আমার প্রিয় পোস্ট
- ও.ডি.আই. রেকর্ডে বাংলাদেশের সেরা বোলারদের ক্রমতালিকা (এ যাবতকালের সকল বোলার) - জুহো.
- পাহাড় থেকে সেনা প্রত্যাহারের মানে কী - পি মুন্সী
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- ইন্টারেষ্টিং কিছু ওয়েবসাইট..... শেয়ার করতেই হলো - কে.এম. মাহ্বুব শরীফ (রাতুল)
- কিছু কমার্শিয়াল সফটওয়্যারের ফ্রি আল্টারনেটিভ - অজানা এক পথিক
- উইন্ডোজ একটিভ করতে পারেন কোন সফটওয়ার বা ক্র্যাক ছারা ই - নাজিরুল হক
- সকল ব্লগারের উদ্দেশ্যে - নোটিশবোর্ড
- গুরুত্বপূর্ণ সফট এর সিরিয়াল নাম্বার........ কাজে লাগলে ধন্যবাদ দিবেন - আিক
- আসছে বিপা(BIPA): ভারতের সাথে বাণিজ্যিক দাসত্ব চুক্তির পায়তারা - দিনমজুর
- অনলাইনে বাংলা লিখুন কোন সফটওয়্যার ছাড়াই - jewelosman
- ছোট কিন্তু কাজের ও মজার একটা সফটওয়্যার। - নিঃসঙ্গ
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- বদ্রিয়াঁকে ভুলে যাওয়া - ইমরুল হাসান
- File লুকোনোর নুতুন পদ্ধতি !! - আরশান খান
- রেসিপি: জনপ্রিয় মণিপুরী ইরলপা - কুঙ্গ থাঙ
- আমার দেখা সেরা ১০ ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- ২০০১ কিংবা ২০০৮/ অডিসির স্বপ্নদ্রষ্টার প্রস্থান - রাগিব
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (২) - ত্রিভুজ
ঝাকের কই হবার চেয়ে বন্ধুহীনথাকা ভাল, বিবেক বিক্রি করুম না, পারলে ঠেকাও ! ratul.mahmud@yahoo.com

মুজিব মেহদী ভায়ের নোট ও আমার কষ্ট, মেধা আজ দুর আকাশে..।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭
তিল ধারনের ক্ষমতা না থাকিয়াও মুড়ির টিন বাস গুলো দিনকে দিন অনেক লোড লইয়া চলিয়াছে, এবং তিলকে তাল বানাইয়া তিলের মাঝে নিজে ঢুকিয়া সারি সারি তিলের চাষের যে প্রচলন তা ইদানিংকালে যেমন দেখা যাইতেছে, হয়ত পূর্বেও কেও কেও দেখিয়াছে।
আমার আলোচনার নির্যাসের মাঝে কোথাও তিলের তিল পরিমান না থাকিলেও তিলের ব্যবহার করিয়া করিয়া ভাবিতেছি, কি করিয়া ইহার সাথে ব্রাত্য রাইসুকে ঢুকানো যায়। ভাবিতে কষ্ট হয় যাহার মাথাতে কত শত বুদ্ধি-সৃজনশীলতার ঘুরপাক অহরহ ছিল, যেই মাথার অবস্থা বর্তমানে এই করুন অবস্থা কি করিয়া হইল! কিরূপে হোক বিরূপেই হোক, ইহা যে ঐ মুড়ির টিন বাসগুলোতে ঠাসিয়া ডাসিয়া লোকভরার মতই অবস্থা হইয়াছে, অতিরিক্ত যাত্রীবহনের ফলে উহা একদিকে কাত হইয়া তক্তা মারিয়া গিয়াছে। অতিরিক্ত বুদ্ধির ঠাসাডাসিতে নধর শরীরখানী তখন উল্টাইয়া যাইবার উপক্রম।
কাহারও সাথে ব্যক্তিগত আক্রোশ যখন পেশাগত স্থান ছাড়িয়া পাবলিকে স্পেসে স্পেস স্যুট পরিয়া অবতরন করিয়া থাকে তখন তাহার পশ্চাৎদেশে কেহ যদি মৃদু আঘাত করিয়া বসে তাতে কাহাকেও দোষ দেওয়া যাইবে বলিয়া মনে হয় না। যাহারা আমরা এই ব্লগবাসী, অথবা পেপার পড়িয়া বা টিভি দেখিয়া থাকি তাহারা প্রত্যেকে জানি রোকেয়া কবীর ও মুজিব মেহদী রচিত মুক্তিযুদ্ধ ও নারী বইটা কিরূপে কিছু দূর্বৃত্তকর্তৃক লুন্ঠিত হইয়া একুশে বইমেলায় প্রকাশ পাইয়াছে। আমি আশেপাশের সকলকেই বলিতে শুনিয়াছি, ইহা বড় অন্যায়, ইহা একজন লেখককে মারিয়া ফেলার মত অপরাধ। মৃত্যুর স্বাদ গ্রহনকারী ঐ লেখকদ্বয় যদি থুতু নিক্ষেপ করিতে চাই তাহলে তা নিশ্চয় খুনের চেয়ে বড় অপরাধ হইবে না বলিয়া ইহা আমি বিলকুল নিশ্চিত।
অথচ ব্রাত্য সাহেব কি সুন্দর করিয়া ইহা বলিয়া গেলেন তাহাতে আমার খুব কষ্ট হইতেছে। আমি ইহাকে নিচে পেশ করিতেছি-
"বই চুরির ব্যাপারে মামলা করলেন না কেন? মামলা করলে দেখবেন থুতু দেয়া যায় না। পুলিশের কাছে গিয়া "চোররে থুতু দিতে চাই" বলার অর্থ হয় না। চোররে থুতু মারার জন্য যে ভদ্রলোকদের মুখ ব্যবহার দরকার তারা কি আপনারে তা করতে দেবেন আশা করছেন? আপনাদের বইয়ের মেধাস্বত্ব মাইরা দিয়া যত বড় অপরাধ করছেন মেহেদী হাসান পলাশ আমার ধারণা ওনারে থুতু মারার আহবান জানাইয়া তার চেয়ে কম অপরাধ করেন নাই আপনি।"---ব্রাত্য রাইসু
নিজের সৃষ্টিকে চোর মেহেদী হাসান পলাশ চুরি করিয়া নিয়াছে, তাহাকে থুতু মারিবার মত কথা বলিয়া মুজিব মেহেদী অনেক বড় মনের পরিচয় দিয়াছেন বলিয়াই আমার বিশ্বাস। আমি যদি ঐ জায়গায় থাকতাম তাহলে ঐ পলাশকে জুতোপেটা করিয়া দেশ ছাড়া করিতে কুন্ঠাবোধ করিতাম না। কিন্তু বড়ই অভাগা আমরা। শাষনযন্ত্র আজ পাষান লোকদের হাতে, মুক্তিযুদ্ধ আজে লুন্ঠিত ঐ সকল চোর চামুন্ডাদের হাতে, ইতিহাস আজ পাতিহাস হইয়া দূর দূরান্তে উড়িয়া যাইতেছে, কে তাহাকে পথে ফিরাইবে ঠিক নাই। এই রকম নিষ্ঠুর সময়ের মাঝে যখন মুজিব মেহেদী সবাইকে ডাক দিয়াছেন এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করিবার জন্য, তখন সর্বশক্তিতে বলিয়ান তিলে তিলারন্য ব্রাত্য রাইসুর বুকে ইহা তীব্র আঘাত হানিয়াছে। উনি বলিয়া উঠিয়াছেন, মুজিব মেহেদী, পলাশকে অপমান করার ব্যাপারে আমার আপত্তি রহিল।
ভাবিয়া পাই না, এই মানুষটাই না কি সুন্দর রচনা রচিয়াছে, অথচ সৃষ্টির স্বত্বাধিকারীর প্রতি তাহার কি বিরাগ। আমাকে মাফ করিবেন ব্রাত্য রাইসু, আমিও বুকে ব্যাথা পাইয়াই ভুল বাংলায় কিছু নোট রাখিয় গেলাম।
সাথে সাথে আমিও ইহাও আশা করিয়া থাকি, আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মেধাস্বত্ব চোর মেহেদী হাসান পলাশ উপযুক্ত শাস্তি পাইবে এবং রোকেয়া কবীর ও মুজিব মেহদী তাদের নিজের বইকে নিজের অধিকারে ফিরিয়া পাইবেন।
Click This Link মুজিব মেহদী
Click This Link ব্রাত্য রাইসু
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হাসিব বলেছেন:
আমি কামলায় আছি আপাতত । রাইতে আইতেছি ।
লেখক বলেছেন: ওকে আস। সচলে তোমার আইডিয়া গুলা পড়লাম ঠিক কইস।
লেখক বলেছেন: কি বলব বলেন, মানুষ যখন বড় হয়ে যায়, তখন তাদের কেও কেও নিজেকে ঈশ্বর ভাবতে শুরু করে, কিন্তু জানেনা ঈশ্বর সব জানার সম্মিলিত নাম। ঐ সময় তাদের মাথা খারাপ হয়ে যায়, তিলকে তাল ভাবিয়া কথা বলা শুরু করে। সাথে সাথে আশে পাশের সবাইকে আগুনে জ্বলিয়ে মারে!
রাতুল" বলেছেন:
"বই চুরির ব্যাপারে মামলা করলেন না কেন? মামলা করলে দেখবেন থুতু দেয়া যায় না। পুলিশের কাছে গিয়া "চোররে থুতু দিতে চাই" বলার অর্থ হয় না। চোররে থুতু মারার জন্য যে ভদ্রলোকদের মুখ ব্যবহার দরকার তারা কি আপনারে তা করতে দেবেন আশা করছেন? আপনাদের বইয়ের মেধাস্বত্ব মাইরা দিয়া যত বড় অপরাধ করছেন মেহেদী হাসান পলাশ আমার ধারণা ওনারে থুতু মারার আহবান জানাইয়া তার চেয়ে কম অপরাধ করেন নাই আপনি।"---ব্রাত্য রাইসু
লেখক বলেছেন: এইখানে আমার কথা হইল এর পরেও কি উনি নিজেকে ভদ্রলোক বলিয়া দাবী করিবেন ?
মুজিব মেহদী বলেছেন:
রাতুল, অনুগ্রহ করে একটা তথ্য নিন। বইটা আমার একার না। আমি দুজন লেখকের একজন। লেখকদ্বয়ের নাম রোকেয়া কবীর, মুজিব মেহদী
লেখক বলেছেন: মুজিব ভাই, কথাটা আপডেট করে দিয়েছি। রোকেয়া কবীরের নামটা। আসলে আমি স্মৃতি থেকে লিখেছিলাম, পরে আপনার ব্লগে গিয়ে উনার নাম নিয়ে নামটা আপডেট করেছি। দু:খিত অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন বাপ্পী ভাই। এভাবে কারও লেখআ চুরি আর তার বুকে ছুরি মারা একই কথা। তাদের কত বড় সাহস আবর বই মেলায় প্রকাশ করে। আর যারা তাদের এই চৌর্যবৃত্তিকে সাপোর্ট করে তাদের প্রতিও রইল অশেষ ঘৃণা। এভাবে আর যাই হোক সাহিত্য হয় না, আন্ডারওয়ার্ল্ডে নাম লেখান যায় শুধু। এটাকে আমরা প্রতিরোধ না করলে পরবর্তীতে অন্যের বেলায় এমন যে হবে না তার গ্যারান্টি নাই।
বিগব্যাং বলেছেন:
ভৃত্য তার সাবলর্টান জগত থেকেও মুজিব মেহদীকে "চোর" এবং "না চোর" দুদলের মধ্যে ভেদ না করার আইন-কানুন ও নৈতিকতা (হের নৈতিকতার মুখে মুইতা পোন্দে লাত্থি) সম্পর্কে উপদেশিয়েছেন...শুনে ঐ হাউয়ার নাতিরে ধইরা পুন্দায়া হের হোগা ফাটানোর ইচ্ছেটা আরো বাড়ল...কারণ বুকা্দাটা নিশ্চয় "যে তাকে পুন্দিয়েছে" এবং "যে তাকে পুন্দায়নি" এই দুদলের মধ্যে ভেদ না করে উভয়কেই সমান ভালোবাসবেন...
লেখক বলেছেন: আমি তো এইখানে বিভেদের কিছু দেখি নাই। যে দোষী তারে দোষি কইতেই হইব। উনি বিভেদ পাইল দেইখাই আমার কষ্ট লাগচে। যেইখানে যারা লেখালেখি করে তাদের সবার একসাথে থাকা উচিত ছিল, সেইখানে ব্রাত্য রাইসু একটা পক্ষ নিয়া জিনিষটাকে অনেক ঘোলা বানাইয়া ফেলছে বইলা আমার অভিমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল ভাই।
লেখক বলেছেন: বই চুরি রোধ না করা গেলে একদিন দেখা যাবে আমাদের সবই চুরি হয়ে যাচ্ছে।
আজ আবার দেখলাম তিনি জাতীয় পতাকা/সঙ্গীতকে সম্মান করে দাঁড়াবেননা বলে ঘোষনা দিয়েছেন ... ঠিক আছে ... কারো যদি জাতীয়তাবাদকে অস্বীকার করার ইচ্ছা হয় অসুবিধা নাই ... তবে সেইটার কারণ হিসাবে অযথা পৌত্তলিকতাকে টঈনা একটা খিচুড়ী রান্না করার গায়ের জোরপ্রসূত চেষ্টা দেইখা হাসিই পাইছিলো
লেখক বলেছেন: আলাদা হওয়া ভাল, তাই বলে যা সুন্দর তার থেকে আলাদা হলে আর যাই লাগুক থাকে সুন্দর লাগবে না। জাতীয় সঙ্গীতকে তার সন্মান না দেখালে আমাদের কিছু যাই আসবে না। শুধু মিডিয়ার মানুষরা ফিসফাস করতে পারে, তাও হার্ডলি ২-১ দিনের জন্য। কি জানে বলেছিল ১০ জনের মাঝে নাকি ২ জন মানিষিক রোগে ভুগে, তার মাঝে ১ জন হলাম আমি, আর একজন হল ব্রাত্য রাইসু
। মুজিব মেহদী ভায়ের সাথে তার খারাপ সম্পর্ক থাকতে পারে, তার মানে এই না সমগ্র লেখক সমাজের বিরুদ্ধে তাকে চলে যেতএ হবে। সব কিছু থেকেই নিজেরে আলাদা করার মাঝে কোন কৃতিত্ব নাই, কৃতিত্ব আছে খারাপ কাজ থেকে নিজেরে আলাদা করার মাঝেই ।
নিশাচর পাখি বলেছেন:
বাংলা ছবিতে আগে শেষের দিকে একটি ডায়লগ থাকত আর তা হলো 'আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না। কিন্তু ততক্ষণে হয়তো ভিলেন কে কিছুটা উত্তম মধ্যম দেওয়া হয়ে যেত। মুজিব ভাইয়ের উচিত ছিল আগে কিছু উত্তম মধ্যম দেওয়া তারপর ব্রাত্যর ডায়লগের মতো কিছু কথা শোনা।ধরে নিন আমার সন্তানকে চুরি করে নিয়ে গেছে একজন। আর একজন পুলিশ (!) আইনের কথা বলে প্রকান্তরে ঐ চোরের পক্ষে সাফাই গাইলেন। কেমন লাগবে বলুন তো?
এটা শুধু সাধারন মেধাস্বত্ত চুরির বিষয় নয়, এর সাথে জড়িত আছে রাজনৈতিক মেধাশুন্যতা। সবারই উচিত বুঝে শুনে কমেন্ট করা । হুট করে ডিগবাজি (পড়ুন নর্দন-কুর্তন) দিলে কয়েকটা হাততালি হয়ত জুটবে কিন্তু হাততালিই কি সব???
লেখক বলেছেন: হাহাহাহা, মজার কথা বলেছে, চিনেমার হলে না কতই মজা হত। রাজনৈতিক মেধাশূণ্যতা দিনকে দিন আমাদের দেওলিয়া করে চলেছে, সত্যি বলেছেন।
অনিশ্চিত বলেছেন:
এই ব্লগেই মাঝে মাঝে এমন লেখা পড়ি যে পড়ার সাথে সাথে মুখ দিয়ে 'ুদির ভাই' শব্দগুলা বেরিয়ে যায়। এখন রাইসুর মতো কেউ যদি এইটা নিয়া অভিসন্দর্ভ রচনা করতে বসে, তাইলে তো সমস্যা! মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তিটাই এটা। রাইসুরা সেইটা বুঝে কিনা কে জানে। অথচ মুজিব মেহদী সাথে সাথে স্বীকার করেছেন, এটা তার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ামাত্র। কিন্তু রাইসু কোন কামে এইটা নিয়া গুতাগুতি করছে সেইটাই বুঝতে চাচ্ছিলাম। নির্লজ্জ প্রচারণা ছাড়া আর কোনো কারণ তো পাইলাম না।
লেখক বলেছেন: প্রচারনা ছাড়া আর কি কমু কন ? এইভাবে উল্টাপাল্টা কথা কইয়া আর হওয়া যাক দায়িত্ববান মানুষ হওয়া যায় না। হেরা যে কবে ঠিক লাইনে আইব আল্লাই জানে, মাঝখান দিয়া মুজিব ভায়ের পিছনে লাগছে। আরও যে কার পিছে লাগব ইয়ত্তা নাই। তার চেয়ে হে যদি একটু লেখায় মনযোগ দিত আমরা ভাল কিছু পাইতে পারতাম।
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
সহমত আপনার সাথে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














