। দূরে দেখা যায় মিজান কাকার বাসার লাইটগুলি জ্বলা। কিন্তু এখানে এত গাঢ় অন্ধকারে দম বন্ধ হয়ে আসতে চায়। এদিকে আবার একদল মশা হলদিরামকে একা পেয়ে ভালই আক্রমন করেছে। লোকে বলে, মসজিদে নাকি রাতের বেলায় জ্বীন নামাজ পড়ে। জ্বীন হোক আর ভুতই হোক হলদিরাম অশরীরির কাল্পনিক উপস্থিতিতে নিজেকে বিপন্ন করে তোলে। মশা মারছে আর ভয়ে ভয়ে নিমগ্ন হয়ে রাম রাম জ্বপছে, এমন সময় পিঠে আলত ছোয়া পেয়ে চমকে ওঠে ও। ভয়ে মুখ দিয়ে কথা বের না হয়ে গো গো আওয়াজ বের হতে থাকে। নানা ভাই ছোট শরীর নিয়ে কখন যে পিছে এসে দাড়িয়েছে টেরই পাই নি হলদিরাম।

"কি রে হলদিরাম, গবেটের মত গো গো করস কেন , গান গাইতাসোস নাকি ?" নানা ভাই বলে ওঠে।

নানা ভায়ের উপস্থিতিতে হলদিরাম ভরসা পায়। কোন কথা না বলে ককটেল বোমার সলতেতে নিপুন কারিগরের মত আগরবাতির গোড়াটা লাগাতে থাকে। আসতে আস্তে সবগুলো বোমের আগায় এমন ভাবে সলতেগুলো লাগানো হয় যেন আগরবাতিগুলো জ্বালানোর পরে মিনিট দশেক জ্বলতে পারে। কল্পনায় দেখে মিজান কাকার রক্তশুন্য মুখ, ভয়ে কান্নাকাটি করছে।

(আর অল্প একটু টাননের খাওশ আছে)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28846408 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28846408 2008-09-22 12:13:24
কেউ নই শূন্য মাতাল
হোক না কলন্ক ওটা, তবু ঐটাই আসল রাজটিকা, নীল গ্রহের মায়াবী যাদুতে সুর্য থাকে, আসে যায়, ঘুরতে থাকে ভাগ্যলিপির রাশি তে; অক্টোপাসের বন্ধনে যতই আটকাক না কেন নীরব চোখে দেখে স্বত্তা, ভাসতে ভাসতে উড়তে থাকে আরও ভালবাসে অন্তরের ছায়াপথের গোপন সৌন্দর্যকে, যা শুধু বেড়েই চলেছে। ছুটে বেড়ায় মনের সাদা কালো ব্ল্যাকহোল থেকে ব্ল্যাকহোলে। ধ্যানীর মন আরও নিমগ্ন হয় সেই অসীমের কাছে। ধ্যানীর চোখে বিশ্লেষিত হয় নিজের স্বত্তা, পথ খুজে ঠিকই চাকচিক্যের মোহকাটিয়ে সন্নাসীর জীবনে বিলীন করে সব সম্পদকে। তারপরেও কেও একজন টিকে থাকে।

প্রাত্যাহিক জীবনে যাতানলে নিজেরা যখন তৈরী করি নিজের যন্ত্রনাময় জগত, যেখানে একেকটা নরক-ক্লোনের গ্যাসচেম্বারে দিনপাত করে প্রত্যেকে। সেই একই জীবন ধারাতে চলে ফিরে আসি নিজের বাসায়। নিজেকে নিয়মের শৃংখলে আবদ্ধ ক্লান্ত ফাইল বৈ অন্য কিছু মনে হবার কারন নেই, যে শুধু হাত বদল হতে হতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। প্রয়োজনের ফুরোবার পর বিলুপ্ত ডাইনোসারের মত তারও বিলুপ্তি আসন্ন। ধ্যানী সবই দেখে।জেগে ওঠছে যুদ্ধের দামামা। প্রচন্ড গতিতে নিজেকে জাগিয়ে তোলে আবারও ছুটে চলি পার্থিব পথে, শান্তি পাওয়া হয়ে উঠেনি। সাফল্য এসেছে অথচ তার গর্বেই ধ্বংস করে দিচ্ছে জীবনের সত্যিকারের চাওয়া-পাওয়া। পুড়ে ছাড়খাড় হয়ে যাচ্ছে ধরণী। শান্তিই যদিই কাম্য হয় তবে ধ্যানীর আহবান ঐ ভস্মেই খোঁজ যা চায় এই জীবন। প্রকৃত যুদ্ধের কাছে ধ্যানীর আহবান চলে ফিরে আসার আকুতিতে, যেখানে স্বপ্নের ছায়াপথ নিয়ে কালো গহ্বর নিয়ে এগিয়ে আসবে, উড়ে যাবে পার্থিব প্রয়োজনের সকল উপাদান। ঐ সময়ে তৈরী থাকুক শেষ বারূদ-কাঠি,তৈরী থাকুক বিরাট ধ্বস। সৌন্দর্যের খোঁজ আপন প্রয়োজনেই পথ করে নেবে।





-------------------------------------------------------

কেউ নই শূন্য মাতাল
কাব্যগ্রন্থ:পতন ও প্রার্থনা
সুমন প্রবাহন

প্রশ্নহীন আমি, পকেটে অসংখ্য ছায়াপথ
চোখে চাঁদের আকাশ, পায়ে তপ্ত কাঁচের কণা, ধূলিস্তর
এখানে ডানা মেলেছে উঁচু-নিচু বধির প্রান্তর
এখানে ছিঁড়ে গেছে বাতাসের কণ্ঠনালী
দূরে-শিলাকঠিন পাহাড়
শুকনো সাগর
অনাহারী ঝর্ণা।

কলঙ্ক! তবু রাজটীকা

ঐ যে পৃথিবী নীল গ্রহ আমার
সূর্য! দেখি তোমাকেও
কখনও কন্যা রাশিতে কখনও তুলা, বৃষ-মেষ-বৃশ্চিকে
দেখি গ্রহণের অক্টোপাসে, তবু
প্রশ্নহীন, পকেটে অসংখ্য ছায়াপথ

ভেসে যাই ছুটে ছুটে
যেন ধূমকেতু-আন্তঃনাক্ষত্রিক।
ক্রমপ্রসারমান ছায়াপথ থেকে
ছায়াপথে। বেড়াই। সাদা কিংবা কালো-
গুহা গহ্বরে,
সে আমার পর্যটন নয়-ধ্যান।
সাদা পাত্রে ধরা আত্মা আমার যেন সবুজ আপেল
ঝলসানো ব্লেডে কেটে দু’ভাগ
দ্বিধা থরোথরো, ভিতরে তবুও
হাজার বছর লাঠিতে ভর সলোমন
কমলা পিরানে প্রাচীন গাছের নিচে মুদ্রিত চোখে-
বিলীন হয়েছে, হবে
জন্মের পর নিরানব্বই ভাগ বীজ
টিকে আছে তার ওপারের একজন।


ভাবি, শূন্য হয়ে এক থেকে আজ অই সাত-
খণ্ড।
নিজেরই তৈরি যে নরক-ক্লোন, গ্যাসচেম্বার
হাইরাইজ কুঠুরিতে ফেরো
-ক্লান্ত ফাইল তুমি
তোমার গ্রাউন্ড ফ্লোরের নিচে খুঁজে পাই
ডাইনোসরের পা-পায়ের ছাপ
নিঃশ্বাস
শীৎকার
শিলাস্তরে কেঁপে ওঠা রণের দামামা।

রেডিওর দ্যুতি ছড়াতে ছড়াতে
এই যে ছুটছি, ছুটে যাচ্ছি আলোর গতিতে গোপন কোয়াসার।
আমাকে পাওনি-পেয়েছে নূরের কণা
অথচ এত অহং দাবানল!
পুড়ে যাচ্ছে মাইল মাইল জনমনভূমি
ধ্বসে পড়ছে পাহাড়, জনপদ

কোন খোঁজ ব্যর্থ নয়
চোখে রেখো অই ভস্ম
হে বোধি, বৃক্ষ আমার!
হে প্রকৃত রণ!
ফিরে আসবো সংকোচনে
পাটি গোটাতে গোটাতে ছায়াপথে পথে কালো গহ্বর নিয়ে হাতে
ঘূর্ণিপাকে উড়ে উড়ে যাবে বইয়ের খইয়ের পাতা।
তৈরি থেকো শেষ বারূদ-কাঠি
তৈরি থেকো হে বিরাট ধ্বস!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28844702 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28844702 2008-09-18 12:48:55
গল্প: আগে চলে নানা ভাই পেছনে হলদিরাম
পড়াশুনাতে নানাভাই ছোটবেলায় অত্যন্ত ভাল থাকলেও ফার্স্ট ডিভিশনে এসএসসি পাশ করার পর থেকেই তার মনে হতে থাকে কিসের জন্য এই বেঁচে থাকা, কোথাই আমাদের গন্তব্য। এই সকল আকাশ পাতাল চিন্তাতেই তার ছোট মাথা আরও ভার হতে থাকে। যার ফল সে হাতে নাতে পায় এইচএসএসি পরীক্ষায়। চারশঁত ঊনপন্চাশ পেয়ে থার্ড ডিভিশনে পাশ করে। খারাপ ফলাফলের জন্য একটুও লজ্জিত না হয়ে কেন তাকে ১ নম্বর দিয়ে সেকেন্ড ডিভিশন দেয়া হল না, তার জন্য বোর্ড কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদনও করে। রেজাল্টের কথা কেও জিজ্ঞেস করলেই উত্তর হয়, " সময় হোক সব জানা যাবে।" সে যে এক নম্বরের জন্য বোর্ডের কাছে আবেদন করেছে তা ঘুনাক্ষরেও হলদিরাম ছাড়া কাওকে জানতে দেয় না । ওটাই তার কাল হয়ে দাড়ায় একদিন।

দোষটা সম্পূর্ন হলদিরামের ছিল এটা বলা ঠিক নয়। এমন ঘটনা যে ঘটবে তা নানাভাই কল্পনাতেও ভাবে নাই। রেজাল্টের মাসখানেক পরের এক সকাল বেলা শামীমের মুদি দোকানে যাবার সময় হলদিরামের সাথে এলাকার মিজান কাকার দেখা," ওরে হলদি শুনছিস নাকি, তোর গুরু নাকি ফেল করতে করতে থার্ড ডিভিশন পাইছেরে ! " কুটনামী সুর শুনেই হলদিরামের মাথা গরম হয়ে উঠে।

উত্তরও তেতে বের হয়,"এত বড় নাটা নিয়ে কথা বলেন কেন কাকা, জানেনই তো দেশের কি অবস্থা। ঐ পাজী শিক্ষা বোর্ডের লোকেরা দূর্ণীতি কইরা নানা ভায়ের রেজাল্ট উল্টাইয়া দিছে।"

কেওই থামবার নয়," হুদাই মিছা কথা কওনের কি দরকার। আজকালকার পোলাপানগো কি হইল যে, নাচতে নাইমা কয় উঠান বাকা। যত্তসব আকাইম্মার দল।"

নানা ভাই সম্পর্কে তিতকুটে কথা শুনে হলদিরামও মাথা ঠিক রাখতে পারে না," বেশী বড় কথা বইলেন না কাকা, আর দুই মাস পর যখন নানাভাই যখন বোর্ড থেইকা সেকেন্ড ডিভিশনের সার্টিফিকিট নিয়া আনবো তখন আপানাকে দেখায়ে দিব আমি।"

"বোর্ড অফিস কেন ?" এইবার হলদিরাম বুঝতে পারল সে কত বড় ভুল করে ফেলেছে। নানা ভায়ের কাছে এবার মুখ দেখাবে কি করে!

এদিকে মিজান কাকা সুর করে চিৎকার করছে আর বলছে, " ও রে শুইনা যারে, নানা এইবার বোর্ডে গেছে, কেস কইরা নাকি ফার্স্ট ডিভিশন নিব.....হা হা হা " এলাকার সব স্তরেই শুরু হয়ে গেল নানাকে নিয়ে মজা। সে কবে বোর্ডে দরখাস্ত করল, কবে আবার বোর্ড মিটিং হবে, তা নিয়ে এলাকার অলস মস্তিস্ক বিশাল চিন্তিত। এদিকে নানা ভায়ের মুখ দেখানোর জো নাই। পারলে হলদিরামকে কাচা চিবিয়ে খেয়ে ফেলে। কিন্তু করার কিছুই নাই। গতকাল থেকেই হলদি নিরুদ্দেশ। সবাই দেখা হবার পরে প্রথমেই জিজ্ঞেস করে বোর্ড মিটিং কবে, সাথে থাকে বোনাস হিসেবে মুচকি হাসি <img src=" style="border:0;" />।

দিন যায় পুরনো জিনিষ স্থবির হয়ে পড়ে। নানা ভাই নতুন উদ্যমে চলাফেরা শুরু করে। হলদিরামও আগের মতনই পাশে ঘুরছে। হাটতে হাটতে চলে এল এলাকার একাবারে শেষে। এত ভিতরে কোন মানুষজন নাই। চারিদিকে সবুজের মিতালীতে মনটা ভাল হয়ে ওঠে, সাথে বইতে থাকে খালের পানিতে মৃদুমন্দ ঢেউ। সুরেলা বাতাসে বসে থাকে দুইজনে। আসলে এই জায়গাটা হল ওদের ভাবার জায়গা। যখন সবদিক থেকে ঝাটানী খায় অথবা করার কিছুই থাকে না তখন দুইজনে এখানে আসে মস্তিস্ককে নবশক্তিতে বলিয়ান করতে।

(দেখি আর টানতে পারি কিনা)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28837743 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28837743 2008-09-02 11:10:44
ফটোব্লগ: সিউল মিউজিয়াম থেকে কিছু ছবি, (উৎসর্গ: সকল বৌদ্ধ ভাইরা)
ভিজিটের তারিখ: 26-07-08



Unified silla period, 8th century


Bhalsajyaguru Buddha Stone, 9th century


Vairocana Buddho Stone, Unified Silla period, 9th Century


Buddho Iron, Goryo period, 11th Century


সময়টা ক্লিয়ার না


Vairocana Buddho Stone, Late Unified silla period- early Goryo period


Not clear


Avalokitesvara Bodhisattva, Late Goryo period


Shakyomuni Budha, 16th Century

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28835362 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28835362 2008-08-26 23:57:49
বাড়িত ঢুইকা দেখি এইটা মিউজিয়াম (ফটোব্লগ)
ভিজিটের তারিখ: 26-07-08



এইডা হইল গিয়া ১০তলা প্যাগোডা, প্রত্যেক তালা ৪-৫ ফুট হইব, ক্ষুদ্র মন্ক টাইপের। এইডাই নাকি এই জায়গার মেইন আকর্ষন। বুঝি না <img src=" style="border:0;" />


আমগ দেশে বাবু পাখি কত সুন্দর কইরা এইগুলান বানাই, আর হেরা বানাইয়া মিউজিয়ামে রাখছে। আজব ব্যফার :-*


জানি না, ধর্মীয় কোন কিছুর কাছে গেলেই মনটা ভাল হয়ে যায় !


আরেকটা!


বহুত সোন্দর, ছবি তুইলা মজা পাইছি <img src=" style="border:0;" /> ক্রাউন প্রিন্সের দ্বীর্ঘায়ুর জন্য কাঠের ট্যাবলেট এটা।


এইডা আমগ দাদীগো পানা রাখার জিনিষ না কিন্তু, এইডা হইল কি ভুইলা গেছি গা !<img src=" style="border:0;" />


একখান ফুলদানী। কিনতে চাইছিলাম হেরা কয় স্টক বহু বছর আগেই শেষ <img src=(" style="border:0;" /> Joseon Dynasty vase.


আরেকখান প্যাগোডা, দিতে ভুইলা গেছিলাম /<img src=" style="border:0;" />


আমার ডিরেকশনে আসিফু ছবিটা তুলছিল <img src=" style="border:0;" />



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28835184 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28835184 2008-08-26 14:48:51
পতন



পতন
সুমন প্রবাহন
কাব্যগ্রন্থ: পতন ও প্রার্থনা

ভূতগ্রস্থ মহাশুন্যে ঝাপিয়ে মেলেদি দু'হাত
শুনশান পতন নামে অস্তিত্বের চরাচরে
পতন ডানার এ ঝাঁপে হারিয়ে ফেলি সময়
বুকের ভিতর ওৎ পাতে সময়হীন মহাকাল
স্হানীকতা শুন্য এ যাত্রায়,
যা দেখি সেখানে চোখ নয়
যেখানে চোখ সেখানে দৃস্টি নয়।
সমাধিস্হ আত্নার পর্দা ছিড়ে তাকালে,
পৃথিবী নামে
ঘরে কবরের দাগ
ঝোড়ো কাকের মড়ক সংসারে
কোথায় আমি!
জানিনা,জানার নেই।

অন্ধকার রাতে নিজস্ব নক্ষত্রের পাহাড়ায়
অনেক চেনা কবরের অচেনা অন্ধকারে
কংকালের গলা জড়িয়ে ধরি
মা,আমার গায়ে খুব জ্বর!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28834733 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28834733 2008-08-25 13:53:13
মা আধার ঘরের জানালাটা খোলা হয় নি এখনও,
বাইরে রোদ্দুর অথচ কাল-নিকষ অন্ধকারে সারা শরীর,
দূরে কান্নার রোল তুলে কাঁদে নিরিহ মা।

অথচ আমারও তো পাওনা ছিল একটু হাসি
মায়ের মুখের ভালবেসে বকা দেওয়া
ভাত নিয়ে বসে থাকা একাগ্র মায়ের রাতজাগা চোখ,
দু:খি হাসির বেদনা জড়ানো মধুর সুখ।

আমিওত মানুষ পথ হারালে এখনও সূর্যকে ভালবাসি,
গভীর রাতে কান পেতে থাকি ঐ দরজায়
রান্নাঘরে কিংবা জায়নামাজে
যেথায় আমার মা থাকত, আজ নেই।

(উৎসর্গ: সুমন প্রবাহন ও তার মা, যারা আজ কেও নেই)

প্রথম প্রকাশ: ১১ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৮ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28833254 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28833254 2008-08-21 17:17:34
নরকে যাব বলল, চল আমার সাথে
ওখানে অনেক ভাল ফুল ফুটেছে
রান্গিয়ে তুলেছে বাশঝাড়ের নীচের চালটা
টিয়া পাখির পাখা ঝাপটানোতে হয় ছলাৎ ছলাৎ শব্দ
বাতাশের গুনগুন করে গাওয়া গানে ভরে ওঠে ঘর
যাবে, চল, দেখবে ছবির জগৎ !!!

লোভ হয়, বড্ড লোভ হয়,
হোক নরক, তবুও যাব
একটু ঝুকে নিজেকে বুকে নেব
পৃথিবীর থেকে ভালতো অবশ্যই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28832249 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28832249 2008-08-19 08:02:18
সুমন প্রবাহনের কবিতা (কাব্যগ্রন্হ : পতন ও প্রার্থনা) ও স্বার্থপর আমরা !



রাত একটা পনেরো মিনিট
সুমন প্রবাহন


ফাঁসির কাঠে ঝুঁকে রইলাম এবং নিঃশব্দে দীর্ঘ শ্বাস
প্রশ্বাস আমার পাকস্থলি ঘুরে আসে
মায়ের চুলের গন্ধ মনে আসে
শিশুদের কথা ভাবি কল্পনার
এত সুন্দর আমার শিশুরা
আবারও জীবন পেতে ইচ্ছে হয়
মনে হয়
সুদীর্ঘ আদিম হতে এই যে মানবযাত্রা
এর শেষফল এই শিশু
যতনের হীরামণি !
বর্ষা জানালায় ভিড় করে স্মৃতিচারণে।
এখন কুয়াশায়-
চাদরমুড়ি ভাঁপা পিঠা
জেনারেল আমার মৃত্যুযন্ত্রণা বেশিক্ষণ স্থায়ী না হয়
জেনারেল দ্রুত; দ্রুত করো
আর আত্মায় ভর করে চলে যাবো
নিঃশব্দে অস্পৃশ্যালয়ে
ধ্রবতারা দেখে
কখনও ডানে ভর করি কখনও বামে
আর আমি তো সূক্ষ্ম সুতোয় ভর করে
টলে টলে হাঁটি
ধীরে খুব ধীরে হাত সামলে নেই
উৎপল আমায় জানিয়েছে এমনই হয়
তবু আমি সমুদ্রপাড়ে দীর্ঘ প্রলাপে প্রলাপে ভাবি
শেষ নেই
জেনারেল এসব কথা হয়তো আপনি জানেন
আপনার উপস্থিতিতে আমি বলে উঠি, ইয়েস্ স্যার
এবং হাঁটি, বাম ডান... বাম...
এবং আমি ফাঁসি কাঠে
জেনারেল ফাঁসির কাঠে আমার দীর্ঘশ্বাস
আপনি মনে রাখবেন।
আমার ফায়ারবক্সটা খুঁজে পাচ্ছি না
জেনারেল সিগারেট
জেনারেল ম্যাচটা ধরুন
আমার হাতটা উড়ে গেছে।
জেনারেল মাথায় আমার নিকোটিনের আহ্বান
কে জানে জন্মঘোর পেয়েছে বুঝি
তবু ভালবাসি
হাত থেকে সিগারেট খসে পড়ে
জেনারেল আমি অজানায় কাঁপি
জেনারেল আমি অজানা
জেনারেল প্রধানমন্ত্রী আমার খবর রাখেন
জেনারেল বিরোধী দলীয় নেত্রী
খুব শাসিয়ে গেলেন আমাকে
জেনারেল তবু সিগারেটের অবশিষ্টাংশে
ঠিকই চুমুক দেব
হয়তো খাবো আর এক কাপ চা
হয়তো জোর করে বলবো, মামস্,
বলো না স্কুলে কি হলো ?
লাবিব, আসো আরও কিছুণ বালু-ট্রাক ভরি
জেনারেল আপনার হাতের স্পর্শে
জোনাকি পোকা নিভে গেল
জেনারেল আমি
কখনও চোখের জল
দেখাবো না কাউকে
বাঁশি বাজে খুব
বাঁশি বাজে খুব
আমি সুরের পাশে কাত হয়ে শুয়ে পড়ি
জেনারেল এমন হয়
আমাদের অর্থ্যাৎ কবিদের
আপনাদের হয় কিনা জানি না
এখনও রাত জাগা কতটুকু স্থির হবে
স্থির করতে পারিনি
এখনও ভোর কতটুকু হবে স্থির করতে পারিনি
প্রায়ই আমি কিছুই স্থির করতে পারি না
বুঝলেন জেনারেল
আমার হয়, আপনার মত জানাবেন
আপনার সাথে
দুপুরের খাবার খেতে খেতে
মাংসের পেশি খুব ধীরে ধীরে
চিবুতে চিবুতে আমরা
রাষ্ট্র-বিপ্লব নিয়ে ভাববো না হয়
ভাববো আফগানিস্থান অতীতে কিংবা
বর্তমানে কতটা স্বচ্ছল আছে
আর পিপাসা
রাত যত গভীর হয়
আমার কণ্ঠনালী বেয়ে নামে পিপাসা
পিপাসার পুত্র আমি
বাবার নাম আকাশ নীল
এসব কথা যদি রাষ্ট্র হয়ে যায়
খুব একটা ভাববো না আমি
বরং ভাববো
এ বছর বোমার আঘাতে কতজন মানুষ পঙ্গু হলো
ভাববো; হয়তো কিছুই ভাববো না
বিবশ হয়ে বসে দেখবো
চড়ুই বাঁধে বাসা
প্রান্তে আমার ঘরের
শালিকেরা উড়ে গেছে কবে বহুদূরে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28830871 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28830871 2008-08-14 16:31:23
সিন্দুক তাইত আর বাড়ানোর ইচ্ছাও জাগেনি মনে
তবুও ইচ্ছে হল সিন্দুক খুলে পরখ করবার
হিরে মুক্তোর খনিটার কি অবস্থা জানবার !

কি অবাক কান্ড, এতটা কেঁপে উঠব ভাবিনি আগে
এভাবে শুন্যরিক্ত তাকগুলো তাকিয়ে থাকবে
দেওলিয়াত্বর ঘোষনা দেবে রক্তাত্ব করে তুলবে
আমারই সাধের সৌধটাকে, জানলে সিন্ধুকই রাখতাম না।

গোপনে গিয়ে সন্তানের মুখে চুমু খেলাম কিন্ত একি
রক্ত লেগে আছে আমার ঠোটে
রেশমী চুলে বিলি কেটে আদর করেছি ওর ছোট্ট মাথায়
করোটি ছিন্ন হয়ে পরে আছে পাশে।

এসব কি হচ্ছে ভাবতেই মনে জেগে উঠে পরশীর কথা
ক্ষুধার জ্বালায় কাতর সন্তানের পিতা এসেছিল কাতর প্রার্থনা নিয়ে
সময় ছিল না বলে তাকানো হয়নি, বিবেকও জাগেনি ওঁর সন্তানের জন্য
অথচ প্রসাদোত্তম বাড়িতে ইটালিয়ান টাইল্‌স আর পার্সিয়ান কার্পেটে দাড়িয়ে
ভাবছিলাম নিজের নিশ্চিন্ত ভবিষ্যতের কথা।

কখনো জানতাম না সব পেলেও নাকি সবই হারিয়ে যায়
নিজের ছোট্টমনিটা আজ নিথর পাখি হয়ে আকাশে উড়ছে
আত্মার সকল বন্ধন দুরের জানালাতে বসে দয়ার চোখে বলছে,
"ওরে পাপী ! আসল সিন্দুক কোনদিনই ভরা হল না তোর !"
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28828273 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28828273 2008-08-07 08:32:49
একাকিত্ব থেকে আরও একা আসলেই কি তাই
সবকিছুই কি ছিল আমার দোষ
সময়ের দোষ কি তবে একটুও নেই।

অনেক আশা নিয়ে ছেলেটা দাড়িয়েছিল রেলিংয়ের ধারে
দিগন্ত বিস্তৃত নীলাভ আকাশে দাড়িয়ে আকাশ ছুবে
আকাশ ছোয়া তার হয়ে উঠেনি
আকাশের বুকে তারা হয়ে আকাশ হয়েছে নিজের অজান্তেই।

মধ্যমনিকে সবাই কাছে টানে ভাল না বাসলেও
আকড়ে ধরে
আজ যে মধ্যমনি হবার সুযোগও তার নেই
কিন্তু বন্ধু আজও আমি তোমায় আকড়ে ধরি।

মায়ের মৃত্যুতে কখনো কখনো সন্তানের মৃত্যনোট লেখা হয়ে যায়
কখনো কখনো চন্চল সদা হাস্যময় তরুনও হয়ে ওঠে নির্বাক
সময় তখনও তাকে ঠিক করার তাগিদ নেয় না
ভালবেসে পথ দেখায় না ঐ দিকে যাও ওখানে অনেক শান্তি আছে।

একা হতে হতে একাকিত্বের যন্ত্রনা যখন ব্রেনের প্রতিটা কোষে ছড়িয়ে পড়ে
আরো একা হতে চায় মন
এত একা যে পৃথিবীর মানুষ কখনো কল্পনাও করে নি
তখনই রচিত হয় আসল "পতন ও প্রার্থনা"


উৎসর্গ: তাকে, যার আর কিছুর দরকার নেই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28825209 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28825209 2008-07-29 12:03:14
কাব্য ঢংগের কাব্য শিশুর কাব্য নাচুনে কাব্য
পাগলের কাব্য মাইকেল কাব্য
সব কাব্যরে মিশাইয়া কাব্য বানাই
অমলেট কাব্য, মামলেট কাব্য
সাধু কাব্য, অসাধু ভব্য তারও কাব্য
অনেক কাব্যের মলাটে ঝকঝকে কাব্য
কঠিন শব্দের বাধনে সুললিত দীর্ঘ কাব্য
ছন্দ কাব্য গদ্য কাব্য অনু থেকে পরমানু কাব্য
ভেতরে ফাকা তবুও দামী পাতার কাব্য
সব রকমের কাব্য আছে, নকল করি ছবি কাব্য
মানবীকতার সরেশ কাব্য, বিজ্ঞাপনের অশ্লীল কাব্য
মিথ্যা বিপ্লবীর চেতনার কাব্য,
দেশের কাব্য দশের কাব্য
বুড়ো ভামের নখের কাব্য, চেন লাগিয়ে পাপ ঢাকার কাব্য
কাল পাঁপড়ির সৌন্দর্যের কাব্য কালো মেয়ের আলোর কাব্য
নিভৃতে কাঁদে নষ্ট নারীর নিরব কাব্য ব্যথায় কুঁকড়ে ওঠে বুকের ব্যথার কাব্য
গৃহিনীর লালচে গালের আভার কাব্য, মিস্টি ঘামের মধুর গন্ধের কাব্য
ফাঁসির দড়িতে ঝুলে জীব বের করে পা দোলানো বধুর কাব্য
ছোট পায়ের মিস্টি কাব্য স্বপ্ন জাগানো কৈশোরের কাব্য
কাঁক ফাঁটা রোঁদে কৃষকের বুক ফাটার কাব্য
অগ্রাহনের গানের কাব্য যেখানে ঘুমায় মেলার কাব্য
ফ্রন্ট পেজের রংগিন দানের ছবির কাব্য কালো চশমায় কালো টাকার কাব্য
দম আটকে মরে থাকা শিশুর কাব্য অন্যদিকে সেরেলাক কাব্য
বদ্ধ পুকুরে ফুটে উঠা পদ্ম ও হাঁসের কাব্য
নদীর বুকে হাওয়ায় ফুলে ওঠা পালের ভরন্ত যৌবনের কাব্য
এসিড জলসানো হতভাগীর গল্পে বিখ্যাত হবার কাব্য
কচুপাতায় টলটলে শিশিরে ঝলমলে কাব্য
তবুও
ঝুল থেকে ছলকে পড়ে আসল কাব্য
এবং
সকল কাব্যে চোখ কান খসে পড়ে আমার কাব্য।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28824761 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28824761 2008-07-27 21:48:26
বেঁচে আছি ধীর অথচ দৃঢ় পায়ে সম্মুখের কাটাময় রাস্তায় দৃষ্টির সন্চালন,
পর্দার ফাঁক গলে চরম পেলবতায় ছুয়ে যাওয়া নরম রোদের পরশ
আবার মনে করিয়ে দেয় বেঁচে আছি।

ঘুমমাখা রক্তিম চোখ, আরস্ঠ শরীর জুড়ে তিব্র এক আলসেমী
হঠাৎ কর্কশ স্বরে কেঁদে ওঠা কাকের সাথে চড়ুইয়ের মিতালী,
কিংবা মোরগের তোপধ্বনিতে রাত্রি শেষ হবার হুইসেল,
আবারও বুজতে পারি বেঁচে আছি।

শীতের সকালের হিমেল বাতাসের সাথে মেঠো গন্ধের মন মাতাল সুর
শরীরে কিন্চিত শীতবোধের অনুধাবনে শীতার্থ ঠোটটা একটু ভিজিয়ে নেয়া,
সবুজ ধরিত্রির পাহারাদার গাছ হতে ভেসে আসা পাতার মুদু গানে
আমি এখনও বুজতে পারি , "হ্যা আমি বেঁচে আছি "!

প্রথম প্রকাশ: ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:০৭ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28823968 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28823968 2008-07-25 06:56:28
ভন্ড আমি, কোন সমস্যা আছে ?
অনেক সময় ভাল ভাল পোস্ট খুজে পাই। মানবতার পক্ষে, দেশের পক্ষে, নৈতিকতার পক্ষে। বেশীরভাগ সময় আমি কমেন্ট করি না। নিজেকে যোগ্য মনে হয় না। মাঝে মাঝে কমেন্ট করে ফেলেছি, পরে দেখলাম ওটা লেখার বিষয়বস্তুর চেয়ে নিজেকে বড় করার চেস্টাটাই আরো বড় হয়ে গেছে। নিজেকে ভিক্ষুক ভিক্ষুক লাগে। ভাল লাগে না, ভিক্ষা করে বড় হতে। নিজেকে আরো দীন মনে হয়। মনে হয় ভাল মানুষ হবার সার্টিফিকিটের কাংগাল হয়ে পড়ছি। ু ...... না। হইলাম না, ভাল মানুষ। পারি না। আবারও ঢুকে পড়ি একই জায়গায়। একই চক্রে ঘুরতে থাকি। বুঝি ভাল না লাগলেও ফাও ফাও তো কিছু পাও য়া যাচ্ছে। আবার খারাপ লাগতে থাকে। আবারও একই কাজ করি।

মানুষের রক্ত আছে বলেই কখনো কখনও এই ভাবনাগুলো ভাবায়। সামহোয়ারইনে পোস্ট দেবার আগে কমেন্টস, রেটিং এইসব নিয়ে একটুও লালায়িত ছিলাম না। এখনও অতটা নই। আমার মান আমি জানি ভাল করেই। সবার ব্লগে কমেন্ট করি বলেই অনেকে আমার লেখাতে অনেকেই পাল্টা কমেন্ট করে যায়, অনেক সময় না পড়েই। কেও কেও কমেন্ট করে একেবারে ভালমতন দেখে, খুশি হই; আর অনেকে আমার বন্ধু বলে ভালবেসে মজা কারে, সাথে থাকে। আমি পাল্টা কমেন্ট চাই না, চাই নিশ্বাসে সুবাশের আভাস। চাই প্রানের সজীবতা। তারপরও হারায় আমি অনেক কিছু মাঝে, যেমন প্রতিনিয়ত হারাচ্ছি দৌনন্দিন জীবনে। প্রথম প্রথম যখন ব্লগে লেখা দিতাম, তারপর থেকেই নিজের মাঝে পরিবর্তনগুলো খুব সহজেই অনুধাবন করতে পারছিলাম। যারা ঐসব অখাদ্য লেখাতে কমেন্টস দিয়েছে সবাই যে আমার লেখার প্রসংশা করেছে তা নয়, উনারা আমাকে পজিটিভ রেটিং দিয়ে আমাকে আরো লোভী করে তুলেছে। তখনই আমার মাথায় চিন্তাটা স্ট্রাইক করলো, আমিও প্রচন্ড লোভী। কিন্ত আজব বেপারটা হলো এই রেটিং, কমেন্টস এইগুলো পেয়ে আমার বৈষয়িক কোনো লাভ হবে না, তারপরও আমি লোভ থেকে নিজেকে দুরে রাখতে পারলামনা। কারন, বাস্তব জগতে পারি নাই লোভ থেকে দূরে থাকতে, এই জগতে পারলাম না। অভ্যাস হয়ে গেছে। অথচ আমার উচিত ছিল মনের আনন্দে সবার লেখা পড়া, তাদের সাথে দুস্টমী করা, তাদের ভালমন্দের সাথী হওয়া।

সত্যি কথা বলতে কি, বুদ্ধি হবার পর থেকেই আমি লোভী, ভাল মানুষের মুখোশ পরে শুধু ভন্ডামী করি। হে, আমি ভন্ড। আরো ভন্ডামী করব। যতদিন আমার শ্বাস থাকবে ভন্ডামী করেই যাব। বাতাশে শ্বাস নিয়ে ভন্ডামী পেয়েছি, মানবতার মোড়কের ভন্ডামী পেয়েছি, সেবার পালকে কৃতদাসের পালকি দেখেছি, সেইখানে আমার মত ভন্ডরা বহাল তবিয়তে বেছে থাকবে। যুগ যুগ থেকে আছি, থাকব।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28822469 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28822469 2008-07-21 07:18:56
অভিযোগ শরীরের পচন আত্মাকে পচাতে পারে নি বলেই আমার বিশ্বাস
একটু কষ্ট করে কলম-কাগজ নাও, রাত এখনও রঙিন সেই আগেকার মতই
যখন আমরা হেটেছি জ্যোৎস্না বন্যার সরু পথে,
সেই পথ আজও তোমার অপেক্ষা করে, তার জন্য না হয় লিখলে আবারও।

তীব্রসুরে চিৎকার করে পাখিরা বলে ওদের না পাওয়ার বেদনা
যাদেরকে কথা দিয়েছিলে ওদের জন্য কবিতা লিখবে,
জোয়ারের নতুন মাছ উকি দিয়ে আজও তোমার খোঁজ করে যায়
তোমাকে না দেখতে পাবার অভিযোগ জানায় আমাকে,
সবুজ দ্বীপের বিশাল বটগাছ কেঁদে বলে তোমার কথা
কতদিন দেখে না তোমায়,
সবার অভিযোগপত্র ঠিকই দাখিল হয়, কিন্তু আমারটা...... ?


(কামে গেলাম, পরে কথা হইবেক)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28820793 http://www.somewhereinblog.net/blog/ratingblog/28820793 2008-07-16 07:15:15