আমার প্রিয় পোস্ট

গেরিলা কথাবার্তা

কিছু মেঘমল্লার

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৭

শেয়ারঃ
0 3 0



অনেক দিনের পর বাড়ি

পুরো এক বছর পর বাড়িতে পৌঁছুলাম, ঘন ও গভীর মধ্যরাতে। কালো মানুষের রূপের মত অন্ধকার চারিদিকে। তার ভিতরে প্রাচীন মসজিদের গম্বুজের মতো অচিন গাছের চুড়োগুলোয় মহিরূহ নিরবতা। অন্ধকারের ভিতর রিকসার টুংটাং শব্দে আরো জাঁকিয়ে বসছিল নৈঃশব্দ্য। গ্রামের পাততাড়ি গুটিয়ে সবাই একসাথে শহরে চলে আসার পর এক বন্ধুকে খুব মন খারাপ করে বলেছিলাম, আমাদের বাড়ি হারিয়ে গেছে। আসলে শহরেতো মানুষের বাড়ি থাকেনা; শহরে পান্থশালা থাকে। আমি, আজ অনেকদিন পর, সেই পান্থশালার পাট চুকিয়ে কিছুদিনের জন্য আমার নিজের ঠিকানায় বেড়াতে এলাম। ঘন, গভীর মায়া ধরানো অন্ধকারের ভিতর অনেক দূরে একটি ল্যামপোস্টের মতো আমাদের গ্রাম। ঝিঁঝির অবিরাম জিকিরের সমুদ্দুর পেরিয়ে অল্প কিছুক্ষণ পরেই বৃষ্টিভেজা অন্ধকার আর হালকা চাঁদের আলো ভেদ করে ফুটে ওঠল বাড়ি। দরজা খুলে দাঁড়ালেন আমার মা। আমি আমার মাতৃকন্দরে আশ্রয় নিলাম।

আমরা কবিতা লিখতাম।

আমরা কবিতা লিখতাম। মহামতি তলস্তয়ের একটা ভাবনা পড়ে একবার বুক কেঁপে উঠলো আমার; যারা শস্যের উৎপাদনপ্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি সংযুক্ত না, তাদের কাছে জীবনের প্রকৃত অনুভূতি কখনো ধরা দেবে না। তাঁর কথাটা পুরো মনে না-পড়লেও এরকমই কাছাকাছি কিছু বলেছেন তিনি। আমি তখন ঘটনাচক্রে কিশোর-উত্তীর্ণ বয়সেই গ্রামে ফিরে এলাম একবার। বাবা ছিলেন সরকারী চাকুরে, অবসর নিয়ে গ্রামে চলে এসে অজীবন দূরে সরিয়ে রাখা গ্রাম আর কৃষিকে আপন করে নেওয়ার দ্বিধান্বিত চেষ্টায় লিপ্ত। গ্রাম তাঁকে আপন করে না কোনভাবেই, ধানের জমিও তার সাথে অপরিচিত অতিথির মতো আচরণ করছিল। কিন্তু বাবা মৃত্যুর আগে শরীরের সামর্থ যতদিন ছিল সাধনা করেছেন, জমির মন পেতে। অবসরের প্রথম দিকে, আমি তার সেই চেষ্টায় সহযোগি হয়ে বেশ কয়েক মাস থেকে গেলাম। আর ধান চাষের জমিতে রোয়া রোপনের চেষ্টা করলাম নিজে নিজে। পৃথিবীর সেই সুন্দরতম মধুর মহূর্তগুলোকে কোন সংজ্ঞা দেওয়া যাবেনা। আহ, সেই মুহূর্তগুলোর আনন্দময় অনুভূতি এত অসাধারণ যে, তখন কবিতাকে মনে হতো তুচ্ছ ব্যাপার। মনে হতো আমি একটি এত সজিব সৃষ্টি প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত, আর কোন কিছুর সাথেই তার তুলনা হতে পারে না। বুঝলাম, আমাদের পরিচিত শব্দ জীবন'বোধ', যার থেকে বিবিধ কলা এবং সাহিত্য উৎসারিত, তা শহুরে মানুষের বুদ্ধিজীবীতা বা দর্শনের ব্যাপার, আর জীবন 'যাপন' ব্যাপারটি কৃষি কাজের সাথেই সম্পর্কিত। তবে মজার ব্যাপার হলো, কৃষক গোষ্ঠির কোন লোক যখন শহুরে মধ্যবিত্ত্বের মোটা বোধের আওতায় কিছু কথা বলে, আমরা অইটারে দর্শন বা অন্যবিধ শহুরে নাম দিয়ে বুঝতে চাই। কিন্তু, কথা হলো, ওদেরকে দার্শনিক হতে হবে কেন? দর্শন এবং এইসব ভীষণ কলা অস্থির চিত্তের অস্থিরতা। আমার মনে হল, এই জায়গা থেকে কবিতা, সাহিত্য গান শিল্পের নানান প্রকরণ এবং মানবিক তৎপরতাগুলিরে একবার সেচে দেখা দরকার।

এর একটা রজনৈতিক দিক এবং ক্ষমতাসম্পর্কও আছে। আমরা যেখানে বাস করছি, মূলত একটা কাগজের সভ্যতায়; যেটা স্রেফ কেরানিগিরি, মানে, কৃষকের ধনের হিশেবনিকেশ করেই এবং লুটপাট করেই তার সভ্যতাগিরিরে জিইঁয়ে রাখে। অথচ সেই সভ্যতায় কৃষকের কোন স্থান নেই। খাবার যোগায় কৃষক, খাবার উৎপাদন করে কৃষক, আমরা তার হিশাব নিকাশের শাস্ত্র দর্শন কবিতা সাহিত্য চিত্রকলা ইত্যাদি ফাঁপা জিনিশ শুধু ফলাই। আর কৃষক সেখানে নেই। এই যে না থাকা এবং ক্ষমতাকেন্দ্রে তাদের নাই হয়ে থাকা- এই বিষয়গুলির গুরুতর পর্যালোচনা দরকার।

মন'রে কৃষি কাজ জানো না

আসলে আমরা অই কৃষকের তুলনায় একটা ছদ্ম জীবন যাপন এমন কি যাপন না, যাপনের ভান করেছি; আর ওখানে মহত্তর কিছুই নেই। এবং যখন কবিতা লিখি, তখন কৃষকের মতো লিখতে পারি না। এই বোধ যখন আসে, তখন মনটারে ঝাঁকি দিয়ে বলি; মন'রে কৃষি কাজ জানো না...

ভাবনায় পড়ে যাই, কবিতা কেন?
তারো আগে, কবিতা কী?
তারো গভীর আগে কবিতা শিল্প কৃষিকাজ এবং মানুষের সম্ভব সকল রকম তৎপরতাগুলারে আরো গভীরভাবে ভাবতে চাই। ভাবা দরকার।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাড়ি ফেরাবাড়ি হারানোগ্রামহারানো দিনশস্যকবিতা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ডায়েরী  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মে, ২০১১ সকাল ১০:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: ঈদ মুবারক আপনাকেও।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: engreji keno?

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: দুঃখিত, আমারো একই সমস্যা হলো দেখি।

৩. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১২
সৌম্য বলেছেন: মাথা ঘুরিয়ে দেওয়া ছবি। লেখাটাও তাই। পিলাচ।
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: ছবিটা আমার না। আমি শুধু ছবিটারে ব্ল্যাক এণ্ড হোইট বানিয়েছি। তাই এর জন্য আমার কোন কৃতিত্ব প্রাপ্য নেই। তবুও পিলাচের জন্য ব্যাপক ধন্যবাদ।

৪. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৪
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে মন খারাপ ছিল, ভাল হয়ে গেলো। আপনার ভাবনাগুলো নিয়ে আসলেই ভাবা দরকার।

ঈদ মোবারক।
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: কথাট শুনে খুব খুশি হলাম। ঈদ মুবারক আপনাকেও। ভাল থাকবেন।

৫. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
নাজিম উদদীন বলেছেন: কৃষি থেকেই কৃষ্টি-কালচার, সংস্কৃতি। একে অবহেলা করা ঠিক না।
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন: সেটাই। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৬. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৭
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: লেখার প্রথম অংশটি কবিতার মতো সুন্দর। তুলনা হয় না এই বর্ণনার। পরের দুটো অংশ অনেককিছু ভাবায়, নতুন করে!

আমার বাবাও আমাকে ঢাকার স্কুল থেকে ছাড়িয়ে গ্রামের স্কুলে নিয়ে ভর্তি করেছিলেন, 'নিজের শেকড়টাকে চেনো' এই কথা বলে! সেটি ছিলো আমার জীবনের অসাধারণ এক টার্নিং পয়েন্ট। কয়েকটা বছর গ্রামে না থাকলে আমি এখন যেমনটি হয়েছি, তেমনটি হতে পারতাম না!

তবে আমি আপনার মতো সৌভাগ্যবান নই। মন চাইলেও সেই বাড়িতে আর ফেরা সম্ভব নয় আমার। পদ্মার গ্রাসে হারিয়ে গেছে বাপ-দাদার ভিটেবাড়ি, পূর্বপুরুষের কবর, মায়ের সংসার, আমার ঠিকানা।

আক্ষরিক অর্থেই এক উদ্বাস্তু মানুষ আমি এই শহরে, এই দেশে...
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: শহরে মানুষ সব সময়ই উদ্বাস্তু, এটা খুবই সত্যি। আপনার তুলনায় আমার সৌভাগ্য দেখে আমারও মন খারাপ হয়ে যায়। যদিও এটিই আধুনিক সভ্য মানুষের অনিবার্য পরিণতি, যে, তাদের বাড়ি থাকবে না। পদ্মার অনিবার্য শিকস্তির মতো, যেখানে হারিয়ে গেছে আপনার বাপ-দাদার ভিটেবাড়ি, পূর্বপুরুষের কবর, মায়ের সংসার, ঠিকানা- সব। আধুনিক সভ্যতা হলো সেই শিকস্তি। কেউ বাঁচতে পারছি না তার থেকে।

অথচ একটি কৃষিভিত্তিক সভ্যতা হতে পারতো আমাদের।

দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

৭. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:০২
নুশেরা বলেছেন: চমৎকার!

বীজের ধান চটের বস্তায় ভেজা ভেজা করে রাখতে হয়; আর্দ্রতার একটা নির্দিষ্ট মানে পৌঁছাতে হয়; আমাদের গ্রামে সেটাকে বলে "ধানের জ্বর আসছে"। বড় স্মৃতিকাতর করলো লেখাটি।

ঈদ মোবারক। ভালো থাকুন সবাইকে নিয়ে।
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: খুব মজার একটা ব্যাপার মনে করিয়ে দিলেন। ঈদ মুবারক। আপনিও ভাল থাকুন। শুনেছি আপনার বাড়িও চট্টগ্রামে? মুনশিয়ানার সাম্প্রতিক পোস্ট থেকে জেনেছিলাম।

৮. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৪
৭১ বলেছেন: ভাল লাগে নাই। :(
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। দুঃখিত এর জন্য। :)

৯. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯
কার্ল মার্কস বলেছেন: এই সমস্যার মানে গ্রাম হারিয়ে যাওয়ার ফেচনে মৌলবাদীদের হাত আছে মনে লয় ;)
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: থাকিত পারে। আপনি অনু্সন্ধানের দায়িত্ব লন।

১০. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৩
৭১ বলেছেন: লেখাটা আগেও কোথাও লিখেছিলেন? পড়েছি মনে হচ্ছে?
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: কেন, সম্ভবত গতকালকেই দেখেছেন, উপরে আপনার মন্তব্য দ্রষ্টব্য। মানুষ ইদানীং ভুলো হয়ে যাচ্ছে, নাকি অন্যকিছু? :)

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: ওহ!

১২. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৪
আমআঁটিরভেঁপু বলেছেন:
বাহ্ প্রথম অংশটা বেশ ভাল হল তো। শুভেচ্ছা।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা।

১৩. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪০
মুনশিয়ানা বলেছেন: গ্রামের বাড়ি যে আমাদের আসল ঠিকানা এবং কৃষিকাজই যে আমাদের আসল পরিচয় তা সুন্দর ভাবে আমাদের মনে করিয়ে দেবার জন্য রিফাত হাসানকে সাধুবাদ জানাচ্ছি।

এবার ঈদের দীর্ঘ ছুটিও এক্ষেত্রে আমাদের জন্য আশীর্বাদ বয়ে নিয়ে এসেছে। রিফাত হাসান আমাদের মনে করিয়ে দিতে পেরেছেন। পাক পরোয়ারদিগারের কাছে মোনাজাত করি আগামী ঈদের ছুটিও যেন এবারের মতো দীর্ঘ ছুটি হয়, যাতে করে রিফাত হাসান পুনরায় আমাদের আসল ঠিকানা এবং আসল পরিচয় মনে করিয়ে দিতে পারেন।

এরকম ভাবে বছরে দুইবার (দুই ঈদে) যদি আমাদের আসল ঠিকানা এবং আসল পরিচয় আমাদের মনে করিয়ে দেওয়া হয়, আশা রাখি আমরা চট করে তা ভুলে যাব না...

আল্লাহ রিফাত হাসানের মঙ্গল করুন...
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: ধুউর। ব্যাখ্যা/ভাবসম্প্রসারণ?..

"আলোচ্য অংশটিতে লেখক রিফাত হাসান এবার ঈদের দীর্ঘ ছুটিও যে আমাদের জন্য কত আশীর্বাদ বয়ে নিয়ে এসেছে তাহা মনে করিয়ে দিতে পেরেছেন।.. এরকম ভাবে বছরে দুইবার (দুই ঈদে) যদি আমাদের আসল ঠিকানা এবং আসল পরিচয় আমাদের মনে করিয়ে দেওয়া হয়, আশা রাখি আমরা চট করে তা ভুলে যাব না"...

তবে, আল্লাহ রিফাত হাসানের মঙ্গল করুন এবং হেদায়াত করুন। আমিন। আমিন আবারো। এইবার রিফাত বড়ো গ্যাড়াকলে পড়েছে। :)...

১৪. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২০
ফিনিক্সম্যান বলেছেন: "যারা শস্যের উৎপাদনপ্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি সংযুক্ত না, তাদের কাছে জীবনের প্রকৃত অনুভূতি কখনো ধরা দেবে না।"..

আচ্ছা, সেমিটিক নবীদের কেহ তো কৃষক ছিলেন বলে জানি না। এইটারে কী বলবেন?
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: ভারি ভাবিয়ে দিলেন। দেখি সময় করে এ সম্পর্কে আমার যদ্দুর বোঝাপড়ার চেষ্টা তা ব্যাখ্যা করে বলব।

১৫. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মাটির কথা , মায়ের কথা কতবারই না বলেছি , শুনেছি ।

কিন্তু মাটি ছুঁয়ে , করতলে ধানশীষ নিয়ে কেউ পারিনি , বুকভরে শ্বাস নিতে , সেকাজটি স্বপ্নের মত করে হলেও কেউ অন্তত দেখাল ।

লেখাটা পড়ে অনেক ভাল লাগল , অভিবাদন নিন
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: ভাল লাগার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। কিন্তু অভিবাদন? দৈন্যতা ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারি না!

১৬. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩
ননাই বলেছেন:
ফিনিক্সম্যান বলেছেন: সেমিটিক নবীদের কেহ তো কৃষক ছিলেন বলে জানি না। এইটারে কী বলবেন?

প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছিল।
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: আমারো গুরুত্বপূর্ণ মনে হইছিল। কিন্তু অলসতা আমাকে গ্রাস করে আছে। আর ব্যস্ততাগুলো।

১৭. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৭
ফিনিক্সম্যান বলেছেন: আরি আরি আমার প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ তো। ননাই ভায়া বুঝেছেন। আর রিফাত ভায়া বুইঝা পালাইসেন। কুত্থি উত্তর পামু? আচ্ছা, ননাই ভায়া, আপনেই কনতো, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যান?
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: :)

১৮. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৮
তারার হাসি বলেছেন:
কতদিন দেখা হয়নি এমন ছবি, স্মৃতিকাতর লেখা।
১৪ ই মে, ২০১০ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তারার হাসি।

০১ লা জুন, ২০১১ রাত ৮:০৪

লেখক বলেছেন: চমকার !

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৮৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমরা কী দারুণ গল্পসভা কথা সাম্রাজ্যে ছিলাম
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ