somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বিপিএল থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেট কি পাবে?
বিনোদন জগতে ভারত কিছু একটা করলে বাঙ্গালীর সেটা কপি করা চাই-ই-চাই। এতদিন সেটা বস্তা-পঁচা সিরিয়াল কিংবা রিয়েলিটি শো এর ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ ছিল। এইবার সেটা দেখলাম খেলার ক্ষেত্রেও। আইপিএল এর কপি-পেষ্ট ভার্সন হিসেবে শুরু হয়েছে বিপিএল। এটা যে ইণ্ডিয়ান জিনিসের কপি, সেটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে বোঝানোর জন্য আয়োজকরা খোদ ইণ্ডিয়ান মাগী এনে মঞ্চে লেংটা করে নাঁচিয়ে এর উদ্বোধন করেছে। তারা ভেবেছিল, এই লেংটা নাঁচ দেখে আবাল দর্শক গাটের পয়সা খরচ করে স্টেডিয়ামে হুমড়ি খেয়ে পড়বে। কিন্তু আফসোস, তাদের মনের খায়েশ পূরন হয়নি। টিভিতেই বিনাপয়সায় লেংটা নাঁচ দেখে দেখে ইতিমধ্যে দর্শকের চোখ পঁচে গেছে। স্টেডিয়ামে তারা আর নতুন কিছু খুঁজে পায়নি। তাই টিকিটের দাম অর্ধেক করার পরও খালি মাঠেই চলছে বিপিএল। তবে হ্যাঁ! মঞ্চে চিয়ার্স-গার্লগুলোর জায়গায় ইণ্ডিয়ান মাগীগুলো ডেইলী লেংটা নাঁচ নাচলে কি হতো বলা যায় না। লাইভ দর্শনের সুযোগ বরিশালের ডিশবিহীন অজোপাড়াগাঁগুলোতে গিয়ে পৌঁছালে হয়ত আয়োজকদের মনোবাসনা কিছুটা পূরন হতো!

কথা হচ্ছে, এত জাক-জমক করে প্রচার করা বিপিএল থেকে দর্শক যাই পাক বা না পাক, ক্রিকেট নিজে কি পেল? এর থেকে কি বাংলাদেশের ক্রিকেটের নিজের লাভ কিছু হলো। আমি তেমন কিছু দেখি না। বরং আমার মনে হয়, হাজারগুণ লাভ হতো, যেই টাকা বিপিএলে উড়ছে সেটা খরচ করে যদি বিসিবি নিয়মিত জাক-জমকপূর্নভাবে সারা দেশে বয়স ভিত্তিক স্কুল-কলেজ লেভেলে ক্রিকেটের আয়োজন করতো এবং তাদের কোচিং-এর পেছনে ব্যায় করতো। অনেক মেধাবী খেলোয়ার সেখান থেকে তৈরী হতো। দীর্ঘ মেয়াদে উন্নতি হতো এদেশের ক্রিকেটের। কিন্তু দেশের উন্নতির জন্য কার আর মাথা ব্যথা! তার চেয়ে বানিজ্য-লক্ষির পূঁজার পেছনে মনোযোগ দেয়াই ভালো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29540503 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29540503 2012-02-13 17:50:08
জটিল রেসিপিঃ ভেজিটেবল খিচুড়ি (ব্যাচেলরদের জন্য)
পাতিলে তেল দিয়ে কয়টা পেয়াজ কুচি ছেড়ে দিন। একটু লাল হলে আদা আর রসুন কুচি। কয়েক মিনিট পর সামান্য পানি দিয়ে মিক্সড মশলা দিয়ে দিন। সেই সাথে কিছু গরম মশলা। খানিকক্ষণ নেড়ে তাতে চাল আর ডাল ধুয়ে ছেড়ে দিন। কিছুক্ষন নাড়ুন। ফ্রিজ খুলে দেখুন সবজি কি আছে ঘরে। বড় পিস করে কয়েকটা আলু দিয়ে নেড়ে পানি দিয়ে দিন।

সবজি সব কেটে রেডি করুন। শক্তগুলো আগে দিয়ে দিন। বলক উঠলে নরমগুলো দিন। হাত এবং প্লেট ধুয়ে রেডি হন। সিদ্ধ হলেই উঠিয়ে ঘপাঘপ খেয়ে নিন।

সব কিছু পরিমান মত দিবেন। অন্যথায় লবনের বাটি উপুর করে ঢেলে দেয়ার কারনে খেতে না পারলে পোষ্ট লেখক কোন ভাবেই দায়ী থাকবে না। <img src=" style="border:0;" />

(আমারটা রান্না শেষ! খাইতে গেলাম!!) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29538612 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29538612 2012-02-10 21:34:44
মধ্যপ্রাচ্যে বাঙ্গালীদের মৃত্যুদণ্ডঃ অত্যন্ত সমর্থনযোগ্য একটি কাজ " style="border:0;" />

মধ্যপ্রাচ্যে যে ক'জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশের খবর আসছে, এরা প্রত্যেকে খুনী। এমন একজনও নেই যাকে মিথ্যা খুনের দায়ে দণ্ড দেয়া হয়েছে। এসব দেশে যে কোন অপরাধের বিচার হয় দ্রুত, এবং দণ্ড কার্যকরও করা হয় দ্রুত। আইন যেমন কঠোর, ততোধিক কঠোর তার প্রয়োগ। তাই আমাদের মতো খুন করেও বুক ফুলিয়ে ঘোরার মত বীর পুরুষ সেসব দেশে দেখা যায় না। খুনীর বিচারের জন্য সাধারন মানুষের মানব-বন্ধন করতে হয় না। বরং পুলিশের কাজ পুলিশই অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করে। তাদেরকে কেউ প্রভাভিত করে না। তাই এই দেশগুলোর পত্রিকা খুললে ক্রাইম-রিপোর্ট খুঁজে পাওয়া যায় না, এবং বিশ্বের শান্তিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকায় তাদের স্থান সবচেয়ে উপরের সারিতে।

এসব দেশের মানুষ যেখানে নিজের কাজ এবং ধর্ম-কর্ম নিয়ে ব্যস্ত, তখন বাঙ্গালীরা সে দেশগুলোকে নিজেদের দেশের মত নরক করে তুলতে ব্যস্ত। হেন কুকর্ম নেই যা তারা করে না। বাঙ্গালির নাম শুনলে মানুষ নাক সিঁটকায়। ভালো মানুষেরা নিজেদের বিদেশের মাটিতে বাঙ্গালী হিসেবে পরিচয় দিতে লজ্জ্বা বোধ করে। আজকে যে সারা পৃথিবীতে বাঙ্গালী ভিসা একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে, তা শুধু এদের অপকর্মের সুনামের কারনে। এইসব খুনীদের বাঁচানোর চেষ্টা বাদ দিয়ে বরং আরো ফলাও করে এদের দণ্ড কার্যকর হওয়ার খবর এবং তাদের অপরাধের বিবরন সব মিডিয়ায় প্রকাশ করা উচিত, যাতে করে ভবিষ্যতে যারা সেসব দেশে যাবে তারা তাদের স্বভাবগুলো এদেশেরে কাস্টমস্ পার করে অন্য দেশে না নিয়ে যায়, এবং সুস্থ জীবন যাপন করে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29538300 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29538300 2012-02-10 10:15:40
বাংলায় আনন্দের গান কই?
আমার লিস্টঃ
১. মেলা - ফিডব্যাক
২. ডিসকো বান্দর - মিলা
৩. আজ দিন কাটুক গানে - সোলস
৪. জংলী - ফুয়াদ
৫. বিস্ময় যাত্রা - মাইলস
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29538201 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29538201 2012-02-10 01:06:05
ঈদে মিলাদুন্নবী এবং আমাদের মোল্লাদের ভণ্ডামী
"আশেকে রাসুল (সাঃ)" - কথাটার অর্থ হলো রাসুল (সাঃ) এর প্রেমিক। নবীজির জন্মদিনকে ঈদ হিসেবে পালন করে আমরা নিজেদের আশেকে রাসুল (সাঃ) হিসেবে ঘোষণা দেই। আমরা কি সাহাবাদের চেয়েও বেশি রাসুল (সাঃ)-কে ভালোবাসি? যেই ভালোবাসার প্রমান নবীজীর (সাঃ) জন্য তারা রেখে গেছেন, তার কোটি ভাগের এক ভাগ ভালোও কি আমরা ওনাকে বাসি? সত্যিকারের আশেকে রাসুল (সাঃ) যেই সাহাবারা ছিলেন, তারা কি কোনদিন ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করেছেন? সারা রাত যশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করে গরু জবাই করে খেয়ে সকাল থেকে নামাজের কোন খবর নাই। এর নাম কি নবী (সাঃ)-এর প্রেম? নাকি এই মিলাদুন্নবী পুরোটাই নবীজি (সাঃ) এর সাথে মস্করা?

সত্যিকারের আশেকে রাসুল (সাঃ) তারাই, যারা নবীজির আদর্শকে ধারন এবং পালন করে। তাঁর দেখানো পথে চলে। মিলাদুন্নবী পালনের এই মহোৎসব ভন্ড মোল্লাদের ব্যবসার উছিলা ছাড়া আর কিছু মনে হয় না। প্রতিটি মুসলমাল নবীজী (সাঃ)-এর আদর্শকে অনুসরন এবং অনুকরন করে নিজেকে তার প্রেমিক (আশেক) হিসেবে প্রমান করবেন সেটাই কাম্য।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29536271 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29536271 2012-02-06 23:24:59
ফটোব্লগ | মোবাইল ফটোগ্রাফি


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29495114 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29495114 2011-12-02 22:35:16
ফটোব্লগ | সোনারগাঁ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর ক্যামেরা র এর স্কিলটা ঝালাই করছি পুরনো ছবিগুলো বের করে। আজকে দিলাম গত বছর এমন সময় তোলা সোনারগাঁ-এর ছবি। কিন্তু পানাম সিটির কোন ছবি খুঁজে পাচ্ছি না! আজব!!


জাদুঘর ভবন


কারুকাজ - ০১


কারুকাজ - ০২


কারুকাজ - ০৩


ঘাটের কথা


জয়নুলের এই বিখ্যাত ভাস্কর্যটার নাম যেনো কি??


পাত্রি চাই (পারলে বলেন এইটা কোন জায়গা!)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29494471 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29494471 2011-12-01 21:26:18
ফটোব্লগ | সমান্তরাল লাইন " style="border:0;" />


প্রকৃতির ডাক


বাতিল ট্রেন


পাহারাদার


একাকীত্ব


ধাতব জগত


কথোপকথন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29493824 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29493824 2011-12-01 00:08:45
সা.ইনের মডু কথন
কিন্তু সবাই তো লেখক হতে চায় না। কেউ কেউ শুধু পড়ার জন্যই এখানে আসে। তা না হলে এই যে সাইড বারে দেখায়, এই মুহূর্তে ২২০ জন ব্লগার আর ৯৩০ জন ভিজিটর আছে সাইটে, এই ভিজিটররা কি করে? তারা তো লেখে না, শুধুই পড়ার অনুমতি আছে তাদের। সা.ইন তাদের কি দিচ্ছে?

সামুর মডারেটররা কি ভালো লেখাগুলোকে সংকলিত পোষ্ট ট্যাবে প্রকাশ করতে পারে না? তারা কি পারে না টপ পোষ্টগুলোর একটা রানিং লিস্ট সাইটে রাখতে? তাদের কাজটা আসলে কি? শুধু জামাত-রাজাকার বিরোধী লেখাগুলো সাইট থেকে সরিয়ে দেয়া, আর এদের রিরুদ্ধে যারা লেখে তাদের ব্যান করা?

দিন দিন একটা ফালতু থেকে ফালতুতর প্লাটফর্ম হয়ে দাঁড়াচ্ছে স্বাধের সামহোয়ার ইন ব্লগ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29480677 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29480677 2011-11-10 15:17:21
কোন দিকে যাচ্ছে শেয়ার বাজার?
এত কিছু দেখে আপনার কি মনে হচ্ছে? বাজারে এবার ষাড় প্রবেশ করবে, না আগের মতই ভাল্লুক?

আমার বেশ কিছু টাকা আটকে আছে। প্রতিদিনই দাম কমতে কমতে তলানীতে এসে ঠেকেছে। তারপরও বোনাস শেয়ার দিয়ে লস পোষানোর আশায় বসে আছি (জানি না কত বছরে হবে!) দাম দেখাই ছেড়ে দিয়েছি। বাজার সম্বন্ধে আপাতত হতাশ!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29471664 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29471664 2011-10-24 12:46:23
ঘর ছেড়ে রাজকান্দি - হাম হাম ঝরনার খোঁজে (শেষ পর্ব) ঘর ছেড়ে রাজকান্দি - হাম হাম ঝরনার খোঁজে (১ম পর্ব)
ঘর ছেড়ে রাজকান্দি - হাম হাম ঝরনার খোঁজে (২য় পর্ব)

ঝরনায় পৌঁছে সবাই নাকি ব্যাগ-কাপড় রেখে পানিতে ঝাপিয়ে পড়ে। আমরা ঝাপিয়ে পড়লাম খাবারের উপর। এত পরিশ্রমে সেই ভোরে খাওয়া নাস্তা হজম হয়ে গেছে কোন আমলে। একপাশে একটু বসার জায়গা জোগাড় করে দুই বেলার খাবার একবারেই শেষ করে দিলাম। সর্বোচ্চ পিক থেকে নেমে আসার পরে লিটন ভাইয়ের ব্যাগ থেকে পানির বোতল বের করতে গিয়ে দেখি বোতল নেই। নিজের হাতে বোতলটা রেখেছি, সেটা গেলো কোথায়, সে এক বিরাট রহস্য! তৃষ্ণায় ঝিরির পানিই খেয়ে নিতাম, তা যত ঘোলাই হোক, কিন্তু এখানে এসে ভাগ্যগুনে একজনের কাছ থেকে পানি পেয়ে গিয়েছিলাম। চারটা দুই লিটারের বোতল নিয়ে সে ঢুকছিল, দৌড়ে গিয়ে দুটো দখল করলাম। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে খাবারের ফেলে দেয়া প্যাকেট, ব্যাগ সব গুছিয়ে মংরার জিম্মায় রেখে আমরা নেমে পড়লাম পানিতে। প্রচণ্ড ঠাণ্ডা পানিতে শরীর জুড়িয়ে রীতিমতো শীত লাগছিল। কিন্তু সরাসরি ঝর্নার পানি মাথায় ঢালার সুযোগ পাচ্ছিলাম না। দাঁড়ানোর জায়গাই নেই।

প্রচণ্ড ভীর আর নোংরা পরিবেশে বসে থাকতে ভালো লাগছিল না। ঝরনার চারপাশে রীতিমতো দোকান গজিয়ে উঠেছে। চা খেয়ে উঠে পড়লাম। আমাদের সেই চার সহযাত্রীও ততক্ষণে সেখানে এসে পড়েছে। বলল, আসতে আসতে জান বের হয়ে গেছে। আর কোনদিন আসবে না, কানে ধরেছে। আমাদের সাথে এক সাথে ফিরতে চাইলো। কিন্তু যেই পথে এসেছি সেদিক দিয়ে না গিয়ে ঝিরির ট্রেইলটা ধরে ফিরবো শুনে আর আমাদের সাথে আসলো না। ঐ পথে নাকি অনেক কাঁদা আর বাজে রাস্তা। কিন্তু আমরা কিছুতেই শুনলাম না। আমাদের প্ল্যান দু'টো ট্রেইলই দেখা, তা যত কষ্টকরই হোক। তারা বুঝাতে না পেরে হতাশ হয়ে আমাদের সঙ্গ ত্যাগ করলো। শুরু হলো আমাদের ফিরে চলা।


ঝিরি ধরে কিছুক্ষণ হেঁটেই আমরা ডানে বাঁক নিয়ে একটা টিলায় উঠতে শুরু করলাম। বেশ খাড়া টিলা। কিন্তু কারা যেনো সিঁড়ির মতো করে ধাপ কেটে রেখেছে, এবং ধরার জন্য বাঁশও আছে।


বেশ কিছুক্ষণ উঠে শুরু হলো নামার পালা। ঢাল বেয়ে নামছি তো নামছি, শেষ হওয়ার নাম নেই। দুই পাশে বাঁশ ধরেও নামতে জান বের হয়ে যাচ্ছিল। বুঝলাম এই টিলাটার কথাই বিভিন্ন পোষ্টে বলা হয়েছে দড়ি লাগবে পার হতে। বাঁশ না থাকলে কি হতো আল্লাহ্‌ই জানে। ধাপ কেটে বাঁশ যারা লাগিয়েছে তাদের জন্য সশব্দে দোয়া করলাম, আল্লাহ্ এই কাজ যারা করেছে তাদের তুমি স্বশরীরে স্বর্গে নিয়ো।


নেমে এসে বোঝা গেলো জনসেবার এ উদ্যোগ নিঃস্বার্থ নয়, বরং সম্পূর্ণই বানিজ্যিক। এ কাজের জন্য দানবাক্স রাখা আছে। খুশি হয়ে যা দিবেন তাতেই খুশি। তাদের দোকানও আছে। এখানে ঝিরির পানিতে বসে চা খেয়ে কিছুক্ষণ তাদের সাথে গল্প করে ফের চলা শুরু।


ঝিরি ধরে কিছুক্ষন গিয়ে একটি পুকুরের মত জায়গা পড়লো। সেটি পেড়িয়ে বাঁক নিয়ে দেখি প্রচণ্ড কাঁদা। এত ভালো গ্রিপের স্যাণ্ডেলও কোন কাজ করছিল না। কিছুটা জাগয়াতো একদম পিছলে নামলাম, যদিও আছাড় খেতে হয় নি। <img src=" style="border:0;" />

আসতে আসতে দু'টো প্রশ্ন ক্রমাগত শুনছিলাম যারা এখন যাচ্ছে তাদের কাছে। ঝরনায় পৌঁছতে আর কতক্ষণ সময় লাগবে, এবং আর কোনদিন আসব কিনা। বোঝাই যাচ্ছিল এরা সব চিড়িয়াখানা টাইপ যায়গায় ঘুরতে যাওয়ার ভ্রমনকারী। না জেনে এখানে চলে এসেছে। ভাবলাম এরা যত না আসবে ততই মঙ্গল। জায়গাটা আরো কিছুদিন রক্ষা পাবে।


এরপর আর কোন খারাপ রাস্তা ছিল না। শুধুই ঝিরি ধরে কিংবা ঝিরির পাশ দিয়ে পথ চলা।


সামনে পড়লো দুটো অদ্ভূত আকৃতির গাছ। এদের একটা পুরুষ একটা মেয়ে?? <img src=" style="border:0;" />


আমাদের কোন তাড়া ছিল না।


দু'পাশের দৃশ্য উপভোগ করতে করতে আস্তে ধীরে হাঁটছিলাম।


সামনে কতগুলো গরু চড়তে দেখে বোঝা গেলো লোকালয় আর বেশী দূরে নেই


অসম্ভব সুন্দর একটা জায়গা। কিন্তু ক্যামেরার অভাবে ধরে রাখা গেলে না। প্রচণ্ড আফসোস লাগলো আরেক বার।

আর কয়েক মিনিট হেঁটেই পৌঁছে গেলাম বনের শেষ মাথায়। বন থেকে বেরিয়ে কলাপাড়ায় এসে দেখা হলো আমাদের সেই চার বন্ধুর সাথে। সাথে সাথে প্রশ্ন কষ্ট কেমন হলো! বললাম, এনজয় করতে করতে আস্তে আস্তে হেঁটে এসেছি। বিশ্বাসই করলো না। বলল, এত দেরীতে এসেছেন, এখন তো বলবেনই এনজয় করেছেন! আমরাতো আগে এসেছি!! আফসোস লাগলো এদের জন্য। এরকম ২০-২২ বছর বয়সে কথা বলছে কিরকম ৭০ বছর বয়সের বৃদ্ধদের মত। স্থানীয়রাও জানতে চাইল অনেকে, কেমন লাগলো, আবার আসবো কিনা। বললাম, দারুন ভালো লেগেছে, সময় এবং সুযোগ পেলে আরো অনেক বার আসবো ইনশাল্লাহ্!

মংড়াকে এখানে টাকা-পয়সা ও সাথে থাকা অতিরিক্ত খাবার-দাবার-পানি সব দিয়ে বিদায় করলাম। ও আমাদের বেশ কিছু জায়গা এগিয়ে দিয়ে বিদায় নিল। ওকে খুবই ভালো লেগেছিলো। নিতান্তই হত-দরিদ্র মানুষ। কিন্তু খুব সহজ-সরল। আমাদের নিতে ড্রাইভার সুজনকে আসতে বলেছিলাম চারটায়। কিন্তু আমরা অনেক আগেই বের হয়ে চলে এসেছি। বসে থাকতে ভালো লাগছিলো না। তাই সামনের দিকে হাঁটা শুরু করলাম। ওর কাছে কোন ফোন নেই যে কই আছে খবর নিব। হাঁটতে হাঁটতে অনেক দূর আসার পর ওর ফোন পেলাম, প্রায় চলে এসেছে। আরো দুই মিনিট পরে তার দেখা পেলাম। সোজা হানিফ কাউন্টারে এসেই দুটো টিকেট পেয়ে গেলাম, দশ মিনিট পরেই গাড়ী। কোন কিছু খাওয়ারও সময় পেলাম না। সাড়ে এগারটার মধ্যে গাড়ী আমাদের কাকরাইল নামিয়ে দিল। বারোটার মধ্যেই বাসায়। শেষ হলো আমাদের টানা ২৪ ঘণ্টার অভিযান যার প্রতিটা মুহূর্ত আমরা উপভোগ করেছি। যাওয়ার সময় লিটন ভাইকে জিজ্ঞেস করলাম, কেমন লাগলো। বলল, এক কথায় অসাধারন। এখন থেকে সময় পেলেই বেড়াতে যাব। হাসলাম। আমারো তাই ইচ্ছে। <img src=" style="border:0;" />

(সমাপ্ত)

============================================

রাজকান্দি ভ্রমনের কয়েকটি তথ্য ও টিপসঃ

# শ্রীমঙ্গলের বাস ভাড়া হানিফ/শ্যামলী পরিবহনে ৩০০ টাকা। চেষ্টা করবেন সর্বশেষ বাসে যেতে। ভোর ৪টা নাগাত পৌঁছে যাবেন শ্রীমঙ্গল।

# ৬ টার মধ্য সিএনজি নিয়ে বেরিয়ে পড়বেন। ছুটির দিন না হলে ভোর বেলায় স্ট্যাণ্ডেই সিএনজি পেয়ে যাবেন। দরদাম করে ভাড়া ঠিক করবেন। এরা ট্যুরিস্টদের কাছে অনেক বেশী ভাড়া চায়। আমরা ঠিক করেছিলাম এক হাজার টাকায়। এটা নিয়ে যাওয়া এবং ফেরত নিয়ে আসার ভাড়া।

# আগে থেকে গাইড ঠিক করার কোন প্রয়োজন নেই, এবং এদেরকে কোন কিছু এ্যারেঞ্জ করতে দেয়ারও দরকার নেই। শুধু শুধু টাকা নষ্ট হবে। শ্রীমঙ্গল এসে নিজেরাই সব ঠিকঠাক করে নিতে পারবেন।

# শ্রীমঙ্গল থেকে দুপুরের খাবার-দাবার নিয়ে যাবেন।

# কলাপাড়ায় সিএনজি যেখানে নামিয়ে দিবে, সেখান থেকে একটু এগিয়ে বাজারে গিয়ে স্থানীয়দের মধ্য থেকে একজনকে গাইড হিসেবে নিয়ে নিবেন। এরা সাধারনত ৩০০ টাকা করে নেয়। এটাই স্ট্যাণ্ডার্ড। পথে কুরমায় এসে অনেকে গাইড নেয়ার কথা বলবে। তারা টাকা একটু বেশী নিবে।

# পর্যাপ্ত পানি এবং খাবার স্যালাইন নিয়ে নিবেন। পথে প্রচুর ঘাম ঝরবে। স্যালাইন পানিশূণ্যতা রোধে কাজে দিবে। এগুলো বনে ঢোকার মুখেই পাওয়া যাবে।

# ভালো গ্রীপ ও বেল্ট সহ প্লাস্টিকের স্যাণ্ডেল নিয়ে যাবেন। ঝিরিপথ এবং কাঁদায় হাঁটতে অনেক সাহায্য হবে।

# কষ্ট করার ইচ্ছা না থাকলে যাবেন না, আর দয়া করে জায়গাটা নোংরা করবেন না। খাবার-দাবারের প‌্যাকেট, বোতল ইত্যাদি সঙ্গে করে নিয়ে আসবেন, বনে কোথাও ফেলে আসবেন না।

আপনাদের ভ্রমন শুভ হোক! শুভ কামনা!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29460119 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29460119 2011-10-04 20:55:27
ঘর ছেড়ে রাজকান্দি - হাম হাম ঝরনার খোঁজে (২য় পর্ব) ঘর ছেড়ে রাজকান্দি - হাম হাম ঝরনার খোঁজে (১ম পর্ব)

আমাদের বাস ছাড়ার পরে আমি গাইড শুভ্রর সাথে কথা শেষ করে ফোন রাখার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সামনের সীটের একটা ছেলে জানতে চাইল আমরা শ্রীমঙ্গলে কোথায় যাচ্ছি। ওরাও চার বন্ধু সিলেট ঘুরতে যাওয়ার জন্য বের হয়েছে, কিন্তু কোথায় যাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। ওদেরকে হাম হাম সম্বন্ধে একটা ছোটখাট বক্তৃতা দিলাম। ওরা গেলে আমাদেরও ভালো হয়। একটা বড় টিম হয়। কিন্তু সবগুলো 'হরিয়ার ভাঙ্গা বাওস'! হাঁটতে হবে শুনে কিছুতেই আর যেতে রাজি হলো না। সকালে যখন সিএনজি ঠিক করছি, দেখি ওরাও শেষ পর্যন্ত শ্রীমঙ্গলে নেমে পড়েছে, এবং কলাপাড়া যাওয়ার সিএনজিও ঠিক করে ফেলেছে! দুটো সিএনজিতে একসাথেই রওনা দিলাম।


যাত্রা শুরু

সিএনজি থেকে কলাপাড়ায় নেমে কাপড় পাল্টে লিটন ভাইকে বললাম, রেডি হন, আগে যাত্রা শুরুর ছবি তুলে নেই। লিটন ভাই পার্ক করা একটা জিপের সামনে দাঁড়িয়ে পোজ দেয়ার জন্য রেডি এই-জিপেই-তো-এলাম টাইপের একটা ভাব নিয়ে। জিপের ড্রাইভারকে বললাম, ভাই একটা ছবি তুলে দেন দু'জনের একসাথে। ক্যামেরাটা ব্যাগ থেকে ইতিমধ্যে বের করে ফেলেছি। এক ডজন ব্যাটারী নিয়ে এসেছি ব্যাক-আপ হিসেবে, রিচার্জেবল চারটা ছাড়াও। ব্যাটারী ভরে ক্যামেরা অন করার সুইচ টিপলাম। নো সারাশব্দ। ব্যাটারী উল্টা ভরেছি কিনা দেখে নিয়ে আবার সুইচ টিপলাম। নট নড়ন-চড়ন! দুঃসংবাদটা লিটন ভাইকে দিলাম। তারতো মাথায় হাত। বলে, আমও গেছে ছালাও গেছে। ছবিই তুলতে না পারলে এত কষ্ট করে এসে লাভটা হলো কি! অভয় দিয়ে বললাম, আম গেছে ঠিক আছে, ছালা সাথে আছে। নো টেনশন। ব্যাগ থেকে মোবাইল ফোন বের করে শুরু করলাম ছবি তোলা। নেটোয়ার্ক না থাকায় ইতিমধ্যেই তা ব্যাগে চালান করেছিলাম। এই পোষ্টের ছবিগুলোর এত উচ্চ মানের হওয়ার এটাই হলো গোপন রহস্য।


পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছে গাইড মংড়া


জঙ্গল থেকে বাঁশ কেটে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয়রা

মংড়ার পেছন আমরা যখন বনে ঢুকছি, ওরা চারজনও আমাদের সাথে চলল। কিন্তু কিছুদূর গিয়ে আমরা যখন ডানে মোড় নিলাম, ওরা তখন অন্য একটা গ্রুপের পেছনে পেছনে সোজা চলে গেল (সেই গ্রুপে একটা মেয়ে ছিল)। মংড়া বলল, যাক, বুঝব ঠেলা। আমরা শর্ট-কাট রাস্তায় অল্প সময়ে চলে যাব। কাদা-পানি কোন কিছু নাই, খালি অল্প কয়টা পাহাড় ডিঙাতে হবে। বললাম চলো, আমরা দ্রুত হাঁটবো, ওদের সবার আগে পৗঁছাতে হবে। শুরু হলো চড়াই ভেঙে চলা। উঠছি তো উঠছিই। বেশ কিছু দূর উঠে সামান্য একটু নিচে নামা, ফের ওঠা। ১০ মিনিট উঠেই দম শেষ। পাহাড়ে চড়া এত কষ্ট কে জানতো। সেই একবার জিমে ভর্তি হওয়ার পরের কথা মনে পড়লো। ইন্সট্রাকটর বলে, আগে স্ট্রেচিং, খালি হাতে ২ মিনিট লাফাও। কিন্তু আধা মিনিটও লাফানোর ক্ষমতা নেই। ওরই মধ্যে দরদর কমে ঘাম, আর শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। বলি, ইন্সট্রুমেন্ট দিয়ে আধাঘন্টা করতে পারবো, খালি হাতে আধা মিনিটও না, মাফ করো! বলে, হুঁম্, সিগারেট ছাড়ো, নয়ত দম পাবে না। ঠিক একই অবস্থা এখানে। ঘাম বের হচ্ছে টেপের পানির মত। গাল গরম হয়ে লাল হয়ে গেছে। ১০ মিনিট ওঠার পর ৫ মিনিট রেস্ট। মংড়া দেখে আর মাথা নাড়ে।


পাহাড়ের মধ্যে পুরোটা ট্রেইলের পাশেই এরকম অসংখ্য কাটা গাছ। এগুলো বন বিভাগ কেটেছে না চোরাকারবারীরা কে জানে


পাহাড়ি রাস্তায় শুধুই উপরে ওঠা

এই করতে করতেও আমরা বেশ কয়েকটা গ্রুপকে পেছনে ফেলে এলাম। লিটন ভাইকে বললাম, যাই করেন, যাদের ফেলে এসেছি তারা যাতে আর আমাদের পেছনে ফেলতে না পারে। দু'জনে প্রানপনে হাঁটতে লাগলাম কষ্ট সহ্য করে। বিরতিগুলো একটু দেরীতে আর সংক্ষিপ্ত হতে লাগলো। ভাবলাম, ডেইলি একবার এই রকম পাহাড়ে উঠতে পারলে মধ্যদেশটা এতটা স্ফিত হতো না। কিন্তু যেই শহরে থাকি, ফুটপাতেই হাঁটার জায়গা নেই, তা আবার পাহাড়! এই করতে করতে মংড়া জানাল, সামনেরটাই শেষ পাহাড়। এরপর আর উঠতে হবে না, শুধুই নামার পালা। ইচ্ছে হলো ওকে ধরে একটা চুমু দিতে।


সর্বোচ্চ চূড়ায় উঠে বিশ্রাম। এটাই শেষ টিলা।


এবার নামার পালা

টিলাটার চুড়ায় উঠে যাত্রা বিরতি। পেছনের একটা টিমও আমাদের সাথে যোগ দিল। সবাই বুয়েটের শিক্ষক। তারা যখন সেখানে নাস্তা সেড়ে নেয়ার তোড়জোড় চালাচ্ছে, লিটন ভাইকে বললাম, চলেন ভাগি। এদের আগে যেতে হবে। আমরা হাম হামে গিয়ে খাওয়া সারবো। যদিও ক্ষুধায় পেট জ্বলে যাচ্ছিল, শুরু করলাম নিচের দিকে নামা। নামতে নামতে যখন পাহাড় শেষ হলো, বাঁক ঘুরতেই দেখি একটা ঝিড়ি। আনন্দে লাফিয়ে উঠলাম। বরফের মত ঠাণ্ডা পানি। মনে হচ্ছিল, এখানেই শুয়ে পড়ি। মংড়া বলল, আর বেশী দূরে নেই, ঝড়নার শব্দ শোনা যাচ্ছে। বিপুল উদ্যমে এবার শুরু করলাম চলা।


বাঁক ঘুরতেই একটা ঝিরি! অসম্ভব ঠাণ্ডা পানি।


ঝিরির পাড়। মনে হচ্ছে গাছের শেকড়, কিন্তু সবাই বলল পাথর!

দারুন মজা লাগছিল ঝিরি পথ দিয়ে হাঁটতে। এখন আর কোন ক্লান্তি বোধ হচ্ছিল না। হাঁটতে হাঁটতে টের পেলাম পায়ে থাকা জুতার মাহাত্ম। আসার দিন বেল্ট সহ প্লাস্টিকের জুতা কিনেছিলাম ভালো গ্রিপ দেখে। ঝিরির নিচের পাথরের উপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে মনে হলো, এই রাস্তায় খালি পায়ে হাঁটতে হলে বারোটা বাজতো পায়ের। বৃষ্টি না হওয়ায় ঝিরিতে পানি ছিল না তেমন। গোড়ালি বা বড়জোর হাঁটু পানি। একটু বেশি পানি পেলাম শুধু দু-একটা জায়গায়। পাশ কেটে যাওয়া যেত, ইচ্ছে করেই পানি দিয়ে গেলাম।


বাঁশ বাগানের মধ্য দিয়ে অসম্ভব সুন্দর একটা ট্রেইল


ঝিরির মাঝে বড় বড় পাথর। লিটন ভাইকে বললাম, যাওয়ার সময় একটা নিয়ে নিয়েন। বলল, ফরেস্ট অফিসার ঝামেলা করতে পারে। <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> অগত্যা ছবি তোলার পোজ দিলাম, স্মৃতি থাকুক।

ঝরনা আর বেশী দূরে ছিল না। প্রবল শব্দে সে নিকটেই তার অস্তিত্ব জানান দিচ্ছিল। অল্প দূর হেঁটে গিয়ে বাকঁ ঘুরতেই সেটি চোখে পড়ল। হৈ হৈ করতে করতে আমরা ছুটলাম ঝরনার দিকে।


অবশেষে দেখা পাওয়া গেলো সেই কাঙ্খিত হাম হামের


একি অবাক বিস্ময়!

(ক্রমশ)

ঘর ছেড়ে রাজকান্দি - হাম হাম ঝরনার খোঁজে (শেষ পর্ব)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29459558 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29459558 2011-10-03 22:00:38
ঘর ছেড়ে রাজকান্দি - হাম হাম ঝরনার খোঁজে (১ম পর্ব)
মনটা খুব খারাপ ছিলো। তাই ভাবলাম, এটাকে একটু ফ্রেশ করতে বনে ঘুরে আসি। দুঃখী মানবের ব্লগ পড়ে রাজকান্দি বনটা মনের মধ্যে গেঁথে গিয়েছিল। সিদ্ধান্ত নিলাম সেখানেই যাব। রাজকান্দি সংক্রান্ত সব পোষ্ট পড়ে একটা রাফ আইডিয়া নিয়ে নিলাম। কিন্তু বন্ধুদের কাউকেই রাজি করাতে পারলাম না। সবারই নাকি পাহাড় সমান কাজ। ভাবলাম, আমেরিকার প্রেসিডেন্টও সপ্তাহে দুই দিন ছুটি কাটাতে পারে, আর এরা একদিনের জন্য বাইরে যাওয়ার সময় ম্যানেজ করতে পারবে না! আসলে এদের খোলস ছেড়ে বাইরে বের হওয়ার কোন ইচ্ছেই নেই। এদের ছাড়াই যেতে হবে। এলাকার বন্ধু লিটন ভাইকে ফোন করে বললাম, চলেন দুইজনে বনে গিয়ে ঘুরে আসি। তারও মন খারাপ, এক কথায় রাজি হয়ে গেল। হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম।

থ্রি-কোয়ার্টার প‌্যান্ট, টিশার্ট, প্লাস্টিকের স্যান্ডেল, আরো কিছু টুকিটাকি কিনে প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাগ গুছিয়ে ২৯ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার রাতে দুজনে বেরিয়ে পড়লাম সায়দাবাদের উদ্দেশ্যে। আমাদের বের হতে দেরী হয়ে গিয়েছিল অনেক। সাড়ে এগারটায় কাউন্টারে এসে দেখি হানিফ-শ্যামলী কারো কোন সিট খালি নাই। এত আশা করে বেরিয়ে এ্যাডভেঞ্চারের এইখানেই সমাপ্তি করে ফিরে যেতে হবে যখন ভাবছি, তখন হানিফ কাউন্টারে আরেকজনকে গিয়ে আবার জিজ্ঞেস করলাম টিকিটের কথা। এই ভদ্রলোক অলৌকিকভাবে বলল, সামনের দিকে ২ টা টিকেট আছে একেবারে রাজকীয় জায়গায়। চলবে কি না? আবার জিগায়!

এই বাসটা ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল রাত সাড়ে এগারটায়। কিন্তু কি কারনে যেনো এদের দেরি হয়ে যাওয়ায় স্ট্যাণ্ডে এসেছে বারোটায়, তাই ভাগ্যগুনে এটি আমরা পেয়ে গেছি। রাত সাড়ে বারোটায় বাস ছাড়লো শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশ্যে। ব্লগ থেকে গাইড শুভর নাম্বার পেয়েছিলাম। ওকে ফোন করে জিজ্ঞেস করলাম আমাদের কাল হাম হাম নিয়ে যেতে পারবে কি না। ও বলল, কাল অন্য একটা টিম নিয়ে যাচ্ছে, ওদের সাথে আমাদেরও নিয়ে যাবে। পরিচিত একটা সিএনজি ঠিক করে দিচ্ছে, ১২০০ টাকা ভাড়ায়।

ভোর চারটায় এসে নেমে পড়লাম শ্রীমঙ্গর শহরে। শুভ এসে আমাদের রিসিভ করলো, এবং দুঃসংবাদ দিল। যেই সিএনজি ঠিক করা ছিল, সেটা নষ্ট, তাই আসবে না। আর এই সময়ে অন্য কোন গাড়িও যোগাড় করা যাবে না। বললাম, অন্য যে গ্রুপটা যাচ্ছে, দেখ ওদের সাথে কোন ব্যবস্থা করা যায় কিনা। আধা ঘণ্টা পরে এসে জানালো, সেই গাড়ির ড্রাইভারের সাথে কথা হয়েছে। সে পিক-আপের সামনের দুটো সিট আমাদের ছেড়ে দিবে। ভাড়া সেই বারোশ'-ই দিতে হবে। ওর সাথে আটশ' টাকায় রফা করলাম।

শহরে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে নাস্তা সেরে দুপুরের জন্য খাবার নিয়ে নিলাম। গাড়ি যখন আসল দেখি সেটাতে তিল ধারনের ঠাঁই নাই। কি করব যখন ভাবছি, হঠাৎ দেখলাম দুটো সিএনজি আসলো। ওদের সাথে কথা বলে একজনকে এক হাজার টাকায় ভাড়া করে কলাপাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। কুরমা পর্যন্ত পাকা রাস্তায় এক টানে চলে এলাম। এর পর কাঁচা রাস্তা। ড্রাইভার সুজন বলল, এখন বৃষ্টি নেই, তাই এই রাস্তায় সিএনজি চলছে। বৃষ্টি হলে জিপ ছাড়া যাওয়ার আর কোন উপায় নেই। প্রচণ্ড কাঁদা থাকে রাস্তায়। এবড়ো-থেবড়ো রাস্তায় ঝাঁকুনি খেতে খেতে চাম্পারাই চা বাগান পেড়িয়ে কলাপাড়ায় এসে পৌঁছলাম আট টার দিকে। এখান থেকে হাঁটা শুরু করতে হবে।

কথা ছিল শুভ আমাদের সাথে এখানে এসে যোগ দিবে, এবং অন্য গ্রুপটার সাথে আমাদের নিয়ে যাবে। কিন্তু প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা বসে থেকেও ওর কোন হদিস পাওয়া গেল না। মোবাইলেও নেটোয়ার্ক নেই। শেষে স্থানীয় লোকদের থেকে একজনকে গাইড হিসেবে নিয়ে নিলাম। নাম মংড়া। একেবারেই সহজ-সরল মনে হলো দেখে। পৌনে নয়টার দিকে মংড়ার পিছু পিছু আমরা ঢুকে পড়লাম রাজকান্দি বনে।



(ক্রমশ)

ঘর ছেড়ে রাজকান্দি - হাম হাম ঝরনার খোঁজে (২য় পর্ব) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29459237 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29459237 2011-10-03 10:15:52
অসাধারন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক গুগল প্লাস

গুগলের সোশ্যাল নেটওয়ার্ক গুগল প্লাস এখন সবার জন্য উন্মুক্ত। যেকেউ তার জিমেইল আইডি দিয়ে এই সার্ভিসে সাইন-আপ করতে পারেন।

গুগল+ একটি সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী সোশ্যাল নেটওয়ার্ক। এটি ফেইজবুক থেকে একেবারেই ভিন্ন রকম। এই সাইটের সবচেয়ে বড় ব্যাতিক্রম হলো এখানে কোন ফেইক আইডি নেই। কেউ ছদ্ম নাম নিয়ে মুখোশের আড়ালে বসে স্ট্যাটাস দেয় না। ছেলেরা মেয়ে সেজে পোষ্ট দেয় না। সবাই এখানে সত্যিকারের রক্ত মাংসের মানুষ। এখানে সবাই যা বলে এবং করে সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে করে। এই নেটোয়ার্কে আপনি খুঁজে নিতে পারবেন বিভিন্ন পেশার অসংখ্য মানুষ।

আরেকটি দারুন জিনিস হলো কন্ট্রোল। এখানে আপনি কার পোষ্ট/কমেন্ট দেখবেন, কারটা দেখবেন না, কে আপনারটা দেখবে বা দেখবে না, সব কিছুই নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন সার্কেল তৈরী করে। বিভিন্ন ধরনের মানুষ নিয়ে আপনি বিভিন্ন সার্কেল তৈরী করতে পারেন। যেমন আপনার ঘনিষ্ট বন্ধুদের নিয়ে ফ্রেন্ডস সার্কেল, অল্প পরিচিতদের নিয়ে আরেকটি সার্কেল, আত্মীয়দের নিয়ে একটি, ব্লগারদের নিয়ে আরেকটি, কিংবা আপনার অফিস কলিগদের নিয়ে অন্য একটি। এবার আপনি শুধু বন্ধুদের সাথে যা শেয়ার করতে চান, তা শুধু বন্ধুরাই দেখতে পারবে, আর কলিগদের সাথে যা শেয়ার করতে চান তা শুধু কলিগরা। ইচ্ছে করলে আবার পাবলিক পোষ্টও দিতে পারেন যা সবাই দেখতে পারবে।

এইসব সার্কেল আবার আপনি অন্য কারো সাথে শেয়ারও করতে পারেন। মনে করেন আপনার কাছে একটি "ওয়েব ডেভেলপার" সার্কেল আছে যেখানে ২০ জন মানুষ আছে। আপনি এই সার্কেলটি পাবলিকলি শেয়ার করতে পারেন। ফলে আপনার অন্য সার্কেলর সবাই এই ২০ জনকে একসাথে এ্যাড করতে পারে। আপনি যদি কাউকে এ্যাড করেন তার সমস্ত পোষ্ট আপনি দেখতে পাবেন কিন্তু সে যদি আপনাকে এ্যাড না করে, তাহলে আপনার কোন পোষ্ট তাকে দেখতে হবে না। সবকিছুই এখানে নিয়ন্ত্রন যোগ্য।

গুগল প্লাস মাত্র কয়েকদিন হলো সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে, কিন্তু এরই মধ্যে এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা গুনিতক হারে বাড়ছে। তাই এখনই সময় গুগল প্লাসে সাইন আপ করার। আমি একটি বাংলা ব্লগার সার্কেল বানাচ্ছি। ব্লগাররা ইচ্ছে করলে গুগল প্লাসে আমাকে এ্যাড করতে পারেন। আমার আইডিঃ rasedulhasan এ্যাট জিমেইল ডটকম। শুভ নেটওয়ার্কিং!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29458316 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29458316 2011-10-01 19:45:44
ঢাকার যানজট নিরসনে এই মুহুর্তে যা যা করা দরকার দিনদিন অসহ্য থেকে অসহ্যতর হয়ে যাচ্ছে ঢাকার রাস্তায় চলাচল করা। ৫ মিনিটের রাস্তা ১ ঘণ্টায়ও পার হওয়া যায় না। কোন জায়গার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হলে কোন সময় গিয়ে গন্তব্যে পৌঁছা যাবে কেউ বলতে পারে না। প্রচণ্ড গরমে বাসের ভীড়ে ঠায় দাঁড়িয়ে অসুস্থ হওয়ার অবস্থা। এই পরিস্থিতি থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়ার কোন উপায় না থাকলেও সরকার কিছু পদক্ষেপ নিলে পরিস্থিতি অনেকটা সহনীয় করা যায়, যা এই মুহুর্ত থেকে কার্যকর করা দরকার।

ব্যস্ত সরক থেকে অযান্ত্রিক যানবাহন কঠোরভাবে বন্ধ করা
রিকশা, ভ্যান, ঠ্যালাগাড়ি যে কিভাবে একটি সরককে নরকে পরিনত করতে পারে, ডিআইটি রোডটি তার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরন। এই রোডে যেই কয়টি গাড়ি চলে, তার কয়েকশ' গুন বেশী চলে রিকশা। এদের সংখ্যা এতটাই বেশী যে তাদের চলার যায়গা বাদ দিয়ে একটি মাত্র লেনও গাড়ি চলার জন্য অবশিষ্ট থাকে না।

ফুটপাথ দখলমুক্ত করা
রাজধানীর ফুটপাথগুলো জুড়ে বসে আছে হকাররা। ফুটপাথের পাশের দোকানদার তার মালামালের অর্ধেক রাখে দোকানে, বাকী অর্ধেক ফুটপাথে। ফলে সেখান দিয়ে পথচারী হাঁটতে না পেরে নেমে আসছে রাস্তায়। দখল হয়ে থাকছে রাস্তার পুরো একটি লেন। এই পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারন করে গার্মেন্টস এর শ্রমীকদের কাজে যাওয়া এবং কাজ থেকে ফেরার সময়ে। প্রত্যক্ষভাবে পুলিশ কর্তৃক ভাড়া দেয়া এই ফুটপাথগুলো অবিলম্বে দখলমুক্ত করতে হবে।

অবৈধ পার্কিং কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা
যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং যানজটের একটি রিরাট কারন। ব্যস্ত সরকের পুরো একটি লাইন বন্ধ হয়ে যায় এদের কারনে। এছাড়া চলতে চলতে একটি গাড়ি হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ে যাত্রি ওঠানামা করে, পেছনে গাড়ির বিরাট লাইন দাঁড়িয়ে থাকে। এদের জন্য কঠোর ভাবে জরিমানার ব্যবস্থা করা।

বাস ড্রাইভারদের বেপরোয়া আচরনের জন্য কঠোর শাস্তি প্রদান
মিনিবাসের ড্রাইভারগুলো যে কি বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালায়, তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা দায়। সবসময় এদের প্রতিযোগীতা থাকে পেছনের বাসটির সাথে। তাই রাস্তায় চলার সময় সামনের চেয়ে এদের নজর পেছনেই পড়ে থাকে। এরা এমনভাবে রাস্তা ব্লক করে যাত্রি ওঠানামা করে, যাতে পেছনের বাসটি কোনভাবে তাকে অতিক্রম করে যেতে না পারে। ফলে পেছনের গাড়ি গুলোর অসহায়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না। এদের বেপরোয়া ড্রাইভিং এর কারনে শুধু তুরাগ বাসের নীচে কত মানুষ চাপা পড়েছে তার ইয়ত্যা নেই। এদের জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

পথচারীর পারাপার নিয়ন্ত্রণ
যেখানে সেখানে পথচারীর পারাপারের কারনে যানবাহন চলাচল ব্যহত হয় অনেক। সিগনালে গাড়ি থামার জন্য কেউ অপেক্ষা করে না, চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে হুট করে দৌড় দিয়ে রাস্তা পার হয়। এদের জন্য প্রচুর পরিমানে ফুট ওভারব্রীজ এবং জেব্রা ক্রসিং এর ব্যবস্থা করতে হবে, এবং রোড ডিভাইডারে কাটাতারের বেড়া দিয়ে যত্রতত্র রাস্তা পারাপার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

ইউটার্ণ সীমিত করা
ঢাকার রাস্তায় প্রতি ১০০ মিটার পর পর একটি করে ইউটার্ণের ব্যবস্থা আছে, এবং সেসব ইউটার্ণের আগে কোন রোড সাইন নেই। ফলে ডান লেন দিয়ে চলতে চলেত একটি গাড়ি ইউটার্ণের জন্য হঠাৎ থেমে যাচ্ছে এবং পেছনের গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ছে। আর আগে থেকে কোন রোড সাইন না থাকায় অপরিচিত রাস্তায় চলা ড্রাইভার সামনে ইউটার্ণ আছে বুঝতে না পেরে আগে থেকে বাম লেনে সরে না গিয়ে ডান লেনেই দাঁড়িয়ে পড়ছে। ফলে দীর্ঘ হচ্ছে গাড়ির লাইন। যত্রতত্র এই ইউটার্ণ উঠিয়ে দিয়ে কয়েক কি. মি. পর পর ইউটার্ণের ব্যবস্থা করতে হবে যেখানে কোন ২/৩ রাস্তার মোড় নেই এবং রাস্তায় অপেক্ষাকৃত কম ট্রাফিক থাকে। আর প্রতিটা ইউটার্ণের অন্তত ৫০০ মিটার আগে রোড সাইনের ব্যবস্থা করতে হবে।

রাস্তার মোড়ে গাড়ি দাঁড়াতে না দেয়া
দুটি রাস্তার সংযোগস্থলে বামপাশের লেনটি থাকে যাতে বামদিকের যাওয়ার গাড়ি না দাঁড়িয়ে নির্বিঘ্নে চলে যেতে পারে। কিন্তু সেই লেনটির সুবিধা গাড়িগুলো কোন সময়ই নিতে পারে না, কারন রিকশা এবং পাবলিক ট্রান্সপোর্টগুলো মনে করে সেই ফাঁকা জায়গাটাই হচ্ছে তাদের স্ট্যাণ্ড। তাই তারা সেখানেই দাঁড়িয়ে পড়ে যাত্রি ওঠানামা করে এবং রাস্তাটি কার্যত বন্ধ করে রাখে। এদের জন্য কঠোর জরিমানার ব্যবস্থা করতে হবে।

এই কাজগুলো এই মুহুর্ত থেকে কার্যকর করার জন্য কোন টাকা-পয়সার প্রয়োজন নেই, শুধু পুলিশের সদিচ্ছাই যথেষ্ট। আর তা করলে ঢাকা শহরের যানজট সমস্যার অর্ধেক সমাধান এই মুহুর্তেই করা যাবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29391126 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29391126 2011-06-04 09:50:10
শেয়ার বাজারে হচ্ছেটা কি??
শেয়ার বাজারে এখন হচ্ছেটা কি? আপনার মতামত কি? কে কত ধরা খাইলেন?? <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29288820 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29288820 2010-12-13 13:26:30
ছবি ব্লগ | দোহা কর্নিশ - ১

সাগড়ের ঢেউ আছড়ে পড়ছে বাধানো ঘাটে


মাছ ধরার নৌকা


মাছ রাখার বাক্স


সতর্কীকরন বিজ্ঞপ্তী


নাম নাই যার, দাম নাই তার


তালগাছ - আজো এক পায়ে দাঁড়িয়ে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29242869 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29242869 2010-09-21 15:26:48
এফডিসি এখনো বন্ধ করা হচ্ছে না কেনো?
এরই মধ্যে বিভিন্ন চ্যানেল আবার দেখাচ্ছে বাংলা সিনেমা। একেকটা সিনেমা দেখে বমি করার জন্য দৌড়ে বাথরুমে চলে যাওয়ার অবস্থা! এত অসহ্য জিনিস বানায় কি করে? কে যে কখন কার উপর ঝাপিয়ে পড়ছে ধর্ষণ করার জন্য, খোদা মালুম! ৫ বছরের বাচ্চাকে মেঝেতে ফেলে তার বাবা শক্রুর বাড়ীতে খাওয়ার অপরাধে পেটের উপর পাড়া দিয়ে খাবার পেট থেকে বের করছে। মেয়েকে ফেলে দিয়ে আসছে ডাস্টবিনে। অদ্ভূত কত জিনিস যে এদের মাথা থেকে বের হচ্ছে, না দেখলে বোঝার উপায় নেই! দেখছি আর ভাবছি, বাংলাদেশ সরকার এখনো এফডিসি বন্ধ করে দিচ্ছে না কেনো? কার স্বার্থে এখনো চালু রেখেছে এফডিসি? নোঙড়া মানুষিকতার কিছু লোককে যা ইচ্ছা তাই দেখিয়ে ব্যবসা করে সমাজের নীচু শ্রেণীর কিছু মানুষের মাথায় এইসব ঢোকানোর জন্য? কোন দেশের প্রক্ষাপটে নির্মিত হচ্ছে এসব সিনেমা? আমার মাথায় কিছুতেই ঢুকছে না। আপনাদের মাথায় ঢুকছে কি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29239368 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29239368 2010-09-14 00:59:41
জরিপঃ ঢাকার সবচেয়ে স্পেশাল খাবার কোনটা?
আপনার মতে ঢাকার এরকম স্পেশাল খাবার কোনটা?

>>আগে একটা জরিপ দেখেছিলাম এইখানে। লিংকটা কারো কাছে থাকলে দিয়ে দিবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29228320 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29228320 2010-08-23 16:16:41
মজার সিনেমাঃ স্বর্গমৈর্ত্তী
অগত্যা বাধ্য হয়ে দু'জনে সিগ্ধান্ত নেয় আবার মরতে হবে। তাহলেই যমদূতের ভুল ভাঙবে - তারা ফিরে যেতে পারবে নিজেদের দেহে। শুরু হয় তাদের আত্মহত্যা করার প্রানান্তকর চেষ্টা। কিন্তু বিধিবাম! কে জানতো যে মরতে গেলেও এত ঝামেলা!

ভানু বন্দোপাধ্যায় অভিনিত দম ফাটানো এই হাঁসির সিনেমাটি দেখা যাবে বাংলা সিনেমা আরকাইভে । সিনেমাটি কেমন লাগলো অবশ্যই জানাবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29223507 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29223507 2010-08-15 19:07:09
প্রামান্যচিত্রঃ স্টপ জেনোসাইড
জহির রায়হানের সিনেমার নাম শুনেছি, কিন্তু কখনো দেখা হয় নি। কাল প্রথম সিনেমাটি দেখলাম। দেখে চোখের পানি কিছুতে আটকে পারছিলাম না যখন দেখলাম যুদ্ধের সময় ভারতের শরনার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়া মাত্র ১৫-১৬ বছরের এক কিশোরির মুখ, যাকে মেঝেতে ফেলে ধর্ষণ করেছে ছয় জন পাকিস্তানী সেনা। যাওয়ার সময় মা-বাবা-ভাই-বোন সবাইকে গুলি করে হত্যা করেছে এবং আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়ে গেছে তাদের ঘর।

খুব কষ্ট হচ্ছিল ভাবতে যে সেই সব নারকীয় পিশাচেরা আজো বাংলার মাটিতে সদর্পে ঘুরে বেড়ায়। বড় বড় দাড়ি টুপি লাগিয়ে বাংলার কাফেরদের নসিহত করে। আরো কষ্ট লাগে যখন দেখি আজো বাংলারই সন্তান তাদের সমর্থন দেয়। ইলেকশনে ভোট দেয়। যুদ্ধাপরাধীর বিচারের কথা শুনলে প্রকাশ্যে টিটকারী করে। মনে হয়, একাত্তরের যুদ্ধ এখনো শেষ হয় নি। যতদিন প্রতিটি ঘাতকের প্রকাশ্য রাজপথে ফাঁসি না হবে, ততদিন এ যুদ্ধ চলবে। চলবে ততদিন, যতদিন জারজ সন্তানেরা ধর্মের নামে সমর্থন দিয়ে যাবে সেইসব নরপশুদের। নিজের যায়গা থেকে আমরা তাদের প্রতিরোধ করব, যতদিন এই শরীরে বইবে এক ফঁোটা পরিমান রক্ত!

জহির রায়হান আজ বেঁচে নেই। যুদ্ধর পরে নিখঁোজ হওয়া বড়ভাই শহীদুল্লাহ্ কায়সারকে খুঁজতে মিরপুরে গিয়ে আর ফিরে আসেননি। শোনা যায়, বিহারীদের হাতে খুন হয়েছেন তিনি। বার বার শুধু মনে হয়, জহির রায়হানের মতো মানুষেরা বেঁচে থাকলে স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে আজ এত বিভ্রান্তি এদেশের মানুষের মধ্যে কিছুতেই থাকতো না। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করতে পারতো এদেশের কোন রাজনৈতিক দল। সেজন্যই যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে হত্যা করা হয়েছে বাংলার সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তানদের।

১৯ আগষ্ট জহির রায়হানের জন্মদিন। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।

"স্টপ জেনোসাইড" সিনেমাটি দেখা যাবে বাংলা সিনেমা আর্কাইভে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29219231 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29219231 2010-08-10 13:44:57
মজার সিনেমা - ভানু গোয়েন্দা জহর এ্যাসিস্টেন্ট : আমার কমলাকে..
: খুঁজে পাচ্ছেন না! কবে থেকে?
: কাল বিকেলে সেই যে বেরলো..
: আর ফেরেনি!
: হ্যা..তোমরা আমার কমলাকে খুঁজে দাও বাবা..
: আচ্ছা..কমলার ফটো মানে ছবি আছে?
: ফটো তো নেই বাবা!
: আচ্ছা..কমলা দেখতে কেমন বলুন তো!
: ধবধবে ফর্সা। টানা টানা বড় কালো চোখ..
: আর কিছু বলুন।
: ভারি ঠাণ্ডা। লক্ষ্মি মেয়ে।
: আচ্ছা..আরো কিছু বলুন না..
: বলছি বাবা বলছি..রোজ আড়াই সের দুধ দেয়..
: দুধ! দুধ দেয়!! গোয়ালিনি বুঝি?
: না বাবা..পাটনাই গাই..এক বছর হলো দশ কুড়ি পাঁচ টাকায় কিনেছি..

কথা হচ্ছিল বিখ্যাত গোয়েন্দা ভানু চ্যাটার্জী ও তার মক্কেলের সাথে। তো এই গোয়েন্দামশাই পত্রিকায় দেখেন দিল্লীর ডা. দিগম্বর চ্যাটার্জীর একমাত্র কন্যা নুপুর চ্যাটার্জীর হারিয়ে যাওয়ার বিজ্ঞাপন। সুতরাং আর ঠেকায় কে! পুরস্কারের লোভে যোগ্য এ্যাসিস্টেন্ট জহর সমেত ধাওয়া করেন নুপুর চ্যাটার্জীকে ধরতে।

মজার এই সিনেমাটি দেখা যাবে বাংলা সিনেমা আর্কাইভে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29218681 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29218681 2010-08-09 19:12:48
বাংলা সিনেমা - চারমূর্তি


নারায়ন গঙ্গাপাধ্যায়ের বিখ্যাত টেনিদা সিরিজ পড়া হয়নি কখনো। আমার ধারনা ছিল টেনিদা বোধ হয় ফেলুদার সাথে পাল্লা দেয়া কোন বিখ্যাত গোয়েন্দা। কিন্তু টেনিদার কাণ্ড দেখে হাসতে হাসতে জান শেষ। ভুতের নাম শুনতে দেরী আছে, কিন্তু মূর্ছা যেতে দেরী নেই! তবে অনবরত ফেল করা ছাড়াও গুণ আছে টেনিদার। খাওয়ার ব্যাপারে সিনেমায় আমার দেখা কোন চরিত্রের মধ্যে সেই সর্বশ্রেষ্ঠ! তার সাথে পাল্লা দেয়া দূরের কথা, ধারে কাছে আসার মতো কোন চরিত্রও আমার কাউকে মনে পড়ে না! তবে একটা জিনিস কিছুতেই আমার মাথায় ঢুকলো না। এই রোগা শরীরে টেনিদা যেই খাবারগুলো খেলো সেগুলো গেলো কোথায়!

এই সিনেমায় রবি ঘোষ ছোট্ট একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। কিন্তু অভিনয়টা দারুন হয়েছে। অবাঙ্গালী চরিত্রে তাকে ভালোই মানায়। নির্জন সৈকতে সিনেমায়ও তাকে আমরা দেখেছি কাশীর অবাঙ্গালী পান্ডার চরিত্রে। সেখানেও তার অভিনয় দারুন লেগেছিল। যদিও বাঘা বইনের মত চমৎকার আর কোন চরিত্রে লাগেনি।

এছাড়াও সাধুবাবার চরিত্রটাও ভালো লেগেছে। বন্দি পেলাকে রোস্ট করার গানটাও দারুন। "ঘচাংফু..খাবো তোকে..গিলে গিলে গিলে গিলে...."। গুপী গাইন বাঘা বাইনের ভুতের নৃত্যের পর এটা আরেকটা ব্যাতিক্রমী গান।

সিনেমাটি দেখা যাবে বাংলা সিনেমা আর্কাইভে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29217338 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29217338 2010-08-07 23:20:18
বাংলা সিনেমা - নায়িকা সংবাদ
চমৎকার কিছু গান রয়েছে সিনেমাটিতে। ভোরবেলায় দু'জনে বেড়াতে গিয়েছে পাহাড়ে। ভোরের পরিবেশে মুগ্ধ হয়ে নায়িকা গেয়ে উঠছে - "কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি এ সকাল!"; কিংবা রাতের আসরে সবাইকে শোনাচ্ছে - "আজ চঞ্চল মন যদি মৌমাছি হয়ে যায় ক্ষতি কি! গুন গুন সুরে যদি সারারাত গান গায় ক্ষতি কি!!" মনে হচ্ছিল যেনো স্বাভাবিকভাবেই ভেতর থেকে বের হেয় আসছিল। কোন সাজানো ঘটনা নয়। এছাড়াও আছে পূর্ণ দাস বাউলের গাওয়া - "গোলেমালে গোলেমালে পিড়ীত কইরো না"।

সিনেমাটি যেটা দেখে সবচেয়ে ভালো লাগলো সেটা হচ্ছে পুরুষ মানুষের পৌরষ! ব্যাচেলর নায়ক-নায়িকা একই ঘরে ঘুমাচ্ছে দিনের পর দিন - একজন বিছানায় একজন নিচে - মাঝে একটি আলনার পার্টিশন। অথচ অসংলগ্ন হচ্ছে না কেউ। দেখে মনে হচ্ছিল পুরুষ হলে হতে হয় এই রকম। তাহলেই গর্ব করে বলা যায় - আমি পুরুষ!

সিনেমাটি দেখা যাবে বাংলা সিনেমা আর্কাইভে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29215259 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29215259 2010-08-04 23:18:46
প্রিয় সিনেমা - ঝিন্দের বন্দি
মধ্যপ্রদেশের 'ঝিন্দ' নামক এক রাজ্যের রাজার মৃত্যুর পর তার সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হয় বড় ছেলে শংকর সিং। কিন্তু ছোট ছেলে উদিত সিং চক্রান্ত করে তৃতীয় বারের মতো অভিষেকের আগে বড় ভাইকে নিরুদ্দেশ করে দেয় নিজে রাজত্ব দখলের লোভে। অত্যাচারি উদিত সিং-এর হাত থেকে প্রজাদের বাঁচাতে রাজ্যের এক জেনারেল শংকর সিংকে খুঁজতে বের হয়। কলকাতায় এসে ভাগ্যক্রমে দেখা পায় একই চেহারার গৌরী শংকর রায় নামে এক জমিদারের। তাকেই নিয়ে বসিয়ে দেয় সিংহাসনে। উদ্দেশ্য আপাতত অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে শংকর সিং-এর সিংহাসন পাকা করা এবং সেই সময়ে আসল রাজাকে খুঁজে বের করা।

নকল রাজার অভিষেকের সাথে সম্পন্ন হয়ে যায় পাশের রাজ্যের রাজকন্যার সাথে পূর্ব নির্ধারিত বাকদান অনুষ্ঠানও। শেষ পর্যন্ত সেই খুঁজে বের করে উদ্ধার করে আসল রাজাকে। দমন করে শত্রুদের। ফিরিয়ে দেয় রাজ্য ও রাজকন্যা। যদিও ততদিনে রাজকন্যার মনটি হরণ করা হয়ে গেছে।

সিনেমাটিতে অসম্ভব সুন্দর অভিনয় করেছেন উত্তম কুমার। মনে হচ্ছিল সত্যিকারের রাজা হলে তার চেহারা এই রকমই হওয়া উচিত। এই সিনেমাতেই বোধ হয় সৌমিত্র প্রথম কোন খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। যদিও খলনায়ক হিসেবে তাকে ভাবতে কষ্ট হচ্ছিল।

ভালোবাসলে মেয়েরা যে কি করতে পারে এই সিনেমায় তার কিছুটা উদাহরন তপন সিংহ দিয়েছেন। রাজ্যের রানী হয়েও কোন ধরনের নিরাপত্তা ছাড়া আমন্ত্রণ জানিয়ে নকল রাজাকে নিয়ে আসে তার খাস কামড়ায়। তার বোকামীর মাসুল তাকে দিতে হয় যখন সেই গোপন রাস্তা দিয়েই এসে উদিত সিং-এর লোক তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

সিনেমার যে দৃশ্যটি মনে দাগ কেটেছে সেটি হলো রাজা (নকল)-রানীর প্রথম দেখা হওয়ার সময় রানীর দ্বারা রাজাকে বরণ করে নেয়ার দৃশ্যটি। তখনকার মেয়েরা স্বামীকে যে সত্যিকারের দেবতার আসনেই বসিয়ে পূঁজা করতো তা সে স্বামী মাতাল-লম্পট যাই হোক না কেনো, এই দৃশ্যটি তা সত্যিকারভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছে।

সিনেমাটি সরাসরি দেখা যাবে বাংলা সিনেমা আর্কাইভে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29214482 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29214482 2010-08-03 22:36:20
বাংলা সিনেমা আর্কাইভ
http://cinebangla.blogspot.com]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29203248 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29203248 2010-07-19 14:49:10
মজার সিনেমা - আশি-তে আসিও না

সংসারে সবার অবহেলিত আশি বছরের এক বৃদ্ধ বায়ু পরিবর্তনে গিয়ে দুর্ঘটনাক্রমে এক পুকুরে পড়ে যায় এবং যৌবন ফিরে পায়। পঁচিশ বছরের যুবক হয়ে সে বাড়ী ফিরে যায় স্ত্রীকে সেই পুকুরে নিয়ে আসার জন্য। শুরু হয় মজার সব কাণ্ড।

রোমান্টিক সিনেমা ছাড়াও যে বাংলা সিনেমা হয়, এবং সিনেমাটি জনপ্রিয়ও হয়, আশি-তে আসিও না তার প্রমান। সিনেমাটিতে মজা করার পেছনে আসলে পরিচালক আমাদের সমাজে বৃদ্ধদের দুর্দশার চিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন। একজন মানুষ সারা জীবন খেটে মরলেন যেই সংসারের জন্য, বৃদ্ধ বয়সে তাকে ঠিকমতো খাবারটা দিয়ে যাওয়ার সময়ও সেই সংসারের কারো থাকে না।

১৯৬৭ সালে নির্মিত অসাধারণ এই সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ভানু বন্দোপাধ্যায়। সিনেমাটি অনলাইনে দেখা যাবে আমার বাংলা সিনেমা সাইটে






---------------------------------------------------------------------------------
Bangladesh Travel Assistance - Free travel info on Bangladesh
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29043486 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29043486 2009-11-14 20:24:34
হায়রে পীর ব্যবসা!
"আপনি কি দুনিয়া আখেরাতের কল্যাণ লাভ করতে চান? চলে আসুন দেওয়ানবাগ শরীফে।"

এই তো সবে শুরু। কয়দিন পর নিশ্চয় বিজ্ঞাপন আসবে, "বেহেশতে যেতে চান? সোজা চলে আসুন..." তখন বোধ হয় টাকা দিলেই চলে যাওয়া যাবে সেখানে সোজা।

ব্যবসা নিশ্চয়ই জমজমাট। নয়ত এত টাকা আর আসে কোত্থেকে?





---------------------------------------------------------------------------------
Bangladesh Travel Assistance - Free travel info on Bangladesh
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29043031 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29043031 2009-11-13 21:42:06
তপন সিনহার -

পুরী যাওয়ার ট্রেনে চার বিধবা এবং এক তরুনীর একটা দলের সাথে পরিচয় হয় তরুন এক লেখকের। পুরীতে সেই পরিচয় পরিনত হয় বন্ধুত্বে। চার বিধবা আপন করে নেয় লেখককে। সে পরিনত হয় ঘরের মানুষে।

পুরীর বিশাল সৈকত আর মন্দিরের সংস্পর্শে এসে এবং লেখকের অনুপ্রেরণায় বিধবারা নিজেদের নতুন করে ফিরে পায়। জীবন সম্পর্কে পাল্টে যায় তাদের দৃষ্টিভঙ্গি। সারা জীবন রান্নাঘরের সংকীর্ণতায় কাটানো বিধবারা সাগরে এসে যেনো ছুড়ে ফেলে দেয় তাদের সব সংকীর্ণতা। জীবনকে উপভোগ করতে শুরু করে নতুন ভাবে। দলের তরুনীটি ভালোবেসে সদ্য পাওয়া কষ্ট ভুলে গিয়ে নতুন জীবন গড়ার অনুপ্রেবণা পায়।

সমরেশ বসুর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত তপন সিনহার এই সিনেমাটি জাতীয় পুরস্কার পায় ১৯৬৩ সালে। চার বিধবার চরিত্রে অভিনয়কারী চার মহিলা-শিল্পী সম্মিলিত ভাবে পায় শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রির মর্যাদা।

নির্জন সৈকতে সিনেমাটি অনলাইনে দেখা যাবে আমার বাংলা সিনেমা সাইটে






---------------------------------------------------------------------------------
Bangladesh Travel Assistance - Free travel info on Bangladesh
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29042920 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29042920 2009-11-13 17:39:25
আরো পাঁচটি বাংলা সিনেমা
আজ সাইটে যুক্ত হলো এইসব ডাকসাইটে লেখকদের কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত পাঁচটি সিনেমা। আশা করি ভালো লাগবে।

পলাতকঃ
মনোজ বসুর "আংটি চাটুয্যের ভাই" অবলম্বনে নির্মিত ১৯৬৩ সালের সিনেমা। অভিনয় করেছেন - অনুপ কুমার ও সন্ধ্যা রায়।
ছায়াসূর্যঃ
আশাপূর্না দেবীর ছোটগল্প অবলম্বনে নির্মিত এবং শর্মিলা ঠাকুর, অনুভা গুপ্তা, মলিনা দেবী, ভানু বন্দোপাধ্যায়, ও রবি ঘোষ অভিনিত সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৬৩ সালে।

গৃহপ্রবেশঃ
উত্তম কুমার, সূচিত্রা সেন অভিনিত ১৯৫৪ সালের সিনেমা।

রাইকমল
তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের কাহিনী অবলম্বনে ১৯৫৫ সালে নির্মিত সিনমোটিতে অভিনয় করেছেন উত্তম কুমার ও কাবেরী বসু।

রাজা সাজাঃ
উত্তম কুমার ও সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় অভিনিত ১৯৬০ সালের সিনেমা।

ভালো বাংলা সিনেমার নতুন সাইট






---------------------------------------------------------------------------------
বাংলা সিনেমা আর্কাইভ - দুই বাংলার পুরনো সাদা-কালো সব বাংলা সিনেমা, গান, ও রিভিউ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29039904 http://www.somewhereinblog.net/blog/rawhasan/29039904 2009-11-08 16:03:14