আমার প্রিয় পোস্ট

গেরিলা কথাবার্তা

খালেদা জিয়া: দগ্ধ থেকে বিদগ্ধতা

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২

শেয়ারঃ
0 4 0

আব্রাহামিক ঐতিহ্যে দুঃখভোগ একজন মানুষকে বাস্তবতার মুখোমুখি করে, এবং অধিকতর সম্পৃক্ত করে বাস্তবতার সাথে। এটি বাস্তবতার রূঢ় ও মর্মান্তিক প্রকৃতি সম্পর্কে একজন মানুষকে সচেতন করে তোলে। এর ফলে ব্যক্তি বাস্তবতা তথা জগত সম্পর্কে তার ছদ্ম ধারণা, সংস্কার ও মোহ থেকে মুক্তি লাভ করে। একই সাথে এই সম্পৃক্ততা ও সচেতনতা মানসভূমি নির্মাণ করে যা ব্যক্তিকে সত্যের প্রতি সহৃদয় করে তোলে। পরিণামে কষ্টভোগ ব্যক্তির জ্ঞানতাত্বিক পরিক্রমার প্রথম ভিত্তি তৈরী করে।

এগার একের সরকার কর্তৃক খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের উপর নৃশংস নির্যাতনের পর তার বিষয়ে এই ধরণের একটি কাঙ্ক্ষা ছিল আমার এবং আমার বন্ধুদের। এটা ছিলো একজন নবীন নেতৃত্বের প্রতি আমাদের কাঙ্ক্ষা, - বাংলাদেশে দুর্নীতি নামক মিথের সবচেয়ে বেশী কাহিনী যাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে, সেই তারেক রহমানের প্রতি। সেই কথায় যাওয়ার আগে প্রথমতঃ আসুন আমরা কিছু মিথ এবং ডিসকোর্সের কথা স্মরণ করি, যেমন টেররিজম। ইনফিনিট জাস্টিস। মানবাধিকার। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করার চেয়ে, চোখ দিয়ে দেখা খুবই সহজ, কেন এগুলোকে মিথ এবং ডিসকোর্স আখ্যা দিই। আমাদের পরিচিত ডেভলপিং কান্ট্রিগুলোতে আর একটি মিথ তৈরী হয়েছে: দুর্নীতি। যারা বাংলাদেশে উপদেষ্টা সরকারের দুর্নীতি বিরোধী অভিযানকে সরলার্থে দেখতে ভালবাসেছেন, তাদের জন্য আমার এই লেখা নয়। কারণ, ওয়ার এগেইনস্ট টেররিজমের যুগে যারা বলে যে, আমরা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আপনাদের সাথে সহমত, এবং ওয়ার এগেইন্স্ট টেররিজমের সাথে ওয়ার এগগেইনস্ট করাপশনের যে সহোদর আত্মীয়তা, তাকে বিচার করার রাজনৈতিক দায়িত্বকে অস্বীকার করে, তাদেরকে রাজনৈতিক পাঠ দেওয়া এই নোটের উদ্দেশ্য নয়, বরং তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক হওয়া এবং রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়ার নৈতিক দায়িত্ব জাগিয়ে দেওয়া এই লেখাটির অবস্থান।

একই সাথে তার মা খালেদা জিয়ার প্রতিও আমাদের আগ্রহ ছিল। সেই সময় খালেদা জিয়ার উপর যে জেণ্ডার্ড নির্যাতন হয়েছে, তার নৃশংসতা ততোধিক নির্মম ছিল। এই বিষয়ে একটি লেখায় আমি আমার পর্যবেক্ষণের কথা বলেছিলাম, সেটির সারকথা হলো: জানুয়ারী ২০০৭ এর পর দৃশ্যমান যে প্রপঞ্চটি আমাদের সামনে হাজির হয়েছিল, একটি গণ বিরোধী সরকার তার লেজিটিমেসির জন্য দুই জন নারীর শরীরের উপর যেরকম নির্ভরশীল, আর কোন কিছুর উপর তেমন টি নয়। এটা শুরু হলো, সেই দুজন নারীর শরীরটারে বিদেশে চিকিৎসার অজুহাতে, সীমান্তের ওপারে বাহির করে দিয়ে দেশান্তরী করার চেষ্টার মাধ্যমে, প্রাচীন গ্রীকের মতো। এবঙ তার পরিপ্রেক্ষিতেই নারীবাদের পপুলার ডিসকোর্সগুলোর রূপান্তর শুরু হল নারী এবঙ পুরুষের ইকুয়াল ইমপ্রিজনমেন্ট এবঙ শাস্তি ঘোষণার মাধ্যমে। ইকুয়াল রাইট- রাষ্ট্র যখন তার প্রবক্তা,- শাস্তি এবং নির্যাতনের জেণ্ডারড রূপ এখান থেকেই শুরু।

এখানে, এই জায়গা থেকে বুঝতে পারা সম্ভব, জানুয়ারী ২০০৭ এর পর নারীর উপরে যে নির্যাতন সেটি কতটা জেন্ডারর্ড রূপ পেয়েছে এবং কীভাবে খালেদা জিয়ার উপর এর চরম প্রয়োগ হয়েছে, তার উপরে পানিশমেন্টের জেণ্ডারড রূপটা কতটা পাশবিক রূপ ধারণ করেছিল । একটি গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি দিতে বাধ্য করার জন্য তার সকল পুত্র-পরিবার গ্রেফতার হলো এমনকি কোনপ্রকারের জামিনের অধিকার ছাড়া। কিন্তু সেটাই সব নয়। একজন রাজনীতিবিদ এবং একটি মা খালেদা জিয়া দীর্ঘ সময় অন্তরীন থাকার পর তার মুমূর্ষ সন্তানকে কোর্টে দেখতে পায় এবঙ তার প্রথম সন্তানের স্পাইনাল কর্ড বেঁকে যাওয়ার সংবাদই শুধু শুনে না, চিরপঙ্গু হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা শুনতে হয়। এবং এটার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, ছেলেদের জিম্মি করে, যেটি হল নারীত্বের অনিবার্য অনুভূতি, গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি আদায় করা। এটি একজন নারী নেতৃত্বের প্রতি নিষ্ঠুর, চরম এবঙ জেণ্ডারড পানিশম্যাণ্ট ছিলো অবশ্যই।

কাচের ঘেরাটোপে নিরাপদ থাকতে চান শেখ হাসিনা

এইসব কারণে এগার একের সরকারের জেলখানা থেকে মুক্তির পর চারদলীয় নেত্রীর কর্মকাণ্ড এবং রাজনৈতিক গতিবিধি আমার আগ্রহের বিষয় ছিল। আগ্রহ ছিল তিনি কীভাবে দলের হাল ধরেন, জরুরী সরকারের মোকাবেলা করেন, জনগণের সাথে ভেঙে যাওয়া সেতু পুনর্গঠন করেন। একজন সীমাবদ্ধ মানুষ হিশেবে তিনি আমাদের হতাশ করেন নাই। খালেদা জিয়ার ধৈর্য্য, অক্লান্ত পরিশ্রম, বিনিদ্র গণসংযোগ, মানুষের কাছে ছুটে যাওয়া, ভাঙ্গা গলায় ভোটারদের সাথে অবিরাম কথা বলে যাওয়া, এইসব খুব মুগ্ধ হয়ে দেখছিলাম। বিগত চোদ্দদিন ধরে এই বর্ষিয়ান মহিলা কোন সময়টিতে বিশ্রাম নিয়েছেন আমার বন্ধুরা বুঝতে চেষ্টা করছিল। খালেদা যখন রাত্রি দ্বিপ্রহরের পরও অঝোর কুয়াশার মধ্যে কোন এক অখ্যাত ষ্টেশনে নেমে তৎক্ষনাৎ সমবেত হওয়া হাজার হাজার জনতার উদ্দেশ্যে ভাঙ্গা গলায় ধানের শিষে ভোট চেয়ে কথা বলেন, আর গলায় গামছা বাঁধা এক অশীতিপর বৃদ্ধ শীতের কাঁপুনি উপেক্ষা করে খুশিতে লাফিয়ে উঠেন নেত্রীকে দেখে, এই দৃশ্যটি মন কাড়ে।

খালেদা জানেন, যে দুঃখভোগের মধ্য দিয়ে তিনি গেছেন, এইসব কৃষকের সাহচর্য সেটিকে আরো পরিপূর্ণ করে তুলবে

সবশেষে গতকাল বেতার টিভিতে দেওয়া জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া তার ভাষণ শুনতে শুনতে আমার শুরুতে বলা সেই সাফারিংসের থিউরির কথাই মনে হচ্ছিল বারবার। খালেদা পেরেছেন, আমাদের আশাকে উসকে দিয়েছেন আবার। খালেদা নির্বাচনে জয়ী হোন বা না হোন, তিনিই জিতবেন। এই প্রথম আমরা আমাদের জাতীয় নেতৃবৃন্দের একজনের মধ্যে একই সাথে একটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কণ্ঠস্বর পেলাম, যেটি রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় ভরা, স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি সম্পর্কে চুড়ান্ত সচেতন, বিরোধী রাজনীতি সম্পর্কে বিষোদগারে আগ্রহী নন, কিন্তু সমালোচনামূলক অবস্থান ছেড়ে দেন নাই, অবাস্তব প্রতিশ্রুতিমুখর বক্তব্যের ফুলঝুড়ি ছুটাতে ব্যস্ত নন, এবং আত্মসমালোচনা ভুলে যাননি।

খালেদা জিয়া, শুধু তাই নয়, এই প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় নেতাদের মধ্যে আন্তর্জাতিক রাজনীতির সতর্ক পর্যবেক্ষক হিশেবে সবচেয়ে সাহসি উচ্চারণটি করেছেন: ''ধর্মের নামে সন্ত্রাসের সৃষ্টি এবং তাকে মোকাবেলার জন্য সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে এই পৃথিবীকে আরো অনিরাপদ করে তোলা হয়েছে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে, এই বিষয়ে আমরা খুবই সচেতন। তবে সেইজন্য দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন কোন টাষ্টফোর্স গঠন করার প্রয়োজনীয়তা নেই। কেননা এ ধরণের কোন জোট গড়ার সঙ্গে দুর্বল রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের স্পর্শকাতর প্রসঙ্গটি অনিবার্যভাবে জড়িয়ে থাকে।.''.

যদিও এই নির্বাচনে জনগণকে কেবল স্থানীয় ইস্যু এবং জীর্ণ অতীতচারিতায় সংঘঠিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল, খালেদা ঠিকই বুঝতে পেরেছেন জাতি হিশেবে আমাদের ভবিষ্যত বৈশ্বিক পরিসরে আমাদের সঠিক অবস্থান ও ভূমিকা নির্ধারণেই নিহিত।

খালেদা, আপনাকে সালাম। আপনার জয় হোক।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): খালেদা জিয়া ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৯
মকবুল পাটোয়ারী বলেছেন: আসলেই লালবাগের পিন্টুর প্রতি খালেদার যা স্নেহ মায়ের স্নেহরে হার মানায়। খালেদা বিদগ্ধ না হইলে কি সাকা চৌরের নমিনেশন দেয়। তয় বৌ হিসাবে ভালা না , ফালুরে নমিনেশন দেয় নাই।
২. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫২
'লেনিন' বলেছেন: যারা নায়ক হবার যোগ্য নয়, যাদের মধ্যে নেতৃত্বের সামান্যতম গুণাবলী প্রতিলক্ষিত হয়না। তাদেরকে আমরা করে ফেলি মহানায়ক।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না। একটু ব্যাখ্যা করবেন আপনার কথাটি?

৩. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৩
মকবুল পাটোয়ারী বলেছেন: আচ্ছা কুকুর সিন্গাপুরের টেকার কি করব কিসু কইসে মেডাম।
৪. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৯
আউটসাইডার বলেছেন: মকবুল, আপনার হাসিনা নানকের মত খুনী কে মনোনয়ন দিল, তাঁতে কিছু যায় আসে না? আপনার হাসিনার কুকীর্তির কথা রেন্টুর বইয়ে আছে পড়ে নিয়েন কষ্ট কইরা। এসব কথা লিখতেও রুচীতে বাঁধে। কি বলবেন?রেন্টু মিথ্যাবাদী? হাসিনার বিরুদ্ধে গেলেই অপপ্রচার আর খালেদার সব কথা সত্যি।
জয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা নির্জলা মিথ্যা, আর তারেক-কোকো র বিরুদ্ধে অভিযোগ বিচারের আগেই সত্যি?
ভালই। আপনার দল তো এবার ভোটে জিতবেই। সবই তো জানা। অন্যের নামে শুধু শুধু আজে বাঁজে কথা বলার দরকার কি?
৫. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০১
সেলটিক সাগর বলেছেন:
বিদগ্ধতা থেকেই একাধিক জন্মদিন পালিত হয় , তাই নারে মমিন? :)


কোকো'র সিমেন্স কানেকশন নিয়া নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবর পড়া আছে কি?
৬. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০১
মিঠাই বলেছেন: ছবির সুয়োরের বাচ্চাটারে পাড়ায়া মাইরা ফেলাইতে পারতাম। কাকড়া বিছা একটা। জুতায়া বাইড়াইয়া মাইরা ফেলনের কাম।
৭. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০২
মিঠাই বলেছেন: সুয়োরটায় যে কেন বাথরুমে আছাড় খাইয়া মরলো না। দুর্গন্ধ কুত্তার বাচ্চা একটা।
৮. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০২
মানবজমিন বলেছেন: ২১'শে আগষ্ট হামলা, ডঃকিবরিয়া, আহছানুল্লাহ মাষ্টার, আইভি রহমান আরো নাম না জানা অনেককে মারার পরেও ছবির ক্যপশন "ঘেরাটোপে নিরাপদ থাকতে চান শেখ হাসিনা" দিতে লজ্জা করল না। কবে আপনাদের বিবেক জাগ্রত হবে। নিশ্চই বলবেন না আঃলীগ নিজে ঐ সব করেছে। কারন জনগন এখন জানে এসবের মদদ দাতা কারা ছিল।
৯. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩
মিঠাই বলেছেন: দেখলেই মনে হয় শুয়োরের বাচ্চাটার মুখের উপর তরল বমি করি।
১০. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
নিহন বলেছেন: জয় ,জয় ,জয় ,জয় ,জয় ,জয়

হবে জয় ............

নেই ভয় ।
১১. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১১
পোকা বলেছেন: তারেক জিয়া বাংলাদেশের সেরা চোর। কোন দিন চান্স পাইলে এই বেটা নিজের মা খালেদা জিয়ারে বেইচা খাইব
১২. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭
নিহন বলেছেন: পোকা @
ভালা মানুষ কে আছে ??
১৩. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭
রেজওয়ান বলেছেন: না তারেক জিয়া কোন দুর্ণীতি করে নি। চিকিৎসার নাম করে বর্তমানে লন্ডনে আরামেই আছেন। সেখানের খাবার ভাল লেগেছে তাই ডজনখানেক ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট কিনেছেন।

চোরের মার বড় গলাই হয়। সেটা দেশের লোক জানে।
Click This Link

হাসিনা ও খালেদা, মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: আপনার লিঙ্কটিতে ঘুরলাম কিছুক্ষণ।

১৪. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৯
রাকিব খান বলেছেন: বাকশালী চরিত্রের কোন পরিবতন নেই।
১৫. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৩
সেক বলেছেন: KHANKIR POLARE GULISTAN NIYA JULAIYA PITAN DORKAR. CHUDIR PUTE JE EI SHADIN DESE ASE KADER JONNO. R EI DESH TARE NIYA CHINIMINI K KHELCHE???????REEE GURU TUI JODI BHUJTI TAILE TUI MANUS E HOTI
১৬. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫১
আমি বাংলার গান গাই বলেছেন: কেউই সহিহ না। সবার মধ্যেই খারাপ আছে, ভুল ক্রুটি আছে। কিন্তু হাসিনা আর খালেদার মধ্যে যদি তুলনা করতে হয় তাহলে তুলনামূলকভাবে বলবো খালেদা হাসিনার চেয়ে অনেক বেটার - এইটা আমার ব্যক্তিগত মত মাত্র। তবে এর পেছনে যৌক্তিক অনেক কারণ আছে। তবে সেসব আলোচনা করার সময় বা ইচ্ছা কোনটাই নাই। আমার মত প্রকাশ করলাম মাত্র।

সহমত @ আউটসাইডার। জয় তো হল সোনার ছেলে। সে হার্ভাডে পড়ে আর কিছু কথা! হার্ভার্ড রিভিউতে আমেরিকান সোলজার এর সাথে মিলে থিসিস লিখে বাংলাদেশ সেনাবাহীনির নামে যে বিষেদগার করেছে তাতে তার প্রকৃত দেশ প্রেমের পরিচয় ফুটে উঠেছে! পড়ুন ফরহাদ মজহারের লেখা: Click This Link



১৯. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫
'লেনিন' বলেছেন: "আমি বাংলার গান গাই বলেছেন: কেউই সহিহ না। সবার মধ্যেই খারাপ আছে, ভুল ক্রুটি আছে। কিন্তু হাসিনা আর খালেদার মধ্যে যদি তুলনা করতে হয় তাহলে তুলনামূলকভাবে বলবো খালেদা হাসিনার চেয়ে অনেক বেটার - এইটা আমার ব্যক্তিগত মত মাত্র। তবে এর পেছনে যৌক্তিক অনেক কারণ আছে। তবে সেসব আলোচনা করার সময় বা ইচ্ছা কোনটাই নাই। আমার মত প্রকাশ করলাম মাত্র।"

মানলাম কিন্তু এরা কেউই নায়ক তো দূরে থাক মহানায়ক হবার যোগ্য না। কেনো এতো পূজা অর্চনা এদেরকে?
দেশের মানুষের জাগা প্রয়োজন, সব ঘুমাইয়া আছে।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: লেনিন, আপনার কথাটি বুঝার চেষ্টা করছি। তার জন্য সাহায্য করুন, আপনি এই জাগা বলতে কী বুঝাতে চান? আর জেগে কী করতে ইচ্ছুক?

২০. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৯
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: খালেদা বিদগ্ধ হইছে কিনা জানিনা।
তয় দগ্ধ করার আয়োজনে সামরিক-সুশিল জোট সরকারের উদ্যোগের কমতি ছিলনা।

তয় আপনি যখন কইলেন দেখি একটু নজর কইরা । বিদগ্ধতা খুজে পাওয়া যায় কি না।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: হাঃহাঃ। কথা সত্য বলেছেন আরজু।

২১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৯
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
রিফাত ভাই,
আপনার পোস্ট এবং সংশ্লিষ্টসকল কমেন্ট পড়লাম মনোযোগসহ।
কিন্তু কোনো কমেন্ট করতে পারলাম না।

আপনি ভালো আছেন!?
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৩

লেখক বলেছেন: ভালো আছি নির্ঝর।

২২. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৩
ব্রাইট বলেছেন: কেউই সহিহ না। সবার মধ্যেই খারাপ আছে, ভুল ক্রুটি আছে। কিন্তু হাসিনা আর খালেদার মধ্যে যদি তুলনা করতে হয় তাহলে তুলনামূলকভাবে বলবো খালেদা হাসিনার চেয়ে অনেক বেটার।

২৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২১
নরাধম বলেছেন: হাহাহাহাহহা............পোস্ট বড়ই মজাক হইছে!
২৪. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩০
জাতেমাতাল বলেছেন: আরজুর মন্তব্যে মজা পাইলাম। রিফাত হাসানকে ধন্যবাদ তার সাহসী পোষ্টের জন্য।
গতকাল খালেদা জিয়ার বক্তৃতা শুনছিলাম, সন্ত্রাস মোকাবেলার প্রশ্নে তার আলাদা অবস্থান চোখে পড়ার মতো এবং আমার কাছে তা যথেষ্ট সাহসী বলে মনে হয়েছে।। 'সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধের' ফর্মুলা থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত, নিঃসন্দেহে তাকে পরাশক্তির অপছন্দের তালিকায় রাখবে।

ভোটের বাজারে খালেদা একটু ঝুকি নিয়ে ফেললেন কিনা, সেই প্রশ্নটাই মাথায় ঘুরছে।
২৫. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৪
মিরাজ বলেছেন: ব্যক্তি হিসাবে খালেদা জিয়া কখনোই শেখ হাসিনার মত লাগামছড়া নন এবং বুঝে শুনে কথা বলেন ।

নেত্রী হিসাবে তার বড় ব্যর্থতা বি এন পি কে জামাত-নির্ভরতা থেকে বের করে নিয়েছন্ আসতে না পারা । জামাত বিহীন বি এন পি নতুন প্রজন্মের অনেক তরুণের পছন্দের দল কিন্তু জামাত সংশ্লিষ্টতা তাদেরকে বি এন পিকে নিজ আদর্শের দল হিসাবে ভাবতে দেয়না ।

আগামীকালের নির্বাচনী ফলাফল যাই হোক, আশা করি সরকারি ও বিরোধী দল দুই পক্ষই দেশের স্বার্থ পরিপন্থী ধ্বংনাত্মক কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকবেন ।
২৬. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৩
নরাধম বলেছেন: আরে মিরাজভাই দেখি, কেমন আছে মিরাজ ভাই? আপনাকে তো অনেকদিন দেখিনা।




আপনার এটার সাথে একমত যে খালেদা হাসিনার মত লাগাম ছাড়া কথা বলেননা। কিন্তু যে মহিলা নিজের জন্মদিন পরিবর্তন করে ফেলে, তাও তাকে ফেইভার একজন মানুষের মৃত্যুদিবসে এটার মত নিম্নরুচির মানুষ কি দুনিয়াই আছে?
২৮. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০৩
পাপারাৎজ্জি বলেছেন:




চারদলীয় জোট:১৫৫-১৬০
মহাজোট:১৩৫-১৪০
অন্যান্য:৫-১০

এইখানে সংখ্যাগুলা ভেরিয়েবল।টোটাল ২৯৯ টার প্রেডিকশান।
২৯. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ভাল বলেছেন।

তারেকের দুর্নিতী নিয়ে আসলে কি বলা যায়। তার দুর্নিতীর সাক্ষর তার ঘনিষ্টজনের মাঝে আছে। তবে অনেকাংশে সে যে মিথের ভিক্টিম তা বলতেই হবে। দশ জনকে জিগ্গেস করলে দশজনই আসলে তারেকের দুর্নিতীর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করতে পারবেন না।

তবে যা রটে তা কিছুটা হলেও তো ঘটে।

তবে, খালেদা জিয়া গত দুবছরে যা করেছেন, তাতে তাকে প্রশংশা না করে উপায় নেই। এ সরকারের প্রথমাংশে তার অনড় আপোষহীন মনোভাব টা না থাকলে হয়ত আজকে এমন নির্বাচন আমরা দেখতে পারতাম না।

আবার নিজের দলের দুরবস্থা ছিল বলে সরকারকে চাপ দিয়ে তিনি নির্বাচনটি ১০ দিন পিছিয়ে দিয়েছেন। সেই ১০ দিনে সেকি নির্বাচনী প্রচার করলেন। ১০ দিনকে দিনে রাতে ২০ দিন বানিয়েছেন। এটি ভোটের মাঠে অনেক প্রভাব ফেলেছে।

এবং তার ভাষনটি দারুন মনে হয়েছে আমার কাছে। সহনশীল একটি ভাষন।

তবে তার দুটি জিনিস আমার জঘন্য লাগে।

এক, তার জন্মদিন কেলেংকারী

দুই, জামাতকে ট্রিট করতে না পারা।


গ্যারান্টি দিয়ে বলি, যেদিন তিনি জামাতকে ছাড়বেন এবং ১৫ আগষ্ট জন্মদিন পালন বন্ধ করে দিবেন সেদিন তার জনপ্রিয়তা আরও ১০ শতাংশ বাড়বে। অনেকে শুধু এই কারনে তাকে পছন্দ করেন না, এবং সেজনে তাদেরকে দোষ দেয়া যাবে না।
৩০. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৬
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: জাতেমাতাল আমার মন্তব্যে মজা পাইছেন। ঠিকাছে।

গতকাল থেকে আমি চিন্তা করতে আছিলাম যে, ঠিক কোন বিষয় আশয় গুলান দেইখা আমি মনে করতে পারি যে খালেদা জিয়া বর্তমান সামরিক-সুশিল জোট সরকার কতৃক কেবল দগ্ধ-ই হন নাই, বরং বিশেষ ভাবে দগ্ধ হইছেন, মানে বিদগ্ধ হইছেন। ভাবনা আশেপাশে নানা উপাদান ছিলো। জবাবও কিছু ছিল। কিন্তু জাতেমাতাল এর মন্তব্য দেইখা আর সেইসব এখন কমুনা।

এইখানে শুধু এইবারে নির্বাচন নিয়া খালেদার সাম্প্রতিক অবস্থান এবং পুরনো অবস্থানের সাম্প্রতিক পুনরাবৃত্তি নিয়া কিছু কথা কই।

খালেদার শেষ বক্তৃতা 'সাহসী' হোক আর যাই হোক 'বিদগ্ধ' ছিলনা মোটেই। তার বক্তৃতা শুইনা আমার মনেই হয়নাই যে তিনি গত দু বছরের দগ্ধ হওয়া থেইকা কাজের কিছু শিখছেন।

তাছাড়া বর্তমান সরকার এবং সরকারের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে তার বরাবরের অবস্থান ( যে অবস্থানে তিনি এখনো ঘোষনা দিয়ে আছেন) বিবেচনা করতে গিয়াও আমি এমন কিছু পাইনাই যাতে এইটা মনে করতে পারতাম যে, বৈদগ্ধতা তার ঘটে আছে।
৩১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮
মকবুল পাটোয়ারী বলেছেন: মিরাজ সাহেবের খালেদারে ভালা লাগে শুইনা ভালা লাগল।
সুন্দর মুখের জয় সব জায়গায় তারা বাশ দিলেও ভালো লাগে
৩২. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২১
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান হিসেবে এখন তার বিষয় হলো নির্বাচন। নির্বাচনে হেরে যাবার বা জিতে যাবার আগ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে জেতার লক্ষ্যেই সবকিছু করবেন নিশ্চয়!

কিন্তু তিনি কি করলেন? তিনি এমন সব বিষয়কে সামনে এনে বারবার বলতে লাগলেন যেগুলো তার রাজনীতির এজেন্ডা হতে পারে কিন্তু কখনোই ঘোষিত এজেন্ডা নয়। তিনি বলতে থাকলেন যে, তার সরকার ক্ষমতায় আসলে পরে তারা বর্তমান অসাংবিধানিক সরকারের কর্মকান্ডের বৈধতা দেবেন না। এরপর সেই অবৈধ সরকার কি করবে? তারা নিশ্চয় এমন কোনো দলকে ক্ষমতায় আনার জন্য সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে যে দল তাদের অসাংবিধানিক কার্জকর্মের বৈধতা দেওয়ার ওয়াদা দেবে। এবং সামরিক সুশিল জোট সরকার সেই চেষ্টাই করছে। সফল হওয়া না হওয়া আলাদ কথা। পরের কথা।

তার প্রধান প্রতিদন্ধি দলটি এই অঞ্চলে 'সন্ত্রাসবিরোধী অনন্ত যুদ্ধ'-এর এজেন্ট হবার জন্য সাড়ম্বরে ঘোষনা দিয়ে আসছে। যে যুদ্ধওয়ালাদের মাসোহারা এই দেশের অনেক মিডিয়া নিয়মিত পায়। আর খালেদা জিয়া কি করলেন? তিনি সেই যুদ্ধের বিরুদ্ধে সরব অবস্থান নিলেন। এরপর মাসোহারা খানেওয়ালা মিডিয়া আর পরাশক্তির স্থানিয় প্রতিনিধিরা কি করবে? তারা নিশ্চয় তার প্রতিদন্ধি দলকে জেতানো জন্য মরিয়া হয়ে থাকবে।

দুইটা বিষয়ের কথা মাত্র বললাম। এরকম আরো কিছু বিষয় আছে। এইসব বিষয়ে রাজনিতীতে এইভাবে বলা চলে না, এই সময়ের এই দেশে। আমার অন্তত তাই মনে হয়। যদি খালেদা জিয়া এইগুলানের ব্যাপারে চুপ থাকতেন কিংবা হ্যা না এর মাঝামাঝি থাকতেন আপাতত তাহলেও বোধ হয় রেহাই ছিল। অনেকে হয়তো বলবেন যে, এই অবস্থানে থাকায়, এইগুলান বলায় তো তার ভোট আরো বাড়ছে। তা বাড়লেও বাড়তে পারে। কিন্তু ভোটার বাড়লেও সবসময় ভোট বাড়েনা। আবার ভোট বাড়লেও সবসময় প্রার্থী জেতেনা। এইটা তেমনই এক সময়।

আরেকটা মজার কথা_
উনি শেষ বক্তৃতায় ক্ষমা চাইলেন। কেন? ২০০০ সালে হওয়া ২১০০০ টাকার বেশি পরিমান দুর্নীতি জনিত ক্ষতি কমিয়ে ২০০৫ সালে ৫২৬ কোটি টাকায় নামিয়ে আনার জন্য ক্ষমা চাইলেন? আমার হাসি পায়। তিনি দু:খ প্রকাশ করতে পারতেন গতানুগতিক নিয়মিত ভুল ত্রুটির জন্য।
৩৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
জাতেমাতাল বলেছেন: আরজুর বিশ্লেষন পড়লাম, যুক্তিগুলো ভেবে দেখার মতো।
৩৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০১
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: রিফাত ভাই বিজি নাকি?
৩৬. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬
মকসুদ আলম বলেছেন: তুমি তো সহজ ছাগল নও!
৩৭. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩
মেন্টাল বলেছেন: মকসুদ আলম বলেছেন: তুমি তো সহজ ছাগল নও!
৩৮. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫
নগর বাউল বলেছেন: মেন্টাল বলেছেন: মকসুদ আলম বলেছেন: তুমি তো সহজ ছাগল নও!
৩৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২২
মুনশিয়ানা বলেছেন: রিফাত ভাই, অনেকদিন পর আপনার ব্লগে এলাম, গতকাল গাজায় ইসরাইলী গনহত্যা বিষয়ক আপনার একটা পোষ্ট পড়ছিলাম-- তাড়াহুড়ার জন্য মন্তব্য করতে পারি নাই, পোষ্টটা কি মুছে ফেলেছেন, নাকি অন্য কিছু......?

গাজা ও যুদ্ধাপরাধী নিয়ে আপনার পোষ্টে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করেছিলাম- আমার নিজেরও কিছু ভিন্নমত ছিলো, কিন্ত পোষ্টটা না দেখে অবাক লাগছে, ব্যাপার কি রে ভাই??
৪০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩২
রিফাত হাসান বলেছেন: নারে ভাই, অইটা আমি মুছি নাই, কর্তৃপক্ষ নিম্নলিখিত নোটিশ দিয়ে মুছে দিয়েছে। এবং আমি একজন সাধারণ ব্লগার।..

dear blogger,

your post have been deleted due to violation of the blog rules. please do not republish this writing again on the blog or we will be forced to ban you from the blog.

3j. \"posts which are denying, opposing, ridiculing or twisting facts about the freedom and sovereignty, history or religion of bangladesh or any other recognized nation may be deleted and the privileges of the blogger withdrawn temporarily or permanently.\"
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: আমার দুর্ভাগ্য, আপনার মতামতগুলি জানতে পারলাম না, আর কর্তৃপক্ষ আমাকে একটা অদ্ভূত দোষে অভিযুক্ত করছে।

৪১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৯
অ্যামাটার বলেছেন: "dear blogger,

your post have been deleted due to violation of the blog rules. please do not republish this writing again on the blog or we will be forced to ban you from the blog.

3j. \"posts which are denying, opposing, ridiculing or twisting facts about the freedom and sovereignty, history or religion of bangladesh or any other recognized nation may be deleted and the privileges of the blogger withdrawn temporarily or permanently.\"----সামহয়ার নিজেই নিজের লেজ প্রদর্শন কর্ল!! এইটা এখন একটা আওয়ামী প্রচারমাধ্যম ছাড়া কিছুই না।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার আশঙ্কা মিথ্যে প্রমাণ করুক সামইন।

৪২. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৫৯
রোবোট বলেছেন: ইহা একটি তেল চুপচুপা পোস্ট।
৪৩. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫০
নীতিশ বৈরাগী বলেছেন: না আপনে কখনোই আপনাগো কল্পিত ধুসর ক্ষেত্রের লোক না। আপনি বিএনপি/জামাতের লোক। আপনার কথার বটম লাইন তাই কয়। তো কথাটা বাকি পোস্টগুলাতে এইরকম স্পষ্ট কইরা কইলে হইতো না?

তাইলে আর আপনার ব্লগে টাইম খরচ করার দরকার পড়তো না।
৪৪. ০২ রা নভেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪৮
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন: নীতিশ বৈরাগী বলেছেন: না আপনে কখনোই আপনাগো কল্পিত ধুসর ক্ষেত্রের লোক না। আপনি বিএনপি/জামাতের লোক। আপনার কথার বটম লাইন তাই কয়। তো কথাটা বাকি পোস্টগুলাতে এইরকম স্পষ্ট কইরা কইলে হইতো না?

তাইলে আর আপনার ব্লগে টাইম খরচ করার দরকার পড়তো না।
৪৫. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৪৯
ধূসরধ্রুব বলেছেন: কাচের ঘেরাটোপে নিরাপদ থাকতে চান শেখ হাসিনা
তার মানে খালেদা জিয়া থাকতে চান না । একটা কথা বলেন তো খালেদা জিয়ার উপর কি শেখ হাসিনার মত এত বার হামলা হইছে..?? দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি ত্যাগ করে ব্লগিং করুন । না হলে সরাসরি খালেদার চামচামি করুন । বহুত ফায়দা হবে

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪৭২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমরা কী দারুণ গল্পসভা কথা সাম্রাজ্যে ছিলাম
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ