আমার প্রিয় পোস্ট
- বর্ষসেরা লেখা সমাচার: মানস চৌধুরীর পোষ্ট ''দেখে'' আমার প্রতিক্রিয়া - রিফাত হাসান
- খালেদা জিয়া: দগ্ধ থেকে বিদগ্ধতা - রিফাত হাসান
- শার্লক হোমস রাজনীতিবিদগণ ও কয়েকটি বিলম্বিত নোট - রিফাত হাসান
- ল্যামপোস্টের আলোয়: আরো কিছু জরুরী কথা-বার্তা - রিফাত হাসান
- ‘জিহাদি বই’ সিন্ড্রোম, ‘শিবির’ সন্দেহে গ্রেফতার এবং অন্যান্য আলাপ - রিফাত হাসান
- রবীন্দ্রবন্দনা: রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে - রিফাত হাসান
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- ইতিহাস তর্কের কাইজ্যা, আদালত অবমাননা ও কুটনৈতিক শিষ্টাচার - রিফাত হাসান
- বিস্তর পরের নোট: ব্লগে আমার দুই বছর পূর্তিতে আড়মোড়া ও কিছু পুরনো আলাপ - রিফাত হাসান
- এক-এগার দ্বিতীয় পর্ব, প্রাণ প্রকৃতি ও ভূখণ্ডের উপর আমাদের নায্য হকের লড়াই এবং একটি পুলিশি রাষ্ট্রের ছায়া - রিফাত হাসান
- সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তার প্রেতাত্মা ও হিজবুত তাহরীর - রিফাত হাসান
- রাষ্ট্রের ধর্মবাসনা, দলের ভণ্ডামি, জামাত নেতৃত্বের গ্রেফতার ও অন্যান্য প্রশ্ন - রিফাত হাসান
- বাংলাদেশের 'উত্তর-ঔপনিবেশিক' বিচারকবৃন্দ: ব্লাক স্কিন, হোয়াইট মাস্কস - রিফাত হাসান
- সংবিধান মুদ্রণ ও পুনর্মুদ্রণ ব্যবসায়ীরা - রিফাত হাসান
- কনষ্টিটিউশন পর্যালোচনাঃ সুরঞ্জিতের বক্তব্য অনুযায়ী বাকশাল চতুর্থ সংশোধনীও অবৈধ (পর্ব-৩) - পি মুন্সী
- আমরা নতুন কোনভাবে বিডিআরের ইতিহাস পড়ব - রিফাত হাসান
- খিস্তি ঠাটে ত্রিতাল ভৈরবের জঙ্গনামা: সামহোয়ার নিয়ে আরো কিছু ভণিতা - রিফাত হাসান
- নোটন নোটন পায়রাগুলি ও কয়েক চিরকুট নোট - রিফাত হাসান
- ভাস্কর্য বিতর্ক: কয়েকটি প্রশ্ন ও কিছু ফুটনোট - রিফাত হাসান
- বিশ্বাসীদের অন্তর্ভূক্ত হবার আমন্ত্রণ: আমি কেন গ্রহণ করতে পারছি না প্রিয় সামহোয়ারইন - রিফাত হাসান
- আ টরচার্ড ইমেজ: রেহনুমা আহমেদের ফ্যাসিবাদীতা, ভণ্ডামী ও একটি মিশ্র অনুভূতির থিওরি, তারেক রহমান ও তার মায়ের অপরাধ ও শাস্তি এবং আমাদের নারী ভাবনা - রিফাত হাসান
- একটি প্রাথমিক আলোচনার খসড়া: জামাত, জামাত বিরোধী রাজনীতির বিষয় আশয় ও যুদ্ধাপরাধ রাজনীতি - রিফাত হাসান
- ফাহমিদুল হকের বহুলপঠিত একটি পোস্ট এবং ব্লগের লিখিয়েরা: একটি পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তার প্রেতাত্মা ও হিজবুত তাহরীর
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮
নিরাপদ হবার পর, লেখাটি ড্রাফট থেকে রিপোষ্ট করা হল
প্রথমেই নোট দিয়ে রাখি, হিজবুত তাহরীর নামে যে দলটিরে সম্প্রতি আওয়ামীলীগ সরকার নিষিদ্ধ করেছে তার রাজনৈতিক শ্লোগান 'খেলাফত' এবং এ বিষয়ে দলটির অবস্থান এর সাথে আমার ভিন্ন বোঝাপড়া আছে। সেটি খুবই ভিন্ন প্রসঙ্গ। কিন্তু সেই মতভিন্নতা দলটিরে নিষিদ্ধ করার মতো ফ্যাসিবাদি তৎপরতারে সমর্থন করার জন্য আমাকে প্ররোচিত করে না। 'ইসলাম', 'খেলাফত' এই বিষয়গুলোর ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ফেনোমেনা সহ ইসলামের ভিতরকার কিছু তাৎপর্যপূর্ণ বিতর্ক আছে, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বিচারে তার প্রগতিশীল পর্যালোচনাও জরুরী বলে মনে করি আমি।
কিন্তু নিষিদ্ধ করা কেন?
এ বিষয়ে বর্তমান সরকার একটি প্রেসনোট দিয়েছে। সরকারের প্রেসনোট অনুযায়ী, জননিরাপত্তার জন্য হুমকির কারণ হওনের কারণে সরকার হিজবুত তাহরীর নামে সংগঠনটিরে নিষিদ্ধ করেছে। ভাল কথা। তাহলে এখন জননিরাপত্তা বিষয়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ বৈকি। এই গুরুত্বপূর্ণতারে আমলে নিয়ে শব্দটির বিবিধ প্রয়োগ এবং ব্যবহারগুলিরে আসুন একটু ধর্তব্যে আনি। সাম্প্রতিকতম সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে জননিরাপত্তার জন্য হুমকি আখ্যায়িত করে এগার-এক রেজিমের হোম মিনিস্ট্রি থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। তার সাথে একটি গোয়েন্দা রিপোর্টের কথাও বলা হয়েছিল, প্রথম আলো ডেইলি স্টার যেটি ফলাও করে প্রচার করেছিল। তিনি লগি-বৈঠা আহ্বান করে ঢাকার রাস্তা রক্তাক্ত করার পৈশাচিক কর্মকান্ডের একজন আসামীও ছিলেন। পরিহাস হলো, সেই সময়ে জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হিশেবে ঘোষিত হাসিনাই বর্তমানে হিজবুতের টুটি টিপে ধরতে এই শব্দবন্ধটিরেই বেছে নিয়েছে। আসলে এই জননিরাপত্তা ব্যাপারটি বেশ সরস, দরকারী জায়গাটিতে সব ফ্যাসিবাদিরাই তা প্রয়োগের মাধ্যমে বিপরীত মতকে দমনের সুযোগ গ্রহণ করে। প্রকৃত অর্থে জননিরাপত্তার জন্য হুমকির কথা যদি বলতেই হয় তাহলে প্রথমেই আসে আওয়ামীলীগ বিএনপির মত রাজনৈতিক দলগুলো, তারপরে প্রথম আলো ডেইলি ষ্টারের মত মিডিয়া, সুবিধাবাদি সুশীল সমাজ- যারা স্বার্থের বিনিময়ে দেশের সর্বস্ব বিকিয়ে দিতে দ্বিধা করে না। গণতন্ত্রের টুটি টিপে ধরে।
পত্রপত্রিকা পড়ে যদ্দুর জানা যায়, হিজবুত তাহরীরের কোন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে কোনরকম চাঁদাবাজি, লুণ্ঠন, বা অস্ত্রসহ গ্রেফতার অথবা নাশকতামূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ উত্থাপন করতে পারে নাই সরকার। দুই হাজার এক সালে কার্যক্রম চালু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত এই দলটি সবচেয়ে প্রকাশ্য রাজনৈতিক দলগুলোর একটি। গোয়েন্দা রিপোর্টে অন্য যে কয়েকটি সন্দেহভাজন দলের তালিকা দেওয়া হয়েছে সেগুলো প্রায় কোনোটাই কিন্তু প্রকাশ্য অস্তিত্ত্ব নাই। জরুরী অবস্থাসহ সব ধরণের বাঁধার পরিস্থিতিতেও টিপাইমুখ বাঁধ, পিলখানা ষড়যন্ত্র, সাগরের তেলগ্যাস রফতানি, এশিয়ান হাইওয়ের নামে করিডোর দেয়ার চেষ্টা, টাইগার শার্ক নামে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া, টিফা চুক্তি- এইসব দেশীয় স্বার্থ সংস্লিষ্ট ব্যাপারগুলোতে এই দলটির সোচ্চার তৎপরতার সংবাদ গণমাধ্যমগুলো জুড়ে সবসময় ছিল। তাহলে এই দলটি দেশ এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয় কীভাবে? 'জননিরাপত্তা'র সংজ্ঞা কী?
জননিরাপত্তার নামে এই ফ্যাসিবাদি চর্চাকে এখন গুরুতর প্রশ্ন করার সময় এসেছে। এগার একের রেজিমের উত্তরসুরি এই একদলীয় সংখ্যাগরিষ্ঠের সরকারের অতীতও গণমাধ্যম এবং সব ধরণের রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় বাকশাল গঠনের মত কালো উদাহরণে ভরপুর। বিজয়ের অব্যবহিত পরেই, উপজেলা নির্বাচন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক-রাজনৈতিক আন্দোলনের মুহূর্তগুলোতেও পৈশাচিক দমন এবং বল প্রয়োগের যে উদাহরণ তারা রেখেছেন, তাতে এই একদলীয় সরকারের ফ্যাসিষ্ট উপকরণগুলো স্পষ্ট হয়ে এসেছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের আরো অপরাপর তৎপরতাগুলো বিশ্লেষণ করে সচেতন মহল প্রশ্ন করতেই পারে যে, এর গন্তব্য কোথায়?
লেখাটি ব্লগ কর্তৃপক্ষ মুছে দেওনের পর নিম্নের পোষ্টটি দিয়েছিলাম, যা এখন ড্রাফটে নিয়ে গেলাম পোষ্টের সংখ্যা না বাড়ানোর জন্য:
জননিরাপত্তার ভূত: ব্লগ অথরিটি ও সরকারের ভাষা এক, মুশকিলেই পড়ে গেলাম
মুশকিলেই পড়ে গেলাম। আমার কাছে ব্লগ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একটা মেইল এসেছে। সবার পড়ার সুবিধার্থে নিম্নে দিলাম। তার আগে, আমার উল্লেখিত লেখায় জননিরাপত্তার ধারণা ও প্রয়োগ নিয়ে কিছু প্রশ্ন তুলেছিলাম; সেটির কিছুটা তুলে দিলাম:
..এ বিষয়ে বর্তমান সরকার একটি প্রেসনোট দিয়েছে। সরকারের প্রেসনোট অনুযায়ী, জননিরাপত্তার জন্য হুমকির কারণ হওনের কারণে সরকার হিজবুত তাহরীর নামে সংগঠনটিরে নিষিদ্ধ করেছে। ভাল কথা। তাহলে এখন জননিরাপত্তা বিষয়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ বৈকি। এই গুরুত্বপূর্ণতারে আমলে নিয়ে শব্দটির বিবিধ প্রয়োগ এবং ব্যবহারগুলিরে আসুন একটু ধর্তব্যে আনি। সাম্প্রতিকতম সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে জননিরাপত্তার জন্য হুমকি আখ্যায়িত করে এগার-এক রেজিমের হোম মিনিস্ট্রি থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। তার সাথে একটি গোয়েন্দা রিপোর্টের কথাও বলা হয়েছিল, প্রথম আলো ডেইলি স্টার যেটি ফলাও করে প্রচার করেছিল। তিনি লগি-বৈঠা আহ্বান করে ঢাকার রাস্তা রক্তাক্ত করার পৈশাচিক কর্মকান্ডের একজন আসামীও ছিলেন। ..
কর্তৃপক্ষ মেইল করে জানিয়ে দিলেন এই লেখাটিও জননিরাপত্তা তথা সমাজ এবং ব্লগ কমিউনিটির জন্য হুমকি স্বরূপ। তাই এটি ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। আমি কিংকর্তব্যবিমূড় হলাম। কী করি বলুনতো।
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১ dear blogger,
your post (সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তার প্রেতাত্মা ও হিজবুত তাহরীর) have been kept in your blog as draft due to violation of the blog rules. please do not republish this writing again on the blog or we will be forced to ban you from the blog.
3g. if a post contains information or material or instruction that maybe used to harm the stability of the society or blog community.
৩ছ. যদি কোন পোস্টে সন্নিবেশিত তথ্য কিংবা বিষয় অথবা নির্দেশনা সমাজ এবং ব্লগ কমিউনিটির জন্য হুমকি স্বরূপ হয়।
regards,
somewherein blog team.
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তা, হিজবুত তাহরীর, বাকশাল, ফ্যাসিবাদ, ইসলাম, পলিটিক্যাল ইসলাম ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ডায়েরী বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আবু আব্দুল্লাহ মামুন বলেছেন:
বর্তমানে হিজবুত তাহরীর অপেক্ষা আওয়ামীলীগই জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় তাদের যে তান্ডব লক্ষ্য করি , এতে প্রমীয়মান হয় যে, বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা মোটেও ভাল না। ধন্যবাদ লেখককে একটি সুন্দর পোস্ট উপহার দেবার জন্যে।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
সালাহউদ্দিন সোহাগ বলেছেন:
একটা জবাব এরকম হতে পারে-কেয়ারটেকার জনগনের ধার্য করা নয়, তারা জনগনের প্রতিনিধিত্ব করে না। কিন্তু বর্তমান সরকারকে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করেছে জনগন। সুতরাং জননিরাপত্তা নির্ধারনে বর্তমান সরকারের অবস্থানের ন্যায্যতা আছে।
লেখক বলেছেন: কেয়ারটেকার জনগনের ধার্য করা নয়, তারা জনগনের প্রতিনিধিত্ব করে না।- এই কথাটি সত্য বলেছেন। কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব তরে, এই ব্যাপারে কি আপনি নিশ্চিত?
লেখক বলেছেন: ওরাতো নিজেরাই ঐ কেয়ারটেকার সরকারের সব দায়মুক্তি এবং এজেণ্ডা বাস্তবায়নের ভার নিয়েছে এবং নিজেদের আন্দোলনের ফসল বলে ঘোষণা করেছে ঐ জিনিশটারে।
লেখক বলেছেন: হুম, ফায়জলামি নাকি?
আমাদের চোখ ফুটবে না কখনোই। আমরা একটা মাদারচোদ জাতি। ঘৃনা হয় নিজেদের প্রতি। এদেশে ধর্মের নামে সন্ত্রাস, এবং ঐ সন্ত্রাসীদের নাম ভাঙ্গিয়ে মাদারচোদ রাজনৈতিক নেতারা প্রতিদিন আমাদের বিবেককে ধর্ষন করে যাচ্ছে। আমরা কিচ্ছু করতে পারিনা। ওরা অকারনে ডাকলেও লাফ দিয়ে রাস্তায় নামি, দেশের নানান সমস্যায় আমাদের ঘুম ভাঙ্গে না। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেলে আমরা নতুন করে স্বজনদের পকেট মারা ধান্দা করি, সরকারকে বাধ্য করিনা সিন্ডিকেট ভেঙ্গে চুদিরভাই ব্যাবসায়ীদের পশ্চাতদেশে বেম্বো দিতে।
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
এখন মুখে যা আসে তাই কইতে পারি.......
আমাদের খেপে যাওয়া কেবল বাকী আছে...............
অন্যআনন বলেছেন:
জননিরাপত্তা আইনের কি খবর? নাকি বঙ্গবন্ধু পরিবার নিরাপত্তা আইন ই জননিরাপত্তা আইন? যে আইনে হিযবুত তাহরীর নিষিদ্ধ হইছে, সে আইনে আনু মুহাম্মদ-এর সংগঠন এবং জাতীয় স্বার্থ জলাঞ্জলি বিরোধী প্রতিবাদী দলগুলোকেও নিষিদ্ধ করা হোক। যুদ্ধ অপরাধীর বিচার ও বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচারের নাটক জমিয়ে তুলতে আর কতোগুলো রাজনৈতিক বোমা ফাটানো হবে আমার জানা নেই। নিজের পরিবারের হত্যাকান্ড নিয়ে যারা এতো রাজনীতি করতে পারে, তাদের চেয়ে ভয়ংকর আর বিকৃত আর কে হতে পারে? দেশবাসীকে এদের হাত থেকে নিরাপত্তা দিবে কোন আইন?
প্রথম আলো, ডেইলিস্টার জাতীয় বিগশট বেশ্যাদের কথা আর নাই বললাম। সার্কুলেশনের অহম আর অপব্যবহার কি হতে পারে এদের দেখলেই বুঝা যায়! অদল বদলের রাজনীতিতে বারবার বিছানো বদলানো বেশ্যারা অন্যকে যখন নিজেকে বলে সতী এবং অন্যকে "বদলানোর" সু-উপদেশ দেয় তখন হাসি পায়!
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
হিযবুত তাহরীর নিষিদ্ধ দোখে একটু অবাক হয়েছিলাম, বয়স কম বলে এখনও অনেক কিছুতেই অবাক হই।
ফিনিক্সম্যান বলেছেন:
সাম্প্রতিকতম সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে জননিরাপত্তার জন্য হুমকি আখ্যায়িত করে এগার-এক রেজিমের হোম মিনিস্ট্রি থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। তার সাথে একটি গোয়েন্দা রিপোর্টের কথাও বলা হয়েছিল, প্রথম আলো ডেইলি স্টার যেটি ফলাও করে প্রচার করেছিল। তিনি লগি-বৈঠা আহ্বান করে ঢাকার রাস্তা রক্তাক্ত করার পৈশাচিক কর্মকান্ডের একজন আসামীও ছিলেন।..ওয়াও, জাক্কাস পয়েন্ট ধরসেন রিফাত ভাই।
কার্ল মার্কস বলেছেন:
হিযবুত তাহরির নিষিদ্ধ ঘোষনা কাম্য নয়, অনেকে বলছেন এরা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে, সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করছে, বিশেষ করে প্রথম আলো একথা বেশী প্রচার করছে। আওয়ামী লীগ বা বিএনপি বাদে বাকী রাজনৈতিক দলগুলোর বিপ্লবী চরিত্র কখনোই বর্তমান সংবিধানের সাথে যায় না। প্রত্যেক মানুষের নতুন মত প্রকাশের এবং গ্রহনের অধিকার আছে। তবে তা করতে যেয়ে অধিক সংখ্যক জনগণ যাতে মর্মাহত না হয় তার প্রতি সজাগ দৃষ্টি কাম্য।রিফাত হাসানের ধরার জায়গাটি যথার্ত। শাসক শ্রেণীর বলপ্রয়োগের বিরুদ্ধে জনগণকেও বলপ্রয়োগ করতে হয়।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
হিজবুত তাহরীর কে আপনি কতটুকু চেনেন??? আগেই বলি, আমি আওয়ামী লীগ এর সাতেও নাই পাঁচেও নাই....হিজবুত তাহরীর কি জিনিস তা আমার কাছে আইসেন, দেখাই দিবো। দোহাই, কোন ধর্মান্ধ দলের পক্ষ টেনে কথা বলবেন না।
লিখেছেন,"পত্রপত্রিকা পড়ে যদ্দুর জানা যায়"...পত্র পত্রিকা পড়েই সবকিছু যানা যায় না...আমার জীবনের তাগিদেই আমি মাঠে নেমে ওদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেছি..যা জেনেছি..তাতে শিউরে উঠেছিলাম.. হিজবুত তাহরীর Banned হৈছে, তাতে আমি খুব খুশী।
জুল ভার্ন বলেছেন:
আমি মনে করি হিজবুত তাহরীর অপেক্ষা আওয়ামীলীগই জননিরাপত্তা এবং দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য সব চাইতে বড় হুমকি।
মগ্নতা বলেছেন:
জোশ।
চাষী বলেছেন:
আমি যতদুর জানি , ইংল্যান্ড ও আমেরিকা যারা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তথাকথিত যুদ্ধ শুরু করেছে সেখানেও হিজবুত তাহরীর প্রকাশ্যে কাজ করে। তাহলে বাংলাদেশে তাদের এ পর্যন্ত কোন সন্ত্রাসী কাজের প্রমান না পাওয়া সত্বে ও ব্যান করাটা গনতান্ত্রিক মুল্যবোধের প্রতি আওয়ামীলীগের অনাস্থাই প্রমান করে।
জিপিএস বলেছেন:
লগি-বৈঠা দিয়ে প্রকাশ্য রাজপথে তান্ড চালানোর যিনি জননী তার চেয়ে জনশৃঙ্খলা বিরোধী এবং জীবনের নিরাপত্তার জন্য মারাত্ম হুমকি দ্বিতীয় আরে কে হতে পারে?
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
''কার্ল মার্কস বলেছেন: আওয়ামী লীগ বা বিএনপি বাদে বাকী রাজনৈতিক দলগুলোর বিপ্লবী চরিত্র কখনোই বর্তমান সংবিধানের সাথে যায় না।''মহাত্মা কার্ল মার্কস এর সাথে সুর মিলাইয়া কই- এইরম হৈলে পরে প্রচলিত বাম-ইসলামী ট্যাগ লাগানো সবতেরেই তো নিষিদ্ধ কর্তে হৈবো।
ছিটকিনি বলেছেন:
পুরানা সুশিলীয় ভন্ডামী আবার দেখনের সুযোগ হইলো। চালায়া যান, তয় মনে রাইখেন আমজনতা আছি। সুশিলীয় ভন্ডামীরে গদ্দামের উপরে রাখনের জন্য যথেষ্ট।
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
জুল ভার্ন বলেছেন: আমি মনে করি হিজবুত তাহরীর অপেক্ষা আওয়ামীলীগই জননিরাপত্তা এবং দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য সব চাইতে বড় হুমকি।
ধীবর বলেছেন:
ভালো লিখেছেন। যে অজুহাতে হিজবুত ব্যানড, একই অজুহাতে তো দেশের প্রতিটা ছাত্র-শ্রমিক-যুব সংগঠন ব্যান হওয়ার যোগ্যতা রাখে। কেডা জানি জনগণের দোহাই পারলো। এই পোস্টে দেখলাম ২৮ জন লেখকের সাথে আর ৩ জন বিপক্ষ্যে। ৩ জনের সংখ্যালঘুরাই কি তার কাছে জনগণ? হইতেও পারে। ওই হিসাবের ভোটেই তো আঃ লিগ ক্ষমতায় আইছে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















শেখ হাসিনা আমলে জননিরাপত্তার প্রতি হুমকি = হিজবুত তাহরীর।
অন্যরকম প্রশ্ন তুলেছেন আপনি।