১.
বিস্তর বড়ো দীর্ঘ সময়ের পরে আবার বসলাম। বেশ বিলম্বিত এই বসা। গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিকারের মুহূর্তে ফুল পাখি লতা পাতা নিয়ে কবিতাগিরিরে নিতান্তই ফাজলামো এবং বখাটেপনা মনে হয়- ঠিক তেমনি নিরব থাকাটাও- আমার কিছু সংবেদনশীল বন্ধুর কাব্য ভড়ং এবং একই সাথে আমার নিজের নিরলস ব্যক্তিগত নিরবতা আমার মধ্যে এই অনুভূতি জাগায়। ভাবি তবু, চুপ থাকতে থাকতে- নিজের খোলের ভিতরে, বৈশ্য স্বার্থের গভীরে ডুবে থাকতে থাকতে, মানুষের ভিতরের সার্বভৌম ও কর্তব্যপরায়ন মানুষসত্তা- যদি তার অস্তিত্ব থাকে এবং জেগে থাকে, একদিন ঘাঁই দিয়ে ওঠবেই। আমারো ভিতরের কেউ, আপনার গভীর ভিতরে টোকা দিয়ে হঠাৎ বলে ওঠে, ও অনন্ত, জেগে আছো কি?
আড়মোড়া ভাঙতেই হয়।
২.
বড়ো এক বিহ্বল সময়ের মুখোমুখি বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও এই ক্ষুদ্র রাজনৈতিক ভূখণ্ডের অধিবাসীরা, যে ভূখণ্ডের মানুষের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার অভূতপূর্ব প্রকাশ উনিশ শ একাত্তর এর বৈপ্লবিক পরিবর্তন প্রচেষ্টায়- যে প্রচেষ্টা বেহাত হয়েছে একাত্তর-উত্তর বিশ্ব পুঁজির অবাধ সুবিধাভোগি, অপরিপক্ক, দুর্বল ও রাজনীতিবোধহীন দুর্বৃত্ত নেতৃত্বের হাতে। গঠনদশা হতে এখন পর্যন্ত তাই বাংলাদেশের রাষ্ট্র-চরিত্রে পিউভার্টি আসে নাই- এর দায়ভার একাত্তর-উত্তর এবং সত্তর এর নির্বাচন হেতু যুদ্ধের সময়ে নেতৃত্বের অবস্থানে থাকা আওয়ামীলীগ এর উপরে যেমন সবচেয়ে বেশী বর্তায়- ঠিক তেমনি এ দায় এড়াতে পারবেন না সদ্যস্বাধীন দেশের ঘাড়ের উপরে সওয়ার হওয়া বসন্তের হাওয়ায় ছাল-চামড়া বদলানো সুবিধাবাদি মোসাহেব লেখক-বুদ্ধিজীবী সমাজ, মুসাবেদাজীবি উকিল ও স্বাধীনতা-উত্তর দলীয় লেজুড় বনে যাওয়া জং ধরা ছাত্র-নেতৃত্ব। দুই হাজার ছয় সালের এক-এগারর পট পরিবর্তন বাংলাদেশে রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী ও ছাত্রসমাজের সেই ব্যর্থতা এবং সুবিধাবাদকে মনে করিয়ে দেয়- যা নিয়ে পূর্বে যথেষ্ট আলোচনা করেছি আমরা।
৩.
এক-এগারোর পটপরিবর্তনের পর বিস্তর ঢাক-ঢোল পিটিয়ে দুই হাজার নয় সালের উনত্রিশ তারিখের বিষ্ময়কর নির্বাচনের মাধ্যমে একদলীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার আওয়ামীলীগ সরকার নাজিল হলো বাংলাদেশে। এই পর্বকে আমরা এক-এগার দ্বিতীয় পর্ব হিশেবে অভিহিত করেছিলাম পূর্বের কোন এক লেখায়। প্রথম পর্বে রাষ্ট্রের সবচেয়ে সুবিধাভোগি ও স্বার্থপর অংশ যাদেরকে আমার সুশীল সমাজ হিশেবে চিনি, তাদের মাধ্যমে সমাজের বিরাজনীতিকরণ প্রচেষ্টা চলেছে মোটাদাগে, দ্বিতীয় পর্বে বর্তমানে ক্ষমতাসীন একটি দীর্ঘ ঐতিহ্যবাহি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির মাধ্যমেই সেই একই বিরাজনীতিকরণের প্রক্রিয়া সমাধা করার চেষ্টা চলছে চতুরভাবে। প্রথম পর্বের তৎপরতার দৃশ্যমান অংশ ছিল মোটা দাগের, যাতে কোনরকম গণতন্ত্রের ভাব না ধরেই রাজনীতিবিদ এবং রাজনৈতিক দল সহ যে কোন রাজনৈতিক তৎপরতার বিরুদ্ধে চরমভাবে দমন ও নিপীড়ণ চালানো হয়েছে, আর দ্বিতীয় পর্বের এই প্রচেষ্টার দুইটি ভীন্ন রূপ আছে। এক. সমাজের বৈপ্লবিক পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে সম্ভাবনাময়ী ও স্পর্শকাতর তরুণ সমাজকে ডিজিটাল বাংলাদেশের মত একটি দারুণ অনর্থ ফাঁপা শ্লোগানে মাতিয়ে তাদেরকে পুঁজি ও টেকনোলজির প্রশ্নহীন দাস ও রাজনৈতিকতাবোধহীনভাবে তৈরী করা। দুই. নির্বাচনী গণতন্ত্রের মোড়কে উগ্র ফ্যাসিবাদের উসকানির মাধ্যমে রাজনৈতিক ভীন্ন মতাবলম্বীদের দমন-নিপীড়ণ-নিষিদ্ধকরণের ধমকি- এই ক্ষেত্রে দলীয় গুণ্ডা বাহিনী, পূর্বাপর সুশীল সমাজ ও লেজুড় কোর্ট-কাছাড়ি-উচ্চ আদালত- এই সবকিছুকেই সুবিধামতো ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি নিশ্চয় সচেতন রাজনৈতিক বুদ্ধি-বিবেকধারীদের বিচার-বিবেচনা ও প্রতিবাদ-প্রতিরোধের সময়।
৪.
কোর্ট-কাছারি-উচ্চ আদালতের কাঁধের উপর বন্দুক রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ যা করেছে এবং করছে তার একটা মোটামোটি বিচার বিশ্লেষণ দরকার। 'বাঙালকে হাইকোর্ট দেখানো' এই ব্রিটিশরাজদের ঠাট্টা এখন আওয়ামীলীগ করছে- যত্রতত্র, সব বিষয়ে। স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে আওয়ামীলীগ-বিএনপির দলীয় ইতিহাস-তর্কের মিমাংসা থেকে শুরু করে বিবিধ রাজনৈতিক বিষয় আশয়ের মিমাংসার ভার- যা আইন-আদালতের এখতিয়ারের অধীন নয়- দলীয় কায়দায় হাইকোর্টের রায় নিয়ে আওয়ামীলীগ তার ফায়দা লুটতে তৎপর, এর বিপদ সম্পর্কে তারা কেউ ওয়াকিবহাল কিনা আমার সন্দেহ রয়েছে। কারণ আওয়ামীলীগ নেতৃত্ব এ বিষয়ে হিসটিরিয়াগ্রস্থের মতো আচরণ করছে- যা অতীতে তাদের পতন ডেকে এনেছিল।
অতীতে, বিভিন্ন লেখালেখিতে জামাত রাজনীতির বিচার প্রশ্নেও, আইন ও কোর্ট কাচারির শরন নেওয়ার বিষয়ে আমরা জানিয়ে দিতে চেয়েছি যে, এটি আইন-কোর্ট কাছারির মাধ্যমে সমাধা হবার বিষয় নয়, এটি রাজনৈতিক। একটা রাজনীতির মোকাবেলা কি আমরা রাজনীতি দিয়ে করবো, নাকি কোর্ট কাছারির হাইকোর্ট দেখিয়ে- এই বিতর্কটি খুবই জরুরী প্রপঞ্চ হিশেবে হাজির হয়েছে সবসময় আমাদের কাছে, রাজনীতিবিদ-বুদ্ধিজীবি-আইন ব্যবসায়ী সবার মূর্খতা এবং অথবা সুবিধাবাদিতা ও ফ্যাসিবাদি মনোবিকারের কারণে। এই মনোবিকার, আওয়ামী হিসিটিরিয়ার কল্যাণে, এখন ‘মাননীয়’ হাইকোর্ট পর্যন্ত স্পর্শ করেছে। আওয়ামী বুদ্ধিজীবীগণ ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে ইচ্ছুক- তাও হাইকোর্টের কাঁধে বন্দুক রেখে; নিজেরা সাহসিকতার সাথে তার দায় নিতে রাজনৈতিকভাবে তৈরী নয়।
সামন্ত যুগ এখন না থাকলেও স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধ, সর্বোপরি বাংলাদেশের ইতিহাস এবং ভূখণ্ডের উপর মুজিব ও আওয়ামীলীগের একক জমিদারীর একটা কাঙ্ক্ষা আছে। সেই সাথে আছে এক-এগারর ভূত ও মতলববাজ বুদ্ধিজীবীদের বিরাজনীতিকরণের সেক্যুলার প্রজেক্ট। এই সব কাঙ্ক্ষার ফলশ্রুতিতে বাঙালকে আবার হাইকোর্ট দেখানো এবং সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী বাতিল ও সেই সাথে জিয়াউর রহমানের ক্ষমতাকালের কিছু অংশকে অবৈধ ঘোষণা- সেই হাইকোর্টের। মজার ব্যাপার হলো, এই রায়ে পছন্দের নীতির (rule of pick and choose) মাধ্যমে পঞ্চম সংশোধনীর মধ্যে থাকা শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনকালের শেষ দিকে আনা কুখ্যাত চতুর্থ সংশোধনীর খারাপ অংশটুকু বাতিল করে পঞ্চম সংশোধনীর ভাল অংশটুকু বহাল রাখা হয়েছে। তার মানে, এখন এই রায়ের উপরে ভিত্তি করেই চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকা শেখ মুজিবুরের শেষ সময়কালকেও হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করতে বাধ্য। স্মর্তব্য, কিছুদিন আগেই এই মামলার রায়ের উপরে ভিত্তি করেই জেনারেল এরশাদের ক্ষমতাকালকেও অবৈধ ঘোষণা কেন করা হবে না- এই মর্মে সরকারের প্রতি রুলনিশি জারি করেছে হাইকোর্ট। যদিও, হাইকোর্টের এইসব তৎপরতা এবং অবৈধ ঘোষণার কোন প্রায়োগিক আইনি গুরুত্ব নেই- শোরগোল তৈরী করা ছাড়া। প্রায়োগিক গুরুত্ব থাকত, হাইকোর্ট যদি এইসব ঘটনা ঘটার পরপরই স্ব-প্রণোদিত (sou moto) হয়ে তাকে অবৈধ ঘোষণা করত- এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষকে সংবিধান সমুন্নত করার নির্দেশ দিত।
তবে এই আইনি সমাধানের শোরগোলে আরো কিছু বিষয়কে উসকে দিতে ইচ্ছুক আমি। গতকাল মুজিবনগর দিবস ছিল। ১৭ এপ্রিল এই দিনে প্রবাসী মুজিব নগর সরকারের ঘোষণাপত্রে পাকিস্তানের জন্য নির্বাচিত গণপরিষদের সদস্যদের বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের জন্য নির্বাচিত সদস্য বলে গ্রহণ করা হয়। এমনকি ঘোষণাপত্রে এই সদস্যদেরকে 'আমরা বাংলাদেশের নির্বাচিত..' বলে উল্লেখ করা হয়। অথচ পাকিস্তানের এই নির্বাচনের সময় বাংলাদেশ-এর অস্তিত্বই ছিল না- এরা পাকিস্তানেরই নির্বাচিত সদস্য। এমনকি মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বাংলাদেশ কার্যত (de fecto) স্বাধীন বলে গণ্য হলেও আইনত (de jure) স্বাধীন হয় নাই। এর নানান রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রনৈতিক মুশকিলের কথা বাদ দিলেও এর সাথে বাংলাদেশের নতুন সংবিধানের বৈধতার প্রশ্নও জড়িত রয়েছে। যুদ্ধ শেষ হবার আগেই এবং পাকিস্তানের প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ হিশেবে নির্বাচিতদের সকলকে 'বৈধ' গণপরিষদ সদস্য বলে ঘোষণা করা হয়েছিল অথচ পরে যুদ্ধ শেষ হলে দেখা যায় প্রায় অর্ধশত সদস্য পাকিস্তানের প্রতি তখনও অঙ্গীকারাবদ্ধ; অথচ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুযায়ী তারা আইনত নতুন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নকারী। যার জন্য পরে আরো একটি অর্ডিন্যান্স দিয়ে তাদেরকে দালাল আখায়িত করে বাদ দেওয়া হয়। বা আইনের ভাষায় তাদের সদস্য-পদ শূণ্য ঘোষনা করা হয়। কিন্তু মূল ঘোষণাপত্রের কোন হেরফের হয়নি। তাহলে এই সংবিধানের বৈধতা কোথায়? ৭২ এর সংবিধান এর অক্ষুণ্ণতা নিয়ে যে ভণ্ড বুদ্ধিজীবী মহল গালে ফেনা তুলে ফেলছেন- তাদের সে বিষয়ে কোন কথা নেই।
সচেতন রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য হলো, গঠনদশায় বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য উকিল-মোক্তাররা মিলে যে সংবিধান মুসাবেদা করেছিলেন তার জন্য একটি পৃথক সংবিধানসভা ডাকার প্রয়োজন ছিল; অথচ একটি রক্তাক্ত যুদ্ধের মাধ্যমে যে স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব- তার সংবিধান এডাপ্ট করেছিলেন অব্যবহিত পূর্বের পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংবিধানসভার জন্য নির্বাচিত সদস্যরাই। ফলত একটি মুসাবিদা সংবিধানই আমরা পেলাম যা প্রচুর টোকাটোকি এবং উদ্ভট কলোনিয়াল ধারণায় ভরপুর- এবং বঞ্চিত হলাম একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্তরের ভিতর থেকে তার নিজস্ব সংবিধানের উন্মেষমুহূর্ত থেকে। এই সংবিধানকে তাই রাষ্ট্রের বৈপ্লবিক রূপান্তরে বিশ্বাসী কেউ চাইলেই চ্যালেঞ্জ করতে পারেন, এমনকি আইনিভাবেই।
৫.
একদিকে সমাজের চরম বিরাজনীতিকরণ-প্রচেষ্টা ও ভীন্নমতের টুটি টিপে ধরতে শাসকগোষ্ঠির ফ্যাসিবাদি বিকার, অন্যদিকে প্রাণ ও প্রতিবেশ রক্ষার জন্য এদেশের মানুষের অকৃত্রিম কাঙ্ক্ষা- এর ভিতরেই বাংলাদেশ বিদায় দিল পুরনো বছরকে, চৈত্রসংক্রান্তির দিনে। গত বছর আমরা প্রাণ, প্রতিবেশ ও ভূখণ্ড রক্ষার জন্য টিপাইমুখ বাঁধ, বাংলাদেশ সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিডিআরকে ইতিহাস থেকে মুছে দেওয়ার চেষ্টার প্রতিবাদ করেছিলাম। আমরা সেইসব ভুলি নাই। আমাদের প্রাণ, প্রতিবেশ ও ভূখণ্ড রক্ষার লড়াইয়ের প্রয়োজনে এই মুহূর্তে এদেশের প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী, ছাত্রসমাজ-কৃষক ও শ্রমিক গোষ্ঠির ঐক্য প্রয়োজন। এই মুহূর্তে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো- যারা এ বিষয়ে এগিয়ে আসার কথা- তাদের বিষয়ে রাজপথের লড়াকু কর্মীরা হতাশ; তারা সবাই ডিপ্লোমেটিক কৌশলে তৎপর- রাজপথে রাজনৈতিকভাবে ফায়সালা হবার বিষয় স্টেট ডিপার্টমেন্টে ঘুরাঘুরি করছে। আমরা এইসব বিষয়ও পর্যবেক্ষণ করছি।
৬.
খেয়াল করে দেখলাম, এই ব্লগে আমার লেখালেখির দুই বছর পূর্ণ হলো কয়েকদিন আগে: কিন্তু নিজের ব্লগ ঘেঁটে বেশ কিছু জঞ্জাল ছাড়া কিছুই চোখে পড়লো না। তার জন্য আমি পাঠকসকল ও নিজের কাছেই লজ্জিত- মূলত অলস এবং অপদার্থের ডায়েরি মনে হল এটিকে। এর পরও, যারা বিভিন্ন সময়ে পড়েছেন এই ক্ষুদ্রের লেখা এবং মন্তব্যের মাধ্যমে আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন তাদের প্রতি শুভেচ্ছা ও বিনীত কৃতজ্ঞতা। এই সুযোগে ব্লগে মডারেশন নীতিমালা ও অন্যান্য কিছু বিষয়ে আমার পূর্বের কিছু পোষ্টের লিঙ্ক আগ্রহীদের জন্য নীচে দিলাম:
সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ, খিস্তি ঠাটে ত্রিতাল ভৈরবের জঙ্গনামা: সামহোয়ার নিয়ে আরো কিছু ভণিতা, নোটন নোটন পায়রাগুলি ও কয়েক চিরকুট নোট , বিশ্বাসীদের অন্তর্ভূক্ত হবার আমন্ত্রণ: আমি কেন গ্রহণ করতে পারছি না প্রিয় সামহোয়ারইন , ইতিহাস তর্কের কাইজ্যা, আদালত অবমাননা ও কুটনৈতিক শিষ্টাচার , আমরা নতুন কোনভাবে বিডিআরের ইতিহাস পড়ব, ফাহমিদুল হকের বহুলপঠিত একটি পোস্ট এবং ব্লগের লিখিয়েরা: একটি পর্যবেক্ষণ, একটি প্রাথমিক আলোচনার খসড়া: জামাত, জামাত বিরোধী রাজনীতির বিষয় আশয় ও যুদ্ধাপরাধ রাজনীতি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

