বাংলা বিহার উড়িশ্যার একমাত্র নেত্রী ঘসেটি বেগম
দীর্ঘ অর্ধ গর্ভ ধারণের বেশি সময় অতিক্রম করে
আজ পা রাখলেন সবুজ ভূ ভাগে।
কানের চিকিৎসা হয়েছে, দাতের পোকা গেছে,
জিভের খসখসানি তামাম শোদ, চোখ এখন সবই দেখতে পায়,
হিমালোকে খানিক চিকিৎসা চিকিৎসা খেলা আর ব্যাপক সফর শেষে আজ তার পঙ্খীরাজ যখন সবুজ দ্যাশের
দৌড়পথে মানে রানওয়েতে অবতরণ করলেন
তখন সে যানের অপরূপ অবতরণের দৃশ্য
স্বর্গ থেকে মত্যালোকে ভক্তের টানে মাতা দুর্গত নাশিনীর অমর
আবির্ভাবের আনন্দধারা কলতান হয়ে উঠায় কেউ কেউ
বাস্পরুদ্ধ কন্ঠে সুর ধরল-উলু উলু উ উ উ লু লু লু লু লু...
মীরজাফর বাহাদুর অভ্যর্থকদের দলে ছিলেন না
তিনি ব্যস্ত অতিশয় তার আসল প্যাট্রন, দেশের ভাগ্য-বিধাতা
ক্লাইভ স্যারের সাথে নিবিড় মন্ত্রণায়।
ইলেকশন( সিলেকশনের) ইলেকশনে
মহা বৈতরণী পাড় করিয়ে আনতে হবে ঘসেটি দিদিকে
বড়ই ঝামেলার ঘরের কাজ সামলাতে হচ্ছে।
কেউ যেন বুঝতে না পারে বন্ধনী আবন্ধ শব্দের বেড়াজালে
লুকিয়ে আছে ক্লাইভ স্যারের প্রাণের ঘুঘু পক্ষী।
ঘসেটি দিদিই এখন তাদের ভরসা
কারণ না হলে পলাশীর গোপন শলা-পরামর্শের লগি-বৈঠার
ঝাল শেষ পর্যন্ত তাদেরকেই গিলতে হবে,
অবশ্য ঘসেটি আগেই বয়ান করেছেন,
দেব সেই স্বীকৃতি তোমাদের সকল কাজের
মারদিয়া কেল্লা বলতে যেয়ে মীর জাফরের গলা ফেটে বেরল সত্যি বচন
মাল দিয়া, কেল্লা ফতে!
ক্লাইভ স্যার হাসতে হাসতে বিড়ি ধরাতে যেয়ে কাশতে
লাগলেন, বিষম খেলেন।
কেউ কি শুনতে পেল এ হেন বালসুলভ সত্যোক্তি!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

