somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইতিহাস তর্কের কাইজ্যা, আদালত অবমাননা ও কুটনৈতিক শিষ্টাচার

০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কোর্ট কাছারির বিষয়-আশয় ও ইতিহাস তর্কের কাইজ্যা

এটি বেশ পুরনো বিতর্ক, সচেতন বুদ্ধিজীবি মহল, যারা রাষ্ট্র এবং আইন তৈরী হবার পর ঐটার উপরেই সব বিচারের ভরসা দিয়ে বসে থাকাটারে সুবিধাবাদিতা এবং মুর্খতা মনে করেন, তারা বিভিন্ন সময়ে এই বিষয়টিরে সামনে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছেন, সামাজিক, রাজনৈতিক ও ইতিহাস বিতর্কের মিমাংসা এবং কোর্ট কাছারির মিমাংসার বিষয় আশয়ের মধ্যে স্পষ্ট একটি পার্থক্য বোঝার খাতিরে। বিষয়টি শুরু করার আগে, আমার ১০ জুন ২০০৯ তারিখে লেখা একটি পোষ্টের বরাত নিতে চাই, সেই লেখাটিতে ক্ষুদ্র ব্লগীয় পরিপ্রেক্ষিতেই, সামাজিক, রাজনৈতিক ও ইতিহাস-সত্য নির্ধারণ করবার সুযোগ বা এখতিয়ার একটি ব্লগ কর্তৃপক্ষ আদৌ রাখে কিনা, সেই প্রশ্ন তুলেছিলাম। সামইন কর্তৃপক্ষের একটি মন্তব্য প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে আমার কথাগুলো ছিল এরকম: সামাজিক, রাজনৈতিক ও ইতিহাস-সত্য নির্ধারণ করবার সুযোগ বা এখতিয়ার একটি ব্লগ কর্তৃপক্ষ বা কোন নির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক অথরিটি রাখতে পারে না। এমন কি, 'ইতিহাস বিকৃতি' বলতে যা বুঝাতে চায় সামহোয়ারইন, মোটা দলীয় অর্থে, আওয়ামীলীগ আর বিএনপির কৌতুককর ইতিহাস-বিতর্কের সাথে তা মিলে যায়। প্রসঙ্গত: দুই দলের প্রতিষ্ঠাতাকেই তারা নিজেরা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক মনে করে। এই মোটা দলীয় মাপের ইতিহাস চর্চা এবং তা ব্লগারদের উপর চাপিয়ে দেওয়াটা ব্লগ কর্তৃপক্ষের জন্য উচিত কাজ হতে পারে না। এবং যদি তারা এরকম কাজ করেও, তা প্রকৃত অর্থে অসার হাস্যকর কর্মকাণ্ডে পরিগণিত হবে, এবং এর কোনকিছুই ইতিহাস-সত্য এবং সামাজিক রাজনৈতিক বিতর্কের মিমাংসার জন্য নূন্যতম কাজে লাগবে না। বরং ভবিষ্যত ইতিহাস চর্চায় হেজিমনি তৈরী করবে।

তারও আগে, বিভিন্ন লেখালেখিতে জামাত রাজনীতির বিচার প্রশ্নে, আইন ও কোর্ট কাচারির শরন নেওয়ার বিষয়েও আমরা এ বিতর্কটাকে উসকে দিতে চেয়েছি, যে, এটি আইন-কোর্ট কাছারির মাধ্যমে সমাধা হবার বিষয়, নাকি রাজনৈতিকভাবে সমাধার বিষয়। একটা রাজনীতির মোকাবেলা কি আমরা রাজনীতি দিয়ে করবো, নাকি কোর্ট কাছারির হাইকোর্ট দেখিয়ে। অর্থাৎ এই চলমান বিতর্কটি খুবই জরুরী প্রপঞ্চ হিশেবে হাজির হয়েছে সবসময় আমাদের কাছে, রাজনীতিবিদ-বুদ্ধিজীবি-আইন ব্যবসায়ী সবার মূর্খতা এবং অথবা সুবিধাবাদিতা ও ফ্যাসিবাদি মনোবিকারের কারণে। এই মনোবিকারের শিকার কখনো কখনো ‘মাননীয়’ হাইকোর্ট পর্যন্ত স্পর্শ করেছে।

এবার, গত ২১ জুন ২০০৯ তারিখে ক্ষুদ্র ব্লগীয় পরিসরে নয়, নতুন করে পুরো বাংলাদেশের সামনেই এই বিতর্কের নতুন প্রেক্ষিত তৈরী হলো, হাইকার্টের একটি বিতর্কিত রায়ের পটভূমিতে। এই তারিখে, হাইকোর্ট বিভাগের একটি ডিভিশন বেঞ্চ আমাদের কথিত সেইরূপ সামাজিক ও ইতিহাস বিতর্কের মিমাংসার দায়িত্ব নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে রায় দেন। আদালতের রায় ছিল এরকম: '১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা দেন।' উল্লেখ্য, স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধ, সর্বোপরি বাংলাদেশের ইতিহাস এবং ভূখণ্ডের উপর জমিদারি করার ইচ্ছে আওয়ামীলীগের বেশ পুরনো। বঙ্গবন্ধু এবং একই সাথে বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে সবচেয়ে বড় ঠাট্টা সারল আওয়ামীলীগ, তাঁকে স্বাধীনতার ঘোষক বানানোর জন্য জনগণকে ‘হাইকোর্ট’ দেখিয়ে। অনেকেই এটিরে স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে আওয়ামীলীগ-বিএনপির ফালতু ক্যাঁচালিতে হাইকোর্টের যোগদান হিশেবে অভিহিত করবে, এবং হাইকোর্টের মানও ক্ষুন্ন হবে নিঃসন্দেহে, যেই মান সম্মান সম্পর্কে ইদানীং আওয়ামীলীগের লোকজন এবং স্বয়ং হাইকোর্টের অনুভূতিও টনটনে। কথায় কথায় আদালত অবমাননার মামলা করেন এবং সমন জারি করেন।

যাই হোক, শেখ মুজিবুর রহমান আদৌ সেই সময় কোন স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন কিনা, অথবা জিয়াউর রহমান নামের একজন সৈনিক এর অবদান ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে কতটুকু- এইসব মোটা দাগের তর্ক ইতিহাসবিদরা করুন, এই তর্কের মিমাংসা এই নোটের উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু,আইন এবং কোর্ট কাচারির বিষয়-আশয় আর সামাজিক, রাজনৈতিক এবং ইতিহাস বিতর্কের বিষয় আশয়ের মধ্যে যে পার্থক্য, তা একটু টুকে নেওয়াটাই এই নোটের উদ্দেশ্য। অমাদের মাননীয় হাই কোর্ট এর বিচারকগণ যদি এই বিষয়টিই খেয়ালে না রাখেন, অর্থাৎ আদালতের এখতিয়ারের চৌহদ্দিটুক সম্পর্কে ওয়াকিবহাল না থাকেন, কোনটা রাজনৈতিকভাবে অথবা একাডেমিশিয়ানদের বিতর্কের মাধ্যমে সমাধা হবার বিষয়, আর কোনটা কোর্ট কাছারির মাধ্যমে সমাধা হবার বিষয়, তাহলে তারা এই মোটা দলীয় মাপের ইতিহাস রচনার কাজেই ব্যবহৃত হবেন, স্বেচ্ছায় বা অনিচ্ছেকৃতভাবে। স্বেচ্ছায় হবার সম্ভাবনাও যথেষ্ট আছে, মাননীয় হাইকোর্টের যাবতীয় ভাবমূর্তির প্রতি নাগরিক হিশেবে ’উচিত শ্রদ্ধা’ অক্ষুন্ন রেখেই এই সন্দেহ। কারণ, দলীয় বিবেচনায় বিচারক নিয়োগের ঘটনা বাংলাদেশের বিচার বিভাগকে কলুষিত করেছে বেশ আগেই, এমনকি কয়েকদিন আগে হাইকোর্টে যে নিয়োগ ঘটেছে, তাও মূলত আওয়ামী-ছাত্রলীগের হাইকোর্ট এক্সপানশন মনে হয়েছে সচেতন মহলের।

অথঃ আদালত অবমাননা সমাচার: ‘বিকৃত মস্তিস্ক’ আর ‘অপদার্থ’র ধারণা ও ‘মাননীয়’ হাইকোর্ট

‘আদালত অবমাননা’ নামে একটা বিষয় বেশ আলোচিত হচ্ছে হাই কোর্টের এই বিতর্কিত রায়ের পর থেকেই। উপরেই বলেছি, আওয়ামীলীগের লোকজন এবং স্বয়ং হাইকোর্টের অনুভূতিও এখন এই বিষয়ে বেশ টনটনে। বিষয়টি শুরু হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমদের পত্রিকায় প্রকাশিত একটি কমেন্টারির পর থেকে। প্রথম আলোতে প্রকাশিত তাঁর লেখার শিরোনাম ছিল: ’বিচারপতিদের কাজ কি বিচারপতিসুলভ হয়েছে?’। আদালত অবমাননার দায়ে তাঁর বিরুদ্ধে সমন জারি হল। এমাজউদ্দীন সাহেবের এই লেখাটি পড়ে আমার এই অমায়িক বর্ষিয়ান ভাল-ভদ্রলোকের বুড়ো বয়সের সুবিধাবাদিতা এবং আদালতের প্রতি তাঁর অভিমানের কারণে করুণা হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু যখন তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার দায়ে সমন জারি হল, বড়ো চমকে ওঠার পালা। পত্রিকার খবরে প্রকাশ, এই মামলার বাদী আদালতের কাছে এই বলে নালিশ করেছেন যে, ‘বিড়ালের গলায় প্রথম রাত্রেই ঘণ্টা বাঁধতে হবে’। ভাল রসিক বটেন ভদ্রলোক। এবং আদালতও, তৎক্ষনাৎ এই উঁচুমাত্রার রসিকতা অথবা ফ্যাসিবাদি মনের সমঝদার এবং সহযোগী হয়ে সমন জারি করলেন যাতে এই ‘বেচারা সাবেক উপাচার্যরূপি বেড়ালের গলা’য় ঘণ্টা প্রথম রাতেই বাঁধা যায়। আজব নয় বৈকি! কারণ এতে আজব হলে ‘মাননীয়’ আদালতের এর পরের আচরণে আজব হবার ক্ষমতা আপনি হারাবেন। পরবর্তীতে বিএনপি নেতা ’ব্যরিষ্টার’ নাজমুল হুদা ও জামাত নেতা কামারুজ্জামান এর বিরুদ্ধে একই ধরণের ‘আদালত অবমাননা’র মামলা হলো। পত্রিকাগুলোতে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ‘মাননীয়’ আদালত এই মামলা গ্রহণ না করে যা বলেছেন, রাষ্ট্রের নাগরিক সম্পর্কে সেই 'ঠাট্টা’র ভাষা একটি দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে শুনতে পারা একটি জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনকই বটে। হাইকোর্টের দায়িত্ব হল সংবিধান অনুযায়ী নাগরিকের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করা এবং নিশ্চিত করা, তা ক্ষুণœ করা মানে হল সংবিধানের জোরে হাইকোর্ট যে নৈতিক কর্তৃত্ব পায় আদেশ দেবার, সেটি নষ্ট হওয়া। পত্রিকায় প্রকাশ, আদালত এই মামলাটি না নেওয়ার কারণ হিশেবে বলেছেন, যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে তাঁরা বিকৃত মস্তিষ্ক এবং অপদার্থ। তাঁরা বহির্বিশ্বের একটি মামলার রায়ের উদাহরণ দিয়ে বলেছেন, বিকৃত মস্তিষ্ক এবং অপদার্থ-র বিরুদ্ধে আদালত অবমাননা চলে না, যার আদালত অবমাননা বিষয়েই কোন ধারণা নেই। আল্লাহ তাদের হেদায়াত করুন। আমার একটু সন্দেহ ছিল, এমন ভালগার মন্তব্যের হুবহু পুরোটা কি সত্যিই ‘মাননীয়’ আদালত করেছেন, নাকি কোর্টের স্পোকসম্যান হিশেবে যেই ভদ্রলোক সেদিন মিডিয়ার সামনে কথা বলেছেন, সেই বাদির আইনজীবির অতিকথন । যাই হোক, কোর্ট তাদের জন্য আল্লাহর কাছে হেদায়াত চেয়েছেন। আমরাও দোয়া করতে পারি, আল্লাহ, জগতের সকল অজ্ঞানকে হেদায়াত করুন আর হাইকোর্টকে মুক্তি দিন তাদের বিচারিক কাজকর্ম থেকে, তাঁরা তো আপনারই কাছে হেদায়াত চেয়েছেন, বিচারের মত জটিল কাজ তাঁদের ঘাড়ে চাপিয়ে তুমি বড় অন্যায় করেছো। আমেন। (নাজমুল হুদা একজন সিনিয়র আইনজীবী এবং কামারুজ্জামান দীর্ঘদিন রাজনীতি করা ঘাঘু লোক- ‘মাননীয়’ আদালত তাদেরকে ‘নাদান’ এবং ‘মুর্খ’ বলে মামলা বাতিল যদি করে দেন, তাহলে আমরা সাধারণ জনগণ যারা ‘আইন’ সম্পর্কে অকাটমুর্খ, তাদের বিরুদ্ধে সকল মামলাও, মাননীয় হাইকোর্ট, স্রেফ আল্লাহর দরবারে হেদায়াত চেয়ে, অবিলম্বে বাতিল করে দিন। আমেন। সংবিধানের প্রশ্ন তুলবো না। এটিতো আরো জটিল জিনিশ। এটিও আল্লাই রক্ষা করবেন।)

সর্বশেষ: কুটনৈতিক শিষ্টাচার

আমাদের মন্ত্রীবর্গ কুটনৈতিক শিষ্ঠাচার একদমই জানেন না। বিশেষ করে, ডা. দীপুমণি। তিনি কোন আক্কেলে বললেন: পিনাবাবু ‘হ-য়-তো’ সেদিন কুটনৈতিক শিষ্ঠাচার ভঙ্গ করেছেন। সৈয়দ আশরাফুল হকের এই জ্ঞান মারাত্মক। তিনি এ বিষয়টিরেই নাকচ রে দিয়ে বলেছেন যে, বিদেশের কুটনীতিকরা সবসময়ই আমাদের ব্যাপারে ’খোলামেলা’ আলোচনা করে থাকেন আন্তরিকতাভরে। আল্লাহ দীপুমণিকেও হেদায়েত করুন। আমেন। আল্লাহ আমাদের সর্বময় দায়িত্ব নিয়ে নিন।



এ সম্পর্কিত আর একটি জরুরী লেখার লিঙ্ক

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫১
১৬টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×