somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... রসভরি পিঠা - নোয়াখালীর নিজস্ব স্বাধ

রসভরি পিঠা - আমি শিখেছি মায়ের কাছ হতে গ্রামে থাকতে, অনেক বছর আগে। এখনকার মেয়েরা হয়ত ঠিকমত বলতেও পারবে না রসভরি আবার কেমন পিঠা। তবে এই রেসিপিটি নোয়াখালীর একেবারেই নিজস্ব, ভাল হাতে তৈরী হলে এই পিঠা স্বাধে অতুলনীয় হয়ে ঊঠবে।

উপকরণঃ

ডিম - ৩ টি
সুজি - আড়াই কাপ
দুধ - ৪ কাপ
লবণ - ২ আঙ্গুলের ১ চিমটি
চিনি - ৪ কাপ
তেল- ৪ কাপ
পানি - ৮ কাপ
দারুচিনি - ৩ টা

প্রস্তুতপ্রণালীঃ

১ম পর্যায় - প্রথমে সুজি হালকা আগুনে ভেজে নিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে ।

২য় পর্যায় - একটি পাত্রে ফুটন্ত পানি ৮ কাপ চিনি ৪ কাপ দারুচিনি ৩ টুকরা দিয়ে জ্বাল দিন । এবার ৫ কাপ অনুযায়ী সিরা করতে হবে । এবার ৪ কাপ তরল দুধ দিয়ে নেড়ে চুলার আঁচ কমিয়ে রাখুন ।

৩য় পর্যায়
- একটি বাটিতে চিনি , লবণ ও ডিম একসাথে ফেটিয়ে নিন । এবার ভাজা সুজি দিয়ে মাখান , হাত দিয়ে রসগোল্লার মত করে গরম ডুবো তেলে হালকা বাদামী রং করে ভেজে চুলায় বসিয়ে রাখা গরম সিরায় ছেড়ে দিন । একটি চামচ দিয়ে সিরায় ডুবিয়ে দিন । এভাবে ৫ মিনিট অল্প আঁচে চুলায় রাখুন । চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন ।

৩০/১২/০৮, চট্টগ্রাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/29054154 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/29054154 2009-12-06 00:15:44
আলু চপ (কিমা চপ)

আলু চপের এই রেসিপিটা ঈদের সময়, বিশেষ করে রোজার ঈদে আমার মেয়েরা সব সময়ই করে। প্রতিবেশি আর আত্মীয়দের প্রিয়। আমার ঘরেও সবার খুব প্রিয় এই রেসিপিটি। আলু চপ মজা হওয়ার পেছনে আলুর ভেতরে পুর হিসাবে কিমা দেয়াটা একটা বড় কারণ। তাছাড়া চপ ভাজার পর দেখতেও ভাল দেখাতে হবে, সুন্দর পরিবেশনাও জরুরী। কিভাবে আলু চপ করতে হবে দেখুন।

উপকরণঃ

আলু - আধা কেজি
পেঁয়াজ ভেরেস্তা - ২ টেবিল চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া - ১/৩ চা চামচ
ধনেপাতা কুচি - ১ চা চামচ
কাঁচামরিচ কুচি (মিহি করে) - ১ চা চামচ
লবণ পরিমাণমতো
ডিম - ১ টা
টোস্ট বিস্কুট গুঁড়া করা - আধা কাপ
বিট লবণ - ১/৩ চা চামচ
তেল (ভাজার জন্য)

প্রস্তুতপ্রণালীঃ

চপ বানানোর পূর্বপ্রস্তুতি-

ভেরেস্তা তৈরীঃ
প্রথমে পেয়াজের ভেরাস্তা করে নিন। চুলায় পাতিল চাপিয়ে খানিকটা গরম হলে পরিমাণমতো তেল দিন। তেল গরম হলে পেয়াজ কুচি দিয়ে নাড়তে থাকুন। চুলার আঁচ কমিয়ে পেয়াজ ভেজে বাদামী করে তুলে রাখুন।


কিমা তেরীর প্রক্রিয়াঃ
মাংসের কিমা ২৫০। প্রথমে কড়াইতে ২ টেবিল চামচ তেল গরম করে তাতে ২ টেবিল চামচ পেঁয়াজ কুচি ও লবণ দিয়ে নাড়ুন । এবার আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, দারুচিনি ২ টুকরা, লবঙ্গ ও এলাচ ২টা এবং মাংসের কিমা দিয়ে নাড়তে থাকুন । সামান্য একটু পানি দিন। পানি উঠে শুকিয়ে তেলের ঊপর ঊঠলে নামিয়ে রাখুন। ডিমের ওমলেটের কিমা দিয়েও করতে পারেন।

এবার আলু চপ তৈরী করুন -

আলু ধুয়ে সিদ্ধ করুন। সিদ্ধ আলুর পানি ঝরিয়ে নিন। এবার সাথে সাথেই এই সিদ্ধ করা আলুগুলো চুলায় খালি গরম পাতিলে দিয়ে আলুর গায়ে লেগে থাকা পানি শুকিয়ে নিন। খোসা ছাড়িয়ে আলুগুলো চটকে নিন।

এখন পেঁয়াজ ভেরেস্তা, গোলমরিচ গুঁড়া, বিটলবণ, ১ চা চামচ টোস্টের গুঁড়া, ধনেপাতা, কাঁচামরিচ, লবণ একসাথে ভাল করে মেশান। এবার এই মিশ্রণটি আলুর সাথে ভাল করে চটকে মেখে নিন। ভাল করে মেশানোর জন্য মলতে পারেন বেশি করে।

তারপর মাখানো আলু ১০ ভাগ করে মাংসের এর ভেতরে আগেই করে রাখা মাংসের কিমার পুর দিয়ে আলুর চপ ইচ্ছামত বিভিন্ন আকারের [যেমন- ডিম্বাকার, গোলাকার] করে তেরী করে নিন। দেখবেন কিমার পুর এর উপর যেন আলু দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন। এখন কাচা চপ ফেটানো ডিমের মধ্যে চুবিয়ে তা টোস্টের গুঁড়ায় গড়িয়ে নিন, তাতে ডিমে চুবানো চপের গা শুকিয়ে যাবে। এবার ডুবো তেলে ভাঁজুন।

এবার টমেটো সস কিংবা চিলি সস সাথে শশা কেটে সাজিয়ে পরিবেশণ করুন। ছবিতে যে টমেটো সস দেখতে পাচ্ছে তা আমার রান্না ঘরেই করা, টমেটোর সিজনে করে রাখি বছরের অনেকখানি চলে যায়। বাজারের সসে নাকি টমেটোই থাকে না।

টিপসঃ
ভেরেস্তা এবং কিমা আপনি আলুগুলো সিদ্ধ করার পর করতে পারেন। অথবা কিমা সবার আগে করে রাখতে পারেন। আমি কখনো বিশেষ করে ঈদেরদিন করতে গেলে আগের রাতেই ন্যনপক্ষে কিমা করে রাখি।

চট্টগ্রাম, ০২/১০/০৯]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/29020219 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/29020219 2009-10-04 14:21:50
সেমাই জর্দা

সেমাই, বাংলাদেশের ঈদে এটি এমন একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ যে সেমাই নিয়ে আলাদা করে তেমন কিছুই বলার থাকেনা। বিশেষ করে ঈদুল ফিতরে আমাদের ঘরে ঘরে সেমাই থাকবেই। এজন্যেই হয়ত ঈদুল-ফিতর সেমাই ঈদ নামেও পরিচিত। তবে ইদানীং ঈদের খাবারের লিস্টে সেমাই খুব একটা আদর নাপেয়ে লিস্টের নীচের দিকে নেমে গেছে। আবার অন্য চিত্রও দেখা যায়, এখন অনেকেই ভিন্ন ভিন্ন রেসিপিতে সেমাই করে থাকেন - প্রশংসনীয় ব্যাপারটা। ঈদের দিন আমার ঘরে অনেক বছর ধরেই এই সেমাই জর্দা তৈরী করি, আমার ছেলে-মেয়েরা পছন্দ করে তাই। ঈদের দিন সকাল বেলায়ই বাড়ির পুরুষরা নামাজ থেকে ফিরে আমার হাতে করা সেমাই জর্দা খায় কিছু ঝাল খাবারের সাথে। আজ আপনাদের জন্য রেসিপিটি দিলাম, কেউ রান্না করলে জানাবেন কেমন লেগেছে।

উপকরণঃ

কুলসন সেমাই - ১ প্যাকেট (২০০ গ্রাম)
(কুলসন সেমাই না পেলে, যেকোন দেশি সেমাই, যাকে অনেকে বাংলা সেমাই বলে থাকেন, একটু লালচে রং-এর খোলা সেমাইটাই আসলে বাংলা সেমাই নামে পরিচিত। বনফুল সেমাইতেও ভাল হয়।)

চিনি - ২ কাপ
নারকেল কুরানো - ১ কাপ
কিশমিশ - ২ টেবিল চামচ
চীনা বাদাম (ভাজা) - ৩ টেবিল চামচ
দারুচিনি - ৩ টুকরা
তেজপাতা - ২ টা
ঘি - ৪ টেবিল চামচ
পানি - ২ কাপ
লবন - পরিমাণমতো

প্রস্তুতপ্রণালীঃ

চুলাতে কড়াই চাপিয়ে আগুনের আচেঁ কড়াইয়ের ভেতরটা শুকাতে দিন। এবার গরম কড়াইতে ঘি দিয়ে দিন। ঘি সামান্য গরম হলে চিনি দিন । এবার ১ প্যাকেট সেমাইয়ের অর্ধেকটা এই গরম ঘিয়ে ঢেলে দিয়ে ১০/১৫ মিনিট নাড়ুন, সেমাইটা ঘিয়ে ভাজা হবে ।

এবার এতে কুরানো নারকেল দিয়ে নাড়তে থাকুন, কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে দিন আর চুলার আঁচ কমিয়ে নাড়তে থাকুন । পানি শুকিয়ে আসলে বাদাম, কিশমিশ, তেজপাতা, দারুচিনি দিয়ে আরো মিনিট দশেক মৃদু জ্বালে দমে রাখুন । সেমাই ঝরঝরে হলে নামিয়ে পরিবেশণ করুন

টিপসঃ
সেমাইটা সরাসরি ঘিয়ে না দিয়ে একটু প্রসেস করে নিতে পারেন, এতে সেমাইটা নরম হবে। কি করতে হবে বলছি - আলাদা পাত্রে পানি গরম করে তাতে সেমাইটা মিনিট পাচেক সিদ্ধ হতে দিন, এবার একটা ঝাঁঝরিতে গরম পানি সহ সিদ্ধ সেমাইটা ঢেলে দিন, পানি ঝরে যাবে। এবার সাথে সাথেই সিদ্ধে গরম সেমাইটার উপর ঠান্ডা পানির ধারা দিন, তাতে সেমাইটা ঝর-ঝরে হয়ে যাবে আর ঠান্ডা হবে। এ অবস্থায় সেমাইটা পাতিলে গরম ঘিয়ে ঢেলে দিন। এখান থেকে রেসিপি'র বাকী অংশ অনুসরণ করুন।

চট্টগ্রাম, ৩০/০৯/০৯]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/29019616 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/29019616 2009-10-03 11:13:56
মিক্সড আপেল সালাদ

উপকরণঃ

আপেল - ১ টা (বড় সাইজের)
শশা - ২টা (মাঝারী)
টমেটো - ১টা
লবণ - স্বাদমতো
বিট লবণ - সামান্য পরিমান
চিনি - ১ টেবিল চামচ
টকদই - ২ টেবিল চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া - আধা চামচের ২ভাগের ১ ভাগ
সাজানোর জন্য - পুদিনাপাতা ।

প্রস্তুতপ্রণালীঃ

শশা, আপেল, টমেটো কিউব করে (কিংবা ছবি'র মত করে) কেটে তার সাথে পুদিনাপাতা ছাড়া সব উপকরণ মেখে নিন। পরে পুদিনাপাতা সালাদের উপর সাজিয়ে পরিবেশন করুন ।

৩০/০৯/০৯ , চট্টগ্রাম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/29019372 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/29019372 2009-10-02 21:10:11
মোরগ পোলাও - আমার মত করে

মোরগ পোলাও এর এই রেসিপিটি আমার মত করেই। বলছি কেন? আমার ছেলে দেশের একজন বিখ্যাত লেখকের স্মৃতিচারণ মূলক বইতে পড়েছে ঢাকায় এখন যে মোরগ পোলাও হয় বিভিন্ন রেষ্টুরেন্টে তাতে মোরগ পোলাও এর সেই পুরনো স্বাধ নেই। পুরান ঢাকার রেষ্টুরেন্ট গুলোতেও এখন মোরগ পোলাও অনেক কমার্শিয়াল। মোরগ পোলাও করতে যে বিশেষ রকম মশলার মিশ্রণ তৈরী করতে হয় তাই এখন আর কেউ করতে চায় না। ঢাকার সেই মোরগ পোলাও আমি খাইনি। যাই হোক সে জন্যেই বলছি এই রেসিপিটি আমার মত করেই, একে ঠিক মোরগ-পোলাও বলা ঠিক হবে না। চিকেন-খিচুড়ি বললেই ভাল হবে। তবে ভাল লাগবে আশাকরি।

উপকরণঃ

পোলাওর চাল - আধা কেজি
মোরগের মাংস - দেড় কেজি
মুশারীর ডাল - আধা কাপ
পেয়াঁজ কুচি - ১ কাপ
পেয়াঁজ বাটা - ২ টেবিল চামচ
আদা বাটা - ২ চা চামচ
রসুন বাটা - ১ টেবিল চামচ
গরম মসলা গুঁড়া/বাটা - ১ চা চামচ
তেজপাতা - ২ টা
টক দই - ২ টেবিল চামচ
আলু বোখারা - ২ টা
[দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, জায়ফল, জয়ত্রী] একত্রে বাটা - ১ চা চামচ
লবণ - পরিমাণমতো
ঘি - ২ টেবিল চামচ
সয়াবিন তেল - আধা কাপ
চিনি - ১ চা চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া - আধা চা চামচ
কাঁচামরিচ - ২/৩ টা
পেয়াঁজ বেরেস্তা - ১ কাপ
জিরা বাটা - ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া - চা চামচের ৩ ভাগের ১ ভাগ
মরিচ - আধা চা চামচ
ধনে গুঁড়া - ১ চা চামচ
পানি - ৪ কাপ

প্রস্তুতপ্রণালীঃ

মোরগের চামড়া ছাড়িয়ে হাঁড় সহ ১২ টুকরা করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। পানি ঝরে গেলে এতে পেয়াঁজ বাটা, আদা বাটা, রসুন বাটা, চিনি, দারুচিনি-এলাচ-লবঙ্গ-জায়ফল-জয়ত্রী একত্রে বাটা, গোলমরিচ গুঁড়া, লবণ, জিরা বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, আলু বোখারা, টক দই দিয়ে ভাল করে মেখে ১ ঘন্টা রাখতে হবে।

পোলাওর চাল এবং মশুরডাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। চাল আর মশুরডাল একত্রে মিশিয়ে ফেলুন।

ঘি তেল একসঙ্গে চুলায় দিয়ে একটু গরম হলে তাতে পেয়াঁজ কুচি দিয়ে নাড়ুন, বাদামী হয়ে পেয়াঁজ ভেরেস্তা হবে। পেয়াঁজের ভেরেস্তা টুকু আলাদা তুলে রাখুন। ঐ তেলে গরম মসলা ও তেজপাতার ফোড়ন দিয়ে মাখানো মাংস দিয়ে কষাতে হবে।

মাংস সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে গেলে মাংসের টুকরা তুলে রাখতে হবে। ঐ হাড়িতেই পোলাওর চাল আর মশুরডাল দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে, তারপর তাতে ৪ কাপ পানি, লবণ দিয়ে ঢেকে দিন। চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। চাল ফুটে উঠলে মাঝে মাঝে নেড়ে দিয়ে মাঝারী আঁচে ঢেকে রাখুন। পোলাওর পানি শুকিয়ে এলে কিছুটা পোলাও উঠিয়ে রান্না করা মোরগের মাংসের টুকরাগুলো পাতিলের বাকী পোলাওর মধ্যে দিয়ে তার সাথে কাঁচামরিচ সহ বাকী পোলাও দিয়ে মৃদু আঁচে কিছুক্ষণ দমে রাখুন। ১০ মিনিট পর হালকাভাবে নেড়ে দিয়ে আবার দমে রাখুন। আরো ৫ মিনিট পর নামিয়ে ফেলুন। পরিবেশনের সময় ভেরেস্তা পোলাওর উপরে ছড়িয়ে সালাদ এবং আচার সহ পরিবেশন করুন ।

৩০/০৯/০৯, চট্টগ্রাম ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/29018884 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/29018884 2009-10-01 23:20:34
পায়েশের স্বাধ দুধেই

পায়েশকে কেউ ফিরনিও বলে থাকেন। উপকরণ আর প্রস্তুতপ্রণালীতে প্রায় তেমন কোন পার্থক্য নেই। যা বলছিলাম – পায়েশের স্বাধ আসলে দুধেই। আমি একান্ত বাধ্য না হলে গরুর দুধ ছাড়া পায়েশ করিনা। গরুর দুধ না পেলে মিল্কভিটা বিকল্প হিসেবে ব্যাবহার করতে পারেন। দুধ জ্বাল হতে থাকে আর তাতে সামান্য চাল সিদ্ধ হয়ে মিলে-মিশে একাকার হয়ে যাবে। ঠান্ডা হওয়ার পর দুধে আর সুগন্ধি চালে পায়েশের ঘ্রাণ আপনাকে আকর্ষন করবেই। এই আকর্ষনে পরিবেশনা ভিন্ন মাত্রা যোগ করে বরাবরই।

উপকরণঃ

দুধ - দেড় থেকে দুই লিটার
পোলাওয়ের চাল – দুই মুঠ
চিনি – ৫ কাপ (কিংবা পরিমানমতো, পায়েশ খুব বেশি মিষ্টি হলে ভাল লাগবে না)
কিশমিশ – ১৬/১৭ টা
দারুচিনি – ৩ টুকরা
এলাচ – ২/৩ টা (গোটা অথবা গুঁড়া)
তেজপাতা – ২ টা
ভাজা চীনাবাদাম অথবা পেস্তাবাদাম – ২ টেবিল চামচ
ঘি – ১ টেবিল চামচ

প্রস্তুতপ্রণালীঃ

প্রস্তুতির শুরুতেই পোলাওর চাল ধুয়ে আধাঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে (এতে চাল সিদ্ধ হতে সময় কম লাগবে)। এরই মধ্যে দুধটা চুলোয় চাপিয়ে জ্বাল দিন। খেয়াল রাখবেন দুধ যেন গরম হয়ে উপচে না পড়ে। দুধ কিছুক্ষন জ্বাল হয়ে একটু ঘন হয়ে এলে এতে ভিজিয়ে রাখা চাল পানি থেকে তুলে দুধে দিয়ে দিন। ভাল করে নেড়ে দিন। চালসহ দুধ ফুটতে শুরু করবে। চুলার আঁচ একটু কমিয়ে দিয়ে এসময় হালকা হাতে নাড়তে থাকুন। চাল সিদ্ধ হতে থাকবে। মাঝে মাঝে হালকা হাতে নাড়তে হবে, নইলে পাতিলের তলায় লেগে যাবে, পুড়েও যেতে পারে। পুড়ে গেলে পায়েসের স্বাধটাই নষ্ট হয়ে যাবে।

দেখবেন এসময়ে পাতিলের তলায় দুধ ঘন হয়ে লেগে যেতে শুরু করেছে, তাই নাড়া বন্ধ করা যাবে না। চাল সিদ্ধ হয়ে এলে এবার চিনি, দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা দিয়ে অল্প আঁচে নাড়তে থাকুন। চিনি একবারে ৫ কাপ না দিয়ে স্বাধ (মিষ্টি) চেখে দেখে যতটা প্রয়োজন ততটা দিতে পারেন। নাড়তে নাড়তে দেখবেন পায়েশ ঘন হয়ে খুব সুন্দর ঘ্রাণ বেরিয়েছে। এবার ১ টেবিল চামচ ঘি (অথবা কাঁচা দুধ দিতে পারেন) দিয়ে, ভাল করে নেড়ে মিশিয়ে দিন। নাড়তে থাকুন, আরো মিনিট পাঁচেক চুলায় রেখে নামিয়ে ফেলুন। নামানোর ঠিক আগে কিশমিশ আর এলাচ দিতে হবে। পায়েশ তৈরি।

পরিবেশনঃ

তবে এখানেই শেষ নয়। পায়েশ পরিবেশনার জন্যে আপনার একটা প্রস্তুতি দরকার। পরিবেশনাই পায়েশকে আরো আকর্ষনীয় করে তুলবে। পরিবেশনার জন্য পায়েশ ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা পায়েশ ছোট ছোট মাটির ভাঁড়ে অথবা সুন্দর ছোট কাঁচের পাত্রে তুলে উপরে বাদাম অথবা পেস্তাবাদাম কুচি করে ছড়িয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

চট্টগ্রাম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০০৯ (ঈদের দ্বিতীয় দিন)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/29017742 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/29017742 2009-09-29 22:58:16
সবজির ঝাল পাকোড়া উপকরণ

আলু কুচি - ১ বাটি
টমেটো কুচি - ১ টি
সিম কুচি - ১ কাপ
গাজর কুচি - আধা কাপ
ফুলকপি কুচি - আধা কাপ
পালং শাক কুচি - ১ কাপ
বাধাকপি কুচি - ১ কাপ
ধনেপাতা কুচি - ১ টেবিল চামচ
কাঁচামরিচ কুচি - ৫/৬ টা
লবণ - স্বাদ মতো
আদা ও রসুন বাটা (একত্রে) - আধা চা চামচ
ময়দা - আড়াই কাপ
বেকিং পাউডার - আধা চা চামচ
ধনে গুঁড়া - দেড় চা চামচ
কর্নফ্লাওয়ার - আধা চা চামচ
ডিম - ১ টি
জিরা গুঁড়া - আধা চা চামচ
পানি - ২ কাপ
পরিমাণমতো ভাজার জন্য তেল, ডুবো তেলে ভাজতে হবে



প্রণালী:

ডিম ছাড়া তেল, পানি, ময়দা এবং অন্যসব উপকরণ একসঙ্গে মেখে নিন। এবার এই মিশ্রণে ডিম ভেঙ্গে দিন। এরপর ময়দা দিয়ে আবার মাখান। এবার পানি দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিতে হবে। এবার কড়াইতে তেল গরম করে পেয়াজুর মতো করে ডুবো তেলে ভেজে সস সহ গরম গরম পরিবেশন করুন। বিকেলের নাশতা হিসেবে এই ঝটপট রেসিপিটি চমতকার।

১৮/১২/২০০৮, চট্টগ্রাম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28928600 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28928600 2009-03-24 01:42:18
লইট্যা মাছের দোপেঁয়াজা উপকরণ

লইট্যা মাছ - ১ কেজি
আলু - ৩ টা (দেড় ইঞ্চি স্লাইস করে কাটা)
টমেটো - ২ টা (কিউব করে কাটা)
ধনেপাতা কুচি - ২ টেবিল চামচ
পেয়াঁজ কুচি - ১ কাপ
কাঁচামরিচ - ৮ টা (ফালি করে কাটা)
রসুন বাটা - ১ টেবিল চামচ
আদা বাটা - ১ চা চামচ
জিরা (বাটা/গুঁড়া) - ১ চা চামচ
ধনে গুঁড়া - ১ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া - ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়া - ১ চা চামচ
সয়াবিন তেল - ৪ ভাগের ৩ কাপ
লবণ - পরিমাণমতো


প্রস্তুত প্রণালী

লইট্যা মাছ ১ ইঞ্চি করে কেটে টুকরো করে নিন। ৩/৪ বার পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর খানিকটা লবণ দিয়ে মেখে মিনিট খানেক রেখে আবার ধুয়ে ফেলতে হবে। ধোয়া মাছের পানি ঝরিয়ে নিন।

চুলোতে কড়াই চাপিয়ে তাতে তেল সবটুকু দিন। তেল গরম হলে পেয়াঁজ কুচি দিয়ে নাড়তে হবে। পেয়াঁজ বাদামী হয়ে এলে লবণ সহ সব মসলা দিয়ে নাড়ুন। এবার আলু দিন, এ অবস্থায় ২-৩ মিনিট কষানোর পর লইট্যা মাছ ঢেলে দিন। তারপর ফালি করা কাঁচামরিচ ছিটিয়ে দিন, কিউব করা টমেটো ছড়িয়ে দিন। চুলার আচঁ কমিয়ে ২০ মিনিট ঢাকনা দিয়ে রাখুন। মাঝে মাঝে হালকা ভাবে নেড়ে দিতে হবে, কোন অবস্থায় জোরে নাড়বেন না। নামানোর ২ মিনিট আগে ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। গরম ভাতে গরম গরম পরিবেশন করুন।

২৮/১২/০৮, চট্টগ্রাম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28923679 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28923679 2009-03-13 12:26:15
ফ্যাইশা শুটকির ভর্তা

ফ্যাইশা শুটকির অন্য কোন নাম আছে কিনা আমার ঠিক জানা নাই, চট্টগ্রামে আমরা এই নামেই বাজার থেকে এই শুটকি কিনি, তাই এই নামেই রেসিপিটি দিলাম। কেউ এর অন্য কোন নাম জানলে আমাদের জন্য একটূ এগিয়ে আসতে পারেন।

এবার জেনে নেয়া যাক কি কি লাগবে, কিভাবে করবেন?

উপকরণঃ

ফ্যাইশা শুটকি - ৫টা
নারিকেল কুরানো - ১ কাপ ( ছোট )
শুকনোমরিচ - ৪টা (মাঝারী)
রসুন - ২ কোয়া
পেয়াঁজ কুচি - দেড় টেবিল চামচ
ধনেপাতা কুচি - ২ টেবিল চামচ
লবণ – স্বাদ/ পরিমাণমতো

প্রণালীঃ

প্রথমেই শুটকি তাওয়ায় বা কড়াইতে গরম করে নিন, এরপর কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন (বাটার সুবিধার জন্য), এতে শুটকি’র গন্ধ দূর হবে, যা অনেকেই পছন্দ করেননা।

ভিজিয়ে রাখা শুটকি পানি থকে তুলে পানি ঝরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করুন ভর্তা করার জন্য। এখন লবন এবং শুকনোমরিচ একসাথে শীল পাটায় বেটে নিন। এবার শুটকি সাথে অন্যান্য উপকরণ – কুরানো নারিকেল, পেয়াঁজ, ধনেপাতা, রসুন একসাথে বেটে নিন। এবার বাটা উপকরণগুলো ভাল করে মেখে মেশাতে হবে। ভালোভাবে মেশানোর পর আরেকবার মাখানো উপকরণগুলো বাটুন। ছবিরমত করে অথবা আপনার যেমন পছন্দ পরিবেশন করুন ভাতের সাথে।

১৫/১২/২০০৮, চট্টগ্রাম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28903388 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28903388 2009-01-28 11:41:26
টমেটোর চাটনী

শীতের মওসুমে সেই ফসলের ক্ষেত, বাজার, রান্নাঘর হয়ে খাবার টেবিল পর্যন্ত টমেটো আর এর ছোঁয়ায় মুখরিত সময়টা খুব মনে পড়ে। আমাদের ছেলেবেলা'র কথা বলছি। টমেটোর মান, খাদ্যগুণ আর ভেজাল নিয়ে এতএত সন্দেহতো ছিলই না, আর দাম! তা নিয়ে কথা বলতে সত্যিই কষ্ট হয়। টমেটোর কত রকম ব্যাবহার করেছি, এখন শীতের মওসুমে কোন তরকারীতে টমেটো দিতে ভাবতে হয়। কষ্ট লাগে। মওসুমের টমেটো দিয়ে করা সস থাকত আমার ঘরে বোতল ভরে, এই আমার রান্নাঘরেই করা।

যাই হোক আজ খুব অল্পে করতে পারবেন এমন একটা টমেটোর রেসিপি নিয়ে এসেছি, অনেকেই এর স্বাদ জানেন, নিজে করেছেনও। নতুন কিছু নয়। আমার ঘরে খুব প্রিয় একটা চাটনী আজকের এই রেসিপিটি - টমেটোর চাটনী।

উপকরণ কি কি লাগবেঃ

টমেটো - ৫ টা (মাঝারী সাইজের)
পেয়াঁজ কুচি - ১ টেবিল চামচ (যত কুচি করা যায় ভাল লাগবে দেখতে-খেতে)
শুকনা মরিচ - ৩ টা (ভেঙ্গে বা চটকে নিতে হবে)
ধনেপাতা কুচি - ১ চা চামচ (চাইলে আরো বেশি দিতে পারেন, যেমন আপনার পছন্দ)
লবণ পরিমাণমতো
সরিষার তেল - আধা চা চামচ (স্বাদ বাড়িয়ে দিবে নিঃসন্দেহে)

কিভাবে করবেনঃ
ধোয়া টমেটোগুলো প্রথমে টেলে (ভেজে) নিন গরম-শুকনো তাওয়া'র উপর দিয়ে, খেয়াল রাখবেন তাওয়া যেন খুব গরম হয়ে না ওঠে। টালা টমেটোর খোসা ছাড়িয়ে টমেটোগুলো চটকে নিন। একটি বাটিতে পেয়াঁজ কুচি , শুকনা মরিচ , ধনেপাতা কুচি ও লবণ ভাল করে মেখে রাখুন। এবার বাটিতে মাখানো উপকরণেগুলোর সাথে চটকানো টমেটো মেশান, সরিষার তেল দিয়ে আরেকটু মেখে নিন, ভাল করে মিশে যাবে।

হয়ে গেলো টমেটোর চাটনী। কেমন লাগলো জানাবেন।

১৮/১২/২০০৮, চট্টগ্রাম

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28902580 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28902580 2009-01-26 13:50:34
হাড়ি কাবাব

ঊপকরণঃ

হাড় ছাড়া গরুর মাংস – ১ কেজি
টক দই – দুই টেবিল চামচ
পেয়াজ বাটা – ১ কাপ
পেয়াজ কুচি – ২ টেবিল চামচ (ভেরেস্তা করার জন্য)
রসুন বাটা – ২ টেবিল চামচ
আদা বাটা – ১ টেবিল চামচ
কাচামরিচ বাটা – ১/২ চা চামচ
জয়ত্রী বাটা – ১/৪ চা চামচ
জায়ফল বাটা – ১/৪ চা চামচ
গোল মরিচের গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
লাল মরিচ গুঁড়া – ১ টেবিল চামচ
জিরা বাটা – ১ চামচ
ধনে গুঁড়া – ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া – ১ চা চামচ
কাচামরিচ – ২ টা
চিনি – ১/২ চা চামচ
ভিনেগার (অথবা লেবুর রস) – ১ টেবিল চামচ
তেল – দেড় কাপ
তেজপাতা – ২ টি
এলাচ – ৩ টি
দারুচিনি – ৪ টুকরা
লবংগ – ৪/৫ টি
স্বাদমতো লবন

প্রস্তুত প্রণালীঃ

হাড়ি কাবাব করতে হবে দুই ধাপে। ১ম ধাপে প্রস্তুতি পর্ব, মাংস মেরিনেট করে ২য় ধাপে রান্না করতে হবে।

১ম ধাপ -
মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার বাটিতে মাংসের টূকরাগুলোতে আস্ত কাচামরিচ আর ভিনেগার বাদে বাকী সমস্ত মশলা এবং অন্য উপকরণগুলো দিয়ে ভাল করে মেখে নিন মেরিনেট করার জন্য। ভাল করে মশলা মাখানো হলে এবার ভিনেগার (অথবা লেবুর রস) মেশান। এ অবস্থায় মাখানো মাংস ২ ঘন্টা ফ্রিজে রাখুন (ডিপ ফ্রিজে রাখবেন না)। আরো বেশিক্ষন ধরে মেরিনেট করলে মাংস তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হবে।

২য় ধাপ –
রান্নার জন্য এবার হাড়িতে দেড় কাপ তেল দিয়ে গরম হলে পেয়াজ কুচি দিয়ে বাদামী করে ভেজে ভেরেস্তা করুন। ভেরেস্তা গুলো আলাদা একটি পাত্রে তুলে রাখুন পরে কাবাবের উপর ছড়িয়ে দিতে হবে।

এবার হাড়িতে বাকি তেলের উপর মেরিনেট করা মাংস ছেড়ে দিয়ে খানিকক্ষন নাড়ুন। কয়েক মিনিট পরে আস্ত কাচামরিচ ও সামান্য পানি দিয়ে দিন। নেড়ে ভাল করে মিশিয়ে দিয়ে পাতিলে ঢাকনা তুলে দিয়ে চুলার আচঁ কমিয়ে দিন। এ অবস্থায় রান্না হয়ে মাংস সিদ্ধ হবে। মাঝে মাঝে ঢাকনা তুলে নেড়ে দিবেন। মাংস সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে এলে আরেকবার নেড়ে দিন, এ অবস্থায় কিছুক্ষন দমে রাখুন। কিছুক্ষন পর মাংসের উপর তেল উঠে এলে কাবাবের হাড়ি চুলা থেকে নামিয়ে রাখুন। হাড়ি কাবাব তৈরি।

বাটিতে গরম হাড়ি কাবাব নিয়ে উপরে ভেরেস্তা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28880748 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28880748 2008-12-10 14:25:43
রুই-পালং এর ঝোল

উপরকরণঃ

পালং শাক – ১ কেজি (চার ইঞ্চি করে কাটা, ছবি দেখুন)
রুই মাছ – ৭/৮ টুকরা কিউব করে কাটা
সীম (ছোট ফালি করে কাটা) – ১ কাপ
আলু (দেড় ইঞ্চি ফালি করে কাটা) – ২টা (মাঝারী সাইজের)
কাঁচামরিচ _ ৫/৬ টা, ফালি করা
পেয়াজ কুচি – ১/২ কাপ
গুঁড়া মরিচ _ ১/২ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
জিরা বাটা _ ১/২ চা চামচ
ধনে গুঁড়া _ ১ চা চামচ
আদা বাটা _ ১ চা চামচ
ধনেপাতা কুচি – ১ টেবিল চামচ
টমেটো (মাঝারী) – ২ টা
পানি – ৩ কাপ
তেল – ৩ টেবিল চামচ
লবন – পরিমানমতো



প্রস্তুত প্রণালীঃ

চুলোতে কড়াই একটু গরম হলে তেল দিয়ে দিন। তেল খানিকটা গরম হলে পেঁয়াজ কুচি দিন, নাড়তে থাকুন। এসময় চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। পেয়াজ হালকা বাদামী রঙ ধারণ করলে উপকরণের সব মশলা দিয়ে ২/৩ মিনিট কষান। খেয়াল রাখবেন মশলা যেন পুড়ে না যায়।



মশলা কষানো হলে ধোয়া – পানি ঝরানো মাছের টূকরাগুলো দিয়ে আরো কিছুক্ষন কষান। এবার পানি দিন। চুলার আচঁ এসময় একটু বাড়িয়ে দিন, তবে বেশি বাড়াবেন না। কষানো ঝোলটুকু ফুটে উঠলে মাছগুলো আলাদা প্লেটে তুলে রাখুন।

এরপর ফুটে ওঠা ঐ ঝোলে শাক, আলু, সীম দিয়ে দিন। নেড়ে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন, দমে রান্না হবে। মাঝে মাঝে ঢাকনা তুলে নেড়ে দিবেন। দশ মিনিট পর টমেটো, কাচামরিচ ছেড়ে দিন। এর দুই মিনিট পর তুলে রাখা মাছগুলো দিয়ে দিন, অল্প আচেঁ রান্না করুন। ঝোল-ঝোল হয়ে এলে ধনেপাতা কুচি ছিটিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28880321 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28880321 2008-12-09 00:34:26
রান্না করা কিছু আইটেমের ছবি দেখুন...

আমার রেসিপিতে আমার রান্না করা কিছু আইটেমের ছবি দেখুন এইখানে...

ওরা আমার ছেলের কাছে রান্নার কথা শুনে আর এই ব্লগ দেখেই ভক্ত, কিন্তু ঢাকায় থাকে বলে দাওয়াত দিয়েও কাজ হচ্ছিল না। সেবার কার যেন বিয়েতে চট্টগ্রাম এসেছিল আরিফ, বিজন দুজনে। আমার রান্না করা ভাজি, ভর্তা, ডাল, মাছ, শুঁটকি এইসব মেনুতে খেয়ে গেল আর অনেক গুলো ছবি তুলে ওদের ওয়েবে দিয়ে দিল। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28873969 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28873969 2008-11-25 15:06:54
কাচ্চি বিরিয়ানী

উপকরণ:

খাসির মাংস ২ কেজি
পোলাওয়ের চাল ১ কেজি
ঘি ২৫০ গ্রাম
আলু আধা কেজি
পেঁয়াজের ভেরেস্তা এক কাপ
দারুচিনি ৮-১০ টুকরো (১ ইঞ্ছি সাইজের)
এলাচ ১০-১২টি
আদা বাটা ২ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ
গরম মসলা গুঁড়া (দারুচিনি, এলাচ, জয়ফল, জয়ত্রি, শাহজিরা ও গোলমরিচ) ১ টেবিল চামচ
জিরা আধা চা চামচ
টকদই দেড় কাপ
দুধ ২ কাপ
চিনি ২ চা চামচ
আলুবোখারা ১৪-১৫টা
কিশমিশ ২০টা (আরো বেশি দিতে পারেন)
গোলাপ জল ১ টেবিল চামচ
লবণ পরিমাণমতো

প্রণালী:

মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। হাঁড়িতে (পিতলের হলে ভাল) মাংসের সাথে আদা বাটা, রসুন বাটা, লবণ, চিনি, টকদই, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ দিয়ে মাখিয়ে আধা ঘন্টা রেখে দিন। এবার গরম মসলার গুঁড়া, অর্ধেক ঘি দিয়ে ভালোভাবে মাংস মেখে ১০ মিনিট রাখুন। এবার দুই কাপ দুধ মাংসের উপর ঢেলে দিন। আলু লবণ মাখিয়ে তেলে ভেজে মাংসের উপর দিন। চাল ধুয়ে আধা সেদ্ধ করে মাংসের উপর দিন। বাকি অর্ধেক ঘি, পেঁয়াজের ভেরেস্তা, কিশমিশ, আলুবোখারা, গোলাপ জল ছড়িয়ে দিয়ে অল্প আঁচে এক ঘন্টার মতো চুলোয় রাখুন। চুলোয় উঠানোর আগে আটা গুলিয়ে হাঁড়ির মুখ বন্ধ করে দিন যাতে বাস্প বের হতে না পারে। এক ঘন্টা পর আঁচ আরো কমিয়ে দমে রাখুন। খড়ির চুলোয় রান্না করতে পারলে ভালো। সে ক্ষেত্রে এক ঘন্টা পর হাঁড়ির নিচে এবং উপরে জলন্ত কয়লা দিয়ে দমে বসান। গ্যাসের চুলোর ক্ষেত্রে তাওয়ার উপর হাঁড়ি বসিয়ে অল্প আঁচে দমে রাখুন।উপকরণ:

খাসির মাংস ২ কেজি
পোলাওয়ের চাল ১ কেজি
ঘি ২৫০ গ্রাম
আলু আধা কেজি
পেঁয়াজের ভেরেস্তা এক কাপ
দারুচিনি ৮-১০ টুকরো (১ ইঞ্ছি সাইজের)
এলাচ ১০-১২টি
আদা বাটা ২ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ
গরম মসলা গুঁড়া (দারুচিনি, এলাচ, জয়ফল, জয়ত্রি, শাহজিরা ও গোলমরিচ) ১ টেবিল চামচ
জিরা আধা চা চামচ
টকদই দেড় কাপ
দুধ ২ কাপ
চিনি ২ চা চামচ
আলুবোখারা ১৪-১৫টা
কিশমিশ ২০টা (আরো বেশি দিতে পারেন)
গোলাপ জল ১ টেবিল চামচ
লবণ পরিমাণমতো

প্রণালী:

মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। হাঁড়িতে (পিতলের হলে ভাল) মাংসের সাথে আদা বাটা, রসুন বাটা, লবণ, চিনি, টকদই, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ দিয়ে মাখিয়ে আধা ঘন্টা রেখে দিন। এবার গরম মসলার গুঁড়া, অর্ধেক ঘি দিয়ে ভালোভাবে মাংস মেখে ১০ মিনিট রাখুন। এবার দুই কাপ দুধ মাংসের উপর ঢেলে দিন। আলু লবণ মাখিয়ে তেলে ভেজে মাংসের উপর দিন। চাল ধুয়ে আধা সেদ্ধ করে মাংসের উপর দিন। বাকি অর্ধেক ঘি, পেঁয়াজের ভেরেস্তা, কিশমিশ, আলুবোখারা, গোলাপ জল ছড়িয়ে দিয়ে অল্প আঁচে এক ঘন্টার মতো চুলোয় রাখুন। চুলোয় উঠানোর আগে আটা গুলিয়ে হাঁড়ির মুখ বন্ধ করে দিন যাতে বাস্প বের হতে না পারে। এক ঘন্টা পর আঁচ আরো কমিয়ে দমে রাখুন। খড়ির চুলোয় রান্না করতে পারলে ভালো। সে ক্ষেত্রে এক ঘন্টা পর হাঁড়ির নিচে এবং উপরে জলন্ত কয়লা দিয়ে দমে বসান। গ্যাসের চুলোর ক্ষেত্রে তাওয়ার উপর হাঁড়ি বসিয়ে অল্প আঁচে দমে রাখুন।

ছবি আমার ব্লগের সৌজন্যেঃ http://amarblog.com/recipe/22358 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28868085 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28868085 2008-11-12 13:46:06
মোরগ মোসাল্লাম এই রেসিপিটি আমার মত করে ওভেন ছাড়া আরো সহজে করার প্রনালীতে তৈরির ইচ্ছে রইল।

উপকরণঃ
মোরগ - ২ টি
ঘি বা তেল - ৩/৪
রসুন বাটা - ২ চা চামচ
দারুচিনি - ২ সে.মি. করে ৪ টুকরা
আদা বাটা - ১ টেবিল চামচ
এলাচ - ৪ টি
মরিচ বাটা - ২ চা চামচ
পেঁয়াজ কুচি - ১/২ কাপ
ধনে বাটা - ২ চা চামচ
মাওয়া - ২ টেবিল চামচ
পোস্তদানা বাটা - ২ চা চামচ
পেস্তা ভিজান - ৮ টি
চিনি - ২ চা চামচ
বাদাম ভিজান - ৮ টি
টক দই - ১ কাপ
কিসমিস - ১ টেবিল চামচ

প্রনালী:
মোরগ আস্ত রেখে পরিস্কার করুন। গলার হাড় কেটে ফেলুন। কাঁটাচামচ দিয়ে কেঁচে দু'পা একসঙ্গে করে সুতা দিয়ে বাধুঁন। মাংসে বাটা মসলা, লবণ, দই চিনি ও ঘি মিশিয়ে ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। দারুচিনি, এলাচ ও হলুদ রং মাংসে দিন। ঢাকনা দিয়ে মৃদু আঁচে সিদ্ধ করুন। পেঁয়াজ ভেরেসতা করে গুঁড়া করুন।

ওভেনে ১৮০ ডিগ্রী সেঃ (৩৫০ ডিগ্রীঃ ফাঃ) তাপ দিন। মাংস সিদ্ধ হলে বেকিং ট্রেতে মাংস ও মসলা নিন । মাংসের উপর বেরেসতা, মাওয়া, পেস্তা, বাদাম কুচি ও কিসমিস ছিটিয়ে দিন। ওভেনে ৩০ মিনিট বেক করুন। গরম গরম পরিবেশন করুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28866637 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28866637 2008-11-09 10:58:24
মজার ইলিশ, হরেক পদ (২): ইলিশ মাছের ডিমের ঝোল
উপকরণঃ

ইলিশ মাছের ডিম - ১টা মাছের (গোল করে টুকরা করা), ১ কাপ সমপরিমান ডিম

আলু - ৩ টা মাঝারী, আধা ইঞ্চি কিউব করে কাটা
পেঁয়াজ কুচি - ১/২ কাপ
আদা বাটা - ১/২ চা চামচ
রসুন বাটা - ১ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া - ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
জিরা বাটা - ১/২ চা চামচ
ধনে গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
কাচা মরিচ - ৩/৪ টা (ঝাল বেশি চাইলে আরো বেশি)
লবণ - পরিমাণমতো
তেল - ২ টেবিল চামচ
ধনে পাতা কুচি - ১ টেবিল চামচ
পানি - পরিমানমতো

প্রণালীঃ

মাছের ডিম হালকা ভাবে ধুয়ে ১ ইঞ্চি কিউব করে কেটে নিন। আলু খোসা ফেলে ১/২ ইঞ্চি কিউব করে কেটে নিন।

হাঁড়িতে তেল দিয়ে একটু গরম হলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন, নাড়তে থাকুন, হালকা বাদামী করে ভাজা হলে এবার চুলার আঁচ কমিয়ে সব মশলা ও পানি দিয়ে সামান্য কষিয়ে নিন। এবার মাছের টুকরা ও ডিম দিয়ে আরো ৫ মিনিট কষিয়ে পরিমানমতো পানি দিন, ঝোল বেশি হলে আবার ভাল লাগবে না। আলুর কাটা টুকরো গুলো দিয়ে দিন। ঢেকে দিন কিছুক্ষণ রান্না হওয়ার জন্য। ঝোল ফুটতে শুরু করলে কাঁচা মরিচ উপরে ছিটিয়ে দিন। এবার ঝোল মাখা মাখা হয়ে এলে ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামিয়ে নিন। পরিবেশনের জন্য তৈরী।

গরম ভাতের সাথে আচার সহ খুবই ভাল লাগবে।


৩০/১০/০৭, চট্টগ্রাম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28793367 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28793367 2008-05-01 21:55:30
মজার ইলিশ, হরেক পদ (১): আলু-ইলিশের ঝোল
আজকের রেসিপিটিঃ আলু-ইলিশের ঝোল (১)

উপকরণঃ
ইলিশ মাছ - ছোট এক বাটি, ১/২ ইঞ্চি কিউব করে কাটা
ইলিশ মাছের ডিম - ১/২ বাটি (২ ভাগ) পরিমাণ, মাছের মতই ১/২ ইঞ্চি কিউব করে কাটা

পেটের এবং পিঠের মাছ হলে ভাল হয়, এতে রান্নার পরও মাছ ভেঙ্গে যাবে না।

আলু - ২ টা মাঝারী, আধা ইঞ্চি কিউব করে কাটা
পেয়াজ কুচি - ২ টা মাঝারী
কাচা মরিচ - ৪ টা (ঝাল বেশি চাইলে আরো একটা বেশি দিতে পারেন)
মরিচ গুঁড়া - ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
আদা বাটা - ১/২ চা চামচ
রসুন বাটা - ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
লবণ - পরিমাণমতো
তেল - ২ টেবিল চামচ
চিনি - ১ চিমটি (ডায়াবেটিস থাকলে দেবেন না)
ধনে পাতা কুচি - ১ টেবিল চামচ
পানি - ২/৩ কাপ

প্রণালীঃ
হাঁড়িতে তেল দিয়ে একটু গরম হলে পেয়াজ কুচি ছেড়ে দিন। হালকা বাদামী রঙ ধারণ করলে চুলার আঁচ কমিয়ে পরিমাণমতো লবণ দিন, আদা-রসুন, হলুদ-মরিচ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া দিয়ে নাড়ুন। সব মশলা ২/৩ মিনিট কষান। এ সময়ে চুলার আঁচ কমানো থাকবে।

মশলা কষানো হলে মাছ ছেড়ে দিয়ে ৫ মিনিট নেড়ে-নেড়ে মাছ কষান। কষানো হলে ২/৩ কাপ পানি দিয়ে চুলার আঁচ বাড়িয়ে দিন। ৪/৫ মিনিট পর পানি ফুটতে শুরু করলে আলু দিয়ে দিন। ঢেকে রাখুন। এ সমেয় ঢাকনা তুলে মাঝে মাঝে হালকা ভাবে নেড়ে দিন যেন মাছ ভেঙ্গে না যায়। ২/৩ মিনিটে মাথায় চুলার আঁচ কমিয়ে রান্না হতে দিন।

আলু সিদ্ধ হয়ে এলে কাঁচা মরিচ এবং চিনি দিয়ে আরো কিছুক্ষণ রান্ন করুন। ঝোল কমে খানিকটা মাখা-মাখা হলে নামিয়ে ধনে পাতা কুচি ছড়িয়ে দিন।

পরিবেশনের জন্য তৈরী। গরম ভাতের সাথে খুবই ভাল লাগবে।


১২/১০/০৭, ২৯ রমজান, চট্টগ্রাম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28793078 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28793078 2008-05-01 01:27:01
ঝাল-মশলায় জলপাই আচার জলপাইয়ের মিষ্টি আচার এই রেসিপিটি দিয়েছিলাম। এটি মশলা এবং ঝালে করা মজার একটি আচার, জলপাইটা এখানে গোটা গোটা থাকবে। রোদে শুকিয়ে অনেক দিন রাখা যাবে।

উপকরণঃ
জলপাই - ১ কেজি (একই আকারের)
সরিষার তেল - ২৫০ মিলি
কাঁচা মরিচ - ১৫০ গ্রাম
রসুন - ১৫০ গ্রাম
আদা - ১৫০ গ্রাম
হলুদ গুঁড়া - ১ টেবিল চামচ
সরিষা দানা - ১৫০ গ্রাম
ভিনেগার - ১ বোতল
লবন - ২ টেবিল চামচ
পাঁচফোড়ন - ২ টেবিল চামচ
মৌরি - ২ টেবিল চামচ
কাল জিরা - ২ টেবিল চামচ

প্রণালীঃ

জলপাই, কাঁচা মরিচ, রসুন, আদা ও সরিষা ভাল করে ধুয়ে পানি শুকিয়ে নিন। জলপাইয়ের চারপাশে চির কেটে লবন ও হলুদ মেখে পুরো দিন কড়া রোদে রাখতে হবে।

গ্রাইন্ডারে আদা, রসুন ও কাঁচা মরিচ ভিনেগার ঢেলে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার সরিষা ও ভিনেগার দিয়ে মিহি করে শীল-পাটায় বেটে নিন। কাল জিরা, মৌরি ও পাঁচাফোড়ন পাটায় আধা গুঁড়ো করে নিতে হবে। এবার একটি বড় কাঁচের বোতলে সব মশলা, সরিষা বাটা ও লবন দিয়ে ভাল করে ঝাকিয়ে মিশিয়ে নিন। তারপর এতে জলপাই ও তেল দিয়ে বোতলের মুখ আটকে দিন।

পর পর মাসখানেক প্রতিদিন কয়েক ঘন্টা করে আচারের বোতলটি রোদে দেবার পরে খাওয়ার উপযোগী হবে। এই আচার পোলাও ও খিচুড়ি’র সাথে খেতে দারুণ মজা। মাঝে মাঝে রোদে দিলে প্রায় ১ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যাবে এই আচার। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28746254 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28746254 2007-11-18 23:03:36
রুই মাছের ঝোল
বোরহানী'র রেসিপির পোস্টটিতে বন্ধনহীন প্রবাস (জার্মানী) থেকে রুই মাছের ঝোলের রেসিপি'র জন্য অনুরোধ করে, পরে মেইল পেয়ে আমি একটু অবাকই হলাম। তবে ভাল লেগেছে আমার। আমারতো প্রতিদিন এই ব্লগ দেখা সম্ভব হয় না, আমার ছেলে থাকে ঢাকায় ওই ব্লগটি চালায়। সকালে মেইলটা দেখে ছেলে আমাকে ফোনে রেসিপি দিতে বলে। ছবিটা আগেই ও তুলে রেখেছিল। আমি একটূ ফ্রি হয়ে রেসিপিটি লিখে ফোনে ওকে দিলাম। অনেকেই ব্লগে কিছু রেসিপি দিতে অনুরোধ করেছেন ঠিক সময়মতো দিতে পারিনি, তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি, তবে এক এক করে রেসিপিগুলো দেয়ার চেষ্টা করব।

আজকের এই রুই মাছের রেসিপিটি বন্ধনহীনের জন্য উৎসর্গ করলাম, প্রবাসযাপনে যদি খানিকটা আনন্দ দেয় তাই হবে আমার জন্য আনন্দের।

উপকরণঃ

রুই মাছ - ৬ টুকরা
রসুন বাটা - ১/২ চা চামচ
আদা বাটা - ১/২ চা চামচ
জিরা বাটা - ১/৩ চা চামচ
ধনে গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
পেঁয়াজ কুচি - ৩ টেবিল চামচ
মরিচ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া - ১/৪ চা চামচ
টমেটো ফালি করা - ১ কাপ
কাঁচা মরিচ - ৩/৪ টা (ফালি করা)
ধনেপাতা কুচি - ২ টেবিল চামচ
তেল - ২ টেবিল চামচ
লেবুর রস - ১ চা চামচ
লবণ - পরিমানমতো
পানি পরিমানমতো (৩ কাপ হলে চলবে)

প্রণালীঃ

মাছের টূকরাগুলো ধুয়ে লবণ ও হলুদ মেখে তেলে ভেজে নিন, খুব বেশি ভাজবেন না, হালকা করে ভাজবেন।

অন্য একটি পাত্রে মাছ ভাজার গরম তেল দিয়ে পেয়াজ কুচি দিয়ে নেড়ে ভাজুন। পেয়াজ বাদামী রঙ ধারণ করলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। এবার আদা-রসুন বাটা, হলুদ-মরিচ গুঁড়া, জিরা বাটা, ধনে গুঁড়া এবং লবণ দিয়ে কষাতে থাকুন। সব মশলা ২/৩ মিনিট কষানো হলে মাছের ভাজা টূকরাগুলো মশলায় ছেড়ে দিন। নেড়ে দিন হালকাভাবে। এবার তিন কাপ পানি দিয়ে আবার হালকা করে নেড়ে ঢেকে দিয়ে রান্না হতে দিন। এসময় চুলার আঁচ স্বাভাবিক থাকবে। ৫ মিনিট রান্না হলে ঢাকনা তুলে টমেটো ও কাঁচামরিচ দিয়ে আরো ১০মিনিট রান্না করুন। দেখবেন ঝোল একটু ঘন হবে, ছবির মতো দেখতে হবে। এখন ঝোল-ঝোল অবস্থায় ধনে পাতা কুচি ছড়িয়ে দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28746000 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28746000 2007-11-17 18:00:55
বোরহানী, মুখরোচক গুরুপাক খাবারে
উপকরণঃ

মিষ্টি দই - ১ কাপ
টক দই - ১ কেজি
কাচা মরিচ কাটা - ১ চা চামচ
পুদিনা পাতা বাটা - ১ চা চামচ
সরিষা বাটা - ১ চা চামচ
বিট লবন - ১ চা চামচ
পানি পরিমাণমতো (পাতলা বা ঘন যেমনটি করতে চাইবেন)
চিনি - ১ টেবিল চামচ
লবন - ১ চা চামচ
সাদা গোল মরিচের গুঁড়া - ১ চা চামচ

প্রণালীঃ

কাচা মরিচ, পুদিনা পাতা, একসাথে বেটে নিন। বিট লবণ পাটায় গুঁড়া করে মিহি করে নিন। সমস্ত উপকরণ একসাথে অল্প পানি দিয়ে গুলে দইয়ের মধ্য দিন। এবার মিষ্টি দই, টক দই সহ সমস্ত উপকরণ এগ বিটার দিয়ে ১০ মিনিট বিট করুন বা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন। এবার ছাকনি বা কাপড় দিয়ে ছেকে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

ছবিঃ সংগ্রহ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28745294 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28745294 2007-11-14 01:34:13
ডিমের মিহি দানা (ঈদ রেসিপি)
উপকরণঃ
তরল দুধ - দুই লিটার
চিনি - ৫০০ গ্রাম (কম বেশি হতে পারে)
ডিম - ৬ টা
কিসমিস - পরিমানমতো
বাদাম - পরিমানমতো
দারুচিনি - ২/৩ টুকরা
ঘি (গরুর) - ১ চা চামচ


প্রণালীঃ

২ লিটার দুধ জ্বাল দিতে দিতে ঘন করে অর্ধেকে নামিয়ে আনতে হবে। ঘন দুধটা এবার ঠান্ডা হতে দিন। আলাদা একটি পাত্রে ডিম গুলো ফেটিয়ে তাতে পরিমানমতো চিনি ভালকরে মিশিয়ে নিন।

এবার ঘন করা ঠান্ডা দুধের সাথে ডিম ও চিনির মিশ্রণটি মিশিয়ে নিন। চুলায় পরিষ্কার পাতিলে ১ চামচ ঘি দিয়ে দুধের মিশ্রণটি ঢেলে দিন, ২/৩ টুকরা দারুচিনি দিয়ে অনবরত হালকা তালে নাড়তে থাকুন। যেন পাতিলের তলায় আটকে না যায়। নাড়তে নাড়তে দুধের মিশ্রণটি যখন দানা দানা হয়ে আসবে তখন কিসমিস ও বাদাম দিয়ে চুলায় অল্প আঁচে আরো ৫ মিনিট রাখুন। খেয়াল রাখবেন দানা গুলো যেন বড় বড় না হয় আর লাল যেন না হয়ে যায়।

---
ভুলু, চট্টগ্রাম
৩০/১০/২০০০৭]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28741924 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28741924 2007-11-02 01:09:54
স্পাইসি রেজালা গরুর মাংস ১ কেজি
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ১ চা চামচ
পেঁয়াজ বাটা ১/২ কাপ
হলুদ বাটা ১ চা চামচ
মরিচ বাটা ১ চা চামচ
জিরা বাটা ১ চা চামচ
ধনে বাটা ২ চা চামচ
এলাচি ৪টা
দারুচিনি ২ সে.মি. করে ৩ টুকরা
টক দই ১/২ কাপ
কাঁচা মরিচ ১৬টি (মাঝারী)
পোস্ত দানা বাটা ১ টেবিল চামচ
তেল ১/২ কাপ

গুঁড়া মশলা দিয়েও রান্নাটা করতে পারেন, তবে বাটা মশলায় অবশ্যই ভাল হবে। তাই আমি বাটা মশলায় রান্নাটা করেছি।

প্রণালীঃ
পোস্ত দানা ও কাঁচা মরিচ বাদে সব উপকরণ (মশলা) একসঙ্গে ভালকরে মাংসে মাখান। মাখানো মাংস ১০-১৫ মিনিট ঢেকে রাখুন। এবার ঢেকে চুলায় দিন। নাড়তে থাকুন। ফুটে উঠলে জ্বাল কমিয়ে মাংস কষান। মাঝে মাঝে নেড়ে দিবেন। এ সময় চুলার আঁচ কমানো থাকবে।

মাংস সিদ্ধ হলে পোস্তদানা ও কাঁচা মরিচ দিন। মাংস কষিয়ে আধা কাপ পানি দিয়ে মৃদু আঁচে দমে রাখুন। তেল উপরে উঠলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28718738 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28718738 2007-07-01 11:45:33
ঘন ডাল
আপনাদের জন্য অনেক রেসিপি যোগাড় করেছি, প্রমিজ করেও পোস্ট দিতে পারিনি। আমার ব্যক্তিগত ব্যস্ততাই এর জন্য কারণ, সেই সাথে আমার ছেলের ব্যস্ততাও- যে এই ব্লগটি আমার হয়ে চালায়।

আজ আপনাদের জন্য খুব সাধারণ একটি রেসিপি নিয়ে এসেছি। আমার মনে হয়েছে আপনাদের অনেকেই বিদেশে আছেন এবং সহজ রেসিপি গুলো আপনাদের পছন্দ হবে।

উপকরণঃ

মসুর ডাল ২০০ গ্রাম (বা দেড় কাপ)
গরম পানি ৭/৮ কাপ
(পানির পরিমাণ নির্ভর করে ডাল কতটা ঘন করতে চান, অবশ্য পানি বেশী হলে একটু বেশী সময় ধরে জ্বাল দিলেই ডাল ঘন হবে, বেশী সময় ধরে জ্বাল দিলে ডালের স্বাদটাও ভাল হয়)

টমেটো ২/৩টা (লম্ব-লম্বি করে ৪ ফালি করে কাটা)
কাঁচা মরিচ ৩/৪টা (মাঝখানে কাটা), ঝাল কাঁচা মরিচ হলে আরো কম দিতে হবে
হলুদ গুঁড়া ১/২ টেবিল চামচ
লবণ পরিমাণমতো
সয়াবিন তেল ১/২ কাপ
সরিষা ও জিরা দানা ১ চিমটা (খুব অল্প হলেই হবে, ফোঁড়ন দেয়ার জন্য)
জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ (জিরা গুঁড়া বেশী হলে ডালের রঙ কাল হয়ে যেতে পারে)
শুকনা লাল মরিচ ২ টা (কয়েক টুকরা করে কাটা)
রসুন ১ টা (মাঝারী) কুচানো
ধনে পাতা ১ আঁটি (৪/৫টা গাছ) কুচানো

প্রণালীঃ

ডাল ভাল করে ধুয়ে নিন। ধোয়া ডাল হাড়িতে নিয়ে তাতে গরম পানি দিয়ে চুলায় বসান। এবার এতে টুকরো করা টমেটো, হলুদ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া এবং রেসিপি'র অর্ধেকটা তেল দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে রান্না করতে শুরু করুন। লবণ পরে দিবেন এতে ঢাকনা দেয়া অবস্থায় ডাল হাড়ি থেকে উপচে পড়বে না।

মাঝে মাঝে একটু নেড়ে দিন ঢাকনা তুলে, দেখুন ডাল সেদ্ধ হয়েছে কিনা। ডাল উপচে পড়তে থাকলে ঢাকনা সরিয়ে দিতে পারেন। ডাল ঘুটুনী বা এব বিটার দিয়ে ভাল করে ঘুটে দিন যাতে ডাল ভেঙ্গে পানির সাথে মিহি হয়ে মিশে যায়। পানি কমে ডাল ঘন হয়ে এলে পরিমাণমতো লবণ দিন, স্বাদ দেখে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। শুকনা কাটা লাল মরিচ এবং কাঁচা মরিচ দিয়ে দিন। ডালের ঘ্রাণটা ভাল করার জন্য কাচা মরিচ পরে দিয়েছি।

এবার ডালে বাগার দেয়ার জন্য অন্য একটি পাত্রে এই সময়ে বাকী তেল গরম করে তাতে এক এক করে সরিষা দানা, জিরা দানা এবং কুচানো রসুনের ফোড়ন দিন। ঘন-ঘন নাড়তে থাকুন নইলে পুড়ে যাবে। রসুন একটু বাদামী হয়ে এলে তেল সহ সব কিছু ডালের মধ্যে ছেড়ে দিন। এ অবস্থায় ডালে ঢাকনা দিয়ে রাখুন। অল্প আঁচে মিনিট খানেক থাক। নামিয়ে কুচানো ধনে পাতা উপরে ছিটিয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন। দেখুন ডালের কি চমৎকার ঘ্রাণ বেরিয়েছে। ঘন ডাল একটা আলাদা মেন্যু হিসেবে টেবিলে আনতে পারেন।

আগামী রেসিপিটি হবে মাংসের স্পাইসি রেজালা এবং বোরহানী নিয়ে...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28718123 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28718123 2007-06-27 19:48:04
বৈশাখের রান্না - ১ [বেগুন ভাজা (চাকার মতো করে)]

পহেলা বৈশাখের সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমাদের বাঙ্গালীর ঘরে ঘরে মুখরোচক দেশী সব খাবারের আয়োজন হয়, তারই কিছু খাবারের রেসিপি নিয়ে আগামী কয়েকদিন আপনাদের সামনে আসব। আপনাদের কোন পছন্দের রেসিপি'র কথা মনে পড়লে বলতে পারেন, আমি চেষ্টা করব সংগ্রহ করে দিতে।

উপকরণঃ[/sb

গোল বেগুন ১/২ কেজি
(বেগুন গুলো একটু পেটুক টাইপের হলে ভাল হয়, তবে খুব বড় নয়)
হলুদ গুঁড়া - ১/৩ চা চামচ
জিরা গুঁড়া - ১/৩ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
ধনেগুঁড়া - ১/২ চা চামচ
পেঁয়াজ কুচি -১/৩ কাপ
ধনে পাতা কুচি - ৩/৪ টা গাছ
কাচা মরিচ কুচি - ৩ টা
টমেটো সস - ১ চা চামচ
তেল - ১/৩ কাপ
লবণ স্বাদমতো

প্রণালীঃ

বেগুন চাকার (wheel) মতো করে গোল করে কেটে ১৫ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন, এতে বেগুন কেটে রাখলে যে কালচে ভাব হয় তা আর হবে না। ১৫ মিনিট পরে টুকরো বেগুন গুলো থেকে পানি ঝরিয়ে অন্য পাত্রে নিয়ে হলুদ, মরিচ, জিরা, ধনে গুঁড়া ও লবণ ভল করে মেখে ১০ মিনিট রেখে দিন।

এরপর কড়াইতে তেল গরম করে মশলা মাখানো বেগুনের চাকা গুলো ৩/৪ টুকরো অথবা সুবিধা মতো বাদামী করে ভেজে আলাদা পাত্রে রাখুন। ভাজার সময় ১/২ বার উল্টিয়ে দেবেন যাতে পুড়ে কালো হয়ে না যায়। চুলার আঁচ এ সময়ে কমানো থাকবে।

এবার কড়াইতে থাকা অবশিষ্ট তেলে পেঁয়াজ বাদামী করে ভাজুন। সস ও কাচা মরিচ দিয়ে নেড়ে পেঁয়াজের সাথে মিশিয়ে নিন। ভাজা বেগুন গুলো উপরে ছড়িয়ে অল্প আঁচে কিছুক্ষণ রাখুন। তার উপরে ধনে পাতা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন । বেগুন ভাজা গরম ভাতে সাথে দুপুরেই বেশি ভাল লাগবে।

বেগুনের আরেকটি রেসিপি দেখুনঃ বেগুন চাটনী ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28705822 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28705822 2007-04-12 05:01:06
কুচো আদায় মুরগী !@@!590531 নারী দিবসে একটা ফাটানো রেসিপি চেয়েছে, এতে আমি সত্যি বিপদে পড়ে যাই। যে ব্যাপক ক্যানভাসে আমরা নারী দিবসটিকে দেখার চেষ্টা করছি, তাতে কি হতে পারে নারী দিবসের ফাটানো রেসিপি? চোর আগা-গোড়াই রেসিপি ব্লগের একজন ভাল পাঠক। ভাবতে বসে মনে হল, এমন একটি রেসিপি যা কোন নারীর জন্য স্বীকৃতি - হতে পারে তাৎপর্য পূর্ণ। এই রেসিপিটি আমার মেঝ মেয়ের, সবজিসহ এই রান্নাটা আমাদের ঘরে খুবই প্রিয়। তবে এখানে বিশেষ ব্যাপারটা হচ্ছে এই রেসিপিটি আমাদের ঘরে শুধু ওই করে, এবং আসলে মেয়ের হাতেই এটি সবচেয়ে ভাল হয়। তাই আমি কখনোই এই রান্নাটি নিজে করি না, মেয়েকে বলি করতে, ওর জন্যে এটি নিসন্দেহে সম্মান, স্বীকৃতি আমাদের তরফ হতে। রেসিপিটিও ওরই।

ঊপকরণঃ
কিউব করা হাড় ছাড়া মুরগী'র মাংস - মাঝারী ২ বাটি
আদা কুচি - ১ টেবিল চামচ
রসুন কুচি - ১ টেবিল চামচ
পেঁয়াজ কুচি - ১/২ কাপ
কিউব করে কাটা পেয়াজ - ২ টি
মরিচ গুঁড়া - ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
ধনে গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
ধনে পাতা কুচি - ১ টেবিল চামচ
লেবুর রস - বড় লেবু অর্ধেকটা
চিনি - ১/৪ চা চামচ (ডায়াবেটিক রোগী'র ক্ষেত্রে চিনি দিবেন না)
গরম পানি - ১ কাপ
লবন পরিমান মতো
সয়াবিন তেল - ১/২ কাপ
কাচা মরিচ - ৪ টা ফালি করা
টমেটো কুচি - ১ কাপ
কিউব করে কাটা টমেটো - ১ টি

এই রেসিপিটিতে সবজি দিলে এর স্বাদে ভিন্ন মাত্রা যোগ হবে। সবজি দিতে চাইলে অন্য সব উপকরণ ঠিক রেখে শুধু ১ বাটি মুরগীর মাংস (হাড় ছাড়া কিউব করা) এবং ১ বাটি সবজি দিতে হবে, যাতে করে মুরগী'র মাংস আর সবজি'র মোট পরিমান একই থাকে। তখন রেসিপিটিকে বলা যায় - "কুচো আদায় সবজি-মুরগী", অথবা "Chicken vegetable with ginger flakes"।

কি কি সবজি দিতে পারেন?

গাজর, ক্যাপসিকাম, আলু, সীম/বরবটি, ফুলকপি, বেগুন ইত্যাদি কিউব করে কাটা। সবজি'র টুকরা গুলো যেন মুরগী'র মাংসের সমান (প্রায়) কিউব হয়, নইলে দেখতে ভাল লাগবে না।

প্রণালীঃ
১। পরিমানমতো তেল ফ্রাইপেনে দিয়ে একটু গরম হলে রসুন কুচি দিন। নাড়তে থাকুন, এ সময় চুলার আচ কমিয়ে দিন। সোনালী রঙ হলে লবন ও পেঁয়াজ কুচি দিন, নাড়তে থাকুন।

২। পেঁয়াজ বাদামী রঙ হলে কিউব করা মাংস দিন, কিছুক্ষণ নাড়ার পর সামান্য পানি দিন মাংস সিদ্ধ হওয়ার জন্য। সবজি দিলে এ সময় সবজি দিতে পারেন। আগে আলু, গাজরের মত শক্ত সবজি গুলো দিবেন।

৩। মাংস আধা সিদ্ধ হলে মরিচ, হলুদ ও ধনে গুঁড়া এবং সামান্য পানি দিয়ে কিছুক্ষণ কষাতে হবে যেন মাংসে মশলা মিশে যায়। এ সময় অন্য সবজি গুলো দিয়ে দিতে পারেন। ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন, ঢাকনা তুলে মাঝে মাঝে নেড়ে দিবেন।

৪। মাংস কষানো হলে এবং সবজি প্রায় সিদ্ধ হয়ে এলে আদা কুচি ও কাচা মরিচ দিন। একটু নেড়ে দিন, খেয়াল রাখতে হবে বেশি বা জোরে নেড়ে যেন উপকরণ গুলো ভেঙ্গে না যায়।

৫। এবার লেবুর রস ও চিনি দিয়ে একটু নেড়ে দিন। এর মধ্যে সবজি পুরোপুরি সিদ্ধ হয়ে যাবে। নামানোর আগে ধনে পাতা ছড়িয়ে দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।

৬। অন্য একটি কড়াইতে দুই চা চামচ তেল দিন, তেল গরম হলে কিউব করা পেঁয়াজের টুকরো গুলো তেলে ছেড়ে দিয়ে নাড়ুন। পেঁয়াজ খানিকটা ভাজা হয়ে বাদামী রঙের হলে কিউব টমেটো এবং সামান্য লবন দিয়ে নাড়ুন। এবার নামিয়ে নিন।

এবার পরিবেশন পাত্রে রান্না করা চিকেন ঢেলে তার উপর পেঁয়াজ ও টমেটোর কিউব গুলো ঢেলে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28703821 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28703821 2007-03-27 12:34:45
আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সকল নারীকে জানাই শুভেচ্ছা
সবাইকে আবারো শুভেচ্ছা।

ভূলু, চট্টগ্রাম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28701418 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28701418 2007-03-08 07:47:43
শীতের সবজিতে থাই স্যুপ


উপকরণঃ
Maggi থাই স্যুপ - ১ প্যাকেট
গাজর কুচি - ১/৩ কাপ
ফুলকপি কুচি - ১/২ কাপ
সীম কুচি - ১/২ কাপ
বাধাকপি কুচি - ১/২ কাপ
পেঁয়াজ কুচি - ১ টেবিল চামচ
টমেটো কুচি - ১/৩ কাপ
কাচা মরিচ কুচি - ৪ টি
সাদা গোলমরিচ গুড়া - ১/৩ চা চামচ
কচি পেঁয়াজ পাতা কুচি - ১/২ চা চামচ
রসুন কুচি - ১/২ চা চামচ
আদা কুচি - ১/২ চা চামচ
তেল - ২ টেবিল চামচ
লবন - স্বাদমতো
কর্ণফ্লাওয়ার - ১/২ চা চামচ

প্রণালীঃ

২ কাপ (৩৫০ মি.লি.) স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে Maggi স্যুপ পাঊডার গুলে নিন। এবার একটা পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ, আদা, রসুন একটু ভেজে নিয়ে সব সবজি দিয়ে ৩ মিনিট ভাজুন। এখন ১/২ কাপ পানি দিন। সবজি সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে গেলে গুলানো স্যুপ ঢেলে দিন। এবার স্যুপের মিশ্রণটি ফুটে উঠলে ৪-৫ মিনিট অল্প আঁচে রান্না করুন। পানিতে গুলানো কর্ণফ্লাওয়ার ঢেলে আরো ১ মিনিট নেড়ে নিন। এবার একটা ডিমের কুসুম ফেটিয়ে স্যুপে আস্তে আস্তে নাড়তে নাড়তে ঢেলে দিন। গোলমরিচ গুঁড়া দিন। এবার কুচি করা পেঁয়াজ পাতা ও কাঁচা মরিচ কুচি দিয়ে ১ মিনিট রেখে নামিয়ে ফেলুন।

ধোঁয়া ওঠা গরম গরম থাই স্যুপ সাজিয়ে পুঁদিনা পাতা সহ পরিবেশন করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28701212 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28701212 2007-03-07 00:26:39
পটল এর পাতুরি আর সংগ্রহ করেছেন আমার ছেলের বন্ধু মোশাররফ হোসেন, জাপানে পিএইচডি স্টুডেন্ট। আমার খুবই ভাল লেগেছে রান্নাটা, আপনাদেরও ভাল লাগবে। আপনাদের জন্য আরো কিছু সবজির রেসিপি নিয়ে আসব।

উপাদানঃ

পটল (আস্ত) - ৮/১০ টি
পেঁয়াজ - ১ কাপ
রসুন বাটা - ১ টেবিল চামচ
জিরা বাটা - ১/২ টেবিল চামচ
ভাজা (টালা) জিরার গুঁড়া - ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়া - ১/৪ টেবিল চামচ
মরিচ গুঁড়া - ১/৪ টেবিল চামচ
কাঁচা মরিচ - ৪/৫ টি
সরিষা বাটা - ১ টেবিল চামচ
তেল - ১ কাপ
লবন - পরিমাণমত

প্রণালী:

আস্ত পটল এর চামড়া ছেঁচে নিন, দুইপাশ কেটে নিন যাতে ভিতরে ভালভাবে মশলা ঢুকতে পারে। পটলগুলো ধুয়ে অল্প লবন এবং হলুদ মেখে হালকা গরম তেলে অল্প আঁচে ভেজে নিন যাতে পটলগুলো সেদ্ধ হয়। পটলের উপরিভাগটা একটু পোড়াপোড়া হলে ভালো হয়। ভাজা হওয়ার পর পটলগুলো তুলে ফেলুন। এবার বাকী তেলের মধ্যে পেঁয়াজ দিয়ে নাড়তে থাকুন। পেঁয়াজ বাদামী রঙ ধারণ করলে তাতে অল্প পরিমাণ পানি দিন। এরপর রসুন বাটা, আদা বাটা, জিরা বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া এবং লবন দিয়ে কষাতে থাকুন। পানি শুকিয়ে এলে তাতে পটলগুলো দিন, কষাতে থাকুন। কষানো শেষে ১ কাপ পানি দিন। পানি ফুটতে শুরু করলে সরিষা বাটা এবং কাঁচা মরিচ দিন। পানি শুকিয়ে এলে ভাজা জিরার গুঁড়া ছিটিয়ে দিন। উপরে তেল ভেসে উঠার পর নামিয়ে ফেলুন, দেরি করবেন না, তা না হলে তেতো হয়ে যেতে পারে। পুরো রান্নাটা অল্প আঁচে করুন।

আরো দেখুনঃ !@!16090]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28701061 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28701061 2007-03-05 23:17:08
অনেক দিন কোন রেসিপি নিয়ে আসা হয়না
অবশ্য এরই মধ্যে আরো একটি কাজ করা হয়ে গেছে- আমার ছেলে একই রেসিপি গুলো সামহ্যোয়ারইন ব্লগের পর !@@!535553 http://banglarecipe.blogspot.com -এ পাবলিশ করছে। রেসিপি নিয়ে কাজ শুরু করার পর মনে হল এবার যদি একই রেসিপি গুলোর ইংরেজী ভার্সন করা যেত, তাহলে আমাদের এই খাবার গুলোকে অন্যদের মাঝেও ছড়িয়ে দেয়া যেত! ব্লগস্পটে কয়েকজন এই পরামর্শ দিয়েছেন। আরো ইচ্ছে আছে এইসব রেসিপি, সেই সাথে আমার সংগ্রহের রেসিপি এবং গৃহিণী কিংবা আর যারা রান্না করতে পছন্দ করেন তাদের রেসিপি গুলো নিয়ে কাজ করার। ইচ্ছে আছে আমাদের দেশের আঞ্চল ভিত্তিক রেসিপি গুলোকে সবার সামনে তুলে নিয়ে আসার। আমাদের নানী-দাদীরা দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর অনেক রেসিপি, অনেক মজার খাবার আমরা হারিয়ে ফেলছি। সেই স্বাদ, সেই রান্নার হাত এখন আর নেই। আগামী প্রজন্ম হয়ত ফাস্ট ফুডের নামে অনেক নতুন নতুন খাবারের স্বাদ পাবে, কিন্তু সেই দেশী স্বাদ? যা আমাদের জিবে লেগে আছে, যা আমাদের রক্তে মিশে আছে? তা কি আমরা হারিয়ে ফেলব?

এ সবের জন্য আমার ছেলে-মেয়েরা আমাকে সাহায্য করবে, আপনারা দোয়া করবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28700846 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28700846 2007-03-04 01:35:10
লইট্টা শুঁটকির ভর্তা

চট্টগ্রামে শুঁটকির ঐতিহ্য আর আদর আপনাকে চোখে দেখতে হবে। তাও আবার দূর হতে দেখলে হবে না, কোন পরিবারে থেকে কিংবা চট্টগ্রামে থেকে তা উপলব্ধি করতে হবে। অসাধারণ -এক কথায়। কত রকম করে যে শুটকি'র ব্যবহার হয় প্রতিদিনের তরকারীতে, এর সাথে আমরা যারা বাহিরে থেকে চট্টগ্রামের এই ঐতিহ্য ধারন করছি তারা এতে নতুন মাত্রা যোগ করেছি কোন সন্দেহ নেই।

লইট্টা শুঁটকি খুবই সহজ লভ্য এখানে। তাই এর ভর্তা নিয়ে একটা রেসিপি দিলাম এখনে। লইট্টা মাছও খুবই জনপ্রিয় এবং সুস্বাদু, মাছটি দেখে হয়ত আপনাদের ভাল নাও লাগতে পারে। তবে একবার ভাল রান্নায় লইট্টা মাছের কোন তরকারী খেয়ে আপনি আবার এর টানে এখানে আসতে চাইবেন।

উপকরণঃ

লইট্টা শুঁটকি - ১২ টুকরা (১ ইঞ্চি করে কাটা)
পেঁয়াজ কুচি - মাঝারী ১ টি পেঁয়াজ
রসুন - ২ কোয়া (বড় সাইজের)
নারকেল (কুরানো) - ১ টেবিল চামচ
শুকনা মরিচ - ৫/৬ টা (টালা অথবা ভাজা)
ধনেপাতা - ১ টেবিল চামচ কুচানো
লবণ পরিমানমতো

প্রণালীঃ

শুঁটকি'র টুকরা গুলো ভালকরে ধুয়ে টেলে নিন।

এবার পাটায় (শিলে) টালা শুকনো মরিচ ও লবণ বেটে নিন। শুটকি ভাল করে বেটে নিন পাটায়। তারপর পেঁয়াজ কুচি, রসুন, কুরানো নারকেল, ধনেপাতা কুচি একসঙ্গে বেটে নিন।

বাটা উপকরণ গুলো এবার একসঙ্গে মেশান। মেশানো উপকরণ গুলো এবার একসঙ্গে আবার পাটায় বেটে নিন- আরো মিহি হবে। এবার পাটা থেকে তুলে আরেকবার মাখান।

ভর্তার গোল গোল বল করে প্লেটে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

শুটকির ভর্তা করার জন্য অন্য কোন শুটকি হলেও একই রেসিপিতে করা যেতে পারে। শুধু রেসিপিতে লইট্টা শুটকির পরিমানে অন্য শুটকি নিলেই হবে। এখানে লইট্টা শুটকি ব্যাবহার করা হয়েছে, কারণ লইট্টা মাছ এবং এর শুঁটকি চাটগাঁ'র মানষের কাছে খুবই জনপ্রিয়। অন্য একটা রেসিপিতে লইট্টা মাছের রেসিপি দেয়ার ইচ্ছে রইল, লইট্টা মাছতো আরো মজার, যারা খেয়েছেন তারা এর স্বাদ ভুলবেন না কোনদিন।

---
ভূলু, চট্টগ্রাম
নভেম্বর ২০০৬]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28695440 http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog/28695440 2007-01-27 11:31:04