আমার প্রিয় পোস্ট
- বাংলা ব্লগ ও কিছু উল্লেখযোগ্য ব্লগারদের একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষন!!! - প্রজন্ম৮৬
- আসিফ মহিউদ্দীনের নোটিশ বোর্ড!!! - আসিফ মহিউদ্দীন
- আসিফ মহিউদ্দিনকে বলছি । - ওিহদুর
- সুপার হিরোর ধর্মভাব - আবদুল ওয়াহিদ
- সামহোয়্যারইন ব্লগে ''নারী বিষয়ক পোস্ট'' সংকলন A 2 Z: ২০১১ - পটল
- ২০১১ এর সূর্য অস্তপ্রায়, এ বছর দেখা ভিন্ন মাত্রার প্রায় ২০টি পোস্ট - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- মধ্যযুগের খ্যাতনামা মুসলিম (!!) বিজ্ঞানীদের ইশ্বর বিশ্বাস এবং নাস্তিকদের ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। পর্ব২: ইবনে সিনা - হোরাস্
- এন্ড্রয়েড ফোনে বাংলা লিখুন , পড়ুন ! (without rooting) । টেকি পোস্ট - অন্ধকারের রাজপুত্র
- ভারতীয় বিভিন্ন ধর্মতত্বে ঈশ্বরের ধারনা ( নাস্তিক-আস্তিক ব্যবচ্ছেদ ) - দস্যু রত্নাকর
- ইসলাম, চার্লস ডারউইন এবং বিজ্ঞানের বিরোধিতা - কবি অথবা দন্ডিত অপুরুষ
- 'সত্যিকারের ইসলাম' - কবি অথবা দন্ডিত অপুরুষ
- ইমরান খানঃ সুদর্শন জামাত-এ-ইসলামি - আলমগীর হুসেন
- দেশে দেশে সাইবার ক্রাইম সংক্রান্ত আইন ও নীতিমালা - নাজনীন১
- Why I Am Not A Christian..... ( আমি কেন খ্রীস্টান নই ).. by বাট্রান্ড রাসেল... - দস্যু রত্নাকর
- মধ্যযুগের খ্যাতনামা মুসলিম (!!) বিজ্ঞানীদের ইশ্বর বিশ্বাস এবং নাস্তিকদের ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। পর্ব ১: আল রাজী - হোরাস্
- শারিয়া আইন: ধর্ষণ এবং চারজন পুরুষ সাক্ষী - দাঁড়িপাল্লা
- ''নষ্ট ভবিষ্যৎ'' আসিফ মহিউদ্দীন এর একটি ব্লগ এর কিছু তথ্য ধার করে লেখা - উন্মাদ অভিক
- এইতো জাহেলিয়াত - েসতু আশরাফুল হক
- আসিফ মহিউদ্দীনের আটকঃ বাক-স্বাধীনতার পক্ষে গনজোয়ার। - আসিফ মহিউদ্দীন
- কয়েকটি পোস্টার এবং তার মাঝে লুকিয়ে থাকা আগুন পাখি - সবাক
- আরব-ইসলামী সাম্রাজ্যবাদ এবং ভাষা, শিল্প, সংস্কৃতি ও জাতিবৈচিত্র্যের বিলুপ্তি - সন্যাসী
- বেকুব আবাল চীফ ও ঈমানী অর্কেষ্ট্রা। (১৮+ ও সুশীলতা বিরোধী) - দু-পেয়ে গাধ
- কিভাবে আমি আস্তিক হলাম। - মেহেদী পরাগ
- নাস্তিক নির্ধর্মী অবিশ্বাসী কাফেরদের জন্য পরম বাঁশ-প্রদায়কের কঞ্চিসহ রেডিমেড বাঁশ, মতান্তরে ভয়-ভীতি গালিগালাজ হুমকি-ধামকি - পর্ব-৩ (শেষ) - দাঁড়িপাল্লা
- কোরআন,বুখারি ও মুসলিম শরীফ পড়ার পর মনে জাগ্রত প্রশ্নসমূহ - ইফতি
- পুরুষবাদীর ভাবনাচিন্তাঃ প্রসঙ্গ ভিকারুন্নিসা - ফারহান দাউদ
- মুসলিমদের বিশ্বাস করা ১০টি মিথ - ঘুমাচ্ছিলাম
- ধর্ম ও ইশ্বর বিশ্বাসে অপযুক্তি( Fallacy of religion and God) - বীরেনদ্র
- ব্লগার রিপেনডিল এর পোষ্ট এবং কিছু প্রাসঙ্গিক কথা - একাকী মেষপালক
- নারী স্বাধীনতা ও পুরুষশাসিত সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি - চল যাব তোকে নিয়ে
- নাস্তিকতা/নিধার্মিকতা বিষয়ক কিছু প্রশ্ন ও উত্তর - আলবার্ট_আইনস্টাইন
- মাউস দিয়ে আঁকা
- তানভীর চৌধুরী পিয়েল
- ইমান হারানোর করূন কাহিনী - সবুজপএ
- ফ্রী ই-বুক ডাউনলোডের জন্য সেরা ১০টি ওয়েব সাইট - ইমতিয়াজ মাহমুদ সজিব
- আন্ধা মৌলবাদীদের আস্ফালন ও ফিরে দেখা অন্ধকার ! - মনির৭১
- লালন এর তিনজন গুরু - ইমন জুবায়ের
- সারা দুনিয়ার মানুষকে মুসলমান বানায়া ফেলবো যদি ফজলে এলাহি কোরান অনুযায়ী আবিষ্কারটা করেন - দীক্ষক দ্রাবিড়
- সুরা লাহাব নিয়ে কিছু কথা .. - নাস্তিকের ধর্মকথা
- রসদঃ মুক্তচিন্তা, অবিশ্বাস, সন্দেহবাদীতা, যুক্তিবাদীতা এবং বিজ্ঞানবিষয়ক পোস্ট সংকলন। - আসিফ মহিউদ্দীন
- বায়োস সেটিং বা পাসওয়ার্ড ভাঙ্গার ৫ টি উপায় - সঞ্জিব
- বাউল : ইসলামি সাম্প্রদায়িকতা বনাম রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন । - মনির৭১
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতীক আমাদের সেনাবাহিনী, হিজবুত তাহরীর এবং জামাতে ইসলামী বাংলাদেশ! - চার্বাকাচার্য্য
- 'ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ইসলাম ও তৎসংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ'বরাবরঃ অয়োময় - রুদ্রপ্রতাপ
- হারিয়ে যাওয়া : মমতাজ বেগম - ভাসিম বিডি
- ব্লগীয় সাক্ষাতকার অনুষ্ঠান "আগুনের পরশমণি" - আজকের অতিথি "আসিফ মহিউদ্দিন" - আমি রোদের ছেলে
- এক সবজান্তা প্রফেসর আর চালিয়াৎ ছাত্রের গল্প (২য় পর্ব)- অভিজিৎ রায় - তাশমিয়া
- মেহেরজান : বিশেষ এজেন্ডার বিশেষ ছবি - দাউদ রনি
- শিক্ষিত মানসে ধর্মের বিবর্তন। উৎসর্গ আসিফ মহিউদ্দিন! - স্বপ্নডানা
- গৌতম ঘোষের “মনের মানুষ”: জাতহীনের জাত মারার তরিকা - দিনমজুর
- মরার পরে যদি পোস্ট দেওয়া যেতো!!!
- আলিম আল রাজি
- নাস্তিকগুলা বাস্তবিক বেকুব। ওদের সাথে আর আমি নাই, একটু হেল্পান প্লিজ। - দু-পেয়ে গাধ
- একদা এক ধরাধাম গুরু ন্যাড়া বাবা যেভাবে পরমেশ্বরের অস্তিত্ব প্রমান করিয়াছিলেন - টেলি সামাদ
- ধর্মানুভুতিতে আঘাতের দোহাই তোলা মুসলিমদের অনুসরনীয় আদর্শ আসলে কোনটি? - স্টাডি-ইটিই
- রামানুজন—গণিতের মহত্তম এক শিল্পী - ম্যাভেরিক
- আস্তিকতা-নাস্তিকতা ইস্যুতে অপ্রিয় সত্য কথন- "প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম" - সন্যাসী
- ধর্ম, ঈশ্বর ও জিবরাইলের বাহাস - নতুনদেশ
- ওহে পাকনার দল , বাচ্চার বাপ কে এইটা মা নিজেও জানেন না । - দুরের পাখি
- জুমলা টিউটোরিয়াল: সম্পূর্ণ - গৌতম রায়
- কথাচ্ছলে মহাভারত - ১০ - দীপান্বিতা
- রাতের আকাশে অনন্য ত্রিভুজ!!! উপভোগ করছি Stellarium দিয়ে... - তাজুল ইসলাম মুন্না
- মিডিয়ার ভাষা বিকৃতিজাত গোলাম অথবা আলোকিত খচ্চর প্রজন্ম - নাসিমূল আহসান
- সক্রেটিসের মৃত্যু মূল : প্লেটো - মুম রহমান
- মুভি ডাউনলোড... - আহাসান
- ইন্টারনেটের বিশাল তথ্যভান্ডার থেকে আপনার কাঙ্খিত তথ্যটি খুঁজে পাওয়ার কয়েকটি সহজ এবং ইউসফুল ট্রিক্স। - হোরাস্
- নিষিদ্ধ ইউটিউব ভিডিও কিভাবে দেখবেন - হেডফোন
- ঈশ্বর ও বিজ্ঞান- "আছে" ও "নাই" প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব - নাস্তিকের ধর্মকথা
- মুজিব হত্যা- ফিরে দেখা শোক ও উল্লাস! - উদাসবাউল
কেন ইসলাম বিদ্বেষ
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:২৬
প্রথমেই আমাদের বুঝতে হবে নাস্তিকতা কোন ধর্ম বা বিশ্বাস নয়। বিশ্বাসের অনুপস্থিতিকে যারা এক ধরনের বিশ্বাস আখ্যা দেন, তারা বোকার স্বর্গেই বাস করেন। একটা খালি গ্লাসে কিছুই নাই, এটাকে এভাবে বলা সম্ভব না যে গ্লাসটিতে "কিছুই না" আছে। কোন কিছুর শুন্যতাকে "শুন্যতা দ্বারা ভরাট" -ধারনা যারা পোষন করেন, তাদের চিন্তাভাবনার গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে রীতিমত করুনা বোধ করি।
নাস্তিকরা কেন শুধু ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলে?
প্রাচীনকাল থেকে নাস্তিকদের ইতিহাস পর্যালোচনা ছাড়াই এই ধরনের ঢালাও মন্তব্যের কোন অর্থ নাই। ডায়াগোরাসের সময় থেকে আজ পর্যন্ত যত নাস্তিক, সন্দেহবাদী, অজ্ঞেয়বাদী ধর্মের বিরুদ্ধে, ধর্মের অসারতা, অমানবিকতার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তাদেরই ধর্মজীবিদের তোপের মুখে পরতে হয়েছে। অসংখ্যবার এই আক্রমন খুব ভয়াবহ রুপ নিয়েছে এবং অগনিত মানুষ হত্যা করেছে।
প্রচুর পরিমানে ধর্ম পৃথিবীতে প্রচলিত ছিল এবং আছে। সময়ের সাথে সাথে ধর্মগুলোও নিজেদের আপটুডেট করে নিয়েছে, সভ্যতার ক্রমবিকাশের ধারায় নিজেদের রং রুপ পাল্টেছে। সময়ের সাথে যে সকল ধর্ম খাপ খাওয়াতে পারে নি, সে ধর্মগুলো ঝরে গেছে, মারা গেছে সে সব ধর্মের ঈশ্বরেরা, যারা এক সময় দৌর্দান্ত প্রতাপে মানুষের ভেতরে ত্রাসের সঞ্চার করতো। কিন্তু সেসব ঈশ্বরের অভাবে পৃথিবী থেমে থাকে নি, সেই ঈশ্বরকেও পরে আর খুঁজে পাওয়া যায় নি। এভাবে আস্তে আস্তে সকল ধর্মই বিলুপ্ত হবে এবং হচ্ছে। সেই সকল বিলুপ্ত ধর্মের ধ্বজ্জাধারীগন শেষ সময় পর্যন্ত চেষ্টা করে গেছেন নিজ নিজ ধর্মকে রক্ষা করতে, চোখ কান বুজে সেই ঈশ্বরের আরাধনা করেছেন, বালিতে মাথা গুজে কিছুই না দেখার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা তাদের ঈশ্বরের শেষ রক্ষা করতে পারেন নাই।
প্রতিটা দেশে, প্রতিটা কালে, নাস্তিক, সংশয়বাদীগন স্ব-স্ব অঞ্চলে প্রচলিত ধর্মের বিরুদ্ধেই কথা বলেছেন। সক্রেটিস কথা বলেছেন তার নিজের অঞ্চলের ধর্ম সম্পর্কে, গৌতম বুদ্ধ বলেছেন ঈশ্বর বলে কিছু নাই, এভাবে সভ্যতার বিবর্তনের ধারায় মহান নাস্তিকগন যুগে যুগে পুরনো ধারনা ছুড়ে ফেলেছেন, নতুন ধারনা প্রচার করেছেন। কিন্তু বিরুদ্ধতাবাদীরা সব সময়ই একটা গোষ্ঠী, তারা সব সময়ই নতুন ধারনার বিপক্ষে কাজ করেছেন এবং নতুন ধারনাকে বাধাগ্রস্থ করেছেন।
এই সম্পর্কে একজন মহান রাজনীতিবিদের নাম স্মরনীয়, ইহুদী-খ্রীষ্টান-মুসলিমরা যাকে নবী বলে ভুল করেন। তিনি হচ্ছে মুসা বা মোসেস। মিশরে ইহুদী জাতি যখন কৃতদাসের জীবন যাপন করছিলেন, দাসত্বের জীবন যখন অবর্ননীয় হয়ে উঠেছিল, তখন মার্ক্সের ঐতিহাসিক বস্তুবাদের সুত্র মতেই একজন মোসেস এর আবির্ভাব ঘটে ইহুদীদের ত্রানকর্তা হিসেবে। তিনি ইহুদীদেরকে মিশর থেকে নিজেদের বাসভুমিতে ফেরত নিয়ে যান এবং ইহুদী জাতিকে দাসত্বের হাত থেকে মুক্ত করেন।
যদিও এই প্রক্রিয়াতে তিনি কিছু কৌশল অবলম্বন করেছিলেন অন্যান্য আরব পয়গম্বর বলে দাবী করা মানুষদের মতই। আরবের রাজনীতিবিদ ব্যাপারটাই ছিল অনেকটা প্রেরিত পুরুষ ধরনের, আরবের মুর্খ বর্বর জনগন প্রেরিত পুরুষ ছাড়া হয়ত কারও তত্ব খুব একটা গ্রহন করতেন না। একারনেই মুহাম্মদের গুরু নওফেল হাতেমের মত প্রগতিশীল মুক্তমনা মানুষ তৎকালীন আরবে অগুরুত্বপুর্ণ ছিলেন, অন্যদিকে ঈশ্বরের প্রেরিত পুরুষের দাবীদার মুহাম্মদ পরবর্তীতে অন্যতম নবীর মর্যাদায় ভুষিত হয়েছিলেন।
এভাবে যুগে যুগে নিজ নিজ দেশের ধর্ম এবং প্রথার বিরুদ্ধে সচেতন মানুষ কথা বলেছেন, প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলিম। ঈশ্বর ধারনাটা যে একটা অসার, ভিত্তিহীন, অযৌক্তিক, অমানবিক ধারনা, এটা মানুষকে বুঝাতে হলে আল্লা শব্দটাই ব্যবহার করতে হবে, আল্লা শব্দটা এই দেশের মানুষের কাছে যতটা গুরুত্ববহন করবে, ঈশ্বর শব্দটা ততটা গুরুত্ববহন করবে না। তেমনি মহামানব, পয়গম্বর, প্রেরিত পুরুষ বলতে এই দেশের মানুষ মুহাম্মদকেই বোঝে। তাই প্রেরিত পুরুষ দাবীদারদের ভন্ডামী উন্মোচন করতে মুহাম্মদ নামটা এবং ব্যক্তি মুহাম্মদ যতটা গুরুত্ব রাখবে, যীশু বা কনফুসিয়াস ততটা গুরুত্ব বহন করবে না। কিন্তু এই শব্দগুলো ব্যবহার করলেই চেচিয়ে উঠে "ইসলাম গেল ইসলাম গেল" রব তোলার কিছু নাই। আসলে সব ধর্মকে উদ্দেশ্য করেই বলা হচ্ছে, পৃথিবীর বিখ্যাত নাস্তিকেরা নিজ নিজ দেশের স্ব-স্ব দেবতা-ঈশ্বর-প্রেরিত পুরুষকে নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন, সমালোচনা করে বোঝার চেষ্টা করেছেন ঈশ্বর তার ক্ষমতাবলে বজ্র নিক্ষেপ করে কিনা।
এমনকি ইব্রাহীম, মুসা ইত্যাদি ইসলামে বর্নিত নবী যখন নিজ নিজ দেশে প্রচলিত ধর্মকে প্রশ্ন বিদ্ধ করেছেন, তখন তারাও সে সময়ে প্রচলিত মুর্তিগুলো ভেঙ্গে ফেলেছেন, তাদের ভাঙ্গা মুর্তির উপরে দাড়িয়ে নিজের কল্পিত ঈশ্বরের কথা বলেছেন।
তাই আজকে আল্লাকে নিয়ে কিছু বললে এমন মায়া কান্নার কোন অর্থ নাই, নাস্তিকরা যা করেছে বা করছে, তা ইসলামের নবীরাও করেছেন নিজ নিজ ধর্ম প্রচারের সময়। শুধু তাই নয়, যুগে যুগে প্রতিটি সময়ে সচেতন মানুষ মাত্রই করেছেন।
এখন প্রশ্ন করা যেতে পারে সমালোচনার ভাষা কেমন হবে? সেটা কি গালাগাল পুর্ণ হবে, নাকি মিষ্টিমধুর হবে?
আমি গালাগালকে কখনঐ হালকা চোখে দেখি না।
"ভাত দে হারামজাদা, নইলে মানচিত্র খাব" এই লাইনে একটা গালি আছে, এবং এই লাইনটি একটি প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে স্বীকৃত।
ধর্ম-প্রথা-অনাচারের বিরুদ্ধে যারা যুদ্ধ করেন তাদের ভাষা যে সব সময়ই মিষ্টি মধুর হতে হবে এমনটা আমি মনে করি না। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একজন মহাপুরুষ ছিলেন, তিনি নিজ ব্যক্তিত্ববলে সমাজের ভিত কাপিয়ে দিতে পেরেছিলেন হাসি মুখে। সকলেই যে তার মত প্রবল ব্যক্তিত্বশালী হবেন এমনটা আমি আশা করি না।
বেগম রোকেয়া একজন মহান মানুষ ছিলেন, তিনি অত্যন্ত চমৎকার ভাষায় ধর্মকে যেভাবে ধুয়েছেন, সেরকম প্রতিভাবান সকলেই হবেন এমনটা আশা করা যায় না।
সমাজ সংস্কারকগন কাজ করেন সমাজের বাইরে থেকে। অলৌকিক কিছুতে প্রবল বিশ্বাস স্থাপন, মামদোভুত/আল্লা/ শাকচুন্নী/ফেরেস্তা/জ্বীন/শয়তান ইত্যাদিতে যখন কোন প্রাপ্ত বয়ষ্ক মানুষ প্রবল ভাবে বিশ্বাস করেন, তখন বুঝতে হবে তিনি বা তারা হিস্টিরিয়া/ম্যাস হিস্টিরিয়া/ স্কিজোফ্রেনীয়াতে আক্রান্ত। এখন এই বিশ্বাস মানুষের ভেতর থেকে বেশ কিছু উপায়ে সরানো যায়, মানসিক রোগীদেরকে সারিয়ে তোলা যায়। তাদের নিয়মিত চিকিৎসা করে, আবার রোগ খুব ভয়াবহ আকার ধারন করলে শক থেরাপী দিয়ে।
আমার ধারনা আরিফুর আর ব্লগের অন্য নাস্তিকেরা আস্তিকদের শক থেরাপী দিচ্ছেন, এবং এই শক থেরাপী মাঝে মাঝেই বেশ ভয়াবহ আকার ধারন করে, আস্তিকদের নাঁকি কান্না আর চোখের পানিতে ব্লগের প্রতিটা কোন ভরে ওঠে। কিন্তু কি বা করার আছে?
" বিশ্বাস নিয়ে হাসাহাসি অপছন্দ? তাহলে হাস্যকর কিছুতে বিশ্বাস না করলেই হয়!"
বিশ্বাসকে আঘাত করা কি অমানবিক?
মুসলমানরা কখনঐ তাদের কোরান হাদিসকে প্রকাশ্যে সমালোচনা করতে দেবে না। এটা প্রবল ভাবে তাদের ধর্ম বিরুদ্ধ কাজ বলেই গন্য হবে তাদের কাছে। অথচ তাদের ধমীয় সভাগুলোতে তারা অন্য ধর্মের সমালোচনা করতে কখনঐ কার্পন্য বোধ করেন না। গুলিস্তানের তেলেছমাতি চটি বইয়ের হকার নায়েক হর হামেশাই একখানা চটি পুস্তক বহন করেন, অন্য ধর্ম গুলোকে মিথ্যা, ভ্রান্ত বলে আখ্যায়িত করেন। কিন্তু হকার নায়েকের কথা একজন মুসলিমের মনে কখনঐ এরুপ ভাব সৃষ্টি করবে না যে হকার সাহেব অন্য ধর্মকে আঘাত করেছেন। এর কারন ইসলাম মোটামুটি মানুষকে এক চক্ষু হরিনে পরিনত করে, স্বীয় ধর্ম পুস্তক আর স্বীয় ঈশ্বরের মাজেজা ছাড়া তারা আর কিছু দেখতে পায় না।
কিন্তু কথা হচ্ছে নাস্তিকেরা কি শরীরে বোমা বেধে আত্মঘাতী হামলা চালায়, নাকি চাপাতি হাতে আক্রমন করে? নাকি দেশ ছাড়া করে?
এরকম উদাহরন আমি অন্তত শুনিনি। কিন্তু এই বিশেষ ধর্মাবলম্বী মানুষদের মধ্যে এই প্রবনতা প্রচন্ড রকমের, এটা অনেক মডারেট মুসলিমও স্বীকার করেন।
একটা সময় ধর্ম সম্পর্কে কোন প্রশ্ন করা যেত না, আমার মনে মধ্যে অবিশ্বাস দানা বাধছে, এটা মানুষ কে বলা যেত না। এখন সময় পাল্টেছে। ইন্টারনেটের কল্যাণে মানুষ আগের থেকে অনেক মুক্তভাবে মনে কথা বলতে শিখছে। আগে একটা মেয়ের মুখে যৌনতা শব্দটা শুনলেই এলাকার মোল্লা থেকে সব গুরুজন ছুটে আসতো। এখন মেয়েরা চমৎকার যৌনতার বর্ননাপুর্ন কবিতা লেখার মত সাহস করতে পারছে। এটা কম সফলতা নয়।
কেন ব্লগ জুড়ে শুধু ধর্ম আর নাস্তিকতার চর্চা?
এটা শুধু আমাদের দেশে নয়, অনেক দেশেই এই চর্চাটা হচ্ছে। ধর্ম সম্পর্কে মানুষ প্রশ্ন করতে শিখছে, যে যা বলে তাতেই মাথা ঝুকিয়ে মাশাল্লাহ সুবহানাল্লাহ বলার দিন শেষ। এখন মানুষ যাচাই করতে পারছে, চিন্তা করতে শিখছে।
আমাদের দেশের ব্লগিং কালচার যেহেতু মানুষকে মুক্তভাবে কিছু বলার একটা প্লাটফর্ম দিয়েছে, সেহেতু ব্লগ জুরে আস্তিকতা নাস্তিকতা নিয়ে হৈচৈ হবে এটা খুবই স্বাভাবিক। এতদিন যা মানুষ বলতে পারত না, এখন প্রযুক্তির কল্যানে তা বলতে পারছে। এতদিন এই নিয়ে কিছু বললেই পরিবারে সমাজে নির্যাতিত হতে হত, এখন মানুষ অনলাইনে সদম্ভে নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারছে। এটা মোটেও কম অর্জন নয়।
বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা যেরকম জ্ঞান অর্জনে অনিহা প্রকাশ করে অন্য কোন ধর্মাবলম্বীর মধ্যে তা দেখা যায় না। শুধু ব্রিটিশ আমলের কথা চিন্তা করলেই বোঝা যায়, এদেশের হিন্দু সম্প্রদায় যখন শিক্ষায় চাকুরীতে এগিয়ে যাচ্ছিল, তখন মুসলিম সম্প্রদায় ধর্ম শিক্ষার নামে আরবি শিক্ষা লাভ করে নেকী হাসিল করেছেন হয়ত ঠিকই, তবে পৃথিবীর দৌড়ে পিছিয়ে পরেছেন। এখনও দেখা যায় সৌদী বাদশাহ থেকে শুরু করে আরব বিশ্ব জ্ঞান বিজ্ঞানের মোটেও আগ্রহী নন। পাকিস্তান, আফগানিস্থান জ্ঞান বিজ্ঞানে খুব একটা উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রাখতে পারেন নাই, যেটা পেরেছে ১৪ মিলিয়ন ইহুদীর ইসরাইল।
প্রায় দেড় বিলিয়ন মুসলমান, তারা দুনিয়ার খাচ্ছে, দুনিয়ার পরছে, আর কাজ করে যাচ্ছে পরকালের, নেকী হাসিলের প্রতিযোগিতায় ক্রমশ পিছিয়ে পরছে অন্যদের থেকে। পৃথিবীর খাদ্য সমস্যা, বাসস্থানের সমস্যা, চিকিৎসার সমস্যার সমাধানে সকলে এখন একত্রিত হবার চেষ্টায় আছে, পরিশ্রম করে যাচ্ছে কিভাবে খাদ্য সমস্যার সমাধান করা যায়, কিভাবে এইডসের প্রতিষেধক আবিষ্কার করা যায়। আর অন্যদিকে হুরের নেশায় বুদ হয়ে আছে এই মুসলিম সম্প্রদায়, তাদের খাদ্য নিয়ে চিন্তা নাই(আল্লা মুখ দিছে খাবারও দিবে), জনসংখ্যা নিয়ে চিন্তা নাই(জন্মমৃত্যু তো আল্লার হাতে), দারিদ্র নিয়ে চিন্তা নাই( আল্লাই মানুষরে ধনী বা গরিব বানানোর মালিক)।
ভারবাহী জীবের মত তারা মানব সম্প্রদায়ের পিঠে চেপে বসে আছে, তাদের অতিরিক্ত ভার বহন করতে হচ্ছে অন্যদের, সেকারনে আমাদের অগ্রগতিও যেমন হবার কথা ছিল হচ্ছে না।
আজকের নতুন বিশ্বব্যবস্থায় আমরা যেমন খুশী থাকতে পারি না। আমরা চোখ কান বন্ধ করে, অপরের মুখ বন্ধ করার জন্য জীহাদী হুংকার দিয়ে টিকে থাকতে পারবো না, যার প্রমান ইতিমধ্যে দেখা যাচ্ছে। ইরাক, আফগানিস্তানের ঘটনার পিছনে আমেরিকা বৃটেনের হাত নোংরা হলেও নির্যাতিত কিন্তু হয়েছে মুসলিমরাই। মুসলমানরা যত তাড়াতাড়ি বিষয়টা বুঝতে পারবে ততই মঙ্গল।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইসলাম বিদ্বেষ, আসিফ মহিউদ্দীন, ইসলাম বিদ্বেষ, আসিফ মহিউদ্দীন ;
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: চমৎকার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: সরাসরি ইসলাম বিদ্বেষের কথা বলার পরেও কেউ হাউকাউ করছেন না, ১৬ টা প্লাস, মাত্র ৩ টা মাইনাস দেখে বিব্রত। সেইফ হলে দিবো, কবে সেইফ হব কে জানে!
লেখক বলেছেন: আমি তো মনে করি গোটা পঞ্চাশেক জ্ঞানী-মুর্খ আস্তিকের বিরুদ্ধে একজন মোটামুটিমানের নাস্তিকই যথেষ্ট।
ত্রিভুজ বলেছেন:
"আর অন্যদিকে হুরের নেশায় বুদ হয়ে আছে এই মুসলিম সম্প্রদায়, তাদের খাদ্য নিয়ে চিন্তা নাই(আল্লা মুখ দিছে খাবারও দিবে), জনসংখ্যা নিয়ে চিন্তা নাই(জন্মমৃত্যু তো আল্লার হাতে), দারিদ্র নিয়ে চিন্তা নাই( আল্লাই মানুষরে ধনী বা গরিব বানানোর মালিক)।"এটা তো ইসলামের দোষ না ব্রাদার, ইসলাম সমর্পর্কে যারা কম জানে তাদের কারণে এরকম মনে হচ্ছে আপনার/আপনাদের। এরকম অনেক ভুল ধারণার উপরেই আপনারা ইসলামকে বোঝার চেষ্টা করছেন বা ধারণা পোষণ করছেন। এই পোস্টেও কথাটা আরেকবার বলেছিলাম- Click This Link
যাইহোক, আপনার লেখাটা সময় নিয়ে আরেকবার পড়বো ভাবছি। নাস্তিক-আস্তিক বিষয়ক একটা লেখা অনেকদিন ধরেই মাথায় ঘুরছে, লেখা হচ্ছে না। আপনার লেখাটা সেই ইচ্ছেটা আরো বাড়িয়ে দিলো।
আপাতত প্রিয় পোস্টে যোগ করে নিলাম।
লেখক বলেছেন: আপনার কিছু লেখা পড়েছি, আগ্রহ নিয়েই পড়েছি।
দুঃখের সাথে লক্ষ্য করেছি আমাদের দেশের ইসলামের ধ্বজ্জাধারীগন কতটা কুয়োর ব্যাং। আধুনিক চিন্তাবিদ, যারা মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সহানুভূতিশীল, চমস্কি, এডোয়ার্ড সাইদ, এদের লেখা বা বিষয় বস্তুর সাথে আমাদের দেশের ইসলামের ধ্বজ্জাধারীদের চিন্তাচেতনার বিন্দুমাত্র মিল নাই। তারা সার বিষয়টা বোঝে, কিন্তু আধুনিক চিন্তাবিদদের চিন্তার গভীরে প্রবেশ করতে ব্যার্থ হয়। বরঞ্চ আমাদের দেশের এইসব উচ্চকন্ঠ ইসলাম প্রচারকদের সাথে টাউট হকার নায়েক আর মোল্লাদের মিলই খুঁজে পেয়েছি।
আর ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান নাই, এই ধরনের টিপিক্যাল কথা গুরুত্বপুর্ন আলোচনায় উচ্চারন না করাটাই ভাল, ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান লাভের জন্য এমন কোন আহামরি পন্ডিত হবার প্রয়োজন দেখি না আমি।
আমার লক্ষ্য বস্তু ছিল বিশ্বাস নিয়ে, যেটা মানুষ নির্ভর, মানুষ যেটা বিশ্বাস করে সেটা। এখন ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধর্মের আয়াত, শ্লোক, ইত্যাদির অর্থ কিছুটা পরিবর্তন করে ভিন্নমাত্রার ব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মকে রক্ষার চেষ্টা করবে, সেটাই স্বাভাবিক।
যদি ধর্মকে টিকিয়ে রাখতে চান, তবে ব্যাখ্যা আপনাদের যুগে যুগে অনবরত পাল্টাতে হবে, এবং প্রতিটি সময়ে নিত্যনতুন ব্যাখ্যা হাজির করতে হবে, পুরনো ব্যাখ্যা ছুড়ে ফেলতে হবে। আপনারাও প্রগতির চাপে পরে পুরনো ব্যাখ্যায় আর আস্থাশীল নন, নিজ নিজ মস্তিষ্ক ব্যবহার করে নতুন নতুন ব্যাখ্যা সৃষ্টি করে শেষ রক্ষা করতে চাচ্ছেন, কিন্তু সত্য হচ্ছে মানুষ মুখ খুলতে শুরু করেছে।
পাহাড়ের গায়ে একটা পাথর এসে পরলেও ঢস নামতে পারে, আর এখানে তো বেশ বড় বড় পাথরই মারা হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: আর হ্যা, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ত্রিভুজ বলেছেন:
ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান লাভের জন্য আহামরি পন্ডিত হওয়ার দারকার আছে কি নাই সেটা ভিন্ন বিষয়। ধরে নিলাম খুব সামান্য জ্ঞান নিয়েও ইসলাম সম্পর্কে সব জেনে ফেলা যায় বা আপনার জেনে যাচ্ছেন। কিন্তু সেই জেনে যাওয়ার পর যখন উচ্চারণ করেন- "আর অন্যদিকে হুরের নেশায় বুদ হয়ে আছে এই মুসলিম সম্প্রদায়, তাদের খাদ্য নিয়ে চিন্তা নাই(আল্লা মুখ দিছে খাবারও দিবে), জনসংখ্যা নিয়ে চিন্তা নাই(জন্মমৃত্যু তো আল্লার হাতে), দারিদ্র নিয়ে চিন্তা নাই( আল্লাই মানুষরে ধনী বা গরিব বানানোর মালিক)।", তখন আসলেই ইসলাম সম্পর্কে আপনার/আপনাদের জানার দৈন্যতাকে প্রকাশ করে। এই জানা ভুলভাবে ভুল দৃষ্টিকোন থেকে জানা। এই জানা সম্পূর্ন নয়। কোন বিষয়ে অসম্পূর্ন জ্ঞান নিয়ে সেই বিষয় সম্পর্কে মন্তব্য করাটা বা সেই বিষয়কে বিশ্লেষণ করতে যাওয়াটা যে বোকামী সেটা অবশ্যই বোঝেন ধরে নিয়ে মন্তব্য করেছি।"
যদি ধর্মকে টিকিয়ে রাখতে চান, তবে ব্যাখ্যা আপনাদের যুগে যুগে অনবরত পাল্টাতে হবে, এবং প্রতিটি সময়ে নিত্যনতুন ব্যাখ্যা হাজির করতে হবে, পুরনো ব্যাখ্যা ছুড়ে ফেলতে হবে।", এই ধারণাটা আপনার বর্তমান জ্ঞানের সাথে সঙ্গতিপূর্ন হলেও বাস্তবতার সাথে সঙ্গতিপূর্ন নয়। অন্তত ইসলামের ক্ষেত্রে। তবে যদি যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ধর্মীয় বিধান বা ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির বিষয় বোঝাতে চান, সেক্ষেত্রে ইসলাম অনন্য। ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা এর গুরুত্বপূর্ন কোন বিষয়ের নতুন বা পুরোপুরি বিপরীত/অন্যরকম ব্যাখ্যা দাঁড় না করেও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে। যাহোক, এটা অনেক আলোচনা সাপেক্ষ বিষয়, তাই আপাতত বাদ দিলাম।
তবে আপনি দুঃখের সাথে যে বিষয়টা লক্ষ্য করেছেন সেটার সাথে আমিও কিছুটা একমত। কিন্তু এই অবস্থা সৃষ্টির পেছনেও কিছু কারণ আছে, ইতিহাস আছে। সেগুলো বিবেচনা করলে মন্তব্যটা এভাবে করা ঠিক হবে না।
এনিওয়ে, আপনার লেখার স্টাইল ও মন্তব্যের ভাষা ভাল লেগেছে। আশা করি ভবিষ্যতে আরো আলোচনা হবে।
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: আমি সম্ভবত বিষয়টা আপনাকে বোঝাতে ব্যার্থ হয়েছি।
মুসলিম সম্প্রদায় যে জ্ঞানবিজ্ঞানে পিছিয়ে, জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে এগিয়ে, দুর্নীতিতে এগিয়ে এগুলো জানার জন্য কোরান হাদিস জ্ঞান জরুরী না।
নাকি আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে মুসলিমরাই সবার থেকে এগিয়ে?
আমি জনগনের বিশ্বাসের কথা বলেছি। "ধরে নিলাম" ইসলাম খুব উন্নত, আধুনিক, জীবনব্যবস্থা, জনগন ইসলাম বোঝে না, তাই আজকে মুসলিমদের এই অবস্থা।
কিন্তু তাতে তো মুসলিম সম্প্রদায়ের দুর্দশার কথা মিথ্যা হয়ে যায় না, তাদের এই সকল কর্মকান্ড মিথ্যা হয়ে যায় না। আম মুসলিম তো এমনটাই চিন্তা করে...।মুখ দিছে আল্লা, খাওনও দিবো আল্লা।
তারপরেও কথা থাকে, আপনারা ১৫০০ বছর ধরেও কোন ইসলাম সত্যি, কোন ইসলাম সহি, তা ঠিক করতে পারলেন না, আম জনতার কাছে সত্যিকারের ইসলাম পৌছে দিতে পারলেন না, তো সেই ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে এতটা মরিয়া কেন?
লেখক বলেছেন: আজকে কই জানি দেখলাম আপনার জন্মদিন। শুভ জন্মদিন।
অনেক কিছুই ভাবি, কিন্তু সেসব গ্রহন করার মত মানসিকতা তৈরি করাটা আগে জরুরী।
লেখক বলেছেন: মজা পাইলাম, কার্টুনটা কিন্তু আস্তিকদের জন্যেও খুবটা মধুর না।
অপ০০৭০০৭ বলেছেন:
আমি শুধু এটা মনে করি।মসজিদ ভাঙে ধার্মিকেরা,
মন্দিরও ভাঙে ধার্মিকেরা,
তারপরও তারা দাবি করে তারা ধার্মিক,
আর যারা ভাঙাভাঙিতে নেই তারা অধার্মিক বা নাস্তিক।
ধর্মের কাজ মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা;
তাই এক ধার্মিকের রক্তে সব সময়ই গোপনে শানানো হ’তে থাকে
অন্য ধার্মিককে জবাই করার ছুরিকা।
হিন্দু এবং মুসলমানের মুক্তি ঘটেনি,
কারণ তারা অতীত ও তাদের মহাপুরুষদের সম্পর্কে কোনো সত্যনিষ্ঠ আলোচনা করতে দেয় না।
লেখক বলেছেন: হিন্দু এবং মুসলমানের মুক্তি ঘটেনি,
কারণ তারা অতীত ও তাদের মহাপুরুষদের সম্পর্কে কোনো সত্যনিষ্ঠ আলোচনা করতে দেয় না।
সত্যনিষ্ঠ আলোচনায় তারা বারবার বাধা দিয়েছে।
লড়াকু বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: কিছু বললেন না!
টেলি সামাদ বলেছেন:
প্রিয়তেই নিতে হইল।যুদ্ধবাজ ছাগল্ডায় কি ছবি দিছে? তাইলে মোমিন মুসলমান কি লাগানির সম্ অহ আল্লা, অহ মুহম্মদ কয়া চিল্লায়?
বোকা োদা আর কারে বলে!
অফটপিক; ঘুমান নাই মিয়া?
লেখক বলেছেন: নিশাচর। দিনে ঘুমাই, রাতে জাগি।
উপরের মন্তব্য পইড়া হাসতে হাসতে শ্যাষ!
শেলী বলেছেন:
আপনার পোষ্ট টা পুরা আবেগে ভরা,জ্ঞান নির্ভর বলে মনে হলনা।
লেখক বলেছেন: তাই? আপনার মন্তব্যটা কিন্তু আমার কাছে প্রচন্ড জ্ঞান বিজ্ঞান দর্শন নির্ভর মনে হয়েছে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
অরণ্য সৌভিক বলেছেন:
আসলে ধর্ম বিদ্বেষ বা ইসলাম বিদ্বেষের ব্যাপারগুলি আমরা খুব স্বাভাবিকভাবে চিন্তা করলে ভিন্ন দেখতে পাব। সাধারণত দেখা যায়, যে যেই ধর্মীয় পরিবার থেকে আসে বা সমাজ থেকে আসে, সে সেই ধর্মকে নিয়েই জানে বেশি। আর সমালোচনার ক্ষেত্রে তাই সে ধর্মটাই প্রথমে আসে। ভারতে কিন্তু হিন্দু ধর্ম নিয়ে যথেষ্ট সমালোচনা হয়ে থাকে। গণেশের সাহেবের দুধ খাওয়া নিয়েও তারা হাসাহাসি করে থাকে। সমস্যা হচ্ছে ধর্মের গঞ্জিকা মানুষকে যখন অন্ধ করে রাখে, মানুষ তখন কিছুই দেখতে পায় না। তাই একজন মুসলমানের কাছে হিন্দু ধর্মের ফালতু পৌরাণিক কাহিনী নিয়ে সমালোচনা হলে বিজ্ঞান এবং সত্যি বলে মনে হয়। কিন্তু ব্যাপারটি যদি আবার ইসলাম নিয়ে হয়, তবে সে-টা ধর্মতে আঘাত। তাই, জোকার নায়েক টেলিভিশনে ইসলামকে একমাত্র সত্য ধর্ম বলে দাবী করে, সৌদিতে অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয় না থাকাকে সাপোর্ট করলে মুসলমানদের মনে হয় সত্যি কথা। কিন্তু কোথাও নারীদের কালো বস্তাটা পরতে নিষেধ করলে মনে হয় ধর্মের প্রতি অবমাননা। এটা শুধু মুসলমান নয় হিন্দু, খ্রিস্টান সবার জন্য সত্য।
আসলে ধর্ম কোটিং-টা এ্যাতো গাঢ় যে, মানুষ তার বিবেচনা শক্তি হারিয়ে ফ্যালে। আর তাদের শেষ আশ্রয়স্থল হল, স্রষ্টা যা বলেছেন তার উপর প্রশ্ন করার অধিকার কারো নেই।
অ.ট. লেখক বলেছেন: আপনার কিছু লেখা পড়েছি, আগ্রহ নিয়েই পড়েছি।
আপনার ধৈর্য আছে বলতে হবে
লেখক বলেছেন: কয়েকটা পড়েছি, ইসলামপন্থীদের অবস্থা বোঝার জন্য। ![]()
চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
সন্যাসী বলেছেন:
শেলী বলেছেন: আপনার পোষ্ট টা পুরা আবেগে ভরা,জ্ঞান নির্ভর বলে মনে হলনা। আপনার কাছে জ্ঞান মানে কোরান-হাদিস, এ আমরা জানি। সমাজকে বিচার করতে কোরান পাছার তলে রাইখাও করা যায়। এত সুন্দর বিশ্লেষণগুলো ওনার পছন্দ হয় নাই।
খুব সুন্দর হয়েছে আসিফ ভাই। অনেক বড় লিখেছেন।
অ.ট: আপনি কি জেনারেল নাকি?
লেখক বলেছেন: ঐ সেদিনের ঘটনার জন্য আমারে জেনারেল করে দিসে সন্যাসী ভাই, অথচ আমি তেমন কিছুই করি নাই।
আমার আবার একটাই আইডি।
যুদ্ধবাজ বলেছেন:
ওই শালা হারামী টেলীর বাচ্চা। ছাগু কিরে? শালা মা*গের নাতী হাুয়া ুদা। পরের বার কথা কওনের সময় মুখ সামলায়া কথা কবি। আমি প্রথমে মুখ খারাপ করি না, কিন্তু তোদের মতন বদমাইশদের গালাগালির জন্য মুখ খারাপ কর্তে হয়।
লেখক বলেছেন: ভাই এত খেইপেন না, রাগ কমান।
বাই দ্যা ওয়ে, আস্তিকেরা ওহ গড ওহ গড বলে শুনেছি, সাচ্চা মুসলিমরা আসলে কি বলে বলবেন? "আল্লাগো" "ইয়া আলী" "ওহ রাসুল" "ইয়ো আয়শা" ইত্যাদি?
এখন কি আমাকেও গালাগাল করবেন? করতে চাইলে করতে পারেন।
বিডি আইডল বলেছেন:
সেই মানসিকতাটা কি শুধু ধর্মীয় বেসড??আমি ব্লগে আপনাদের যে গ্রুপটা আছে এদের এইসব টপিকসের বাইরে একমাত্র আর যে বিষয়টা নিয়ে পোষ্ট করতে দেখি সেটা হলো জামাতি ইস্যু....মনে হয় ধর্মের কুপমুন্ডকতা আর জামাতি ছাগু খেদানো ছাড়া এই জীবনের আর কোন লেখার উদ্দেশ্য নাই...আমি আশা করিনা ব্যক্তিগত জীবনেও আপনারা এমন...কিন্তু লিখার ধরণটা মানসিকতাকেই মিন করে...
উপরে দেখেন একটা ফানি ছবি এসেছে...এটা বহু পুরাতন একটা ফানি কমেডি...এটারে নিয়ে জনৈক টেলিসামাদ ব্যক্তিগত গালাগালি সহ আস্তিকদের গালি দিয়ে গেলেন....আপনিও এটারে বাহবা দিলেন...একটা কৌতুকরে কৌতুক হিসাবে নিতে তো খুব বেশি মুক্তজ্ঞাণের অধিকারী হওয়ার প্রয়োজন হবার কথা না!
লেখক বলেছেন: আমি মুল লেখায় বলেছি গালাগালি প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে। গালাগালিতে আমার কোন সমস্যা নাই। একমাত্র "মাতৃসম্ভোগকারী" টাইপ গালি বাদে।
আমি খুব একটা সুশীল নই, আর মুল কার্টুনটা যিনি দিয়েছেন তার কৌতুকও আমি সহজ ভাবে নিয়েছি। নাস্তিকদের নিয়েও ফান করা যেতে পারে।
বিডি আইডল বলেছেন:
শুভেচ্ছার জন্য অনেক ধন্যবাদ...
হোরাস্ বলেছেন:
আসলে বাংলাদেশে বসে যারা ব্লগিং করে তাদের কাছে ইন্টারনেটের জগৎ মানেই হলো ফেসবুক, ব্লগ, আর ইউটিউব। এর বাইরে যে ইন্টারনেটের বিশাল জগৎ আছে সেখানে প্রতিনিয়ত অন্য ধর্ম নিয়ে যে কি পরিমাণ ব্যঙ্গ, হাসি-তামাশা কিংবা গালি দেয়া হয় সে সম্পর্কে কোন ধারণাই নাই। একটা উদাহরণ দেই, সেদিন একটা এবছর মুক্তি পাওয়া একটা মুভি দেখছিলাম, নাম দ্য ইয়্যুথ রিভোল্টস। সেখানে একটা সিনে দেখালো ছবির প্রধান চরিত্র স্প্র পেইন্ট দিয়ে লিখছে, "God's an asshole". ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং মনে হওয়ায় Gods an asshole শব্দগুলা দিয়ে গুগলে সার্চ দিলাম। দিয়া তো পুরা তব্দা খাইলাম। শুরু হইছে একটা ওয়েব সাইট দিয়ে। যেটার এড্রেস হইলো http://www.godsanasshole.com/ । ঐখানে কি আছে সহজেই অনুমান করা যায়। আর গুগল আমারে কতগুলা সার্চ রিটার্ন দিছে জানেন? অলমোস্ট ৫ মিলিয়ন। লেখক বলেছেন: সমস্ত ধর্ম দিয়ে সার্চ করতে গেলেই সেই ধর্মের বিরুদ্ধে সাজেশন আসে অনেক গুলো। শুধু যে বাংলাদেশের মানুষই ধর্মবিরোধী নয় এ থেকেই বোঝা যায়।
ধন্যবাদ হোরাস ভাই।
কাকপাখি ২ বলেছেন:
নাস্তিকতার একটা মুল বিষয় হইল বস্তুবাদ, বস্তুবাদের গোড়াতেই যে গলদ আছে তা যুক্তির মাধ্যমে প্রমান করা যায় ।
লেখক বলেছেন: বি-শা-ল জ্ঞানের পোস্ট, আমার আয়ত্বের বাইরে। বেটার কোন জ্ঞানী(!) মাওলানা/মোল্লা/মাদ্রাসার দাখিল কামীল ছাত্র-শিক্ষক পোস্টটার আসল অর্থ বুঝতে পারবে।
এই ধরনের ১০১ টা পোস্ট দৈনিক দেয়া সম্ভব, কিন্তু এগুলো দিয়ে ব্লগের এবং নিজের মান বজায় থাকবে কি?
কেউটে সাপ বলেছেন:
খেলুম না , আমি যা যা লিখতে চাইছি টা আপনে লেইখা ফেলাইছেন . মাইনাস
লেখক বলেছেন: আইচ্ছা আপনেও লেখেন, আসেন দুইজন মিল্লা লিখি।
সিংহ বলেছেন:
যদি ধর্মকে টিকিয়ে রাখতে চান, তবে ব্যাখ্যা আপনাদের যুগে যুগে অনবরত পাল্টাতে হবে, এবং প্রতিটি সময়ে নিত্যনতুন ব্যাখ্যা হাজির করতে হবে, পুরনো ব্যাখ্যা ছুড়ে ফেলতে হবে। আপনারাও প্রগতির চাপে পরে পুরনো ব্যাখ্যায় আর আস্থাশীল নন, নিজ নিজ মস্তিষ্ক ব্যবহার করে নতুন নতুন ব্যাখ্যা সৃষ্টি করে শেষ রক্ষা করতে চাচ্ছেন, কিন্তু সত্য হচ্ছে মানুষ মুখ খুলতে শুরু করেছে।+++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
টেলি সামাদ বলেছেন:
@বিডি আইডল, সুশীলগীরি এট্টু কম মারান। আমার পোস্টে ইন্সেস্ট কেডায় টাইনা আনছিল মনে আছে?সব গুলারেই ভাল মত চেনা আছে।
আর বাংলা ব্লগের নাস্তিকগো লেখা, চিন্তা-ভাবনা, দর্শন কোন দিক দিয়াই আস্তিকরা এহনতরি নাস্তিকগো ধারে কাছে নাই। কোনদিন যাইতেও পারবোনা সেইটা বাজি ধইরা বইলা দিতে পারি। অতএব "আপনারা ২৪ ঘন্টায় এই বিষয়ের বাইরে কিছু ভাবেন?!?"-টাইপের মরাকান্না জুইরা লাব নাই।
হেপি বাড্ডে।
@ যুদ্ধবাজ, গালি চুদাও অসুবিধা নাই। গালি খাওনের সম চিক্কর পাইরা কাইন্দ না। এই পোস্টে লাগালাগির ছবি দিয়া কেডা আগে শুরু করছে সবাই দেকছে।
লেখক বলেছেন: ভাগ্যিস আমারে মাইনাস দেন নাই।
এ.জে. মিন্টু বলেছেন:
ধর্মীয় অনুভুতির শিশ্নটি এতোই সংবেদনশীল যে, যখন তখন, এমনটি মৃদু বায়ুপ্রবাহেও খাড়ায়া যায়। অর্জিনাল শিশ্নকে শান্ত করা সহজ কিন্তু অনুভুতির শিশ্ন একবার খাড়ায়া গেলে ঐটারে সামলাইতে কয়েকশো পামেলা এন্ডারসন বা ট্যারা প্যাট্রিককেও গলদঘর্ম হতে হয়। পাঙ্খা পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ঈমানী শিশ্নগুলা দেখি দলে দলে ভাইগা গেছে। মাইনাস এত কম ক্যান? বড়ই বিব্রত হইলাম।
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন:
অসাধারণ! একেবারে সহজে বলেছেন বেশ কয়টা কথা। সম্প্রতি সামুর কিছু নতুন ব্লগার এই প্রশ্নগুলোই তুলছিলো কয়দিন ধরে। আন্দাজে ছিলাম এখানকার মুক্তচিন্তার মানুষগুলো( নাস্তিক, সংশয়বাদী বা নির্ধার্মিক যেটাই হউক) হাল ছেড়ে দিয়েছেন, একই কথা কতবার বলা যায়! আমি দেখেছি অনেককেই বিশাল বিশাল মন্তব্যে করে, পালটা যুক্তি দিয়ে, ফ্যাক্ট, এভিডেন্স, তথ্যসূত্র দেখায়ে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে......ঘুরে ফিরে একই কথা। যুক্তি মানবে না, কোন কিছু নিয়ে আলোচনা করলেই বাধা বিপত্তি, এতো স্পর্শকাতর ক্যান! শক থেরাপী দেয়াটা তখন অনিবার্য হয়ে পড়ে।আমার মনে হয় আস্তিকেরা ভেতরে ভেতরে প্রচন্ড সংশয়ে আছে, এদেশে স্মরণকালে মানুষের বিশ্বাসে এরকম দ্রুত পরিবর্তন আসে নাই, লোকে তাদের বিশ্বাসও এতো সরাসরি প্রকাশ করবার প্ল্যাটফর্ম পায় নাই। সায়েন্স টেকনোলজী এতো বেশি আগাইছে যে ধর্ম খুব নাজুক অবস্থায়, যুক্তিটুক্তি দিয়া বেশিদুর যাওয়ার উপায় নাই। তাই এতো মরিয়া...
ইসলাম কখনোই সহনশীল ছিলো না, এখনকার মুসলিমরা আরো না। গালগালাজের ইতিহাস ব্লগে সবাই ছোট্ট পরিসরে দ্যাখে। কিছু করার নাই, এই তুলনাহীন গোঁয়ার্তুমি আর গোঁড়ামি ছাড়াইতে প্রায়সময়ই শক থেরাপি লাগে, শ্যুগার কোটিং এইখানে পরিহার্য।
লেখক বলেছেন: যেমন কুকুর তেমন মুগুর আর কি।
যৌক্তিক আলোচনায় একজন নাস্তিক গোটা পঞ্চাশেক আস্তিকের তুলনায় শক্তিশালী, এইটা প্রমানিত। আস্তিক শিবিরেও আস্তিকদের আহাম্মকী নিয়া অসন্তোষের কথা শোনা যায়।
কিন্তু গোয়ার্তুমি শুরু করলে, "বিশ্বাস করতে হবে" টাইপ যুক্তি দেয়া শুরু করলে আল্লা রাসুলরে নিয়া ঠাট্টা মশকরা কইরা দেখাইতে হয় আল্লার সর্বশক্তিমান হবার দাবী কতটা ভুয়া।
আগে আমাদের ধারনা ছিল আল্লা নবীরে নিয়া কিছু বললেই মাথায় ঠাডা পরতে পারে, ভয়ে কিছু বলতে কেউ সাহস করতো না। আজকাল কিশোর তরুনরাও ঐসব গালগল্প শুনে হাসাহাসি করে। তারা আল্লা নবীর কেরামতি কীর্তিকলাপ নিয়া মজা করে।
পরিবর্তন আসছে, একদল চেষ্টা করে যাচ্ছে পুরনো যুগে ফিরে যেতে, কিন্তু তাদের পায়ের নিচে মাটি নাই, আল্লাও নাই।
লেখক বলেছেন: আদ্যোপান্ত পাঠ করিলাম। জনস্বার্থে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তুলিয়া ধরিয়া একটি ধন্যবাদযোগ্য কাজ করিয়াছেন। রচনার ছত্রে ছত্রে আপনার মেধা, উন্নত রুচি ও মননশীলতার দ্যুতি বিচ্ছুরিত হইতেছে। কালোত্তীর্ণ রচনা হিসাবে ইহা নিশ্চিতই বিদগ্ধজনের হৃদয়ে স্থায়ী হইবে। সন্দেহ নাই এইরূপ রচনাই হইবে অনাগত প্রজন্মের নিকট সকল অনুপ্রেরণার উৎস।
আপনার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করিতেছি।
আনাড়ী বলেছেন:
আসিফ তোমার লেখাটা এখন পড়লাম না কারন আমি তোমার লেখার সাথে পরিচিত তাই টাইটেল দেখলেই বুঝি কি লেখা আছে। তোমার সাথে ধর্ম নিয়া তর্ক-বিতর্ক করতে করতে একটা লাভ হয়েছে, তা হলো ধর্মের প্রতি অন্ধভক্তি চলে গিয়েছে, তবে ধর্মে বিশ্বাস হারাইনি। দেশে ফিরবার পর একদিন চরম আড্ডা দিতে হবে তোমার সাথে।
লেখক বলেছেন: অন্ধভক্তি চলে গেছে এইটাই আমার সাফল্য। যদি একটা যুক্তিবাদী মননশীল মন সৃষ্টি করতে পেরে থাকি, ধর্মের প্রতি বিশ্বাসটাও চলে যাবে একদিন।
ধর্মের প্রতি বিশ্বাস হারানো সবার জন্য সহজ কাজ না, হাজার বছরের পুরনো বিশ্বাস এক দুই বছরে নষ্ট হবার নয়, আর এইটা আমার উদ্দেশ্যও না। কিন্তু চট করে যেন আমরা কিছু বিশ্বাস না করি, ধর্মের নাম করে, কুরান হাদিসের উদৃতি দিয়ে কিছু বললেই যেন আমরা প্রতিবাদ করার ভাষা হারিয়ে না ফেলি।
গাছের গোড়া ধরে নাড়া দিলে সব আম পড়ে যাবে এমনটা আশা করি না, দু-দশটা পড়লেই লাভ। অন্তত এইটুকু আপনার থেকে আশা করি যে কোন মোল্লা মাওলানা এসে হাদিস কোরান খুলে আয়াত দেখিয়ে 'বিবর্তনবাদ মিথ্যা', 'মানুষ চাঁদে যায় নি', 'চাঁদ দুইভাগ হইছিল' ইত্যাদি বললেই এখন আর আপনি বিশ্বাস করবেন না। প্রমান চাইবেন।
আর ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাসটা আসলে মানুষের প্রয়োজনের মধ্যে পরে, এই এতবড় মহাবিশ্বে আমরা মানুষ একদম একা, নিঃসঙ্গ, এটা অনেককে আতংকিত করে তোলে। তাই তারা যুগে যুগে ঈশ্বর সৃষ্টি করে।
কিন্তু এই ঈশ্বরের সম্মান রক্ষার্থে যখন একজন আরেকজনের উপরে ঝাঁপিয়ে পরে, এক ঈশ্বরের মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য অন্য ঈশ্বরের অনুগতদের গলায় ছুড়ি চালায়, তখন এই ঈশ্বর ধারনাটাই নোংরা-অমানবিক হয়ে ওঠে। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে এমনটাই দেখা যায় বেশি।
দেশে আসলে আড্ডা হবে, চরম আড্ডা হবে মামা।
বিডি আইডল বলেছেন:
@টেলি...রুপকার্থে ইনসেস্ট শব্দের ওই কমেন্টে যদি মনে এত কষ্ট পান তবে যারা আজীবন সৃষ্টিকর্তা, ধর্ম এসব বিশ্বাস করে এসেছে তাদেরকে যুক্তির বাইরে গালাগালি দিয়ে তো মক করতেন না!!
লেখক বলেছেন: অসহায় সৃষ্টিকর্তাকে গালাগাল দিলে সর্বশক্তিমানের দাবীদার সৃষ্টিকর্তা কিছু করতে পারছেন না কেন? এটাও কিন্তু ঈশ্বরের অস্তিত্বের বিপক্ষে একটা অস্ত্র হিসেবে গন্য হতে পারে।
আগে নাকি ঈশ্বরে অবিশ্বাসের কারনে, নিজেকে ঈশ্বর ঘোষনা দেবার কারনে আল্লা এতটাই ক্ষিপ্ত হতেন যে পুরো একটা জাতিকে ধ্বংস করে দিতেন। কোথায় সেই প্রবল প্রতাপশালী ঈশ্বর, সামান্য টেলির গালাগালের ভয়ে কোন আসমানে গিয়ে লুকালো সে?
রাজসোহান বলেছেন:
@অবিরাম বাংলার মুখ , ঝাক্কাস হইসে @ আসিফ ভাই , কথা সত্যি , এটা একটা বিনোদন ছাড়া কিছুই মনে হয় এখন আমার কাছে , আপনি যতই অবিরামরে খোচা মার্কা কমেন্ট মারেন , এক অর্থে সত্যি কথাই বলসে , আসলে আমার চরম হাসি পাইতেসে
লেখক বলেছেন: কথা সত্যি সেটা জানি সোহান ভাই।
কিন্তু ঘটনার সুত্রপাত কিভাবে হয়েছিল দেখেছিলেন? হোরাস ভাইয়ের বিবর্তন বিষয়ক একটা ব্লগে নতুন নিক সার্জন এসে কোন যুক্তি না দেখিয়ে অসভ্যতা শুরু করে, এবং আমার আর পারভেজ ভাইয়ের সাথে খুব কৌশলে ঝামেলা লাগায়। এরপরে তারা আরিফ ভাইয়ের কমেন্ট নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করে।
সব কিছুই পুর্বপরিকল্পিত, বিশেষ উদ্দেশ্যে করা।
আমি ব্লগে শিল্প-সাহিত্য-রাজনীতি-দর্শন-ধর্মতত্ব-বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করতে চাই, কিন্তু তারা পরিবেশ নষ্ট করছে, ধর্মান্ধ মানুষ সৃষ্টি করতে লাগাতার প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে। তাদের কষায়া থাপ্পর না দিলে তারা আরও আক্রমনাত্মক হয়ে উঠবে। আমাকে রেগুলার ফেইসবুকে গালাগাল করে, হুমকি ধামকি দেয়। আর কত সহ্য করতে হবে?
মাঝে মাঝে ধৈর্যের বাধ আমাদের ভাংতেই পারে। আর এই যুদ্ধ দেখে আপনারা মজা পেলে সেটা তো বাড়তি পাওনা।
তবে যৌক্তিক আলোচনা করতে আসলে আমার দরজা সব সময় খোলা।
বিডি আইডল বলেছেন:
দেখেন আমি আস্তিকদের ডিফেন্ড করতে আসিনি বা প্রিচও করতে আসিনি...ধর্ম বিশ্বাস বা অবিশ্বাস যার যার নিজস্ব ব্যাপার এই শ্রদ্ধাবোধ আমার আছে....আপনাদের কারো কারো আছে কিনা ঘোরতর সন্দেহ আছে...কয়েকটা ছবি দিলাম...ধর্মীয় ব্যাপার বাদ দিলেও সাধারণ শ্রদ্ধাবোধ কি এইগুলোকে পারমিট করে?
Click This Link
লেখক বলেছেন: ভাই, আপনি আমার মুল লেখাটিই পড়েন নাই।
অন্যের বা যেকারো ধর্মবিশ্বাসের প্রতি আস্থাশীল কিভাবে হওয়া সম্ভব এই সময়ে?
আপনাকে একটা ঘটনা বলি। আমি কয়েকবছর আগে সিলেট গিয়েছিলাম। রমজান মাস। আমি নাস্তিক মানুষ, নামাজ রোজা আমার জন্য নয়। কিন্তু পুরো সিলেট ঘুড়ে কোন খোলা হোটেল খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আমি যে হোটেলে উঠেছি সেই হোটেলের ম্যানেজারকে জিজ্ঞেস করলাম খাবার হোটেল কই পাওয়া যাবে। সে চোখ লাল করে আমার দিকে ঠান্ডা দৃষ্টিতে তাকালো, কিছু বলল না। পরে রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে পান ওয়ালা চা ওয়ালা যাকেই খাবার হোটেলের কথা জিজ্ঞেস করি, সে খেকিয়ে ওঠে, বলে হিন্দু নাকি। আমি বলি না আমি হিন্দু না, কিন্তু খাবার হোটেল কি নাই? তারা দেখলাম বেশ মারমুখি, আমার সাথে অত্যন্ত বাজে ব্যবহার করলো।
রাস্তায় সিগারেট খাচ্ছি, লোকজন পাশ থেকে গালি দিচ্ছে, একজন তো এসে হুমকি দেয়াও শুরু করলো। যার যার বিশ্বাস তার তার এটা শুধুই ফাপা কথা, ধর্মবাদীরা চাপে পরলেই, যুক্তিতে, শক্তিতে হেরে গেলেই এই কথা বলে নিয়ন্ত্রন নেবার চেষ্টা করে। ক্ষমতা থাকলে তাদের আর এইসব কথা মনে থাকে না।
ধরলাম তারা রোজা রাখছে, তারা দাবী করছে তাদের সামনে আমি যেন কিছু না খাই। কিন্তু আমি কেন তাদের কারনে আমার খাওয়া বন্ধ করবো। একই ভাবে ভারতে হিন্দুদের ভেতর গরুকে দেবতা জ্ঞান করা হয়, কুরবানীর ঈদের সময় হিন্দুদের অনুভুতিতে আঘাত লাগে, এই কারনে আমি কোন মুসলিমকে দেখিনি গরু কোরবানী না দিতে।
আসল সত্য হচ্ছে ব্যাকফুটে থাকলেই ধর্মবাদীরা অনুভূতির রক্ষকে পরিনত হয়, বেমালুম মানবতাবাদী সাজে। আবার একটু শক্তি সঞ্চয় করতে পারলেই ঝাপিয়ে পরে অন্যের অনুভূতির উপরে।
সৎভাবে নিজেকে প্রশ্ন করে দেখুন, এটা সত্য কিনা।
বিডি আইডল বলেছেন:
আপনার শেষ প্যারার সাথে আমার দ্বিমত নাই...উপরে ত্রিভুজও বিষয়টা নিয়ে কিছুটা আলাপ করেছেন...কিন্তু ধর্মের সার্বজনীন রুপ কি এটা? সিলেটের উদহারণ দিলেন..ঢাকায় কি হয় রোজার সময়ে? আমাদের উপমহাদেশের মানুষদের অনেক কিছুতেই লিমিটেশনস আছে...শিক্ষা তার মধ্যে একটি এটা নিশ্চয়ই স্বীকার করবেন...অনেকগুলো বিষয়ই পারিবারিক এবং সামাজিক শিক্ষায় বেড়ে উঠে...যেটাকে ধর্মীয় কালাচার বলে চালানো হয়...
আমাদের দেশের মুসলিমদের ইসলাম পালন মানে হলো শুক্রবারের দিন ইসালামী ড্রেসে (যেটার কোন ইসলামী ভিত্তি নাই), টুপি পরে (যেটার কোন ইসলামী ভিত্তি নাই) জুম্মার নামাজে যাওয়া....নিয়্যত করে (যেটার কোন ইসলামী ভিত্তি নাই) নামাজ পড়া..নামাজ শেষে মিলাদ পড়া (যেটার কোন ইসলামী ভিত্তি নাই) আর মিলাদ শেষে হাত তুলে মোনাজাত করা (যেটার কোন ইসলামী ভিত্তি নাই)....এর মধ্যে সীমাবদ্ধ....
এদের কাজ থেকে আপনি হিন্দু কিনা এই টাইপের প্রশ্ন শুনলে কি খুব অবাক হওয়া উচিৎ?
লেখক বলেছেন: আমার যেমন মৌলবাদী ধর্মান্ধ মুসলিম বন্ধু আছে, তেমনি প্রচুর ধর্মান্ধ হিন্দু খ্রীষ্টান বন্ধুও আছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই বিষয়ে প্রত্যেকের বক্তব্যই এক। এক খ্রীষ্টান বন্ধু সেদিন বলছিল খ্রীষ্টানিটি দয়া এবং মানবতার ধর্ম। সঠিক ভাবে যীশুর ধর্ম শিক্ষা না নেবার কারনেই খ্রীষ্টানরা নাস্তিকে পরিনত হচ্ছে। হিন্দু ইসকনের সদস্য বন্ধুদেরও শতভাগ একই বক্তব্য।
প্রত্যেকেই ভেজালে পরলে বলছে এটা প্রকৃত ইসলাম, খ্রীষ্টানিটি, হিন্দুত্ব নয়,আবার তারাই যখন একটু শক্তিশালী হচ্ছে, নির্যাতকে পরিনত হচ্ছে।
মুহাম্মদের জীবনেও ঘটনা শতভাগ সত্য। যখন মক্কায় তারা সংখ্যালঘু, তখন তার মুখ থেকে বের হয় যারযার ধর্ম তার তার। আবার মক্কা দখলের সময় চাপ সৃষ্টি করে মুসলিম বানাতে বা পরবর্তীতে খলিফারা পৃথিবী জুড়ে তান্ডব চালানোর সময় কিন্তু তাদের চেহারা ভিন্ন।
নিপাট ভদ্রলোকের এই চেহারা খসে পরে যখন শক্তি সামর্থ বেশি থাকে। হুমায়ুন আজাদকে কেন হত্যা করা হল? আরজ আলীকে কেন কোর্টে নেয়া হল? আহমদ শরীফকে কেন মুরতাদ বলে তার কল্লার মুল্য ঘোষনা দেয়া হল? তারা যা চিন্তা করছে, বই লিখে নিজেদের চিন্তা প্রকাশ করছে, কেন বাধা দেয়া হল? তখন কিন্তু ধর্মান্ধদের এই ভদ্রলোক চেহারাটি আর থাকে নি। তখন তারা হিংস্র জানোয়ার। আবার ঠেলায় পরলে তারা ভদ্রলোক সাজে, আর চাপাতি, বোমাবাজদের বেমালুম অস্বীকার করে বসে। কি হিপোক্রেট এই জাতটা।
একদম জামাতের মতই অথবা ইসলামের থেকেই জামাতের এই আচরন। যখন কোন দুর্নীতিবাজ বোমাবাজ জামাত কর্মী ধরা পরে, জামাত তাকে বহিষ্কার করে, বলে যে তারা জামাতের কেউ না।
আবার গোপনে গোপনে তাদের ইন্ধন দিতেও তারা ছাড়ে না।
নিষ্পাপ মুখ বানিয়ে বলবে বোমাবাজরা প্রকৃত ইসলাম জানে না, তাই বোমা মারে, হত্যা করে। আবার গোপনে গোপনে টুইন টাওয়ার ধ্বংসে উল্লাশ প্রকাশ করে।
জানি সৎভাবে আপনি বলবেন না, আপনার ধর্ম আপনাকে আটকে রাখবে। তারপরেও অনুরোধ সৎভাবে চিন্তা করতে শিখুন।
লেখক বলেছেন: 'এ-ন-শা-ল্লা-হ' আরো ভাল লেখার চেষ্টা করবো।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
আসিফের লেখাটা মাত্র পড়লাম। অসাধারন হয়েছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরিফ ভাই। অবশ্য এত্ত কম মাইনাচ দেইখা নিজের সম্পর্কে খুব বাজে ধারনা হইতেছে।
তমসো দীপ বলেছেন:
মুসলমানরা মুসলমান থাকলে কিছুই বুঝতে পারবে না। ওদের নাস্তিক হতে হবে। না হলে বেহেসতে কম্পিউটার কেন নাই সেই প্রশ্নও ওদের মাথায় আসবে না। দেরি আছে বহুত!
লেখক বলেছেন: মুসলমানিত্বের গর্বে বহু আহাম্মককে দেখি মাটিতে পা পরে না।
খুব হাসি পায়।
পারভেজ আলম বলেছেন:
আরে। এই পোস্টটাতো দেখি নাই। অসাধারণ কাজ করছেন। এত জটিল আরা ঝামেলাপূর্ণ ঐতিহাসিক বিষয়গুলা এত সহজ সরল ভাষায় লিখলেন ক্যামনে। একবার ভেবেছিলাম, কিছু কিছু যায়গায় কথা বলবো। কিন্তু সব মিলিয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এটা একটা পূর্ণাঙ্গ পোস্ট, এবং কার্যকর। তাই সেলাম জানিয়ে প্লাসিয়ে গেলাম।
লেখক বলেছেন: হ মিয়া, সবার ব্লগে লম্বা লম্বা মন্তব্য দেন, আমার ব্লগ কিপ্টামী করেন। বেশ বেশ।
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন:
নাস্তিক হলেই গালি দিতে হবে? আমি জন্মগতভাবেই শুধু আস্তিক শেষ কবে মসজিদে গিয়েছিলাম রোজা রেখেছিলাম তা আমি নিজেও মনে করতে পারি না।ধর্মীয় আচার গুলো বাহুল্য বলে মনে হত আমার। কিন্তু কিছু নাস্তিকের মহাজ্ঞানী ভাব এবং তাদের উগ্রতা দেখে নাস্তিকদের প্রতি বিন্দুমাত্র আগ্রহ আমি এখন আর পোষন করি না।আমি বিশ্বাষ করি আপনি যদি আমাকে দীক্ষা দিতে চান তবে যুক্তি ও নরম সুরেই আপনাকে কথা বলতে হবে। আর আপনি যদি মনে করেন আপনার ধমক বা জোড়ে আমি আপনার কথা শুনব তাহলে মক্কা বহুদুর।কথাটা সকল নাস্তিক ভাইদের জন্য বললাম।যদিও এসব প্রসঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছা ছিল না।
লেখক বলেছেন: নাস্তিক হলেই গালি দিতে হবে এমন কে বলল? সব নাস্তিক কি গালি দেয়? অনেক আস্তিকও কি গালি দেয় না? আস্তিকতা নাস্তিকতার সাথে গালির কি সম্পর্ক ভাই?
এটা নিশ্চয় স্বীকার করবেন, আস্তিকেরা অপেক্ষাকৃত বেশি ভায়োলেন্ট। আমার ফেইসবুক ইনবক্স দেখালে বুঝতেন গালি কাকে বলে, উহা কতপ্রকার ও কি কি। কয়েকটা নাস্তিক্যবাদী গ্রুপের এডমিন, এই আমার অপরাধ।
সামনা সামনি কপালে বন্দুক ঠেকানো হইছিল, অবিশ্বাসের কারনে। বন্দুক ধইরা বলা হইছিল কলেমা পড়তে। বিশ্বাস হয় না?
আমরা পাল্টা আক্রমনে গেলেই বলবেন আমরা খারাপ, কিন্তু আমাদের কি টিকে থাকার অধিকার নাই? আমি সাধারনত গালাগালি করি না, কিন্তু জানি কি পরিমানে প্রেশার একজন নাস্তিককে সমাজ, পরিবার, পরিবেশ, রাষ্ট্র থেকে নিয়ে টিকে থাকতে হয়।
আর আস্তিকেরা?
কোন নাস্তিককে দেখাতে পারবেন নাস্তিকতা প্রচারের জন্য চাপাতি হাতে নিতে, বা আস্তিকতা নিয়ে লেখার জন্য চাপাতি আক্রমন করতে?
তারপরেও নাস্তিকদের শুনতে হবে নাস্তিকেরা আক্রমন করে, কোথায়? ধর্মানুভূতি নামক ধরা যায় না ছোয়া যায় না এমন একটা অংশে আঘাত লাগে। প্রমান কি? কোন প্রমান নাই।
আলোচনা করতে চান, আমার দ্বার সব সময় খোলা আছে, অনেক নাস্তিকই আলোচনা করতে পছন্দ করে। গোয়ার্তুমি আহাম্মকী কেউ করলে, 'বিশ্বাস করতে হবে' টাইপ যুক্তি দিলে, গায়ের জোড়ে কথা বললে, তখন প্রতি আক্রমনে যেতেই হয়।
আর আমি দীক্ষা দিতে চাই না ভাই, আমি আলোচনা করতে চাই।
আপনি হয়ত এমন অনেক কিছু জানেন যা আমি জানি না, আবার আমি অনেক কিছু পড়েছি যা আপনার অজানা হতে পারে। এই আলোচনাতেই যুক্তিমনষ্কতাতেই জ্ঞান বিজ্ঞান আর সভ্যতা এগিয়ে যায়। তাই বাক স্বাধীনতার ব্যাপারে কোন ধরনের বাধা থাকা উচিৎ না। কেউ যদি আল্লাকে গালি দেয়, তবে খোদ আল্লারই প্রতিবাদ করা উচিৎ। যার অস্তিত্বের কোন প্রমানই এখন পর্যন্ত আস্তিকেরা দিতে পারে নাই, তার সম্মান রক্ষার্থে জলজ্যান্ত মানুষকে আর কত হত্যা করা হবে?
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
অসাধারণ লেখা, কিছুদিন নেট থেকে দুরে থাকায় আজকে পড়লাম...
লেখক বলেছেন: ভাই কই ছিলেন? পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
-ছন্নছাড়া- বলেছেন:
চমৎকার লেখা আসিফএম। ইদানিং লেখালেখি এত কমায়ে দিসেন ক্যা মিয়া?
লেখক বলেছেন: এইখানে তো কেউ আসিফএম ডাকে না। আপনারে কি চিনি?
যাইহোক।
অফিসে কাজের প্রেসার ব্যাপক, তাছাড়া কিছু ব্যাক্তিগত কারনে মন মেজাজও ভাল নাই, লেখার ইচ্ছা থাকা সত্বেও আঙ্গুল চলে না।
ভাল থাকেন ভাই।
লেখক বলেছেন: কুউউউউল আছি, মাথা গরম হবে না আর ভাই।
-ছন্নছাড়া- বলেছেন:
এস বি। এইবার চিনছেন?
লেখক বলেছেন: আরে মামা, কি খবর আপনের? ঐদিকের খবর কি? আমি এদিকে একলা হাউ কাউ করি, নিজের লোকজন দেখলে বুকে বল পাই।
আড্ডা কবে?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
আশাহত বলেছেন:
লেখা ফাটাফাটি! কমেন্টগুলাতেও আলাদা করে প্লাসায়ে দিতে পারলে হইত। এই ব্লগে কমেন্টে প্লাস মারার উপায় নাই।লেখা আর শান্ত, সৌম্য, witty জবাবগুলো দিয়ে আমার অনেক শ্রদ্ধা কামাই করলেন। আমি নিজে চাষা টাইপ মানুষ, শক থেরাপী ছাড়া আর কিছু পারিনা তাই
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লালু কসাই বলেছেন:
মাইনাস কমের কারন হচ্ছে পাব্লিক তুমাগো এভয়েড করতাসে...ফাও কেচাল অরবার চায়না। তোমার মুখ তো ভাল। কিন্তু অন্যদের না। যদিও অন্য ব্লগে তুমি কম যাও না আসিপ্পা!
লেখক বলেছেন: কে ভাই? আপনের পরিচয়? আপনের সাথে কি এত খাতির আছে যে আসিপ্পা নামে ডাকতেছেন? চিনতে পারতেছি না। তবে অন্য কোথাও দেখা হইছিল বইলাই মনে হয়।
লেখক বলেছেন: মাইনাসের কারন তাই? কিন্তু ইদানিং কালের কয়েকটা নাস্তিক্যবাদী লেখায় তো দেখলাম ধুমাইয়া মাইনাস পরতেছে।
আমি তো ভাবতেছিলাম লেখা মনে হয় বেশি একটা আক্রমনাত্মক হয় নাই, বা আমার ধার কমে গেছে। যাইহোক, পরের বার আরও আক্রমনাত্মক লেখার চেষ্টা করবো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
ফেরদৌসী বলেছেন:
@ গৌতম বুদ্ধ বলেছেন ঈশ্বর বলে কিছু নাই,....এটি একেবারেইএভুল তথ্য ।তিনি ঈশ্বর আছে কি নেই এ ব্যাপারে কোন উত্তর দেননি।তার লক্ষ্য ছিল কিভাবে এ জগত থেকে দু্ঃখ দূর করা যায়।এবং আধ্যাত্বিক ব্যাপারে তিনি নিষ্চুপ থেকেছেন ।এ জন্য তার মতবাদকে নিহিলিজম বা শূন্যবাদ বলা হয়।
কারো মতবাদ প্রচার করতে হলে তার সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেয়া উচিত।নয়তো বিখ্যাত কারো সম্পর্কে ভুল তথ্য প্রতিষ্ঠিত হয়ে পড়ে।এটা এক ধরণের অপরাধ।
লেখক বলেছেন: গৌতম বুদ্ধকে প্রশ্ন করা হয়েছিল ঈশ্বর কি, তিনি বারবার নিশ্চুপ থেকেছেন। এপর্যন্ত আপনি জানেন। পরবর্তীতে তিনি বলেছেন 'আমিই ঈশ্বর'।
তাছাড়া তিনি নাস্তিক্যবাদী দর্শনেরই সমর্থক ছিলেন, তার বিভিন্ন বর্ননা থেকে এটা সহজেই অনুমেয়। প্রাচীন চার্বাক মুনি বৃহস্পতি এবং গৌতম বুদ্ধ ভারতবর্ষের বিখ্যাত নাস্তিক ছিলেন। তার আলোচনার প্রধানতম আলোচনা নাস্তিকতা ভিত্তিক, যদিও পরবর্তীতে ব্রাহ্মন্যবাদী হিন্দু ধর্মের সাথে যুদ্ধে টিকে থাকতে বৌদ্ধ ধর্মকে অনেক বেশী পাল্টে যেতে হয়। তাছাড়া ঈশ্বর ধারনার বিপক্ষে থাকার কারনে আম ঈশ্বরে বিশ্বাসী ভারতীয়দের থেকে সমর্থন হারাবার ভয়ে তার অনেক কথাই পরবর্তীতে পালটে ফেলা হয়।
আমার বক্তব্য আমি প্রতিষ্ঠিত করতে দীর্ঘ আলোচনা করতে পারবো। আপনি পারবেন কি?
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
সন্যাসী বলেছেন: শেলী বলেছেন: আপনার পোষ্ট টা পুরা আবেগে ভরা,জ্ঞান নির্ভর বলে মনে হলনা। আপনার কাছে জ্ঞান মানে কোরান-হাদিস, এ আমরা জানি। সমাজকে বিচার করতে কোরান পাছার তলে রাইখাও করা যায়। এত সুন্দর বিশ্লেষণগুলো ওনার পছন্দ হয় নাই।
খুব সুন্দর হয়েছে আসিফ ভাই। অনেক বড় লিখেছেন।
একজন সমালোচনা করলো, তার ভালো লাগেনি বলে, আপনি প্রশংসা করলেন ভালো লাগলো বলে। ওনার সমালোচনাকে আপনি তীর্যক দৃষ্টিতে দেখলেন কেন? কোরআনকে নিয়ে আপনার বলা কথাটা কি সমীচিন হলো? @ সন্ন্যাসী।
লেখক বলেছেন: কেন ভাই, কোরআনকে নিয়ে কেন কথা বলা যাবে না? কোরআন কি এমন পুস্তক যে ঐটাকে ধরাছোয়ার বাইরে রাখার জন্য এত প্রচেষ্টা?
সেদিন ইউটিউবে দেখলাম একজন কোরআনের পাতা দিয়ে যাতা করছে(কি করছে বললাম না, থাক), কই, তার মাথায় তো গজব পরতে দেখলাম না। তাহলে কি আল্লা তালা নিবীর্যে পরিনত হয়েছেন?
আপনারা চিৎকার করবেন ভুল নাই, কোন উত্তেজক, উষ্কানীমুলক আয়াত নাই, আবার তা ধরিয়ে দিলে বলবেন কোরআনকে নিয়ে কথা বলাটা সমীচিন কিনা। বেশ ভাল পদ্ধতি তো!
মুহাম্মদ সাহেব কে বলবেন শ্রেষ্ট মানুষ, অথচ তার সম্পর্কে সমালোচনা শুনলেই চাপাতি বের করবেন। তার মানে যারা তার সমালোচনা করবে তাদেরই ধমক আর চাপাতির কোপ দিয়ে মুহাম্মদকে শ্রেষ্ট মানুষ বানাতে হবে। কেউ যেন তার বা তাদের সমালোচনা করতে না পারে, এই ব্যবস্থা করে যদি শ্রেষ্টত্বের দাবী তোলেন, সেটা কতটা গ্রহনযোগ্য হবে ভেবে দেখেছেন?
আর সমালোচনা একজন করতেই পারে, কিন্তু কিসের ভিত্তিতে কথা গুলো শেলী বলেছেন তা মোটেও স্পষ্ট করেন নি। সমালোচনা যেমন চলতে পারে, ব্যার্থ সমালোচনার পাল্টা সমালোচনাও কি চলতে পারে না?
লেখক বলেছেন: কেডা করছে? আল্লায় নাইমা পোস্টাইছে নাকি?
যান বিশ্বাস করলাম। আমি আবার বিশ্বাসী মানুষ...হেঃ হেঃ
লেখক বলেছেন: ধইন্যাপাতা আপনেরে, সাধারন হবার কারনে প্রথম পাতায় যায় নাই, এখন আপনের কল্যানে গেল।
কবির বিটু বলেছেন:
খুব ভালো একটি লেখা উপহার দেবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
মনির হাসান বলেছেন:
লা জওয়াব ... এই পোস্ট অনেকদিন আবাল'দের কিছু প্রশ্নের জবাব দিয়ে যাবে ... সোজা প্রিয়তে ... আলোচনার কিছু বাদ রাখেন নাই।
লেখক বলেছেন: একটু বেশি প্রেশার পইরা গেছে। এত এত আলোচনার উত্তর দিতে হিমশিম অবস্থা মনির ভাই।
মনির হাসান বলেছেন:
টানজিমারে থ্যাঙ্কস্ ...
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২ বলেছেন:
++++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
টানজিমা বলেছেন:
হইত না............খেলতাম না......... এটা আপনার টা.......
পোস্টটি ৪৩ জনের ভাল লেগেছে, ৮ জনের ভাল লাগেনি..
এটা আমার টা........
পোস্টটি ৩৯ জনের ভাল লেগেছে, ৫০ জনের ভাল লাগেনি ...
মানে কি???........পুলাপান কি আমার নাম দেখেই মাইনাশ দিচ্ছে??.....
এই পোষ্টে মাইনাচ.........
লেখক বলেছেন: আমি তো বেকুব হয়া গেলাম। এত্ত কম মাইনাস ক্যান? তার উপরে ৩৫ জন প্রিয়তে লইছে। বড়ই আচানক কারবার!!! ক্যায়ামত অতি সন্নিকটে রে ভাই।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কেন ভাই, কোরআনকে নিয়ে কেন কথা বলা যাবে না? কোরআন কি এমন পুস্তক যে ঐটাকে ধরাছোয়ার বাইরে রাখার জন্য এত প্রচেষ্টা?কোরআন ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রাখার জন্যই যদি হতো, তাহলে সেটা আল্লাহপাক নাযিল করতেন না। মানবজাতির হেদায়েত এর জন্যই কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে। কোরআনকে নিয়ে কথা বলা যাবেনা, এমনটা বলিনি। বলেছি, ভাষার ধরন নিয়ে। বোল্ড করে দেয়া লাইনটা যদি আপনার চোখে না পড়ে থাকে, তাহলে দু:খিত।
গজব বলেন আর শাস্তি বলেন, এগুলার হিসেব নিকেশ তো হবেই। পৃথিবীতে কে কবে কি করলো, আর সাথে সাথেই তার সাজা হয়ে যাবে, এমনটা কোথাও লেখা আছে কিনা জানা নেই।
মহানবী(স
তার মানে যারা তার সমালোচনা করবে তাদেরই ধমক আর চাপাতির কোপ দিয়ে মুহাম্মদকে শ্রেষ্ট মানুষ বানাতে হবে। কেউ যেন তার বা তাদের সমালোচনা করতে না পারে, এই ব্যবস্থা করে যদি শ্রেষ্টত্বের দাবী তোলেন, সেটা কতটা গ্রহনযোগ্য হবে ভেবে দেখেছেন
আপনি সেই টিপিক্যাল ট্যাগিং রীতিতে বিশ্বাসি। সমালোচনা করলে চাপাতি বের করবেন, এই লাইনটা দিয়ে কি বোঝাতে চাইলেন??
গরম কফি বলেছেন:
আমর দেখা সেরা দশ টা লেখার কথা বলতে বল্লে আমি এটিকে তার মধ্যে রাখবো । প্রীয়তে নয় অতী প্রিয়তে ।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
শান্তনার বানী বলেছেন:
কেউ যদি সত্যি সত্যি ঘুমিয়ে থাকে তবে তাকে ঘুম হতে জাগানো সহজ, তবে যে ঘুমের ভান করে তাকে জাগানো কঠিন। আপনার অন্তর যদি ভালো কিছু খোজ করে এবং আপনি যদি তা ভাল নিয়তে খোজার চেষ্টা করেন তবে আপনি তা পেতে পারেন বলে মনে করি। আপনার মতে যদি ধর্মই সকল খারাপ কাজের মূল হয়ে থাকে তবে তো বলতে হয় যে যারা খারাপ তাদের সংখ্যা নিতান্তই কম তা আপনার এই পোষ্টের মন্তব্য এবং +- দেখলেও বুঝা যায়। কিন্তু দুর্ভাগ্য আপনাদের মত এত ধর্ম বিরোধী এবং লেবাস ধারী বা নাম ধারী ব্যক্তি থাকেতেও কেন যে এই পৃথিবীতে এত অশান্তি! আর পৃথিবীর এত নামী লোকদের মধ্যে আপনাদের মত এত লোকের সংখ্যা কম কেন তা বুঝতে পারছি না। বর্তমান জ্ঞ্যান বিজ্ঞানে ধর্মের অবদান সম্পর্কে ভেবে দেখুন। আর কিছূ নয় ইবনে সিনার চিকিৎসা বিজ্ঞানে অবদান সম্পর্কে ভেবে দেখুন। সত্য কে স্বীকার করতে শিখুন, নাকি আপনাদের কাছে সত্যের কোন মূল্য নেই?
মৃগয়া বলেছেন:
কেউ যদি সত্যি সত্যি ঘুমিয়ে থাকে তবে তাকে ঘুম হতে জাগানো সহজ, তবে যে ঘুমের ভান করে তাকে জাগানো কঠিন।
ফরহাদ মাহমুদ সোহাগ বলেছেন:
লেখককে ধন্যবাদ। এত বড় নিবন্ধ লেখা এবং সবার কমেন্টেস এর রিপ্লাই করার জন্য। একটা বিষয় খুব ভালো লাগলো আমরা যারা ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পোষ্ট দেই সেটার পেছনে কিন্তু নিজস্ব স্বার্থ থাকে। ইন্টারনেট বিল, ইলেকট্রিসিটি বিল, সময় খরচ করে একটা পোষ্ট দেই শুধুমাত্র স্রষ্টাকে সন্তুষ্ট করার জন্য্। মানে আমার লেখা পড়ে কেউ যদি আমল করে আমিও যাতে সওয়াবের ভাগী হই। সাধারণ লোকের কল্যাণের কথা চিন্তা করে নয়। কিন্তু আপনার তো আর সওয়াবের ভাগী হবার প্রয়োজন নাই, এবং ঈশ্বরদের গুস্টি উদ্ধার করে তো তা সম্ভবও নয়। তাহলে আপনার এই পোষ্টের উদ্দেশ্য হল সাধারণ ধর্মান্ধ মানুষকে সতর্ক করা, সতর্ক করে আপনার কোন ধরনের দুনিয়াবী কিংবা পরকালীন লাভ হচ্ছে না। তারপরও আপনি মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে নিজের মূল্যবান সময় ও অর্থ ব্যয় করে পোষ্ট দিচ্ছেন যা সত্যিই প্রশংসনীয়। সত্য জানুন, বুঝুন, অন্যকে সত্য জানান, সত্যের আলোকে ছড়িয়ে দিয়ে আলোকিত মানুষের দলে আপনার ঠাই করে নিন। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: মুল্যবান মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই। ভাল থাকুন।
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন:
দারুন
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন:
দারুণ, চালাইয়াছেন। ধর্মে আঘাতের জন্য কান্দনেরে ভুই পাইবার কিচ্ছুই নাইক্কা। অমন চাপাতি আস্তিক আম্মো অনেক দেখছি।সাফ কথা, যা প্রচার করবেন তার প্রমাণ সমেত প্রচার করেন। কোন পেডোফিলিক নবী কিম্বা কানু হারামজাদা (হিন্দুরা এটাকে ফান হিসাবেই ধরে। কানু হারামজাদা গায়কের কেউ কল্লা চায় নাই) কইছে বলেই মেনে নিবার দিন শেষ।
মেয়র বলেছেন:
আমি একজন আস্তিক এবং আমার জন্ম মুসলিম পরিবারে তাই স্বভাবতই জন্মের পর থেকেই মুসলিম এবং সংশয়বাদী ধার্মিক এখনও মুসলিম ধর্মেই আছি। আমি আমাদের নবী হয়রত মুহম্মদ (সাএকজন ধার্মিক বলেছেন: ...শুধু একটা কথাই বলব >>আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসীরাই জয়ী হবে।
আচ্ছা, বিশ্বাস করা এমন কি মহান কাজ হতে পারে যার জন্য আল্লাহ এর প্রায়োরিটি সবার উপর নির্ধারন করেছেন, এমনকি যে কোন বিধর্মী মহা পুরুষের ধেকেও বেশী !! বিশ্বাস করানো নিয়ে সৃষ্টিকর্তার টেনশন থাকার কথা না, টেনশন থাকার কথা ধর্ম প্রচারকারীর। তাহলে এটা মেনে নিতেই হবে যে, এখানে অবিশ্বাসের যথেষ্ট কারণ থাকতে পারে, তাই আগে বিশ্বাস তারপর যুক্তি, গণিত, বিজ্ঞান।
আচ্ছা, আমার বাসায় যদি পুলিশ আসে, আমাকে কি প্রথমেই বলবে যে, আমাকে যদি বিশ্বাস না কর আমি পুলিশ, তাহলে যত ভাল কাজই করনা কেন, তোমাকে জেল হাজতে নেওয়া হবে, আর যদি বিশ্বাস কর, তাহলে, জেল হলেও এক সময় ছেড়ে দেওয়া হবে। বরং, কেউ যদি পুলিশ না হয়েও পুলিশের ড্রেস পরে আমার বাসায় আসে, সেই না প্রথমেই চাবে আমি যেন বিশ্বাস করি। আসল পুলিশের ত দরকার নাই আমার তাকে বিশ্বাস করা না করার ধাধায় ফেলা, হাত কড়া দিয়ে ঠিকই নিয়ে যেতে পারবে যদি আমি অসৎ কিছু করি।
হ্যা, কোথায় সৃষ্টিকর্তার দূত আর কোথায় পুলিশ,.. কিসের সাথে কিসের তুলনা !! আসলেই তাই, তুলনা হয় না, কিন্তু আমি একটা প্যাটার্ন বুঝানোর জন্য উদাহরন টেনেছি।
তাহলে, বিধর্মী সবাই দোযখে যাবেই যদি না সে মুসলমান হয়। অন্য ধর্মে আমাকে জন্ম দিলেন কে ? সেই একই বিধাতা না ? তাহলে ব্যাপারটা তো ঠিক বুঝলাম না। হ্যা, সেই বিধর্মীর দোষ, কেন সে বুদ্ধি খাটিয়ে যুক্তি দিয়ে বৃঝে মুসলমান হল না ? যুক্তিবিদ্যা, গণিত, বিজ্ঞান ইহারা সবই ত একই বিধাতার সৃষ্টি। তাহলে একই বিধাতা আমাকে কেন যুক্তি জ্ঞান দিয়ে কনফিউস্ড করে দিবেন ! আর যদি দেনই, তাহলে সেটা কেন আমার দোষ হবে ?
সূরা ইয়াসীন এর কিছু আয়াত দেখুন:
৮: "আমি তাদের চিবুক পর্যন্ত বেড়ী পরিয়েছি ফলে তাদের মস্তক উদ্র্ধমুখী হয়ে গেছে।
৯: "আমি তাদের সামনে ও পিছনে প্রাচীর স্থাপন করেছি, অত:পর তাদেরকে আবৃত করে দিয়েছি, ফলে তারা দেখেনা।
১০. "আপনি তাদেরকে সতর্ক করুন বা নাই করুন, তাদের পক্ষে দুয়ে ই সমান; তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না"
কোন এক সূরায় এরকম দেখেছিলাম যে, ".. আমি তাদের চোখে মোহর এটে দিয়েছি, তারা দেখে না, ...শোনে না..... ইত্যাদি... এবং তাদের স্থান জাহান্নাম।" .. এই আয়াত টা কিভাবে যুক্তি দিয়ে জাস্টিফাই করা যায় ? তার মানে আল্লাহই আমাকে চোখে মোহর এটে দিয়েছেন তাই আমি ধর্মে বিশ্বাস আনিনি, তাহলে আমাকে জাহান্নাম দেওয়ার কি কারণ থাকতে পারে ? মনে হচ্ছে যেন বিধর্মীরা আল্লাহ্ র সৃষ্টি না, বরং আল্লাহ্ র শত্রু। যাই হোক এটা আমার বোঝা, বোঝায় ভুল অবশ্যই থাকতে পারে, তাই আমি আহবান করছি কোন ধার্মিক আমাকে এই ব্যাপারটা বুঝিয়ে দিন।
আমাকে যদি কোন পয়গম্বর কে বিনা তর্কে যুক্তিতে বিশ্বাস করে নিতে হয়, এবং না করলে যদি কঠিন আযাব হয়, তাহলে এরপর আসা নিজেকে পয়গম্বর ঘোষনাকারী যে কেউকে আমি কেন একই ভয়ে এবং একই যুক্তিতে বিশ্বাস করব না ? কে জানে, নতুন ঘোষনাকারীর কথা যদি সত্যি হয় ? কিন্তু তাই যদি করি, তাতেও আগে ঘোষনাকারী পয়গম্বরের কথামত তা মহাপাপ হবে যদি আগে ঘোষনাকারী পয়গম্বর নিজেকে শেষ পয়গম্বর বলে খাকে।
এই একটা চিন্তাই আমাকে তাড়া করে। তবে আমি পড়াশোনা করছি ধর্ম নিয়ে, দেখি কিছু বুঝে উঠতে পারি কি না।
আবার বিপরীত প্রশ্নটিও আসে। যেমন, আমাদের মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা
আমার এই প্রশ্ন গুলো সত্যিই মাথায় তাড়া করে বেড়ায়। সুন্দর কোন উত্তর পেলে খুবই খুশী হব।
লেখক বলেছেন: খুব খুশি হব এই নিয়ে একটা পোস্ট দিয়ে দিলে।
মেয়র বলেছেন:
দু:খিত, আমি হযরত মুহম্মদ [সা: ] এর নামের পরে ইমো দিতে চাই নি, : এবং ) মিলে তা হয়ে গেছে।
লেখক বলেছেন: সবই ইহুদী নাসারাদের চক্রান্ত ভাই। তারা কি সব কোড বানাইয়া দিছে, মুমিনগনের ঈমান ধ্বংসের লাইজ্ঞা।
মেয়র বলেছেন:
লেখককে ধন্যবাদ আমার মন্তব্য পড়ার জন্য। ভাবছি একটা পোষ্ট দিব। সবে মাত্র সেফ হয়েছি এই ব্লগে। প্রথম পোষ্টেই অতি ধার্মিক অনুভুতিপ্রবণ দের গালাগালি খেলে মন খারাপ হয়ে যাবে
শেলী বলেছেন:
অবিশ্বাস মানে আরেকটা বিশ্বাস, কারণ মানুষের স্বভাব হল কিছু বিশ্বাস করা। আর সেটা হল নিজেকে বিশ্বাস বা আত্মবিশ্বাস। তার মানে হল তখন সে নিজেকেই আল্লাহ বানিয়ে দেয়। তাই নয় কি?নাস্তিকরা যে কত খারাপ তা বুঝার জন্য চীনই যথেষ্ট। চীনে এত নির্দয়ভাবে মানুষ মারা হয় আর এত নির্দয়ভাবে অত্যাচার করা হয়, আর তাদের ব্যব হার খুব খারাপ। আমার মনে হয়,নাস্তিকদের যেহেতু জবাবদিহিতার কোনো ভয় নাই, তাই তারা হয় খুব ভাল হয় অথবা খুব খারাপ হয়।
এখন আমাদের ধর্মের নামে হুরপরী,সাপ এসব শিখানো হয় বলেই আমরা পরাজিত। যখন বই নাযিল হত তখন যারা মুসলিম ছিল তারা কিন্তু ধর্মের আসল মেসেজটা বুঝত। তাই তখন রিভিউলিশন হত।
আপনার লিখার হাত ভাল। কিন্তু একটা কথাকে কেন অস্বীকার করেন, ধর্মের নামে যত যুদ্ব হয়েছে,তার থেকে অনেক বেশী যুদ্ব হয়েছে অন্য কারনে। দুইটা বিশ্বযুদ্ব কি ধর্মের জন্য হয়েছে? বরং একটা ধর্ম ষ্টাবলিসড হবার পর কিছুদিন মানুষ শান্তি পেয়েছে।
আল্লাহ কিন্তু আছেন। আর আল্লাহকে বিশ্বাস না করা পাপ এর একটাই কারন। আপনি যদি এখন বলেন আপনার মা আপনার জন্য কিছু করেননাই,আপনার কি মনে হয়না এর জন্য একটা শাস্তি হওয়া উচিত? শাস্তিটা স্বতস্ফুর্তভাবে হবে, যেমন আপনি জানেন আগুনে হাত ডিলে কি হয়। তারপরেও যদি হাত রাখেন তাহলে অন্যের দোষ দিবেন কেন?
লেখক বলেছেন: শেলী বলেছেন: অবিশ্বাস মানে আরেকটা বিশ্বাস।
===============
তাহলে স্ট্যাম্প সংগ্রহ না করাটাও একটা শখ? বাগান না করাটাও একটা শখ? সিগারেট না খাওয়াটাও একটা নেশা? বেশ বেশ! যুক্তিবিদ্যার কোন বইয়ে এগুলো পড়েছেন জানালে সুবিধা হতো, একটু পড়ে দেখাতাম!
===============
শেলী বলেছেন: নাস্তিকরা যে কত খারাপ তা বুঝার জন্য চীনই যথেষ্ট। চীনে এত নির্দয়ভাবে মানুষ মারা হয় আর এত নির্দয়ভাবে অত্যাচার করা হয়, আর তাদের ব্যব হার খুব খারাপ। আমার মনে হয়,নাস্তিকদের যেহেতু জবাবদিহিতার কোনো ভয় নাই, তাই তারা হয় খুব ভাল হয় অথবা খুব খারাপ হয়।
===============
চীনে নির্দয় ভাবে মানুষ মারা হচ্ছে এই তথ্য কোথায় পেলেন? চীনাদের ব্যাবহার খুব খারাপ, তাই বুঝি?
===============
শেলী বলেছেন: এখন আমাদের ধর্মের নামে হুরপরী,সাপ এসব শিখানো হয় বলেই আমরা পরাজিত। যখন বই নাযিল হত তখন যারা মুসলিম ছিল তারা কিন্তু ধর্মের আসল মেসেজটা বুঝত। তাই তখন রিভিউলিশন হত।
===============
তারমানে বলতে চাচ্ছেন হুরপরীর লোভেই ভাল কাজ করেন? যে ভাল কাজ লোভের কারণে হচ্ছে, তার মূল্য কতটুকু? আপনি তো সত্যি ভাল কাজ করছেন না, লোভে পরে ভাল কাজ করছেন। সেটা আর ভাল কাজ থাকলো কোথায়?
আর কি বলতে চাচ্ছেন? কুরআনে হুরপরী, সাপ এগুলো যা লেখা আছে সেগুলো লোভ দেখিয়ে ভাল কাজ করাবার জন্য? তার মানে কুরআনে মিথ্যা লেখা আছে? সরাসরি কথা বলুন।
==================
শেলী বলেছেন: আল্লাহ কিন্তু আছেন।
==================
একই ভাবে রাম, কৃষ্ণ, যীশু, শিব, কালী, দুর্গা, জিউস, থর, রা হারকিউলিস, মামদো ভুত, শাকচুন্নি, রামগরুড়ের ছানা, হাট্টিমাটিম টিমও আছে?
=================
শেলী বলেছেন: আর আল্লাহকে বিশ্বাস না করা পাপ এর একটাই কারন। আপনি যদি এখন বলেন আপনার মা আপনার জন্য কিছু করেননাই,আপনার কি মনে হয়না এর জন্য একটা শাস্তি হওয়া উচিত? শাস্তিটা স্বতস্ফুর্তভাবে হবে, যেমন আপনি জানেন আগুনে হাত ডিলে কি হয়। তারপরেও যদি হাত রাখেন তাহলে অন্যের দোষ দিবেন কেন?
================
তার মানে আল্লাকে থাকতে হবে কারণ হচ্ছে আল্লা না থাকলে শাস্তি হবে না? শাস্তি প্রদানের প্রয়োজনে আল্লার অস্তিত্ত্ব থাকাটা জরুরী? এটা কতটা হাস্যকর যুক্তি হল ভেবে দেখবেন?
অবাঞ্চিত বলেছেন:
তোদের মত নাস্তিকদের জন্যই আজকের দুনিয়ার এই অবস্থা। ইসলাম যদি এই দেশে থাকত তাহলে ইসলাম অপমান করার সাহস পাইতি না
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

























এছাড়াও কুসংস্কারে জর্জিত এই দেশে আমাদের শেখানো হয় যে, দাঁড়িয়ে পানি খেলে শয়তানের পেশাব খাওয়া হবে, পশ্চিমদিকে পা দিয়ে ঘুমানো যাবেনা, আজানের সময় গান শোনা যাবেনা ইত্যাদি, শেষ নাই এগুলার।
বয়স হবার পরে, মানে মনের বয়স, যখন এগুলোকে অসার এবং অযৌক্তিক মনে করে কেউ কেউ, যখন চিন্তার জানালা গুলো খুলে যায়, তখন এতদিনকার আবদ্ধতা এবং অমূলক ভয়ের কারণে সংকুচিত থাকার জন্যে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভ জন্মে। মূলত সব ধর্মকেই বুজরুকি হিসেবে বুঝলেও এতদিন চাপিয়ে দেয়া নিজের ধর্মটার প্রতিই অবজ্ঞা এবং তাচ্ছিল্য বেশি এসে পড়ে। আর ইসলাম ধর্ম খুব বেশি স্পর্শকাতর এজন্যে এটার বিরুদ্ধে কথা বললে, ব্যঙ্গ করলে গেল গেল রব ওঠে।
অন্যান্য দেশ, যেগুলো হিন্দু বা খ্রিস্টান প্রধান, সেখানকার নাস্তিকরাও তাদের প্রাক্তন ধর্মের প্রতি বিতৃষ্ণা প্রকাশ করবে বেশি, এটাই স্বাভাবিক। সুনীলের "প্রথম আলো" বইটাতে পড়েছিলাম, কোন এক জায়গায় হিন্দুদের সম্মানীয়া মা কালীকে "কালো মাগী" বা এই জাতীয় কিছু বলেছিল কোন একটা চরিত্র। কই ঐটা নিয়ে তো ওদেশে কোন তোলপাড় হয়নাই! অথচ আমাদের দেশে! বা অন্যান্য মুসলিম প্রধান দেশে এরকম কিছু বললে কি হত চিন্তা করেন!
পোস্ট ভালো লেগেছে। +