আমার প্রিয় পোস্ট

কথা নিয়ে খেলতে খেলতে আমরা কোথায় চলে গেছি! আমাদের ফিরে আসার বোধ জাগলো যখন, ফিরে আসা সহজ হলো না

নৈঃশব্দের দোকানঘর

১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:১২

শেয়ার করুন:                   Facebook

ব্যস্ততার প্রতিকুলে এটি এক নৈঃশব্দের দোকানঘর
আমরা ক'জন যুবক ঝাপ খুলে বসে আছি দ্বিধাগ্রস্থ-

এখানে কেউ কি আসবে আমাদের দুঃখগুলি কিনতে

সৌখিন কাঠের নয়, হিরের দ্যুতিময় অঙ্গুরি আমাদের হাতে নেই
কপিলাবস্তুর একজন বৃদ্ধ এসে তিনটি ঝিনুকের কড়ি দিয়ে গেছে
অল্প কিছুক্ষণ আগে
বলেছে: এই ভগ্ন কুঠিরে তোমরা কীভাবে চালাচ্ছ বাবারা
যদি আমি দেশের সম্রাট হতাম, তাহলে তোমাদের জন্য
একটি বড়ো কুঠিবাড়ী বানিয়ে দিতাম হে।

আমরা তিনজন যুবক মোলায়েম হেসেছি মাত্র, মোগলবংশীয়
পিতলের লোটাটা তাকে উপহার দিয়েছিলাম।
আমাদের হাতে যে আর কিছু নেই, বৃদ্ধটাকে দেবার মত।

মাঝে মাঝে শীতল-পাটির উপর বসে আমরা তিন বন্ধু পরস্পরের কাঁধে
হাত দিয়ে বসে থাকি। চোখের নিরব মুদ্রায় আলাপ করি: নৈঃশব্দ কাকে বলে?

একজন গিলগামিশ একদিন তশতরীতে কিছু প্রার্থনার শব্দ নিয়ে আসে
তখন আমরা আমাদের সঙ্গীনীদের নিয়ে সেই শব্দগুলির কাছে চোখ মুদে রাখি।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: পুরনো স্কেচ খাতা  বিভাগে ।

 

  • ৩১ টি মন্তব্য
  • ২৮১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:২০
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: আপনি কবিতা বেশ লেখেন।++++

সুনীল গাংগুলী'র ছাপ আছে,মনে হলো।যদিও কবিতা আমি বুঝিনা কিংবা সুনীলের কবিতা তিন-চার'টার'র বেশী পড়িনি।
অযাচিত মন্তব্য করে ফেললাম মনে হচ্ছে।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:২৪

লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ, এই পোস্টটিতো এখনো ফ্রণ্ট পেইজে দিই নাই- কীভাবে পেলেন?

২. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৮
comment by: রিফাত হাসান বলেছেন: এইমাত্র ফ্রণ্টপেইজে দিলাম। সুনীল গাঙ্গুলীর কবিতা খুব একটা পড়িনি- তবে ছাপ থাকা সম্ভব। আমি কবিতা বেশ খারাপ লিখি।-

ধন্যবাদ হঠাৎ চমকে দেয়ার জন্য।
৩. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩৯
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: এই ভগ্ন কুঠিরে তোমরা কীভাবে চালাচ্ছ বাবারা
যদি আমি দেশের সম্রাট হতাম, তাহলে তোমাদের জন্য
একটি বড়ো কুঠিবাড়ী বানিয়ে দিতাম হে।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:০৬

লেখক বলেছেন: এটি আমাদের তিন বন্ধুর গল্প।

৪. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৪২
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: চমৎকার।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৪৩
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: না,লেখায় বেশ চমৎকার এক রোমান্টিকতা আছে,আর আপনার শব্দ চয়ন ভালো।"গিলগামিশ","তশতরী","কপিলাবস্তু" বেশ অভিনব।আগে কোথাও তেমন ব্যবহ্রত হতে দেখিনি। অর্থ সম্পর্কেও পুরোপুরি নিশ্চিত না।বাক্য থেকে অর্থ বুঝে নিয়েছি।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫১

লেখক বলেছেন: গিলগামিশ একটা মিথিক্যাল চরিত্র, অমরতার জন্য প্রার্থনা করেছিল, কেউ কেউ বলেন, অমরতা পেয়েছেন, ইসলামের খিজির নবীর সাথে কেউ কেউ গিলগামিশকে মিলাতে চান।-

তার একটা লাইন: মৃত্যু জীবনের শেষ কথা কেন হবে, অমরতা নামের অমৃত যখন আছে- (যদ্দুর মনে পড়ে)

তশতরী> পাত্র

কপিলাবস্তুর রাজপুত্র সিদ্ধার্থ এক জোছনার রাতে বেরিয়ে পড়েছিল পরমার্থের খোঁজে- পরে বুদ্ধত্ব অর্জন করেছেন।

কবিতাটি আজ থেকে প্রায় আট বছর আগের লেখা ও একটি লিটলম্যাগে প্রকাশিত হয়েছিল- আজকে হঠাৎ চোখে পড়ল, দিয়ে দিলাম।

৬. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫৫
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: খুব ভালো লাগলো.........
গিলগামাশের কথায় একজন কবির লেখা মনে পড়লো।
উনি অনেক বছর দেশে বাইরে.......।নাম মামুনর রশীদ।
উনার এক কবিতায় গিলগামেশের কথা পড়েছিলাম........।

উনি লিখেছিলেন,

""অরণ্য বিহার আমাকে গিলগামেশের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছিল।
এমন সকাল গিলগামেশ কি অরণ্য বিহারে যেতেন?
হ্যা যেতেনই তো।
শুদ্ধ চিত্তে?
শুদ্ধ এবং অমিয় চিত্তে।
কে দেখেছে?
উরুকের প্রসারিত হৃদয়ের মানুষেরা।উরুকের সমস্ত পাখ পাখালি,সবুজ বন গিলগামেশের জন্য রোদেলা অন্তরে পথ চেয়ে বসে আছে।
উরুক কোথায়?
উরুকের পাশের দেশে পাশে।
গিলগামেশ উরুকের কি হয়?
গিলগামেশ রাজা।কত বড় রাজা।পৃথিবীর প্রথম কবি।
তুমি তার কবিতা জানো?
রুপা খালা জানে।রুপা খালাদের অনেক বিত্ত।রাজাতে আর বিত্তবানে সম্পর্ক হয়তো!সেই সুবাদে।
তবে তো গিলগামেশ আর তোমাতে ও সম্পর্ক হয়?
এক রকমের.......।"

এইটুকু কবিতার মধ্যের অংশ।
এটা হলো "সে"নামে কথোপকথন কবিতার অংশ।

স্মৃতি থেকে লিখলাম।
কবিতাটা আবৃত্তি করেছিলাম।

ভালো থাকবেন।শুভেচ্ছা রেখে গেলাম।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:০৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। মামুনুর রশীদ নামের কারো লেখা আগে পড়িনি, আপনার স্মৃতি এবং ঐ ভদ্রলোকের কবিতা দুটারই তারিফ করতে হয়।

৭. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫৯
comment by: অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন: চমৎকার

শুভেচ্ছা নিন কবি।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:০৫

লেখক বলেছেন: কবি নয়, কবি নয়রে ভাই, যদি একটু মানুষ হতে পারতাম।

৮. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১৪
comment by: পারভেজ বলেছেন: পুরো কবিতাটার ভেতর এক ধরণের বোধের উপস্থিতি খুঁজে পেলাম!!
লেখনীর ধাঁচ টা খুব সাবলীল! পড়ে তৃপ্তি পেলাম! ধন্যবাদ
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫
comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: সুনীল গাঙের ছায়া তো পাইলাম না।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: হা হা। ছায়াটাকে ছাড়া তো দেখি আপনি কথাই বললেন না।

১০. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮
comment by: ফাহমিদুল হক বলেছেন: ভালো লাগলো।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ফাহমিদ ভাই।

১১. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৫
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
কবিতার কথা বাদ। ছবিটা অদ্ভূদ অদ্ভূদ আর অদ্ভূদ!
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: কবিতার কথা বাদ! অদ্ভূদ অদ্ভূদ আর অদ্ভূদ!

১২. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮
comment by: সবাক বলেছেন: কবিতার স্বাদ লেগে থাকবে দীর্ঘক্ষণ।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪
comment by: রাজর্ষী বলেছেন: ভালো লাগলো নৈঃশব্দের কথা।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯
comment by: আলাপ বলেছেন: কিবতা মানুষকে অদ্ভুত টানে দেখলাম। অামি তো দূরান্ত থেকে মাতি।

`প্রার্থনার শব্দ`- গুলো ভুলে যাোয়া অমূলক নয়। গিলগামিশের সবকের পরে যে অাধ্যাত্য যাত্রা প্রয়োজন সে প্রশ্ন রয়ে গেল- তবে এটি কবিতা ছায়া থাকা বিষয়ক অালোচনা/প্রশ্নর থেকে অালাদা।
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: দুরান্ত থেকে মাতামাতি। হাঃ।

১৫. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:০১
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: কবিতা এবং ছবি, দু'টোই অসাধারণ...
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:২৬
comment by: কঁাকন বলেছেন: ভালো লাগলো
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 



 


যে জীবন ফড়িঙের, দোয়েলের
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২৯৪৪১