আমার প্রিয় পোস্ট

কথা নিয়ে খেলতে খেলতে আমরা কোথায় চলে গেছি! আমাদের ফিরে আসার বোধ জাগলো যখন, ফিরে আসা সহজ হলো না

কিছু আলটপকা ভাবনা, কিছু জরুরী আলাপ

০১ লা এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:৫২

শেয়ার করুন:                   Facebook

কোনদিন এ শহর নেক্রোপলিশ হয়ে গেলে
আমি অত তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না:
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করার অবসর আছে।
জীবনের বিবিধ অত্যাশ্চর্য সফলতার উত্তেজনা
অন্য সবাই এসে বহন করুক: আমি প্রয়োজন বোধ করি না
জীবনানন্দ দাশ: উনিশশো চৌত্রিশের
ইদানীং একটা অভ্যাস হয়ে গেল, সুযোগ পেলেই একবার ঘুরে যাওয়া। সামহোয়ার ইন ব্লগ। কম্পুযন্ত্রের সাথেই দিনরাত বসবাস, তাই সময় অসময় থাকে না। মাঝে মাঝে খুব ভয় হয়, এমন প্রযুক্তি নির্ভরশীলতাটা কেমন। আমরা কতটুকু মানুষ থাকতে পারছি, কম্পুযন্ত্রের মতোই আর একটি মানুষযন্ত্র। ভাবনার কলকব্জাগুলোও সেরকম। খুব বেশী মানবিক ভাবনা ভাবতে পারি না। বিস্ময়বোধ নেই। খুব ছোটবেলার দিনগুলি, যখন একটি জোনাকীর দিকে ভয়ে, বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকতাম। আহ কেমন যে ছিল। পাড়ার ধানক্ষেতের ভিতরে লুকিয়ে সব ডানপিটেরা মিলে কাঁচা ধানের দুধ খাওয়ার মুহূর্ত। অমিয় স্বাদ ছিল সেইসব। কী অসাধারণ মুহূর্তই না ছিল সেদিন, প্রথম একটি অর্থপূর্ণ শব্দের মঞ্জরী বানিয়ে বাবার কাছে নিয়ে গেলাম। কাঠপেন্সিলে লেখা, অনেক কষ্টে আহরিত পুরনো নিউজপ্রিন্টে। প্রচুর ভুল বানান শুধরে দিয়েছিল বাবা। ইদানীং খুব নিকটতম সময়ের মধ্যে কলম আর কাগজ দিয়ে কিছু লিখেছি মনে পড়ে না। অথচ তার অনুভূতি কী যে অন্যরকম, বুঝাতে পারবো না। মোমের আলোর নিভৃতিতে বসে আমি যার কাছে চিঠি লিখতাম, সে কি এখন আমার ইলেক্ট্রনিক মেইলের ভাষা বুঝতে পারবে? আমার বন্ধু নীলকে অনেকদিন চিঠি লেখা হয়ে উঠে না। ইমেইল করি। অথচ আমরা কত কত চিঠি লিখতাম। ভাবতে পারা যায়, আমার কাছে এখন নীলের কোন ঠিকানাই নেই। জানি না, জানার প্রয়োজন হয় নি। আর ডাকেতো কোন চিঠি ছাড়াই হয় না আজকাল। যাদের সাথে চিঠির যোগাযোগ ছিল, তাদের সবার ইলেক্ট্রনিক এড্রেস তৈরী হয়েছে। ভারচুয়াল এড্রেসের ভিতরে মানুষের বাস্তবের ঠিকানাটা প্রায় হারিয়ে গেছে। এখন কর্পোরেট যোগাযোগের চিঠিগুলো ছাড়া আর কোন চিঠি লেখা হয়ে উঠে না।

আবার এখন ব্লগ লিখছি, কর্মব্যস্ততার ফাঁকে ফাঁকে।

মাঝে মধ্যে ভেবেছি কেন লিখি এসব। সম্ভবত আমরা সভ্য হচ্ছি। গুটেনবার্গের কাল থেকে, বা আরো অনেক আগে যখন কাগজ আবিষ্কৃত হলো, এটার শূরু। আগে ভাব রক্ষিত হতো শ্রুতিতে। তারপর কাগজে। তারপর ভারচুয়াল স্পেসে। মানুষ থেকে ক্রমশই দূরে, প্রযুক্তির একাধিপত্যে। চিন্তা চেতনা এবং ভাবের বিশাল আগাছা গড়ে তুলেছি। এখন সব সভ্য মানুষই কাগজের কেরানী, অথবা কম্পুযন্ত্রের দাস। অসভ্যরা কৃষি কাজ করে। সভ্যতা আমাদের শিখিয়েছে কি করে শষ্যের আবাদ না করেও শুধু তার হিসাব নিকেশ করেই কৃষক থেকে খাদ্য কেড়ে নিতে হয়। ভাবা যায়, উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে একটুও জড়িত না হয়ে শহুরে সভ্য মানুষেরা কৃষকের শষ্যের ভাগ পায়।

তবুও ভাবি মাঝে মধ্যে, কেন লিখি এসব? আমারতো অত তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে হবে না: আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে, পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করার অবসর আছে। জীবনের বিবিধ অত্যাশ্চর্য সফলতার উত্তেজনা অন্য সবাই এসে বহন করুক: আমি প্রয়োজন বোধ করি না। কিন্তু আবার ভাবি: কোনদিন এ শহর নেক্রোপলিশ হয়ে গেলে, তার আগ পর্যন্ত একে বাঁচিয়ে রাখার জন্য, একে যতটুকু সম্ভব মানবিক করে তোলা, এটাও কম কী!

কোনদিন পুরোপুরি মানবিক হয়ে গেলে বেঁচে যাবে এ শহর।


অনিন্দিতা, নারীত্ব ও নারীবাদ
আমার সাথে অনিন্দিতার দেখা যখন হলো, তখন আমার ইলেক্ট্রনিক এড্রেস ছিল না। তাই যোগাযোগটা সহজতরো হল। আমরা মুখোমুখি বসতাম। আমাদের আয়নার সামনে। আমাদের কত সহজ আলাপ হতো। তখনো তার নারীবাদ তৈরী হয়নি, তখন তার ছিল নারীত্ব, আমার ছিল ভালবাসা। অনেকদিন পর, যখন আমাদের ইলেক্ট্রনিক এড্রেস হলো, অনিন্দিতার সাথে আমার দূরত্ব তৈরী হল। ভীষণ তর্ক হতে লাগলো কখনো কখনো। আমি বলেছি যে, নারীত্ব আর নারীবাদের মৌলিক তফাত আছে। নারীবাদে কর্পোরেট কোম্পানীগুলোর স্বার্থ আছে, আর আছে সাম্রাজ্যবাদের প্রকল্প। কিন্তু নারীত্ব হলো তোমার।


ফরহাদ মজহারের একটি লিঙ্ক, মাহবুব মোর্শেদ এবং অবজারভার
প্রতিক্রিয়াশীলতার অনেক রূপ আছে, বুদ্ধিবৃত্তির দৈনতাও কম নয়। অবজারভার সাহেব ফরহাদ মজহারকে ধরতে পারছেন না, এটা কি প্রতিক্রিয়াশীলতা, নাকি দৈনতা। আমি বুঝতে অক্ষম। কারণ তিনি কমেন্ট করেছেন, বিতর্ক বা আলোচনায় যাননি। এটা কোন ভীন্নমতকে মোকাবেলার সঠিক পদ্ধতি কি! ফরহাদ মজহারকে পঠন পাঠন রপ্ত করা আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিকতার একটি দায়িত্ব জ্ঞান করি। তাকে পড়তে এবং বুঝতে না পারলে আমরা ব্যর্থ হবো। তিনি নয়াদিগন্তে লিখুন আর জামাতি সংগ্রামে লিখুন। অথবা প্রথম আলোতে লেখার মতো ভুল করুন। কুছ পরোয়া নেই।

অনিন্দিতাকে লেখা আমার সর্বশেষ চিঠি
কিছুদিন হল তোমাকে খুঁজে পাচ্ছি না কোত্থাও, অথচ ভীষণ জরুরী কিছু খবর দেয়ার ছিল তেমাকে। ইদানীং আমি পথে পথে এমনভাবে ঘুরছি, যাতে লোকেরা আমাকে শুকতারার সাথে তুলনা করে আসনে বিতণ্ডা চালায়।

ওরা বিতর্ক করতে থাকুক।

পারতপক্ষে আমি কোন তর্কের বিষয়বস্তু হতে চাই না কখনো। কেননা আমি এমন শান্ত-শিষ্ট মানুষ যে, জরুরতহীন তর্ককে হামেশাই এড়িয়ে চলি। কিন্তু তোমাকে খুঁজে পাচ্ছিনা কেন, এ নিয়ে একদিন বিতর্ক করতে ইচ্ছে করে তুমুল।

এখন যা হচ্ছে তা হল তোমাকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না।

শুনো মেয়ে, একটা তুমুল বিতর্ক হবে আমাদের। আমাদের এ বিতর্কটা মেট্রোপলিটন শহরের কোন ব্যস্ততম ক্যাফেতে হবে না। প্রাণহীন কোন নির্জন কফিহাউজেও কখনো নয়। তাহলে কোথায় হতে পারে এই বিতর্কটা!

শুনো, আমাদের একটা অসুখ তৈরী হচ্ছে ক্রমশ। সময় আমাদের হাতে খুব কম।

একজন ব্লগারের লেখায় কমেন্ট
চুপ করে দাঁড়িয়ে যেতে হয়। ভেবে কুল কিনারা পাওয়ার চেয়ে, মানুষের আরো কিছু করার আছে। মানুষকে নিয়েও ভাবার আছে। আমরা আমাদের পারিপার্শ্বিক অসুন্দর এবং সুন্দর সবকিছু নিয়েই মানুষ। আমি কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীকে ঘৃণা করি না, বলি যে পরিবর্তন দরকার। মানুষের উপমা দিই ফিনিক্স পাখির সাথে। মরে আর ধুলো থেকে পুনরুজ্জ্বীবিত হয়। তাই বিপ্লব হলো স্বাভাবিকতার মধ্য দিয়ে আমুল পরিবর্তন। নিরন্তর সৃষ্টিশীলতা। এই অসাধারণ লেখাটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ফারজানাকে।


কম্পুযন্ত্র শব্দটি মানস চৌধুরীর। কৃতজ্ঞতা।

 

 

  • ২২ টি মন্তব্য
  • ৩১৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:৫৬
comment by: রিফাত হাসান বলেছেন: কোলাহল বলেছেন: বেশ শক্তিশালী লেখা। ভক্ত হয়ে গেলাম।

রিফাত হাসান বলেছেন: বাহ। এত সহজে ভক্ত হয়ে গেলেন। এমন পাঠকের ভক্ত হওয়া আমারও দায়িত্ব। :)
২. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৪৬
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

আসলেই চমৎকার লেখা... ভক্ত না হয়ে উপায় নাই।

চলুক... ব্লগযাত্রা...
৩. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:১৭
comment by: মাছরাঙ্গা বলেছেন: ভাল লাগলো। বর্ণনার চমৎকার শৈলীতে বাঁধা পড়া যায়।
৪. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৫৫
comment by: শেখ জলিল বলেছেন: দারুণ লেখার ঢং। খুব ভাল্লাগলো।
৫. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:৩৬
comment by: কাঙাল বলেছেন: দারুন লেখার ঢং . . . দারুন
ভক্ত হয়ে গেলাম অতি সহজেই
০১ লা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: ত্রিভুজ, মাছরাঙা, শেখ জলিল, কাঙাল, অশেষ ধন্যবাদ।

৬. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:১৮
comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: আপনার গদ্য ভালো। তবে বক্তব্যের দুটো বিষয়ে আমার ভিন্নমত আছে--

১. আপনি বলেছেন, 'নারীত্ব আর নারীবাদের মৌলিক তফাত আছে। নারীবাদে কর্পোরেট কোম্পানীগুলোর স্বার্থ আছে, আর আছে সাম্রাজ্যবাদের প্রকল্প। কিন্তু নারীত্ব হলো তোমার।' এটা কীভাবে সত্য? নারীবাদ শব্দটা তো আমাদের মধ্যে এসেছে অনেক দেরিতে। কিন্তু এরও আগে তো নারীবাদের মূল ব্যাপারটার চর্চা ছিল এদেশে। ধরুন বেগম রোকেয়ার কথা। নারী অধিকার, জাগরণ, স্বার্থ প্রভৃতির ব্যাপারে রোকেয়ার যতসব কথা সেসবকেও তো তাহলে কর্পোরেট কোম্পানী ও সাম্রাজ্যবাদের প্রকল্প ভাবতে হয়। তিনি কি ওসবকে তাঁর নারীত্ব দিয়েও ছোঁন নি? এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী?

২. আপনি লিখেছেন, 'ফরহাদ মজহারকে পঠন পাঠন রপ্ত করা আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিকতার একটি দায়িত্ব জ্ঞান করি। তাকে পড়তে এবং বুঝতে না পারলে আমরা ব্যর্থ হবো।'

এটাকে আপনার বাড়াবাড়িপূর্ণ মত মনে হচ্ছে। তাঁকে পড়তে ও বুঝতে না পারলে আমরা (মানে কি বাঙালিরা?) ব্যর্থ হব-- এ বক্তব্যটিকে আপনি কীভাবে প্রতিষ্ঠা দেবেন? তাঁকে পড়তে ও বুঝতে শিখলে শনৈ শনৈ কোনদিক দিয়ে আমাদের সফলতাগুলো আসবে একটু পথগুলো চিহ্নিত করুন প্লিজ।

আশা করি আমার এ ভিন্নমত দুটোর আপনি সঠিক পদ্ধতিতে মোকাবেলা করবেন, অবজারভারের মতো কেবল মন্তব্য করবেন না।
০১ লা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ দীর্ঘ মতামতের জন্য। কেউ প্রশ্ন করবে আর আমার তার উত্তর দেয়ার মত যোগ্যতা আছে মনে করি না। কিন্তু আমার মতামতের দায় তো আমাকেই নিতে হবে। তাই উত্তর নয়, আমার ভাবনাগুলো বলি, যদি বেয়াদবী না নেন।

আপনিই তো বলেছেন, নারীবাদ শব্দটা আমাদের মধ্যে এসেছে অনেক দেরিতে। তাহলে দাঁড়াচ্ছে যে নারীবাদ ব্যাপারটা একটা ডেভেলপ্ড কনসেপ্ট, যা নারীর মধ্যে ছিল না, আরোপ করা হয়েছে। আপনি বলছেন যে নারীবাদের লক্ষণগুলো নতুন নয়। এটা সত্যি।

কিন্তু নারীকে একটি মতবাদের কন্টেন্ট বানানো হল। ইজম ব্যাপারটাই তো বানানো, আর্টিফিসিয়াল। যে কোন ইজমই আমার কাছে উদ্দেশ্যপূর্ণ। সারসত্যের চেয়েও, উদ্দেশ্যপূর্ণতা বেশী। ফেয়ার এণ্ড লাভলি কোম্পানি এবং রাঁধুনি'র জন্য নারীবাদ এবং নারী দিবস খুব কাজের, কিন্তু অনিন্দিতা এতে আরো বেশী দৈন হবে বলে আমি ভাবি। আপনার ভীন্নমতকে শ্রদ্ধা করি, কিন্তু আমার আর অনিন্দিতার মাঝে নিশ্চয়ই কোন আর্টিফিসিয়ালিটি আপনার ভাল লাগবে না।

দ্বিতীয়তঃ ফরহাদ মজহার। বাংলাদেশে প্রগতিশীলতার বেশ সংকট আছে। এই সংকটটাকে বুঝার বুদ্ধিবৃত্তিক দায় আমার আছে। ভাসা ভাসা ভাবে নয়, দার্শনিকভাবে। হালের দুনিয়ার জ্ঞানীয় অগ্রগতিতে বাংলাদেশী বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে কন্ট্রিবিউটরি পার্টিসিপেশন তার ছাড়া আর কার আছে (দেখুন: ভাবান্দোলন এবং নির্বাচিত প্রবন্ধ, সাম্প্রতিক বইমেলায় প্রকাশিত), সবাই ইন্টারপ্রিট করেন, ফরহাদ কন্ট্রিবিউট করেন।

একাডেমিক দিক থেকেও যদি বিবেচনা করা হয়, পাশ্চাত্যের সর্বসাম্প্রতিক ভাষা দর্শন, নির্দিষ্টভাবে বললে দেরিদীয় ডিকন্সট্রাকশন (দেখুন: ফরহাদ মজহারের পদ্য 'এবাদত নামা'), সৃজনশীল মার্ক্সবাদ (দেখুন: মোকাবেলা), নদীয়াকেন্দ্রিক বিকশিত ভাবচর্চাকে দায়সহ চিহ্ণায়ন (দেখুন: ভাবান্দোলন) এবং ভারতীয় উপমহাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক পুনর্গঠনে ইসলামকে অর্গানিক উপাদান হিসেবে স্থানিকায়নের মত প্রচেষ্টাগুলো সততা এবং রাজনৈতিক তৎপরতাসহ চালিয়ে যাওয়ার আকুতি প্রধানভাবে মনোযোগের দাবীদার।

৭. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৪৫
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: কিচ্ছু বলবনা। আসলে কী বলব খুঁজে পাচ্ছিনা।……………… হতে কি পারে যে আমাদের অনুভূতির আসলে ফরম চেইঞ্জ হচ্ছে? যেমন ধরুন, অনিন্দিতার দাদু হয়তো কাগজে চিঠি লিখে যে অনুভূতিটাকে ধরতে পারতেন, অনিন্দিতা তাই খুঁজে পায় কী-বোর্ডে?...... নাহ, নিজে লিখে আবার নিজেই ভাবছি- অনুভূতি দু’টাকে এক করা যায়না…… আপনার মত আমিও কাগজ মিস করি। অথচ নিজের হাতের লেখা এখন শুধু পরীক্ষার খাতায় দেখার সূযোগ হয়। ক্লাস নোটস গুলোও চলে যায় ল্যাপটপে।…… জীবন বদলে যায়? নাকি বদলে যায় জীবনের ধরন?...... অথবা মানুষ? অথবা আমরা?......... আমার এক বন্ধু এবং বড়ভাই এক অসময়ে “আই ইন্টেলিজেন্ট” নাকি এই ধরনের কী যেন একটা নামের মুভি দেখতে দিয়েছিলেন আমাকে। তখন মুভিটার মর্ম বুঝিনি। কিন্তু এতদিন পর সেই রোবট ছেলেটা একজন মাকে শুধু একদিন ছুঁয়ে দেখার জন্যে যে আকুতিতে ডুবে গিয়েছিল- এখন যেন একটু একটু ছুঁতে পারি।……… আপনার লেখা পড়ে, সেই মুভিটা আবার দেখতে ইচ্ছা করছে।………… নারীত্ব আর নারীবাদ-আমার কাছে কেন যেন এক মনে হয়, যতক্ষন পর্যন্ত তাতে কমার্শিয়াল কালো হাত এসে না যায়।…… কেন এক মনে হয়, আরেকদিন না হয় বলা যাবে…… তবে কিনা ভাই,বাবা বা খুব কাছের কেউ খেতে বসলে তাল পাতা দুলিয়ে ভালবাসার বাতাস করাতে আমি কখনো অপমান খুঁজে পাইনি। কখনো যেন খুঁজেও না পাই। ………………
০১ লা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: 'আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্ট' নামে একটা ছবি দেখেছি স্পিলবার্গের। আপনি সেই ছবির কথাই কি বলছেন। যাই হোক, দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। সহমত না হওয়ার কারণ নেই। আমাদের অবস্থাও এখন সেই ডেভিডের মতো, স্পর্শ করে অনুভূতি নিতে হয়, যেহেতু ভিতরে সব যন্ত্রের কলকব্জা। ব্লু ফেয়ারীর বর নিয়ে একজন রিয়েল লাইফ বয় হওয়ার আকাঙ্খা, যাতে ভালবাসা বুঝতে পারি।

৮. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:০২
comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: কালরাতে বাসায় কানেকশন ছিল না। আপনার জবাবটা চোখে পড়ল তখন, যখন আমি অফিসে প্রচণ্ড ব্যস্ত। দেখি আজ রাতে আপনার জবাবের প্রেক্ষিতে আমার কথাগুলো বলতে চেষ্টা করব। অবশ্য সময় পেলে অফিসেই।
৯. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২১
comment by: রিফাত হাসান বলেছেন: অপেক্ষা করি।
১০. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: হুম, মুভিটা “আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট”ই ছিল। :)
১১. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪০
comment by: নাবিক বলেছেন: সময় আসছে, আমাদের মাটির সিনকিতেই আবার ফিরে যেতে হবে।
১২. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২২
comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: বাসায় আমার ব্রডব্যান্ড কানেকশনটা যারা দিয়েছে, কালরাতে ওদের গালমন্দ করেছি পর্যন্ত। কিন্তু কাজ হয় নি। বলল, দেড়ঘণ্টা পর ঠিক হয়ে যাবে, কিন্তু রাত দুইটা পর্যন্ত খোঁজ নিয়ে দেখেছি যে ঠিক হয় নি। দুরবস্থা আর কাকে বলে বলুন!

কাল ভোরে দুদিনের জন্য ঢাকার বাইরে যেতে হবে। আজ নিয়মিত কাজের সঙ্গে সেসবের প্রস্তুতিও নিতে হচ্ছে। ফাঁকে ব্লগে যতবারই ঢুকেছি, একটুক্ষণ পরপরই বিদ্যুৎ চলে গেছে। কী আর করা! অগত্যা এখন রণেভঙ্গ দেয়ার সিদ্ধান্তই নিতে হচ্ছে, সেরকমই হয়ত বলতে যাচ্ছি, যদি অন্তত এই মন্তব্যটাও পোস্ট করার মতো সুযোগ দেয় বিদ্যুৎ।

ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী, পন্ডস, রাঁধুনির নারীদিবস দিয়ে নারীবাদকে খণ্ডন করবেন না প্লিজ। ব্যবসায়ীরা ব্যবসার প্রয়োজনে সব জায়গায়ই এখন স্পন্সর করে। শুধু নারীদিবস কেন? কোন দিবসটা বাদ যাচ্ছে ওদের দৃষ্টি থেকে? ওসব রাবিশ! ওগুলো বাদ দেন।

নারীবাদ একটা ডেভেলপমেন্ট কনসেপ্ট তাতে সন্দেহমাত্র নেই। আর ডেভেলপমেন্ট কনসেপ্ট হলেই তা ফেলনা হয়ে যাবার কোনো সঙ্গত যুক্তি নেই। নারী নানাদিক থেকে বঞ্চিত, নিষ্পেষিত শত শত বছর ধরেই। একটা বঞ্চনা ঘুচে তো আরেকটা বঞ্চনা শুরু হয়। এসবের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ হবার সুযোগ আগে তেমন ছিল না, কেউ উচ্চকণ্ঠ হলেও সাধারণ্যে তার প্রকাশ ছিল না। এখন নারীর বিরুদ্ধে অব্যাহত যে বঞ্চনা তা দূরীকরণে সংগ্রাম বলশালী হয়েছে। প্রচারেই প্রসার বলে তা এখন দৃশ্যমানও হয়েছে।

এই অধিকারের আওয়াজটা কারো কণ্ঠে উঠে আসলেই তার নারীত্ব খোয়া গেল ভাবাটা কিন্তু পুরোপুরি পুরুষতান্ত্রিক একটা দৃষ্টিভঙ্গি, অথচ নারীবাদের রাজনীতি নারীত্ব খোয়ানোর পক্ষেও নয় মনে রাখতে হবে। নারীবাদের দৃষ্টিতে নারীত্ব আর নারীবাদের কথিত ছোঁয়ায় খোয়া যাওয়া নারীত্ব এক জিনিস নয়। আমরা পুরুষরা নারীকে খুব কোমল, বিনয়ী, শুচিস্মিতা, অতর্কপ্রবণ, চড়ে রা করে না ধরনের দেখতে পছন্দ করি। আমাদের দৃষ্টিতে এ গুণগুলোই হয়ত নারীত্ব গুণ। এর বাইরে গেলেই ভাবি সে নারীবাদী হয়ে গেছে, মানে বখে গেছে।

নারীবাদ ভাবে, নারীকে এরকম হতেই হবে এটা পুরষতন্ত্রের চাপিয়ে দেয়া ধারণা। এর প্রভাবে আজকাল অনেক নারীই তর্কপ্রবণ হয়েছে। প্রয়োজনে তারা কঠোর হয়, কখনো কখনো ক্রুদ্ধ চোখে তাকায়, চড় খেলে পালটা চড় দেয়। আমার দৃষ্টিতে এতে কোনোই দোষ নেই।
প্রচলিত পুরুষপ্রধান সমাজ নারীর উপরে এটাওটা চাপাতে চায়, যা নারীর স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়। কেন একজন সচেতন নারী তা মুখ বুঝে সহ্য করবে, করতেই থাকবে?

না, আমি আপনার আর অনিন্দিতার মধ্যে কোনো ধরনের কৃত্রিমতা দেয়াল হয়ে দাঁড়াক, তা চাই না। চাই, দুজনের মধ্যে এরকম একটা সম্পর্ক দাঁড়াক, যেখানে কারো উপর কেউ অধিকার খাটাবে না।


নারীবাদ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আপনি বলেছেন, 'যে কোন ইজমই আমার কাছে উদ্দেশ্যপূর্ণ, আবার ফরহাদ মজহার সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে আপনিও ইজমের পতাকা দেখিয়েই সাঁকো পেরোচ্ছেন বলে মনে হলো।

ফরহাদ মজহার আমাদের সময়ের একজন জ্ঞানী লোক, সন্দেহ নেই। তাঁর জোর এমন যে তাতে কখনো রজ্জুকেও সর্পভ্রম হয। কিন্তু দুঃখ এই যে, তাঁর সব লাভের গুড় পিঁপড়েয় খায়, পিঁপড়ের জন্য উন্মুক্ত থাকে বলে। এজন্যেই বলি, তাঁকে পড়তে ও বুঝতে না পারলে বাঙালি ব্যর্থ নাও হতে পারে।
১৩. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:২৯
comment by: রিফাত হাসান বলেছেন: কথাদৃষ্টে মনে হয় আপনি যেটারে নারীবাদ বলেন আমি সেটারে অন্যভাবে বুঝি, নারীবাদ নয়। আমার 'নারীত্ব'র সাথে আপনার 'নারীবাদে'র দূরত্বের ফারাক সামান্য। পরিভাষা যদিও অনেক বড় ফ্যাক্ট, সরল আলাপে সেটি তুচ্ছ জ্ঞান করি। আমার ভাবনা হলো, আমার মেয়েকে কখনো নারী হতে দেব না আমি, অভিধানের নারীর মত একা, অথবা বিজ্ঞাপনক্লিষ্ট কেউ হলে আমার মেয়ে মরে যাবে। আমিও।

ফরহাদ ভাই সম্পর্কে আপনার মতামত অস্পষ্টই থেকে গেল। আগেরবারওতো এই কথাটাই বলেছেন আপনি, তাই না? একটু বড় পরিসরে বললে ভাল হতো না? অল্প চার লাইনে কমেন্ট করা যায়, আলোচনা সম্ভবত কষ্টসাধ্য। ফরহাদ মজহারের আরো কয়েকটি বইয়ের নাম আমার মনে পড়লো: ক্ষমতার বিকার ও গণশক্তির উদ্ধোধন, গণপ্রতিরক্ষা, রক্তের দাগ মুছে রবীন্দ্রপাঠ (এটা বইমেলায় প্রকাশিত)। পেয়েছেন কি?
১৪. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: আপনার 'মেয়ে'কে তবে কি আপনি 'মহিলা' বানিয়ে রাখবেন?

যতক্ষণ সে অপরিণত ততক্ষণ না হয় আপনি ওকে আপনার মতো করে আগলে রাখলেন, কিন্তু ১৮ পেরোলে আপনার হাত তো আর কাজ করবে না। অন্তত কাজ করানো উচিত হবে না। তখন সে 'নারী' হতে চাইলে কী করবেন আপনি? শরিয়ত মোতাবেক মারপিট করবেন?


আমি ফরহাদ ভাইয়ের 'ভাবান্দোলন' বইটা পড়ছি এখন। এজন্য নিয়মিত লোডশেডিংকে ধন্যবাদ(!) অফিসে পড়ছি। যখনই পাওয়ার থাকছে না, কম্পিউপটার বন্ধ করে বইটা খুলে বসছি। জানালা দিয়ে আসা আলোয় একটানা কখনো একঘণ্টা কখনো দুঘণ্টা পড়া যাচ্ছে। এর মধ্যেই কিছু অনুভূতি/ধারণা/মতামত তৈরি হয়েছে। একে একে বলি :

১. ভাবান্দোলন সম্পর্কে বলার ছলে বাঙালিত্ব ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদকে খোলো প্রমাণ করা তাঁর একটা মিশন মনে হচ্ছে এই বইয়ে।
২. নাস্তিকতাবাদকে তিনি প্রমাণ করতে চাচ্ছেন অজ্ঞতা বলে।
৩. তিনি তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য সবাইকে খুব অবজ্ঞা করে কথা বলেন। যেন জ্ঞানী একজনই আছেন জগতে, আর তা তিনি নিজে।
৪. মানুষটা তর্কপ্রবণ। যে কেউ তাঁর সঙ্গে তর্কে আসুক এরকম একটা বাঞ্ছা তাঁর সবসময়ই আছে।
৫. তিনি গুরুবাদী।
৬. তিনি নিজে ধর্মচর্চা করেন না, কিন্তু বারবার ইসলামকে সামনে আনেন। এখানে তাঁর উদ্দেশ্যকে আমি সন্দেহ করি। ব্যাপকসংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছতে পারা এর একটা উদ্দেশ্য হলে হতেও পারে।
৭. তিনি জঙ্গিবাদিতার পক্ষে না, কিন্তু তাঁর মতামত দিয়ে জঙ্গিবাদিতা উপকৃত হয়।
৮. হালিম বয়াতির গানের যে ব্যাখ্যা তিনি সামনে এনেছেন, তাতে কোরান মানবীয় গ্রন্থ হিসেবেই প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।
৯. বইটায় একই কথা বিরক্তির সাথে অজস্রবার পড়তে হচ্ছে।
১০. তিনি কথা বেশি বলেন।

কথাগুলো খুবই এলোমেলো হলো। আরো কথা বলা যাবে পরে। সেটাও খুব গোছানো হয়ত হবে না। আলোচনার রেশটা ধরে রাখতে কিছু কথা বলে রাখলাম। এ বইয়ের পরিপূর্ণ কোনো আলোচনা লিখবার ইচ্ছেও আমার নেই। সেটা করতে চাইলে আমাকে নোট নিতে হতো। তা নেয়া হয় নি।
১৫. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:০৪
comment by: রিফাত হাসান বলেছেন: মুজিব মেহেদী, আপনার নারীবাদ বিষয়ক চিন্তাগুলো একটু সরল। সেটা এমনকি নারীবাদকেও ইন্টারপ্রিট করে না। একদিন সুযোগ মত এ বিষয়টা আর একটু খোলাসা করব।

এবং ফরহাদ মজহার। তার চিন্তা পদ্ধতিকে আমার পছন্দ হয়। কিন্তু চুড়ান্ত বলিনি কখনো। বলেছি তার কন্ট্রিবিউশনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খেলো্ নয়। এবং তাকে পঠন পাঠন রপ্ত করা খুবই দরকার। কারণ বুদ্ধিবৃত্ত্বিকতার এমন নির্মোহ চর্চা এবং কর্মী আমাদের দেশে নেই।

সমস্যা হলো আমরা যখন ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলি, সেটাও ধর্মান্ধতার আকারে। যখন কমিউনিজমের কথা বলি, সেটাও যেন ঐশি কেতাব দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। স্থির। অনুরূপ সেকুলারিজম। যারা এটার কথা বলে তারা এটাকেও ধর্ম বানিয়ে ফেলেছে। ভাল ব্যাপার হলো, ফরহাদ মার্কসবাদী কিন্তু মার্কসকে ঈশ্বর মানেন না।

অপেক্ষা করছি আপনার পুরো বইটা শেষ হোক। আপনি আরো বলবেন। ফরহাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে নয়, তার মতামতকে খণ্ডিত করে কিছু। কখনো কখনো আপনার মতামতের সাথে আমার মতটা মিলেও যেতে পারে।
১৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫
comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: হ্যাঁ, একটু খোলাসা করুন প্লিজ। নারীবাদ বিষয়ে আপনার জটিল চিন্তার সাথে পরিচিত হবার আগ্রহ আমার আছে।

ফরহাদ মজহারের নতুন চিন্তা করবার প্রবণতাকে সাধুবাদ। সব চিন্তার সঙ্গে আমার একমত হতে হবে তা তো নয়। তাঁর বইপত্রের আমিও কিছু খোঁজখবর রাখি। কিছু পড়িও। কিন্তু তাঁকে খণ্ডন করবার দায়িত্ব আমার উপরে নিতে আমি অপারগ। আরো ম্যালা মানুষ রয়েছেন আশা করি, যাঁরা তাঁকে খণ্ডন করবার যোগ্যতা রাখেন। আমি বরং তাঁর সম্পর্কে শুনতে-বুঝতেই বেশি আগ্রহী। আপনি আরো বলুন তাঁকে নিয়ে।

১৭. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:০১
comment by: রিফাত হাসান বলেছেন: নারে ভাই, আমার নারীবাদ জটিল তা বলি নি, মাফ করবেন। আপনি কি তাই বুঝলেন নাকি। যাই হোক, অন্যদিন কথা হবে। আপনার কবিতা পড়ছি। প্রচুর কবিতা লেখেন আপনি।
১৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: এই রে!

না, বুঝেছি ঠিকটাই। প্রয়োগের কারণে ওই 'সরল'-এর মানে ছিল খেলো, জলো, তাৎপর্যহীন, অসার ইত্যাদি। আর আমার জটিল-এর মানে হলো মানেবহুল, যথাযথ, সরস ইত্যাদি।

হ্যাঁ লিখি, অন্তত লিখতে চাই প্রচুর। কিন্তু হয় হয় ভাব তৈরি হয় প্রতি দশটার মধ্যে মাত্র একটায়। প্রশ্ন করবেন, তাহলে একটাই লিখ না কেন? আমার জবাব হলো, তাহলে আমার আধখানাও হবে না। একেকজনের সৃষ্টি কৌশল একেকরকম, মানেন নিশ্চয়ই।
১৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:১৪
comment by: রিফাত হাসান বলেছেন: আপনার মত করেই বলি, এই রে!

আমাকে ক্ষমা করবেন। আবার ভুল বুঝলেন। আর আপনি প্রচুর লেখেন মানে আমি আপনার পাঠক হয়ে উঠছি দ্রুত। কবিতা খুব পড়া হয় না ইদানীং। এখন ব্লগে আসার ছলে আপনাদের প্রচুর কবিতা পড়ছি। এটা খুব ভাল ব্যাপারই। আমার জন্য। ভাল থাকবেন।

 



 


যে জীবন ফড়িঙের, দোয়েলের
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২৯৪৮০