আমার প্রিয় পোস্ট
- বর্ষসেরা লেখা সমাচার: মানস চৌধুরীর পোষ্ট ''দেখে'' আমার প্রতিক্রিয়া - রিফাত হাসান
- খালেদা জিয়া: দগ্ধ থেকে বিদগ্ধতা - রিফাত হাসান
- শার্লক হোমস রাজনীতিবিদগণ ও কয়েকটি বিলম্বিত নোট - রিফাত হাসান
- ল্যামপোস্টের আলোয়: আরো কিছু জরুরী কথা-বার্তা - রিফাত হাসান
- ‘জিহাদি বই’ সিন্ড্রোম, ‘শিবির’ সন্দেহে গ্রেফতার এবং অন্যান্য আলাপ - রিফাত হাসান
- রবীন্দ্রবন্দনা: রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে - রিফাত হাসান
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- ইতিহাস তর্কের কাইজ্যা, আদালত অবমাননা ও কুটনৈতিক শিষ্টাচার - রিফাত হাসান
- বিস্তর পরের নোট: ব্লগে আমার দুই বছর পূর্তিতে আড়মোড়া ও কিছু পুরনো আলাপ - রিফাত হাসান
- এক-এগার দ্বিতীয় পর্ব, প্রাণ প্রকৃতি ও ভূখণ্ডের উপর আমাদের নায্য হকের লড়াই এবং একটি পুলিশি রাষ্ট্রের ছায়া - রিফাত হাসান
- সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তার প্রেতাত্মা ও হিজবুত তাহরীর - রিফাত হাসান
- রাষ্ট্রের ধর্মবাসনা, দলের ভণ্ডামি, জামাত নেতৃত্বের গ্রেফতার ও অন্যান্য প্রশ্ন - রিফাত হাসান
- বাংলাদেশের 'উত্তর-ঔপনিবেশিক' বিচারকবৃন্দ: ব্লাক স্কিন, হোয়াইট মাস্কস - রিফাত হাসান
- সংবিধান মুদ্রণ ও পুনর্মুদ্রণ ব্যবসায়ীরা - রিফাত হাসান
- কনষ্টিটিউশন পর্যালোচনাঃ সুরঞ্জিতের বক্তব্য অনুযায়ী বাকশাল চতুর্থ সংশোধনীও অবৈধ (পর্ব-৩) - পি মুন্সী
- আমরা নতুন কোনভাবে বিডিআরের ইতিহাস পড়ব - রিফাত হাসান
- খিস্তি ঠাটে ত্রিতাল ভৈরবের জঙ্গনামা: সামহোয়ার নিয়ে আরো কিছু ভণিতা - রিফাত হাসান
- নোটন নোটন পায়রাগুলি ও কয়েক চিরকুট নোট - রিফাত হাসান
- ভাস্কর্য বিতর্ক: কয়েকটি প্রশ্ন ও কিছু ফুটনোট - রিফাত হাসান
- বিশ্বাসীদের অন্তর্ভূক্ত হবার আমন্ত্রণ: আমি কেন গ্রহণ করতে পারছি না প্রিয় সামহোয়ারইন - রিফাত হাসান
- আ টরচার্ড ইমেজ: রেহনুমা আহমেদের ফ্যাসিবাদীতা, ভণ্ডামী ও একটি মিশ্র অনুভূতির থিওরি, তারেক রহমান ও তার মায়ের অপরাধ ও শাস্তি এবং আমাদের নারী ভাবনা - রিফাত হাসান
- একটি প্রাথমিক আলোচনার খসড়া: জামাত, জামাত বিরোধী রাজনীতির বিষয় আশয় ও যুদ্ধাপরাধ রাজনীতি - রিফাত হাসান
- ফাহমিদুল হকের বহুলপঠিত একটি পোস্ট এবং ব্লগের লিখিয়েরা: একটি পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
বিশ্বাসীদের অন্তর্ভূক্ত হবার আমন্ত্রণ: আমি কেন গ্রহণ করতে পারছি না প্রিয় সামহোয়ারইন
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৫
গতকাল শেষরাতে পোস্ট করা হয়েছিল এই লেখাটি, পুরনো পোস্টটা মুছে দিয়ে আবার ফ্রন্ট পেইজে দিলাম, সব পাঠকের পড়ার সুবিধার জন্য।
এই লেখাটি আমি লিখছি একটি তৎক্ষনাৎ অনুভূতি থেকে, যখন সামহোয়ারইনের কিছু নতুন ফিচারের সম্পর্কে অবগত হলাম, দীর্ঘ সময় ধরে ব্লগে উন্নয়নজনিত অচলাবস্থার পর।
আমি মোটামোটি বিশ্বাসীদের অন্তর্ভূক্ত হতে চাই। আমার মা আমাকে বিশ্বাসী হতে বলেন, তার কথা, তার অস্তিত্ব, তার ভালবাসা এই মুহূর্তে আমার জন্য সবচেয়ে বড় বিশ্বাস। আমি আমার মায়ের কাছে বিশ্বাসী হয়ে থাকি, থাকার চেষ্টা করি, তাই আমার গোপন কোডগুলোর মুহূর্ত এবং রাজনীতি, চিঠি এবং ভালবাসা, ক্ষোভ এবং বিপ্লব, অবক্ষয় এবং দীনতাগুলো তার কাছে জমা রেখে আসি প্রতিদিন।
কিন্তু যখন রাষ্ট্র ট্রুথ কমিশন গঠন করল, আমাকে বিশ্বাসীদের অন্তর্ভূক্ত হতে বলল, এবং আমাকে কনফেশন করতে বলল, আমি দ্বিধায় পড়লাম। তখন রাষ্ট্রের পোপগিরি: রাষ্ট্রের পোপ কে হইবেন? শিরোনামে একটি ছোট নোট লিখেছিলাম ব্লগে। রাষ্ট্রের পোপ হওনের আকাঙ্ক্ষা তথা ধর্মাকাঙ্ক্ষা, কনফেশন এবং রাষ্ট্রকে নাগরিকের কনফেশন করানোর দায়িত্বার্পন- এর পেছনে রাষ্ট্রের যে বাসনা ও চরিত্র দাঁড়ায় তার কোন নতুন সংজ্ঞায়ন সম্ভব বা দরকার কিনা- এইসব বিষয়গলো নোট আকারে তুলেছিলাম।
আধুনিক রাষ্ট্রের এই ধর্মাকাঙ্ক্ষার গোড়ায় আরো যে বহুবিধ ক্ষমতা সম্পর্ক আছে, তাকে পরিশুদ্ধ এবং পবিত্রায়ন করে, আরো নিরাপদ করার নিমিত্তে পরবর্তীতে বাংলাদেশে যে ঘটনাটি ঘটল, তা হল আমার ফোনে আড়িপাতার নির্দেশ, এবং ছয় মাস ধরে আমি, আমার সমগ্র অনুভূতির পাতা, প্রেম, ক্ষোভ এবং অনুযোগ, আমার গোপন কোড, বিবিধ নকশাগুলো, যা আমার মায়ের কাছে প্রতিদিন জমা রেখে আসি, বিশ্বাসী হতে চাই বলে; রাস্ট্র, এক মহা ক্ষমতাশালী পোপের রেকর্ডারে বন্দী থাকবে, যতক্ষণ না, আমি বিশ্বাসী, অর্থাৎ রাস্ট্রের জন্য নিরাপদ বলে বিবেচিত হবো।
আজকের প্রশ্নটি এবং প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন, কিন্তু প্রকৃতি এক-ই। সামহোয়ারইন ব্লগ এর মডারেটরগণ আমাকে বিশ্বাসী হতে বলছেন এবং তার জন্য আমার ফোন নাম্বারটি চেয়েছেন। বিশ্বাসী না হতে পারলে, আমার পোস্ট সংকলিত পোস্টে সরাসরি স্থান পাবে না, আর ডিফল্ট অনুসারে, সংকলিত পোস্টই আসল পেইজ হিশেবে ভিজিটরদের কাছে উপস্থিত হবে, মানুষ অবিশ্বাসীদের লেখা দেখবে না। অবিশ্বাসীদেরকে, পোস্ট দিয়ে বিনীতভাবে অপেক্ষা করতে হবে, এবং মডারেটরদের যথাযথ সময় হবে যখন, তারপর যথার্থ মডারেশনের পর, যদি দেখেন, আমি, মানে সেই অবিশ্বাসী লোকটা ঈমানদারের মতন কাজ করেছি, রাষ্ট্র, এবং অথরিটির নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে না, তাহলে অবিশ্বাসীর পোস্ট জেল থেকে ছাড়া পাওয়া যেতে পারে।
আমার লেখালেখি এবং ব্যক্তিগোপনীয়তার গভীর খবর, আমার অবস্থান এবং পরিচয়, নকশা এবং গোপন কোডগুলো পোপ হতে চাওয়া রাস্ট্রের দরকার হয় কখনো কখনো, নিজের পবিত্র এবং সাম্রাজ্যবাদী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধে জয়ী হতে, আমার অবস্থান চিহ্ণিত করে, আমাকে খুন করে যাতে একই সাথে রাষ্ট্র, ওয়ার্লড ট্রেড সেন্টার এর নিরাপত্তা, এবং ইনফিনিট জাস্টিস এনশিউর করা যায়।
সামহোয়ারেরও কখন আমার ফোন নম্বর দরকার হয়? রাষ্ট্রের যখন ধর্মাকাংক্ষা জাগে, রাষ্ট্রের ভিতরে প্রতিষ্ঠান আর রাষ্ট্রের সম্পর্ক তখন এক জায়গায় এসে সেই ধর্মাকাংক্ষাকে বাঁচানোর জন্য কাজ করে।
আমার মা আমাকে এই ধর্মাভিলাসি রাষ্ট্রের ইনফিনিট জাস্টিসের বিরুদ্ধে লড়তে বলেছেন এবং গেরিলা হামলা করতে বলেছেন। আমি গেরিলা সেজে লিখছি, নিজের সব পরিচয় লুকিয়ে, ক্যামাফ্লোজ পরে, এই শাদা পোশাকের অরণ্যের ভিতর। আমি আমার মায়ের কাছে বিশ্বাসী, কিন্তু রাষ্ট্র এবং তার সবরকমের সহযোগী বন্ধুদের কাছে অবিশ্বাসী। এবং তাই থাকতে চাই। তাই আমার ফোন নাম্বারটি দিতে পারবো না। দুঃখিত, প্রিয় সামহোয়ার ইন।
প্রকাশ করা হয়েছে: http://sunnitoshia.blogspot.com/, ছোটগল্প বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কৌশিক বলেছেন:
লেখা ভাল হয়েছে। তবে বাই দিস টাইম বিশ্বাসীরা নিরাপদ হয়েছে।
লেখক বলেছেন: কৌশিক ভাই, এই ফোন নাম্বারটি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো চাইবে না বা তাদেরকে সাপ্লাই করা হবে না, এমনকি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দেশগুলোর কাছে পাচার হবে না, তার গ্যারান্টি কী। সরকারই যেখানে ফোনে আড়িপাতার নির্দেশ জারি করেছে, সামহোয়ারইন এই ফোন নাম্বারটুকু গোপন রাখার কোন কথা দেয়নি আমাদেরকে, এই কথাটি ভাবতে বলি।
লেখক বলেছেন: ও হাঁ, অনিশ্চিতের কমেন্ট থেকে বাই দিস টাইমের মাহাত্ম্য বুঝতে পারলাম। ধন্যবাদ।
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
এক পোস্ট কয়বার দেন? এই এক ক্যাঁচাল আর কতোদিন চলবে?
লেখক বলেছেন: আপাতত গতকালকে এবং আজকে। অস্থির হয়ে গেলে রিপোর্ট করুন। নতুন ফিচার তো আছেই। ধন্যবাদ।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
দেখা যাক কতটা বিশ্বাসী থাকা যায়।
লেখক বলেছেন: দেখা যাক।
যীশূ বলেছেন:
দারুন লেখা! ফোন নম্বার চাওয়ার বিষয়টা হাস্যকর লেগেছে। আমারটাও চেয়েছে। কিন্তু আমি এখানে বিশ্বাসের পরীক্ষা দিতে বসিনি। সুতরাং কোন সমস্যা না থাকলেও ফোন নম্বার দেয়ার কোন আগ্রহ আমার নেই।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
রিফাত হাসান বলেছেন:
গতকালকে পাঠকদের দেয়া মন্তব্যগুলো নিম্নে সংযুক্ত করা হল:২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১২
মুসতাইন জহির বলেছেন: I fully agree with you. you have absolutely made the correct point.
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৯
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জহির ভাই, সমর্থন দানের জন্য।
মুছে ফেলুন
২. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪১
নৈঃশব্দ্যের কথন বলেছেন: পড়ে মুগ্ধ হয়েছি !
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৮
লেখক বলেছেন: খুশী হলাম, কিন্তু ব্লগারদের সমর্থন বা দ্বিমতগুলো জানতে চাই।
৩. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১৬
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন: আপনার প্রকাশভঙ্গী ভালো। আমার মনে হয় "বিশ্বাসী" শব্দের ব্যবহার এখানে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরী করেছে। এটি পরিবর্তন করা দরকার। আমি যা বুঝতে পারছি সেটি হচ্ছে ফোন নম্বর ভেরিফিকেশন চাওয়া হয়েছে মাল্টিপল নিক এবিউজ ঠেকানোর জন্য। খেয়াল করলে হয়ত দেখবেন এখন কিছু কিছু ইন্টারনেটভিত্তিক সার্ভিস মোবাইল নম্বরকে আইডেনটিটি হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। এর মূল কারণ সাধারনত একজন লোকের একাধিক ইমেইল এড্রেস থাকলে বা ঘনঘন পরিবর্তন করলেও মোবাইল নম্বর সাধারনত পরিবর্তন করে না। কিছুদিন আগে গুগলের একটি সার্ভিস ব্যবহার করতে গিয়ে দেখি আমার মোবাইল নম্বর ভেরিফাই করতে বলছে এসএমএস দিয়ে। http://appengine.google.com/ কারন, অন্যথায় গুগলের এ সার্ভিসের অল্প রিসোর্স মাল্টিপল একাউন্ট তৈরী করে যে কেউ বসিয়ে দিতে পারে। হয়ত মাল্টিপল নিক ঠেকানোর জন্য এভাবে মোবাইল ভেরিফিকেশন বাংলাদেশে পুরোপুরি কার্যকর হবে না, তাও কিছুটা কমবে।
৪. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: সুন্দর প্রকাশ ।
লেখক বলেছেন: আছহাবুল ইয়ামিনের মন্তব্যের উত্তরে, কৌশিকের কমেন্টের যে জবাবটি দিয়েছি সেটি আবার রিপিট করছি: এই ফোন নাম্বারটি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো চাইবে না বা তাদেরকে সাপ্লাই করা হবে না, এমনকি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দেশগুলোর কাছে পাচার হবে না, তার গ্যারান্টি কী। সরকারই যেখানে ফোনে আড়িপাতার নির্দেশ জারি করেছে, সামহোয়ারইন এই ফোন নাম্বারটুকু গোপন রাখার কোন কথা দেয়নি আমাদেরকে, এই কথাটি ভাবতে বলি।
আর আপনি বলেছেন, মাল্টিপল নিক এবিউজ ঠেকানোর জন্য এই পদক্ষেপ। কিন্তু আপনি দেখবেন, মাল্টিপল নিক খোলার বিষয়ে ব্লগের নিয়মাবলীতে পদ্ধতি শিখিয়ে দেওয়া হয়েছিল, আমার মনে আছে। মানে, আপনার যদি আর একটি ইমেইল এড্রেস থাকে, তা হলে ঐ ইমেইল এড্রেস দিয়ে আপনি একটি নতুন নিক খুলতে পারবেন, পুরাতন নিকটি বহাল থাকা সত্বেও। আপনার দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আর ধন্যবাদ @ আবদুর রাজ্জাক শিপন, মন্তব্যের জন্য।
অনিশ্চিত বলেছেন:
লেখাটি ভালো লেগেছে। ফোন নম্বর তো একবার দিতে হয়েছিলো রেজিস্ট্রেশন করার সময়। সকালে এসে দেখলাম আমাকেও ফোন নম্বর দিতে বলা হয়েছে বিশ্বাসী হওয়ার জন্য। দিতে ইচ্ছে করে নি, দিই নি। এর মধ্যে দেখলাম একটি পোস্টও দিলাম। কিন্তু ইতোমধ্যেই ফোন নম্বর দেওয়ার আহ্বান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে আমার ব্লগ থেকে, তবে আমাকে নিরাপদ মনে করা হচ্ছে। কী কারণে আমাকে ওই আহ্বান থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো এবং কী কারণেই বা নিরাপদ মনে হলো, কোনো ব্যাখ্যা নেই।
মানুষের ওপর রাষ্ট্রের খবরদারী বাড়ছে নানা উপায়ে। এটি তারই একটি প্রকাশ।
কালে কালে আর কত কী দেখব!
লেখক বলেছেন: বাহ, এই ব্যাপারটা খেয়াল করি নাই। ফোন নম্বর দেওয়ার আহ্বান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে দেখি, আমার ব্লগ থেকেও! যদি এটা সবার ক্ষেত্রেই ঘটে থাকে, তাহলে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই, অবশেষে ব্লগারদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ না করার জন্য।
যীশূ বলেছেন:
হু, এখন নিরাপদ মনে করছে, কিন্তু পুরাপুরি নিরাপদ নয়। এখনও আমার লেখা আগে ক্রমানুসারে পোস্ট হবে, পরে মডারেটরের যদি ইচ্ছা হয় তো সংকলিত পোস্টে তা স্হান পেতে পারে।
লেখক বলেছেন: ঠিক পয়েন্টটি ধরেছেন। দেখা যাক।
যীশূ বলেছেন:
এখন কিন্তু আর বলছে না, কি করলে আমাকে পুরাপুরি নিরাপদ মনে হবে! হাস্যকর, পুরা বিষয়টাই চরম হাস্যকর!
লেখক বলেছেন: সামহোয়ারইনকে হাস্যকর প্রতিপন্ন করা এই পোস্টের উদ্দেশ্য নয়, আমি একটি প্রয়োজনীয় এবং ব্লগারদের গুরুত্বপূর্ণ গোপনীয়তার দিকটি তুলে ধরেছি। যদি কোন ফিচার হাস্যকর এবং অযৌক্তিক হয়ে থাকে আমরা আশা করবো, ব্লগারদের সুবিধার্থেই সামহোয়ার কর্তৃপক্ষ সেইসব পরিবর্তন করে নেবেন।
যীশূ বলেছেন:
আমি কিন্তু সামহোয়ারইনকে হাস্যকর বলিনি, বলেছি নিরাপদ মনে করার বিষয়টাকে। আপনি আবার ভুল দিকে টানছেন কেন?
লেখক বলেছেন: দুঃখিত, আপনার ভুল বোঝার কোন দরকার নেই। এটি সামহোয়ার কর্তৃপক্ষের জন্য মেসেজ।
লেখক বলেছেন: হা হা হা।
মিলটন বলেছেন:
আমার ফোন না থাকতে পারে কারণ ফোন রাখতে আমি বাধ্য নই। তবে?
লেখক বলেছেন: এই ব্যাপারটি সামহোয়ার কর্তৃপক্ষের বোঝা প্রয়োজন। ধন্যবাদ।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
গতকাল রাতেই পড়েছিলাম।সমায়াভাবে কমেন্ট করতে পারি নাই।বক্তব্য ঠিকাছে।ফোন-নাম্বার ভেরিফিকেশন টা হাস্যকর ঠেকেছে।
প্রথমত এইটাকে এথিক্যালি আমি ঠিক মনে করি না।দ্বিতীয়ত:
টেকনিক্যালি জিনিসটা ঝামেলার। বিশাল সংখ্যাক ব্লগার দেশের বাইরে থাকে।তাদের কিভাবে ভেরিফাই করবে সা,হো,ইন?
তাছাড়া চাকুরির প্রয়োজনে অনেককেই ঘনঘন ফোন চেইন্জ করতে হয়।তাদের কি হবে?নতুন ফোন নাম্বার পেয়েই সা,হো,ইন-এ আগরে নাম্বার চেইন্জ করতে হবে?
লেখক বলেছেন: এইটা কোন সরল ফোন নম্বর ভেরিফিকেশন নয়। প্রচুর টাকা ঢেলে সরকারের ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়নের মাধ্যমে একটি জাতির দুরভীসন্ধিমূলক ডাটাবেজ তৈরী, ফোনকোম্পানিগুলির রি-রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করন, ফোনে আড়িপাতা আইন, এইসব একই সূত্রে গাঁথা। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহৃত হবে, আমার সাধারণ অংকজ্ঞান তাই বলে।
লেখক বলেছেন: নাম দিয়ে দিলেন এবার! যাই হোক, দেখা যাক।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
হুমম . . .
লেখক বলেছেন: হুমম . . .
তরিকুল হুদা বলেছেন:
আপনার বক্তব্য নিয়া কিছুই বলার নাই। কিন্তু আপনার একার না উনি আমারও মা।
লেখক বলেছেন: হাঁ। ধন্যবাদ তরিক ভাই।
লেখক বলেছেন: দেখা যাক।
চিলে কোঠার সেপাই বলেছেন:
দারুন লেখা! তবে আমি বিশ্বাসীদের অর্ন্তভুক্ত ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
সেই রকম একটা লেখা! অনেকদিন পর একটা লেখা পড়ে মজা পেয়ে দাঁত বের হয়ে গেছে আমার!
......... আমি কিছুক্ষন হাঁ করে তাকায়ে ছিলাম আমার 'বিশ্বাসী' স্ট্যাটাসের দিকে। তারপরে পাত্তাও দিই-ই নাই।
লেখক বলেছেন: মজা পেলে দাঁত বের হয়ে যায় জানতাম না, ব্যথা পেলে অই ব্যাপারটা হয়। তুম বিশ্বাসী? গুড, আমিও।
ত্রিভুজ বলেছেন:
সমস্যাটা বেঁধেছে বাংলা শব্দের ব্যবহার নিয়ে.... "বিশ্বাসী" বা "নিরাপদ" শব্দগুলো ব্যবহার না করে এধরনের সিস্টেমে অন্যরা যেসব ইংরেজী শব্দ ব্যবহার করে, সেগুলো করলে মনে হয় এটা নিয়ে এত শোরগোল বাঁধতো না....তবে ফোন নাম্বার দিয়ে ভেরিফাই করার পদ্ধতি ইতিমধ্যে ওয়েবে বেশ জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি। গুগলের কিছু সার্ভিস ব্যবহার করতেও ফোন নাম্বার দিতে হয়.. আমার মনে হয়নি এতে কোন সমস্যা আছে...
লেখক বলেছেন: আপনার কথাটি সত্য। তারপরও-
আমার কথা ছিল, সামহোয়ারইন আমাদের এই ফোন নাম্বারটির গোপনীয়তা কতটুকু রক্ষা করবে, আর কতটুকু সরকার বা পরাশক্তির গোয়েন্দাগিরির কাজে লাগবে, এইটা পরিবর্তিত বিশ্বপরিস্থিতিতে আমাদের শংকার বিষয় হতেই পারে।
পান্থজন বলেছেন:
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধে সব কিছু এখন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। টমাস হ্যারি আর হরিদাস পাল- সবার জন্য এখন একই প্রেশকিপসন। কিন্ত সমস্যা হচ্ছে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধে দুজন কিন্ত একই ধরনের নাগরিক অধিকার ভোগ করছেন না।অনেকেই হাস্যকর ভাবে ফোন নাম্বার দিয়ে ভেরিফাই করার পদ্ধতি প্রসঙ্গে গুগলের রেফারেন্স টানছেন- ডেফিনিটলি ইউ. কে. সহ পশ্চিমের অনেক দেশেই এটা একটা চালু পদ্ধতি, কিন্ত উন্নত বিশ্বে আপনি তো ডাটা প্রটেকশন এ্যক্ট দ্বারা প্রটেক্টেট, আপনার পারশোনাল ইনফরমেশন সেখানে কেউ কারো সাথে শেয়ার করে না। কিন্ত এ দেশে আপনি কতটুকু সুরক্ষিত?
রিফাত ভাই- আপনি সঠিক পয়েন্টটা রেইজ করেছেন-
………এইটা কোন সরল ফোন নম্বর ভেরিফিকেশন নয়। প্রচুর টাকা ঢেলে সরকারের ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়নের মাধ্যমে একটি জাতির দুরভীসন্ধিমূলক ডাটাবেজ তৈরী, ফোনকোম্পানিগুলির রি-রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করন, ফোনে আড়িপাতা আইন, এইসব একই সূত্রে গাঁথা। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহৃত হবে, আমার সাধারণ অংকজ্ঞান তাই বলে………….।
আমাদের অংকজ্ঞানও তাই বলে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সহমত হওয়ার জন্য। আপনি সঠিক পয়েন্টটি ধরতে পেরেছেন।
ভূপর্যটক বলেছেন:
আমার হিংসা হচ্ছে এত ভাল লিখতে পারবো না বলে, পারি নাই বলে। সা, ই, কে বেনিফিট অফ ডাউটের সুবিধা দিলে বলতে হয়, খুব চিন্তা ভাবনা করে, তারা ফোন নম্বর চেয়ে এর ভিত্তিতে "সংকলিত পোষ্ট" খাড়া করতে চেয়েছিল - তা বলা যাবে না। সা, ই, এর উদ্দেশ্য বা কনসার্নটা হয়তো সঠিক। ব্লগে গালাগালির ঠেলায় পালাই পালাই অবস্হা। তবে এর দাওয়াই হিসাবে ফোন নাম্বার তারা চেয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করে ফেলেছে। বিশেষত, যেখানে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দামামা বাজছে, রাষ্ট্র পোপ হতে খায়েশ করছে, সব ডাটাবেজ আপটুডেট ফিটফাট - তখন নিস্পাপ ফোন নাম্বার চাওয়ার অর্থ অপাপবিদ্ধ আছে কি না! আমরা জানি না। তবে ইতিবাচকভাবে বললে, নিশ্চয় সা, ই, এর কাছে কেউ বিশেষ কারও ফোন নম্বর চায় নাই, আইডেন্টিফাই করে দিতে বলে নাই। সা, ই, এর তড়িৎ সবাইকে 'বিশ্বাসী' ঘোষণা করে দিয়ে সন্দেহ দূর করার প্রাথমিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দেখা যেতে পারে। তবে অপাপবিদ্ধ কী না তা ষ্পষ্ট জানতে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে বা পরবর্তী পদক্ষেপ দেখলেই বুঝা যাবে।
এটা ঠিক যে, "সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ" পুরা বাংলাদেশ রাষ্ট্রটাকেই যখন কব্জা করে রেখেছে তখন রাষ্ট্রের কোন বিশেষ প্রতিষ্ঠানের সা, ই, কে তথ্যপ্রদানের জন্য চাপাচাপি সা, ই, সহ্য করতে পারবে এটা ভাবার কোন কারণ নাই - একথা বলাই বাহুল্য। সা, ই, "চালিয়ে রাখার স্বার্থে দিয়ে তথ্য দিতে হয়েছে" জাতীয় বক্তব্য দেয়া ছাড়া তখন আর কী বা বলতে পারে সা, ই, - এটা আমরা বুঝতে পারি। কাজেই সব কূল রক্ষা পাবে, সা, ই, যদি ফোন নাম্বার বা এজাতীয় কোন তথ্যই নিজের কাছে সঞ্চয় করে না রাখে। আমাদেরও উচিত হবে এব্যাপারে আপাতত সা, ই, কে বেনিফিট অফ ডাউটের সুবিধা দেয়া।
তবে রিফাত আপনাকে ধন্যবাদ অন্য কারণে, "সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ" এর বিরুদ্ধে যে এত সংগঠিত আওয়াজ জোরদার আছে আপনার কারণেই তা প্রকাশ পেয়েছে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পরিবর্তিত বিশ্বপরিস্থিতিতে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের স্বরূপ এবং রাজনীতিটি বোঝা আমাদের এ মুহূর্তের জরুরী কাজ। আপনি সঠিক পয়েন্টটি ধরেছেন। সেজন্য, এবং কষ্ট করে এত লম্বা কমেন্ট করেছেন, তার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
শুনলাম- সলিমুল্লাহ খান নাকি বিশ্বাসীদের অন্তর্ভূক্ত হতে সরকারি আহ্বানে সাড়া দিতে পারেন নি। নিজের মোবাইল সিমের রেজিস্ট্রেশন করাননি। তাই তার সিম অফ করে দেয়া হয়েছে।
লেখক বলেছেন: হা হা হা। এরকম হয়েছে আমার পরিচিত অনেকের বেলায়।
লেখক বলেছেন: ও
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















