somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... মজার ইলিশ, হরেক পদ (২): ইলিশ মাছের ডিমের ঝোল
উপকরণঃ

ইলিশ মাছের ডিম - ১টা মাছের (গোল করে টুকরা করা), ১ কাপ সমপরিমান ডিম

আলু - ৩ টা মাঝারী, আধা ইঞ্চি কিউব করে কাটা
পেঁয়াজ কুচি - ১/২ কাপ
আদা বাটা - ১/২ চা চামচ
রসুন বাটা - ১ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া - ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
জিরা বাটা - ১/২ চা চামচ
ধনে গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
কাচা মরিচ - ৩/৪ টা (ঝাল বেশি চাইলে আরো বেশি)
লবণ - পরিমাণমতো
তেল - ২ টেবিল চামচ
ধনে পাতা কুচি - ১ টেবিল চামচ
পানি - পরিমানমতো

প্রণালীঃ

মাছের ডিম হালকা ভাবে ধুয়ে ১ ইঞ্চি কিউব করে কেটে নিন। আলু খোসা ফেলে ১/২ ইঞ্চি কিউব করে কেটে নিন।

হাঁড়িতে তেল দিয়ে একটু গরম হলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন, নাড়তে থাকুন, হালকা বাদামী করে ভাজা হলে এবার চুলার আঁচ কমিয়ে সব মশলা ও পানি দিয়ে সামান্য কষিয়ে নিন। এবার মাছের টুকরা ও ডিম দিয়ে আরো ৫ মিনিট কষিয়ে পরিমানমতো পানি দিন, ঝোল বেশি হলে আবার ভাল লাগবে না। আলুর কাটা টুকরো গুলো দিয়ে দিন। ঢেকে দিন কিছুক্ষণ রান্না হওয়ার জন্য। ঝোল ফুটতে শুরু করলে কাঁচা মরিচ উপরে ছিটিয়ে দিন। এবার ঝোল মাখা মাখা হয়ে এলে ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামিয়ে নিন। পরিবেশনের জন্য তৈরী।

গরম ভাতের সাথে আচার সহ খুবই ভাল লাগবে।


৩০/১০/০৭, চট্টগ্রাম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28793367 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28793367 2008-05-01 21:55:30
মজার ইলিশ, হরেক পদ (১): আলু-ইলিশের ঝোল
আজকের রেসিপিটিঃ আলু-ইলিশের ঝোল (১)

উপকরণঃ
ইলিশ মাছ - ছোট এক বাটি, ১/২ ইঞ্চি কিউব করে কাটা
ইলিশ মাছের ডিম - ১/২ বাটি (২ ভাগ) পরিমাণ, মাছের মতই ১/২ ইঞ্চি কিউব করে কাটা

পেটের এবং পিঠের মাছ হলে ভাল হয়, এতে রান্নার পরও মাছ ভেঙ্গে যাবে না।

আলু - ২ টা মাঝারী, আধা ইঞ্চি কিউব করে কাটা
পেয়াজ কুচি - ২ টা মাঝারী
কাচা মরিচ - ৪ টা (ঝাল বেশি চাইলে আরো একটা বেশি দিতে পারেন)
মরিচ গুঁড়া - ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
আদা বাটা - ১/২ চা চামচ
রসুন বাটা - ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
লবণ - পরিমাণমতো
তেল - ২ টেবিল চামচ
চিনি - ১ চিমটি (ডায়াবেটিস থাকলে দেবেন না)
ধনে পাতা কুচি - ১ টেবিল চামচ
পানি - ২/৩ কাপ

প্রণালীঃ
হাঁড়িতে তেল দিয়ে একটু গরম হলে পেয়াজ কুচি ছেড়ে দিন। হালকা বাদামী রঙ ধারণ করলে চুলার আঁচ কমিয়ে পরিমাণমতো লবণ দিন, আদা-রসুন, হলুদ-মরিচ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া দিয়ে নাড়ুন। সব মশলা ২/৩ মিনিট কষান। এ সময়ে চুলার আঁচ কমানো থাকবে।

মশলা কষানো হলে মাছ ছেড়ে দিয়ে ৫ মিনিট নেড়ে-নেড়ে মাছ কষান। কষানো হলে ২/৩ কাপ পানি দিয়ে চুলার আঁচ বাড়িয়ে দিন। ৪/৫ মিনিট পর পানি ফুটতে শুরু করলে আলু দিয়ে দিন। ঢেকে রাখুন। এ সমেয় ঢাকনা তুলে মাঝে মাঝে হালকা ভাবে নেড়ে দিন যেন মাছ ভেঙ্গে না যায়। ২/৩ মিনিটে মাথায় চুলার আঁচ কমিয়ে রান্না হতে দিন।

আলু সিদ্ধ হয়ে এলে কাঁচা মরিচ এবং চিনি দিয়ে আরো কিছুক্ষণ রান্ন করুন। ঝোল কমে খানিকটা মাখা-মাখা হলে নামিয়ে ধনে পাতা কুচি ছড়িয়ে দিন।

পরিবেশনের জন্য তৈরী। গরম ভাতের সাথে খুবই ভাল লাগবে।


১২/১০/০৭, ২৯ রমজান, চট্টগ্রাম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28793078 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28793078 2008-05-01 01:27:01
ঝাল-মশলায় জলপাই আচার জলপাইয়ের মিষ্টি আচার এই রেসিপিটি দিয়েছিলাম। এটি মশলা এবং ঝালে করা মজার একটি আচার, জলপাইটা এখানে গোটা গোটা থাকবে। রোদে শুকিয়ে অনেক দিন রাখা যাবে।

উপকরণঃ
জলপাই - ১ কেজি (একই আকারের)
সরিষার তেল - ২৫০ মিলি
কাঁচা মরিচ - ১৫০ গ্রাম
রসুন - ১৫০ গ্রাম
আদা - ১৫০ গ্রাম
হলুদ গুঁড়া - ১ টেবিল চামচ
সরিষা দানা - ১৫০ গ্রাম
ভিনেগার - ১ বোতল
লবন - ২ টেবিল চামচ
পাঁচফোড়ন - ২ টেবিল চামচ
মৌরি - ২ টেবিল চামচ
কাল জিরা - ২ টেবিল চামচ

প্রণালীঃ

জলপাই, কাঁচা মরিচ, রসুন, আদা ও সরিষা ভাল করে ধুয়ে পানি শুকিয়ে নিন। জলপাইয়ের চারপাশে চির কেটে লবন ও হলুদ মেখে পুরো দিন কড়া রোদে রাখতে হবে।

গ্রাইন্ডারে আদা, রসুন ও কাঁচা মরিচ ভিনেগার ঢেলে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার সরিষা ও ভিনেগার দিয়ে মিহি করে শীল-পাটায় বেটে নিন। কাল জিরা, মৌরি ও পাঁচাফোড়ন পাটায় আধা গুঁড়ো করে নিতে হবে। এবার একটি বড় কাঁচের বোতলে সব মশলা, সরিষা বাটা ও লবন দিয়ে ভাল করে ঝাকিয়ে মিশিয়ে নিন। তারপর এতে জলপাই ও তেল দিয়ে বোতলের মুখ আটকে দিন।

পর পর মাসখানেক প্রতিদিন কয়েক ঘন্টা করে আচারের বোতলটি রোদে দেবার পরে খাওয়ার উপযোগী হবে। এই আচার পোলাও ও খিচুড়ি’র সাথে খেতে দারুণ মজা। মাঝে মাঝে রোদে দিলে প্রায় ১ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যাবে এই আচার। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28746254 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28746254 2007-11-18 23:03:36
রুই মাছের ঝোল
বোরহানী'র রেসিপির পোস্টটিতে বন্ধনহীন প্রবাস (জার্মানী) থেকে রুই মাছের ঝোলের রেসিপি'র জন্য অনুরোধ করে, পরে মেইল পেয়ে আমি একটু অবাকই হলাম। তবে ভাল লেগেছে আমার। আমারতো প্রতিদিন এই ব্লগ দেখা সম্ভব হয় না, আমার ছেলে থাকে ঢাকায় ওই ব্লগটি চালায়। সকালে মেইলটা দেখে ছেলে আমাকে ফোনে রেসিপি দিতে বলে। ছবিটা আগেই ও তুলে রেখেছিল। আমি একটূ ফ্রি হয়ে রেসিপিটি লিখে ফোনে ওকে দিলাম। অনেকেই ব্লগে কিছু রেসিপি দিতে অনুরোধ করেছেন ঠিক সময়মতো দিতে পারিনি, তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি, তবে এক এক করে রেসিপিগুলো দেয়ার চেষ্টা করব।

আজকের এই রুই মাছের রেসিপিটি বন্ধনহীনের জন্য উৎসর্গ করলাম, প্রবাসযাপনে যদি খানিকটা আনন্দ দেয় তাই হবে আমার জন্য আনন্দের।

উপকরণঃ

রুই মাছ - ৬ টুকরা
রসুন বাটা - ১/২ চা চামচ
আদা বাটা - ১/২ চা চামচ
জিরা বাটা - ১/৩ চা চামচ
ধনে গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
পেঁয়াজ কুচি - ৩ টেবিল চামচ
মরিচ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া - ১/৪ চা চামচ
টমেটো ফালি করা - ১ কাপ
কাঁচা মরিচ - ৩/৪ টা (ফালি করা)
ধনেপাতা কুচি - ২ টেবিল চামচ
তেল - ২ টেবিল চামচ
লেবুর রস - ১ চা চামচ
লবণ - পরিমানমতো
পানি পরিমানমতো (৩ কাপ হলে চলবে)

প্রণালীঃ

মাছের টূকরাগুলো ধুয়ে লবণ ও হলুদ মেখে তেলে ভেজে নিন, খুব বেশি ভাজবেন না, হালকা করে ভাজবেন।

অন্য একটি পাত্রে মাছ ভাজার গরম তেল দিয়ে পেয়াজ কুচি দিয়ে নেড়ে ভাজুন। পেয়াজ বাদামী রঙ ধারণ করলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। এবার আদা-রসুন বাটা, হলুদ-মরিচ গুঁড়া, জিরা বাটা, ধনে গুঁড়া এবং লবণ দিয়ে কষাতে থাকুন। সব মশলা ২/৩ মিনিট কষানো হলে মাছের ভাজা টূকরাগুলো মশলায় ছেড়ে দিন। নেড়ে দিন হালকাভাবে। এবার তিন কাপ পানি দিয়ে আবার হালকা করে নেড়ে ঢেকে দিয়ে রান্না হতে দিন। এসময় চুলার আঁচ স্বাভাবিক থাকবে। ৫ মিনিট রান্না হলে ঢাকনা তুলে টমেটো ও কাঁচামরিচ দিয়ে আরো ১০মিনিট রান্না করুন। দেখবেন ঝোল একটু ঘন হবে, ছবির মতো দেখতে হবে। এখন ঝোল-ঝোল অবস্থায় ধনে পাতা কুচি ছড়িয়ে দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28746000 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28746000 2007-11-17 18:00:55
বোরহানী, মুখরোচক গুরুপাক খাবারে
উপকরণঃ

মিষ্টি দই - ১ কাপ
টক দই - ১ কেজি
কাচা মরিচ কাটা - ১ চা চামচ
পুদিনা পাতা বাটা - ১ চা চামচ
সরিষা বাটা - ১ চা চামচ
বিট লবন - ১ চা চামচ
পানি পরিমাণমতো (পাতলা বা ঘন যেমনটি করতে চাইবেন)
চিনি - ১ টেবিল চামচ
লবন - ১ চা চামচ
সাদা গোল মরিচের গুঁড়া - ১ চা চামচ

প্রণালীঃ

কাচা মরিচ, পুদিনা পাতা, একসাথে বেটে নিন। বিট লবণ পাটায় গুঁড়া করে মিহি করে নিন। সমস্ত উপকরণ একসাথে অল্প পানি দিয়ে গুলে দইয়ের মধ্য দিন। এবার মিষ্টি দই, টক দই সহ সমস্ত উপকরণ এগ বিটার দিয়ে ১০ মিনিট বিট করুন বা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন। এবার ছাকনি বা কাপড় দিয়ে ছেকে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

ছবিঃ সংগ্রহ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28745294 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28745294 2007-11-14 01:34:13
ডিমের মিহি দানা (ঈদ রেসিপি)
উপকরণঃ
তরল দুধ - দুই লিটার
চিনি - ৫০০ গ্রাম (কম বেশি হতে পারে)
ডিম - ৬ টা
কিসমিস - পরিমানমতো
বাদাম - পরিমানমতো
দারুচিনি - ২/৩ টুকরা
ঘি (গরুর) - ১ চা চামচ


প্রণালীঃ

২ লিটার দুধ জ্বাল দিতে দিতে ঘন করে অর্ধেকে নামিয়ে আনতে হবে। ঘন দুধটা এবার ঠান্ডা হতে দিন। আলাদা একটি পাত্রে ডিম গুলো ফেটিয়ে তাতে পরিমানমতো চিনি ভালকরে মিশিয়ে নিন।

এবার ঘন করা ঠান্ডা দুধের সাথে ডিম ও চিনির মিশ্রণটি মিশিয়ে নিন। চুলায় পরিষ্কার পাতিলে ১ চামচ ঘি দিয়ে দুধের মিশ্রণটি ঢেলে দিন, ২/৩ টুকরা দারুচিনি দিয়ে অনবরত হালকা তালে নাড়তে থাকুন। যেন পাতিলের তলায় আটকে না যায়। নাড়তে নাড়তে দুধের মিশ্রণটি যখন দানা দানা হয়ে আসবে তখন কিসমিস ও বাদাম দিয়ে চুলায় অল্প আঁচে আরো ৫ মিনিট রাখুন। খেয়াল রাখবেন দানা গুলো যেন বড় বড় না হয় আর লাল যেন না হয়ে যায়।

---
ভুলু, চট্টগ্রাম
৩০/১০/২০০০৭]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28741924 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28741924 2007-11-02 01:09:54
স্পাইসি রেজালা গরুর মাংস ১ কেজি
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ১ চা চামচ
পেঁয়াজ বাটা ১/২ কাপ
হলুদ বাটা ১ চা চামচ
মরিচ বাটা ১ চা চামচ
জিরা বাটা ১ চা চামচ
ধনে বাটা ২ চা চামচ
এলাচি ৪টা
দারুচিনি ২ সে.মি. করে ৩ টুকরা
টক দই ১/২ কাপ
কাঁচা মরিচ ১৬টি (মাঝারী)
পোস্ত দানা বাটা ১ টেবিল চামচ
তেল ১/২ কাপ

গুঁড়া মশলা দিয়েও রান্নাটা করতে পারেন, তবে বাটা মশলায় অবশ্যই ভাল হবে। তাই আমি বাটা মশলায় রান্নাটা করেছি।

প্রণালীঃ
পোস্ত দানা ও কাঁচা মরিচ বাদে সব উপকরণ (মশলা) একসঙ্গে ভালকরে মাংসে মাখান। মাখানো মাংস ১০-১৫ মিনিট ঢেকে রাখুন। এবার ঢেকে চুলায় দিন। নাড়তে থাকুন। ফুটে উঠলে জ্বাল কমিয়ে মাংস কষান। মাঝে মাঝে নেড়ে দিবেন। এ সময় চুলার আঁচ কমানো থাকবে।

মাংস সিদ্ধ হলে পোস্তদানা ও কাঁচা মরিচ দিন। মাংস কষিয়ে আধা কাপ পানি দিয়ে মৃদু আঁচে দমে রাখুন। তেল উপরে উঠলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28718738 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28718738 2007-07-01 11:45:33
ঘন ডাল
আপনাদের জন্য অনেক রেসিপি যোগাড় করেছি, প্রমিজ করেও পোস্ট দিতে পারিনি। আমার ব্যক্তিগত ব্যস্ততাই এর জন্য কারণ, সেই সাথে আমার ছেলের ব্যস্ততাও- যে এই ব্লগটি আমার হয়ে চালায়।

আজ আপনাদের জন্য খুব সাধারণ একটি রেসিপি নিয়ে এসেছি। আমার মনে হয়েছে আপনাদের অনেকেই বিদেশে আছেন এবং সহজ রেসিপি গুলো আপনাদের পছন্দ হবে।

উপকরণঃ

মসুর ডাল ২০০ গ্রাম (বা দেড় কাপ)
গরম পানি ৭/৮ কাপ
(পানির পরিমাণ নির্ভর করে ডাল কতটা ঘন করতে চান, অবশ্য পানি বেশী হলে একটু বেশী সময় ধরে জ্বাল দিলেই ডাল ঘন হবে, বেশী সময় ধরে জ্বাল দিলে ডালের স্বাদটাও ভাল হয়)

টমেটো ২/৩টা (লম্ব-লম্বি করে ৪ ফালি করে কাটা)
কাঁচা মরিচ ৩/৪টা (মাঝখানে কাটা), ঝাল কাঁচা মরিচ হলে আরো কম দিতে হবে
হলুদ গুঁড়া ১/২ টেবিল চামচ
লবণ পরিমাণমতো
সয়াবিন তেল ১/২ কাপ
সরিষা ও জিরা দানা ১ চিমটা (খুব অল্প হলেই হবে, ফোঁড়ন দেয়ার জন্য)
জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ (জিরা গুঁড়া বেশী হলে ডালের রঙ কাল হয়ে যেতে পারে)
শুকনা লাল মরিচ ২ টা (কয়েক টুকরা করে কাটা)
রসুন ১ টা (মাঝারী) কুচানো
ধনে পাতা ১ আঁটি (৪/৫টা গাছ) কুচানো

প্রণালীঃ

ডাল ভাল করে ধুয়ে নিন। ধোয়া ডাল হাড়িতে নিয়ে তাতে গরম পানি দিয়ে চুলায় বসান। এবার এতে টুকরো করা টমেটো, হলুদ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া এবং রেসিপি'র অর্ধেকটা তেল দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে রান্না করতে শুরু করুন। লবণ পরে দিবেন এতে ঢাকনা দেয়া অবস্থায় ডাল হাড়ি থেকে উপচে পড়বে না।

মাঝে মাঝে একটু নেড়ে দিন ঢাকনা তুলে, দেখুন ডাল সেদ্ধ হয়েছে কিনা। ডাল উপচে পড়তে থাকলে ঢাকনা সরিয়ে দিতে পারেন। ডাল ঘুটুনী বা এব বিটার দিয়ে ভাল করে ঘুটে দিন যাতে ডাল ভেঙ্গে পানির সাথে মিহি হয়ে মিশে যায়। পানি কমে ডাল ঘন হয়ে এলে পরিমাণমতো লবণ দিন, স্বাদ দেখে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। শুকনা কাটা লাল মরিচ এবং কাঁচা মরিচ দিয়ে দিন। ডালের ঘ্রাণটা ভাল করার জন্য কাচা মরিচ পরে দিয়েছি।

এবার ডালে বাগার দেয়ার জন্য অন্য একটি পাত্রে এই সময়ে বাকী তেল গরম করে তাতে এক এক করে সরিষা দানা, জিরা দানা এবং কুচানো রসুনের ফোড়ন দিন। ঘন-ঘন নাড়তে থাকুন নইলে পুড়ে যাবে। রসুন একটু বাদামী হয়ে এলে তেল সহ সব কিছু ডালের মধ্যে ছেড়ে দিন। এ অবস্থায় ডালে ঢাকনা দিয়ে রাখুন। অল্প আঁচে মিনিট খানেক থাক। নামিয়ে কুচানো ধনে পাতা উপরে ছিটিয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন। দেখুন ডালের কি চমৎকার ঘ্রাণ বেরিয়েছে। ঘন ডাল একটা আলাদা মেন্যু হিসেবে টেবিলে আনতে পারেন।

আগামী রেসিপিটি হবে মাংসের স্পাইসি রেজালা এবং বোরহানী নিয়ে...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28718123 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28718123 2007-06-27 19:48:04
বৈশাখের রান্না - ১ [বেগুন ভাজা (চাকার মতো করে)]
উপকরণঃ
গোল বেগুন ১/২ কেজি
(বেগুন গুলো একটু পেটুক টাইপের হলে ভাল হয়, তবে খুব বড় নয়)
হলুদ গুঁড়া - ১/৩ চা চামচ
জিরা গুঁড়া - ১/৩ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
ধনেগুঁড়া - ১/২ চা চামচ
পেঁয়াজ কুচি -১/৩ কাপ
ধনে পাতা কুচি - ৩/৪ টা গাছ
কাচা মরিচ কুচি - ৩ টা
টমেটো সস - ১ চা চামচ
তেল - ১/৩ কাপ
লবণ স্বাদমতো

প্রণালীঃ
বেগুন চাকার (wheel) মতো করে গোল করে কেটে ১৫ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন, এতে বেগুন কেটে রাখলে যে কালচে ভাব হয় তা আর হবে না। ১৫ মিনিট পরে টুকরো বেগুন গুলো থেকে পানি ঝরিয়ে অন্য পাত্রে নিয়ে হলুদ, মরিচ, জিরা, ধনে গুঁড়া ও লবণ ভল করে মেখে ১০ মিনিট রেখে দিন।

এরপর কড়াইতে তেল গরম করে মশলা মাখানো বেগুনের চাকা গুলো ৩/৪ টুকরো অথবা সুবিধা মতো বাদামী করে ভেজে আলাদা পাত্রে রাখুন। ভাজার সময় ১/২ বার উল্টিয়ে দেবেন যাতে পুড়ে কালো হয়ে না যায়। চুলার আঁচ এ সময়ে কমানো থাকবে।

এবার কড়াইতে থাকা অবশিষ্ট তেলে পেঁয়াজ বাদামী করে ভাজুন। সস ও কাচা মরিচ দিয়ে নেড়ে পেঁয়াজের সাথে মিশিয়ে নিন। ভাজা বেগুন গুলো উপরে ছড়িয়ে অল্প আঁচে কিছুক্ষণ রাখুন। তার উপরে ধনে পাতা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন । বেগুন ভাজা গরম ভাতে সাথে দুপুরেই বেশি ভাল লাগবে।


!@@!619512 !@@!619513 !@@!619514 !@@!619515 !@@!619516 !@@!619517...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28705822 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28705822 2007-04-12 05:01:06
কুচো আদায় মুরগী !@@!590531 নারী দিবসে একটা ফাটানো রেসিপি চেয়েছে, এতে আমি সত্যি বিপদে পড়ে যাই। যে ব্যাপক ক্যানভাসে আমরা নারী দিবসটিকে দেখার চেষ্টা করছি, তাতে কি হতে পারে নারী দিবসের ফাটানো রেসিপি? চোর আগা-গোড়াই রেসিপি ব্লগের একজন ভাল পাঠক। ভাবতে বসে মনে হল, এমন একটি রেসিপি যা কোন নারীর জন্য স্বীকৃতি - হতে পারে তাৎপর্য পূর্ণ। এই রেসিপিটি আমার মেঝ মেয়ের, সবজিসহ এই রান্নাটা আমাদের ঘরে খুবই প্রিয়। তবে এখানে বিশেষ ব্যাপারটা হচ্ছে এই রেসিপিটি আমাদের ঘরে শুধু ওই করে, এবং আসলে মেয়ের হাতেই এটি সবচেয়ে ভাল হয়। তাই আমি কখনোই এই রান্নাটি নিজে করি না, মেয়েকে বলি করতে, ওর জন্যে এটি নিসন্দেহে সম্মান, স্বীকৃতি আমাদের তরফ হতে। রেসিপিটিও ওরই।

ঊপকরণঃ
কিউব করা হাড় ছাড়া মুরগী'র মাংস - মাঝারী ২ বাটি
আদা কুচি - ১ টেবিল চামচ
রসুন কুচি - ১ টেবিল চামচ
পেঁয়াজ কুচি - ১/২ কাপ
কিউব করে কাটা পেয়াজ - ২ টি
মরিচ গুঁড়া - ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
ধনে গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
ধনে পাতা কুচি - ১ টেবিল চামচ
লেবুর রস - বড় লেবু অর্ধেকটা
চিনি - ১/৪ চা চামচ (ডায়াবেটিক রোগী'র ক্ষেত্রে চিনি দিবেন না)
গরম পানি - ১ কাপ
লবন পরিমান মতো
সয়াবিন তেল - ১/২ কাপ
কাচা মরিচ - ৪ টা ফালি করা
টমেটো কুচি - ১ কাপ
কিউব করে কাটা টমেটো - ১ টি

এই রেসিপিটিতে সবজি দিলে এর স্বাদে ভিন্ন মাত্রা যোগ হবে। সবজি দিতে চাইলে অন্য সব উপকরণ ঠিক রেখে শুধু ১ বাটি মুরগীর মাংস (হাড় ছাড়া কিউব করা) এবং ১ বাটি সবজি দিতে হবে, যাতে করে মুরগী'র মাংস আর সবজি'র মোট পরিমান একই থাকে। তখন রেসিপিটিকে বলা যায় - "কুচো আদায় সবজি-মুরগী", অথবা "Chicken vegetable with ginger flakes"।

কি কি সবজি দিতে পারেন?

গাজর, ক্যাপসিকাম, আলু, সীম/বরবটি, ফুলকপি, বেগুন ইত্যাদি কিউব করে কাটা। সবজি'র টুকরা গুলো যেন মুরগী'র মাংসের সমান (প্রায়) কিউব হয়, নইলে দেখতে ভাল লাগবে না।

প্রণালীঃ
১। পরিমানমতো তেল ফ্রাইপেনে দিয়ে একটু গরম হলে রসুন কুচি দিন। নাড়তে থাকুন, এ সময় চুলার আচ কমিয়ে দিন। সোনালী রঙ হলে লবন ও পেঁয়াজ কুচি দিন, নাড়তে থাকুন।

২। পেঁয়াজ বাদামী রঙ হলে কিউব করা মাংস দিন, কিছুক্ষণ নাড়ার পর সামান্য পানি দিন মাংস সিদ্ধ হওয়ার জন্য। সবজি দিলে এ সময় সবজি দিতে পারেন। আগে আলু, গাজরের মত শক্ত সবজি গুলো দিবেন।

৩। মাংস আধা সিদ্ধ হলে মরিচ, হলুদ ও ধনে গুঁড়া এবং সামান্য পানি দিয়ে কিছুক্ষণ কষাতে হবে যেন মাংসে মশলা মিশে যায়। এ সময় অন্য সবজি গুলো দিয়ে দিতে পারেন। ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন, ঢাকনা তুলে মাঝে মাঝে নেড়ে দিবেন।

৪। মাংস কষানো হলে এবং সবজি প্রায় সিদ্ধ হয়ে এলে আদা কুচি ও কাচা মরিচ দিন। একটু নেড়ে দিন, খেয়াল রাখতে হবে বেশি বা জোরে নেড়ে যেন উপকরণ গুলো ভেঙ্গে না যায়।

৫। এবার লেবুর রস ও চিনি দিয়ে একটু নেড়ে দিন। এর মধ্যে সবজি পুরোপুরি সিদ্ধ হয়ে যাবে। নামানোর আগে ধনে পাতা ছড়িয়ে দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।

৬। অন্য একটি কড়াইতে দুই চা চামচ তেল দিন, তেল গরম হলে কিউব করা পেঁয়াজের টুকরো গুলো তেলে ছেড়ে দিয়ে নাড়ুন। পেঁয়াজ খানিকটা ভাজা হয়ে বাদামী রঙের হলে কিউব টমেটো এবং সামান্য লবন দিয়ে নাড়ুন। এবার নামিয়ে নিন।

এবার পরিবেশন পাত্রে রান্না করা চিকেন ঢেলে তার উপর পেঁয়াজ ও টমেটোর কিউব গুলো ঢেলে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28703821 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28703821 2007-03-27 12:34:45
আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সকল নারীকে জানাই শুভেচ্ছা
সবাইকে আবারো শুভেচ্ছা।

ভূলু, চট্টগ্রাম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28701418 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28701418 2007-03-08 07:47:43
শীতের সবজি দিয়ে থাই স্যুপ

উপকরণঃ
Maggi থাই স্যুপ - ১ প্যাকেট
গাজর কুচি - ১/৩ কাপ
ফুলকপি কুচি - ১/২ কাপ
সীম কুচি - ১/২ কাপ
বাধাকপি কুচি - ১/২ কাপ
পেঁয়াজ কুচি - ১ টেবিল চামচ
টমেটো কুচি - ১/৩ কাপ
কাচা মরিচ কুচি - ৪ টি
সাদা গোলমরিচ গুড়া - ১/৩ চা চামচ
কচি পেঁয়াজ পাতা কুচি - ১/২ চা চামচ
রসুন কুচি - ১/২ চা চামচ
আদা কুচি - ১/২ চা চামচ
তেল - ২ টেবিল চামচ
লবন - স্বাদমতো
কর্ণফ্লাওয়ার - ১/২ চা চামচ

প্রণালীঃ

২ কাপ (৩৫০ মি.লি.) স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে Maggi স্যুপ পাঊডার গুলে নিন। এবার একটা পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ, আদা, রসুন একটু ভেজে নিয়ে সব সবজি দিয়ে ৩ মিনিট ভাজুন। এখন ১/২ কাপ পানি দিন। সবজি সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে গেলে গুলানো স্যুপ ঢেলে দিন। এবার স্যুপের মিশ্রণটি ফুটে উঠলে ৪-৫ মিনিট অল্প আঁচে রান্না করুন। পানিতে গুলানো কর্ণফ্লাওয়ার ঢেলে আরো ১ মিনিট নেড়ে নিন। এবার একটা ডিমের কুসুম ফেটিয়ে স্যুপে আস্তে আস্তে নাড়তে নাড়তে ঢেলে দিন। গোলমরিচ গুঁড়া দিন। এবার কুচি করা পেঁয়াজ পাতা ও কাঁচা মরিচ কুচি দিয়ে ১ মিনিট রেখে নামিয়ে ফেলুন।

ধোঁয়া ওঠা গরম গরম থাই স্যুপ সাজিয়ে পুঁদিনা পাতা সহ পরিবেশন করুন।


আরো দেখুনঃ !@!16136 -এ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28701212 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28701212 2007-03-07 00:26:39
পটল এর পাতুরি আর সংগ্রহ করেছেন আমার ছেলের বন্ধু মোশাররফ হোসেন, জাপানে পিএইচডি স্টুডেন্ট। আমার খুবই ভাল লেগেছে রান্নাটা, আপনাদেরও ভাল লাগবে। আপনাদের জন্য আরো কিছু সবজির রেসিপি নিয়ে আসব।

উপাদানঃ

পটল (আস্ত) - ৮/১০ টি
পেঁয়াজ - ১ কাপ
রসুন বাটা - ১ টেবিল চামচ
জিরা বাটা - ১/২ টেবিল চামচ
ভাজা (টালা) জিরার গুঁড়া - ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়া - ১/৪ টেবিল চামচ
মরিচ গুঁড়া - ১/৪ টেবিল চামচ
কাঁচা মরিচ - ৪/৫ টি
সরিষা বাটা - ১ টেবিল চামচ
তেল - ১ কাপ
লবন - পরিমাণমত

প্রণালী:

আস্ত পটল এর চামড়া ছেঁচে নিন, দুইপাশ কেটে নিন যাতে ভিতরে ভালভাবে মশলা ঢুকতে পারে। পটলগুলো ধুয়ে অল্প লবন এবং হলুদ মেখে হালকা গরম তেলে অল্প আঁচে ভেজে নিন যাতে পটলগুলো সেদ্ধ হয়। পটলের উপরিভাগটা একটু পোড়াপোড়া হলে ভালো হয়। ভাজা হওয়ার পর পটলগুলো তুলে ফেলুন। এবার বাকী তেলের মধ্যে পেঁয়াজ দিয়ে নাড়তে থাকুন। পেঁয়াজ বাদামী রঙ ধারণ করলে তাতে অল্প পরিমাণ পানি দিন। এরপর রসুন বাটা, আদা বাটা, জিরা বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া এবং লবন দিয়ে কষাতে থাকুন। পানি শুকিয়ে এলে তাতে পটলগুলো দিন, কষাতে থাকুন। কষানো শেষে ১ কাপ পানি দিন। পানি ফুটতে শুরু করলে সরিষা বাটা এবং কাঁচা মরিচ দিন। পানি শুকিয়ে এলে ভাজা জিরার গুঁড়া ছিটিয়ে দিন। উপরে তেল ভেসে উঠার পর নামিয়ে ফেলুন, দেরি করবেন না, তা না হলে তেতো হয়ে যেতে পারে। পুরো রান্নাটা অল্প আঁচে করুন।

আরো দেখুনঃ !@!16090]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28701061 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28701061 2007-03-05 23:17:08
অনেক দিন কোন রেসিপি নিয়ে আসা হয়না
অবশ্য এরই মধ্যে আরো একটি কাজ করা হয়ে গেছে- আমার ছেলে একই রেসিপি গুলো সামহ্যোয়ারইন ব্লগের পর !@@!535553 http://banglarecipe.blogspot.com -এ পাবলিশ করছে। রেসিপি নিয়ে কাজ শুরু করার পর মনে হল এবার যদি একই রেসিপি গুলোর ইংরেজী ভার্সন করা যেত, তাহলে আমাদের এই খাবার গুলোকে অন্যদের মাঝেও ছড়িয়ে দেয়া যেত! ব্লগস্পটে কয়েকজন এই পরামর্শ দিয়েছেন। আরো ইচ্ছে আছে এইসব রেসিপি, সেই সাথে আমার সংগ্রহের রেসিপি এবং গৃহিণী কিংবা আর যারা রান্না করতে পছন্দ করেন তাদের রেসিপি গুলো নিয়ে কাজ করার। ইচ্ছে আছে আমাদের দেশের আঞ্চল ভিত্তিক রেসিপি গুলোকে সবার সামনে তুলে নিয়ে আসার। আমাদের নানী-দাদীরা দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর অনেক রেসিপি, অনেক মজার খাবার আমরা হারিয়ে ফেলছি। সেই স্বাদ, সেই রান্নার হাত এখন আর নেই। আগামী প্রজন্ম হয়ত ফাস্ট ফুডের নামে অনেক নতুন নতুন খাবারের স্বাদ পাবে, কিন্তু সেই দেশী স্বাদ? যা আমাদের জিবে লেগে আছে, যা আমাদের রক্তে মিশে আছে? তা কি আমরা হারিয়ে ফেলব?

এ সবের জন্য আমার ছেলে-মেয়েরা আমাকে সাহায্য করবে, আপনারা দোয়া করবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28700846 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28700846 2007-03-04 01:35:10
লইট্টা শুঁটকির ভর্তা
লইট্টা শুঁটকি - ১২ টুকরা (১ ইঞ্চি করে কাটা)
পেঁয়াজ কুচি - মাঝারী ১ টি পেঁয়াজ
রসুন - ২ কোয়া (বড় সাইজের)
নারকেল (কুরানো) - ১ টেবিল চামচ
শুকনা মরিচ - ৫/৬ টা (টালা অথবা ভাজা)
ধনেপাতা - ১ টেবিল চামচ কুচানো
লবণ পরিমানমতো

প্রণালীঃ

শুঁটকি'র টুকরা গুলো ভালকরে ধুয়ে টেলে নিন।

এবার পাটায় (শিলে) টালা শুকনো মরিচ ও লবণ বেটে নিন। শুটকি ভাল করে বেটে নিন পাটায়। তারপর পেঁয়াজ কুচি, রসুন, কুরানো নারকেল, ধনেপাতা কুচি একসঙ্গে বেটে নিন।

বাটা উপকরণ গুলো এবার একসঙ্গে মেশান। মেশানো উপকরণ গুলো এবার একসঙ্গে আবার পাটায় বেটে নিন- আরো মিহি হবে। এবার পাটা থেকে তুলে আরেকবার মাখান।

ভর্তার গোল গোল বল করে প্লেটে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

শুটকির ভর্তা করার জন্য অন্য কোন শুটকি হলেও একই রেসিপিতে করা যেতে পারে। শুধু রেসিপিতে লইট্টা শুটকির পরিমানে অন্য শুটকি নিলেই হবে। এখানে লইট্টা শুটকি ব্যাবহার করা হয়েছে, কারণ লইট্টা মাছ এবং এর শুঁটকি চাটগাঁ'র মানষের কাছে খুবই জনপ্রিয়। অন্য একটা রেসিপিতে লইট্টা মাছের রেসিপি দেয়ার ইচ্ছে রইল, লইট্টা মাছতো আরো মজার, যারা খেয়েছেন তারা এর স্বাদ ভুলবেন না কোনদিন।

---
ভূলু, চট্টগ্রাম
নভেম্বর ২০০৬]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28695440 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28695440 2007-01-27 11:31:04
ইমটি'র জন্যে পুডিং !@@!435730 পুডিং জমাট না বাধার কারণ জানতে চেয়েছে। তাই নিয়ে আজকের এই প্রচেষ্টা-

পুডিং নিয়ে ইমটিকে কি পরামর্শ দেই, এই নিয়ে ভাবতে ভাবতে বিষ্যুদবার রাতে ব্লগে এসেতো আমার মেঘ না চাইতে জল পেয়ে গেছি অবস্থা। !@@!435765 !@@!435766........., কাড়াকাড়ি অবস্থা। তা মেমন, ফাঁস করলেনই যখন রেসিপিটাও ফাঁস করে দিতেন, আমরাও মজা করতাম।

"শেহজাদীর পুডিং" এর জন্য মেমন এবং শেহজাদী দুজনকেই ধন্যবাদ।

পূডিং জমাট না বাঁধার কারণ গুলো হতে পারে এই রকমঃ

১। রেসিপিতে ডিমের পরিমান অন্য উপাদান গুলোর তুলনায় হয়ত কম হয়েছে
২। মিশ্রণটি আলাদা ভাবে এবং একসঙ্গে ভাল করে ফেটানো হয়নি হয়ত
৩। পুডিং রান্নার সময় মিশ্রণটির ভেতর কোনভাবে হয়ত বাহির থেকে পানি ডুকে যাচ্ছে

এই কারণ গুলোর জন্যে পুডিং জমাট না বেঁধে পানি পানি হয়ে যেতে পারে।

পুডিং-এর রেসিপিটি এই রকমঃ

পুডিং হবে প্রেসার কুকারে, আর যা যা লাগবেঃ

দুধ - ১/২ লিটার
ডিম - ৫ টা
চিনি - ১/২ কাপ বা পরিমানমতো
ঘি (গরুর) - ১ চা চামচ


কিভাবে করবেনঃ

- ১/২ লিটার দুধ নেড়ে নেড়ে জ্বাল দিতে থাকুন, খেয়াল রাখবেন দুধে যাতে স্বর বসে না যায়। তাই ঘন ঘন নাড়তে হবে। দুধ কমে যখন প্রায় অর্ধেক হয়ে যাবে নামিয়ে ঠান্ডা করুন।

- অন্য পাত্রে ৫ টা ডিম ভাল করে ফেটে নিন, এইবার এর সাথে চিনি মেশান। সবটা চিনি গলে যাবে না, তবুও যতটা সম্ভব ভাল করে মেশান। মিশ্রণটি জ্বাল দেয়া ঠান্ডা দুধে দিন, ১ চা চামচ ঘি দিন। ভাল করে ফেটে নিন, ...ভাল করে।

- এইবার পছন্দসই একটি পাত্র (প্রেসার কুকার উপযোগী) চুলায় চাপিয়ে তাতে সামান্য চিনি দিয়ে একটু লালচে (পুড়ে) করে নিন, পুডিং যখন উপুড় করে পরিবেশন করবেন তখন দেখতে ভাল দেখাবে।

- প্রেসার কুকারে পানি দিয়ে এর মধ্যে একটি স্ট্যান্ড বসিয়ে তার উপর পুডিং এর মিশ্রণ সহ ঢাকনা দিয়ে পাত্রটি দিন। ৩/৪ সিটি পর্যন্ত রান্না হতে দিন। এই সময়ে পাত্রের ঢাকনা তুলে দেখতে পারেন পুডিং জমেছে কিনা। মিনিট বিশেক এর মত লাগবে পুডিং হতে।

আর প্রেসার কুকার না হলেঃ
- একটা পাত্রে পানি গরম করে, পাত্রটির উপর পুডিং এর মিশ্রণ সহ পাত্রটি দিন ঢাকনা সহ, চুলার আগুন কমিয়ে দিন। নীচে পানি গরম হবে আর এই বাস্পের প্রেসারে উপরে পাত্রে আস্তে আস্তে পুডিং জমাট বাধতে থাকবে, ঢাকনা তুলে দেখবেন হয়েছে কিনা। নামানোর আগে কি করে বুঝবেন পুডিং হয়ে গেছে? একটা কাঠি পুডিং এর মধ্যে চুবিয়ে তুলে নিন, যদি কাঠিতে পুডিং এর অংশ লেগে থাকে বুঝবেন পুডিং হয়নি, যদি দেখেন চুবিয়ে তোলার পর কাঠির গায়ে কিছুই লেগে নেই, তাহলে বুঝবেন পুডিং হয়ে গেছে।

এই হল ইমটি'র জন্য পুডিং, কেমন হল জানাবেন কিন্তু।

ছবিঃ !@@!436123 ব্লগ থেকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28695232 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28695232 2007-01-25 15:45:37
ছিটা রুটি (ছিটা পিঠা)
উপকরণঃ

চালের গুড়া - ২ কাপ (এতে ১২-১৫ টি রুটি হতে পারে)
পানি - ৩ কাপ
ডিম - ১ টা ডিমের অর্ধেকটা ফেটানো
লবণ পরিমানমতো
তেল পরিমানমতো


প্রণালীঃ

- বাটিতে পরিমানমতো লবণ ও ৩ কাপ পানি দিন, ভাল করে মেশান। লবণ-পানি মিশে গেলে ২ কাপ চালের গুড়া দিয়ে মিশিয়ে নিন ভাল করে। পাতলা মিশ্রণ তৈরী হবে।

- মিশ্রণটির সাথে ১ টি ডিমের অর্ধেকটা ভাল করে মিশিয়ে নিন। এই অবস্থায় মিশ্রণটি ১৫ মিনিট রেখে দিন।

- ১৫ মিনিট পর একটি কড়াইতে তেলের প্রলেপ দিয়ে মিশ্রণটির মধ্যে হাত চুবিয়ে কড়াইতে ছিটা দিন, অর্থাৎ আঙ্গুল গুলো প্রলেপ দেয়া তেলের উপর ঝেড়ে নিন। এভাবে প্রতি রুটির জন্য ৩/৪ বার মিশ্রণটিতে হাত চুবিয়ে পরপর কড়ায়তে ছিটা দিন। চুলার আঁচ কমানো থাকবে। রুটি যেন পুড়ে না যায় খেয়াল রাখবেন। রুটি হয়ে গেলে আলতো করে তুলে নিন যেন না ভাঙ্গে। এমনিতেই রুটি খুব পাতলা হবে তাই ভেঙ্গে গেলে ভাল দেখায় না।

- এভাবে প্রতিবারে তেলের হালকা প্রলেপ দিয়ে ৩/৪ বার ছিটা দিয়ে পাতলা করে রুটি তৈরী করুন। রুটি গুলো যেন গরম থাকে এমন কিছুতে তুলে রাখুন পরিবেশনের আগে।

- মিশ্রণটি জমে যাওয়ার মতো হলে আবার ভালভাবে মিশিয়ে নিন, প্রয়োজন হলে আরেকটু পানি (সামান্য) মিশিয়ে ভাল করে নেড়ে নিতে পারেন, তরল হয়ে উঠবে।

- ছিটা রুটির সাথে গরম গরম ভূনা মাংস বা ঝোল মাংসের সহ পরিবেশন করুন, পছন্দ অনুযায়ী সালাদ হতে পারে।


---
ভুলু, চট্টগ্রাম
২২/০১/২০০০৭
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28694864 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28694864 2007-01-21 23:49:17
শুকনো আলু-ক্যাপসিকাম এই রেসিপিটি "শুকনো আলু (ভাজি)" রেসিপিটির মতোই, শুধু ক্যাপসিকামটাই বাড়তি, তাই প্রণালীতে খানিকটা এদিক-ওদিক হয়েছে। আমাদের দেশেও এখন ক্যাপসিকাম প্রায় অনেক বাজারেই পাওয়া যায় কিন্তু দামটা কম নয়। বিদেশে হয়ত খুবই সাধারণ একটি সবজি এই ক্যাপসিকাম।

উপকরণঃ

ক্যাপসিকাম - ১ টা বড়
আলু - ২ টা (মাঝারী)
কাচা মরিচ - ২ টা (ফালি করে কাটা)
আদা - ১ ইঞ্চি কিউব পরিমাণ কুচানো (প্রায় ১ চা চামচ)
রসুন কুচি - ১/২ চা চামচ
পেয়াজ কুচি - ১ টেবিল চামচ
জিরা দানা - ১/২ চা চামচ
ধনে গুড়া - ১/২ চা চামচ
মরিচ গুড়া - ১/৪ চা চামচ
লাল মরিচ -২ টা (মাঝখানে টুকরা করা)
হলুদ গুড়া - ১/৪ চা চামচ (পছন্দমতো, বেশী হ্লুদ হলে দেখতে ভাল লাগবে না)
তেল - ১/২ কাপ (বা পরিমানমতো)
ধনেপাতা কুচি - ১ টেবিল চামচ
লবণ স্বাদমতো
পানি পরিমাণমতো (খুব সামান্য)


প্রণালীঃ

- আলু কেটে নিন- লম্বায় ১ ইঞ্চি, চওড়ায় ১/৪ ইঞ্চি করে (শুকনো আলু- এই রেসিপি'র ছবিতে যেমন)। হালকা সিদ্ধ করুন লবণ দেয়া গরম পানিতে।

- ক্যাপসিকামও লম্বা, সরু টুকরা করুন- অনেকটা আলুর মতো করে।

- পাত্রে তেল গরম করে এক এক করে প্রথমে জিরার দানা, তারপর- পেয়াজ কুচি, লাল মরিচ, আদা, রসুন দিন।

- ক্যাপসিকাম দিয়ে দিন, সেই সাথে হলুদ, মরিচ ও ধনে গুড়া দিন। ভাল করে নাড়ুন। ১/২ মিনিট রান্নার পরে সিদ্ধ কাটা আলু দিয়ে দিন। নেড়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ৭-৮ মিনিট রান্না করুন অল্প আঁচে।

- রান্না হয়ে গেলে এবার ধনেপাতা কুচি দিন। নেড়ে আলুর সাথে ভাল করে মেশান, সামান্য পানি ছিটিয়ে দিন যাতে আলুর টুকরা গুলো একটু ভেজা মনে হয়।

- লবণ দিয়ে আরো ৫-৬ মিনিট অল্প আঁচে রান্না করুন।

- আলুতো আগেই সিদ্ধ করা ছিল, তাই খুব কম সময়ে রান্না হবে, এজন্যেই আঁচ কমিয়ে রাখা। আর এতেই ক্যাপসিকাম রান্না হয়ে যাবে, খেয়াল রাখবেন যাতে আলু ভেঙ্গে না যায় আর হাড়ির তলায় লেগে না যায়। আলু হয়ে এলে নামিয়ে গরম গরম রুটি বা চাপাতির সাথে পরিবেশন করুন। ভাতের সাথেও খারাপ লাগবে না।


---
ভুলু, চট্টগ্রাম
২১/০১/২০০৭
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28694797 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28694797 2007-01-21 06:03:27
শুকনো আলু (ভাজি)
আলু ৩ টা (মাঝারী)
কাচা মরিচ ২ টা (ফালি করে কাটা)
আদা ১ ইঞ্চি কিউব পরিমাণ কুচানো (প্রায় ১ চা চামচ)
রসুন কুচি ১/২ চা চামচ
পেয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ
জিরা দানা ১/২ চা চামচ
ধনে গুড়া ১/২ চা চামচ
মরিচ গুড়া ১/৪ চা চামচ
লাল মরিচ ২ টা টুকরা করা
হলুদ গুড়া অল্প (পছন্দমতো, বেশী হলুদ হলে দেখতে ভাল লাগবে না)
তেল ১/২ কাপ (বা পরিমানমতো)
ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ
লবণ স্বাদমতো
পানি পরিমাণমতো (খুব সামান্য)

প্রণালীঃ

- আলু কেটে নিন- লম্বায় ১ ইঞ্চি, চওড়ায় ১/৪ ইঞ্চি করে (ছবিতে যেমন)। হালকা সিদ্ধ করুন লবণ দেয়া গরম পানিতে।

- পাত্রে তেল গরম করে এক এক করে প্রথমে জিরার দানা, তারপর- পেয়াজ কুচি, লাল মরিচ, আদা, রসুন দিন।

- সিদ্ধ কাটা আলু দিয়ে দিন, সেই সাথে হলুদ, মরিচ ও ধনে গুড়া দিন। ঢাকনা দিয়ে ৭-৮ মিনিট রান্না করুন অল্প আঁচে।

- রান্না হয়ে গেলে এবার ধনেপাতা কুচি দিন। নেড়ে আলুর সাথে ভাল করে মেশান, সামান্য পানি ছিটিয়ে দিন যাতে আলুর টুকরা গুলো একটু ভেজা মনে হয়।

- লবণ দিয়ে আরো ৫-৬ মিনিট অল্প আঁচে রান্না করুন। আলুতো আগেই সিদ্ধ করা ছিল, তাই খুব কম সময়ে রান্না হবে, এজন্যেই আচ কমিয়ে রাখা। খেয়াল রাখবেন যাতে আলু ভেঙ্গে না যায় আর হাড়ির তলায় লেগে না যায়। আলু হয়ে এলে নামিয়ে গরম গরম রুটি বা চাপাতির সাথে পরিবেশন করুন।


--- ভুলু, চট্টগ্রাম
১৯/০১/২০০৭
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28694716 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28694716 2007-01-20 06:41:06
(মিক্সড) চিংড়ী সালাদ ছোট চিংড়ী, সিদ্ধ করা- ২০০ গ্রাম (মাঝারী হলে মাঝখানে টুকরো করে নিতে পারেন)
শশা - ২ টা (খিরাই হলে ৪ টা)
পেয়াজ - ১ টা (বড়)
লেবুর রস - ১ টা লেবু (মাঝারী সাইজের)
টমেটো - ২ টা
সবুজ কাচা মরিচ- ৪/৫ টা
লবন- স্বাদমত/পরিমানমতো
গোল মরিচ গুড়া - ১ চিমটার একটু বেশি (বা স্বাদমতো)
অলিভ অয়েল (বা সরিষার তেল) - ১/৩ কাপ


প্রণালীঃ
হাড়িতে পরিমানমতো লবণ দিয়ে চিংড়ি সিদ্ধ করে নিন। একটি পাত্রে অলিভ অয়েল (বা সরিষার তেল), লবণ, গোলমরিচ গুড়া লেবুর রস ভাল করে মেশান। সিদ্ধ চিংড়ি প্রতিটাকে ২ (দুই) টুকরো করুন (অথবা গোটা রাখতে পারেন)। শশা, পেয়াজ এবং টমেটো চিংড়ি'র টুকরার সাথে মিল রেখে বা আপনার পছন্দমতো টুকরা করে নিতে পারেন। কাচামরিচ আড়াআড়ি ভাবে কুচু করে নিন।

এবার সিদ্ধ চিংড়ির টুকরার মধ্যে সব উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে তাতে অলিভ অয়েলের মিশ্রণটি দিয়ে ভাল করে মাখান, কচলাবেন না। সালাদ তৈরী, এবার সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

---
ভুলু, চট্টগ্রাম
১২/০১/০৭
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28693697 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28693697 2007-01-12 09:28:20
মাংসের চার পদ, ঈদ স্পেশাল রেসিপি
== !@@!338018 !@@!338019 ==

এই রান্নাটি করতে আপনাদের আচার দরকার হবে। জলপাইয়ের আচার তৈরীর জন্য এই ব্লগের জলপাইয়ের আচারের রেসিপিটি দেখুন। মাংস রান্নার ১ সপ্তাহ আগে জলপাইয়ের আচার তৈরী করে রাখুন।

উপকরণঃ
১/২ কেজি জলপাইয়ের আচার
গরুর মাংস ১ কেজি
তেল ১/২ কাপ
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
পেয়াজ বাটা ১/৩ কাপ
হলুদ গুড়া ২ চা চামচ
মরিচ গুড়া ২ চা চামচ
জিরা গুড়া ১ চা চামচ
লবণ পরিমাণমতো

প্রণালীঃ
মাংস ছোট টুকরা করুন। মাংসে তেল, লবণ সহ সব মশলা একসাথে মেশান। এবার সিদ্ধ হওয়ার জন্য পানি দিয়ে চুলায় দিন। ঢেকে অল্প আচে রান্না করুন। মাংস সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত কষান। পানি সম্পূর্ণ শুকিয়ে মাংস ভাজা ভাজা হলে সব আচার ঢেলে দিন। ফুটে উঠলে আচ কমিয়ে দমে রাখুন। তৈরী আচার মাংস।


== !@@!338139 !@@!338140 ==

উপকরণঃ
গরুর মাংস ১ কেজি
টক দই ফেটানো ২৫০ গ্রাম
রসুন কাটা ১২৫ গ্রাম (কুচি নয়)
মেথি (অথবা জিরা) ২ চা চামচ
সরিষা ২ চা চামচ
শুকনা মরিচ ৫ টা
তেল ২ টেবিল চামচ
লবণ পরিমানমতো

প্রণালীঃ
কড়াইতে তেল গরম করুন। গরম তেলে শুকনা মরিচ, জিরা/মেথির ফোড়ন দিয়ে কাটা রসুন কড়াইতে দিয়ে কষান। রসুনের গন্ধ বের হলে মাংস দিয়ে নাড়তে থাকুন। মাংস সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। চুলার আচ খুব বেশী যেন না হয়। মাংসের গায়ে ঝোল-মশলা মাখা মাখা হয়ে তেল উপরে উঠলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।


== !@@!338231 !@@!338232 ==

উপকরণঃ
গরুর মাংস ১/২ কেজি
পেপে বাটা ১ টেবিল চামচ
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
জয়ত্রী বাটা ১/২ চা চামচ
মরিচ বাটা ১ চা চামচ
ময়দা ১ কাপ
গোল মরিচ গুড়া ১ চা চামচ
টেস্টিং সল্ট ১ চা চামচ
লবণ পরিমাণমতো
সয়াবিন তেল ১ কাপ
টুথপিক অথবা কাঠি

প্রণালীঃ
মাংস লম্বায় এক থেকে দেড় ইঞ্চি এবং পাশে ১/২ ইঞ্চি স্লাইস করে কেটে পেপে বাটা, আদা বাটা, রসুন বাটা, জয়ত্রী বাটা দিয়ে মেখে আধা ঘন্টা রেখে দিন।

ময়দায় গোল মরিচের গুড়া ও টেস্টিং সল্ট দিয়ে পেস্ট তৈরী করুন। মাংসের ভেতর লম্বালম্বি ভাবে একটা টুথপিক/কাঠি ঢুকিয়ে ময়দার পেস্ট এ চুবিয়ে ডোবা তেলে ভেজে নিন। লেটুস পাতা দিয়ে ডেকোরেশন করে পরিবেশন করতে পারেন।


== !@@!338352 !@@!338353 !@@!338354 !@@!338355 ==

উপকরণঃ
গরুর মাংস ১/২ কেজি
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
পোলাওর চাল ২ কাপ
রসুন বাটা ১ চা চামচ
মুগ ডাল ১/২ কাপ
মসুর ডাল ১/২ কাপ
পেয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ
ধনে বাটা ১ চা চামচ
এলাচ ২ টি
পানি ৬ কাপ
দারুচিনি ২-৩ টি
লং ২-৩ টি
লবণ পরিমানমতো

প্রণালীঃ
চাল ও ডাল ধুয়ে আধা ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। মাংসে তেল ছাড়া বাকী সব উপকরণ মাখাতে হবে। হাড়িতে তেল গরম করে মশলা মাখানো মাংস দিয়ে দিন। ভালমতো কষানো হলে ১ কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ হতে দিন। মশলা থেকে মাংস তুলে অন্য পাত্রে রাখুন। মশলায় পানি ঝরানো চাল ও ডাল কষিয়ে ৬ কাপ পানি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। পানি শুকিয়ে আসলে কাচা মরিচ ও মাংস দিয়ে নেড়ে দমে রাখুন। হয়ে গেলে সালাদ ও আচার দিয়ে পরিবেশন করুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28692500 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28692500 2006-12-31 09:23:02
রেসিপি'র জন্য অনুরোধ
আপনারা যদি রেসিপি'র জন্য, কোন বিশেষ কোন রেসিপি'র জন্য অনুরোধ করেন, তা আমি সংগ্রহ করে দেয়ার চেষ্টা করব। এইখানে ব্লগে মন্তব্য করার স্পেস-এ রেসিপি'র জন্য অনুরোধ করে লিখতে পারেন, চেষ্টা করব তা সংগ্রহ করে এইখানে পোস্ট করতে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28691746 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28691746 2006-12-23 12:16:00
চিংড়ী-আপেল সালাদ আপেল- ২ টা
মাঝারী সাইজের ১ টা লেবুর রস
ভিনেগার- ২ চা চমচ
ছোট সবুজ কাচা মরিচ- ২ টা
ছোট সাদা (কিংবা দেখতে হলদেটে) কাচা মরিচ- ১ টা
সেলেরী (Celery)- ১ টা স্টিক (যদি পাওয়া যায়)
ছোট চিংড়ী, সিদ্ধ করা- ২০০ গ্রাম (টুকরো করে নিতে পারেন)
ছানা- ২০০ গ্রাম
মেয়নেজ- ১ টেবিল চামচ
লেটুস পাতা- কয়েকটা
লবন- স্বাদমত

প্রণালীঃ
আপেল টুকরো করে লেবুর রস আর ভিনেগারে ভিজিয়ে দিন। এইবার কাচা মরিচ, সেলেরী টুকরো করে কেটে নিন। আপেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। সিদ্ধ করা চিংড়ি দিন। ছানা, মেয়নেজ মেশান।

প্লেটে লেটুস পাতা সাজিয়ে তার ঊপরে সালাদের মিশ্রণটা ঢেলে সাজিয়ে দিন। সালাদ পরিবেশনে সাজানোর ব্যাপারটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই উপকরণ গুলো টুকরো করার সময় এই ব্যাপারটা মাথায় রাখতে হবে, এই সালাদটির ক্ষেত্রে ছোট করে পছন্দসই টুকরো করা যেতে পারে।

ভুলু, চট্টগ্রাম
১৪/১২/০৬
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28387 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28387 2006-12-17 05:28:55
মুরগী, গরুর মাংস ও সবজি'র মিক্সড সালাদ হাড়ছাড়া মুরগীর মাংস- ১০০ গ্রাম
হাড়ছাড়া গরু (বা ছাগলের মাংস)- ২০০ গ্রাম
শশা- ২ টা
কাচা মরিচ- ২ টা
পেয়াজকলির সবুজ অংশ (পাতা) কুচি- ২ টেবিল চামচ
অলিভ অয়েল- ২ টেবিল চামচ (একটু বেশীও লাগতে পারে)
লেবুর রস- ১ টা মাঝারী সাইজের লেবু
পেয়াজ- ১ টা বড়
টম্যাটো- ২ টা মাঝারী
লবন- স্বাদমত
গোলমরিচ গূড়া- দেড় চামচ

প্রণালীঃ
গরু এবং মুরগীর মাংস আলাদা করে সিদ্ধ করে টুকরো করে নিন, সিদ্ধ করার সময় পানিতে একটু লবন দিতে পারেন। পেয়াজ সরু লম্বা করে টুকরো করুন, দেখতে ভাল লাগবে। একই রকম করে টম্যাটো গুলো গোল বা লম্বা করে কেটে টুকরো করুন। একটি পাত্রে অলিভ অয়েল, লবন, গোলমরিচ, লেবুর রস ভাল করে মিশিয়ে নিন। সিদ্ধ মাংসের টুকরোর মধ্যে সব গুলো সবজি'র উপকরণ মিশিয়ে তার মধ্যে অলিভ অয়েলের মিশ্রণটি ঢেলে দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এইবার উপরে পেয়াজকলির সবুজ (কুচি করা) পাতা ছড়িয়ে দিন। সালাদ তৈরী।

ভুলু, চট্টগ্রাম
১৪/১২/০৬]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28113 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28113 2006-12-14 04:42:21
ঝাল মাংসের ঝোল গরুর মাংস ১ কেজি
রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
জিরা বাটা ১ চা চামচ
ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া ১/২ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ (যেমন ঝাল করতে চান)
কাচা মরিচ ৪/৫ টা (কিংবা একটু বেশী ঝাল চাইলে বেশী দিবেন)
গোল মরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ
গরম মশলা বাটা ১ চা চামচ
জয়ত্রী ও জায়ফল মিশ্রণ বাটা ১/২ চা চামচ
পেস্তাদানা বাটা ১ চা চামচ
পেয়াজ কুচি ১ কাপ
তেজপাতা ২ টি
সয়াবিন তেল ১ কাপ
পেয়াজ বেরেস্তা করা ১ টেবিল চামচ
চিনি ১/২ চা চামচ
লবন পরিমানমত
পানি ৫ কাপ (গরম)

প্রণালীঃ
মাংস টুকরো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার হাড়িতে মাংস এবং সব উপকরণ একসঙ্গে ভালকরে মেখে নিন। এ অবস্থায় ১০/১৫ মিনিট হাঁড়ির মুখ ঢেকে রেখে দিন। মশলা মাখানো মাংস সহ হাঁড়িটি চুলায় চাপিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। এ অবস্থায় একটু পরে পরে ঢাকনা সরিয়ে মাংসগুলো নেড়ে দিতে হবে। ১০-১৫ মিনিটের মাথায় মাংস কিছুটা কষানো হলে গরম পানি দিয়ে দিন। অল্প আঁচে প্রায় ১ ঘন্টা রান্না করুন। মাংস সেদ্ধ হলে এবং ঝোল গাড় ও ঘন হয়ে এলে চিনি দিয়ে আরো ১৫ মিনিট অল্প আঁচে দমে রাখুন। তেল উপরে উঠলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

----
ভুলু
১৪/১২/০৬
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28022 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28022 2006-12-13 12:47:40
জলপাইয়ের মিষ্টি আচার উপকরণঃ
জলপাই ১ কেজি (একই আকারের)
শুকনা মরিচ ১২ টা মাঝারী সাইজের
মৌরি ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
হলুদের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ
জিরা গুঁড়া ১ চা চামচের একটু কম
মিষ্টি জিরা ২ চা চামচ
সরিষার গুঁড়া/বাটা ১ টেবিল চামচ
লবন ১ চা চামচ
চিনি ৩ কাপ
সরিষার তেল ৩ কাপ
পাঁচফোড়ন আধা চা চামচ
ভিনেগার

প্রণালীঃ
একই আকারের বেছে নেয়া জলপাই গুলো ভাল করে ধুয়ে এবার ১ লিটার পরিমান পানিতে সিদ্ধ দিতে হবে। ৮ মিনিট পরে নামিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। কোন কিছুতে সিদ্ধ করা জলপাই গুলো ছড়িয়ে দিন, এতে জলপাইয়ের গায়ে লেগে থাকা পানি শুকিয়ে যাবে। এরপর বটি দিয়ে ফালি করে কাটুন সেদ্ধ করা জলপাই গুলো। পাতিলে তেল গরম করে এতে রসুন, সরিষা দিয়ে ৫ মিনিট কষাতে হবে। এবার কাটা জলপাই দিয়ে আস্তে আস্তে নাড়তে থাকুন। ১০ মিনিট পরে হলুদের গুঁড়া ও মরিচের গুঁড়া দিয়ে নাড়ুন। জিরা, পাঁচফোড়ন ও ভিনেগারসহ চিনি দিয়ে অল্প আঁচে নাড়ুন। তেল খানিকটা উপরে উঠলে নামিয়ে নিন এবং একটি গামলায় (মেলামাইনের হলে ভাল হয়) ছড়িয়ে দিন।

এবার কড়া রোদে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা শুকাতে দিন, রোদে পানি টেনে নিয়ে আচার চটচটে হলে বৈয়ামে ভরে রাখুন। মাঝে মাঝে আচারের বৈয়াম রোদে দিতে পারেন আচার ভাল থাকবে।


----
ভুলু
০৭/১২/০৬]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/27130 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/27130 2006-12-07 01:04:53
মলামাছে নারিকেলের দোপেঁয়াজা
উপকরণঃ
মলামাছ ৫০০ গ্রাম
নারিকেলের দুধ দেড় কাপ
রসুন ১ টেবিল চামচ
আদাবাটা আধা চা চামচ
জিরা বাটা ১ চা চামচ
পেয়াজ কুচি আধা কাপ
ধনে গুঁড়ো ১ চা চামচ
মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ
কাচামরিচ ৫-৬ টা মাঝারি
ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ
চিনি ১ চা চামচ
টমেটো সস ১ টেবিল চামচ
সয়াবিন তেল আধা কাপ
লবন ও পানি পরিমানমত

রেসিপিঃ
মলামাছের মাথা কেটে পরিস্কার করে ধুয়ে নিতে হবে। ধোয়া মাছে সব মশলার উপকরণ মাখিয়ে এক ঘন্টা রাখতে হবে। চুলায় কড়াই বসিয়ে তেল দিতে হবে, তেল গরম হলে তাতে পেয়াজ কুচি ছেড়ে দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়তে হবে। পেয়াজ বাদামী রং ধারণ করলে চুলার আঁচ কমিয়ে মশলা মাখানো মাছ ঢেলে নাড়তে নাড়তে অল্প পানি দিয়ে রান্না করতে হবে। এবার নারিকেলের দুধ দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করতে হবে। কিছুক্ষণ পর তেল উপরে ভেসে উঠলে নামাতে হবে।

পরিবেশনঃ
ধনেপাতা কুচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

----
ভুলু, চট্টগ্রাম
০২/১২/০৬]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/26568 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/26568 2006-12-02 05:53:45
ঘরে তৈরি রসমালাই (মিষ্টি)
উপকরণঃ
দুধ ৪ কাপ
চিনি ২ কাপ
গুঁড়ো দুধ ২ কাপ
বেকিং পাউডার ২ চা চামচ
ডিম ২ টা
কর্নফ্লাওয়ার ২ চা চামচ

প্রণালীঃ
প্রথমে একটি হাড়িতে দুধ ২ কাপ, চিনি ও পরিমান মত পানি মিশিয়ে কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে জ্বাল দিয়ে ঘন করে রাখুন। একটি বাটিতে ২ কাপ গুঁড়ো দুধ নিয়ে সাথে বেকিং পাঊডার দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার ডিম ফেটিয়ে একটু একটু করে দিয়ে মেশান।। মেশানোর পর পছন্দমত গোল বা লম্বাটে করে ঘন দুধের মধ্যে ছাড়ুন। এবার রসমালাই সবগুলো ছাড়ার পর হালকা ভাবে নেড়ে ৫-৬ মিনিট পর চুলা থেকে নামান। ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

রেসিপিঃ সানজিদা জামান
প্রকাশিতঃ সাপ্তাহিক ২০০০, ঈদ রেসিপি ১৩ অক্টোবর ২০০৬]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/26011 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/26011 2006-11-27 14:43:00
মাংসের ভুনা পাইন্না কচু
প্রয়োজনীয় উপকরণঃ

মুল উপকরণঃ

পাইন্না কচু ৫/৬ ইঞ্চি
গরুর মাংস ১ কেজি

মশলাঃ

রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
জিরা বাটা ২ চা চামচ
ধনে গুড়ো ১ টেবিল চামচ
গরম মশলা ২ চা চামচ
গোল মরিচ গুড়ো আধা চা চামচ
মরিচ গুড়ো ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুড়ো ১ চা চামচ
পেয়াজ কুচি এক কাপ
চিনি আধা চা চামচ
ভাজা টালা জিরা আধা চা চামচ

অন্যান্য উপকরণঃ

সয়াবিন তেল দেড় কাপ
লবন পরিমানমত
পানি পরিমানমত

রেসিপি (প্রস্তত প্রণালী)ঃ
প্রথমে কচুর দুই পাশের অংশ (খোসা) বাদ দিয়ে মাঝখানের অংশ থেকে কেটে ছোট ছোট টুকরো করে ধুয়ে নিন। গরুর মাংস ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। পাতিলে তেল গরম হলে পেয়্বাঁজ দিন, মিনিট খানেক নাড়ুন। এবার সব মশলা দিয়ে ২-৩ মিনিট ভাজতে হবে, তারপর মাংস দিয়ে কষাতে হবে। কিছুণ মাংস কষানো হলে পানি দিন, পাতিলে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে সিদ্ধ করুন। মাংস আধা সিদ্ধ হলে কচু দিন। আবার পাতিল ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। এবার মাংস সিদ্ধ হয়ে ঝোল কমে ঘন (মাখা-মাখা) হয়ে এলে চিনি দিয়ে আরো কিছুন চুলায় রেখে নামাতে হবে।

পরিবেশন প্রক্রিয়াঃ
পরিবেশন পাত্রে নিয়ে ভাজা টালা জিরা গুঁড়ো ছিটিয়ে পরিবেশন করুন।


ভুলু, চট্টগ্রাম
২১/১১/০৬ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/25028 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/25028 2006-11-20 14:29:21
বেগুন চাটনী
মুল উপকরণঃ

বেগুন (লম্বা) ৬ টা (মাঝারী)
টমেটো সস দেড় টেবিল চামচ
চিনি ১ চা চামচ

মশলাঃ

পেয়াজ কুচি আধা কাপ
রসুন বাটা আধা চা চামচ
আদা বাটা আধা চা চামচ
জিরা বাটা আধা চা চামচ
ধনে গুঁড়ো ১ চা চামচ
মরিচ গুঁড়ো ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়ো সামান্য

অন্যান্য উপকরণঃ

কাচামরিচ ৪-৫ টা মাঝারি
ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ
তেল আধা কাপ
লবন পরিমানমত
পানি পরিমানমত

রেসিপি (প্রস্তত প্রণালী)ঃ

৬টা বেগুনকে ২ ইঞ্চি বোটা সহ চার ফালি করে এমন ভাবে কাটতে হবে যাতে গোটা বেগুন চার ফালি হয়ে বোটায় লেগে থাকে। কাটা বেগুন গুলো পানিতে কিছুক্ষন ভিজিয়ে রাখতে হবে। এবার ১ কাপ পানি দিয়ে বেগুন গুলো সিদ্ধ করে নিতে হবে। প্রথমে কড়াইতে তেল গরম হলে তাতে পেঁয়াজ দিয়ে নেড়ে সব মশলা দিয়ে/মিশিয়ে কষাতে হবে। উপকরণ গুলো সিদ্ধ হলে বেগুন ঢেলে দিয়ে তেলের উপর মাঝারী আঁচে এপিঠ-ওপিঠ হালকাভাবে ভাজতে হবে যেন বেগুন ভেঙ্গে না যায়। এবার টমেটো সস, চিনি, ধনে পাতা কুচি দিয়ে অল্প আঁচে রান্না করতে হবে। খুব সাবধানে নাড়তে হবে যেন পুড়ে না যায়।
এবার তেল উপরে উঠলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

পরিবেশনঃ

পরিবেশন করার জন্য কোন পছন্দসই পাত্রে নিয়ে সামান্য ভাজা টালা জিরার গুঁড়ো ছিটিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

এই রান্নাটিতে খেয়াল রাখতে হবে, বেগুন যেন ভেঙ্গে না যায়, তাহলে দেখতে ভাল লাগবে না। আগেতো ভাই দর্শনদারী তারপরে গুণ বিচারী, তাই না। রেসিপি গুলোর ছবি দিতে পারলে ভাল হত, কিন্তু আপাততঃ তা কোন ভাবেই সম্ভব হচ্ছে না প্রযুক্তি সল্পতার জন্য। ছবি দিতে পারলে আমারই খুব ভাল লাগত। আপনারা কেউ রান্না করে ছবি তুলতে পারলে ভাই আমাকে পাঠিয়ে দিবেন এই ঠিকানায়ঃ


ভুলু, চট্টগ্রাম
১৫/১১/০৬
Email: ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/24492 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/24492 2006-11-15 03:02:35