সেপ্টেম্বর ইতিহাসের ঘণ্টা দুলিয়ে দেয়া মাস। কিন্তু এটি সেপ্টেম্বর নয়। অন্য কোন দিন। তারপরও যেন সেপ্টেম্বরেই আছি। যখন বারাক হোসেন ওবামা নামের এক মুসলিম পিতার পরিবারে জন্ম নেয়া কালো বংশোদ্ভূত আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ওসামা নামের আর এক মানুষকে নিরস্ত্র অবস্থায়, বিশেষ প্রশিক্ষিত বাহিনীর মাধ্যমে, গোপনে, অন্য রাষ্ট্রের ভূখণ্ডে ঢুকে, খুন করার কথা ঘোষণা করলেন উদ্ধতভাবে: ‘ওসামাকে আর কখনোই পৃথিবীর বুকে হেঁটে যেতে দেখা যাবে না’, তখন। আমেরিকার গর্বিত ‘গণতন্ত্র’, ‘স্বাধীনতা’, বিশ্বব্যাপি সর্দারি ও অপ্রস্তুত জনগোষ্ঠির উপর অনায্য হামলা ও হত্যালীলায় ‘সুখী’ সেইসব ‘নিস্পাপ’ নাগরিকরাও (Good Americans) উল্লাস করেছেন। বাবা ও পুত্র বুশ, ওবামা, হিলারী, ক্লিণ্টন, বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদের অপরাপর শক্তিকেন্দ্রসমূহ, সেবাদাস রাষ্ট্রগুলোর সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলো (বাংলাদেশের সরকারী ও বিরোধীদলসহ) স্বস্থি প্রকাশ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সাথে ওসামা হত্যাকাণ্ডের মধ্যে নাইন ইলেভেন-এর পর ‘সন্ত্রাসে’র বিরুদ্ধে যুদ্ধের অগ্রগতিকেও ‘ন্যায়বিচার’ চিহ্নিত হিসেবে করেছেন ওরা। যদিও, ওসামা বিন লাদেনের বিরুদ্ধে নাইন ইলেভেনের হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ এখনো প্রমাণের অপেক্ষাতেই আছে, যা আর কখনো প্রমাণ হবার নয়। তার আগেই তার বিরুদ্ধে ‘ন্যায়বিচার’ প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেল, ওবামার ভাষ্যমতে। যদিও ইরাক, ফিলিস্তিন, আফগানিস্তানের লক্ষ লক্ষ মৃত ও খুন হয়ে যাওয়া শিশু ও নাগরিকের পরিসংখ্যান, জাপানের হিরোসিমা ও নাগাসাকিতে আমেরিকার আণবিক বোমায় পুড়ে যাওয়া মানুষগুলোর ইতিবৃত্ত, আফ্রিকার কালো মানুষদের হারিয়ে যাওয়া জীবন ও দাসত্বের ইতিহাস- যারা কোন না কোনভাবে কালো বারাক হোসেন ওবামারই পূর্ব পুরুষ ছিল, আদিবাসী রেড ইণ্ডিয়ানদের উপরে গণহত্যা, স্বভূমি থেকে বিতাড়ণ ও নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার চেষ্টার যে অপরাধ- খোদ আমেরিকান পণ্ডিত ওয়ার্ড চার্চিল এর মতে, তার তুলনায় নাইন ইলেভেন-এর এই পাল্টা ধাওয়া ছিল প্রকৃত ন্যায়বিচার ও প্রতিরোধের শুরু মাত্র।..
পুরো লেখাটা বিডিনিউজের মতামত-বিশ্লেষণ থেকে পড়তে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

