somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... একটা অবাস্তব রুপকথা ছেলেটা মিলে খুবই সুখে ছিলো। রাজপুত্র রাজকন্যাকে ঝালমুড়ি কিনে দিতো সে
ঐটা পেয়েই মহাসুখে কাটিয়ে দিতো।

একদিন একবুড়ো দৈত্য আসলো অভাব নামে -- রাজকন্যার হৃদয়টা কাঠের হৃদপিন্ডে পরিনত করেদিল।

রাজকন্যার সারাজীবন খাট পালংকে শুয়ে অভ্যাস । সে এখন ছেলেটার সাথে গাছতলাতে থাকতে রাজী না।

এরপর
থেকে রাজকন্যা গম্ভীর হয়ে গেলো -- তার চেহারায় হাসি আসে না । সে
সবব্যাপারেই ভোতা হয়ে গেলো। যান্ত্রিক স্বরে সে তার ফাই ফরমায়েশ খাটার
হকুম দেয়।

ছেলেটা অনেক কষ্টে অভাবের দৈত্যরে জান টানটা তাল পুকুর ডুব দিয়ে টিয়াটাকে ঘাড় মটকে মেরে ফেল্লো ।

অভাব নামক অশুভ দৈত্য দূর হলো বটে - রাজকন্যার কাঠের হৃদয় তাতে ঠিক হলো না । স্থায়ী ক্ষত হয়ে গিয়েছিলো তাদের সংসারে।

ছেলেটা দিনরাত পরিশ্রম করে, আর অভাবের খপ্পরে পড়তে চায় না ।

রাজকন্যা সারাদিন একা একা থাকে । একঘেয়েমিতে বিরক্ত হয়।

তার হঠাৎ জেলাসী দেশের ডাইনীর সাথে পরিচয় হয় ।

ডাইনী তাকে কুমন্ত্রনা দেয় তোমার তো কাঠের হৃদয় -ছেলেটার আসল হৃদয় ।

দেখো ও সেটা আরেকজনকে দিয়ে দিয়েছে হয়তো?

রাজকন্যা গম্ভীর হয়ে যায় । ছেলেটা বাড়ী ফেরা মাত্রই ওকে ধরে বসে তোমার হৃদয়টা আমাকে দিতে হবে।

ছেলেটা যতোই বুঝায় কোন কিছুইতেই কাজ হয় না ।

শেষমেষ ছেলেটাকে হৃদয়টা জমা দিয়ে কাঠের হৃদয় লাগাতে হয় ।

এভাবে আমাদের কাহিনী এগোয়।

রাজকন্যা এখন হাসেও না কাদেও না -- তাদের অভাবও নেই। অসুখীদেশের রাণীর সাথে তার বন্ধুত্ব হয় ।

সে বলে দেখো তুমি তো সুখী না তুমি কে কাউকে সুখী হতে দিবে । ছেলেটার স্বাধীনতা নিয়ে সুখে ছিলো।

রাজকন্যা এবার তার স্বাধীনতাও চায়।

ছেলেটা বলে না -- আমি তোমার জন্য সব ভাবে চেষ্টা করেছি -- আর কিছু হচ্ছে না ।

আমাদের মনে হয় কারো কাছে যাওয়া উচিত । তোমার আমার কিছুতেই কিছু মিলছে না।

তারা দুজন মিলেই এক বুড়ো দৈত্যের কাছে গেলো।

বুড়ো দৈত্য গান করছিলো --":প্রেমের মরা জলে ডুবে যায়:

ভাঙা হাড়ি জোড়া লাগে না"

রাজকন্যা এমন আজব গান শুনে হেসে কুটি কুটি

পরক্ষনের গম্ভীর হয়ে যায় সে --কাঠের হৃদয়ে অল্পক্ষন হাসা যায়

ওরা জিগ্গেস করলো -- আমাদের গাট গুলো ক্ষয়ে গেছে -- ক্যাচ ক্যাচ শব্দ হয়।

দৈত্য বলল :কাঠের হৃদয়ের গাট ঠিক করা মুশকিল:

ছেলেটা রাজকন্যাকে বলল চলো তোমাকে ঝালমুড়ি কিনে দেই
রাজকন্যা মুখ বাকালো

তার কোন কিছুই ভালো লাগে না

ছেলেটা বলল রাজকন্যা আমি তোমাকে আসল হৃদয় এনে দিবো

রাজকন্যা বলল :নাহ , আমার কাঠের হৃদয়ই ভালো । তারচে তুমি আসল হৃদয় লাগিয়ে ফেলো:

ছেলেটা বলল আমার হৃদয়টা কই

রাজকন্যা অন্যমনস্ক ভাবে বলল , সেটা তো আমি ফেলে দিয়েছি ।।

------------------------------------

তারপর যা হলো তা আমাদের না জানলেও হবে ।

আমার কথাটি ফুরোলো -- নটে গাছটি মুড়ালো


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29118042 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29118042 2010-03-17 07:46:57
আগুন লতা


ভরা শীতের রাতে
তরল জোৎস্নার আলোতে
মায়াবী নিঝুম মাঠের মধ্যিখানে
ছোট অগ্নিকুন্ড জ্বলে

আগুনের ছোট ছোট লতা
রাতের গা বেয়ে উঠে
অনেক অচিন কথা
অনেক বাচালতা
আজ গাধার মতো পিঠে বয়ে
নিয়ে যায় কেউ হিম হিমে আগুনের ধারে

এক একটা পৃষ্ঠা পোড়ে
কতো হাহাকার ,শীৎকার, চিৎকার
অন্যায়, ভালোবাসা
পাপ, গ্লানি, নষ্ট প্রেম, সবুজ আকাশ
জ্ঞানী ভজন সংগীত, ভন্ডামী,
দুর্বোধ্য অশ্রাব্য সুন্দর শব্দেরা
কট কটে ছাইরঙা শব্দ হয়।
পূর্বপুরুষের সঞ্চিত লজ্জা, বোধ , বিবেক
ফট্টাস শব্দে পোড়ে ।

আগুন লতা পেচিয়ে ধরে
নিস্পৃহ চোখ,
আগুনের নৃত্য সংগীতের উল্লাস
অস্পষ্ট আড়মোড়া ভাঙে,
থিকথিকে অনুভূতি শান্ত হয়
তারপর কিছু একটা হারানোর বোধ
একঘেঁয়ে ক্লান্ত করে ।

হিম শীতের রাত ঝিম ধরে বসে থাকে
মগজ ঘিরে উঠে কোন এক অচেনা অসাড় বোধ
নতুন কোন সূর্যের আশায় নয়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29113522 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29113522 2010-03-10 08:22:08
একটা একঘেঁয়ে ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা রাত তিনটায় হাইওয়ের উপরে তিক্ত ঘোলা কুয়াশায় আমি যখন দুনিয়াটাকেই "মাদারচোদ" বলে গালি দিয়ে উঠছিলাম তখনই ভূত বাবাজীদের আগমন । গাড়ীময় পোড়া সিগারেট/গাঁজার গন্ধ । ভূতের গন্ধ এমন অদ্ভুত হয় নাকি ?
আপনারা নিশ্চয়ই ভূত দেখতে কেমন এটা নিয়ে চিন্তিত হয়ে গেছেন ? আপনাদের কৌতুহল নিরসন করার জন্য বলছি -- ভূত দেখতে ভূতের মতো -- মানে ক্যামন যেনো আবছায়া ঘোলাটে । তাছাড়া ভূত দেখতে কেমন সেটা চিন্তা করলে ভূত দেখে ভয় পাওয়ার ব্যাপার চলে আসে। আমি তখন ডোন্ট কেয়ার মুডে গিয়ার তুলে দিয়েছি । অন্য যেকোন দিন হলে নিশ্চয় পেটের ভিতর ডাক শুরু হয়ে যেতো -- আমি হলাম যে কিনা ভূতের সিনেমা দেখে ভয় পায় ।
যাক -- রাত তিনটায় কোন ট্রাফিক নেই , আমি তাদের উপস্থিতি সম্পর্কে সচেতন । এখানে ব্যাপারটা কেমন উল্টা হয়ে গেছে ওরাই আমার অস্তিত্ব সম্পর্কে সচেতন না ।
আমার ঠিক পিছনের ভূতটা অন্যদের উদ্দেশ্যে বললো,
"এখন যে গাড়ী চলছে সেটাই সত্যি"।
আমার পাশেরটা- "গতকাল সে খুব খুশীমনে গাড়ী চালাচ্ছিল।"
তার পিছনের জন - "অনেকেই আগামীকাল গাড়ী চালাবে।"

আমি মনে মনে বিরক্ত আর কিঞ্চিত কৌতুহলী, এই নিঃসঙ্গ রাতে কারো সঙ্গ মন্দ লাগছে না -- হোক না ভূত ।
আমি আলোচনায় যোগ দিলাম ব্যংগভরে "এই কথা গুলো প্রথম শুনলাম!? খুবই ইন্টারেষ্টিং।" আমার খোঁচায় ভূতেদের কোন প্রতিক্রিয়া হলো না । আপনারাই বলুন ভূত উদয় হয়ে ভয় দেখানোর বদলে বস্তাপঁচা তামাশার কথা বললে মেজাজটা খিচে যায় না?
ভূত গুলো হঠাৎ ফিসফিসে করে ভূতের ভাষায় আলাপ জুড়ে দিলো।। আমি দুঃখিত, আমি সেই ভাষা জানি না। তবে সেগুলো আমার এ্যাটিটুড সংক্রান্ত বলেই মনে হচ্ছিলো।

আমি রাস্তার দিকে মন তাকালাম । দুরে দুরে কুয়াশার দেয়াল । সত্যি বলতে একটা ভুতূরে রাত। গাড়ীর হেডলাইটের আলো ছাড়া তেমন কোন আলো নাই । ছিটেফোটা কিছু মনুষ্যসৃষ্ট আলো চোখে পড়ছে । নখ তোলা বিকৃতদেহী ডাইনীর মতো গাছ গুলো । আমার মনে মধ্যে এই অশরীরি রাতেও ফাজিল গান বাজতে থাকে -"ভূতের রাজা দিলো বর, জবর জবর তিন বর।" খোড়া ভূত,কানা ভূত,পঁচা ভূত ইত্যাদি রকম ভূতের চেহারা মনে পড়ে।
আমার পাশের ভূতটা বিড়বিড়ানী থামিয়ে বলল "ও যদি গতকালকে গাড়ী না চালাতো তবে আজকে ওর এইখানে গাড়ী চালানোর কথা ছিলো না"
আমার পিছনেরটা বলল "এখন এই ঠান্ডা রাতে গাড়ীর চালাতে চালাতে চাঁদের আলো খেতে দারুন লাগে"
আমি জিজ্ঞেস করলাম - "চাঁদের আলো খেতে ক্যামন?"
জবাব এলো -রক্তের সাথে ঠান্ডা দুধ মিশিয়ে খেলে যেমন লাগে!
মাই গড ! কি আজীব রেসিপি।
বাকী ভূতটা বল্লো "গাড়ী চলতে চলতে কালো কুয়াশার ভিতর হারিয়ে যাবার সম্ভবনা আছে"
আমি এইধরনের আলাপে আর উৎসাহ না দেখিয়ে সরাসরি আক্রমন নেমে পড়লাম "তোমরা কি চাও"
পিছনেরটা বল্লো "তুমি এখন ঠিক মতো গাড়ী চালাও এটাই আমি চাই "
পাশেরটা বল্লো "তুমি একদিন একজনকে চাপা দিয়ে পালিয়েছ, আবার একটা লোককে এ্যাক্সিডেন্ট হবার পর হাসপাতালে পৌছে দিয়েছিলে ।
তুমি আগে সবসময়ই সুখী অথবা দুঃখী অবস্থায় গাড়ী চালিয়েছ"
ভূতের গুপ্তজ্ঞানে আমি চমকিত হলেও শেষের এ্যাবসার্ড লাইনে হাসি পেলো এতো মেজাজ খারাপের মাঝেও।
আমি তো সুখী না হয় দুঃখীই ছিলাম এরজন্য সাইকিক/ভূত হতে হয় না তো।
আমার কোনার দিকের পিছনেরটা বল্লো - "আগামীকাল গাড়ী চালানোটা একঘেঁয়ে ব্যাপার"

একঘেঁয়ে শব্দটা গাড়ীর ভিতর ঘুরতে শুরু করে। এটা যেমন কটু শ্বাসরোধী একটা গন্ধে পরিনত হয়ে আমার মগজে লাথি মারতে থাকে । আমি ক্ষিপ্ত হয়ে যাই -- অনেক দিনের জমে থাকা ক্ষোভে ভূতেদের চৌদ্দগুষ্ঠি তুলে গালিপালাজ শাপশাপান্ত দিতে থাকি । গাড়ীটা যে একটা খোলা উঁচু ব্রীজের উপর চলছে এটা হঠাৎ খেয়াল হয়। আমি কেন বাড়ী থেকে বের হয়েছি মনে পরে তখন। আমি গাড়ীটাকে ব্রীজের রেলিং এর উপর তুলে দেই । পতনের সময়ের কয়েকসেকেন্ডে নিজেকে আমার মুক্ত স্বাধীন মনে হয় ।

ঐ কয়েক মুহূর্তে আমি মনে করার চেষ্টা করি আমি কেন আত্মহত্যা করতে এসেছিলাম। সেটা কি দিনের পর দিন বোর হওয়া? নাকি কাউকে সবকিছু দিয়ে বিশ্বাস করে ঠকা? জগৎসংসারে কেয়ার করার মতো মানুষের অভাব ? সাফল্য ব্যর্থতার দুইটার স্বাদ এইরাতের মতো তিক্ত হয়ে যাওয়া ?
আমি মনে করতে পারি না

--------------------------------------------------------------------

ঠ্যাংনোট :
এই লেখাটা একটু পুরানো । কেউ আগে পড়ে থাকলে ক্ষমা চাইছি ।

আসলে বহু দিন পর কারাগার থেকে বের হবার আনন্দে আমি আত্মহারা !

পুরাই জেলমুক্তি দিবসের মতো আনন্দ লাগছে ।
তাই বন্ধুর অনুরোধে পোষ্টাইলাম ।

যারা ব্যান খাওয়া অল্প হৈলেও কষ্ট পাইছেন তাদের জন্য অনেক ভালোবাসা ।
আর যারা খুশী হৈসিলেন -- তাদের জন্য -- তাদের মনেহয় আবার খুশী হবার চান্স নাই !

ঠ্যাংনোট ২: প্রোপিক ও চেন্জ করে দিলাম !!
আমি আর মডারেশনে স্বচ্ছতা চাই না ।
!!!মডারেশন স্বচ্ছতা একটা ভ্রান্ত ধারমা !!!
সামু জোড়া পচুর গ্যান্জাম!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29112177 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29112177 2010-03-08 02:36:05
ক্রুদ্ধ বৃত্ত




চোখের ভিতর আলোটা টুথপিক দিয়ে খোচাচ্ছে।চোখ পিট পিট করে সে। চারিপাশের মানুষের চেহার গুলো দেখে। সময় থমকে যায় । খুটে খুটে মনে করার চেষ্টা করে সে এখানে কি করছে । একটা একটা করে চেহারা দেখে ।
ঐযে মোটা মতো মধ্যবয়সী সম্ভবত কোন চাকুরে - হাতের মুঠো পাকিয়ে আছে।
গালে অল্প দাড়ী নিয়ে যে যুবক - চোখে ক্ষিপ্ত ঘৃনা।
দূরে বোরখাওয়ালী তার চোখ দুটো দেখা যাচ্ছে -- সেখানে কোন বন্ধুত্ব নেই।
মাথায় গামছা বাধা ধামা হাতে লোকটি মনে হয় তরকারীওয়ালা।
লম্বামতো পোড় খাওয়া চেহারার লোকটা অনেককে কিছু বলছে ।
থুথু ছিটকে বেরুচ্ছে, লোকটা উত্তেজিত। তার কানে কিছু আসছে না । ক্রুদ্ধ বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দু।

চড়টা খুব জোরে লেগেছে ।
মুখের ডানপাশটা ঝা ঝা করছে। ছোট ছেলেটা তার পাশে; তার চেহারার দিকে তাকিয়ে আছে । ছোট্ট হাতটা এখনো তার হাতে ধরা।
সে উপরে তাকায় -- আজকের দিনটা খুব চমৎকার।
আকাশে সুর্যটা হেলান দিয়ে আছে।

মনে পড়ে সে কিভাবে এখানে এসেছে । একটা দোলদোলে বাসে চেপে । ভালো লাগছিলো না কিছুই । দূরে পালাতে বাসে চেপে বসে হঠাৎ করেই ।
বাস থেকে নেমে এই অচেনা ছোট গন্জে বেশ ভালোই লাগছিলো । হাটতে হাটতে ছোট্টবাবুটাকে কাদতে দেখে মায়া হয় । তাকে ফিরিয়ে দিতে এসেছিলো সে।
ছোট্ট বাবুর হাত ধরা অচেনা আগুন্তকের প্রতি সবাই তখন কৌতুহলী হয়ে উঠেছিলো । চোখ গুলো তাদের অনুসরন করে ।

লোকটি কলার চেপে ধরাতে ঘোর কাটে । কাপা কাপা স্বরে তার পরিচয় আর উদ্দেশ্য ব্যাখা করতে চায়।
বৃত্তটা আরো ক্রুদ্ধ হয় ।হরিন ঘিরে ফেলা বন্য কুকুরেদের লালা ঝরতে থাকে। ফিসফিসে ভোতা গুন্জনটা বাড়তে বাড়তে গর্জনে রুপ নেয়।
"মার শুওরের বাচ্ছারে"
"খানকির পোলার চউখ দুইটা গাইলা দে"
"টুংডা বানা শালারে"
হয়তো দৌড় দেয়ার চিন্তা মাথায় এসেছিলো । এরপরই বৃত্তটা বুজে যায়।

স্ত্রস্তপায়ে লোকজন সরে পড়ে। তারও কিছুক্ষন পর সাংবাদিক আসে। একটু পর পুলিশ। পকেট হাতিয়ে তার গোমড়া মুখ ছবি আর নাম খানা উদ্ধার করা হয়।
আতিকুর রহমান।

সেদিন বিকালে থানায় বসে সাংবাদিকটি
অবাক হয়ে বলে "কোন আতিকুর রহমান? উনি সেই লেখক ........"
পুলিশকর্তাটি গম্ভীর মুখে বলেন -- "হমম। ২০ টা উপন্যাস বাজারে আছে তার। অনেক গুলো নাটক।"
"উনি এখানে কিভাবে?"
"একটু মনে হয় পাগলাটে কিসিমের ছিলেন"
"এখন কি হবে?"
"গণপিটুনিতে মৃত্যু - দেখি কি করা যায়"
"কিন্তু উনিতো সেলেব্রিটি"
"হমম। বুঝতে পারছি কিন্তু গত দুই মাসে ৩ টা বাচ্চা হারিয়ে গেছে-- পাবলিক খুব খারাপ জিনিস রে ভাই"

অনেক দুরে তখন লম্বা লোকটি হনহন করে হাটছে। হাতের উপরে কাটা জায়গাটা জ্বলে । রক্ত ঝরে একটু। লম্বা লোকটি
মনে মনে গালি দিয়ে উঠে । মৃত লোকটার চোখদুটা ভেসে উঠে ওর মনে। আরো জোরে পা চালায় সে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29043297 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29043297 2009-11-14 11:47:38
ফটো রসিকতা - ৪ { <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_18.gif" width="23" height="22" alt=":|" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_34.gif" width="23" height="22" alt="B-))" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_53.gif" width="23" height="22" alt=":-B" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_64.gif" width="23" height="22" alt=":-&" style="border:0;" /> } জীবন থেকে রস-কস একদম উঠে গেছে /<img src=" style="border:0;" /> । ইদানীং তেমন মজার কিছু চোখে পরে না । যাক নেট ঘেটে কত গুলো মজার ছবি পেলাম --
তাই শেয়ার করলাম ।

~~~~~~~~~~~~

. হ্যাঁ । সুন্দর করে হাসুন সবাই -- পিছনে কি আসছে দেখার দরকার নাই । <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />



. পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছো ? না হারাইলে অতি শীঘ্রই
হারাবে । <img src=" style="border:0;" />



. নাঃ রাস্তা হারাবার কোন সম্ভবনাই নাই -- সংগে আছে চোদ্দটি জিপিএস <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />



. কপালের নাম গোপাল /<img src=" style="border:0;" />



. সামু কাব্য শিল্প সাহিত্য অনুরাগী + সমালোচক B<img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />


. নারীবাদীদের মনের মতো শপিং কার্ট --- দোকানটাকে তুলে আনো কোন সমস্যা নাই । <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />



. উইথ এ্যারাবিক ল্যাংগুয়েজ প্যাক !! <img src=" style="border:0;" /> লাদেন সার্টিফায়েড !



. মস্করা কইরা থাকলেও কেউ রিস্ক নিয়েন না <img src=" style="border:0;" /> <img src=|" style="border:0;" />



. ড্রাইভ করার সময় রাস্তার দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন ।
মনে রাখবেন "ললনাদের ছলনায় ভোলা বুদ্ধিমানের কর্ম না" <img src=)" style="border:0;" />



. পুলিশরাও মানুষ -- তারাও কাঁদে <img src=(" style="border:0;" />



. বাবা আদমের সোফা । আর সেটা কেনা একমাত্র আরব জংলীদের পক্ষেই সম্ভব <img src=)" style="border:0;" />



. ওয়ান টু থ্রী -- ওয়ান টু থ্রী -- আমি আপনাদের পাইলট বলছি -- সবাই ডান পাশের জানালা বন্ধ করে দিন --
যদি কেউ কিছু দেখেই থাকেন -- ওটা আমাদের কোন ফ্লাইট না -- আমাদের কোন ফ্লাইটের এভাবে চিৎ পটাং হয়ে যাবার রেকর্ড নেই । <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />




. ধন্যবাদ প্ল্যাকার্ডের মাধ্যেমে সিনোনেম শিখানের জন্য
হে গে-ভুদাই । <img src=" style="border:0;" />


. এ ডলার কোন দিন আর অন্য হাতে যাবে না <img src=" style="border:0;" />



. রজার্স আর মাইক্রোসফট কিংবা আপনি গোষ্ঠি উদ্ধার করতে চান(গ্রামীন ?) এমন কোন কম্পানীর কাষ্টোমার সাপোর্ট টিম ।


. কেউ কি কোন দিন মাউস খুলে দেখছেন -- বা জানেন
কেন এর নাম "মাউস" ?



. ঠিক এই মূহুর্তে আটলান্টিকের তলদেশে -- টাইটানিকের ডেকে {ব্যাক গ্রাউন্ড মিউজিক-- মাই বোনস উইল গো অন এন্ড অন } <img src=" style="border:0;" /> :`>



. পাইরেটেড সফটওয়্যার প্রেমীর জন্য মিষ্টির দোকান <img src=)" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />



. কথাটা মিথ্যা না -- এই ভার্চুয়াল যুগে :``>>



. আহা -- কি সুন্দর হাসি ! <img src=(" style="border:0;" /> চাইয়া দেখ আজরাইল হাজির !! <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />



. <img src=" style="border:0;" /> এমন হলে কেমন লাগে ? <img src=(" style="border:0;" />



. জাষ্ট ইন কেস -- সাবধানের মার নাই । <img src=)" style="border:0;" />


~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~


ফটোরসিকতা ১


ফটোরসিকতা ২

ফটোরসিকতা ৩ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29038599 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29038599 2009-11-06 10:36:18
আমাদের সাতার

পরস্পরের মুখের দিকে তাকায় সসংকোচে,
নিজের চারদেয়ালের একুরিয়মটা কালিতে ভরে ফেলেছে কিনা -
সুন্দর স্বচ্ছ জল ছিলো
টলটলে।

চারিপাশ নিজের অন্ধ কালিতে ভরে ফেলেছে,
এর মাঝেই সাঁতরে বেড়ায় , শ্বাস নেয় , বুদবুদ ছাড়ে
কি চমৎকার লেজের ঝাপটায় ঘূর্ণি তৈরী হয় ,
মুগ্ধ হয়ে যায় ।।
থিকথিকে কালিতে শ্বাস নিয়ে বেড়ায় , অন্য কারো কালি কানকো তে টেনে নেয় -- শুদ্ধ করে ফেলে টেনে
তার দেহে অনেক অনেক কালি জমে
ছটফট করতে থাকে সে
ধুকতে থাকে --
হা করে মরার মতো শ্বাস টানে ।

আমাদের প্যাটেন্ট করা কালি
কালির জন্য গর্বিত সবাই
কালির প্লাবনে ভরে যায় ইথার
একসময় কালো কালিতে সবার মুখও ঢেকে যায়
অনন্ত সময় ধরে চলতে থাকে আমাদের সাতার ।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29030435 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29030435 2009-10-23 08:08:43
তম পোষ্টের হ্যাপা [<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_49.gif" width="23" height="22" alt=":-" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_32.gif" width="23" height="22" alt="#:-S" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_26.gif" width="23" height="22" alt=":-*" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_50.gif" width="23" height="22" alt="|-)" style="border:0;" /> ] ব্লগে পা দেয়া ১০ মাস আগে ।

>> কি বিরক্তিকর এই চর্চা -- তুমি কবে পারা দিয়েছো তাতে কার কি এসে যায় <img src=" style="border:0;" />

> চুপরাও বেয়াদব আমাকে বলতে দাও -- হ্যা যেটা বলছিলাম -- দশমাস দেখতে দেখতে চলে গেলো
>> দশমাস দেখতে দেখতে যায়নি --গর্দভ -- দশমাস দশমাসের মতো চলেছে । তোমার এত ন্যাকামি দেখে আফসুস হচ্ছে । <img src=" style="border:0;" />

> তুমি আমাকে বলতে দেবে না কি <img src=" style="border:0;" /> ? {বিব্রতকর হাসি }
হে হে হে ওর কথায় মাইন্ড করার কিছু নাই -- ও নেহাতই আমার খড়গজিভ স্বত্তা । আসলে ব্লগে আসা আরো অনেক আগে ২০০৭ এর দিকে -- রেজি করেছিলাম -- কিন্তু ভুলে গেছি । এরপর অনেক দিন বিচ্ছেদ । প্রথম প্রথম বাংলা টাইপ করতে অনেক কষ্ট হতো । একটা কমেন্ত লিখতে ২০ মিনিট লাগতো । ব্লগ পলিটিক্সের সাথেও পরিচয় ছিলো না ।
প্রথম দিকে কারো সাথে পরিচয়ও ছিলো না বলা যায় ।
পোষ্টের পর পোষ্টে কমেন্তের দেখা নাই । পরিচিত না হলে কেউ লেখা পড়েও না

>> আরে বাবা -- সোজা বাংলায় বলো না -- আই স্ক্র্যাচ ইউর ব্যাক - ইউ স্ক্র্যাচ মাইন । <img src=" style="border:0;" />

> এটা বুঝি বাংলা হলো ? <img src=" style="border:0;" />

>> ইয়ে মানে ? :``>> আজকাল তো এসবই স্মার্টনেস । ১০০ তম পোষ্টে তুমি না পারো - আমি একটু স্মার্টনেস দেখাই ।

> অনেক বকবক করেছো এখন ১০ মিনিটের জন্য চুপ থাকো । পাঠকের বিরক্তি ধরাচ্ছো তুমি । আর "ফর ইউর ইনফরমেশন " ইংরেজি বলাটা স্মার্টনেসের কোন সংজ্ঞার মধ্যে পরে না ।
হে পাঠক কূল -- বিনীত অনুরোধ -- ওটা কে ইগনোর করুন।
তো -- আস্তে আস্তে সবার সাথে পরিচিতি বাড়লো ।
ব্লগীয় ইন্টারেকশন যাকে বলা যায় । সেলেব্রিটি থেকে নন-সেলেব্রিটি সবার ব্লগ পড়া শুরু করা । সাথে সবাইকে কমেন্ত দেয়া। আমি যেহেতু টেকি -- তাই টেকিদের আশে- পাশে ঘুরাঘোরি করতাম বেশি। বাইরে থাকার কারনে গল্প উপন্যাস ও পড়া হতো না তেমন । সেটার চাহিদাও মিটলো ।
বলা যায় প্রথম দুতিন মাস ছিলো মধুমাস ।

>> হমমম অথবা হিটাংকাখী মাসও বলা যায় । একটা কমেন্তের জন্য অপেক্ষা । হোহোহো । <img src=" style="border:0;" />

> বলতে থাকো /<img src=" style="border:0;" /> । তারপরই শুরু হলো ব্লগীয় ব্যানব্যানানি খেলা । সকাল বিকাল খাবার পোষ্ট । আমিও নতুন বিপ্লবীর মতো সবার সাথে সামিল হৈলাম । সবার সাথে নতুন করে হৃদ্যতা হলো ।

>> ওফ ! গ্রো আপ । এইসব ব্যান আনব্যান -- সবই হিটের কারনে -- সামুর হিটের আকাল হলেই এসব শুরু হবে । এটা বুঝতে এত দিন লাগলে তোমার কপালে দু:খ আছে ।

> কি জানি -- আমি পুরোপুরি একমত না । প্রথম কথা হলো কাউকে ব্যান হতে দেখলে বিরক্তি লাগে । আসলে কেউ ঠিক সিওর না এসব বেলাই কি হয় । কোন সময় মনে হয় ব্লগারদের এভাবে রি এ্যাক্ট করা ঠিক হয়নি । কোন সময় মনে হয় ছাগল মডু কনটেক্সট বোঝে নি । ওপেন স্পেস মানেই সব সম্ভবের অলীক দেশ না । আবার মডুদের নীতিমালা আকড়ে ধরে রাখার কোন কারন নাই -- নীতিমালা মানুষেরই তৈরী । তারচে বড়ো কথা হলো -- ব্লগারদের ইন্টারেষ্ট আর কর্তৃপক্ষের ইন্টারেষ্ট এক না ।

ঠিক তারপর পর ই পিলখানার হত্যাকান্ড শুরু হয়ে গেলো । ব্লগ ভাগ হয়ে গেলো দু শিবিরে । কেউ আর্মির পক্ষে - কেউ বিপক্ষে । কিন্তু যেই পক্ষেই হোক হত্যাকান্ডের অমানুষিকতায় স্তব্ধ ।

>> আর্মির উপর যাদের ব্যক্তিগত বিদ্বেষ আছে -- তারা এই সুযোগে বেশ ঢোল পিটিয়ে নিলো -- তাই না ?

> সেতো নিবেই -- খুব কম মানুষই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বাইরে যেতে পারে ।

>> হ্যা -- ব্লগে মুখোশ পড়া খুব সহজ -- ব্লগে মহান সাজা খুব সহজ ।

> সবারই ত্রুটি বিচ্যুতি আছে । তাই বলে সবাই সব দাগ দেখায় বেড়ায় না ।
এরপর নাস্তিক-আস্তিক ক্যাচাল দেখলাম । অনেক গুলোতে গলা ফাটিয়ে চেচালাম । নিজের বোধের মনে হয় তেমন পরিবর্তন হয় নাই । শুধু জ্ঞান বাড়ছে এই যা । কথায় আছে না -- হোয়াটএভার ডাজেন্ট কিল ইউ , অনলি মেক ইউ স্ট্রংগার ।

>>এটাও হিট বাড়ানির আরেক ফন্দি । আর তারচে বড়ো কথা তুমি নিজেও বিশ্বাসী না অবিশ্বাসী নিয়ে শিওর না ।

> সেটা সত্য । আমার জ্ঞান এখন পূর্ন হয় নাই । তারপর অর্ধসত্য -- বিকৃত সত্য কে কনফিডেন্স নিয়ে পরিবেশন করতে দেখলে রাগ লাগে ।

ততদিনে আমি মোটামুটি পরিচিতি পেয়ে গেছি । মানুষ ব্লগ লিখলে পড়ে -- ইন্টারেকশনের কারনে কমেন্ত পাই ও বেশ ।
এবার শুরু আমার প্রতিকাব্য লেখার পালা । শুরুতে অনেক যন্ত্রনা সহ্য করতে হয়েছে । সবাই উৎসাহ দেয়ায় যাত্রা থেমে যায় নি ।

>> হো হো হো প্রতিকাব্য -- প্রথমে অন্যের কবিতার ফরম্যাটে কবিতা লেখার চেষ্টা । দুর্বল শব্দ -- বানান বিভ্রাট ।
দূর্বল আইডিয়া । আমার তো সন্দ আছে এগুলো আসলে মানুষ কাব্য বলে কিনা ।

> <img src=(" style="border:0;" /> খামোশ!! সবাই তাহলে এমনিতে বাহবা দেয় বলতে চাও । আর কিছু লিখলে একদম মানদন্ড মেনে ভালো হতে হবে এটা তোমাকে কে বলেছে । যার কাছে ভালো লাগার লাগবে -- না লাগলে নাই ।

কাব্য বিষয়ে কাউকে সমালোচনা করলে খেপে যাওয়াই স্বাভাবিক -- সেটা যদি হয় চাছাছোলো সমালোচনা । বা উস্কানি দেয়ার জন্য সমালোচনা । কবিতা জিনিসটার সাথে দূর্বলতা নরোম একটা ব্যাপার জড়িয়ে থাকে বলে আরো খারাপ লাগে ।

মুক্তিযুদ্ধ -- আমাদের আরেক আবেগের নাম । অনেকের পোষ্ট পড়ে তাদের আবেগ খানি ধরতে চেষ্টা করেছি । নতুন করে অনেক কিছু জেনেছি । ব্লগিং যে কারনে অনেক দারুন -- অনেক মানুষের সংস্পর্শ পাওয়া যায় -- যাদের সাথে জীবনে কথা হতো কিনা খোদা মালুম । যারে তারে ছাগু ট্যাগ দিয়ে গালি দেয়া অবশ্য আমি পক্ষপাতী না । যে কোন নিরীহ লোক এর পাল্লায় পরে যেতে পারে । তবে জামাতিদের গালিও দিয়েছি যখন মনে হয়েছে এটার প্রকৃত বাসস্থান পাকিস্থান । ইন্ডিয়া আমাদের মা-বাপ এমন মনোভাবধারীদের গালি যদিও দেয়া হয় না -- তবে ঘৃনা করা যায় । আসলে এসব ব্যাপার কোন ভাবমূর্তি (!) ধরে রাখা কঠিন । আমরা বাংগালি বলে কোন না কোন ট্যাগ পেয়েই যাই ।

>> মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যারা গালিবাজি ব্যবসা করে -- শেইম অন দেম !!

> আস্তে ধীরে বৎস -- তম পোষ্টে গ্যান্জাম করতে হয় না ।
গালিবাজি প্রসংগে চলে আসে নিক বাজি আর ট্রোলিং । একমুখে দুইকথার প্রকৃষ্ট উদাহরন । তবে বাস্তবতা হলো -- দুনিয়াটা ভালো মানুষের জায়গা না । চালাক না হতে পারলে নিশ্চিন্হ হতে হবে । না হয় -- আক্রমনের শিকার হয়ে যেতে হবে । এসব ব্যাপারে কাউকে কিছু বলে লাভ নেই । যে যেমন আছে সে তেমন ছিলো আর - থাকবে ।

তো এরপর চলে আসি পোষ্ট বিস্বাদে । এখন আর প্রথম দিকের মতো ১টা কমেন্তের জন্য তীর্থের কাকের মতো বসে থাকা লাগে না । তারপর পোষ্ট দিতে ইচ্ছে হয় না । একটা কথা আছে না কোন কিছু অর্জন করার চে রক্ষা করা কঠিন ।
তাছাড়া সবই আসলে একঘেয়ে হয়ে যায় একসময় ।
মানুষ, মদ , সিগারেট , প্রেমিকা , বাচ্চা , গাড়ী ,টাকা , খাবার , গান, বই । সবকিছুই ।

>> আবার ?! বোরিং - বোরিং - বোরিং !!!

> আবার পূর্নরুপে ক্যাচালে ফিরব কিনা চিন্তা করি । আজকাল কিছুতে উৎসাহ পাই না ।
রাজনীতি দেখে বিরক্তি লাগে । এরা দেশ কে চুষে খাবে ।
খাচ্ছে । এত রাগার কি হলো । রাজনৈতিকের কাজ ই এটা ।
আমাদের কাজ ভোট দিয়ে তাদের ক্ষমতায় পাঠানো ।
তাদের কাজ চোষা ।
নারীবাদী তর্ক গুলো দেখি মাঝে মাঝে । আমি নিজে ভ্রমে আছি -- না অন্যরা ভ্রমে থাকে এটা বুঝতে পারি না । আজকাল সংসার -- পরিবার -- ধর্ম -- সমাজ সবকিছুর ইন্সট্যান্ট ম্যাগি নুডলসের মতো ফর্মুলা আবিস্কার হয়ে গেছে । এসব গিলতে পারি না ঠিক মতো । ছেলে মেয়ে পরস্পরের পরিপূরক । দুনিয়ার অন্য সব যুদ্ধ বিগ্রহের মতোই এখানে কেউ কাউকে ছাড় দিতে চায় না।

>> তোমার তত্ত্বকথা শুনতে মানুষের বয়েই গেছে ...

> বেশী হয়ে যাচ্ছে কিন্তু । ব্লগিং করে -- অফিসে কাজকামে
অসংখ্য ফাকি দিয়েছি । এখনো দিচ্ছি । মাঝে মাঝে পরিবারকেও ফাকি দিয়েছি । কোন কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয় । তারপরও এটাই মনের কথা বলার শেষ আশ্রয় ।

ওভারওল বিবেচনায় ব্লগ নিয়ে আমি আশাবাদী । কিছু দারুন বন্ধু জুটেছে । আমি সবসময় চিন্তা করতাম -- আমার মতো যারা চিন্তা করে এরা কই থাকে । কেন এদের দেখা পাই না ।
বন্ধুদের সাথে বৈষিয়ক আলাপই বেশী হতো । সেটা খারাপ না -- তবে একটা ভালো গান শুনলে , একটা ভালো বই পড়লে , একটা ভালো মুভি দেখলে শেয়ার করার কাউকে খুজে পেতাম না । ব্লগিং এই মানসিক চাহিদাটা পূরন করেছে ।
লেখালেখির একটু স্বপ্ন ছিলো -- সেটার দুধের স্বাদ ঘোলে মিটছে ।

কারো নাম উল্লেখ করালাম না ইচ্ছে করেই -- কোন পোষ্টে মানুষ নিজের নাম সবার আগে খুজে । না পেলে মন খারাপ হয় । তাই কাউকে হতাশ করতে ইচ্ছে হলো না ।
কমেন্তের মধ্যে ভাব-ভালবাসা তো চলেই -- এই পোষ্টে
লিখতে হবে এমন কোন কথা নাই ।

>> নিজের ব্যাপারে ঘ্যান ঘ্যানানি বাদ দিয়ে মানুষের কথা কিছু বলবে -- এতক্ষন ধরে পোষ্টটা পড়ছে কিছু শোনার আশায়

> ও হ্যাঁ । ধন্যবাদ । ব্লগ এসে নানান টাইপের ছাগলের সাথে যেমন পরিচয় হয়েছে - তীক্ষ্ন বুদ্ধির কিছু মানুষের সাথে পরিচয় হয়েছে । কিছু কিছু গল্প -- কবিতা তো ক্লাসিক পর্যায়ে । আমি লেখালেখি ভালো করিনা ঠিক -- তবে কোনটা ভালো লেখা এই বিষয়ে ভালো জ্ঞান আছে ।
অসংখ্য ভালো মানুষ আছেন ব্লগে -- যাদের সংস্পর্শে এসে কৃতার্থ হয়েছি । অসংখ্য ভালো লেখা -- ইন্টারেষ্টিং পোষ্ট -- ছবি দেখেছি । অনেক আড্ডাবাজি করেছি সিনেমা, কবিতা , বই নিয়ে ।
গান শুনেছি -- শুনিয়েছি । ব্লগের ইন্টারেকশনটা লেখালেখির জন্য যেমন খারাপ -- আড্ডাবাজির জন্য তেমনি দারুন ।

শততম পোষ্ট পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

>> আবার ন্যাকামি ? /<img src=" style="border:0;" />

> তুমি চুপ ! একবারে চুপ <img src=(" style="border:0;" />

আমার নিজেকে অভিনন্দন তম পোষ্টের হ্যাপা মুক্ত হয়ে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29028315 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29028315 2009-10-19 09:44:27
প্রতিগপ্প: অসমাপ্ত

ছোট্ট একটা মাঠ। তার কোনায় একটা বেন্চি পাতা। নিজের চিন্তায় নিমগ্ন এক মধ্যবয়সী হেলান দিয়ে বসা। আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে একদৃষ্টিতে দূরে গাছটার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি । তিনি আসলে গাছটাকে দেখছেন না ।

এখন থেকে অনেক বছর আগে তাদেরই পূর্বপুরুষদের হাত দিয়ে শুরু হয়েছিলো এই সমাজব্যবস্থা । এই সমাজে সুষম ভারসাম্যমূলক জনসংখ্যা ছিলো । সবার হাতেই কাজ ছিলো ।
টাকা পয়সার প্রচলন উঠে গিয়েছিলো । মানুষ তার গাড়ীতে অন্য মানুষদের লিফট দিতো । কৃষকের বাড়ীতে ইন্টারনেট দিতো টেকি লোকজন । কৃষকতার ফলানো সবটা শস্যই কেন্দ্রীয় খাদ্য নিয়ন্ত্রনের হাতে তুলে দিতো। অপ্রয়োজনীয় বিলাস দ্রব্য যেটিয়ে দূর করা হয়েছিলো । মানব কল্যান বিহীন গবেষনাও বন্ধ হয়েছিলো । যেহেতু টাকার প্রচলন নাই -- ধনী গরীবের বৈষম্যও শেষ হয়ে গিয়েছিলো । মানুষকে হিপনোটাইজ করে সুন্দর অসুন্দরের ধারনা দূর করা হয়েছিলো।
সমাজ থেকে অপরাধের ধারনাটাই দূর হয়ে গিয়েছিলো। কারন
মানুষের কাছে পর্যাপ্ত খাবার, পর্যাপ্ত সময় ছিলো । যাদের অহংকার খুব বেশী তাদের সম্মানে সমাজ থেকে চলে যেতে বলা হয়েছিলো । শুধু রিপ্রডাকশনের জন্যই সেক্স এমনটাই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিলো ।
মোটামুটি বলা যায় -- পৃথিবীতে স্বর্গের রুপ ।

একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন লোকটা ।
অথচ একটা প্রজন্ম না যেতেই পুরো ব্যবস্থাটাই কেনো বিগড়ে যেতে বসেছে সেটাই চিন্তা করছেন। শুরুটা সম্ভবত ফুল নিয়ে হয়েছিলো ।
কিশোর-যুবকরা তাদের সংগিনীদের ফুল দিতে চায় । সবাই সুখী হবার কারনে ফুল চাহিদা খুব বেড়ে গিয়েছিলো ।
ফুলচাষীটা আবার তাদের মতো করে ছোট আকারে টাকার প্রচলন শুরু করলো । কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রন অবশ্য ব্যপারটা জানার আগেই অনেক দেরী হয়ে গিয়েছিলো ।
ফুলচাষীদের হাতে তখন অনেক টাকা। জন্ম নিলো মাঝের দালাল শ্রেনী তারা ফুলচাষীদের চাটুকার ।
ফুলচাষীরা নিজেদের মহান ভেবে অহংকার করা শুরু করলো ।
তাদের ছাড়া প্রেম অচল ।
রিপ্রডাকশন বিষয়ে নীতির কোন তোয়াক্কাই করলো না তারা ।
কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রন তাদের সামনে নতজানু হয়ে গেলো শুধু মাত্র নরম মনের মানুষেরা সেখানে ছিলো বলে ।

স্বর্গের উল্টো পিঠে নরক থাকে -- এটার মতোই যেসব উঠে গিয়েছিলো তা আজ আরো ভয়ানক রুপে ফেরত আসতে শুরু করেছে ।

তরুনদের সাথে এখন বুড়োরাও পিছিয়ে নেই । তারা মরার ভয়ে হেন কোন কাজ নেই যে করছে না । মরার আগে সমস্ত কিছুর অভিজ্ঞতা তাদের নিতেই হবে ।

~~~


মধ্যবয়স্ক লোকটি ভেবেই চলছেন -- আর সুন্দর কোন কিছু ধ্বংস দেখার অভিজ্ঞতায় নির্জীব বোধ করছেন কিছুটা --
চোখের কোন দিয়ে দেখলেন ১৬-১৭ বছরের কয়েকটা ছেলে-মেয়ে গল্প করতে করতে উঠে আসছে ।

~~~

"এই দেখ আরেকটা বসে আছে এখানে" উচ্ছল টাইপের একটা মেয়ে বলল।
বিরক্তির ছাপ পড়া চেহারার একটা ছেলে বলল - "ধুর! আমার সব বোরিং লাগছে"
নেতা গোছের যে ছিলো সে বলল "তাহলে যা - এইবার তোর পালা"

চকচকে একটা ছুরি হাতে ছেলেটা এগিয়ে যায় তার একঘেয়েমি দূর করার আশায় ।


~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
প্রাককথন:
প্রতিকাব্য: হাত খরচের জন্য জংলীফুল -- এই লেখাটার উৎস।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29018543 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29018543 2009-10-01 13:08:43
অবশেষে তিমি দর্শন <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> তিমি দর্শন উপক্রমনিকা

ঘুম থেকে উঠে আবার ক্ষুধা লেগে গেলো । ফ্রেন্চ টাইপে রান্নায় দেখলাম ক্রিমের ব্যবহার অনেক বেশি । আর যেটুকুই রান্না করে , যত্ন করে আর সুন্দর ভাবে পরিবেশন করে ।
এখানে একটা মজার ব্যাপার বলা ভালো -- এ ধরনের ফ্রেন্চ প্রচলিত অন্চলে আমারই সবচে ইংরেজি জানা লোক <img src=" style="border:0;" /> । ফ্রেন্চ ভাষা বেশ চমৎকার --
কার বই এ পড়েছিলাম -- বাংলা হলো উপমহাদেশের ফ্রেন্চ --
যদিও কোন মিল খুজে পাই নাই -- ফ্রেন্চ বলার মধ্যে লালিত্য আছে একটা -- এক্সোটিক । তো আমরা বেশ ভাব গম্ভীর ভাব নিয়ে লোকজনের সাথে কথা বলছিলাম -- আর কথায় কথায়
"মার্সি" "মার্সি" । "বনজোর" আর "মার্সি" পর্যন্তই আমাদের ফ্রেন্চের চালান । কালো চামড়া লোক তাদুসসাকের যাওয়ার রাস্তার মধ্যে একটাও নজরে পরে নাই -- আমরাই একমাত্র নিদর্শন -- প্রথমে ভেবেছি লোকজনের ব্যবহার কেমন না কেমন হবে -- ভুল ভেবেছিলাম । মানুষজন খুবই বন্ধুবাৎসল --টুরিজম ই এখানকার প্রধান আয় -- সুতরাং বন্ধবাৎসল না হয়ে উপায় নেই ।

পেটপুজো সেরে এবার ঘুরতে বেরুলাম -- যাওয়ার তো তেমন কোন জায়গা নাই -- তাছাড়া গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিলো । এক জায়গা দেখলাম বেশ হৈ হুল্লোড় হচ্ছে -- আমরাও ভীড়ে গেলাম সেখানে -- লোকজন গিটার নিয়ে গালি গলায় গান গাচ্ছিলো --
ফ্রেন্চ তো জানি না -- সুর গুলো মন্দ না ।
আবার কিছুক্ষন পর ডিজে একটা ভাংগা প্লেয়ার দিয়ে বিভিন্ন ভাষার গান নিয়ে হাজির হলো -- কেউ কেউ দেখলাম নাচ শুরু করে দিসে -- এক লোকের সাথে পরিচয় হলো -- তার কাছে হোটেলে থাকার পয়সা নাই -- মোটর সাইকেলে করে দেশ ভ্রমনে বের হয়েছে -- ফ্রান্স থেকে আসা কিছু পোলাপানের সাথে কথা হলো ।
এরপর শুরু হলো যেটা কখনো দেখবো বলে ভাবিনি --
"বেলী ডান্স" । তবে ইরোটিক কিছু না -- ভদ্র গোছেরই বলা যায় -- আমার তো আক্কেল গুরুম অবস্থা -- <img src=" style="border:0;" /> B<img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> । কোন এক ফ্রেন্চ কাউন্টিতে এসে বেলী ডান্স দেখবো স্বপ্নেও ভাবিনি ।
তারপর শুরু হলো সামনের ইয়ার্ডের আগুনের খেলা -- ওরা আসলে এত দূরে আসা আমাদের মতো পাবলিকদের এন্টারটেইন করতে চায় ।
কাল সকালে উঠতে হবে তাই তাড়াতাড়ি ফেরত এসে ঘুমিয়ে পড়লাম ।

সকালে উঠেই টিকেট কেটে সোজা জাহাজে। বেশ বড় জাহাজই ।২০০ জনের এরেন্জমেন্ট । মেঘলা আবহাওয়া ক্যান্সেল করে দিবে কিনা চিন্তা করছিলাম । এর মধ্যে গাইড কে প্রশ্ন করে করে অস্থির করে ফেল্লাম দুজনে --- কোন আবহাওয়া তিমি দেখা যায় -- ও কই থাকে -- টুরিষ্ট সিজন শেষ হলে কি করে -- কতদূর যাওয়া লাগবে তিমি দেখতে যেতে -- কোন কোন ধরনের তিমি দেখা যায় -- ছেলেটা বেশ আন্তরিক ভাবেই উত্তর দিলো ।

জাহাজে সবাই ক্যামারা নিয়ে রেডি। ছবি তোলার উৎসব শুরু হয়েছে -- আমি তাড়াতাড়ি জাহাজের পিছনের দিকে ছাউনীর কোনায় একটা সুবিধা মতো জায়গা ঘাপটি মারলাম । কারন পূর্বঅভিজ্ঞতা থেকে জানি শেষে ভীড়ে কাছে ঘেসা যাবে না । তাছাড়া বড় বড় ঢেউ ছিলো -- এটা মোহানার মধ্যে হলেও অপর পাড় দেখা যাবার প্রশ্নই উঠে না -- মাঝ সাগরে মতো লাগছিলো -- কেউ কেউ দেখলাম দুলুনী সহ্য করতে না পেরে সীটে আশ্রয় নিয়েছে -- জাহাজে মন্ট্রিয়াল থেকে আশা কিছু বাংগালী আর ভারতীয় ছিলো -- এরা দিনের ট্রিপ সেরে দিনেই ফিরে যাবে ।


আধ ঘন্টা চলার পরই এনাউন্সেমেন্ট এলো -- ঘড়ির কাটার ১ টার দিকে একটা তিমিকে শ্বাস নিতে দেখা যাচ্ছে --
বলা মাত্র সব হুড়মুর করে এক দিকে এসে পড়লো। প্রথমে বুঝতে পারিনি -- ১:০০ টা ৫:০০ টা -- ৭:০০ টা বলে কি বোঝাতে চাইছে -- আসলে জাহাজের নাকটাকে ১২ টা ধরে ওরা ঐ দিকে দেখতে বলছিলো --- তারপরই দেখলাম একটা তিমি কে শ্বাস নিতে -- জাহাজ থেকে ২০০ মিটার দূরে হবে ।
ছোট খাট বাষ্প ইন্জিনের মতো ফোস করে শ্বাস ছাড়ছে ।









ছবি তুলতে গিয়ে মুশকিল হলো - - দেখতে দেখতে শ্বাস নিয়ে ডুবে যায় তিমি গুলো <img src=" style="border:0;" /> -- একটাও পোজ দেয় না ঠিক মতো ।
বাচ্চার মতো খেলা করছে একেকটা -- আবার একটা জাহাজের পাশ দিয়েই বের হয়ে গেলো ব্রেষ্ট ষ্ট্রোকের ভংগীতে । <img src=" style="border:0;" />
বিশাল সাইজ দেখে অভিভূত হয়ে গিয়েছিলাম ।

বেশীর ভাগ তিমিই মিংকি , কয়েকটা হাম্পব্যাকে কথাও বলল -- আমাদের অনভিজ্ঞ চোখে অবশ্য সব গুলো একরকম লাগছিলো । একটা তিমি অবশ্য বাচ্চা নিয়ে এসেছিলো -- একটা সীল ও চোখে পড়লো ।
জাল দিয়ে না ধরি -- ক্যামারা আর চোখ দিয়ে বিশাল প্রানী গুলো বন্দী করে ফেলেছি <img src=" style="border:0;" />

ভিডিও :


আমাদের জাহাজ এখান থেকে ওখানে বাচ্চাদের মতো ছোটাছুটি করছিলো । একটা তিমি ১ বার শ্বাস নিয়ে ২০-৪০ মিনিট পানির নিচে ডুব দেয় । সুতরাং ক্যামেরা তাক করে বসে ছাড়া আর গতি নাই -- শেষে দেখলাম ছবি তুলতে গেলে আমার দেখাই হবে না ঠিক মতো -- তাই ধুত্তরি ছাই বলে
ওদের খেলা দেখলাম ।

আমাদের নদীতে যারা শুশকের ডুব দেখছেন -- তেমনই -- আরো অনেক বড়ো ভার্শন আর কি ।

তিমির বাচ্চাটা দেখে ছোট বেলায় পড়া "তিমির প্রেম" বইটার কথা মনে পড়লো । কি হৃদয়বিদারক কাহিনী ছিলো ।

বড়ো বড়ো ঢেউ এসে ভিজিয়ে দিছ্ছিলো আর খোলা বাতাসে ঠান্ডাও লাগছিলো -- শেষের দিকে জাহাজের দুলুনীতে একটু খারাপ লাগা শুরু হলো -- ততক্ষনে খেলা শেষ --
ফেরার পথে চুপচাপই বসে রইলাম দারুন একটা অভিজ্ঞতা সংগী করে ।

বাড়ী ফেরা পথ নির্ঝন্জাট ই কাটলো । তখন ঐ পাহাড়ের উপর থেকে সাগর দেখার রাস্তাটা ভিডিও বন্দী করে ফেল্লাম ।



ছোটবেলা অনেক কিছু ইচ্ছে করতো -- আমাজন যাবো --
কিংবা আফ্রিকা । মিশরের পিরামিড , তাহিতির নীল সমুদ্র ,
হাওয়াই এর বিশাল ঢেউ -- বৈকাল হ্রদ , অষ্ট্রেলিয়ার রং বদলানো পাহাড় -- গ্রান্ড ক্যানিয়ন --- আরো কতো কিছু । তিমি দেখার ও স্বপ্ন ছিলো -- বয়স একটু বাড়ার পর বুঝলাম স্বপ্ন আর বাস্তবের মতো বিস্তর ফারাক করে রেখেছে টাকা-পয়সা।
তিমি দেখতে পারবো সত্যি সত্যি ভাবিনি কখনো । এখন মনে হচ্ছে আরে হতেও তো পারে -- বাস্তব মাঝে মাঝে দু:স্বপ্নের চে খারাপ হতে পারে -- আবার তেমনি হতে পারে স্বপ্নের চে রংগীন ।
<img src=" style="border:0;" />

তাজমহল আর চীনের প্রাচীর দেখা হয়েছে -- কোন একদিন মিশরের পিরামিড ও দেখে ফেলতে পারি !! কে জানে --
এখন যদি অসম্ভব মনে হচ্ছে অনেক কিছুই ।
কে জানে ভবিষৎ এর গর্ভে কোন লুকানো উপহার রাখা আছে ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29013289 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29013289 2009-09-20 01:32:32
তিমি দর্শন -- উপক্রমনিকা <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> লাইব্রেরীতে বই আনার সময় প্রানী সম্পর্কিত বিশ্বকোষ গুলো নিয়ে আসতাম । ইয়া মোটা মোটা বই গুলো থেকে বেছে নানা ধরনের অদ্ভুত সব প্রানী সম্পর্কে জানতে দারুন লাগতো ।

আমার আশে পাশের পোলাপান গুলোও একটু অদ্ভুত ছিলো -- আমাদের মাথায় খেয়াল চাপলো "পথ প্রদর্শনের" । তখনো শহরের বড় রাস্তায় যাওয়ার অনুমূতি মিলেনি । এই বাড়ীর উঠান ঐ ক্ষেতের আইল ধরে -- অচেনা রাস্তায় বেড়ানোই আমাদের বিশ্বভ্রমন <img src=" style="border:0;" /> । একদিন বেড়াতে বেড়াতে একটা আমের আটি থেকে আমের চারা উঠতে দেখলাম । আমার মাথায় জেনো শত ওয়াটের বাতি জ্বলে উঠলো -- জন্ম নিলো আমাদের নিজস্ব বাগান <img src=" style="border:0;" /> -- এর বাড়ী থেকে ওর বাড়ী থেকে
আমের চারা -- জামের চারা -- লিচুর চারা সব এনে জড়ো করতে লাগলাম -- সে বয়সেই বুঝে গেছিলাম যৌথ কারবার খুব ভালো বুদ্ধি নয় -- সুতরাং ছোট চাচাত ভাই কাম বন্ধু নিজের ভাগের গাছ গুলো নিয়ে আলাদা হয়ে গেলো --
এরমধ্যে আমাদের টারজান কাম অমিতাভ বচ্চন জ্যাঠাতো ভাই নিজের আলাদা বাগান গড়ে তুলল -- তার এক্সেস দুনিয়া জোড়া -- খালি হাতে সে দোতলা বিল্ডিং এর উপরে উঠে যেতো <img src=" style="border:0;" /> -- আমরা তাকে ঈর্ষা আর ভয়ের চোখে দেখতাম <img src=" style="border:0;" />।
সে বাগান আবার ডাকাতের খপ্পরে পড়েছিলো -- সে আরেক কিছ্ছা ।
বাগানের শখের কিছু পরে নিজস্ব প্রানী শালা গড়ে উঠলো আমার -- রাজহাস , গিনিপিগ , মুরগী , ছোট কুকুর, বাজারিগার , গাপ্পি ফিশ , গোল্ড ফিশের অদ্ভুত জগত ছিলো আমার ।

ধান ভানতে শিবের গীত গেয়ে ফেললাম --- মূল কথা ছোট বেলা থেকেই পশুপাখী দেখার-জানার শখ ছিলো আমার।
তাই গত বছর সোহান যখন বলল "তিমি দেখতে যাবে নাকি মামা" --- লাফিয়ে উঠলাম ।
পাগলামীর ঝোকটা এত বয়সে একটু কমেনি -- শুধু খালি সাকো নাড়াবার অপেক্ষা <img src=" style="border:0;" />।
তো হঠাৎ মধ্যেরাতে দিলাম রওনা -- গন্তব্য তাদুসসাক (tadoussac) Click This Link ৮০০ কিমি ড্রাইভ শুধু যেতেই । কানাডার পূর্ব পাড়ে সেন্ট লরেন্ট রীভারের তীরে ছোট একটা গ্রাম কাম টুরিষ্ট স্পট । রাতে বেলা ড্রাইভ করতে দারুন লাগে -- আমরা দুই টেকনো প্রেমী গানের সুরে মাতোয়ারা -- পিছনের কালো আন্ধার -- সামনেও তাই --
রাতে দারুন একটা রোমান্চ আছে -- অচেনা গন্তব্য -- অদ্ভুত লাগছিলো...।

মন্ট্রিয়ালের ধারে কাছে আসতেই দেখি শপিংমল আর শপিংমল -- বিশাল শহর -- আর একটার পর একটা একটা টো ট্রাক যাচ্ছেই খালি --
মন্ট্রিয়াল শহরটা আবার প্যাচের -- হাইওয়ের কোন ঠিক ঠিকনা নাই -- আর লোকজন ১২০ কিমি স্পিডে বাম্পার টু বাম্পার গাড়ী চালায় <img src=" style="border:0;" /> । বিপদজনক !!

পরবর্তী গন্তব্য কুইবেক সিটি --
সেখানে পৌছাতে পৌছাতে রাত চারটা -- আমি তখনো চার্জড -- রাতজাগা পাবলিকদের রাতেই সব মজা --- বাড়ী থেকে দূরে যাবার আনন্দে আমি বাতাস শুকছি ।তো তখন আমরা ভাবছি এই তো এসে পড়েছে -- আর ২০০ কিমি কোন ব্যাপারই না --
ব্যাপার না কি ব্যাপার এটা একটু পরেই টের পেলাম --
রাস্তা পুরো পাহাড়ের উপর দিয়ে -- এত খাড়াই যে -- দেখতে পাচ্ছি গাড়ী নিয়ে সরাসরি মেঘের ভিতরে ঢুকে যাচ্ছি <img src=" style="border:0;" /> ।
আরো বিপদজনক ব্যাপার হচ্ছে -- আমার তখন পেয়েছে ঘুম -
আমি চিন্তা করছি -- আর তো ৬০-৭০ কিমি -- দেখতে এসে পড়বে --- কয়েকবার প্রায় ঘুমিয়ে পড়তে পড়তে উঠে পড়েছি <img src=" style="border:0;" /> -- পড়ে বুঝেছিলাম -- এমন করা উচিত হয় নি -- নেহাত সকালে কোন ট্রাফিক ছিলো না বলে --

যাই হোক -যাওয়ার পথেই একটা অবিস্মরনীয় দৃশ্য দেখতে পেলাম -- গাড়ী তখন পাহাড়ে উচুতে -- নিচেই বিশাল নদী (আসলে ঠিক নদী না - ঐ পাড় মনে হয় ৫০ কিমি দূরে )
কি অসাধারন -- বলে বোঝানো যাবে না !!
তাদুসাকের রাস্তার সাথে রাংগামাটির হালকা একটা তুলনা করা যায় --- শুধু কল্পনা করেন -- নিচের উপত্যাকার জায়গা সাগর হলে কেমন লাগবে -- তেমন বাক খাওয়া রাস্তা -- সবুজ আর সবুজ ---
মাঝে কিছু ভেড়াও চড়ছে(!)-- বিনে পয়সায় সুইজারল্যান্ডের ফিলিংসটাও নিয়ে নিলাম <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />।

তো এমন করতে করতে মোটামুটি তাদদুসাক এর কাছাকাছি এসে নেতিয়ে পড়লাম -- গাড়ীতে ফুয়েলও নিতে হবে --
দোকানী কে জিগ্গেস করলাম --- বেচারী আধা ইংরেজী আধা ফ্রেন্চে ধমকের শুরে বলল -- "তাদুসসসসেক" আরো ৩৭ কিমি আছে । টয়লেটে ঘুরান দিতে গিয়ে মজার জিনিস দেখলাম -- কানাডাতে একটা জোক প্রচলিত আছে -- ১৯৭০ এর দিকে কুইবেক আলাদা হয়ে যেতে চেয়েছিলো -- তো এখন মানুষ জোক করে -- কুইবেক আলাদা হলে ওদের প্রধান রপ্তানী দ্রব্য কি হবে -- "পর্নো ইন্ডাষ্ট্রি"!! <img src=" style="border:0;" /> টয়লেটের দরজায় ওপেনলী সাটা সেসব কাটিং দেখে ঐ জোকটার মর্ম বুঝেছিলাম <img src=" style="border:0;" />।

ফেরী দিয়ে নদী পাড় হয়ে তাদুসসাক দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম -- নদীর উপরে পাহাড়ে ঢালুতে ছোট্ট একটা গ্রাম ।
পৌছে পরলাম হোটেল খোজার মুশকিলে -- যে কোন ভাবে ঘুমাতে হবে -- সোহান কে বল্লাম যা খুজে আয় -- ৫-৬ জায়গায় দেখা পর দেখা গেলো ভাড়া আমাদের ট্যাকের জোরের চে অনেক বেশী -- শেষে আমি গর্বিত সুরে বল্লাম বাংলাদেশের কোনায় কোনায় হোটেল খুজে বের করে ফেল্লাম আর এখানে পারবো না -- কপালগুনে একটা দারুন সুন্দর রিশেপসনিষ্টকে পটিয়ে রুম মেনেজ করে ফেল্লাম -- তাও সেটা পাওয়া যাবে ২ টা বাজে --
এতক্ষন কি করবো -- গেলাম খেতে -- আহা ফ্রেন্চ স্যুপ আর কেবেট ব্যাং ব্যাং ( এটা আসলে চিড়িং টা বিস্কুটের গুড়া দিয়া ভাজি, ব্যাং না <img src=" style="border:0;" />) গ্রোগ্রাসে গিলাম --
রুমে ফিরে ঘুম ----
এক ঘুমে রাত ৮ টা ।

বেশী লম্বা হয়ে গেলো -- পরের পর্বে সামাপ্য । <img src=" style="border:0;" />

ছবি গুলোর জন্য আমার বন্ধুর কাচা হাতই দায়ী -- ছবি তোলার মুন্সিয়ানাটা(!) উপেক্ষার করা অনুরোধ রইলো-- অবশ্য ভোর সকালের মেঘালা আবহাওয়াও দায়ী এর জন্য












এই সেই তাদুসসাক





উৎসর্গ : ইয়া খারেজি --- এই পোষ্ট খানা ইতং বিতং অনেক কিছু লিখে ফেল্লাম -- নেহাত স্মৃতিচারন করতে মজা লাগছিলো বলে । পরের পর্বে তিমি ধরার (!) ছবি <img src=" style="border:0;" />। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29012927 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29012927 2009-09-19 11:46:42
জন্মতারিখের রহস্যময় গুন, ১০০০০ ঘন্টার রেসিপি ইন্টারেষ্টিং টপিক -- কিন্তু সময় বের করতে পারছিলাম না + আর আলস্যের কারনে দেরী হয়ে গেলো।

আউটলায়ারসে অনেক ডিটেলে এই সব বিষয়গুলো দেয়া আছে এবং খুব চমকপ্রদ ভাবে । আমি শুধু যেগুলো আমার কাছে দারুন মনে হয়েছে সেগুলো তুলে ধরছি ।

জন্মতারিখের ম্যাজিক: দারুন সব খেলোয়াড় , অসাধারন গনিতজানা স্কুলবালক,সারা দেশে স্কুলের মেধাবী ছাত্র এদের মধ্যে জন্মতারিখের একটা বিশেষ ভুমিকা দেখা যায় । আমি প্রথম মনে করেছিলাম -- রাশি সংক্রান্ত কোন ব্যাপার হবে মনে হয় ।আসল ব্যাপারটা আরো বিচিত্র ।কানাডিয়ান হকি খেলেয়োড় দের মেজর লীগে যারা খেলে তাদের বয়স বিশ্লেষন করে দেখা যায় ৪০% খেলোয়ার জানুয়ারী, ফেব্রুয়ারী অথবা মার্চে জন্মগ্রহনকারী । কারনটা কি -- ? সেই সময় উইন্টার থাকে ? না ।
এটাকি কো নির্দিষ্ট সালের কথা বলা হচ্ছে ? না । প্রত্যেক বছরই জন্মমাসের এই শুভ/অশুভ প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে ।
এখানে বলে রাখা উচিত -- মেজর জুনিয়র লীগ যারা খেলে --তারা হচ্ছে বেষ্ট অফ দা বেষ্ট অফ বেষ্ট । সারাদেশের সেরা সব খেলোয়ারদের এখানে জড়ো করা হয় ।
কারনটা হচ্ছে একটা সিম্পল তারিখ সংক্রান্ত -- জানুয়ারীর ১ তারিখে যাদের বয়স ১০ হয়েছে -- কেবল তারাই জুনিয়র হকিলীগে চান্স পায় ।
যারা জানুয়ারী ১ তারিখের পরে জন্ম তারা পরের বছর চান্স পায় । ধরা যাক একটা ছেলের জন্ম জানুয়ারীর ৪ তারিখে -- সে এই বছর ১ লা জানুয়ারী ১০ হবে না -- পরের বছর সে হবে ১০ বছর ১১ মাস ।
এমন না কেউ সচেতন ভাবে কাজটা করেছে কিন্তু সব কোচ
সিলেক্ট করে বড় বড় ছেলেদের । আর অতিরিক্ত ১ বছর খেলার কারনে তারা সুবিধা পায় ও বেশী ।

ইউরোপিয়ান ফুটবল লীগেও একই চিত্র।

মজার ব্যাপার হচ্ছে -- এমন তারিখ তৈরী করে দিয়ে আমরা নির্দিষ্ট কিছু সংখক আউটলায়ার তৈরী করছি ।
যদি কোন ন্যাচারাল সিলেকশন হতো --তবে দেখা যেতো যে সারা বছর জুড়ে জন্ম নেয়া ছেলেপেলেরাই খেলতে পারতো ।

এখানে একটা ইন্টারেষ্টিং ব্যাপার দেখা গেছে পৃথিবী ঘুরে -- কাট অফ ডেটে আসে পাশেই -- বেষ্ট অফ দা বেষ্ট দের জন্ম <img src=" style="border:0;" /> । আমরা মনে করি -- সাকসেসফুল হওয়াটা ব্যক্তিগত প্রতিভার ঝলকানি । কিন্তু আমরাই কাটঅফ ডেট তৈরী করে এর দূর্বলবাচ্চাদের ঝুকির উপরে ছেড়ে দিচ্ছি না ?
বিশেষ করে স্কুলিং সিষ্টেমে এই কাট-অফ ডেট গুলো বন্ধ করা খুব জরুরী ।

১০০০০ ঘন্টা রুল এবং জন্মসাল রহস্য :
কোন ব্যাপারে মাষ্টার হবার জন্য পরিশ্রম করা ছাড়া গতি নাই ।
কিন্তু কতোটুকু পরিশ্রম করলে আসলে মাষ্টারী অর্জন করা যায় -- ? রকষ্টার , চেসপ্লেয়ার, খেলোয়াড়, বিলিয়নিয়ারদের জীবনী ঘেটে ১০০০০ ঘন্টা রুলটা বের করা হয়েছে ।
ধরা যাক বিটলসকেই -- হামবূর্গে তারা ১০০০০ ঘন্টা বাজানোর পর তারা বিখ্যাত হয়েছিলো -- যেখানে সাধারন কোন ব্যান্ড সারাজীবনেও ১০০০০ ঘন্টা বাজায় না ।
তাদের হামবূর্গ যাওয়া ইতিহাসটাও বিচিত্র -- নেহাত কাকতাল বলা যায় । বিটলস যদি হামবূর্গে ১০০০০ ঘন্টা না বাজাতো -- তবে আমরা এই বিটলসকে পেতাম কিনা সন্দেহ ।
বিলগেটসের জীবনী ঘাটলেও আমরা ১০০০০ ঘন্টা রুল দেখতে পাই । একি কথা মোৎসার্ট বা ববিফিশারের বেলায় সত্য ।
তবে ইন্টারেষ্টিং ব্যাপার হচ্ছে হিষ্ট্রির মোচরটা --
অনেকটা সেই কাট-অফ ডেটে মতো --

বইটাতে একটা লিষ্টি দেয়া হয়েছে -- আজ পর্যন্ত সারা দুনিয়ায় সর্বকালের সবচে বেশী সম্পদশালী ব্যক্তিদের। <img src=" style="border:0;" />
লিষ্টে এসেছে -- ফারাও, কিওপেট্রে থেকে শুরু করে হাল আমালের আম্বানী, বিল গেটস রাও ।
লিষ্টটা অবশ্য তৈরী করা হয়েছে এখনকার দিনে টাকার সমমূল্যে ।
শীর্ষে আছে জন ডি রকফেলার (৩১৮ বিলিয়ন)
২নং এ্যান্ড্রু কার্নেগী (২৯৮ বিলিয়ন)
৩নং ওসমান আলী খান (২১০) (হায়দ্রাবাদ)
১১ নং আমেনোফিস (১৫৫ বিলিয়ন) প্রাচীন মিশর
২১ নং ক্লিউপেট্রা (৯৫ বিলিয়ন)
২৭ নং সুলতান বলখিয়া (৮০ বিলিয়ন) ব্রুনাই
৩৭নং বিলগেটস (৫৮ বিলিয়ন)
৪০নং মুকেশ আম্বানী (৫৫ বিলিয়ন)
৪২নং লক্ষী মিত্তাল (৫২ বিলিয়ন)

[আমার যেসব ইন্টারেষ্টিং মনে হলো সেসব দিলাম বিস্তারিত নিচের ডাউনলোড লিংকে আছে ]
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
তো যাই হোক এই ৭৫ জনের লিষ্টের সবচে চমকপ্রদ ব্যাপার হচ্ছে এই লিষ্টে ১৪ জন ধনী আমেরিকার ১৮৭০ দশকের ।
যারা এখনো ধরতে পারেন নি তাদের জন্য -- সারা দুনিয়ার সর্বকালের লিষ্টে ২০% ধনী একটা দেশের আর একটা নির্দিষ্ট সময়ের !!!
কারনটা আর কিছুই না -- সেই কাটঅফ ডেট আর বার্থ ডে রুল ।
সেই ১৪ জনের জন্ম ১৮৩০ দশকে । ১৮৭০ এর দিকে আমেরিকাতে ব্যাপক শিল্পায়ন ঘটে -- রেল রোড , ওয়ালষ্ট্রীট , ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ম্যানুফ্যাকচারিং । যারা সেই সময়ে সদ্ব্যবহার করতে পারছে তারাই অন্যতম ধনী হতে পেরেছে।

~~~~~~~~~~~~
পার্সোনাল কম্পিউটারের হিষ্ট্রিতে সবচে রিভিলুশনারী দিন ছিলো জানুয়ারী ১৯৭৫। আল্টেয়ার৮৮০০ বিশ্বের প্রথম মিনি কম্পিউটার ছিলো ।
এবার আসুন বর্তমানের সিলিকন ভ্যালীর মোগলদের ধরা যাক - > বিলগেটস, জন্ম ১৯৫৫ মাইক্রোসফট
পল এলেন , জন্ম ১৯৫৩ মাইক্রোসফট
ষ্টিভ বালমার , জন্ম ১৯৫৬ মাইক্রোসফট
ষ্টিভ জবস , জন্ম ১৯৫৫ এ্যাপল
এরিক ষ্কিম্ডট, জন্ম ১৯৫৫ গুগল
সান মাইক্রোসিষ্টেমের চারজন ফাউন্ডারের জন্ম ১৯৫৫।

কারন সেই সহজ -- ১৯৫৫ আশে পাশে জন্ম হলে যখন পৃথিবী প্রথম মিনি কম্পুটারটা বের হলো -- সেটা নিয়া সদ্য স্কুল থেকে বের হওয়া ছেলেদেরই খেলা করা সহজ ছিলো -- পরে জন্মালে তুমি এখনো স্কুলে -- আর আগে জন্মালে তুমি চাকরী নিয়ে ব্যস্ত ।

~~~~~~~~~~~~~~~

যাক এতক্ষনে আউটলায়ার বইয়ের মোটামুটি একটা আইডিয়া দিতে পারলাম -- যে সাফল্য পাওয়া মোটেই ব্যক্তিগত ব্রিলিয়ান্সের উপর বর্তায় না -- বরং সেই সময় সেই যুগ ।সাথে ১০০০০ ঘন্টার পরিশ্রমও থাকতে হয় ।
আউটলায়ার তারাই যারা সাধারনের বাইরে সাফল্য পায় ।
তাদের রহস্য উদ্ধার করা জন্যই এই বই।


..:: ডাউনলোড ::..


আউটলায়ারস -- ১
Click This Link


লেখকের সাথে বই নিয়ে আলোচনা দেখুন -

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29008473 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29008473 2009-09-11 07:27:07
আউটলায়ারস ( Outliers ) -- চেনা জগৎ অচেনা ব্যাখা ।
লেখকের হচ্ছেন ম্যালকম গ্ল্যাডওয়েল ( Malcolm Gladwell ).
The Tipping point আর blink তার আরো দুটা বিখ্যাত বই ।
বইটা পড়ে বেজায় আনন্দ পেয়েছি -- কারন আমিও কিছু এই লাইনে চিন্তা করতাম -- তবে যা চিন্তা করতাম -- তার ব্যাখা পাওয়া দারুন আনন্দের ব্যাপার -- তাই জাতির জন্য কিছু উপকার করে রিভিউ কাম জিষ্টটা লিখতে চাচ্ছি --

ভূমিকা : বইটা শুরু হয় পেনেসিলভানিয়ার এক পাহাড়ের নীচে ছোট এক শহর থেকে । শহরের নাম রোজেটো । ১৯৫০ এর দিকে রজেটো ছিলো একটা ছোট গ্রামের মতো শহর । বাসিন্দারা সব উত্তর ইটালী থেকে আসা ইমিগ্রেন্ট । ঘটনাক্রমে এক বিচিত্র একটা প্যাটার্ন লক্ষ করা যায় রজেটোতে -- এই শহরের মৃত্যু হার -- গোটা আমেরিকার ৩০-৩৫% কম !!

১৯৫০ এর দিকে হার্ট এ্যাটাককে মহামারী মনে করা হতো । ৬৫ এর নিচে পুরুষের মৃত্যুর হার সবচে বেশী তখন হার্ট এ্যাটাকে ছিলো আমেরিকাতে। সেখানে রজেটো তে ৫৫ এর নিচে কারোই হৃদরোগ ছিলো না । তো যেই ডাক্তার এটা লক্ষ করলেন তিনি এর পিছে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন । প্রথমেই তিনি দেখলেন তাদের খাদ্যাভাস -- তারা ওল্ড ওয়ার্ল্ড থেকে কিছু ভেষজ বা ফর্মূলা নিয়ে এসেছিলো কিনা । ঘটনা ক্রমে ১৮০০ শতকের শেষের দিক থেকে ইটালীর পুরোনো ছোট গ্রাম রজেটো থেকে সব অধিবাসীরা নতুন রজেটোতে এসেছিলো ,কারন তারা ছিলো খুব গরীব। পুরনো রজেটোও ছিলো একটা পাহাড়ের নিচে-- নতুন শহরটা তারা তৈরী করেছিলো পুরোনো রজেটোর আদলে । সেই ডাক্তার খুজে পেতে দেখলেন -- ইটালীতে তারা হেলথী জলপাই তেলে রান্না করে খেতো -- যেখানে নতুন রজেটোতে লার্ড দিয়ে রান্না করে , আর খাদ্যভাসেও গড়পড়তা আমেরিকানদের তুলনায় কোন হের ফের নেই ।
পরে তিনি ভাবলেন -- হয়তো পরিবেশের কারনে -- ছোট পাহাড় তার সুস্থ আবহাওয়ার কারনে -- তিনি এই পাহাড়ের আশেপাশে আরো সেটলম্যান্ট দেখলেন --- ইউরোপের অধিবাসী দিয়ে পূর্ণ দুটা শহর । কিন্তু না -- সেখানেও কিছু মিল্লো না -- ঐ দু শহরের মৃত্যু হার রজেটোর ৩ গুন ।
তিনি পুরোনো রজেটোরিয়ানদের মধ্যে যারা পেনেসিলভানিয়ার বাসিন্দা না কিন্তু আমেরিকাতে থাকে তাদের খুজে বের করলেন । তারাও কি এত চমৎকার স্বাস্থ্যের অধিকারী ? ---- না ।
সেই ডাক্তার দারুন কিছু খুজে বের করার আসায় তার ছাত্র আর কলিগ নিয়ে পুরো রজেটোর পূর্নবয়স্ক মানুষদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে সব রেকর্ড করেছেন । এদের মধ্যে অবিসিটিতে আক্রান্ত মানুষ গড়পরতা আমেরিকার মতোই ।
সবকিছু দেখার পর তিনি সিদ্ধান্তে আসলেন --- রজেটোর অধিবাসীদের কোন গুপ্ত মন্ত্র নেই । এরা কোন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মরে না -- এরা বুড়ো হয় তারপর স্বাভাবিক ভাবে মারা যায় । এদের এই চমৎকার স্বাস্থ্যের পিছনে রয়েছে -- রজেটো শহরটা নিজেই । রজেটেরিয়ানরা -- একই ছাদের নিচে তিন পুরুষ ধরে থাকে । রাস্তায় দেখা হলে তারা নিজের সাথে গল্প করে অনেকখন । বাড়ীর সামনের রোয়াকে বসে আড্ডা দেয় । এই ডাক্তারে উপলব্ধি হৃদরোগের মোকাবেলায় নতুন করে ভাবাতে সাহায্য করেছে মেডিক্যাল সোসাইটি কে । এত দিন পর্যন্ত আমরা কতটুকু ব্যায়াম করবো, কি খাবো , পুর্বপুরুষের জীন এই সব নিয়ে চিন্তা করতাম । সামাজিক সম্পর্ক আমাদের স্বাস্থ্য কি ভূমিকা রাখে --সেটা নিয়ে কেউ চিন্তা করেনি । সামাজিক সম্পর্ক হাসি-ঠাট্টা আড্ডা দারুন সুস্থ রাখে আমাদের ।

এই রজেটোই হলো আউটলায়ার । আর এখানে আমাদের বই শুরু ।

পরের পোষ্ট গুলোতে সংক্ষেপে আরো দারুন সব বিষয় উঠে আসবে । আপাতত এটুকুই ।

out·li·er
* Pronunciation: \-ˌlī(-ə)r\
* Function: noun
* Date: 1676

1 : something (as a geological feature) that is situated away from or classed differently from a main or related body
2 : a statistical observation that is markedly different in value from the others of the sample





..:: ডাউনলোড ::.. ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29001623 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/29001623 2009-08-29 22:39:34
দ্য সিকার । The Seeker :: প্রিয় কিছু গানের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা।
আমি ঠিক হু এর ভক্ত বলা চলে না । এই গান আর মাই জেনারেশন খুব ভালো লাগে।
আগে গানের পোষ্ট দিতাম শুধু লিরিকস দিয়ে আর লিংক দিয়ে । এখন দিন পাল্টেছে তাই একটু ইনিয়ে বিনিয়ে কিছু বলা ।

এই গানটার সাথে আবেগের কোন সম্পর্ক নাই । তবে এটাই পাশ্চত্যের মটো । সাথে আমাদেরও মটো বটে।
গানটা তে তেমন একটা দুর্বোধ্যতা নেই । সেখানেই মনে হয় এর সৌন্দর্য ।

I won't get to get what I'm after
Till the day I die

যতদিন না মরব ততদিন খুজব । অথবা আমি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত যা খুজছি পাবো না ।
আমাদের বাউলিয়ানা কোন ঢং বা সুর --জাতীয় কোন ভংগি নেই । জীবন বিষয়ে কাঠখোট্টা মতবাদ ।

I've looked under chairs
I've looked under tables
I've tried to find the key
To fifty million fables

They call me the Seeker
I've been searching low and high
I won't get to get what I'm after
Till the day I die

I asked Bobby Dylan
I asked the Beatles
I asked Timothy Leary
But he couldn't help me either

They call me the Seeker
I've been searching low and high
I won't get to get what I'm after
Till the day I die

People tend to hate me
'Cause I never smile
As I ransack their homes
They want to shake my hand

Focusing on nowhere
Investigating miles
I'm a seeker
I'm a really desperate man

I won't get to get what I'm after
Till the day I die


I'm looking for me
You're looking for you
We're looking at each other
But we don't know what to do

হু ছিলো ৭০ দশকের প্রভাবশালী ব্যান্ড । সেই আমলে সবই সাইকোডেলিক ছিলো । টিমোথি লিরির কথা যে বলা হলো তিনি ছিলো সাইকোডেলিক ড্রাগের উপকার বিষয়ক প্রবক্তা ।
বিটলস বা ডিলান কেউ এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন নি ।
মানুষ আসলে কি খোজে ?


খুব সাধারন একজন মানুষের কথা । কোন ধরনের দুর্বোধ্যতা নেই ।

I learned how to raise my voice in anger
Yeah, but look at my face, ain't this a smile?
I'm happy when life's good
And when it's bad I cry
I've got values but I don't know how or why




http://www.mediafire.com/file/rdbmmmlioyn/12 - The Seeker.mp3

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
পিংক ফ্লয়েড -- লারনিং টু ফ্লাই

কেউ বলে গিলমোর তখন প্লেন চালানো শিখছিলেন , কেউ বলে গিলমোর তখন পিংকের লিডার হয়েছেন।
যে কারনেই হোক -- আমার কাছে এটা পিংক ফ্লয়েডের সবচে প্রিয় গানের একটা

Into the distance, a ribbon of black
stretched to the point of no turning back
a flight of fancy on a wind swept field
standing alone my senses reeled
a fatal attraction holding me fast, how
can I escape this irresistable grasp?

গানটা প্রথমবার যখন শুনি আর এই মাত্র যে শুনলাম -- অনুভুতি গুলো পার্থক্য করতে পারলাম না । মাঠের মাঝে একা দাড়িয়ে -- ঘাস গুলো সব দুলছে -- উড়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখি -- মাটির পৃথিবী প্রবলভাবে টানে -- কিন্তু আমিতো এখন উড়ছি।

can't keep my eyes from the circling sky
tongue-tied & twisted just an earth-bound misfit, I
ice is forming on the tips of my wings
unheeded warnings, I tought I thought of everything
no navigator to guide my way home
unladened, empty and turned to stone

আর্থবাউন্ড মিসফিট! -- অনিশ্চিত জীবনজাপন কারী মানুষের ভালো বিবরন আর এর চে কি হতে পারে ।

a soul in tension that's learning to fly
condition grounded but determined to try
can't keep my eyes from the -circling- skies
tongue-tied & twisted just an earth-bound misfit, I

একজন উড়ার স্বপ্ন দেখছে -- হয়ত সব কিছুই প্রতিকূল ।
এই লাইনটা গানটা ডিফাইন করে । অপটিমিষ্টিকদের গনসংগীত। যার উড়া সাধ হয় -- তাকে সব কিছু জয় করেই উড়তে হয় । মানুষ যখন কিছু চায় -- তা পাওয়ার সময়ের যে উৎকন্ঠা -- ব্যাকুলতার কথা উঠে এসেছে।


there's no sensation to compare with this
suspended animation, a state of bliss
can't keep my mind from the circling sky
tongue-tied & twisted just an earth-bound misfit, I


গানটা মিউজিক যে লিরিকের কতো কাছাকাছি যেতে পারে এটার উদাহরন । আমার মনে আছে -- আমি ইন্ট্রো শুনেই বুঝতে পেরেছিলাম -- মায়াবী পাখীর চকিত ডানা।

http://www.youtube.com/watch?v=xb-Nacm-pKc


http://www.mediafire.com/file/vymozmw2mvd/Pink Floyd - Learning To Fly.mp3

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

Seven Nation Army - The White Stripes

এই গানটা পুরোপুরিই দূর্বোধ্য --

ট্রিভিয়াতে দেখা যায় জেক হোয়াইট -- স্যালভেশন আর্মি কে সেভেন নেশন আর্মি বলতো ।

গানটা মূলত পছন্দ ভিডিওটা আর গিটার রিফের জন্যে ।


i'm gonna fight 'em off
a seven nation army couldn't hold me back
they're gonna rip it off
taking their time right behind my back
and i'm talking to myself at night
because I can't forget
back and forth through my mind
behind a cigarette
and the message coming from my eyes
says leave it alone

Don't want to hear about it
every single one's got a story to tell
everyone knows about it
from the queen of england to the hounds of hell
and if i catch you comin' back my way
i'm gonna sell it to you
and that ain't what you want to hear
but that's what i'll do
and the feeling coming from my bones says mind your own

i'm going to wichita
far from this opera forever more
i'm gonna work the straw
make the sweat drip out of every pore
and i'm bleedin'
and i'm bleedin'
and i'm bleedin'
right before the lord
All the words are gonna bleed from me and I will THINK no more.
and the stains coming from my blood tell me go back home

গুজব আর মানুষের সীমাহীন অভিযোগের বিরুদ্ধে গিটারের চিৎকার।
দুজনের একটা ব্যান্ড এমন মিউজিক কিভাবে করে --সেটাই আজব লাগে ।
ভিডিওটা আমার দেখা শ্রেষ্ঠতম মিউজিক ভিডিওর একটা।

যারা দূর্বোধ্যতা ব্যাখা দিতে পারেন তাদের জন্য এটা একটা পাজল ।



http://www.mediafire.com/file/zndzjmiejmo/The White Strips - Seven Nations Army.mp3

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
My Own Prison - Creed

আমার কারগার। হুমমম । মানুষের নিজের পাপের ভারে যখন হাটু গেরে বসে তখন এই গানটাই গায় মনে হয় ।
আমাদের আত্মগ্লানির শাস্তি আমরা নিজেদের তৈরী কারাগারেই পাই ।

ভোকালের গলা আর লিরিকের সাথে অপূর্ব মিশ্রন ।
ক্রিডের সবচে প্রিয় গান

a court is in session, a verdict is in
no appeal on the docket today
just my own sin
the walls are cold and pale
the cage made of steel

screams fill the room
alone i drop and kneel
silence now the sound
my breath the only motion around
demons cluttering around
my face showing no emotion
shackled by my sentence
expecting no return
here there is no penance
my skin begins to burn

অন্ধকার ঘর । কবর । যন্ত্রনা ।

so i held my head up high
hiding hate that burns inside
which only fuels their selfish pride
we're all held captive
out from the sun
a sun that shines on only some
we the meek are all in one
i hear a thunder in the distance
see a vision of a cross
i feel the pain that was given
on that sad day of loss

ঘৃনাই কারো কারো খাদ্য । অন্যের ঘৃনাই তাদের হাসি।


a lion roars in the darkness only he holds the key
a light to free me from my burden and grant me life eternally
shouldve been dead
on a sunday morning
banging my head
no time for mourning
aint got no time
so i held my head up high
hiding hate that burns inside
which only fuels their selfish pride
we're all held captive
out from the sun
a sun that shines only some
we the meek are all on in one
i cry out to god seeking only his decision
gabriel stands and confirms
ive created my own prison

আমরা হয়ত অনেক আগেই মরতে পারতাম । কিন্তু এখন বেচে থেকে অপরাধ করছি । এখন আমরা স্ব স্ব কারাগারে বন্দী।
কোথায় আমাদের নির্বান ।

Click This Link - My Own Prison.mp3


~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

ছন্নের এই পোষ্ট দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28996850 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28996850 2009-08-20 11:58:45
মহাবিশ্ব ধ্বংস হয়ে যাবার বিষয়ে একটা মিথ। দার্শনিক ভাবে বললে যেটা সৃষ্টি আছে - তার ধ্বংসও আছে ।
সুতরাং ধরে নেয়া যায় -- মানবজাতি একসময় ধ্বংস হয়ে যাবে।
(সায়েন্টিফিক্যালি কারেক্ট কোন ষ্টেটমেন্ট না -- হা হা করে ছুটে আসার দরকার নেই অমরতা প্রেয়সীদের)

আবারো একটু সুক্ষ ক্যাচেলের প্রশ্ন -- আমরা নাকি আমাদের ভবিষৎ জানি না । দুটা ব্যাপারে এখনই ভবিষৎ বানী করা যায় -- আমরা মারা যাবো -- আমাদের ভবিষৎ অনিশ্চিত ।

দেখা যাচ্ছে কিছু কিছু ব্যাপারে ভবিষৎবানি ঠিকই করা যাচ্ছে ।
যাক মূল বিষয়টা এটা না । ঠিক দিনক্ষন যদি স্থির করা যায় মহাবিশ্ব ধ্বংসের ?-- সবাই আমাকে পাগল বা আতেল দুটার একটা ঠাউরাবে নিশ্চিত ।
কিন্তু এমন একটা সঠিক সময় এমনকি মুহুর্ত নির্নয় এমন একটা মীথ আছে। আমি অবশ্য এটার স্রষ্টা নই । <img src=" style="border:0;" />

এই মীথের জন্যই এই পোষ্টের সুত্রপাত ।
মীথটা হলো :

মহান বৌদ্ধ দাশর্নিক চাক সান বং দিব্য দৃষ্টি লাভ করেছেন । তার শিষ্যদের দান করে তাদের মহাবিশ্ব ধ্বংসের কাজে নিয়োগ করে গেছেন । তাদের কাজ হচ্ছে একটা স্তম্ভ থেকে অন্য আরেকটা স্তম্ভে সোনার চাকতি গুলো প্রতিস্থাপন করা। মোট সোনার চাকতি হচ্ছে ৬৪ খানা । শর্ত হচ্ছে >
১। একবারে কেবল একটা চাকতি সরানো যাবে ।
২। প্রতিবার চাকতি সরানোর মানে হলো একটা স্তম্ভ সবচে উপর থেকে অন্য একটাতে নেয়া , যেখানে সরানো হলো সেখানে অন্য চাকতি থাকতে পারবে ।
৩। কোন ছোট চাকতি উপর বড় চাকতি বসতে পারবে না ।

প্রথম স্তম্ভ থেকে তৃতীয় স্তম্ভে শেষ চাকতি সরানো মাত্র --- সবশেষ । "লেট দেয়ার বি ডার্ক"!
মানে মহাবিশ্ব খতম ।

একটু আইডিয়া পাবার জন্য ছবিগুলো দেখুন ।






প্রতিটা চাকতি সরানোকে ১ ধরলে আমাদের হাতে সময় থাকে
(২ টু দি পাওয়ার ৬৪) - ১ । মানে 18,446,744,073,709,551,615 বার চাকতি সরাতে হবে । একটা চাকতি সরাতে ১ সেকেন্ড সময় লাগলে ৬০০ বিলিয়ন পৃথিবী বছর লাগবে <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />।

যাক মীথটা সতি মিথ্যা যাই হোক হাতে আমাদের অঢেল সময় আছে । <img src=" style="border:0;" />

Click This Link

http://en.wikipedia.org/wiki/Tower_of_Hanoi

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

অট: কম্পু বিজ্ঞানের ছাত্র হিসাবে এ্যালগরিদমকেই সবচে মজার লাগতো । মনে আছে প্রথম বার এর প্রোগার্মিং সলুশন করার পর বাসার ছোটদের এসে শিখিয়েছিলাম। ওরা বেশ মজা পেয়েছিলো । কম্পুবিজ্ঞানটা বেশ মজার সাবজেক্ট । এটা না থাকলে আমার অবস্থা শোচনীয় হতো ।
You do not really understand something unless you can explain it to your grandmother. - Albert Einstein


অট+: এই জাতীয় আরেকটা গল্প মনে পড়ে -- এক রাজাকে এক মন্ত্রী ঘোল খাওয়ানো জন্য তাকে ৬৪ দাবার ছক ভর্তি চাল দিতে বলেন । মানে প্রথম ঘরে একটা চাল -- পরেরটাই দুইটা -- এর পরে চারটা -- এরপর ষোল -- এভাবে বাড়তে থাকবে ।
কেউ যদি এখনো না বোঝেন তবে ৬৪ খোপ কেটে চাল রেখে চেষ্টা করতে পারেন <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> ।

অট++: চাক সান বং নামে কোন ব্যক্তি থাকলে তার সাথে কোন মিল নেহাতই কাকতালীয় । আর তার শিষ্যদের এত দিন ধরে চাকতি সরানোর ফলে কি পেলো বা তাদের অমরতা বিষয়ে কোন প্রশ্নের ব্যাপারে নো কমেন্ত পলেসি নেয়া হয়েছে <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28994709 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28994709 2009-08-16 12:09:25
বনভূমির ছায়া -- আবুল হাসান বনভূমির ছায়া -- আবুল হাসান

কথা ছিলো তিনদিন বাদেই আমরা পিকনিকে যাবো
বনভূমির ভিতরে আরো গহীন নির্জন বনে আমরা আগুন ধরাবো
আমাদের সব শীত ঢেকে দেবে সূর্যাস্তের বড় শাল-গজারী পাতায়

আমাদের ভিতরে যে দুইজন কবি
তারা ফিরে এসে অরন্য স্তুতি লিখবে কবিতর খাতায়
কথা ছিলো গল্পলেখক অরণ্য যুবতী নিয়ে গল্প লিখবে নতুন আংগিকে

যিনি সিনেমা বানাবেন , কথা ছিলো
তার প্রথম থীমটি হবে আমাদের পিকনিক-প্রসূত

তাই সবাই আগে থেকে ঠিকঠাক , সবাই প্রস্তুত
যাবার দিন কারো ঘাড়ে ঝুলল ফ্লাক্সের বোতল
ডেটল ও শাদা তুলো , কারো ঘাড়ে টারপুলিন টেন্ট , খাদ্যদ্রব্য।
কারো শখ জাগলো পাখীর গান তিনি রেকর্ড করে তুলে আনবেন

একজন মহিলাও চললেন আমাদের সাথে
তিনি নিলেন তার সাথে তার টাটকা চিবুক , তার চোখের সুষমা আর উষ্ণ শরীর

আমাদের বাস চলতে লাগলো ক্রমাগত
এক জায়গায় হঠাৎ কি ভেবে যেনো
আমি বল্লাম "রোক্কো"

শহরের কাছের শহর
নতুন সাকোটার কাছে দেখলাম তির তির করছে জল
আমাদের সবার মুখ সেখানে প্রতিফলিত হলো
হঠাৎ জলের নিচে পরস্পর আমরা দেখলাম
পরস্পরের প্রতি আমাদের কি বিপুল হিংসা , বিদ্বেষ!
আমরা হঠাৎ কি রকম অসহায় আর একা হয়ে গেলাম!

আমদের আর পিকনিকে যাওয়া হলো না
লোকালয়ের কয়েকটা মানুষ আমরা
কেউ আমাদের এই ভয়াবহ নিসংগতা, একাকীত্ব , অসহায়বোধ আর মৃত্যুবোধ নিয়ে বনভূমির কাছে যাওয়ার সাহস পেলাম না



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28994028 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28994028 2009-08-15 07:21:07
প্রতিকাব্য :: গানপাগলা

আমার বিষন্ন ক্রোধ
রিক্ত শূন্যতা ।
দিকচক্রহীন অনু কাপে মনের অনুরণনে
সুরের নেশায় চোখে লাগে ঘোর
গ্লাসে ঢেলে গিলি মনের সুখে
ছন্দ-সুখের নুপুরে
মরা উত্তুরে হাওয়া
সন্ধ্যার গুন্ঞ্জনে .. শান্ত দুপুরে
পুকুরের ঘোলাটে জলে
উচ্ছৃঙ্খল আকাশে
তপ্ত হাতের স্পর্শে
লাল সূর্যের কাঠ কাঠ রৌদ্রে
ঝড়ো বৃষ্টির একমনে সুতা বোনাতে
মায়াবী পাখীর চকিত ডানাতে
আনমনে কিছু ছবি আকা

কামার্ত চোখে সুরের নেশা
রক্তে মিশে যায় সুরের বিষ
কাল্পনিক সিরিন্ঞ্জ
গুন গুনে গান গাই
রেওয়াজ ছাড়াই
ড্রামবিট
চাওয়া পাওয়ার কেল্লা ফতে
আমার আমিকে সুরে খুজে পাই
ছন্নছাড়া রংএর তালগোলে
সুরে সুরে ভেসে বেড়াই
সব তুচ্ছ যন্ত্রনা ভুলে




উৎসর্গ : গানপাগলা দের

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28993990 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28993990 2009-08-15 04:45:59
প্রেমের কবিতা অথবা মৃত স্মৃতি খোজা একটা প্রেমের কবিতা লিখতে চাচ্ছিলাম ।
লাইন গুলো ঠিক সাজাতে পারছি না ।
একটা ছবি -- কালো চোখ -- মায়ার আচল
ধরি ধরি করেও ধরতে পারছি না
তার এলোচুল -- ভুল করে ফিরে তাকানো
নাহ -- মনে পড়ছে না
জানি না কেনো সে হেসেছিলো
তার কোন আবয়বই আমার মনে নেই
শুধু একটা নিভু নিভু স্বপ্ন-স্মৃতি ।

______________________________________

উৎসর্গ: হামা আর আমার আড্ডার সহআড্ডাবাজ দের।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28993988 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28993988 2009-08-15 04:45:14
যন্ত্রনাই কি সব শিল্প সাহিত্যের উৎস ?

যন্ত্রনাই কি সব শিল্প সাহিত্যের উৎস ?


আমার তো মনে হয় তাই । রবীন্দ্রনাথের কথা ধরুন -- শেষ বয়স পর্যন্ত তার প্রিয়জনরা একে একে মারা গেছেন ।
টলষ্টয় -- তিক্ত সাংসারিক জীবন ।
মার্ক টোয়েনের অভিজ্ঞতাও রবীন্দ্রনাথের কাছাকাছি ।
জ্যাক লন্ডনেরও জীবনে তিক্ততার ছড়াছড়ি ।

আমি জানি না কেনো মানুষের তিক্ত অভিজ্ঞতার স্মৃতিটা বেশী মনে থাকে । এর কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখা জানা নেই আর দিতেও ইচ্ছুক না । (ইদানিং সব কথার সাথে একটা করে লিংক জুড়ে দেয়ার একটা কালচার তৈরী হয়েছে । "পাখি আকাশে উড়ে" লিখলেও মানুষ এখন প্রমান হিসাবে উইকিপিডিয়ার লিংক চেয়ে বসে ! )

যেটা বলছিলাম -- তিক্ত অভিজ্ঞতা -- জানি না কেন মানুষের তিক্ত অভিজ্ঞতার স্মৃতিটা বেশী মনে থাকে -- এটা মানুষের কোন এক পূর্ব পুরুষ সাপ হবার কারনে ? লেজে পা দেবার কারনে দাত গুলো কুটকুট করে উঠে -- বিষ ঢেলে না দিলে কুটকুটানি যায় না ? লেখকের তিক্ততাটা সেই লেখার মধ্যে দিয়ে প্রকাশ পায় না কি ।
সেটা আনন্দের বেলাও খাটে -- কিন্তু তিক্ততা/যন্ত্রতার প্রকাশটা অহরহ আর বেশী তীব্র মনে হয় ।

যন্ত্রনাই শিল্প সাহিত্যের উৎস কিনা জানি না ।
পূর্নিমার চাঁদ অনেকের কাছেই ঝলসানো রুটি ।
নিজের মনের জটিলতা কোন, গল্প কবিতায় ঢেলে দেয়া ।
কোথায় যেনো পড়েছিলাম লেখকদের সামাজিক বেশ্যা সাথে তুলনা করা যায়।
পড়ার পর থেকে আজ অব্দি লেখালেখির প্রসংগ মনে আসা মাত্র একথাটা মনে পড়ে।

একটা সময় ছিলো যখন লেখকদের মাথায় তুলে রাখতাম । এখন তাদের আমাদের মতোই মানুষ মনে হয় ।
লেখকরা নিজের সব অভিজ্ঞতা লেখার মাধ্যমে শেয়ার করেন ।
তবে সায়েন্স ফিকশন আর হরর লেখকরা বাদ যাবেন মনে হয়(!)। একটা গ্লাস/ ডিস / চরিত্র / ঘটনা / দৃশ্য / সময়ের
বর্ননাও লেখকের অভিজ্ঞতার বাইরে না ।
নিজের প্রাইভেট লাইফ কি কেউ এর বাইরে রাখতে পারেন । যদিও পারেন কতক্ষন এভাবে আড়ালে থাকতে পারেন ?

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

বাস্তব দুনিয়া থেকে পালানোর জন্যই একটা মায়াজগত মানুষের তৈরী করা প্রয়োজন হয়ে পরে বলে মনে হয় ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28992591 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28992591 2009-08-12 11:53:14
কমেডী ভিডিওগুলো। হা হা চে থে প গে <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> শেষের এক্সতাসি ড্যান্সটা অসাম!




আমেরিকা ইজ পেপার টাইগার -- এ্যারন কেডের।




হু মেড দিজ ম্যান ক্যাপ্টেন ? জর্জ কারলিন -- আমার অলটাইম ফেবরিট ।




সাইলেন্স ! আই কিল ইউ -- আখমেড দ্য ডেড টেরোরিষ্ট ।




এর পরের গুলো সব কানাডিয়ান বর্ন কমেডিয়ান রাসেল পিটারস এর । রেসিজম নিয়া কঠিন মজার মজার জোক্স আছে ওর । ব্যাটা খুব ছোট থাকতে মাল্টি কালচারাল সোসাইটিতে বড় হওরার কারনে ডলাটা ভালোই গেছে । ছোট বেলার সেই ঘটনা গুলো এখন ষ্টেজে কমেডি হয়ে বের হয় ।
বিশেষ করে ওর ইন্ডিয়ান আর চাইনীজ এক্সেন্ট শুনে হাসতে হাসতে শেষ ।








এটা অবশ্যই দেখুন । <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28990990 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28990990 2009-08-09 05:41:20
প্রতিগপ্প: আয়নায় পোষ্টার ।

গলির মোড়ে দাড়িয়েছিলো তারেক । মাঝে মাঝে এমন হয় তার । কোথায় যাওয়ার কথা কিন্তু সে গভীর চিন্তায় মগ্ন হয়ে যায় । তার সমস্ত দার্শনিক চিন্তা গুলো মাঝরাস্তার মাঝে এসে দাড়ায় । গৌতম বুদ্ধও বুঝি এমন অল্প সময়ে গভীর ধ্যানে চলে যেতে পারতেন না । গভীরে চলে গেলোও তার চিন্তার বিষয়টা তেমন ব্যতিক্রমী কিছু ছিলো না । সে ভাবছিলো তার যন্ত্রনা গুলোর উৎস কি কি আর "রুল অফ থাম্বস"।
টুং টুং করতে করতে একটা রিকশা গায়ের উপর এসে পড়াতে চমক ভাংলো তার । লাফ দিয়ে দুকদম পিছিয়ে যায় তারেক ।
রিকশাওয়ালা প্যাডেল চাপতে চাপতে খিস্তি দেয় "রাস্তা মইদ্যে খাড়ায় তামশা ......"।

সদ্যনিস্ক্রান্ত রিক্সার দিকে মনোযোগী চোখে তাকায় তারেক । বিদঘুটে কিছু ছবির মানে বোঝা যায় না । তার মনে পড়ে সে রাস্তার কেনো বের হয়েছে । তার চুল কাটতে যাওয়ার কথা ।
লম্বা পা ফেলে সে গলির মোড়ের সেলুনের উদ্দেশ্য ।

সবসময় যে ছেলেটা দিয়ে চুল কাটায় সেই ছেলেটা হাসিমুখে এগিয়ে আসে ।
"আসেন তারেক ভাই -- কেমন আছেন -- চুল কাটবেন না শেভ "
"চুলটা একটু ছোট করে দিবে--আর শেভ"

ছেলেটা অভ্যস্ত হাতে ধোয়া চাদর বাধে গলায় । কাচির খট খট আওয়াজে তারেকের চোখ দুটো ঘোলাটে হয়ে আসে ।
চুলকাটা শেষে গালে শেভিং ক্রিম লাগতেই তারেক বলে উঠে -"নতুন ব্লেড লাগাও"
নাপিত হাসে -"আপনে সব সময় এই কথা বলেন তারেক ভাই"
ঠিক এই সময় তারেক চোখ পড়ে আয়নার কোনে। ঠিক আয়নার উপরে না - আয়না ফুটে উঠা পোষ্টারটার উপরে ।
শরীর বেয়ে হিলহিলে দুটো সাপ চলে যায়।
সব কিছু আবার মনে পড়ে তার --

মার্কেটের পাশের গলিটা দিয়ে ও হাটছিলো । দূরে দেখে রংগিন চশমা পড়া কয়েকটা লোক কি নিয়ে নিজেদের মধ্যে হাসছে । কাছে যেতেই টের পেলো এটা ঠিক সুবিধার মানুষ না । কয়েকটা তরুনীর দিকে ওদের নজর । অশ্লীল ছিৎ ছিৎ শব্দ । হঠাৎ দংগলের একজন মেয়েগুলোর রাস্তা আটকে দাড়ালো । অনেকটা সিনেমার দৃশ্যের মতো । এই অবস্থা নায়ক এসে নায়িকাকে উদ্ধার করে -- তাদের প্রেম হয় -- সন্তান -- ঝগড়া -- ইতংবিতং । তারেক অবশ্য এতো কিছু চিন্তা করেনি । সে এখনো ঠিক জানে না এটা তার অতিরিক্ত মুভি দেখার ফল নাকি নীল ওড়ানাওলীর চোখের রাগ , তিক্ততা -- অসহায়ত্ব । সে দুপা এগিয়ে বলে উঠে -- "এই কি হচ্ছে?"
এরপর মোটামুটি সবটাই ধোয়াশা ।কে আগে শুরু করেছে মনে নেই তার । সে মারপিটে অভ্যস্ত লোক না । তাই তার তেমন কিছু মনে নেই । ঐ লোকগুলি বিপরীত । এমন কেস অহরহ তাদের হাতে আসে । হিসেব করে মারে তারা । বেমক্কা ঘুসিতে নাকের ফেটে রক্ত বেরিয়ে আসে ।
কিছুক্ষন পরে তার হুশ ফিরে -- কেউ ওকে তুলে ধরে । সাদা শার্ট রক্ত আর রক্তে ভর্তি । ঠিক তখনই দেয়ালের উপর পোষ্টারটা দেখতে পায় সে। নায়কের উরু ধরে রাখা নায়িকা।

আবার সেই পোষ্টার আজ এতদিন পর সেলুনে চোখে পড়ে। চিড়বিড়ে একটা তিক্ত অনুভুতি হয় ওর । খামচে ধরে আয়নার ভিতরে পোষ্টারটা ছিড়তে চায় । থুতনির কাছটা চিরে যায় ব্লেডের আঘাতে । সাদা চাদরটা রক্তে লাল হয় । দুচোখ পানিতে ভরে উঠে তারেকের ।
নাপিত ছেলেটা বলে উঠে -"অনেক বেশী ব্যাথা পাইসেন তারেক ভাই ?"


উৎসর্গ : Click This Link


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28988113 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28988113 2009-08-03 12:33:07
গত কয়েকদিনের দেখা মুভি: আউলা ঝাউলা চিন্তাভাবনা ~~~~~~~~~~~~

১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডার গণহত্যার উপর মুভি। রুয়ান্ডা ছিলো বেলজিয়ামের উপনিবেশ। বেলজিয়ানরা প্রথমে হুটু আর টুটসিদের আলাদা করে । তুলনা মুলক লম্বা আর "লাইট স্কিন" হওয়া টুটসিদের সহজে আলাদা করা যায় । বেলজিয়ানরা -- মতান্তরে চার্চের ধর্মপ্রচারকরা টুটসিদের সুপিরিয়র জাত নির্ধারন করে। বেলজিয়ানরা যাওয়ার সময় হুটুদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে যায় । জাতিগত বিদ্বেষ থেকে হুটুরা টুটসিদের কচুকাটা করার পরিকল্পনা করে ।
১৯৯৪ এপ্রিলে হুটু প্রেসিডেন্টের প্লেন ক্ষেপনাস্ত্র দিয়া ধ্বংস করে তাকে হত্যা করা হয় । এরপরই হুটুরা টুটসিদের উপর মাচেট হাতে জাপিয়ে পড়ে।
এপ্রিল থেকে জুলাই এর মাঝে ১০ লক্ষ লোক খুন হয় । বেশির ভাগই মাচেট দিয়ে কুপিয়ে ।
সেই সময় রুয়ান্ডাতে Paul Rusesabagina নামে হোটেল পরিচালক ১২০০ জন মানুষের জীবন রক্ষা করে ।
এই সত্য ঘটনা উপরের নির্মিত মুভিটা ।

> আমার প্রথম চিন্তা হলো ডিভাইড এন্ড রুলের শিকার শুধু আমরাই না । উপমহাদেশে যেটা ধর্ম। আফ্রিকায় সেটা চামড়া।
মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টি করলে এর জের কোথায় গিয়ে ঠেকবে এটা কি বেলজিয়ানরা চিন্তা করেছিলো ?

আমরা সব সময় ভাবি আমরা সবচে বেশি কষ্ট পেয়েছি। সত্য কথা হলো পৃথিবী সব জাতির দু:খ কষ্টের ইতিহাস আছে । ২ মাসের মাথায় ১০ লক্ষ লোক কুপিয়ে হত্যার ঘটনা অপার্থিব অমানুষিকতা লাগে । তাছাড়া কোন বাহিনী না । প্রতিবেশীরা প্রতিবেশী মাচেট হাতে ঝাপিয়ে পরেছিলো ।
সাদা চামড়ারা যে আমাদের তৃতীয় বিশ্বের মানুষদের মানুষই মনে করে না -- এটা একটা প্রমান । সাদা চামড়াও না -- চীন -জাপান -রাশিয়া - সৌদি -ভারত -- কেউ এই অমানুষিক হত্যার বন্ধে কোন ব্যবস্থা নিলো না কেন আশ্চর্যের ব্যাপার ।
ইদানিং আবার দেখলাম রুয়ান্ডাকে সি এন এন এ খুব হাইলাইট করা হচ্ছে । রুয়ান্ডা নাকি ইমারজিং নেশন ।
ফরচুন ৫০০ কম্পানীর সব বসেরা রুয়ান্ডার পিঠে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে । ভিতরের ঘটনা কি জানি না তবে অবস্থা সন্দেহজনক ।
হুটু টুটসিরা আবার নিজেদের পাশাপাশি থাকছে । পশ্চিমের মিডিয়া দেশের প্রেসিডেন্টদের খুব ভালো পায় -- আজীব কারনে । এতসব হত্যাকারীদের বেশীর ভাগকেই মাফ করে দেয়া হয়েছে। শুধু বিচারের নামে হাস্যকর ভাবে জনসমক্ষে সে কাকে কাকে হত্যা করেছে এটা বলেতে হয়েছে । ব্যাস মাফ (!)। তবে আবার কখন পুরোনো ক্ষতে মুখ খুলে একজন আরেকজনের উপর ঝাপিয়ে পড়ে কোন ঠিক ঠিকনা নাই । তখন ফরচুন৫০০ বসরা রুয়ান্ডাকে চিনবে কিনা সেটাই প্রশ্ন।

Click This Link


Who's afraid of Virginia Wolf (১৯৬৬):
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
এলিজাবেথ টেলর এর অস্কার জেতা মুভি । রিয়েল লাইফ কাপল লিজ টেজর আর রিচার্ড বার্টন বয়সী দম্পতির ভুমিকায় । সন্ধ্যায় এক তরুন কাপল কে দাওয়াত করে তারা । রাত যত বাড়তে থাকে তিক্ততা আর জটিলতা বাড়তে থাকে ।

> শেষের আধ ঘন্টা দেখতেই পারি নাই । এত তিক্ততা ছবিটার মধ্যে । ওরা নিজের মধ্যে রক্ত ঝরানো প্রতিজ্ঞা নিয়ে এক ছাদের নিচে থাকে । মনে হচ্ছিল দুইজন মাছ মারার কাটা যুক্ত বর্শা দিয়ে খোচাতে থাকলেও এত আহত করতে পারতো না একে অপরকে। এই ধরনের আরেকটা খুব ভালো মুভি দেখেছিলাম গতবছরের 'রিভোলিশনারি রোড' । অবিবাহিতরা দেখলে বিয়ে উপর ভক্তি শ্রদ্ধা কমে যেতে পারে।

Touch of Evil (১৯৫৮) :
~~~~~~~~~~~
ওরসন ওয়েলস ডিরেক্টেড মুভি। মেক্সিকোর সীমান্তবর্তী শহরের দূনীর্তি গ্রস্থ পুলিশ আর অপরাধীদের ক্রাইম ড্রামা ।
বোমা পেতে শহরের এক ধনী ব্যক্তি আর মহিলা হত্যা করা হয় । মেক্সিকো থেকে একজন ডিটেকটিভ আসে তদন্ত করতে সাথে আর সদ্যবিবাহিতা স্ত্রী। এই ডিকেটটিভের সাথে শহরের গোয়েন্দা সার্জেন্টের ব্যক্তিত্বের সংঘাত । আর শেষে মুখোশ উম্মচোন নিয়ে ছবি ।

> ১৯৫৮ সালের ছবি এটা । একটা কথা আছে না ট্রু ক্লাসিকস আর টাইমলেস । এক সেকেন্ডের জন্যও বোর হইনি এই মুভিটা দেখতে গিয়ে । মুভি মেকিং ওস্তাদ লোকের হাতে কত চমৎকার হয় সেটাও একটা এক্সামপল । যারা জানেন না - ওরসন ওয়েলসে 'সিটিজেন কেইন (১৯৪১)' গত শতাব্দী টপ ৫ টা আমেরিকান ছবির মধ্যে একটা ।
আমার মজা লেগেছে যখন সার্জেন্ট চাকরি ছেড়ে দিতে চায় । যেই ধরনের ইমোশনাল ঝাড়ি এখন আমাদের দেশে চলে ।
আসলেই আমরা ৫০ বছর পিছিয়ে আছি ।

Public Enemies (2009):
~~~~~~~~~~~~~~~~~
গ্রেট ডিপ্রেশনের পরের বিখ্যাত ব্যাংক ডাকাত 'জন ডিলিন্জার'
জীবনের উপর ভিত্তি করে এই ছবিটা । ডিলিন্জার কে ধরার জন্য একজন নামকরা ডিটেকটিভ নিয়োগ দেয়া হয় ।
এর মধ্যেই প্রেম , ব্যাংক ডাকাতি , জেল থেক পলায়ন ।

> হলে গিয়ে দেখলাম ছবিটা । মাঝে মাঝে মনে হচ্ছিল পরিচালককে ধরে জুতার বাড়ি দেই । এতই ঝুলে যাচ্ছিলো একেক সময় । বাসায় ফিরে দেখি মাইকেল মানের ছবি ।
'কোলেটরাল', 'আলী', 'ইনসাইডার', 'হিট', 'লাষ্ট অফ দ্য মোফিকানস' এর ডিরেক্টর ।
খারাপের মধ্যে ভালো দুই পারফেকশনিষ্টের অভিনয় ।
ডেপ - বেল দুজনে তাদের জাত অনুযায়ী পারফর্ম করেছে ।
ডিলিন্জার প্রেমিকা হিসাবে Marion Cotillard অভিনয় ভালো লেগেছে । চিত্রনাট্য দূর্বল হলে কি আর করা ।
মাইকেল মান দেখি আবার টোটালি ফালতু ছবি 'হ্যানককের' প্রোডিউসার । এইবার থেকে ব্যাটার মুভি সাবধানে দেখতে হবে।

Terminator - 4(২০০৯):
~~~~~~~~~~~
টার্মিনেটর সিরিজের প্রথম ছবি শোয়ার্জনেগার ছাড়া (মূল ভূমিকায়)।

জন কনর এই পর্বে তার বাবার খোজে বের হয় । মানুষের হার্ট আর ব্রেন সহ -- কৃত্রিম দেহধারী একজনকে ঘুম পারিয়ে রাখা হয় । সে জন কনরের আস্থা অর্জন করে । তাকে ব্যবহার করে আর্টিফিনিয়াল ইন্টেলিজেন্স নেটওয়ার্ক প্ল্যান করে জন কনরকে(ক্রিষ্টিয়ান বেল) খুজে হত্যা করার জন্য । "Sam" Worthington এটা ভন্ডুল করে দেয় তার মানবিক সত্ত্বা খুজে পেয়ে ।

> এটাও থিয়েটারে দেখা । হলিউডে দিন দিন বাজেট সংকট বাড়ছে । নাম না জানা অভিনেতা ধরে কাজ চালিয়ে দেয়া হচ্ছে । মূল ভুমিকায় মেগা ষ্টার রেখে -- বাকি সব ফাউল । এরা অভিনয়ও জানে না ঠিক মতো । অবশ্য টার্মিনেটর দেখতে গিয়ে অভিনয় খুজলে আমাকেই পাবলিক আতেল ঠাওরাবে !! তবে অভিনয় এতই বাজে যে এর মধ্যেও চোখে পড়ে ।
"Sam" Worthington কে ভালো লেগেছে । ক্রিষ্টিয়ান বেল তো ক্রিষ্টিয়ান বেল ই ।

আরেকটা মজার ব্যাপার হলো এই ছবির কোন পরিচালক নেই !! হলে পরিচালকের নাম দেখলাম Warner Bros ।
সাইটে অবশ্য মানুষের নাম দেখাচ্ছে । ভিতরে কাহিনী জানি না ।
টাইম পাস মুভি ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

Click This Link
সিনেমা বিষয়ক আগের পোষ্ট । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28985970 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28985970 2009-07-30 02:04:24
পাকি কুকুরের ঘেউ ঘেউ ইদাংনী ব্লগে শেখ মুজিবর রহমানকে নিয়ে অনেক কথা বার্তা শুনি । অনেক অনেক শোনা কথার মিথ ভাংছে বিভিন্ন তথ্য প্রমান - যুক্তি দেখার ফলে ।

গতকাল হঠাৎ করে ইউ টিউবে ৭ ই মার্চের ভাষণটা দেখছিলাম ।
Click This Link

ভাষনটা দেখতে দেখতে কি মনে করে নিচে তাকতেই
পাকি কুকুর গুলোর ঘেউ ঘেউ নজরে এলো ।
এরা কিভাবে এত বছর পরও আমাদের কি চোখে দেখে এটা ভিডিওটার কমেন্ত গুলো দেখলেই বোঝা যায় ।

অনেক বাংলাদেশী ভাই ওদের ইচ্ছে মতো সাইজ করেছে দেখা যায় পরের কমেন্তগুলোতে ।
আমার মনে হয় যারা বিদেশে থাকেন -- তারা যদি মনে করেন পাকিরা ভালো মানুষ হয়ে গেছে , অতিঅবশ্যই এই কমেন্ত গুলো দেখেন । ওদের সব ভালো ব্যবহারই দেখনদারি।

আর যদি ইন্টানেটে কোন ফোরামে বা ব্লগে এই জাতীয় কথা বার্তা দেখেন -- সমুচিত শিক্ষা দেন ওদের ।

ওদের নষ্ট , বর্বর দেশ থেকে আমরা আলাদা হয়েছি -- আমাদের পূর্বপুরুষদের প্রতি আবারো অসীম কৃতজ্ঞতা জানাই ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28985521 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28985521 2009-07-29 09:25:22
প্রতিকাব্য : হাতখরচের জন্য রেখেছি কিছু জংলীফুল

১.
এখানে আর টাকার প্রচলন নেই
নেই খুন-খারাবী , রাহাজানি অথবা ডাকাতি,
মানুষের রক্ত মানুষ ঝরায় না আজ
রক্তখেকোদের মতো চেটে চেটে খায়না কেউ

পৃথিবীটা আজ সবুজ আর রঙিন
রক্তখেকোদের আমরা চিরবিদায় দিয়েছি পৃথিবী থেকে।
মানুষের বুকের গহীন অন্ধকারে জ্বালিয়ে দিয়েছি জোনাকবাতি

হানাহানির , হিংসা , লোভ সব ছিলো টাকার দাস
তাই
পৃথিবীর সব টাকশালে আগুন জ্বেলে দিয়েছি আমরা
সেদিন লোভ আর হিংসার আর্তনাদে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে গিয়েছিলো।

আজ মেয়েদের অলংকার হয়েছে নতুন ফুল
সবার পেটে ভরানোর জন্য আছে অঢেল খাবার

প্রেমিকার খোপায় আজ চন্দ্রমল্লিকা গাথি আমরা
আর হাত খরচের জন্য রাখি কিছু জংলীফুল

~~~~~
ক্রমশ:









]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28981913 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28981913 2009-07-22 10:06:10
জগলুল আর তার কীর্তিনামা । একজন মুগ্ধ মুভি দর্শকের উপলব্ধি
ব্লগে এসে অনেক নতুন ভাষা শিখেছি । লুল শব্দটা তার মধ্যে একটা । এমনিতে আমরা লুচ্চা , ইতর , বদমাশ অনেক কিছুই নামেই তাদের জানি । এমনিতে আমরা বলতাম "লুইস" ।
আকর্ষনীয় শব্দ । অনেক গুলো বছর লুইসই ছিলো লুচ্চা বুঝানের প্রতিশব্দ ।
যাক গে আসল কথা হলো সব ছেলেরাই অল্প কিছু পরিমানে লুইস । আমাদের বিদ্রোহী কবি তো আরো বড়। লন্চে কোন এক মেয়ের দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকিয়ে ছিলেন। এই তালিকায় অনেক রথী মহারথী কবি-সাহিত্যিক ঠাই পাবেন । তবে আমাদের সবাই মোটামুটি সভ্য সমাজের নিয়ম অনুযায়ী সামলে-সুমলে থাকি -- লুল বেচারারা সেটা পারে না ।

আজ আপনাদের আমার দৃষ্টিতে সবচে বড় লুইসের কথা বলব ।
হ্যা -- মনে মনে নাম রেডি করে ফেলেছেন - রাসপুটিন , ডন জুয়ান , ক্যাসানোভা।
হয় নাই । একটাও না <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

তারা অন্য ক্যাটাগরীর লুইস । মানে লুইস লিষ্টে টপেই তাদের অবস্থান । কিন্তু একবারে টপ নয় ।

এবার আসি জগলুল প্রসংগে --
জগলুল > জগৎলুল > বিশ্বপ্রেমিক <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

তো সেই বিখ্যাত জগলুলটি কে নিজেই দেখে নেন --





Click This Link
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

যাই হোক । এই জগলুলের সাথে পরিচয়টা ঠিক জগলুল হিসাবে না । ১২-১৪ বছর আগের কথা । তখন আমি টার্মিনেটর টু এর সিরিয়াস ভক্ত । হঠাৎ ভুল করে "এ ফিউ গুড ম্যান" নামে ম্যারম্যারে আইনী ঝামেলার ছবিটা দেখে ফেলি ।কারন ছিলো অবশ্য টম ক্রুজ আর ডেমি মুর আর ফেভরিট ছিলো তখন । তখন ই নাস্তার টেবিলে বুড়োর হাসি আর ঝাড়ি দেইখা চিন্তা করতাসি -- ইটা আবার ক্যাঠা :-* ?

এর পর খুজে খুজে "উলফ" বের করলাম । উলফের সাথে ব্যাটার হাসি আর চরিত্রের মিল খুজে পেলাম । মিশেল ফাইফারে ফিদা অবশ্য এখনো আমি । <img src=" style="border:0;" />

তারপর হাতে পড়ল -- পোষ্টম্যান অলওয়েজ রিংস টুয়াইস। তখন অবশ্য দুষ্টু (<img src=" style="border:0;" />) কারনেই ছবিটা দেখেছিলাম।

এরপর অনেকদিন মুভি দেখায় বিরতি ।
ততদিনে আমার মুভির টেষ্ট চেন্জ হয়েছে। জগলুলের অভিনয় সম্পর্কে অনেক কিছু জেনেছি । "ওয়ান ফ্লিউ ওভার দ্য কুক্কুস নেষ্ট" দেখলাম । শেষমেষ মনে হচ্ছিল হেড নার্সটা নিজেই খুন করি । এখনো টপ টেন ভিলেন হিসাবে নার্সের চরিত্রটা আছে।

ভক্ত হয়ে গেলাম। ইতিমধ্যে ডি নিরো আর পাচিনোর বেশীর ভাগ মুভি দেখা হয়ে গেছে । ব্রান্ডোর ও অল্প স্বল্প দেখেছি । ।
কোন এক বিচিত্র কারনে ডি নিরো আমার সবচে ফেভরিট ।
ডি নিরো > নিকলসন > ব্রান্ডো > পাচিনো । পাচিনোকে সব সময় একটু দুরের দুরের মনে হতো ।

একে একে দেখলাম -

. রাইটারর্স ব্লক আক্রান্ত সাইকো লেখক চরিত্রে "শাইনিং" ,
. "ফাইভ ইজি পিসেস" -- রেষ্টুরেন্টের ওয়েট্রেসের সাথে কথোপকথন তো এখন নিয়মতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসাবে ব্যবহৃত হয় ,
. পাগলা আইনজীবি চরিত্রে "ইজি রাইডার",
. ব্যাড এ্যাস বাডস্কি হিসাবে "দ্য লাষ্ট ডিটেল",
. ডি নিরো কে পান্চ দেয়া -- 'লাষ্ট টাইকুন' ,
. ব্রান্ডোর সাথে ওয়েষ্টার্ন "মিসৌরি ব্রেক" ,
. পাগলা ডিটেকটিড হিসাবে "চায়না টাউন",
. সেকেন্ড বেষ্ট (হিথ লেজার সব উলট পালট করে দিসে) জোকার হিসাবে 'ব্যাটম্যান',
. অস্কার জেতা শুচিবাই গ্রস্থ লেখক -- 'এ্যাজ গুড এ্যাজ ইট গেটস',
. হাসতে হাসতে আটখানা হওয়া সাইকোলজীর প্রফেসর হিসাবে 'এ্যাংগার ম্যানেজমেন্ট'

নিকলসনের হাসিটাই আমার কাছে ডেফিনেটিভ লাগে । হাসিতে কিছুটা তাচ্ছিল্য -- কিছু শয়তানী -- কিছুটা অশুভতা মেশানো থাকে ।



যাক গে এই হলো আমার জগলুল সংক্রান্ত কথা বার্তা ।
হাজার রাতের আরব্য রজনী চে বিচিত্র তার জীবনী । এইজন্য বলায় বাস্তব গল্পের চে বিচিত্র । ব্যাটা যেই রোডে থাকে [মুলহলান্ড ড্রাইভ] নামও মানুষ দিয়েছে "ব্যাড বয়েজ ড্রাইভ" । কারন সেই রোডে অন্য আরো দুই দিকপাল জগলুল - মার্লোন ব্রান্ডো আর ওয়ারেন বেটি থাকতো।

আরেকটা বিচিত্র ব্যাপার হচ্ছে -- ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত তার মা কে সে বড় বোন বলে জানতো । বাবা - মা যাদের জানতো তার হলো তার দাদা-দাদী!
তার ভাষ্য মতে এত কিছুর উদ্দেশ্য -- 'It's not loving that you miss. It's being loved.'

তার একটা ফাজিল উক্তি দিয়ে শেষ করি --
"More good times is both my ethics and my morals,"
<img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

লুলদের জন্য অমৃতবাণী । <img src=" style="border:0;" />

ওহ ! বলতে ভুলে গিয়েছিলাম ধারনা করা হয় (কিছুটা তার জবানী থেকে) -- অন্তত ২০০০ জনের বেশী শয্যাসংগিনী হয়েছিলেন তার <img src=)" style="border:0;" /> <img src=)" style="border:0;" /> <img src=)" style="border:0;" /> । এন্ড দা নাম্মার ইজ ষ্টিল গ্রোয়িং !!!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28979109 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28979109 2009-07-16 13:35:59
ওয়েষ্টার্ন মুভির পোষ্ট | চর্বিত চর্বন নয় আশাকরি
প্রথমেই জন ওয়েন সম্পর্কে বলে নিই । আমাদের কাছে যেমন ক্লিন ইষ্টউড । নর্থ আমেরিকাতে ওয়েষ্টার্ন বলতেই জন ওয়েন ।

এখানে জন ওয়েন থাকে সিভিল ওয়ার ফেরতা কনফেডারেট সোলজার । বাড়ী ফেরার মুখে সে জানতে পারে তার ভাগ্নি কে অপহরন করেছে ইন্ডিয়ান । সে বেরিয়ে পরে তাদের খুজতে । দীর্ঘ এই যাত্রায় তার মনোভাবটা এটা ঠিক বোঝা যায় না --সেকি তার ভাগ্নিকে খুন করতে চায় নাকি তাকে উদ্ধার করতে চায় । ইন্ডিয়ানদের তার এত ঘৃনার কারনই বা কি ।

::::::::::~~~~~~~~::::::::::

ছবিটা সম্পর্কে নানা জায়গায় ভালো কথা শুনেছি । ওয়েষ্টার্ন মানেই ধুমধাম হতে হবে এমন তো কথা নেই ।
আমি নিজেও দেখি নাই ছবিটা তবে দেখে ফেলব ডাউনলোড দিসি এইমাত্রই <img src=" style="border:0;" /> ।




~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

. High Noon
টান টান ওয়েষ্টার্ন ।
সদ্য বিবাহিত মার্শাল বিয়ে করে সারতে না সারতে দু:সংবাদ হাজির । পুরানো এক খুনী ফেরত আসছে আজকে দুপুরের ট্রেনে । সবাই পরামর্শ দেয় স্ত্রীর নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে তাকে সরে যাওয়া উচিত । রওনা হয়েও ফেরত আসে মার্শাল ।
শুরু হয় জমজমাট কাহিনী। সবাই তাকে সাহায্য করা আশ্বাস দেয় । এদিকে খুনীর তিনজন সাথীও হাজির ।

কাজের সময় দেখে মার্শাল তার পাশে কেউ নেই । আমাদের সুশীল সমাজের মতো তারা কাজের সময় বিতর্কে ব্যস্ত - খুনীকে ফুলের মালা দিবে না দিবে না এই নিয়ে <img src=" style="border:0;" />

মিস করার কোন কারনই থাকতে পারে না ।


~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

. Once Upon a Time in the West:

এপিক ওয়েষ্টার্ন । সারজিও লিওন ডিরেক্টেড । দ্য গুড, দ্য ব্যাড এন্ড দ্য আগলী -র ডিরেক্টর ।

মিষ্টিরিয়াস এক হারমোনিকা প্লেয়ারের প্রতিশোধ নেয়ার কাহিনী।
সাথে এক বিধবার জীবনের ঘূর্নিবর্ত ।

::::::::::~~~~~~~~::::::::::

হ্যা ভাইজানেরা শোলে ছবিতে এই হারমোনিকা বাজানো আগেই শুনেছেন আপনারা । মজার ব্যাপার হলো -- এটা পুরাই ইউরোপে শুটিং করা হয়েছে । কাষ্টিং ও বেশীর ভাগ ইউরোপের।


~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
. Open Range

কেভিন কষ্টনার ।

ফ্রি ফ্লোটিং রেন্জারদের বিরুদ্ধে সেটেলার আক্রোশের কাহিনী।
কেভিন কষ্টনার অতীত ভুলতে চায় । ঘটনা ক্রমে অতীতে ফিরে তার সামনে ।



~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

. Tombstone ।

কার্ট রাসেল আর ভ্যাল কিলমার ।

বিখ্যাত মার্শাল ওয়ায়েট ইয়ার্প আর তার ভাইয়েরা টুম্বষ্টোন আসে সেটেল হবার আশায়। কোন ধরনের ঝামেলায় না যেয়ে তারা ফ্যারো টেবিলের ব্যবসা খুলে বসে ।
উচ্ছংখল ডাকাতের দলের সাথে তাদের ঝামেলা লেগে যায় ।
শুধু ডক হলিডে চরিত্রে ভ্যাল কিলমারের অভিনয় দেখার জন্যই মুভিটা দেখা যায় ।



~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

. The Outlaw Josey Wales

ক্লিন্ট ইষ্টউডের অভিনীত/ ডিরেক্টেড অসংখ্য ছবি আছে দেখার মতো ।
এই ছবিটা বেশী মনে আছে একটা ডায়লগের জন্য ।
জোশি ওয়েলস কে খুন করতে আসা বাউন্টি হান্টারের উদ্দেশ্য বলা

Dying aint much of a living
Boy!



~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
. dances with the wolves

অসম্ভব সুন্দর একটা মুভি । অস্কার পাওয়া ।
ঠিক মারদাংগা ওয়েষ্টার্ন না হলেও । এক নিসংগ সৈনিকের পোষ্টিং হয় নির্জন এক পোষ্টে । যেখানে বছরে একটা মানুষ পা দেয় না । ইন্ডিয়ানদের সাথে তার বন্ধুত্ব হয় ।
নেকড়ের সাথে বন্ধুত্ব হয় ।
নির্জনে থাকতে ইচ্ছে হয় এমন মুভি দেখলে ।





~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
.The Unforgiven

আনফরগিভেনের কথা না বল্লে আসলে ওয়েষ্টার্নের কথা অসম্পূর্ন থাকে ।
ক্লিন্ট ইষ্টউডের ডিরেক্টডে অভিনীত । ইষ্টউড আসলে অভিনেতা হিসাবে মধ্যম ক্যাটাগরীর । ডিরেক্টর হিসাবে এ ক্লাস।
হিরো হিসাবে প্লাটিনাম ক্লাস ।
মানবিক ওয়েষ্টার্ন । রিয়েল লাইফে কেমন ঘটতে পারে একদম
সব তোরফোর করে ফেলা হয়েছে ।
বাস্তব খুব তিক্ত আর হিরোরা আসলেও হিরো নয় ।



~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
. The good, the bad and the ugly

দ্য মাদার অফ অল ওয়েষ্টার্ন ফর মি <img src=" style="border:0;" />।
আমার আসলে ওয়েষ্টার্ন দেখা শুরুই এটা দিয়ে।
শোলে ছবিটার মতোই এটা একটা মাইলষ্টোন । যেমন ফানি , তেমন তিক্ত । আবার জীবনের শিক্ষাও ।
আজব বন্ধুত্ব ।



না দেখে থাকলে মুভি দেখা ছেড়ে দেয়া উচিত । <img src=(" style="border:0;" />

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

ওয়েষ্টার্ন বিষয়ক অন্য পোষ্টটাও ফলো করতে পারেন ।
Click This Link

~~
Click This Link

উৎসর্গ : অদৃশ্য | সরি ব্রাদার দুমাস দেরী হলো পোষ্ট দিতে । তবে দিয়েছি শেষে ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

সামু কর্তৃপক্ষ বিষয়ক :
আমার ব্লগ যারা পড়বেন । ফিউশন ফাইভ নামক ব্লগারটার ডাষ্টবিন কমেন্ত এড়িয়ে যাবেন প্লিজ ।
সে একটা ভাড়াটে চামুচ। ব্লগে গোলমাল পাকানোর জন্য সে বের হয় ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28978530 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28978530 2009-07-15 10:32:45
নিখিল ব্লগীয় বানান শিক্ষা সমিতির প্রথম পোষ্ট পোষ্টে বানান সংক্রান্ত কথাবার্তা দেখে ঢু মারলাম ।

অনেক দিন আগে থেকে এমন একটা পোষ্ট দেয়ার ইচ্ছা ছিল ।
বেশ কিছু দিন আগে কোন এক আস্তিক পোষ্ট
আ্যাগনিষ্টিক রে আ্যাগনিষ্ট বলে ভুল করে ধরা খাইছিলাম ।
দূরের পাখি আর ট্রানজিষ্টর ভায়া অক্ষরে অক্ষরে কিভাবে
iGNOrant aGNOstic GNO দিয়ে কিভাবে জানা বুঝায় সব পরিস্কার করে বুঝিয়ে দিলেন । আমার সংজ্ঞা বিষয়ক জ্ঞানও অনেক কম । ব্রেনও ঢাল পুরাই ।

তখন থেকেই নিজের এই হীন দূর্বলতা নিয়ে পোষ্ট দেয়ার ইচ্ছা ।
ছোটবেলা অনেক কিছু মনে থাকতো । চটপট অনেক কিছু বলতে পারতাম । আসে পাশের স্মার্ট পোলারা দেখাতাম ভাব নিতো হাই তুলে ধুত এইসব জানি না ।
আমিও চিন্তা করলাম আমার কেন এত কিছু মনে থাকে <img src=" style="border:0;" /> । তাই ভাব দেখিয়ে ভুলে যাওয়র স্মার্ট ভাব ধরলাম । <img src=" style="border:0;" />
এখন ব্রেন এতই ভোতা হৈসে কারো সাথে দেখা হলেই নাম মনে থাকে না । :-*

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আবজাব কথা বাদ -- বানান বিষয়ে আসি ।

আমি মনে হয় সামু বানান ভুলে চ্যাম্পিয়ান হমু ।

কয়েকটা ক্লাসিক কেস বলি -- যেমন

. না দিতে খেয়াল থাকে না ।

. র ছুটে ছুটে যায় ।

. য় দিতে খেয়াল থাকে না ।
( এইসব প্যারা সাইকোলজিক্যাল ব্যাপার কিনা কে জানে <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> )
আরো হাজার টা ভুল।
চন্দ্র বিন্দু তো আমার দু চোখে বিষ । কোন লেখাতেই দেই না ।
ণ ন মিসটেক । ু ূ দিতেও ভুল ।

টাইপো তো আছেই । মনে আছে মাগার লিখতে গেলে "স্লিপ অব আংগুল" হইয়া যায়।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ব্লগের বানান ভুল ধরার ব্যাপারে ।
কয়েক জন স্পেল চেকার রাখলে কেমন হয় ?

ব্লগীয় মাষ্টরনীরা বানান ধরা বেলায় অনেক সচেতন ছিলেন ।
তাদের ছাড়া বানান সমস্যা সমধান করা যাবে না ।

নিখিল ব্লগীয় বানান শিক্ষা সমিতি নাম প্রস্তাব দিলাম । <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

আমাদের কালচারে বানান ভুল ধরয়া দেয়াটা অপমান বিশেষ ধরা হয় । কেন এটা কে জানে । <img src=(" style="border:0;" />

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

ইংরেজীতে স্পেল চেকার -- সেনটেনস চেকার দিয়ে তাও মান ইজ্জত বাচে ।
তবে ফারহানে পোষ্টটা ফান হিসাবে না নেয়ার অনুরোধ ।
কারন আমি ভেবে দেখলাম ভুল বানান দেখলে অনেক সময় সেটাই মনে থাকে । সব বানান তো মনে থাকে না । তখন
ভুল বানানটাই লেখায় এসে পড়ে। যেমন 'জিনিষ' বানানটা ভুল
অথচ আমি দেদার সে জিনিস বানানটা ভুল করে লিখে চলছি ।
মানুষে উপর এফেক্ট পড়ে।
সো সাধু সাবধান ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

সামু মডারেশন নিয়ে কিছু বলার নেই । কর্তৃপক্ষ লুংগি তুলে আগুনের তাপ নিচ্ছে --তাই তাদের আর ডিস্টার্ব না করি ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28976150 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28976150 2009-07-10 12:33:16
সমকামীতা বিষয়ক : পাপ বনাম লব্ধজ্ঞান
আমরা আসলে কোথায় পড়ে আছি ? একটু বুদ্ধি খাটিয়ে চিন্তা করলে কিন্তু আমাদের ডিসিশন নিতে এত দেরি করতে হয় না ।
লজিক আর কমন সেন্সই যথেষ্ঠ । পি এইচ ডি ধারী হতে হয় না এসব নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ।

সমকামীদের প্রতি ছোট বেলা থেকেই বিতৃষ্ণা - ঘৃনা ছিল ।
আমি জানি অনেকেরই এটা আছে এখনো । সমকামিতা আমাদের সমাজে দূর্লভ না । বিশেষ করে ইসলামী / হিন্দু রক্ষনশীল পরিবারে বড় হলে যৌনতা ব্যাপারে সবসময় অবদমন থাকে । সেই গুলো খুব বিচিত্র রুপে প্রকাশ পায় । যারা হোষ্টেলে থেকেছে তারা অনেক কিছু জানে এসব ব্যাপারে । আমার এক বন্ধু পাশের মসজিদের ছোট হুজুর দিয়ে "স্পর্শিত" (!) হয়েছিলো । মেয়েদের সাথে কিছু করার সুযোগ না থাকায় অনেকের কৌতুহলই ভিন্ন পথে ডাইভার্ট হয় । <img src=" style="border:0;" />

তবে এইসব ছোটবেলার কৌতুহল স্থায়ী হয় না । পরবর্তীতে প্রেমপীরিতি করে/ জওয়ান হয়ে বিয়ে-শাদী করে সবাই এইসব
'ছেলেখেলা' (!?) স্মৃতি ভুলে যায় -- আর ঘৃনা পুষে রাখে । সেটাই স্বাভাবিক ।

আমার ঘৃনার স্মৃতিটুকু একটু বিচিত্র । ইউনিতে পড়ার সময় এ্যাক্সিডেন্টালী গে পর্নো দেখার (আধাটুকু <img src=(" style="border:0;" /> ) অভিজ্ঞতা হয়েছিলো । সেখান থেকে বিবমিষা মিশ্রিত ঘৃনার উৎপত্তি ।
সেটা এখন থেকে ৮-১০ বছর আগের কথা । আমার এখনো মনে পড়ে মানুষ কিভাবে প্রকৃতির বিরুদ্ধে গিয়ে "পায়ুকামী" হতে পারে এটা নিয়ে চিন্তিত ছিলাম ? <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

এরপরে আড্ডায় বন্ধুদের "গোয়া মারা খাওয়া" , "হোগা মারা", "বাশ খাওয়া" , "শুলে তোলা" এইসব খিস্তি - কেবলই ফাজলামিই ছিলো ।

এখান পর্যন্ত আমার মনে হয় ৮-১০টা ছেলে থেকে আমার অভিজ্ঞতা ভিন্ন হবে না । আমার এই ঘৃনার অবসান হয় গতবছর গে প্রাইড প্যারেড দেখে । তিন দিনের অনুষ্ঠান হয় । সারা দুনিয়ার গে লেসবো এসে জড়ো হয় এখানে । সারা রাত গান বাজানা চলে । আর স্ফুর্তি । যদিও আমাদের দেশের হিসাবে এদের কে ফাসিতে উঠানো কথা । কিন্তু আমি বুঝতে পারি এরা আমার মতোই মানুষ ।
আমি মূলত বন্ধুদের সাথে সময় কাটানোর উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলাম । ঘটনা ক্রমে প্রাইডে উপস্থিত হই । বিদেশে থেকেও গে সম্পর্কিত শুচিবাই ছিলো ।
গে সংক্রান্ত যাবতীয় মিথ সেই দিনই আমার কাছে ভুল প্রমানিত হয় । তারচে বেশি- ভিন্ন এক সংস্কৃতি প্রতি যেই ভয় ধরানো গন্ধ-গন্ধ বমির ভাবটা কেটে গেছে । গে দেখলেই আতকে উঠার ভাব টাও নাই । চাটগার কাউয়ার মতো পাছায় একহাত চলে যায় না এখন ।

গে প্রাইডে সিটির মেয়র যোগ দেন। সে এক তুলকালাম অবস্থা । ডাউনটাউনের ব্যস্ত রাস্তা সব বন্ধ করে । ২ ঘন্টার প্যারেড । ফেয়ারী <img src=" style="border:0;" /> !! পাবলিকের রিএ্যাকশন দেখে ছবি শেয়ার করা যাবে ।

যাক এত কিছু বলার উদ্দেশ্যে হলো - তাদের সাথে মিশলে আপনার শুচিবাই চলে যাবে এবং আপনি বুঝবেন তারাও মানুষ ।

প্রসংগক্রমে বলে রাখা উচিত আমাদের ছেলেদের লেসবিয়ানদের ব্যাপারে কোন আপত্তি নাই <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />।
আমরা সব ছেলেরা আসলে সিক - হিপোক্রেট <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
(লেসবিয়ান পর্নো বা লেসবিয়ান বন্ধুদের সব ছেলেরই ভালো লাগে !!)

হাসি ঠাট্টা করলেও গে লেসবিয়ান বলতে খালি সেক্সুয়াল ওরিয়েনটেশন চলে আসে । কিন্তু এর পিছনে ভালোবাসাটাও একটা কারন । নির্ভরতা - আদর । ভরসা । মানসিক শান্তির ব্যাপারও জড়িত ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

এই পর্যন্ত ঠিক আছে -- হোমোসেক্সুয়ালিটি সম্পর্কে পড়াশোনা করিনি তেমন , কৌতুহল ছিলো না । তবে এটা জানতাম হোমোসেক্সুয়াল হওয়া তাদের ডিসিশন না । এটা ইনার আর্জ ।

রিসেন্টলি হোমোসেক্সুয়াল এনিমেলের কথা শুনে একটা ঘাটাঘাটি করলাম । আর যা খুজে পেলাম তাতে পুরাই টাশকি!! -- নেচারের বিরুদ্ধে তো নয়ই বরং ভুরি ভুরি উদাহরন আছে গে এ্যানিমেলের ।
কোর্টশিপ , পেয়ারিং , মেটিং সবকিছুর উদাহরন আছে ।
কি চিরিয়াখানায় কি জংগলে । পেংগুইন , জিরাফ , সিংহ , মাছি , ডলফিন কি নাই উদাহরনে ।

Click This Link
Click This Link

গে এনিমেল সংক্রান্ত গবেষনায় চিড়িয়াখানার বদ্ধ পরিবেশ ছাড়া আর কোন দূর্বলতা পেলাম না । মোটামুটি সব অবজার্ভেশনই ভ্যালিড ।


~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

হোমোসেক্সুয়ালিটির ব্যাপার নিয়ে যা জানলাম সেটা হলো ।

১। হোমো হওয়ার ক্ষেত্রে বাচ্চাদের বেড়ে উঠা পরিবেশ/সময় একটা বিশাল কারন ।

২। সাইকোলজিক্যাল ব্যাপারের সাথে যোগ হয় বিহেভেরিয়াল অনুসর্গ, বন্ধুদের/কাছের মানুষদের প্রভাব ।

৩। জীন ত্বত্ত্বের কিছু ব্যাপার আছে । পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ কারবার আমি পছন্দ করি না । তাই সংক্ষেপে বলছি । কিছু কিছু গে দের নিউরোলজিক্যাল গঠন হেটরোসেক্সুয়ালদের চে ডিফারেন্ট । ( মাইনর ও বিতর্কিত )


এখন একটু বিশদ আলোচনা করি ।

ছোটবেলার মানুষের বেড়ে উঠার সময়টা কম্প্লেক্স । তখন শিশু মনে জেন্ডার আইডেন্টিটি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। ছেলে কি? , তারা কিভাবে চলে, আমি কি ছেলে?, আমি কি ছেলে হিসাবে গৃহিত হবো ?
বাবারা এই প্রশ্নে জবাব দেন বাচ্চার প্রশংসা করে । তাকে আদর করে (স্পর্শ / খেলা করা) । এটা যদি না করা হয় তবে সে বাবার অভাব অনুভব করে । এখানে লক্ষনীয় যে সবসময় প্রশ্ন উচ্চরিত হয় না ।
সে একই ধরনের কোশ্চেন ফাদার ফিগার বা কাছে মানুষদের কাছে করে । বাবা বা কাছের মানুষদের কাছে ছেলে হিসাবে মেজার আপ হওয়া সব ছেলে শিশুর কাছে গুরুত্বপূর্ন ।
সেটা না হলে এই ইনার আর্জ বড় হয়ে সেক্সুয়াল আর্জের রুপ নেয় ।

গে দের বেলায় এটা প্রমানিত যে বাবা না থাকাটা/ ভালো বাবা না থাকাটা একটা মূল ফ্যাক্টর ।

সেই বাবা হতে হবে যে তার জন্য কেয়ার করে তাকে ভালোবাসে । ২-৩ বয়সী বাচ্চাদের বাবার সাথে দূরত্ব থাকলে বাবা এটা তাদের মানসিক ভাবে এফেক্ট করে । সবধরনের গবেষনায় ভালো বাবা না থাকাটা অন্যতম একটা কারন হিসাবে চিন্হিত হয়েছে ।

লেসবিয়ানদের বেলায় মা একই রকম ফ্যাক্টর।তবে মেয়েদের বেলায় মলেষ্টেশনটা আরেকটা ফ্যাক্টর ।

মা-বাবার অভাব ;তাদের সাথে ভালো সম্পর্কের অভাব তারা হোমোসেক্সুয়াল রিলেশন দিয়ে পূরন করার চেষ্টা করে ।

>
http://www.homosexuality101.com/

এখানে সুন্দর ভাবে আলোচনা করা আছে ।

আরো বিশদ জানতে এখানে পড়ুন
http://psychology.wikia.com/wiki/Homosexual

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

পাপ আর হোমোসেক্সুয়ালিটি নিয়ে বলা যায় যে আগেই উল্লেখ করেছি এটা কোন চয়েস না । অধিকাংশ গে ছোট বেলার এটা নিয়ে লজ্জিত থাকে । তারা ঈশ্বরের কাছে চায় এটা যেনো দুর হয়ে যায় ।
যখন তাকে বলা হয় তোমার এটা পাপ -- তখন সে পুরো ব্যাপারটাই রিজেক্ট করে । কারন সে সারাজীবন দেখে এসেছে এটা তার চয়েস না ।


~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

শেষে এটুকু বলতে পারি জানলে অনেক ব্যাপারে ভ্রান্ত ধারনা পরিবর্তন হয় ।

ছোট বাচ্চাদের বাবা-মা হলে তাদের সাথে ঘনিষ্ঠ হতে চেষ্টা করুন ।
খুব ছোট বেলায় যেন দূরত্ব তৈরী না হয় ।

গে-লেসবিয়ানদের ব্যাপারে সবরকম শুচিবাই কাটান ।

মজার ব্যাপার হচ্ছে অধিকাংশ গে লেসবিয়ান -- সামাজিক ভাবে সফল । তাদের মিউজিক-আর্টের টেষ্ট খুব ভালো ।

আমাদের কমনসেন্স , লজিক আর লদ্ধজ্ঞান কাজে লাগালে অনেক সামাজিক সমস্যার সমাধান সম্ভব ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
অফটপিক ::
সামু মডারেশন আর কর্তৃপক্ষের কথা আর কি বলবো ।
আমি পুরাই হতাশ - আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম আর
এই প্রগতিশীল গ্রাম্য মোড়লদের কারনে এখন কি অবস্থা ।
মুক্তবয়ানের লেখাটা পড়ুন -

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28973742 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28973742 2009-07-05 07:03:33
পৃথিবীর মোটামুটি সব দেশের একটা সেনাবাহিনী রয়েছে :: পৃথিবীতে একটা মাত্র সেনাবাহিনীর জন্য রয়েছে আস্ত একটা দেশ (!!) বাংলাদেশের উচিত "ব্রাদার" ডেকে তলাবিহীন ঝুড়ি উপমা পাকিস্তানের সাথে শেয়ার করা ।

২। আমাদের মউন ইউ আহমেদকে ধন্যবাদ জানাই তিনি বিবেচকের মতো ক্ষমতা দখলে ভুলটা করেননি (তার অন্যান্য কাজ গুলো অবিবেচকের মতো হলেও) । বাংলাদেশও পাকিস্তানের পিছে পিছে সেনাবাহিনীর দেশ হওয়ার হাত থেকে বেচেছে ।
ভবিষৎ জানি না তবে এটা খালি আশা করি বর্তমান সরকার বা বিরোধীদল জেনো অতীত থেকে শিক্ষা নেয় - নিজেরা কামড়া কামড়ি করে খাল কেটে ডায়নোসর যেনো না নিয়ে আসে ।

৩। বারাক ওবামা আর বিখ্যাত মিশরের ভাষনের কথা সবাই জানেন । না জানলে পুরো ভাষনটা একবার শোনার অনুরোধ করছি। পাকিস্তানে সেনা পাঠাবেন না বলে মনস্থির করেছেন ওবামা। বেশ ভালো ব্যাপার। ইরান আর ফিলিস্তিনের ব্যাপারে তিনি বেশ উদার মনা। কিন্তু পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ব্যাপারে তার উদার মনা ভাবটার চে বুদ্ধিমান প্রখর ব্রেনটা কাজে লাগলেই মনে হয় ভালো হয় । এই যন্ত্রনা নির্মূল করার তিনি একজন কার্যকর মানুষ । কিন্তু আফসোস তার সামর্থের ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে । (সেটা আরেক পোষ্টে আলাপ করা যাবে)

৪। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে এদেশের মানুষ চরম ঘৃনা ভরে পাকি আর্মীর কথা স্মরন করবে । বাংলাদেশে ঘটিত যুদ্ধাপরাধের পিছনে কতটুকু দায়ী পাকি আর্মী আর কতটুকু সাধারন মানুষ এটা নিয়ে গবেষনা হওয়া উচিত । আমার কেন জানি মনে বাংলাদেশে এত নির্মম অমানবিক অত্যাচারে পিছনে রেসিজম একটা বিরাট ইস্যু । পাকি আর্মীর চাদ বদন খাড়া নাক , ফর্সা চামড়ার লোকজন বাংলাদেশের বোচানাক , ময়লা চামড়ার মানুষের উদ্ধত্য সহ্য করতে না পেরে পাইকারি গণহত্যা চালিয়েছিলো।

৫। পাকিস্তানের ক্রিকেট দলে আনপ্রডিক্টেবল ডাকা হয় । পাকিস্তান ২০টুয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে । এমন একটা দেশ যেখানে ক্রিকেট খেলতে যাওয়া শ্রীলংকা দলে সন্ত্রাসী হামলার মুখে চুল পরিমানের জন্য বেচে যায় । এমন একটা দেশ যেখানে সবার কাছে আর্তি/ভিক্ষা জানিয়েও খেলতে যাওয়ার লোক পায় না। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ও সরিয়ে নেয়া হয়েছে । এখান থেকে বিশ্বকাপ জয় আশ্চর্যের ব্যাপার বৈকি ।
পাকিস্তান ক্রিকেট দলের শিক্ষা নিয়ে পাকিস্তানের তরুনরা যদি ঘুরে না দাড়ায় -- পাকিস্তান বাকি দুনিয়ার জন্য একটা বিষফোড়া হিসাবেই রয়ে যাবে ।


৬। আমাদের সংস্কৃতির কপি পেষ্টের নিয়মটা বেশ সোজা ।

অরিজিনিল পিস (ধরা যাক মুভি) ফ্রেন্চ / ইটালিয়ান/ জাপানি / পোলিশ /ইরানি
| |
হলিউডে আমেরিকার চিজ ফ্রাইড বার্গার আর পপকর্ন নিয়ে পরিবেশিত
| |
পাকি/ ইন্ডিয়ার তেল চুপে চুপে ভার্শন

| |
আমাদের ঢালিউডে খেমটা নাচ ভার্শন
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
জেএমবি বা এই লাইনের বাইরে যাবে কেন ?
কুত্তার বাচ্চারও কপি পেষ্ট করে আত্মঘাতী বোমা হামলার প্ল্যান বানায় ।


৭। পাকি আর্মীর একটা জুজু দরকার । ভারত কে বিশাল জুজু হিসাবে তারা সারাক্ষনই ব্যবহার করেছে । ভারত না থাকলে পাকি আর্মীও থাকতো না । ভারত পারমানবিক বোমা বানানোর পর ভুট্টো শুওরটা বলেছিলো ঘাস খেয়ে হলেও পারমানবিক বোমা বানাবে । সেটা তারা বানিয়েছে ।
সেই পারমানবিক বোমার নিয়ন্ত্রন কারা আছে এটা একটা ভাবনার ব্যাপার । উন্মাদ বুশের হাতেও মনে এই সুইচ পাক আর্মি হাতের চে নিরাপদে ছিলো ।




৮। আল- কায়েদা ঘোষনা করছে তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাকি পারমানবিক বোমা ব্যবহার করবে ।

খবরটা পড়ার পর থেকেই মাথায় আগুন জ্বলছে । এই বেজন্মা কুকুরের বাচ্চাদের জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষ ভোগান্তিতে আছে । এখন আবার নতুন উৎপাত । এদের ঝাড়ে বংশে বিনাশ করতে হবে । নিরীহ মানুষদের ব্রেন ওয়াশ করে এরা বিপ্লব করতে চাইছে । আসলে এরা রক্তলোভি উন্মত্ত পশু ছাড়া আর কিছু নয় ।
আর পাকি আর্মীর গিরগিটি চরিত্রের কারনে এরা ঝামেলা যদি জিইয়ে রাখতে চায় তো অবাক হওয়ার কিছু নেই ।


~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~


পোষ্ট দেয়া বন্ধ রাখার কথা ছিলো । "সোজা কথা" নামে ব্লগারকে ব্যান করে রাখা হয়েছে উপযুক্ত কারন ছাড়ায় । খারেজির কমেন্ত ব্যান ।
এবং কর্তৃপক্ষ নিশ্চুপ ।
আমাদের ভাষায়" তিব্র দিক্কার "না । তীব্র ধিক্কার দিলাম কর্তৃপক্ষের এই কাপুরুষচিত আচরনের জন্য ।

মডারেশনে স্বচ্ছতা চাই ।
Click This Link

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28968214 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28968214 2009-06-23 02:47:00
সোজা কথার ব্যান নিয়ে সবকিছু সবার সামনে আসুক
প্রিয় লেখক মুহাম্মদ জাফর ইকবাল নিয়ে আপত্তিকর পোষ্টের সাথে ব্লগার "সোজা কথা" কে মিলিয়ে একটা পোষ্ট
এসেছে।

Click This Link

এখানে দাবি করা হয়েছে গত কয়েকদিনের নাটকের পিছে
কয়েকটি নিক নিয়ে "সোজা কথা" তৎপর ছিলেন ।

আমার দাবী হলো -- আমরা সাধারন ব্লগাররা খালি লাফাইয়া যেতে চাই না । এই বিষয়টা পরিস্কার হোক ।
তার পোষ্টের দেয়ার টপিকের সাথে কোন ভাবেই মুহম্মদ জাফর ইকবাল কে নিয়ে পোষ্টের সাথে মিল খুজে পাওয়া যায় না ।
মানুষের তো ন্যুনতম বিবেকবোধ কাজ করে তাই না ।

সোজা কথার লগইন ব্যান করা হয়েছে বেশ ভালো ।

এই ব্যাপারটা পরিস্কার করে সামু কর্তৃপক্ষ একটা ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করুক ।

আরেকটা ব্যাপার -- আপনাদের কাছের ব্লগারদের নামধাম সহ একটা পোষ্ট দিলে ভালো হয় । তাদের কাছ থেকে দূরে থাকা যায় ।
আপনারা যা বলতে পারেন না তা এদের দিয়ে বলানোর কোন কারন নাই ।

পুরানো যুগ এখন আর নাই -- এখন আমরা সহজেই এইসব ধরতে পারি ।

এই কারনে মডারেশনে স্বচ্ছতার প্রশ্ন ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28966829 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28966829 2009-06-19 21:46:14
প্রতিকাব্য :: ১০ টাকার হাওয়াই মিঠাই






একটা সুন্দর পার্কে
অথবা রাস্তার মোড়ে
কেউ হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে
রংচংয়ে সুখ
ছেলেভুলানো হাওয়াই মিঠাই
মিষ্টি স্বাদ, জিভে দেয়ার আগেই গলে শেষ

তীব্র মাদকের মতো সেই হাওয়াই মিঠাই
ক্লান্ত কেরানি, মাটি কাটা শ্রমিক
আটপৌরে গৃহিনী , ভাবুক স্কুলবয়,
বেণী দোলানো কিশোরী , বাজখাই বণিক
দাগী চোর, ভন্ড বক্তা
এককাঠি হাওয়াই মিঠাইয়ের স্বপ্ন দেখে।

পোড় খাওয়া পায়ে , দিগন্ত ধরে হেটে হেটে
দগদগে ঘা চেপে, খোজে সবাই ।
কালশিটে পরা নখে, চিড়ে যাওয়া উরু
নিয়ে হেটে চলে - পাথুরে রাস্তায়
দেবে যাওয়া বালিপথ
থিকে থিকে হাটুপানি
কষ্টের চোরাবালি পার হয়ে
১০ টাকার হাওয়াই মিঠাই কিনে
জিভে দেয়ার আগেই গলে শেষ।






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28959511 http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28959511 2009-06-03 11:17:11