আমার প্রিয় পোস্ট
- বর্ষসেরা লেখা সমাচার: মানস চৌধুরীর পোষ্ট ''দেখে'' আমার প্রতিক্রিয়া - রিফাত হাসান
- খালেদা জিয়া: দগ্ধ থেকে বিদগ্ধতা - রিফাত হাসান
- শার্লক হোমস রাজনীতিবিদগণ ও কয়েকটি বিলম্বিত নোট - রিফাত হাসান
- ল্যামপোস্টের আলোয়: আরো কিছু জরুরী কথা-বার্তা - রিফাত হাসান
- ‘জিহাদি বই’ সিন্ড্রোম, ‘শিবির’ সন্দেহে গ্রেফতার এবং অন্যান্য আলাপ - রিফাত হাসান
- রবীন্দ্রবন্দনা: রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে - রিফাত হাসান
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- ইতিহাস তর্কের কাইজ্যা, আদালত অবমাননা ও কুটনৈতিক শিষ্টাচার - রিফাত হাসান
- বিস্তর পরের নোট: ব্লগে আমার দুই বছর পূর্তিতে আড়মোড়া ও কিছু পুরনো আলাপ - রিফাত হাসান
- এক-এগার দ্বিতীয় পর্ব, প্রাণ প্রকৃতি ও ভূখণ্ডের উপর আমাদের নায্য হকের লড়াই এবং একটি পুলিশি রাষ্ট্রের ছায়া - রিফাত হাসান
- সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তার প্রেতাত্মা ও হিজবুত তাহরীর - রিফাত হাসান
- রাষ্ট্রের ধর্মবাসনা, দলের ভণ্ডামি, জামাত নেতৃত্বের গ্রেফতার ও অন্যান্য প্রশ্ন - রিফাত হাসান
- বাংলাদেশের 'উত্তর-ঔপনিবেশিক' বিচারকবৃন্দ: ব্লাক স্কিন, হোয়াইট মাস্কস - রিফাত হাসান
- সংবিধান মুদ্রণ ও পুনর্মুদ্রণ ব্যবসায়ীরা - রিফাত হাসান
- কনষ্টিটিউশন পর্যালোচনাঃ সুরঞ্জিতের বক্তব্য অনুযায়ী বাকশাল চতুর্থ সংশোধনীও অবৈধ (পর্ব-৩) - পি মুন্সী
- আমরা নতুন কোনভাবে বিডিআরের ইতিহাস পড়ব - রিফাত হাসান
- খিস্তি ঠাটে ত্রিতাল ভৈরবের জঙ্গনামা: সামহোয়ার নিয়ে আরো কিছু ভণিতা - রিফাত হাসান
- নোটন নোটন পায়রাগুলি ও কয়েক চিরকুট নোট - রিফাত হাসান
- ভাস্কর্য বিতর্ক: কয়েকটি প্রশ্ন ও কিছু ফুটনোট - রিফাত হাসান
- বিশ্বাসীদের অন্তর্ভূক্ত হবার আমন্ত্রণ: আমি কেন গ্রহণ করতে পারছি না প্রিয় সামহোয়ারইন - রিফাত হাসান
- আ টরচার্ড ইমেজ: রেহনুমা আহমেদের ফ্যাসিবাদীতা, ভণ্ডামী ও একটি মিশ্র অনুভূতির থিওরি, তারেক রহমান ও তার মায়ের অপরাধ ও শাস্তি এবং আমাদের নারী ভাবনা - রিফাত হাসান
- একটি প্রাথমিক আলোচনার খসড়া: জামাত, জামাত বিরোধী রাজনীতির বিষয় আশয় ও যুদ্ধাপরাধ রাজনীতি - রিফাত হাসান
- ফাহমিদুল হকের বহুলপঠিত একটি পোস্ট এবং ব্লগের লিখিয়েরা: একটি পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
আলাপ পোষ্ট: বিডিআরের বিলুপ্তি বিষয়ে আপনি কী বলেন?
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০
বিডিআর একটি ক্রিমিনাল সংগঠন তাই এ ধরণের সংগঠনের অস্তিত্বের কোন দরকার নেই। বিডিআর বিলুপ্ত করে সীমান্ত রক্ষার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশের আদলে এবং সহযোগিতায় নতুন বাহিনী তৈরী করা হবে।
বিডিআর বিলুপ্তির বিষয়ে মন্ত্রী মহোদয়ের এই মতামতের পক্ষে বা বিপক্ষে আপনার অবস্থান, এই অবস্থানের কারণ এবং এর সাম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে আপনার আলোচনা জানতে চাই। সকল ব্লগারদের অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ইউনাইটেড স্টেটস অব ইন্ডিয়া, যথার্থ বলেছেন। আমার আগের পোষ্টগুলোকে সমর্থন করছেন জেনে খুব ভাল লাগল। আজকের আলাপে আপনার সরব অংশগ্রহণ কামনা করছি। একই সাথে সেইসব পোষ্টেও।
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন:
আমি এখন ঠিক এরকম আলাপ চালাবার অবস্থায় নাই। সময়াভাব। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম ও তার রাজনীতি ও বিডিআর বিদ্রোহ ও বাংলাদেশের সমূহ বিপদ নিয়ে বিলম্বে হলেও আমার এনালাইসিসটা দেব। আপনারা সেই কাজ অনেকটাই সেরে রেখেছেন। সেজন্য ধন্যবাদ। আলোচনা এগক। আমার মনে হয়, এইসব ঘটনা যেহেতু বিচ্ছিন্নভাবে ঘটছে না, সবই সমাপতিত হচ্ছে বিশেষ এক বিকাশ ও সংকটের দিকে। সেটার প্রাত্যহিক রাজনীতিতে দৃশ্যমান ডাইনামিকসটা অনুসরণ ও ধরিয়ে দেয়া দরকার। আশা করবো এই আলোচনার মধ্যে আপনি আমাদের তার কিছু হদিস দেবেন।
লেখক বলেছেন: এটা সত্যিই যে, ''এইসব ঘটনা বিচ্ছিন্নভাবে ঘটছে না, সবই সমাপতিত হচ্ছে বিশেষ এক বিকাশ ও সংকটের দিকে। সেটার প্রাত্যহিক রাজনীতিতে দৃশ্যমান ডাইনামিকসটা অনুসরণ ও ধরিয়ে দেয়া দরকার।'' আলোচনা এগুক। সবার মতামতও জানা দরকার। দেখা যাক।
যুগান্তকারী বলেছেন:
তার বক্তব্য শ্রুতি কটূর কিন্তু পরিকল্পনাটা ভালো।
লেখক বলেছেন: আরো বিস্তারিত বললে খুশি হবো।
রিফাত হাসান বলেছেন:
আগের পোষ্টে এ সংক্রান্ত আমার নিজের মতামতটি তুলে দিলাম:বিডিআরের নাম পরিবর্তন, পোশাকে বিবমিষা এবং আনন্দ বন্দনা
বিডিআরের নাম পরিবর্তন বিষয়টারে আমার পূর্বের লেখাটিতে সেনাবাহিনীর একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠির প্রতিশোধস্পৃহা কিনা প্রশ্ন করেছিলাম, এখন সেই প্রশ্নটিকে আরো বড়ো জায়গায় স্থাপন করতে ইচ্ছুক আমি। নিছক সেনাবাহিনীর প্রতিশোধস্পৃহা দিয়ে এটিরে প্রশ্ন করা বেকুবি হবে, এটির সাথে সেনাবাহিনী এবং বিডিআরকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেবার ঘটনা, তার সম্ভাব্য ফলাফল, বেনিফিসিয়ারী এবং সাম্প্রতিক ঘটনাক্রম যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে তার বিবেচনাটাই আলোচনায় আনা বেশী জরুরী। বিডিআর ডিসিপ্লিনের নতুন প্রধান মেজর জেনারেল মঈনুল হোসেন গত কয়েকদিন আগ থেকে বেশ কিছু বিপদজনক এবং প্রশ্নবিদ্ধ করা যায় এমন তৎপরতা দেখিয়েছেন, কথা বলেছেন। একটি দেশের একটি নির্দিষ্ট রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান এমন তৎপরতা দেখালে তার তৎপরতাগুলোর উদ্দেশ্য সম্পর্কে গুরুতর প্রশ্ন করা ফরজ হয়ে যায়। পিলখানা ঘটনায় ভগ্ন বিধ্বস্ত একটি বাহিনীর রেসকিউ মিশন সময়ের একজন প্রধান হিশেবে তার দায়িত্ব ছিল বিডিআর জোয়ানদের ভগ্ন মনোবল ফিরিয়ে আনা, সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরীদের নৈতিক সাহসকে উদ্বুদ্ধ করা, ভেঙে যাওয়া ডিসিপ্লিন পুন:প্রতিষ্ঠা করা। বিশেষত যখন এটি সেই বাহিনী, যারা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সীমান্ত শত্রুকে মোকাবেলা করে, প্রাণ দেয় এবং সীমান্ত ও দেশকে নির্ঘুম পাহারা দিয়ে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করে। বাংলাদেশের ডিসিপ্লিন্ড বাহিনীগুলোর মধ্যে বিডিআরই হলো একমাত্র বাহিনী যাদের ভিতরে ঐতিহাসিকভাবে এবং ঐতিহাসিক প্রয়োজনেই দেশপ্রেম নামে একটি বিষয় স্পিরিট হিশেবে প্রতি মুহূর্তে জারি ছিল, সীমান্ত শত্রুর সাথে মোকাবেলার সময়, রাষ্ট্রের সীমান্তকে রক্ষা করার ঐতিহাসিক দায়িত্ব নিয়ে, জীবন দিয়ে, যা তারা প্রতিনিয়ত প্রমাণ করে। তাহলে এখন এই জরুরী মুহূর্তে আসুন জেনারেল সাহেবের বাক্য এবং তৎপরতাগুলোকে আমরা একটু খেয়াল করি। প্রথমেই তিনি জোয়ানদের উদ্দেশ্য করে বলছেন, বিডিআরের পোশাক পরে এবং এই বাহিনীর সদস্য হিশেবে তাদের লজ্জিত হওয়া উচিত। তারপরে যখন ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ নিহত বিডিআর মহাপরিচালক জেনারেল শাকিলকে মরণোত্তর সম্মাননা দেবার কথা ঘোষণা দিল, তার জন্য বিনয়ে নুয়ে গিয়ে এই নতুন বিডিআর প্রধান ভারতের পুরষ্কারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন, ভারত বিডিআর বিদ্রোহের মুহূর্তে চাইলেই বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে পারত, কিন্তু তারা তা করেন নাই। অতপর তিনি বলছেন, বিডিআরের পোশাকে আমাদের সহকর্মীদের রক্তের দাগ লেগে আছে। এই পোশাক পরে আমরা আমাদের সহকর্মীদের আত্মাকে অপমাণ করতে পারবো না। (এইসব ন্যাকামোর মানে কী?) অবশেষে, পার্শ্ববর্তী দেশে গিয়ে, বিডিআর পুনর্গঠনে বিএসএফের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি, এবং ঘোষণা দিয়েছেন, ‘বাংলাদেশের মাটিতে ভারতবিরোধী কোন কর্মকাণ্ড হতে দেবো না’। লক্ষণীয়, সংসদে প্রধানমন্ত্রীও একই ঘোষণা দিয়েছেন। এবং বাস্তবিক অর্থেই এখন বিডিআর বিদ্রোহে একটি প্রতিবেশী দেশের সম্পৃক্ততা এবং বেনিফিশিয়ারী হবার বিষয়ে যে কোন অভিযোগ সরকার কর্তৃক অসহনীয়ভাবে দমন করা হচ্ছে। এ সংক্রান্ত লিফলেট হাতে হিজবুত তাহরীর নামে সংগঠনের কর্মীদের গ্রেফতার দ্রষ্টব্য।
নতুন বিডিআর নেতৃত্বের এইসব তৎপরতার পর, আমরা এই পিলখানার ঘটনা, সেনাবাহিনীকে বিডিআরের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে খোদ সেনাসদস্যদের একটি শ্রেণীকে দিয়ে বিডিআর এর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ এবং ঘৃণা ছড়ানো, বিডিআর বিলুপ্তির ঘোষণা, বিডিআর ডিসিপ্লিনকে বিএসএফ এর সহযোগিতায় পুনর্গঠনের প্রস্তাব, এবং ‘বাংলাদেশের মাটিতে ভারতবিরোধী কোন কর্মকাণ্ড হতে দেবো না’- এই ঘোষণাকে কোন কোন ধরণের প্রশ্ন করতে পারি? বিডিআরকে ইতিহাস থেকে মুছে দেওয়ার চেষ্টাগুলোর সাথে মুক্তিযুদ্ধে বিডিআরের তিন জন বীর শ্রেষ্ঠ, রৌমারীর যুদ্ধসহ অসংখ্য ঘটনা কি ইতিহাসে আগের মত থাকবে? মুক্তিযুদ্ধে বিডিআরের অবদানকে আমরা নতুন কোনভাবে ইতিহাসে পড়ব?
লেখক বলেছেন: ধীরে ধীরে উল্লেখিত পোষ্টে অন্যান্য কিছু ব্লগারের জরুরী মন্তব্যও এখানে সংযুক্ত করে দেব।
যুগান্তকারী বলেছেন:
একটিমাত্র বাহিনি থাক আপত্তি নাই কারন কাজ একই কিন্তু ঐ শুয়োরে বাচ্চা মন্ত্রি কিভাবে বলে পার্শ্ববর্তী দেশের সহযোগীতায় সহযোগিতায় নতুন বাহিনী তৈরী করা হবে
লেখক বলেছেন: বিধিবদ্ধভাবে কাজ একই, আপনার কথা ঠিকই আছে, তাইলে এই কারণে একটি বাহিনীরে বিলুপ্ত করে দিয়ে নতুন একটি বাহিনী করার দরকার পড়ে কেন? আপনার বাক্যের দ্বিতীয়াংশ অনেকটাই এ প্রশ্নটির উত্তর দেয়। উপরের আলোচনাটুকও পড়ার অনুরোধ করি।
জিনাত বলেছেন:
বিডিআর একটি ক্রিমিনাল সংগঠন তাই এ ধরণের সংগঠনের অস্তিত্বের কোন দরকার নেই। বিডিআর বিলুপ্ত করে সীমান্ত রক্ষার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশের আদলে এবং সহযোগিতায় নতুন বাহিনী তৈরী করা হবে।যুগান্তকারী বলেছেন: একটিমাত্র বাহিনি থাক আপত্তি নাই কারন কাজ একই কিন্তু ঐ শুয়োরে বাচ্চা মন্ত্রি কিভাবে বলে পার্শ্ববর্তী দেশের সহযোগীতায় সহযোগিতায় নতুন বাহিনী তৈরী করা হবে
লেখক বলেছেন: একই উত্তর দ্রষ্টব্য।
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন:
বিডিআরের বিলুপ্তি মানে ভিন্ন নামে বাকশালের আগমন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। কিন্তু স্রেফ বাকশাল বলে এই আলোচনারে সীমিত করা যাবে না, আলোচনার বিস্তার প্রয়োজন।
বাঙ্গাল বলেছেন:
"ক্রিমিনাল " কাজ কে কয়টা করছে ৩৫ বছরে হিসাব কইরা দেখেন। আর্মি মারছে ৪ নেতা, শেখ মুজিব ও তার ফ্যামিলি, জিয়াউর রহমান, তাহের, ক্যূ তে কয় জন মরছে...হিসাব নাই, হার্ট এটাকে মারছে ৯জন বিডিয়ার, ক্রসফায়ারে মারছে ১০০ এর উপরেবিডিয়ার মারছে - >১৫টা বিএসএফ(রৈমারী), ৫৭জন আর্মি অফিসার, ৫ জন সাধারন মানুষ।
এখন আপনারা যোগ কইরা হিসাব কইরা কন "পার্শ্ববর্তী দেশের আদলে এবং সহযোগিতায় নতুন বাহিনী তৈরী করতে" বিলুপ্ত করা উচিত কোন বাহিনীকে?
--------------------
ব্যানানা বাংলাদেশ-১http://www.somewhereinblog.net/blog/troublekid/28931880
লেখক বলেছেন: পরিসংখ্যানটা কৌতুহলজনক। আপনার লিঙ্কটা ঠিকমতো আসে নাই। পুনর্বার দিয়ে যান।
রিফাত হোসেন বলেছেন:
ধন্যবাদ পোষ্ট এর জন্য যদিও পোষ্ট থেকে এখানকার মন্তব্যগুলি গুরুত্বপূর্ণ ।বিডিআর এর নামের পরিবতর্ন করে আর কি হবে, কিছুই হবে না ।
কাপড় পরিবতর্ন কি হবে কিছুই হবে না ।
কি হবে শুনি?
*করতে বে তা হল, কমকর্ত সব বিডিআর কর্মীকে দ্রুত বিচার করে ছাটাই করে ফেলতে হবে । তারপরবর্তীতে নতুন Fresh বিডিআর কর্মী নিয়োগ করা হবে । যা পৃথীবার অন্যন্যা দেশেও করা হয়, যখন নতুন মালিক আসে, তবে অভিজ্ঞদের ছাটাই করা হয় না ।
এক্ষেত্রে যারা নিদোর্ষ অথার্ত যারা এই অভ্যুত্থান এ অংশগ্রহণ করে নাই, তাদের চাকরি বহাল রাখা যেতে পারে ।
আর বিডিআর কে আর আর্মির সংস্পর্শে না রেখে । একক নির্ভরশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে তৈরী করা যেতে পারে, এতে তাদের বিদ্বেশ মনোভাবটা কমে যেতে পারে, আর বেতন আর অন্যন্যা সুযোগ বাড়ানো যেতে পারে ।
এগুলো করা হলে আর বিডিআর বিলুপ্ত করার প্রয়োজন হবে না ।
আর প্রয়োজন হবে না আরেকটি ফোর্স তৈরী করার বিডিআর এর জায়গায় ।
* এই কাজ করতে অবশ্যই ভারতের সহযোগীতা লাগবে না ।
লেখক বলেছেন: একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বাহিনীর যে কোনরকম সংগঠন এবং সংস্কার রাষ্ট্রের বাইরের কাউকে মিত্র মেনে খুশি করে করা যায় না।
এই দেশটির ভবিষ্যত সম্পর্কে কেউ কিছু জানিনা।
কারো উপর ভরসা রাখতে পারছিনা।
দেশের ১৫ কোটি মানুষগুলোই যদি এই মাটিকে টিকিয়ে রাখার জন্য এগোয় তবেই হয়তো সাড়ে ৫৫ হাজার বর্গ মাইল টিকে থাকবে।
লেখক বলেছেন: হাঁ, সচেতনতা জরুরী।
ফালতু মিয়া বলেছেন:
বিডিআরে নাম পরিবর্তন করে বা এদের সবাইকে ক্রিমিনাল বলার অধিকারে ঐ মন্ত্রীকে কে দিল। এথেকেই বোঝা যায় বর্তমান সরকাররে উদ্দ্যেশ্য কি?সীমান্ত রক্ষায় বিডিআরের জুড়ি নেই। মনে রাখা দরকার বিগত আওয়ামীলীগের শাসন আমলে রৌমারী-পাদুয়ায় বিডিআর বাহিনী বিএসএফকে কি উচিত শিক্ষা দিয়েছিল। যার অর্ন্তজ্বালার কারণে তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছিল আজকের এই আওয়ামীলীগ নেত্রী শেখ হাসিনা। শুধু এটা করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি, ভারতের কাছে দুঃখ প্রকাশ পর্যন্ত করেছিল।
কাজেই উক্ত মন্ত্রীর মতো দেশদ্রোহী রাজাকার দেশে আছে বলেই আজ আমরা সীমান্ত বাহিনী নিয়ে শংকার মধ্যে আছি।
লেখক বলেছেন: হাঁ, শংকার মধ্যে আছি।
তরিকুল হুদা বলেছেন:
এই তাফালিঙের অভিমুখ কোন দিকে তা অনেকেরই ভালো জানা আছে। ফারুক যথার্থই বলেছেন। প্রশ্নটা তাই পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্হান নয়, বরং কিভাবে প্রতিরোধ করা যায় স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্বের বিরুধ্বে এই হামলাকে- এটা বুঝা। তবে কে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্বের পক্ষে বা বিপক্ষে- তা এই প্রশ্ন ধরে খুব সহজেই বুঝা যাবে।আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: প্রশ্নটা তাই পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্হান নয়, বরং কিভাবে প্রতিরোধ করা যায় স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্বের বিরুধ্বে এই হামলাকে- এটা বুঝা।
ঠিক আছে।
হালকার উদ্ভব ভারী থেকে
সব আন্দোলনের উৎস স্হিরতা।
গুরু সারাদিন কাটিয়ে দেন ভ্রমণে
ঘর থেকে যদিও তার পা বাইরে পড়ে না
দৃষ্টিভঙ্গির উজ্জ্বল আলো নিয়ে
তিনি তো অবস্হান করেন নিজের ভেতর।
দেশের প্রভুরা সতত অস্হির কেন
পায়চারি করে বোকাদের মতো?
যদি ভেতরে তুমি অস্হির আর দূরবর্তী হয়ে পড়
তবে তুমি হারাবে উৎসের প্রশান্তি।
যদি কেবল ছুটতে থাক হে অস্হির
হারাবে আপনারে আপন মর্মমূল থেকে।
লেখক বলেছেন: এই পোষ্টে কবিতা!!!! যাই হোক, একটি লাইন কোট করলাম এখান থেকে: দেশের প্রভুরা সতত অস্হির কেন পায়চারি করে বোকাদের মতো?
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
তাহলো তো জাতি রাষ্ট্র সার্বভৌমত্বের ছবক নতুন করে শিখতে হয়।
বি ডি আর পুর্নগঠনের মধ্য দিয়ে বুঝা যাবে দেশ কোন দিকে যাবে। শুধু বুঝা যাবে তা-ই নয় পুরানো লড়াই নতুনভাবে শুরু করতে হবে।
লেখক বলেছেন: পুরানো লড়াই নতুনভাবে শুরু করতে হবে।
প্রতিদিন বলেছেন:
এই মুহূর্তে বিডিআর বিলুপ্তির যে কথা উঠতাছে তারে প্রতিরোধ করন দরকার মনে করি। যদি আওয়ামী লীগ তার অবস্থান থেইকা সরে না আসে, তাইলে এই গণশত্রুরেও প্রতিরোধের খাতায় রাখতে হইবে। এই দিন বদলের গোষ্ঠিরে কিলাই।
লেখক বলেছেন: যদি আওয়ামী লীগ তার অবস্থান থেইকা সরে না আসে, তাইলে এই গণশত্রুরেও প্রতিরোধের খাতায় রাখতে হইবে।
সেটাই।
জাতেমাতাল বলেছেন:
...বিডিআর বিলুপ্তির বিষয়ে মন্ত্রী মহোদয়ের এই মতামতের পক্ষে বা বিপক্ষে আপনার অবস্থান, এই অবস্থানের কারণ এবং এর সাম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে আপনার আলোচনা জানতে চাই। সকল ব্লগারদের অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি।......আলোচনা বহুদুর এগিয়ে গেছে, রিফাত ভাই সবার অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধও করেছেন... কিন্তু মন্ত্রী মহোদয়ের উক্ত বক্তব্যের কোন সুত্র, উনার নাম, প্রসঙ্গ এবং সম্ভব হলে লিঙ্ক ইত্যাদি দেওয়াও উচিত ছিল। তাহলে আমরা উক্ত বক্তব্যের বিশ্লেষনপুর্বক যথাযথ মতামত দিতে পারতাম।
রিফাতভাইয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করছি...
লেখক বলেছেন: গত ০৪ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে চ্যানেল আইসহ সব ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় বাণিজ্যমন্ত্রীর এ বক্তব্য প্রচারিত হতে আমি দেখেছি। আমি প্রিন্ট মিডিয়াগুলো ফলো করি নাই, তাই কোন লিঙ্ক দিতে পারছি না। দুঃখিত।
ননাই বলেছেন:
ভাল। সীমান্তে বিএসএফ’র পারফরমেন্স আমাদের বিডিআরগো শিখনের কাম আছে। তয় বিএসএফ’র পারফরমেন্স লইয়্যা খোদ ভারতই আরাম পায়, ইতিহাস এমনটা কয়না।
বিডিআর গো শিখনের লাগি বিএসএফ হইব লজিং মাস্টর। আমাদের এই জায়গায় লজিং মাস্টরগো ঘরের মাইয়্যা ভাগনের ইতিহাস আছে। তা-ই ভয়।
শিয়ালরে মুরগি বাগা দেওনের কাম কি আমি বুঝিনা।
লেখক বলেছেন: বিডিআর গো শিখনের লাগি বিএসএফ হইব লজিং মাস্টর। আমাদের এই জায়গায় লজিং মাস্টরগো ঘরের মাইয়্যা ভাগনের ইতিহাস আছে। তা-ই ভয়।
সেটাই।
রিফাত হোসেন বলেছেন:
হেহেহেহ
লেখক বলেছেন: হাসেন কেন?
দিগন্ত বলেছেন:
বিডিআর বিলুপ্ত করে সীমান্ত রক্ষার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশের আদলে এবং সহযোগিতায় নতুন বাহিনী তৈরী করা হবে।- এই বক্তব্য কে করেছেন ও এর সূত্র কোথায়? আমি বাংলাদেশী নই তবে আমাদের দেশের হলে এরকম বক্তব্যের কারণেই এই ব্যক্তিকে পদত্যাগ করানোর জন্য মিছিলে সামিল হতাম।
লেখক বলেছেন: উপরে জাতে মাতালের প্রশ্নের উত্তরে বলেছি।
রিফাত হোসেন বলেছেন:
দিগন্ত কি সাহেব না দাদা`?
লেখক বলেছেন: অপ্রয়োজনীয়।
জুল ভার্ন বলেছেন:
বিডি আর গুনে মানে এবং ঐতিয্যে আর্মী থেকে অনেক বেশী ভালো, অনেক বেশী যোগ্য-সর্বপরি ভারতীয়দের ত্রাস হলো বি ডি আর। তাই বি ডি আর কে ধংশ করার একটা চক্রান্ত ছাড়া আর কিছুই নয়। যারা বি ডী আর'র পোষাক এবং নাম বদলাতে চান-তারা পার্শবর্তী দেশের দালাল বৈ অন্য কিছু নয়।
লেখক বলেছেন: যারা বিডিআর'র পোষাক এবং নাম বদলাতে চান- ভদ্রতার খাতিরে তাদেরকে পার্শ্ববর্তী দেশের দালাল না বলতে পারি, অন্তত এটুকু বুঝি তারা পার্শ্ববর্তী দেশের এজেণ্ডা বাস্তবায়ন করছে।
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন:
পুলিশের ড্রেসের কালার পরিবর্তন করবার পরে যা হয়েছিল, তাই হবে।
লেখক বলেছেন: এই মন্তব্যটা বুঝি নাই। অনুগ্রহপূর্বক বিস্তারিত বলবেন?
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন:
পুলিশের ড্রেসের কালার পরিবর্তন করে যা হয়েছিল, বিডিআর পরিবর্তন করে অন্য বাহিনী তৈরি করলেও সেম ঘটনা ঘটবে।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। কিন্তু আমি বুঝতে পারি নাই যে, তখন কী ঘটেছিল এবং যা ঘটেছিল তারে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করেন? এবং বর্তমান বিডিআর ঘটনাকেও আপনি কি একইভাবে দেখেন? পোশাক পরিবর্তন (যার পিছনে বিডিআরের মত কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না) আর একটি বাহিনীরে বিলুপ্তি ঘটিয়ে নতুন বাহিনীর সৃষ্টি করা- একই ব্যাপার হলো?
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন:
বিডিআর বিলুপ্তির বিষয়ে মন্ত্রী মহোদয়ের মতামতের বিপক্ষে আমার অবস্থান এবং এরকম বক্তব্যের কারণেই এই ব্যক্তিকে পদত্যাগ করানোর জন্য মিছিলে সামিল হতে রাজি (দিগন্ত যথার্থ বলেছেন) ।ছেলের অসুস্থার কারনে ( Click This Link) বিস্তারিত মন্তব্য লেখার মত মন নেই । দুঃখিত ।
লেখক বলেছেন: আপনার ছেলের সুস্থতার জন্য দোয়া করি। আর আপনি যথার্থই বলেছেন।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
ঠিকই আছে। এতগুলান আর্মি অফিসার মারতে না পারলে তো আর ভারতের সহযোগিতায় নতুন বাহীনি গড়ার সুযোগ পাওন যাইতো না।
লেখক বলেছেন: সেটাই।
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
এতগুলান আর্মি অফিসার মরে যাওয়ায় এই দেশের ভেতর কার কি লাভ হইছে তাও বের করা দরকার। দেখতে হবে বি ডি আর পুনর্গঠনে বি এস এফ'র সাহায্য নিলে এদের কি কি লাভ হয়?
লেখক বলেছেন: আর কী কী বিষয় আপনার গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়?
খারেজি বলেছেন:
ফারুক ওয়াসিফ এর মন্তব্যটি (ইউনাইটেড স্টেটস আব ইন্ডিয়া সংক্রান্ত) প্রথমত রাজনৈতিক বিবচনায় দুর্বল ও অপটু হয়েছে।
দ্বিতীয়ত এটা এমন হিস্টিরিয়া ছড়ায় যা শেষবিচারে জামাত-বিএনপি জোটের ঝোলায় তাৎক্ষনিক রসদ জোগায়।
লেখক বলেছেন: তাহলে খারেজী, আপনার মন্তব্যটি শুনতে হয়। আর একটি বিষয় বুঝতে আমার খুব অসুবিধে হচ্ছে যে, শেষবিচারে জামাত-বিএনপি জোটের ঝোলায় তাৎক্ষনিক রসদ জোগায় স্রেফ এই অজুহাত তুলেই একটি বিষয়ের মোকাবেলা করতে চান কেন?
সন্ন্যাসী কবি বলেছেন:
আমি বিডিআরের নাম পরিবর্তন বা বিডিআর বিলুপ্তির বিরুদ্ধে। তবে হাঁ যারা অপরাধী
তাদের কে ন্যায় বিচারের মাধ্যমে শাস্তি দেয়া হোক।
কারন বিডিআর বিদ্রোহের পিছনে যত গুলো উদ্দেশ্য কাজ করেছে তার মধ্যে বিডিআর
বিলুপ্তি অন্যতম। ষড়যন্ত্রের মূল কারন ৩ টি ছিলো। ১,২ ব্যর্থ হয়েছে এখন তিন নম্বরটা
বাস্তবায়িত করার জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: বিডিআর বিদ্রোহের পিছনে যত গুলো উদ্দেশ্য কাজ করেছে তার মধ্যে বিডিআর বিলুপ্তি অন্যতম। আপনার এই মতামতটি মোটামোটি সত্য মনে করি। কিন্তু অপর দুটি কারণ কী মনে করেন আপনি?
লেখক বলেছেন: নামে কী যে আসে যায়, আমার গত পোষ্টে সেটিই আলোচনা করার চেষ্টা করেছি।
বাঙ্গাল বলেছেন:
আমার পরিসংখ্যানে একটু কারেকশন আছে...র্যাবের ক্রসফায়ারে মারছে ৩০০ এর উপরে, উল্লেখ্য র্যাব মূলত একটি সেনাবাহিনী চালিত প্রতিষ্ঠান। -----------------
ব্যানানা বাংলাদেশ-১
Click This Link
লেখক বলেছেন: আপনার লেখাগুলো পড়েছি। খুব ভাল পর্যবেক্ষণ আর বিশ্লেষণ আপনার। পুরোপুরি সহমত আপনার সাথে।
রিফাত হাসান বলেছেন:
আমরা নতুন কোনভাবে বিডিআরের ইতিহাস পড়ব শীর্ষক পোষ্টে মনজুরুল হক বিডিআর বিদ্রোহ বিষয়ক আলোচনাটায় বিশেষ ধরণের ট্যাগিংয়ের অভিযোগ করেছেন। আমি তার উত্তরে বলেছিলাম: আপনার এই বিশেষ ধরণের ট্যাগিং চিহ্নিত করাটারে আমি দেখি পলায়নপরতা হিশেবে। নীচে ঘোর কলি-যুগ এইটারে খুব ভালভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছেন। তাই তার থেকেই কোট করি। আমারো প্রশ্ন, রাষ্ট্রগঠনের আবশ্যিক শর্তকে আমরা আজো মানসিকতার সমস্যা বলে চিহ্নিত করতে অভ্যস্ত কেন? কলিযুগ থেকেই পড়ুন, এখানে আপনি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কর্তাব্যক্তিদের কথাবার্তা ও কর্মকান্ডের গতিধারার যে ব্যাখ্যা করেছেন তাতে একদল ট্যাগিং বিষয়ক আলাপ তুলে নিজেদের যে অবস্থানটা খোলাসা করলেন তাকেই বরং মানসিক দূরবস্থার চিত্র বলা যায়। আগেই ধরে নিয়েছেন ভারতের বিরোধিতা করা যাবেনা। তাতে অসাম্প্রদায়িক(সেল্ফ স্টাইল ট্যাগিং) থাকার সার্টিফিকেটই বুঝি হারাতে হয়! নিজের ট্যাগিং বাচাইতে অন্যের উপর সিল মারা আরকি। এটা বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের ক্লাসিক খাসিলত-- প্যাথলজিক্যাল ফিচার।তবে আপনার এই কথাটি সত্য মনে করি: বিডিআর ইস্যুটা এখন আর কোন বিশেষ বাহিনীর ভেতরকার ইস্যুতে সীমাবদ্ধ নেই। তবে যেটা খণ্ডিত মনে হয়েছে সেটি হল এটিরে স্রেফ সামগ্রীক সমাজবাস্তবতার দলিল বলে অভিহিত করে। সমাজ আর রাষ্ট্রের বিবেচনারে একটা নির্দিষ্ট পরিসর পর্যন্ত ভীন্ন পর্যালোচনার জায়গা মনে করি। উপরে খারেজীর উত্তরে বলেছি: বিডিআর পুনর্গঠনের ভাবনা স্রেফ বাহিনীর স্বার্থ হিশেবে দেখি না, ব্যক্তি মানুষ নয়, কালেক্টিভ মানুষ, যারে আপনি জনগণ বলেন, যার রাজনৈতিকতার আপাত প্রকাশ রাষ্ট্রে, তার সংকট হিশেবে দেখি।
লেখক বলেছেন: ধীরে ধীরে উল্লেখিত পোষ্টে অন্যান্য কিছু ব্লগারের জরুরী মন্তব্যও এখানে সংযুক্ত করে দেব বলেছিলাম।
রিফাত হাসান বলেছেন:
কৌশিকের মন্তব্য ছিল: আপনার আগের পোস্টে আমি মন্তব্য করেছিলাম "নাম পরিবর্তন বিষয়ক আমার ধারণা স্রেফ কর্পোরেটিজম, বিদ্রোকে লিগাল ধরলে নাম পরিবর্তন আবশ্যক নয়।" এটাকে একটু ব্যাখ্যা করা দরকার।
আমি বোঝাতে চেয়েছি বিদ্রোহকে যদি সাধারণ মানুষ শেষপর্যন্ত মেনে নেয় বা নিত, তবে বিডিআর নামটা বরঞ্চ আইকনিক ও প্রতিবাদের প্রতীক হতে পারতো। কিন্তু বিডিআর এর কর্পোরেট ইমেজও দেখা যায়, ডালভাত কর্মসূচী, মেগাশপ ইত্যাদি কল্যানে - সেহেতু এটা বিদ্রোহ বা ষড়যন্ত্র যা বলেই প্রতিষ্ঠিত হোক ইতিহাস বা বর্তমান তদন্ত ফলশেষে, বিডিআর এর নাম পরিবর্তন অভ্যণ্তরীণ ব্যবস্থাপনা ও প্রচারণার ক্ষেত্রে উপ বা সহযোগী হবে, ব্রান্ডিং ইমেজ পুনরুদ্ধারের মত।
স্বাধীন রাষ্ট্র পাশ্ববর্তী বৃহৎ রাষ্ট্রকে ভয় পাওয়া একদমই প্রাকৃতিক নিয়মে ঘটে থাকে। বৃহৎ বৃক্ষের ইচ্ছে না থাকলেও ছায়াতলের লতাগুল্মকে সে তার নিজের অস্তিত্বের কারণেই বিপন্ন করে ফেলে। ভারত জুজু অথবা ভারত-লিনিং হওয়া নিয়ে যেকোন বিতর্কই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে। বর্তমান বিশ্ব-রাষ্ট্র ব্যবস্থায় নিজের দেশ ছাড়া বাকী সব দেশই ভিন্ন আরেকটা পক্ষ। সব দেশই এভাবে ভাবে....। এখন আমাদের অর্থনৈতিক জোট নিয়ে বরঞ্চ ভাবার সময় হয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশে অভিন্ন মুদ্রা, শ্রম, সন্ত্রাস প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাথমিক প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করতে হবে।
রিফাত ভাই - এ বিষয়টা নিয়ে বরঞ্চ ভাটা জরুরী মনে হচ্ছে। অর্থনৈতিক জোট - রাজনৈতিক অবস্থানের ক্ষেত্রে শত্রু মনোভবকে পরিহারে সহায়তা করে।
লেখক বলেছেন: এর উত্তরে আমরা বলেছি:
বিদ্রোহকে লিগাল ধরলে নাম পরিবর্তন আবশ্যক নয়- এই বাক্যটিরে তখন একটু খোলাসা করতে অনুরোধ করেছিলাম। এখনো পুরোটা পরিস্কার হলো না। তবুও আমার মতামত খোলাসা করি।
বিডিআর এর অভ্যন্তরে নানারকম বিভেদ এর অনুভূতি এবং অসন্তোষ জারি ছিল, এই বিদ্রোহ যদি তার নৈতিক দিকটা ধরে রাখতে পারত, তাহলে এটিরে আমি সেনাবাহিনী বনাম বিডিআর সঙঘাত নাম দিতাম না কখনোই, সুবিধাভোগি অফিসারদের বিরুদ্ধে সাধারণ জোয়ান শ্রেণীর প্রতিবাদ বলতাম। এখনো ঐ বিদ্রোহের যাবতীয় ক্রিমিনালাইজেশনের পরও আমি মনে করি, এর মধ্যে সেই বীজ লুকায়িত ছিল, এবং এটিরেই ব্যবহার করেছে তৃতীয় সুবিধাভোগি পক্ষ। জোয়ানদের অধিকার বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভকে পুঁজি করে সেই তৃতীয় পক্ষ সেনাবাহিনী আর বিডিআর দুটি ডিসিপ্লিনকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে ফেলার জন্য।
আপনার অবগতির জন্য বলি, সাধারণ মানুষ এখনো এবং সবসময়ই বিডিআর এর প্রতি সহানুভূতিশীল, এমনকি আপনি দেখেছেন বিদ্রোহের প্রথম প্রহরে মানুষের মধ্যে তাদের প্রতি কী আবেগ আর সহমর্মীতা ছিল সারাদিন, এটা ছিল বিগত দুই বছরের সেনা অরাজকতার প্রতি মানুষের ক্ষোভ এবং বিডিআরের প্রতি মানুষের ভালবাসার বহির্প্রকাশ। এটির কারণ হলো, বিডিআর সেই বাহিনী, যারা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সীমান্ত শত্রুকে মোকাবেলা করে, প্রাণ দেয় এবং সীমান্ত ও দেশকে নির্ঘুম পাহারা দিয়ে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করে। বাংলাদেশের ডিসিপ্লিন্ড বাহিনীগুলোর মধ্যে বিডিআরই হলো একমাত্র বাহিনী যাদের ভিতরে ঐতিহাসিকভাবে এবং ঐতিহাসিক প্রয়োজনেই দেশপ্রেম নামে একটি বিষয় স্পিরিট হিশেবে প্রতি মুহূর্তে জারি ছিল, সীমান্ত শত্রুর সাথে মোকাবেলার সময়, রাষ্ট্রের সীমান্তকে রক্ষা করার ঐতিহাসিক দায়িত্ব নিয়ে, জীবন দিয়ে, যা তারা প্রতিনিয়ত প্রমাণ করে।
আর কোন বিদ্রোহ কখনোই লিগ্যেলি সেটলম্যান্ট হওয়া সম্ভব নয়। আইন কোন বেয়াদবীকে প্রশ্রয় দেয় না। তাই আইন এবং বিদ্যমান ব্যবস্থাকে পরিবর্তনের যে কোন লড়াই আইনকে না মেনেই করতে হয়। তাই বিদ্রোহ লিগ্যাল কি ইলিগ্যাল এই আলোচনা ধরে বিডিআর বিদ্রোহকে বুঝা যাবে না। কিন্তু কেন নাম পরিবর্তন আবশ্যক হয়, এটিরে আপনি উত্তর দেয়ার চেষ্টা করেছেন আপনার এই প্রশ্নরেও ফাঁকি দিয়ে। বলেছেন এটিরে স্রেফ কর্পোরেটিজম মনে করেন, বিডিআর এর নাম পরিবর্তন অভ্যণ্তরীণ ব্যবস্থাপনা ও প্রচারণার ক্ষেত্রে উপ বা সহযোগী হবে, ব্রান্ডিং ইমেজ পুনরুদ্ধারের মত।
প্রথম কথা: আমি এটিরে কর্পোরেটিজম মনে করি না। একটি দেশরক্ষাবাহিনীর ভিতরে কর্পোরেটিজম আনার প্রশ্নটিই এটিরে হত্যা করার নামান্তর। এমনকি ডালভাত কর্মসূচী, মেগাশপ ইত্যাদি কার মস্তিস্কের ফসল এখনি তদন্ত করা দরকার। বিডিআরের কাজ সীমান্ত পাহাড়া দেওয়া, ডাল বিক্রি করা নয়। বিডিআর কোন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান নয়, বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে প্রচুর অভ্যুত্থান, ক্যু, এবং গুপ্তহত্যা হয়েছে, এইসব লিগ্যালি বিবেচনা সম্ভব নয়, তাই বলে আপনি সেনাবাহিনীর ব্রাণ্ড ইমেজ পুনরুদ্ধারের নামে সেনাবাহিনীর নাম পাল্টানোর মত আজগুবি প্রস্তাব দিয়ে বসবেন না, যেমন দিচ্ছেন বিডিআর এর বেলায়।
আমি বলেছি, এটি বিডিআর এর গৌরবময় ইতিহাসকে মুছে দেওয়ার এবং আত্মহত্যার নামান্তর। বিডিআরকে ইতিহাস থেকে মুছে দেওয়ার চেষ্টাগুলোর সাথে মুক্তিযুদ্ধে বিডিআরের তিন জন বীর শ্রেষ্ঠ, রৌমারীর যুদ্ধসহ অসংখ্য ঘটনা কি ইতিহাসে আগের মত থাকবে? মুক্তিযুদ্ধে বিডিআরের অবদানকে আমরা নতুন কোনভাবে ইতিহাসে পড়ব? যখন বিডিআরই নেই!
রিফাত হাসান বলেছেন:
ঘোর-কলিযুগ বলেছেন: মুশকিলটা এখনো রয়ে গেছে একদম মূলে, গোড়ার জায়গায়। এই যে আপনি কথা পাড়ার সাথে সাথে ট্যাগিং বিষয়ক ঝামেলায় আটকালেন, থেমে যেতে হচ্ছে, এটা হলো সেই সংকটেরই চরিত্র লক্ষণ যেখানে এখনো 'জাতীয়' বলে অভিন্ন ও অবিভাজ্য কোনো সম্প্রদায় চেতনা অস্তিত্ব লাভ করতে পারেনি। দুই দিক থেকেই।যাঁরা মনে করছেন আপনি আদতে একটা ভারত বিরোধি মানসিকতার লোক, তাদেরকে আপনি প্রশ্ন করতে পারছেন না যে বাংলাদেশের যে-কোনো নাগরিক ভারত তথা এই জনগোষ্ঠীর বাইরে আলাদা রাজনৈতিক অস্তিত্ব নিয়ে বর্তমান সব-রাষ্ট্রকে কেন শত্রু জ্ঞান করবে না? কেন রাজনৈতিক চেতনার প্রশ্নটিকে; রাষ্ট্রগঠনের আবশ্যিক শর্তকে আমরা আজো মানসিকতার সমস্যা বলে চিহ্নিত করতে অভ্যস্ত? কেন আমরা বলতে ভয় পাই যে আমাদের স্বাধীন এবং আলাদা অস্তিত্ব মানেই বিরোধপূর্ণ স্বার্থের স্বীকৃতি। বিরোধ আছে বলেই আমরা এখনো আলাদা। বিরোধিতা তো করতেই হবে।
এখন যদি কেউ মনে করে যে বাংলাদেশ রাষ্ট্রসত্তার অংশিদার হয়েও সে অন্য কোনো রাষ্ট্রকে শত্রুজ্ঞান করতে ইচ্ছুক নয় তখন বরং সেই না চাওয়া নিয়েই প্রশ্ন তোলা দরকার।
তো, ঐতিহাসিক এবং ভূরাজনৈতিক কারণে, আমাদেরকে বেষ্টন করে থাকার পরিপেক্ষিতে পাশ্ববর্তি রাষ্ট্র হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই যুক্ত হওয়া বেশকিছু স্টেক থাকার কথা যা অন্য রাষ্ট্রের সাথে মিলবে না। যেমন সিমান্ত বিরোধ। ফলে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষার অন্যতম প্রধান অংশ বিডিয়ার'র সাথে মূলত ভারতেরই স্টেক জড়িত থাকবে, আছে। এটা ষড়যন্ত্র খোঁজার বিষয় নয়। তারপর আসে নির্দিষ্ট ঘটনার বেলায় ফ্যাক্টস বাই ফ্যাক্টস বিশ্লেষণ।
এখানে আপনি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কর্তাব্যক্তিদের কথাবার্তা ও কর্মকান্ডের গতিধারার যে ব্যাখ্যা করেছেন তাতে একদল ট্যাগিং বিষয়ক আলাপ তুলে নিজেদের যে অবস্থানটা খোলাসা করলেন তাকেই বরং মানসিক দূরবস্থার চিত্র বলা যায়। আগেই ধরে নিয়েছেন ভারতের বিরোধিতা করা যাবেনা। তাতে অসাম্প্রদায়িক(সেল্ফ স্টাইল ট্যাগিং) থাকার সার্টিফিকেটই বুঝি হারাতে হয়! নিজের ট্যাগিং বাচাইতে অন্যের উপর সিল মারা আরকি। এটা বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের ক্লাসিক খাসিলত-- প্যাথলজিক্যাল ফিচার।
ঘোর-কলিযুগ বলেছেন:
আইজকা একটা নাম পাওয়া গেসে.. বিবিএফ। এর মইধ্যে আমার প্রস্তাব হইলো একটা এস ডুকায়া দেওয়া যাতে যুইত হয়।সহযোগিতার স্বারক হিসাবে একটা প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতিও থাকলো, মন্দকি।
লেখক বলেছেন: এই নাম কই পাইলেন ভাই? ইন্টারেষ্টিং। মন্দ না। ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















ইউনাইটেড স্টেটস অব ইন্ডিয়ায় স্বাগতম।
এ বিষয়ে আপনার আগের পোস্টগুলো সমর্থন করি। এই আলাপ উত্থাপনও যথার্থ।