somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... জ্ঞানী লুকের কাছ থিক্কা কিছু শিক্তাম চাই:: লুলাংকেল আমার ব্যান মুক্ত করেন
বাঙালী জাতী আপ্নার এই গুনের মর্ম বুঝলনা। লুগ্রু (লুলানিতে যিনি গুরু) আপ্নার কাছে এক্টা বিনীত জিজ্ঞাসা আছিল। আম্রা নাদান পাব্লিক। আমাগো দয়া করেন লুগ্রু।



এইডার মাইনে কি? এইডার শানে নযুলইবা কি? আম্রা ম্যাংঙ্গো পাব্লিক ঝান্তে চাই। শিক্তে চাই। ঝানেনইতো শিক্ষা মাইণ্ষেগো মৌলিক অধিকার। আশা করি ক্ষুন্ন কর্বেন্না।

আপ্নের পোস্টে আমার এই কমেন্টস ক্যাম্তে জানি মুইছা গেছে। তার মইদ্দে আপ্নের পোস্টে গেলে আমারে কয় “আপনার এই পোস্টে মন্তব্য করার অধিকার নাই”। গ্রু দয়া করেন। আপ্নার হাত ধৈরা লুলামি শিক্তে চাই। আম্রার পাব্লিক্গো এম্নে কৈরা ফিরাইয়েন্না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28836199 http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28836199 2008-08-29 01:43:16
আসুন জামাত কে প্রতিরোধ করি। বাংলাদেশে জামাত প্রতিরোধ এখনও সম্ভব। এটা সম্ভব করতে হলে যে উপাদানগুলো চাই এখন তার প্রায় সবগুলোই আছে একটা ছাড়া, নেতৃত্ব। এ প্রতিরোধ এখনই না হলে যুগের ঝড়ো হাওয়ায় অন্যান্য উপাদানগুলোও কিছুদিন পরে উধাও হয়ে যেতে পারে।

সবাই ভালো করেই বোঝেন যে সাধারণ অপরাধের বাইরে রাজনীতি ও ধর্মের নামে দেশে আজ যে উন্মত্ত হত্যালীলা চলছে তা শুধু শুরু, আরো অনেক ভয়ানক দিন আসছে সামনে। অনেকেরই সন্দেহ যে দেশ দ্রুত এক মারাত্মক গৃহযুদ্ধের দিকে ছুটছে। জামাত সে আতংকের একটা গুরুত্বপুর্ণ উপাদান। যে যা-ই বলুক, এই বড় ভাইয়ের দোয়া ছাড়া দেশে অনেক সন্ত্রাসই ঘটছে না। সে ভালো করেই বুঝে গেছে যে সে আমাদের কুপিয়ে খুন করবে আর আমরা প্রবল বেগে শুধু নিবন্ধ লিখব আর প্রতিবাদ সভা করব। তারপরে সে আবার আমাদের ঘাড়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে আর আমরা আরও প্রবল বেগে শুধু নিবন্ধ লিখব আর প্রতিবাদ সভা করব। কোটি কোটি বাংলাদেশী মরিয়া হয়ে প্রতিবাদের প্রতিরোধের উপায় খুঁজছেন কিন্তু নেতৃত্বের শুন্যতায় কার্য্যকর কিছু গড়ে ওঠা সম্ভব নয়, উঠছেও না। বক্তৃতা-বিবৃতি-নিবন্ধ দিয়ে জাতির এই সর্বনাশ ঠেকানো যাবে না, এ সাংস্কৃতিক যুদ্ধে বাস্তব পরিকল্পনা ও কর্মপন্থা অপরিহার্য। কাজগুলো বলা সহজ করা কঠিন কিন্তু এর চেয়েও অনেক কঠিন কাজ বাঙ্গালী আগেও করেছে। জামাত-প্রতিরোধে প্রথম পদক্ষেপ হল তার সম্পদ ও কৌশলগুলো খতিয়ে দেখা, তার অসততা ও দুর্বলতাগুলোকে চিহ্নিত করা, দেশের প্রত্যেকটি জামাত-বিরোধী শক্তি-সংগঠনকে এক জায়গায় এনে দাঁড় করানো ও ইসলামের প্রকৃত দলিলগুলো প্রচার যাতে দেশবাসী বুঝতে পারেন যে রাজনীতি ঢুকিয়ে ইসলামকে কিভাবে নষ্ট করা হয়েছে। অথচ ‘‘আপনি উপদেশ দিন। আপনি তো কেবল একজন উপদেশ-দাতা, আপনি তাহাদের শাসক নহেন”- (আল্ গাসিয়াহ ২১- ২২) এই দুটো আয়াতের আঘাতেই জামাতের তাসের প্রাসাদ ছিন্নভিন্ন করে ধুলোয় গুঁড়িয়ে দেয়া যায়, এবং এরকম আরও শত শত দলিল আমাদের অপেক্ষায় আছে সত্যিকার ইসলামের দলিলে।

একাত্তরের জামাতি-হিংস্রতার অভিজ্ঞতার ফলে বাংলাদেশে আমাদের নেতারা প্রথম গঠনতন্ত্রে ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধ করলেও সেখানে দু’টো মস্ত ফাঁক রয়ে গিয়েছিল। প্রথমটা হল, আমরা সামরিক যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে ভুলে গিয়েছিলাম যে সামগ্রিক যুদ্ধটা ছিল সাংস্কৃতিক। বিজয়ের পরে আমাদেরও সেই সাংস্কৃতিক সেক্টরটাই রয়ে গেল অরক্ষিত। জাতি তখন চোখের সামনেই দেখেছিল কিভাবে রাজনৈতিক ইসলাম স্বদেশের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, অগণিত মানুষকে খুন-ধর্ষণের উল্লাস করেছে, কিভাবে প্রতিটি রাজনৈতিক ইসলামি দেশগুলো গণহত্যাকারী-ধর্ষণকারীদের সাহায্য করেছে। বিজয়ের পর রেডিও-টিভি-সংবাদপত্রে দেশ-বিদেশের ইসলামি পন্ডিত এনে প্রচার ও প্রতিষ্ঠা করা হয়নি রাজনৈতিক ইসলামের দর্শনে এ ছাড়া আর কিছু হতে পারে না। জাতিকে এ শিক্ষায় শিক্ষিত করা হয়নি যে অরাজনৈতিক ইসলামই প্রকৃত ইসলাম, রাজনৈতিক ইসলাম হল ইসলাম-বিরোধী খলিফাদের ষড়যন্ত্র ও মানবজাতির অভিশাপ। দ্বিতিয় ফাঁকটা হল, গঠনতন্ত্রে ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধ হলেও দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান মসজিদকে আমরা পরাজিত ও প্রতিশোধকামী জামাতিদের হাতেই বিপজ্জনকভাবে ছেড়ে দিয়েছিলাম। সেখানে ওরা কি করছে না করছে তার খবর নেয়নি কেউ। লেজুড় হিসেবে বেসরকারী পয়সায় সৃষ্টি হয়েছে শত শত মাদ্রাসা, তার লক্ষ্য ছিল সরকারের কাছে জবাবদিহিতা না থাকা ও রাস্তায় নামানোর মত লক্ষ লক্ষ জিহাদি-সমর্থক তৈরী করা। বহু বছর আগে থেকেই সে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনুপ্রবেশ করছে। মাদ্রাসার ছেলেগুলোকে ট্রেনিং দিয়ে দলে দলে সামরিক বাহিনীর জওয়ান হিসেবে ঢোকানো হয়েছে, দলে দলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদেরকে পড়িয়ে শিখিয়ে বি-সি-এস পরীক্ষায় পাশ করিয়ে সরকারী অফিসে ঢোকানো হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার যে সহজাত পরিকল্পনা ছিল রাষ্টপতি জিয়াউর রহমানের, তার সদ্ব্যবহার করেছে সে তাঁকে দিয়ে গঠনন্তন্ত্রে ধর্মীয় রাজনীতি অনুমোদন করিয়ে। চৌত্রিশ বছর আগে যার যাত্রা শুরু হয়েছিল সারা মানবজাতির ঘৃনা নিয়ে, এখন বড় দুই দলের মাঝখানে ভারসাম্যের খেলায় শুধু রাজনৈতিক গ্রহনযোগ্যতা-ই নয় বরং রাজনীতির দিক-নির্দেশনাও আজ তার হাতের মুঠোয়। মন্ত্রীত্ব পাবার পরে অসংখ্য সমর্থককে দেশের প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে নিয়োগ দিয়েছে সে। অর্থাৎ সবগুলো কৌশলেই জামাত চুড়ান্ত সফল হয়েছে এবং প্রতিপক্ষকে দৈহিক আঘাত হানার মত অবস্থানে চলে এসেছে। এ কথা ভুললে চলবে না যে নবীজীর অপব্যাখ্যা করে মিথ্যা বলা ও প্রতিপক্ষকে হত্যা করার দলিল জামাতের দর্শনেই রয়ে গেছে।

জামাতের কিছু কৌশল আছে। একটা কৌশল হল স্থানীয় উপাদানগুলোকে তার প্রতিষ্ঠায় কাজে লাগানো। এ কৌশলের বেশ একটা মিল আছে ব্যাকটেরিয়ার সাথে। আমাদের শরীরের কোষগুলোর ভেতরে প্রোটিন তৈরী করার কোটি কোটি ছোট্ট মেশিন সবসময় চলছে, তৈরি হচ্ছে আমাদের প্রোটিন। ব্যাকটেরিয়া আমাদের শরীরের কোষের মধ্যে ঢুকে ওই মেশিনটার প্রোটিন তৈরীর পদ্ধতিকে প্রভাবিত করে ইকটুখানি বদলে দেয়। তাতে মেশিন চলে ঠিকই, কিন্তু আমাদের প্রোটিন না হয়ে তৈরী হয় ওই ব্যাকটেরিয়ার নিজস্ব প্রোটিন, সংখ্যায় সে বেড়ে ওঠে হু হু করে। জামাতও স্থানীয় সামাজিক রাজনৈতিক উপাদানগুলো তার প্রতিষ্ঠায় কাজে লাগাতে সুদক্ষ। অ্যান্টিবায়োটিকের সামনে পড়লে ব্যাকটেরিয়ার চরিত্র বদলের (মিউটেশনের) সাথেও জামাতের হুবহু মিল আছে, অবস্থা বুঝে অবস্থান বদলাতে সে ওস্তাদ। মধ্য-প্রাচ্যে সে নিশ্চুপ, কারণ সেখানে শেখদের কাছে ইসলামী গণতন্ত্র আর ইসলামি রাষ্ট্রের কথা বললে পশ্চাদ্দেশে বেত্রাঘাতের সম্ভাবনা আছে। তার কৌশল বাংলাদেশে একরকম, অ্যামেরিকায় অন্যরকম, ইউরোপে আবার অন্যরকম। মুসলিমের মনে আল্লা-রসুল-কোরাণ নামগুলোর সম্মোহনী প্রভাবকে জামাত সুচতুর ভাবে ব্যবহার করতে সুদক্ষ। যেসব দলিলের ভিত্তিতে প্রমাণ হয় যে নবীজীর দেয়া ইসলাম আসলেই অরাজনৈতিক, সেই ইসলামি দলিলগুলোর প্রচার হিংস্র হাতে দমন করতে জামাত সুদক্ষ ও কিছু তত্ব-তথ্যকে বিকৃত করে জোর গলায় প্রচার করতে সুদক্ষ।

বাংলাদেশে (ও অন্যনায় মুসলিম-প্রধান দেশে) সে কোনকালে জাতিকে কিছুই দেয়নি কিন্তু অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যর্থতাকে কাজে লাগিয়েছে দক্ষ হাতে, ভাবখানা যেন দেশে জামাতি সরকার না থাকাই হল জনগণের দুর্ভোগের একমাত্র কারণ। ইতিহাসে কোন রাজা-জমিদারের মুসলমান নাম দেখলেই সে প্রায়ই সেটা “ইসলামি রাষ্ট্র” হিসেবে প্রচার করে। তাছাড়া নিজের প্রতিষ্ঠার জন্য তার ‘‘ইসলামের শত্রু” দরকার হয়, তাই প্রায়ই সে কোন একটা বাহানা তৈরি করে তা নিয়ে প্রচন্ড হৈ হৈ করে সন্ত্রাসের নামে সমাজে ‘‘ইসলামী”জোশ জিইয়ে রাখে। বিদ্বেষ তার একমাত্র প্রাণশক্তি, বাংলাদেশে তার ইসলাম দাঁড়িয়ে আছে ভারত, ধর্মনিরপেক্ষ সরকার-সমাজ-সংস্কৃতি, হুমায়ুন আজাদ-মুনতাসির মামুন-আকাশ-শামসুর রাহমান-কামাল হোসেন ও আহমদীদের প্রতি বিদ্বেষের ওপর। ইহজীবনের আর্থ-সামাজিক পরাজিত মানুষকে সে পরকালের সাফল্যের স্বপ্ন দেখিয়ে মোহাচ্ছন্ন করে রাখে। এ ছাড়া কাশ্মীর-চেচনিয়া ও প্যালেষ্টাইনের মুসলমানের কষ্ট ও সংগ্রামে নিজের সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে সে ইসলামের অঘোষিত মালিক হয়ে চুপি চুপি তার আসল উদ্দেশ্য ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে যায়। তার হিংস্রতায় রক্তাক্ত হয়ে আছে ইসলামের ইতিহাসের প্রতিটি পাতা। সেই হত্যাযজ্ঞই বাংলাদেশে দেখছি আমরা এখন, আরও দেখতে হবে। তার আরেকটা কৌশল হচ্ছে, যে দেশে সে দুর্বল সেখানে সে তার বিরুদ্ধ-শক্তির মুখোমুখি হয়না, আল্গোছে পাশ কাটিয়ে যায় এবং প্রবল পক্ষের সাথে নিজেই উদ্যোগ নিয়ে সংলাপে যায় কিন্তু আসল বিষয় ছেড়ে অন্যান্য বহু বিষয় নিয়ে কথা তুলে পানি ঘোলা করে দেয়। আর যে দেশে সে শক্তিশালী সেখানে সে কখনোই কারো সাথে সংলাপে যায় না, সেখানে তার ইসলাম হচ্ছে ভিন্নমতের দমন - ‘‘মারি অরি পারি যে কৌশলে”। মুখে আল্লা-রসুল-কোরাণের নাম থাকলেও তার দলিলের প্রায় প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে মানুষের মতামতের ভিত্তিতে। জামাতকে আমাদের সাথে উন্মুক্ত সংলাপে বসাতে বাধ্য করলেই ওপরের প্রতিটি কথা আমরা দেশবাসীকে দলিলসহ জানাতে পারি।

জামাতকে পরাস্ত করতে হলে তাত্বিক দিক ছাড়াও সাংগঠনিক শক্তি অপরিহার্য্য। ইসলামের মৌলিক দলিলের ভিত্তিতে জামাতি-দর্শনকে ভেঙ্গে চৌচির করা সম্ভব। জামাত যে মুসলমানের জন্য কত আত্মঘাতি আর বিশ্ব-মানবের জন্য কতবড় অভিশাপ তা দেখিয়ে গেছেন বহু বহু ইসলামি দার্শনিকরা। বাজারে এ বিষয়ে মোহাম্মদ সা’দ উল্লাহ’র কিছু চমৎকার গবেষণা-বই আছে, আছে জামিলুল বাশার-এর ‘‘সংস্কার” ও মওলানা আবদুল আউয়াল-এর ‘‘জামাতের আসল চেহারা” এর মত বই। সেগুলোর সার্বিক প্রচার করা দরকার, আরও গবেষণা আর লেখা দরকার। এ প্রচারের বিকল্প নেই। এর শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে আমাদের লিটল ম্যাগাজিনগুলোও। উৎসাহী সংগঠন এ গুলো প্রচার করতে পারেন, বের করতে পারেন অডিও আর ভিডিও ক্যাসেট, মঞ্চায়িত করতে পারেন জামাত-বিরোধী দলিলবদ্ধ নাটিকা বা অন্যান্য সাংস্কৃতিক উপাদান। আমাদের সাংস্কৃতিক ঐক্যজোট ও সুশীল নাগরিক সমাজ এ ব্যাপারে অবদান রাখতে পারেন। এরকম আরও সংগঠন এখনই না গড়লে পরে অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। হ্যাঁ, জামাতের হিংস্রতা একটা ব্যাপার তো বটেই, কিন্তু সেটা এড়ানো এখন আর সম্ভব নয়। কিন্তু যত দেরী হবে তত বেশী হিংস্রতার মুখে নিঃসন্দেহে দাঁড়াতে হবে জাতিকে, তত বেশী রক্ত ঝরবে। এ নিয়তি থেকে আমাদের পরিত্রাণ নেই, বরং ইতিহাসের শিক্ষা এই যে যখনই জনগণ মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে তখনই জামাত পালিয়েছে। এখন ওরা বেছে বেছে সমাজের চিন্তাবিদদের আঘাত হানবে, তাঁরা স্বভাবতঃ শান্তিপ্রিয় বলে সংঘবদ্ধ না হওয়া পর্য্যন্ত সে আঘাত ঠেকাতে পারবেন না।

জামাতকে সাংগঠনিক দিক দিয়ে ঠেকানো কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। জনবল, অর্থবল, পরা-জামাতি সংগঠন (হাসপাতাল, মাদ্রাসা, দাতব্য ইত্যাদি), আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এবং কিছু সাহিত্যিক-সাংস্কৃতিক সমর্থকের জোরে জামাত প্রচন্ড সাংগঠনিক ক্ষমতার অধিকারী। কিন্তু জামাতের বিপক্ষে দেশে অন্ততঃ একটা মৌলিক সংগঠন আছে যার উপায় নেই সমঝোতার, উপায় নেই জামাতের কাছে মাথা নোয়ানোর। সেটা এখনও সংগঠিত নয়, সে হল আমাদের লোকজ ইসলাম, আমাদের সুফিদের প্রতিষ্ঠিত অরাজনৈতিক ইসলাম। জামাত তাকে অনৈসলামিক মনে করে, সুযোগ পেলেই জামাত তাকে বিষের ছোবল দেবে। তাই নিজের অস্তিত্বের জন্যই সে ধীরে ধীরে জামাত-বিরোধী আন্দোলনের জন্ম দিতে শুরু করেছে।
নবীজী হয়ত কল্পনাও করেন নি হাজার বছর পরে তাঁর বাণীকে কিছু লোক পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে বিকৃত করে নিরপরাধের রক্তবন্যায় স্নাত করে শুধু মুসলমানের নয়, পুরো মানবজাতির মারাত্মক ত্রাসে পরিণত করবে এবং বিশ্ব-বাসীর অসম্মান ও সন্দেহের পাত্রে পরিণত করবে। সেই যে পঁয়ষট্টি বছর আগে মৌদুদি ঘোষনা করেছিলেন, ‘‘ধরাপৃষ্ঠ হইতে প্রতিটি অনৈসলামিক সরকারকে উচ্ছেদ করিয়া সেস্থলে ইসলামি সরকার প্রতিষ্ঠাই ইসলাম”- (জিহাদ ইন ইসলাম পৃঃ-২৪) এই হিংস্রতা আজ ইসলামের নামে মরোক্কো থেকে ইন্দোনেশিয়া হয়ে ইউরোপ, ক্যানাডা, অ্যামেরিকা ও অষ্ট্রেলিয়াতে ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত। আমাদের স্বাধীনতার সামরিক-বিজয় শেষ হয়েছে, এখন সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা যুদ্ধ দ্রুত ঘনায়মান। দেশকে জামাত নামের অনৈসলামিক অভিশাপ থেকে না বাঁচিয়ে আমাদের উপায় নেই।
কারণ, দুই ‘‘যাদুকর রুমাল নাড়ে, পরাণের গহীন ভিতর”। তার এক হল দেশপ্রেম, অন্যটা হল ইসলাম।

ধন্যবাদ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28820715 http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28820715 2008-07-15 23:32:11
সিরাতুল জিলাপি (কাল্পনিক ব্যাঙ্গচিত্র) আওয়ামী-নিএনপিরা লড়ে হোক কুপোকাৎ, ফাঁকতলে জামাতের হয়ে যাবে বাজীমাৎ।

পিটিয়ে তাড়াতে হবে এদেশের হেঁদুদের, তবেই বইবে স্রোত এসলামী সে দুধের।
মানবাধিকারে কেউ করলে টুঁ শব্দ, বিকট হুংকারে করে দেব জব্দ।
না জুটুক মালকোঁচা, না জুটুক খাদ্য, সবাইকে হতে হবে জামাতের বাধ্য।
গোটা দেশ ছেয়ে দিব টুপিতে দাঁড়িতে, জিয়াফত হবে, ভাত না থাকুক হাঁড়িতে।
এমন দাবড়ে দেব শারিয়ার ডান্ডা, কাফের মুশরিক হয়ে যাবে ঠান্ডা।
মুরতাদ ফতোয়ায় কাটব যে কল্লা, তাই দেখে দুনিয়ায় হোক হল্লা।
মাদ্রাসা হয়ে যাবে রাজনৈতিক যে, এক কোটি মুজাহিদ বের হবে ঠিক যে।
ঘন ঘন জিহাদের হুংকারে নৃত্যে, দেশ রবে থর-হরি কম্পিত চিত্তে।

নারী অধিকার হবে অতীব নিষিদ্ধ, বৌকে পেটানো গবে আইনত সিদ্ধ।
তালাক সাক্ষ আর উত্তরাধিকারে, পিষে যাবে মেয়েগুলো শারিয়ার শিকারে।
মাথা থেকে পা ঢেকে কাপড়ের বস্তায়, ঘুলঘুলি চোখে ভুত চলবে যে রাস্তায়।
মেয়েগুলো ঢুকে যাবে বোরখার ভিতরে, চার জেনানা! উফ! বলব কি সে তোরে!
হঠাৎ তালাক দিয়ে পুরোন সে বুড়িকে, আনব কলমা পড়ে নধর ছুঁড়িকে।
ফুর্তিতে বদলাবো চার বৌ বারবার, ভাবছ কি নৃশংস জামাতি করবার?
মোটে নয়! শারিয়াতে এতে কিছু মানা নেই! আফসোস! তোমাদের কিছুই যে জানা নেই!
মুখে সুমিষ্ট কথা, আইনেতে ভরা বিষ, এটাই তো শারিয়ার রহস্য, তা জানিস!
সুযোগ পেলেই করি আর এক চেষ্টা, ক্রীতদাস-দাসীদের হাটে ভরি দেশটা।
অগুন্তি দাসীরা তো চর্ব্য ও চোষ্য, জামাতের সংস্কৃতি বটে তো অবশ্য।
ওদের জীবনে আমি হলে হব কেয়ামত, আমার জীবনে ওরা আল্লহর নেয়ামত।

সিনেমা থাকবে তবে নায়কের দাঁড়ি চাই, সে দাঁড়িতে দৈর্ঘ্যের কিছু বাড়াবাড়ি চাই।
নায়িকা রাখতে পারো, রেখে যদি পাও সুখ, পেছন দেখাবে শুধু, দেখিয়ো না চাঁদ মুখ।
নাচ-গান নয়, শুধু বাদ্যিটা থাকবে, সংলাপে মো'দুদির নামটাও রাখবে।
খাবি খাবে হাইকোর্ট ফতোয়ার ধাক্কায়, তখন দেখবি মাথা কত ঘুরপাক খায়।
প্রচুর সর্ষেফুল ভিমরি খাবি সব, পিচলামী শত ধেড়ে নৃত্যে মহোৎসব।
দেখে হবে দুনিয়ার চক্ষু চড়ক গাছ, জামাতের বাংলায় তুমুল বাঁদর নাচ।
স্মৃতির সৌধ আর শহীদ মিনারটা, জাতির দর্শনের এ ম্যাগনা কার্টা।
বোমা মেরে করে দেব খন্ড বিখন্ড, গর্দভ এ জাতির মহা মেরুদন্ড।
ভুতের উল্টো পায়ে প্রচন্ড গতিতে, ছুটবে বাংলাদেশ বহুদুর অতীতে।
ঠেকাবে কে মো'দুদির পিছলামি ঠ্যালাকে, জামাতের এক কোটি উন্মাদ চেলাকে?

সংগীত শিল্পীরা ভাগো সব ভাগো রে, সবাইকে ফেলে দেব বঙ্গোপসাগরে।
বেতারে টিভিতে হবে জামাতের চর্চা রাতদিন, মিডিলিস্ট দেবে তার খর্চা।
বায়তুল মোকার'রমে বসে যাবে সংসদ, বুদ্ধিজীবীরা হয়ে যাবে বংশদ।
রবে কিছু মোনাফেক তাতে আর ভয় কি, মর্দে জামাতিদের হবে জয়, নয় কি?
ন'শো টন স্কচ টেপ কেনা হবে পন্য, সাংবাদিকের ঠোঁটে লাগানোর জন্য।
মরণানন্দেরাই লিখবে যে পদ্য, তবেই তো বটতলা হবে অনবদ্য।

লেখকরা এইটুকু পারিস নি শিখতে, আরবীতে রবীন্দ্র সংগীত লিখতে?
আল্লাহ-রাসূল আর কুরআনের বাইরে, জামাতি থাকবে শুধু, শুনে রাখ ভাইরে।

অতঃপর আর একটা একাত্তর দেখলেই:

লেজ তুলে দেব ছুট, ও বাবা গো, ও মা গো! কোত্থেকে আসে এত শত শত বোমা গো!
কেন এল এ গজব, বুঝিনা তো কিচ্ছু, চার ধারে কিলবিল বাংলার বিচ্ছু!
বুক করে ধুক ধুক বিকালে ও সকালে, ফাঁসীর দড়িটা বুঝি জুটবে রে কপালে!
পশ্চাদ্দেশে বুঝি পড়বে বেত্রাঘাত, বিনা মেঘে কেন রে হঠাৎ এ বজ্রপাত?
প্যাঁদানির চোটে ভাই পড়েছি রে নেতিয়ে, মাবুদেপই দেবে শেষে বিচ্ছুকে জিতিয়ে!
ওরাই তো মুসলিম! বড় প্রিয় আল্লাহর! জামাতি ভন্ড দাঁড়ি-টুপি-আলখল্লার
সবই তো বে-ইসলামি, প্রলাপ ও বিলাপ-ই! জামাতি ধর্ম হল "সিরাতুল জিলাপি"

সিরাতুল মুস্তাকিম - সহজ সরল - শান্তি সাম্যের ইসলাম।
সিরাতুল জিলাপি - জিলাপীর মত প্যাঁচানো পথ - জামাতের হিংস্র কসাই ইসলাম।

কৃতজ্ঞতা - ফতেমোল্লা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28820020 http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28820020 2008-07-14 01:06:23
একটি টেকি পুস্ট


আপনাদের যাদের কম্পুতে সমস্যা আচে তারা একানে বলতে পারেন। যথাসাধ্য সমাধানের চেষ্টা করা হইবেক।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28809654 http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28809654 2008-06-15 03:21:09
আসেন টার্গেট প্র্যাকটিশ করি <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_53.gif" width="23" height="22" alt=":-B" style="border:0;" /> এইখানে টিপি দিন

এইখানে টিপি দিন


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28802325 http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28802325 2008-05-24 22:43:20
বানান ভুল
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28802200 http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28802200 2008-05-24 17:46:49
স্বাধীনতার চেতনা পরিপন্থী জামাঈ জিহাদে ইসলাম পার্টির পোস্ট নিষিদ্ধ করতে হবে। স্বাধীনতার চেতনা পরিপন্থী জামাঈ জিহাদে ইসলাম পার্টির পোস্ট নিষিদ্ধ করতে হবে।
স্বাধীনতার চেতনা পরিপন্থী জামাঈ জিহাদে ইসলাম পার্টির পোস্ট নিষিদ্ধ করতে হবে।
স্বাধীনতার চেতনা পরিপন্থী জামাঈ জিহাদে ইসলাম পার্টির পোস্ট নিষিদ্ধ করতে হবে।
স্বাধীনতার চেতনা পরিপন্থী জামাঈ জিহাদে ইসলাম পার্টির পোস্ট নিষিদ্ধ করতে হবে।
স্বাধীনতার চেতনা পরিপন্থী জামাঈ জিহাদে ইসলাম পার্টির পোস্ট নিষিদ্ধ করতে হবে।
স্বাধীনতার চেতনা পরিপন্থী জামাঈ জিহাদে ইসলাম পার্টির পোস্ট নিষিদ্ধ করতে হবে।
স্বাধীনতার চেতনা পরিপন্থী জামাঈ জিহাদে ইসলাম পার্টির পোস্ট নিষিদ্ধ করতে হবে।
স্বাধীনতার চেতনা পরিপন্থী জামাঈ জিহাদে ইসলাম পার্টির পোস্ট নিষিদ্ধ করতে হবে।
স্বাধীনতার চেতনা পরিপন্থী জামাঈ জিহাদে ইসলাম পার্টির পোস্ট নিষিদ্ধ করতে হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28768993 http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28768993 2008-02-10 19:40:22
পুরোনো খাম্বা নতুন করে..... "জামাতকে সমালোচনা করা ইসলামকে সমালোচনা করার নামান্তর" - মৌলানা নিজামী

এই ধরনের বালখিল্য উক্তি শুধু ইসলামি মৌলবাদীর একনায়কতন্ত্র প্রমান করে, যারা মুসলিম-বিশ্বে গনতন্ত্র ধ্বংস করে তালেবানি সরকার প্রতিষ্ঠা করতে সব কিছুই করবে। এ দাবী পরিষ্কার ভাবে ইসলামের বেহেশ্‌তি শান্তির বাণী বুঝবার অক্ষমতা প্রমাণ করে। ইসলামের ইতিহাসে সর্বদাই কিছু ধর্মান্ধ এভাবে ইসলামের মালিকানা হস্তগত করার চেষ্টার কারণে মুসলিমদের প্রভূত রক্তক্ষয় ও ক্ষতি হয়েছে। বাংলাদেশে এদেরকে বন্ধ করতে হবে।


ডেইলি ষ্টার - টিপি দিন এইখানে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28761721 http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28761721 2008-01-17 13:12:47
খাম্বা "গঠনতন্ত্র জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ" বইটার কভারের শেষ পৃষ্ঠায় আছে, নবী(দঃ) বলিয়াছেন, "যে ব্যক্তি জামায়াত হইতে বাহির হইয়া গেলো, সে ছুড়িয়া দেওয়া তীরের মত ইসলামের আওতা হইতে বাহির হইয়া গেলো"। জামাতের ভাবখানা এই যে, চোদ্দশ' বছর আগে নবীজী বলেছেন, জে ব্যক্তি বাংলাদেশ জামাতে ইসলামি হইতে বাহির হইয়া গেলো সে ইসলাম হইতে বাহির হইয়া গেলো!!!

চিরকাল ইসলামের এই পাঁচটি স্তম্ভ। আব্দুল জলিলের বাংলা বোখারী থেকে, হাদিস নম্বর ৩২, পৃষ্ঠা ৫১:- "সূত্র - হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর - রাসুলিল্লাহ(দঃ) বলিয়াছেন, পাঁচটি স্তম্ভের উপর ইসলামের সৌধ স্থাপিত। (১) আল্লাহ ছাড়া আর কোন মা'বুদ নাই এবং মোহাম্মদ (দঃ) আল্লাহর রসূল, (২) নামাজ কায়েম করা, (৩) জাকাত আদায় কর, (৪) হজ্ব কর এবং (৫) রমজানে রোজা রাখ"।

কিন্তু হাজার বছর পর এখন হঠাৎ ইসলামের একটা খাম্বা গজিয়েছে। এই খাম্বা না মানলে মুসলমানের মুসলমানিত্ব নাকি আর পাকা থাকছে না, ই --- কটুখানি কাঁচা থেকে যাচ্ছে। ওটা না হলে সবকিছু নাকি ঠিক ইসলামি থাকছে না, ই---কটুখানি পিছলামী হয়ে যাচ্ছে। পড়ে দেখুন মওলানা মৌদুদীর বই গুলো, কিংবা সৈয়দ কুতুবের বই বা হাসান বান্নার বই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28759387 http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28759387 2008-01-09 18:54:49
সাহায্য চাই
ধন্যবাদ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28742686 http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28742686 2007-11-04 20:33:47
পুরানো ছাগু http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28715667 http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28715667 2007-06-12 03:01:52 ছাগুদের নতুন রূপ ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28715666 http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28715666 2007-06-12 02:59:02 হিমু ভাই একটু http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28715659 http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28715659 2007-06-12 02:05:25 কষ্ট পাই <img src='http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif' /> http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28714010 http://www.somewhereinblog.net/blog/richoblog/28714010 2007-06-02 18:49:12