somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ফেসবুক কি বন্ধ আছে? নাকি ফিল্টার করা হচ্ছে? http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29527368 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29527368 2012-01-22 22:55:47 দৃষ্টি সবার অধিকার
বিশ্ব দৃষ্টি দিবস - প্রতি বছরের মত আজ সারা পৃথিবীজুড়ে পালিত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ দিবস হিসেবে প্রতিবছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার সাড়ম্বরে এ দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। যার মূল উদ্দেশ্য হলো- যে সমস্ত “অন্ধত্ব ও দৃষ্টি সমস্যা” প্রতিরোধ কিংবা চিকিৎসার মাধ্যমে নিরসনযোগ্য, সে সম্পর্কে সমাজকে সচেতন করা।

অন্ধত্ব বা অন্ধত্বের কাছাকাছি সমস্যায় ভুগছে এমন মানুষদের সংখ্যা পৃথিবীতে প্রায় ২৯ কোটি। যার মধ্যে প্রায় ৪ কোটি মানুষ সম্পূর্ন অন্ধ ও প্রায় ২৫ কোটি মানুষ মারাত্মক দৃষ্টি সমস্যার কারনে ভুগছে। এদের মধ্যে আবার শতকরা সত্তর ভাগ যারা পঞ্চাশোর্ধ। সমস্ত অন্ধত্বের প্রায় ৯০ ভাগই বাস করে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশে। এসবের মধ্যে আশি ভাগ মানুষকেই অন্ধত্বজনিত রোগ থেকে প্রতিরোধ বা চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো করা সম্ভব। অর্থাৎ নিরসনযোগ্য। এ সম্পর্কে আমরা মোটেও সচেতন নই। বয়স হলেই কম দেখবে এটা একটা ভ্রান্ত ধারণা। একজন বয়স্ক বৃদ্ধ মানুষও যে একজন সুস্থ স্বাভাবিক যুবক-যুবতীর মতই দেখতে পারে, এটা আমরা কেউই বিশ্বাস করতে চাই না । আর তাই ঘরে বসে নিজের বয়সটাকে দায়ী মনে করে অবস্থাটা মেনে নেই অথবা কিছু ক্ষেত্রে বয়সকে অভিশাপ দিয়ে থাকি। অথচ আজ চক্ষু বিজ্ঞানের অগ্রসরতা প্রমান করে ছেড়েছে একজন বয়স্ক মানুষও সুস্থ সুন্দর সবল চোখের মাধ্যমে বৃদ্ধকালীন জীবনকেও কি রকম দৈনন্দিন সক্ষম ও সুন্দরভাবে উপভোগ করতে পারেন। পড়তে, লিখতে এবং সমস্ত কাজ করতে পারেন আর দশটা যেকোন স্বাভাবিক মানুষের মতই। কোন পার্থক্য নেই।

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ অন্ধত্বে ভুগছে । যার মধ্যে ছানিজনিত অন্ধত্বের পুরানো রোগী রয়েছে প্রায় সাড়ে সাত লাখ। এর সংগে প্রতি বছর আরো ১৫ হাজার রোগী যোগ হচ্ছে। শিশু অন্ধত্বের সংখ্যাও বর্তমানে প্রায় চল্লিশ হাজার। তাছাড়া বিশ্বে প্রতি পাঁচ সেকেন্ডে একজন অন্ধত্বের কবলে পতিত হচ্ছে। বাংলাদেশে বয়স্ক অন্ধত্বের প্রধানকারন সমূহ হচ্ছে- ছানি, গ্লুকোমা, পাওয়ার জনিত দৃষ্টি সমস্যা, কর্ণিয়ার অস্বচ্ছতা ইত্যাদি। তাছাড়া ডায়াবেটিস, ব্লাড-প্রেশার ও বয়সজনিত কারনে চোখের অন্তঃ পর্দার (রেটিনা) জটিল পরিবর্তনও উল্লেখযোগ্য ভাবে দায়ী।

২০২০ সালের মধ্যে এসব নিরসনযোগ্য অন্ধত্বকে উচ্ছেদ করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিয়েছে ব্যাপক কর্মসূচী। যা বাংলাদেশেও পরিচালিত হচ্ছে বেশ জোরেশোরে। তাই আমাদের সবার উচিত হবে সহযোগীতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সমাজ থেকে এ সমস্যা দূরীকরন। যার প্রত্যক্ষ সুফল পাবে এ সমাজেরই গরীব-বড়লোক সবাই, একটি কর্মদক্ষ সুন্দর জীবন-যাপন উপভোগ করার মাধ্যমে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29464895 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29464895 2011-10-13 00:43:15
সামাজিক প্রতারনার তিন কাহিনী
ঘটনা একঃ সকালে বের হয়েছি ঢাকা যাব বলে। রিকশাওয়ালা ভাই নিজেই ছয় টাকা চেয়েছে বাস কাউন্টারে যাবে বলে। নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে বললাম দশ টাকার ভাংতি দেন। বলল আমার কাছে নেই, সামনের মোড় থেকে করে আনি। মাথা ঝাঁকিয়ে সম্মতি দিলাম, তার সততা পরীক্ষা করতে। ঘড়ি দেখলাম ৬-৩০ মিঃ। আধঘন্টা পর ঠিক সাতটায় বাস ছেড়ে দিল ঢাকার উদ্দেশ্যে। ভাইজানের খবর নেই। আমার কাছে সে হেরে গেল মাত্র চার টাকার জন্য। ‘সততা’-রা বাস কাউন্টারের সামনের ড্রেন দিয়ে কোথায় যেন হারিয়ে গেল।

ঘটনা দুইঃ আম্মা বৃদ্ধা হলেও জ্ঞান-বুদ্ধিতে এখনও টনটনে আছেন। বাড়ীর পিছনে কয়েকটি ডাব গাছ আছে। একজন মাঝারী বয়স্ক ডাবওয়ালা প্রায়ই অনুরোধ করে সেগুলো বিক্রির জন্যে, দু’টো টাকা লাভ করবে বলে। একদিন উনি সম্মতি দিলেন। ডাব কাটা শেষ। এমন সময় ডাব-ভাইজান বললেন, চাচী আমার কাছেতো টাকা বেশী নেই। গরীব মানুষ, বিক্রি করে আপনার ২১০ টাকা দিয়ে যাব। মানে পরের মূলধনে ব্যবসা আর কি! তবুও উনি সানন্দে রাজী হলেন এবং একসময় উনার মনে হলো- সে যে কেন এল না.........তবে অবশ্যই তা অন্য অর্থে।

ঘটনা তিনঃ গতকাল দুপুরে চৌরাস্তার সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম। মৌসুমী নতুন লিচু ওঠা দেখে ছোট ছেলেটার কথা মনে পড়লো। ও আবার খুব লিচু পছন্দ করে। লিচুওয়ালাদের সঙ্গে কথা বলে জানলাম ১৪০ থেকে ২২০ টাকার মধ্যে এক’শ লিচুর দাম ওঠা-নামা করছে। ওদের মাঝে তরুন একজন প্রলুদ্ধ করল আমাকে এই বলে- তার লাল রঙওলা লিচুগুলিই বাজারের সেরা লিচু। দাম ঠিক হলো এক’শ লিচু দুইশত টাকা। বলল গুনে গুনে আগেই আঁটি বাঁধা আছে। বিশ্বাস করলাম এবং একটি পঞ্চাশের আঁটি নিয়ে চললাম। চুপিচুপি আপনাকে বলি, বাড়ী এসে গুনে দেখি ৪১ টা। মানে এটাই চলছে একটু ভুল করলেই এবং আপনিও সাবধান। লজ্জায় কাউকে বললাম না। খুব খারাপ লাগলো কোথায় চলেছি আমরা। মরীচের গুড়ায় ইটের গুড়া! আমাদের এই অধঃপতন আমাদের রক্ত-বীজে ঢুকে গেছে প্রায় সবক্ষেত্রে। উপরের ঘটনাগুলি উদাহরণ মাত্র। জাতি হিসেবে আমাদের নৈতিকতার তলানিতে ঠেকতে আর কতদিন লাগবে?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29379377 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29379377 2011-05-11 20:54:32
জীবাণুনাশকের অকার্যকারিতা ও এর বিশ্বব্যাপী বিস্তার
আজ ৭ই এপ্রিল। বিশ্বস্বাস্থ্য দিবস। এবারের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে- “জীবাণুনাশকের অকার্যকারিতা ও এর বিশ্বব্যাপী বিস্তার”।

চারপাশ থেকে আমাদের শরীরে প্রতিনিয়তই জীবাণুর আক্রমণ চলছে- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, পরজীবি ও ফাঙ্গাস দ্বারা। কিন্তু শরীরের নিজস্ব সহজাত ক্ষমতা তা প্রতিরোধ করে। আর যখন প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তখনই লাগে নির্দিষ্ট ঔষধ দিয়ে জীবাণু মারার প্রচেষ্টা চালানো। যখন শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্নভাবে ভেঙ্গে পড়ে তখন সর্দি, কাশি বা ফ্লু-র মত সাধারন সংক্রমণেও মানুষ মারা যেতে পারে। যেমনটি এইডস এর ক্ষেত্রে ঘটে। তাই এখনই প্রয়োজন জীবন বাঁচাতে অ্যান্টিবায়োটিকের পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিতকরন। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকাতে প্রতি বছর সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়ে অসংখ্য মানুষ মৃত্যুবরন করে। অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন রক্ষা পাচ্ছে, রোগের বিস্তার কমছে। কিন্তু বর্তমানে অ্যান্টিবায়োটিকের অকার্যকারিতা অনেক জীবাণু নিয়ন্ত্রনকে অসাধ্য করে তুলেছে। ইচ্ছামত অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের ফলে যক্ষা, এইচআইভি এইডস, যৌনবাহিত রোগ, কালাজ্বর, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড ও নিউমোনিয়ার মত রোগ প্রতিরোধে অনেক প্রচলিত ঔষধ ঠিকমত কাজ করছে না। তাই এব্যাপারে আমাদের দ্রুত অধিকতর সচেতন হতে হবে এবং সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে হবে। কারন দেখা যাচ্ছে, গত কয়েক দশক আগে যে ঔষধ রোগ-জীবাণুর বিরুদ্ধে বিপ্লব ঘটিয়েছিলো, আজ তাতে তেমন কাজ হচ্ছে না। তাছাড়া অনেক সময় জীবাণুর বিরুদ্ধে ঔষধসমূহ কাজ করে না নানাকারনে। এর প্রধান কারন মূলতঃ অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার, প্রাকৃতিক নিয়মেই জীবাণুদের ঔষধের বিরুদ্ধে আরো অপ্রতিরোধ্য হওয়া ও উক্ত গুণ তাদের বংশ পরস্পরায় বয়ে নিয়ে যাওয়া, প্রয়োজনের তুলনায় স্বল্পমাত্রার ডোজ ব্যবহার করা, নিম্নমানের ঔষধে সঠিক পরিমানে ঔষধ না থাকা, নির্দিষ্ট রোগের জন্যে সঠিক ঔষধ সেবন ও তার পুরো কোর্স সম্পন্ন না করা। সংক্রমণ প্রতিরোধে দূর্বল নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা, হাঁস-মুরগী, পশু পালন ও মৎস্য চাষে নিম্নমাত্রা ও বিধি বহির্ভূত ঔষধ ব্যবহার, অপ্রতুল রিসার্চের মাধ্যমে নতুন ঔষধ আসতে দেরী হওয়া ও অপ্রতিরোধ্য জীবাণু চিহ্নিত করতে না পারা, হাসপাতালে রোগীর দীর্ঘদিন অবস্থান ইত্যাদি। এসব থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজন অ্যান্টিবায়োটিক-এর পরিমিত ব্যবহারের উন্নতিকরন ও অপ্রতিরোধ্য জীবাণুর পরিবাহিত হওয়ায় বাধাদান। আসলে অ্যান্টিবায়োটিকের এমন অবিবেচনাপ্রসূত ব্যবহারে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়ছে। সহজে রোগ সারছে না, দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে হচ্ছে, মৃত্যুর হার বাড়ছে ও দামী ওষুধের প্রয়োজন হচ্ছে। ফলে চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে পড়ছে। তাই এর অকার্যকারিতা রোধে প্রয়োজন একটি জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োগে চিকিৎসক, ফার্মাসিস্টদেরকে ও সংশ্লিষ্ট অন্যদেরকে দক্ষ করে তোলা। হাসপাতালে সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রনে কমিটি গঠন ও এর কার্যক্রম নিশ্চিত করা। মানসম্মত ঔষধ উৎপাদন, বাজারজাতকরন ও বিধিবদ্ধ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কঠোর আইন প্রয়োগ করা। তা না হলে কোন পার্থক্য থাকবে না পৌরণিক কাল ও ভবিষ্যতের মাঝে। বহু বছর আগে মানুষ মারা যেত অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ ছিল না বলে অতি সাধারন রোগে ভুগে । আর ভবিষ্যতে মানুষ মরবে এর অপব্যবহারের ফলে অর্থাৎ অ্যান্টিবায়োটিক দিয়েও জীবাণুর বিরুদ্ধে কোন কাজ হবে না বলে। অতএব সাধু সাবধান! এখনই সময় সমাজের সবাইকে সচেতন করার।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29358338 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29358338 2011-04-07 00:02:15
আজকের হিরো তুমিই শফিউল!! ধন্যবাদ মাহমুদকে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29342645 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29342645 2011-03-11 23:04:02
সীমাহীন অসভ্যতা!
“আসুন প্রতিরোধ করি এই অপরাজনীতি” আহ্‌বানে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ যে পোষ্টার সাইজের বিজ্ঞাপন ছাপিয়েছে আজকের “আমাদের সময়” পত্রিকায়-তা কোন ধরনের রুচী ও রাজনীতির পরিচয় বহন করে তা সহজেই অনুমেয়। এরা বাংলাদেশে কোন ধারা সৃষ্টি চালানোর প্রয়াস পাচ্ছে? আরে একজন পাঁড় মাতাল বা মদখোরও তো বিশ্বাস করবেনা খালেদা জিয়া বা শেখ হাসিনা মদ খান বা কাউকে তা দিয়ে আপ্যায়ন করেন! আশ্চর্য্য এদের চিন্তাধারা!! আসলে এই যুবলীগই তো অপরাজনীতির প্রবল স্রষ্টা হতে যাচ্ছে, বলে মনে হচ্ছে। আর “আমাদের সময়”-এর নাইমুল ইসলাম খানই বা তা ছাপায় কি করে? ক্লিক করুন- এই লিঙ্কে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29290349 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29290349 2010-12-15 22:13:35
"নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্র চালুর চিন্তা"- যে ব্যবস্থায় বহু মত বা আদর্শ থাকবে না।
লিঙ্ক দেওয়া হল। ক্লিক করুন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29098643 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29098643 2010-02-16 00:15:20
মিরাকল অব দ্য ইয়ার ২০০৯ প্রসবকালে মা-ছেলের মৃত্যুঃ অতঃপর উভয়ের ‘ফিরে আসা’

কোনটি সত্য, অলৌকিকত্ব, নাকি চিকিৎসা বিজ্ঞান? এই প্রশ্নের জবাব চাইলে মার্কিন চিকিৎসা বিজ্ঞানীরাও চুপ করে থাকছেন! কারণ বড়দিনের প্রাক্কালে যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে পারছে না তারা। কলোরাডো স্প্রিংসের মেমোরিয়াল হসপিটালে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ভর্তি করা হয় ৩৫ বছর বয়সী প্রসূতি মা ট্রেসি হারম্যান্সটরফারকে। চিকিৎসকরা তার সিজারিয়ান সেকশনের সিদ্ধান্ত নেন।

অপারেশন টেবিলে হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায় মায়ের। চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন তাকে। সদ্যজাত সন্তানকেও মৃত ঘোষণা করেন তারা। খুলে ফেলা হয় সব যন্ত্রপাতি। এই খবর বাইরে অপেক্ষমাণ তার স্বামী মাইকের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়।

কিন্তু কান্নাকাটির পর্ব শেষ না হতেই নবজাত ‘প্রাণ ফিরে পায়’! তাকে নিয়ে যখন সবাই আনন্দে উদ্বেল তখন তারা বুঝতে পারেননি যে, তাদের জন্য আরেকটি বিস্ময় অপেক্ষা করছে। নবজাতক ছেলে সন্তানটি প্রাণ ফিরে পাবার কিছুক্ষণ পরেই মায়ের হার্টবিট ফিরে আসতে থাকে! কিন্তু অন্তত চার মিনিট তার কোনো হৃদস্পন্দন ছিল না! হাসপাতালের চিকিৎসক ড. মার্টিন বলেন, হৃদক্রিয়া একদম বন্ধ হয়ে যাবার পর কিভাবে মানুষ আবার জীবন ফিরে পেতে পারে এ ব্যাখ্যা আমাদের কাছে নেই! একে আপাতত ‘মিরাকল’ ছাড়া আর কিছু বলতে পারছি না আমরা।

সূত্র : ইত্তেফাক ডেস্ক(নিউইয়র্ক ডেইলি নিউজ)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29069554 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29069554 2010-01-01 01:23:04
অনলাইনে ভাইরাস স্ক্যান
একবার কে যেন টিপসটি দিয়েছিলো। জানা থাকলে কেউ বলবেন কি?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29036438 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29036438 2009-11-02 16:24:52
ক্রসফায়ারঃ যুক্তরাষ্ট্র স্টাইল!
যুক্তরাষ্ট্রের একজন সুন্নি মুসলিম নেতা কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। এফবিআই বলেছে, লোকমান আমিন আব্দুল্লাহ নামের ওই মুসলিম নেতা যুক্তরাষ্ট্রকে ইসলামি রাষ্ট্রে পরিণত করার পরিকল্পনা করছিলেন। তিনি ‘উম্মা’ নামের একটি সংগঠনের নেতা ছিলেন।
মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েট সিটিতে গত বুধবার এ ঘটনা ঘটে।

তাকে কেন সন্ত্রাসবাদী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়নি বা যায়নি-এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মিশিগানের অ্যাটর্নি টেরেন্স বার্গ বলেন, "এ অভিযোগগুলো থেকেই সবকিছু স্পষ্ট।" শহরের অদূরে যেখানে আব্দুল্লাহ গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন সেটি ছিল তার পণ্য গুদাম।
সেই একই গল্পঃ অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র চোরাচালানসহ বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এফবিআই লোকমান আমিন আব্দুল্লাহ ও তাঁর ১০ অনুসারীকে গ্রেপ্তার করতে বিশেষ অভিযান চালায়। কিন্তু লোকমান আমিন আত্মসমর্পণ করতে অস্বীকৃতি জানান। বরং এফবিআই সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। জবাবে এফবিআই সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। এতে লোকমান গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। তবে এ ঘটনায় অন্য কারও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরে তাঁর ১২ অনুসারী গ্রেপ্তার হন।

এফবিআই বলেছে, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার আগে লোকমান আব্দুল্লাহর নাম ছিল ক্রিস্টোফার টমাস। সরকারবিরোধী হিসেবে তিনি সব সময়ই সোচ্চার ছিলেন। কারাবন্দী কৃষ্ণাঙ্গদের অনেকেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর তাঁর অনুসারী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে শরিয়া আইন প্রবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম নাগরিক অধিকারবিষয়ক সংস্থা আমেরিকান ইসলামিক অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক দাউদ ওয়ালিদ এফবিআইয়ের হাতে লোকমান আব্দুল্লাহর নিহত হওয়ার ঘটনায় দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, লোকমান ইব্রাহিম ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ মুসলিম নেতা। তাঁর অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে মুসলিম সম্প্রদায় ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, লোকমান ছিলেন একজন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ। কোনো ধরনের জঙ্গি গ্রুপের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29036107 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29036107 2009-11-02 00:02:12
লেডি কিলার, শিকার ১১ নারী, টার্গেট ছিল ১০১
সিরিয়াল কিলার রসুর টার্গেট ছিল যুবতীরা। তার খুনের নেশার শিকার হয়েছে অন্তত ১১ নারী। জীবনে প্রথম প্রেমে ব্যর্থ হয়েছিল রসু। তার শোধ তুলতে সে পরিণত হয় ভয়ঙ্কর খুনিতে। নিষ্ঠুর প্রতিজ্ঞা ছিল যন্ত্রণা দিয়ে, নির্যাতন চালিয়ে খুন করবে ১০১ নারীকে। পুলিশ ও মানুষের নজর এড়িয়ে রসু চালিয়ে যায় তার খুনের মিশন। ১১ নারীকে খুন করে শেষে একটি খুনের ঘটনায় ধরা পড়ে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পুলিশের হাতে। রিমান্ডে সে জানায়, প্রেমের প্রলোভন, বিয়ের ফাঁদে ফেলে সে টার্গেট করে একের পর এক নারীকে। হত্যার পর লাশের ওপরও নির্যাতন চালিয়েছে লেডি কিলার রসু। লাশ গুম করেছে বিচিত্র উপায়ে।

দেখুন-আজকের মানব্জমিন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29024288 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29024288 2009-10-12 01:08:57
একটি বিশুদ্ধ হাসি
হাসতে হলে এমন হাসি-ই হাসুন
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29021133 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29021133 2009-10-06 00:19:16
হায়রে চাঁদাবাজি! লাশ দাফনেও তা দাবি!!
নারায়ণগঞ্জ থেকে লাশ দাফন করতেও চাঁদা। না হলে আরও লাশ। এমন হুমকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে শোকার্ত স্বজনদের ওপর। এ ঘটনায় আহত হয়েছে ৭ জন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পিঠালীপুর কবরস্থানে। আহতদের নারায়ণগঞ্জ ২০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আহত ও এলাকাবাসী জানান, ফতুল্লা কুতুবপুরের মুন্সিবাড়ির মো. আলী মাদবরের স্ত্রী হেলেনা বেগম মারা যান শনিবার। তার লাশ দাফন করতে স্বজনরা পার্শ্ববর্তী পিঠালীপুল এলাকার কবরস্থানে নিয়ে যান। কবর খোঁড়ার এক পর্যায়ে পিঠালীপুল এলাকার সন্ত্রাসী আহাম্মদ, সানাউল্লাহ, শাহ আলম, বাদল, নুর ইসলামসহ ১০-১৫ জন তাদের কাছে চাঁদা দাবি করে। সন্ত্রাসীরা লাশের সঙ্গে আসা স্বজনদের জানায়, কুতুবপুরের মানুষকে পিঠালীপুলে কবর দেয়া যাবে না। কবর দিতে হলে ৫ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হবে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা লাঠিসোটা ও কবর খোঁড়ার খুন্তি দিয়ে পিটিয়ে মৃতের আত্মীয় শামীম (২৮), শাকিল (২২), রিফাত (১৮), আলী হোসেন (২৮), মোক্তার (২৭), মোমেন (২৫) ও জজ মিয়া (৫৫)-কে আহত করে। আহতদের চিৎকারে কবরস্থান এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে লোকজন ছুটে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়

সুত্রঃ মানবজমিন
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29010083 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29010083 2009-09-14 01:05:41
সোয়াইন ফ্লুর ভ্যাকসিন অনুমোদন পেল চীনে
চীনের ওষুধ নির্মাতা কোম্পানি ‘সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেড’ -এর সোয়াইন ফ্লু প্রতিরোধী সেই বহুল আলোচিত সস্তা ভ্যাকসিনটি মানবদেহে প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছে দেশটির খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন। স্বাস্থ্য বিভাগের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মূল্যায়ন প্যানেল নানাভাবে পরীক্ষা করে দেখেছে প্রচলিত দুই ডোজের ভ্যাকসিনের বিপরীতে সিনোভ্যাকের এইচ১এন১ ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিনের একটিতেই কাজ হবে। এছাড়া এটি দামেও অনেক সস্তা।

চীনের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, বেইজিংয়ের সিনোভ্যাকের তৈরি ভ্যাকসিনটি পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করে চমৎকার ফল পাওয়া গেছে এবং এটা মানবদেহের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সিনোভ্যাক কোম্পানির প্রেসিডেন্ট ইন ওয়েডং জানান, তাদের উৎপাদিত এই ভ্যাকসিন নিরাপদ ও আস্থাযোগ্য এবং এতে কোন বিরূপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও লক্ষ্য করা যায়নি। চীনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিদায়ী প্রতিনিধি হ্যান্স ট্রোডসন বলেন, সিনোভ্যাকের ওয়ান ডোজ ফরমুলার ভ্যাকসিন অত্যন্ত কার্যকর ও সুবিধাজনক। চীন সরকার দেশের সাড়ে ৬ কোটি লোককে এই ভ্যাকসিন দেয়ার পরিকল্পনা করছে।
৩ থেকে ৬০ বছরের বয়সী যে কাউকে এই ভ্যাকসিন দেয়া যাবে। পাশ্চাত্যের কোম্পানিগুলো সোয়াইন ফ্লুর ভ্যাকসিন বিক্রি করছে গড়পড়তা ৩০ মার্কিন ডলারে। এর বিপরীতে সিনোভ্যাকের ওষুধের দাম পড়বে মাত্র ২১ মার্কিন ডলার। বর্তমানে মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল গ্রুপ বাক্সটার, ফ্রান্সের স্যানোফি-প্যাসটিউর, সুইজারল্যান্ডের নোভারটিস এবং ব্রিটেনের গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন সোয়াইন ফ্লুর ওষুধ তৈরি করছে।


সূত্রঃ ইত্তেফাক
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29004393 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29004393 2009-09-04 01:54:02
আমাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য: কিছু কথা
আমরা যদি ব্রিটিশ শাসনামলের যুগের দিকে একটু ফিরে তাকাই, তা হলে আমরা দেখতে পাবো যে ১৮০১ সালে তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেশলি বাংলার বিভিন্ন জেলার জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটদের কাছে নতুন রাজস্ব ও বিচার ব্যবস্থার ফলাফল জানতে চেয়ে এক প্রশ্নাবলী প্রেরণ করেন। প্রশ্নাবলীর একটি অংশে প্রত্যেক জেলার অধিবাসীদের নৈতিক চরিত্র ও স্থানীয় অপরাধ সম্বন্ধে তাদের অভিজ্ঞতা জানতে চাওয়া হয়েছিল। তারা যে জবাব পাঠিয়েছিলেন তা একত্রে সংকলিত করে তৎকালীন ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর পরিচালক চার্লস গ্রান্ট একটি পুস্তিকাকারে প্রতিবেদন তৈরি করেছিলেন। চার্লস গ্রান্ট এককালে লর্ড কর্নওয়ালিসের একান্ত সচিব ছিলেন। গ্রান্টের প্রতিবেদনে তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার বিভিন্ন জেলার অধিবাসীদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরা হয়েছিল। যাহোক ঐ অবিভক্ত বাংলার যে অংশটি এখন বাংলাদেশ বলে পরিচিত সে অংশেরই অধিবাসীদের সেই আড়াইশ বছর আগের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের দু’চারটি বিস্তারিত লিখতে গেলে সংকুলান হবে না।

চার্লস গ্রান্ট ১৮২৩ সালে মারা যান কিন্তু তিনি রেখে গেছেন এক কালজয়ী বিবরণ ইতিহাসের পাতায় যার সাক্ষ্য পাওয়া যায়। চার্লস গ্রান্টের সেই ঐতিহাসিক সংকলিত প্রতিবেদনে দেখা যায় যে, আড়াইশ বছর পূর্বে বাঙালি চরিত্রের বৈশিষ্ট্য ছিল যে তারা ছিল অসৎ, ফাঁকিবাজ, প্রতিহিংসা পরায়ণ, অকৃতজ্ঞ, লোভী, ঠকবাজ, হঠকারী, জাল-জালিয়াতি, হত্যা, ডাকাতি, হীনচেতা, মিথ্যাবাদী, স্বার্থপর এমন কোন দোষ নেই যে তাদের মধ্যে ছিল না। এছাড়া ঘুষ দেয়া, আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া, নিজের লাভের জন্য অন্যের ক্ষতি করা, অন্যের বিপদে আনন্দ উপভোগ করা, পরশ্রীকাতরতা, ছলে বলে, কলে-কৌশলে বিষয় সম্পত্তি সঞ্চয় করাই ছিল জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। তাছাড়া মুখে কথার তুবড়ি ছড়ানো এবং কাজে ফাঁকি দেয়া নিত্যকার অভ্যাস ছিল। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নানা প্রতারণার আশ্রয় নেয়া, কথার হুল ফোটানো, শ্লেষাত্মক কথাবার্তা এমনকি প্রয়োজনে হত্যা করা, লুণ্ঠন, স্ত্রীর প্রতি অবিচার এসব যেন যুবা থেকে বৃদ্ধ সবাইর মধ্যেই লক্ষ্য করা যেত। চার্লস গ্রান্ট বলেছেন, বাঙালিদের দেশপ্রেম নেই। তাই বলে কি বাঙালিদের মধ্যে ইংরেজ শাসকেরা কোন ভাল গুণ খুঁজে পায়নি? এ ধরনের সমাজে রাজা রামমোহন রায়ের আবির্ভাবকে তারা অলৌকিক বলে মনে করতো।

একাত্ম হয়ে আমরা আমাদের গ্লানিকে ধুয়ে-মুছে নতুনভাবে জন্ম নিতে পারি না? বাঙালির কলংকের অবসান ঘটিয়ে সত্যিকার মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। ‘কথায় না বড় হয়ে কাজে বড়’ হতে হবে। কবির একশ’ বছর পুরানো কবিতার আদর্শ বাস্তবায়িত করতে হবে। তাই বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষিতে আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার দু’টি লাইনের উদ্ধৃতি-

‘ডুবিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ, কে আছো জওয়ান, হও আগুয়ান, হাঁকিছে ভবিষ্যৎ’।

বর্তমানের ডাকে সাড়া দিয়ে বাঙালি ভবিষ্যতে মানুষ হবে। সোনার বাংলা গড়ে তুলে সবাই সোনার মানুষ হোক এটাই কামনা ও বাসনা।

(লেখাটি ইত্তেফাকে পেলাম, ভালো লাগলো তাই শেয়ার করলাম)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29001685 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29001685 2009-08-30 01:13:38
আবেগের কাছে কি বন্দী নির্বাহী আইন?
যদি তাই হয় তবে কেন এত নাটক? মাত্র কয়েকদিন আগের নির্দেশ ছিলো কেন তাদেরকে বরখাস্ত করা হল ও কারা এ সিদ্ধান্ত দেওয়ার জন্য দায়ী, তা জানতে চেয়ে তদন্তের নির্দেশ।

সত্যিই সেলুকাস! কি বিচিত্র এই দেশ! আবেগের কাছে সবকিছু বন্দী। একটা স্বাধীন সার্বভৌম দেশে মুখের কথাই যেখানে আইন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29001153 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29001153 2009-08-28 23:24:56
বাংলাদেশের পুলিশ কর্মকর্তাদের রূপচর্চার প্রশিক্ষণ
বাংলাদেশের পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সারদা পুলিশ একাডেমির প্রধান মাজহারুল হক বলছেন, এই প্রকল্প পুলিশ অফিসারদের আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়াবে তেমনি জনসমক্ষে তাদের দেখাবেও অনেক ভাল।

সারদা পুলিশ একাডেমীতে ১৪০ জন নতুন রিক্রুটকে রূপচর্চার সবক দেবেন যিনি, তাঁর নাম কানিজ আলমাস খান৷ ঢাকায় এবং থাইল্যান্ডে তাঁর বিউটি পার্লার রয়েছে৷ তিনি বলেছেন, ‘আমাকে যখন ডাকা হল, অবাক হয়েছিলাম৷ তবে মানুষ-যে তাদের বাইরে কেমন দেখাচ্ছে, সে-সম্পর্কে আরো বেশি সচেতন হয়ে উঠছে, এটা দারুণ ব্যাপার।

নারী পুরুষ সব পুলিশ অফিসারই এ ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছেন৷ বিউটিসিয়ান কানিজ আলমাস খান জানিয়েছেন, অফিসাররা সব ব্যাপারেই পরামর্শ চেয়েছেন - কোন্ রঙ-এর কাপড় তাঁরা পরবেন, কোন্ সুগন্ধী তাঁদের ব্যবহার করা উচিৎ - এই বিষয়গুলো তাঁরা জানতে খুবই উৎসাহী।

সূত্রঃ dw-world]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29000689 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/29000689 2009-08-27 23:45:34
প্লিজ একটু সাহায্য করুন টেকি ভাইয়েরা। http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28998214 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28998214 2009-08-23 00:44:12 মিয়ানমার সীমান্তে তৈরি হচ্ছে সামরিক স্থাপনা
মিয়ানমারের সমরসজ্জার উদ্দেশ্য এখনও অস্পষ্ট। সীমান্তে পরিত্যক্ত বিমানবন্দর যুদ্ধ বিমানের ব্যবহার উপযোগী করা হচ্ছে। তৈরি করা হচ্ছে কাঁটাতারের বেড়া। কেউ বলছেন, মিয়ানমার রোহিঙ্গার প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে চাচ্ছে। অনেকের ধারণা, বিরোধপূর্ণ সমুদ্রসীমা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্যই মিয়ানমারের এই সমরসজ্জা।

সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে ব্যাপক সমর প্রস্তুতি চলছে। দীর্ঘমেয়াদি কোনো লক্ষ্য নিয়ে বেশ কয়েকটি স্থায়ী সামরিক স্থাপনা তৈরি করছে তারা। মিয়ানমারের এ সমরসজ্জার উদ্দেশ্য এখনও অস্পষ্ট। কারও কারও মতে, পরমাণু শক্তি অর্জন এবং এ সম্পর্কিত গোপন স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিরক্ষাবলয় তৈরি করছে মিয়ানমার। আবার কেউ মনে করছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বিতর্কিত সমুদ্রসীমার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করার পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে তারা। এত বড় বড় বিষয়ের খোঁজ রাখেন না যারা, সেসব সাধারণ মানুষের বিশ্বাস বাংলাদেশে চলে আসা রোহিঙ্গা মুসলমানদের মিয়ানমারে ফেরার পথ চিরতরে বন্ধ করাটাই আসল উদ্দেশ্য। বাংলাদেশের জন্য এর কোনোটিই উপেক্ষার নয়। দেশের পূর্বাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর মধ্যে দিনে দিনে উৎকণ্ঠা বাড়ছে।এহেন পরিস্থিতিতে কেউ কেউ এমন কথাও বলেছেন যে, তিন পার্বত্য জেলা থেকে সেনাক্যাম্প তুলে নেওয়ার সরকারি চিন্তাভাবনা শুরু হওয়ার পর্যায়ে মিয়ানমারের সমর প্রস্তুতির কথা ফলাও করে প্রচারের চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশের অনেকেই এ প্রচারণাকে উদ্দেশ্যমূলক বলে মনে করেন। তাদের মতে, মিয়ানমারের এই সমর প্রস্তুতি কয়েক বছর আগে থেকেই শুরু হয়েছে।

কিন্তু তারা জানে মিয়ানমারের সমর প্রস্তুতির মুখে বাংলাদেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষা নিশ্ছিদ্র করতে হলে স্থানীয় জনসমর্থন সুসংহত করাকেই প্রথম কাজ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। দেশের সমর বিশ্লেষকরা পাহাড়ি-বাঙালি মতপার্থক্যের পরিবেশকে দেশের নিরাপত্তার জন্য বড় অন্তরায় হিসেবে বিবেচনা করছেন। মতপার্থক্য নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হলে নিজেদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা করেছে মহলটি। তাদের নিয়ত চেষ্টার কারণেই বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ এতদিন আশ্চর্যজনক নীরবতা পালন করেছে।

বাংলাদেশের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ থাকলেও বিষয়টিকে বরাবরই রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের তৎপরতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। কিন্তু তাদের সামরিক প্রস্তুতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এখন বিষয়টিকে আর মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করার পর্যায়ে নেই। বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের শাহপরীর দ্বীপ থেকে শুরু করে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ, উখিয়া, রামু এবং বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি ও লামা উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি কিংবা সমতলের সীমান্ত নির্বিশেষে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেওয়ার কাজ বেশ কিছুদিন আগে থেকেই শুরু করেছে মিয়ানমার সরকার। আগামী অক্টোবরের মধ্যে ১২ ফুট উঁচু কাঁটাতারের বেড়া তৈরির কাজ শেষ করতে চায় মিয়ানমার সরকার। তবে পাহাড়ি এলাকায় কাজ শেষ করতে কয়েক মাস ছাড় দেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। প্রথমে সবাই ভেবেছিল রোহিঙ্গাদের যে বিশাল অংশ বাংলাদেশে চলে গেছে তাদের প্রত্যাবর্তন ঠেকাতেই এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সে বিভ্রান্তি কেটে গেছে।

সীমান্তের এপারে বাংলাদেশের কক্সবাজার এলাকার যারা এসব খোঁজ-খবর রাখেন তাদের ধারণা, বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে মিয়ানমারের যে বিরোধ রয়েছে তার সমাধানে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতেই মিয়ানমার এত আয়োজন করছে। বিরোধপূর্ণ এলাকা থেকে সামরিক ছত্রছায়ায় সমুদ্রতলের তেল-গ্যাস তুলে নিতেই এসব প্রস্তুতি।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি মর্নিং হেরাল্ড সম্প্রতি সপক্ষ ত্যাগ করে অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের দুই সামরিক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী এক সংবাদ প্রকাশ করেছে। সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোয়ে জো জানিয়েছেন, বিদেশে গোপনে প্রশিক্ষণ পাওয়া সৈনিক ও কর্মকর্তাদের নিয়ে সেনাবাহিনীতে গড়ে তোলা হয়েছে নিউক্লিয়ার ব্যাটালিয়ন। এর কার্যক্রম চলছে মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের সেতক্ষ পাহাড়ে। নোং লেইং পাহাড়ি এলাকায় গড়ে তোলা হচ্ছে পরমাণু কমপ্লেক্স। মিয়ানমারের গোপন পারমাণবিক চুক্তি ও প্লুটোনিয়াম সমৃদ্ধকরণ প্রকল্পে সহায়তা করছে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ মিয়ানমার হয়ে নৌপথে অতি গোপনে পারমাণবিক সরঞ্জাম আনা হচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার একটি রহস্যজনক জাহাজ জুলাই মাসের প্রথমদিকে অজ্ঞাত বন্দরের উদ্দেশে ভারত মহাসাগরের দিকে যাত্রা করে। একপর্যায়ে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ সেটি অনুসরণ করতে থাকায় জাহাজটি পাঁচদিন পর আচমকা দিক পরিবর্তন করে উত্তর কোরিয়ার পথে ফিরতি যাত্রা করে। এ ঘটনায় অস্ট্রেলিয়ার সংবাদপত্রে প্রকাশ পাওয়া আগের তথ্যটির সমর্থন মিলেছে। রহস্যজনক জাহাজটি মিয়ানমারের জন্য পারমাণবিক সরঞ্জাম বহন করছিল বলেই ধারণা করা হয়।

মিয়ানমারের অনেকেই এখন মনে করেন ভূগর্ভে পারমাণবিক বিস্ফোরণ কিংবা বিকল্প পরমাণবিক স্থাপনা তৈরি হচ্ছে এই রেঞ্জে। আর এ জন্যই এর আশপাশের ২৬টি গ্রামের মানুষকে আশ্রয়হীন করা হয়েছে। এদের অনেকেই এখন বাংলাদেশে। মিয়ানমারের পারমাণবিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই বাংলাদেশের পাশে মিয়ানমারের রাখাইন স্টেটে প্রতিরক্ষাবলয় গড়ে তোলা হচ্ছে বলে সে দেশের সচেতন অংশ ধারণা করছে।

তথ্যসূত্রঃ সমকাল
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28997249 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28997249 2009-08-21 01:05:14
হায়রে এশিয়ান হাইওয়ে! নাকি “ভারত-বাংলা-ভারত” ট্রানজিট?
দু’টি রুটের মধ্যে:

প্রথম রুট হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ দিয়ে ঢুকে বেনাপোল হয়ে ঢাকা এবং পরে আবারও তা সিলেটের তামাবিল হয়ে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য আসামের মধ্য দিয়ে চলে যাবে।

দ্বিতীয় রুট পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা দিয়ে ঢুকে একইভাবে তা আসামে চলে যাবে।

"টেকনাফ হয়ে কুনমিংয়ের মধ্য দিয়ে চীনের সঙ্গে যুক্ত হলে আমরা মোটেই উপকৃত হবো না। কারণ কুনমিং এবং চীনের ওই অংশের সঙ্গে আমাদের কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য নেই", একথা বলেন একজন সাংসদ। হায়রে আমাদের দূরদর্শিতা!!

এভাবে বাংলাদেশের যে বিকল্প আরেকটি রুট ছিলো তা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বা করানো হচ্ছে। অথচ ভারত কিন্তু ঠিকই যুক্ত হচ্ছে সরাসরি এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে।

তাহলে আপনারাই বলুন, আমরা বর্হিবিশ্বের সাথে যুক্ত হতে চলেছি নাকি ভারতের পেটের মাঝে ঢুকে এশিয়ান হাইওয়ের সাথে যুক্ত হওয়ার নামে তাদেরকে সম্পূর্ন ট্রানজিট সুবিধা দিতে চলেছি?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28992457 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28992457 2009-08-12 01:54:24
ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস!!

নিজের তৈরী করা একটি প্রতিষ্ঠান নিজেই ধংস করছে কাজী ফারুক তার লোভ-লালসা, স্বার্থ, নীতিহীন চরিত্র, ক্রোধ আর এনজিও-তে থেকেও নিয়ম বহির্ভূত রাজনীতির মোহে। এই লোক মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে তার নিজের ভাড়া করা সন্ত্রাসী, গুন্ডা ও বাইরের লোকদেরকে প্রশিকার ভুয়া পরিচয়পত্র বানিয়ে গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন। এদের সঙ্গে আরো কিছু স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ মিলে তারা অতর্কিতে হামলা চালায়।

একসময় এই লোককে সন্দেহ করা হতো গার্মেন্টস শিল্প ধংসের ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে। তারই লোকজন লাঠি-সোটা নিয়ে একসময় গার্মেন্টসে হামলা চালিয়েছিল বলে ধারনা করা হয়। এই সমস্ত বিদেশী চর-দেরকে চিনে রাখুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28987934 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28987934 2009-08-03 00:41:42
গণতন্ত্রের ডিজিটাল বাংলাদেশে আজ একি শুনি!!
১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত আমার কমন পরিচিতি ছিল বাকশালী। সবাই টিটকারী করে আমাকে এই উপাধিতে ভূষিত করতো। এমনকি সরকারী কোনো সভায় যোগ দিতে গেলে আমার কলিগরা বলতো ওই বাকশালী আসছে। এতে আমি কখনো ব্যথিত হইনি। কারণ, তাদের বাকশাল গালি ছিল আমার জন্য গর্বের!! গতকাল পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে “বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ: বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দানকালে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এইচটি ইমাম একথা বলেছেন।

অথচ আমরা সবাই জানি বাকশালী শাসন ছিলো সম্পূর্ণ একনায়কতন্ত্র রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা যেখানে পত্রিকা থেকে শুরু করে কারো কোন স্বাধীনতা ছিলোনা। একজনের এক কথা বা আদেশ আর রক্ষী বাহিনীই যেখানে মূল পরিচালিকা শক্তি।

এখন দুই-তৃতীয় অংশেরও বেশী ভোট পেয়ে জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এইচটি ইমাম আবারো কি সেই পুরোনো অবাস্তব স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ খুঁজছেন?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28987880 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28987880 2009-08-02 23:06:58
কোন ব্রান্ডের মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্রাউজিং সহজ?
কিন্তু প্রয়োজনে সরাসরি মোবাইল স্ক্রিন-এ কম্পিউটারের মত ইন্টারনেট কি ব্রাউজ করা যায়? যদি যায় তবে ওয়াইড স্ক্রিনের কোন ব্রান্ডের সেলফোনে এবং কোন মডেল-এ তা ভাল হয় এবং ঝামেলামুক্ত করা যায়, এ ব্যপারে আমার বিশেষজ্ঞ টেকি ভাইয়েরা একটু জানালে খুব উপকৃত হব। আগাম ধন্যবাদ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28986363 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28986363 2009-07-30 20:39:15
বাংলাদেশ আজকে জিতবেই ইনশাল্লাহ আজকে বাংলাদেশকে ঠেকানোর কোন উপায় নেই ওয়েষ্ট ইন্ডিজের হাতে। বিজিত হয়ে জয়ী বাংলাদেশকে হাঁ করে তাকিয়ে দেখা ছাড়া। আপনারা সব আমার লগে থ্যাইকেন ভাই-বোনেরা।

বাংলাদেশ ২৪৬/৯
সময়ঃ ১:৩০, ওয়েষ্ট ইন্ডিজ ২৭/৩- ৪২.১
(দুঃখিত, আর আপডেট দিতে পারিতেছিনা- বিদ্যুত সরবরাহ চলিয়া গিয়াছে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28984300 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28984300 2009-07-27 01:14:47
ভারত ও মিয়ানমারের দাবি স্বীকৃত হলে বিরাট সমুদ্রসীমা হারাবে বাংলাদেশ
জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী মিয়ানমার ও ভারতের দাবি ঠিক নয় মন্তব্য করে এতে বলা হয়, সমুদ্রসীমার ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সরকারকেও আরো উদ্যোগী হতে হবে।

অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, "আমরা গভীর বিপদে আছি। তেল-গ্যাস, সমুদ্রবন্দর ও টিপাইমুখ নিয়ে সমস্যা আছে। আবার সমুদ্রসীমার ওপরও অধিকার হারাচ্ছি।" তিনি বলেন, " ভারত ও মিয়ানমার তাদের সমুদ্রসীমানা তৈরি করেছে, অথচ আমাদের সরকার আসে আর যায়।" এক্ষেত্রে বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে 'উদাসীন' আখ্যায়িত করে তারও সমালোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এ অধ্যাপক। এ নিয়ে দেশের ভেতরে ও বাইরে জনমত তৈরি করার তাগিদ দেন তিনি।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, "স্বাধীনতার পর আমাদের সরকারগুলো সার্বভৌমত্ব ও সমুদ্রসীমা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেনি। এ সুযোগে ভারত আগ্রাসী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। "২০০১ সালের পর সমুদ্রসীমা নির্ধারণের বিষয়ে কোনও উদ্যোগ দেখিনি। এ জন্য একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হলেও এ যাবত তাদের কোনও বৈঠক হয়নি। সমুদ্রসীমার বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারেরও কোনও নজর ছিল না।"

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পানি বিশেষজ্ঞ ড. ইনামুল হক, অধ্যাপক হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের এ অধ্যাপক বলেন, "ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নিয়ে মিয়ানমার তাদের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করছে। আর ভারত তাদের নিজেদের কাজ তো করছেই। উদ্যোগ না নিলে বাংলাদেশের আয়তনের চেয়ে তিনগুণ এলাকা ভারত ও মিয়ানমারের কর্তৃত্বে চলে যাবে।" সমুদ্রসীমা রক্ষায় তৎপর হওয়ার জন্য আনু মুহাম্মদ সরকারের প্রতি তাগিদ দেন।

এক্ষেত্রে আইন সংশোধনের পরামর্শ দেন বিচাপরতি গোলাম রব্বানী। তিনি বলেন, "সমুদ্রসীমা নির্ধারণে ১৯৭৪ সালে যে আইন করা হয়েছিল তা ত্র"টিযুক্ত। এটি সংশোধন করতে হবে।"

'বাংলাদেশের সামুদ্রিক অঞ্চল ও সম্পদ রক্ষা জাতীয় কমিটি'র আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ বলেন, "ভারত একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিরাট অংশ এবং মহীসোপানের পুরোটাই তাদের সমুদ্রসীমা বলে দাবি করেছে। আমরা এর প্রতিবাদ করছি।" ভারতের এই দাবির সঙ্গে পাল্লা দিতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে নূর মোহাম্মদ বলেন, "বিষয়টি সহজসাধ্য নয়। আর আমাদের এ সংক্রান্ত কোনও প্রতিষ্ঠানও নেই। সমুদ্র নিয়ে একটি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ তৈরি করা দরকার। তা না হলে কমপক্ষে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।"

তিনি বলেন, "ভারত ও মিয়ানমার যেভাবে দাবি করেছে, তাতে বাংলাদেশে সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য যে ২৮টি ব্লক নির্ধারণ করে দরপত্র আহ্বান করেছিল, মোটামুটিভাবে তার একটিও পাবে না। খুব বেশি হলে ২/৩ টি পেতে পারে। আর গভীর সমুদ্রে কোনও কর্তৃত্বই থাকবে না।"

তথ্যসূত্রঃ bdnews24.com]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28983733 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28983733 2009-07-26 00:24:19
সুমনা বর্ধনের গান
কারো জানা থাকলে প্লিজ সাইটের লিঙ্কটা একটু দিবেন।

আগাম ধন্যবাদ দিয়ে রাখলাম। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28983727 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28983727 2009-07-26 00:04:38
ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ভারতীয় হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তীর, এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার এফবিসিসিআই আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ অভিযোগ করেছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ব্যাপারে সরকারের কাছে যে তথ্য রয়েছে, তার সাথে পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তীর মন্তব্যের কোনো মিল নেই। এতে আরো বলা হয়, ভিসার মেয়াদ শেষ হবার পরও কোনো বাংলাদেশী ভারতে থেকে গেছে এমন কোন তথ্য ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে কখনোই জানানো হয়নি।

সূত্রঃ the-editor]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28982278 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28982278 2009-07-23 00:40:07
শতাব্দীর শেষ পূর্ণগ্রাস সুর্যগ্রহণ দেখাঃ কিছু পরামর্শ আজ সকাল ৬টা ৫৮ মিনিটে শুরু হবে সূর্যগ্রহণের পর্ব। ১০০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্থায়ী পূর্ণগ্রাস সুর্যগ্রহণ দেখতে পাবে বাংলাদেশ। আগামী ১০৫ বছরের মধ্যে এ দেশে আর কোনো পূর্ণগ্রাস সুর্যগ্রহণ দেখা যাবে না। সূর্যগ্রহণের সময় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে চাঁদ চলে আসে। এতে চাঁদের প্রচ্ছায়া সূর্যের উপর পড়ে বলে সূর্যের কিয়দংশ কালো দেখায় এবং নানারকম গুরুত্বপূর্ণ নৈসর্গিক ঘটনা ঘটতে থাকে। এসময় প্রচুর পরিমানে অতি বেগুনি রশ্মি বের হতে থাকে, যা চোখের জন্য মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। গ্রহণকালে সূর্যের দিকে তাকালে অতি বেগুনি রশ্মি সরাসরি চোখের ভিতরের আলোক সংবেদনশীল পর্দা রেটিনাতে অবস্থিত অত্যন্ত স্পর্শকাতর অংশ ম্যাকুলা-র উপর গিয়ে পড়ে। এতে তা পুড়ে যায় ও পানি জমে। চোখের এই মারাত্মক ক্ষতি ধীরে ধীরে বোঝা যায় এবং তা স্থায়ীরূপ নিয়ে অন্ধত্বের দিকে ধাবিত হয়। একে সোলার এক্লিপ্স্ বার্ন বলে।



তাই এ মহাজাগতিক ঘটনা পর্যবেক্ষণের সময় চোখের জন্য সতর্কতাঃ

যা করা যাবে নাঃ
কোনভাবেই খালি চোখে সরাসরি সূর্যগ্রহন পর্ব দেখা যাবেনা। সাধারন সানগ্লাস পরেও তাকানো যাবেনা। ব্যবহৃত বা অব্যবহৃত কোনপ্রকার এক্স-রে ফিল্ম বা ক্যামেরার ফিল্ম ব্যবহার করে সূর্যগ্রহণ দেখা যাবেনা।

যা করা যেতে পারেঃ
বড় গামলা বা পাত্রে পানি নিয়ে তাতে কিছুটা হলুদগুড়ো মিশিয়ে ঘোলা করে নিয়ে সুর্যের ছায়া প্রতিফলন করে সহজেই সুর্যগ্রহণ দেখা যাবে। সায়েন্টিফিক সানগ্লাস পরে দেখা যাবে। ১২ নম্বরের ওয়েল্ডিং গ্লাস দিয়ে সরাসরি সুর্যের দিকে তাকিয়ে সুর্যগ্রহণ, তবে একনাগাড়ে ১০ সেকেন্ডের বেশি নয়। কাগজ ফুটো করে তার ভিতর দিয়ে সূর্যগ্রহণের প্রতিবিম্ব দেয়ালে ফেলে দেখা যাবে। দুরবিনে আইপিসের সামনে একটি সাদা কাগজ রেখে সুর্যালোকের প্রতিফলন করে নিরাপদে সুর্যগ্রহণ দেখা যায়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28981742 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28981742 2009-07-22 00:23:03
শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলাম, সব লুটেপুটে নিলে ভারত ও মিয়ানমার সমুদ্রসীমা নিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে জাতিসংঘে দাবি শুধু এগ্রেসিভ-ই নয় বরং তা সর্বগ্রাসী। ভারত ও মিয়ানমার বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রের প্রায় পুরোটাই দাবি করে জাতিসংঘে দাবি উত্থাপন করেছে। ভারত গত ১৫ মে এবং মিয়ানমার গত বছর ১৬ ডিসেম্বর জাতিসংঘে সমুদ্রসীমার ওপর দাবি পেশ করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিচার বিশ্লেষণ করে দেখেছে শুধু মিয়ানমার নয় ভারতও বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রের প্রায় ২৫ হাজার নটিক্যাল বর্গমাইল এলাকা দাবি করে বসে রয়েছে যা কখনই গ্রহণযোগ্য নয়।

সমুদ্রসীমা নিয়ে সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ অনেক দেরি করে ফেলেছে। আমাদের নৌবাহিনীকে অনেক শক্তিশালী করতে হবে। বর্তমানে গভীর সমুদ্রে তেল ও গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যাওয়ায় ঐ এলাকা এ অঞ্চলে বিশেষ আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। ভারত ১৯৮৬ সালের আগেই মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের সঙ্গে গভীরসমুদ্র নিজেদের মধ্যে বণ্টন করে নিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে এখনো কোনো সমাধান হয়নি। এসবের জন্য পূববর্তী সরকারগুলোর উদাসীনতায় দায়ী।

সমুদ্র এলাকা দখলে রাখতে হলে সর্বাগ্রে প্রয়োজন নৌবাহিনীকে শক্তিশালী করা। ভারতের কথা বাদই দিলাম মিয়ানমারের সঙ্গে তুলনা করলে যেখানে তাদের ১০টি চীনের তৈরি আধুনিক ফ্রিগ্রেট রয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের রয়েছে চারটি। এদের মধ্যে তিনটি ষাটের দশকের। এছাড়া মিয়ানমারের ২০০০ সালের তৈরি ২২টি মিজাইল গানবোড রয়েছে। বাংলাদেশের আশির দশকের গানবোড রয়েছে মাত্র ৮টি।

বঙ্গোপসাগরে ভারতের দাবি সম্পূর্ণ অন্যায্য না হলেও মিয়ানামের দাবির কোনো ভিত্তি নেই; কারণ মিয়ানমারের কোনা নদীই বঙ্গোপসাগরে পড়ে না। সমুদ্রসীমা নিয়ে অযৌক্তিক দাবির বিরুদ্ধে গত মাসের প্রথমদিকে সরাসরি মিয়ানমারকে প্রতিবাদ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ভারতের বিপক্ষে আপত্তি জানানোর ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিন্তাভাবনা করছে। আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের কমিশন অন দ্য লিমিটস অব কন্টিনেন্টাল শেলফ (সিএলসিএস) মিয়ানমারের দবির শুনানি হবে।

উল্লেখ্য সিএলসিএস ২০০ থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত সমুদ্রসীমার দাবি নিষ্পত্তি করে থাকে। ২০১১ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতিসংঘে তাদের দাবি উত্থাপন করার সময় পাবে।
তথ্যসূত্রঃ আমাদের সময়
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28981125 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28981125 2009-07-20 23:44:24
ওয়াইম্যাক্স যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ আগামীকাল অবশেষে তারহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট প্রযুক্তি-ওয়াইম্যাক্স যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ। আগামীকাল মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবে অজের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড বাংলাদেশ লিঃ। প্রথম দফায় আপাতত গুলশান-বনানী এবং বারিধারা এলাকায় ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট চালু হবে। তবে সম্পূর্ণ ঝামেলামুক্ত সেবা দেয়ার লক্ষ্যে কিছুদিন পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকবে এই কার্যক্রম। পরীক্ষা সফল হলেই গোটা রাজধানীকে একসাথে ওয়াইম্যাক্স সেবার আওতায় আনা হবে। বাংলাদেশে ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে এটাই হবে প্রথম ডাটা আদান-প্রদান।

গ্রাহকের ঘরে ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি পৌঁছে গেলেই তারা পাবেন দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সংযোগ। ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তিতে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের গতি কোনো অবস্থাতেই সেকেন্ডে ১২৮ কিলোবাইটের নিচে নামবে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। একই সঙ্গে খরচ হবে বর্তমান ইন্টারনেট খরচের চেয়ে অনেক কম। বিভিন্ন প্যাকেজ আকারে এই খরচ ৩০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে লাইসেন্স পাওয়া কোম্পানিগুলোর ৬ মাসের মধ্যে অপারেশনে আসার শর্ত ছিল। কিন্তু নানা অজুহাতে তারা কার্যক্রম শুরু করতে বিলম্ব করে। ওয়াইম্যাক্সের জন্য অধীর অপেক্ষায় থাকা গ্রাহকদের সংযোগ পেতে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

এদিকে অজের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড বাংলাদেশ লিঃ সম্প্রচার কাজ শুরু করলেও ওয়াইম্যাক্সের লাইসেন্স বিজয়ী শীর্ষ প্রতিষ্ঠান বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিঃ এ সপ্তাহে তাদের যন্ত্রাংশ বসানোর কাজ শেষ করবে। সেক্ষেত্রে আগস্টের শুরুতে তারাও পরীক্ষামূলক সম্প্রচারে যাবে। তবে ইতিমধ্যে বেশ কয়েক হাজার গ্রাহক নিবন্ধন করে ফেলেছে। বাংলালায়নের এসব নিবন্ধিত গ্রাহক পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের সময় থেকেই উচ্চগতির তারহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পাবে বলে জানা গেছে।

নিলামে চারটি কোম্পানিকে লাইসেন্সের জন্য মনোনীত করা হলেও শেষ পর্যন্ত এই দুটি প্রতিষ্ঠানই লাইসেন্স নিয়েছে। নিলামে বিজয়ী একটি কোম্পানি আর্থিক অসচ্ছলতার কথা বলে পরে লাইসেন্স নেয়নি। অন্যদিকে একমাত্র সরকারি অপারেটর বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিঃ (বিটিসিএল) এখনো তাদের পার্টনার খুঁজে পায়নি।
-তথ্যসূত্রঃ ইত্তেফাক
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28980680 http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28980680 2009-07-20 00:54:10