বাংলাদেশে পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
এ কথা সবাই জানেন। সবাই আরো জানেন, নদী বাহিত পলিমাটির কারণে এ ব-দ্বীপ গড়ে উঠেছে। নদী এ দেশের অস্তিত্বের সাথে জড়িত। অথচ উজানে বসে থাকা বন্ধুত্বের মুখোস আটা এক বকরাক্ষস বাঁধের ফাঁদ এটে নদী বধে মেতে উঠেছে।
উন্মত্ত পদ্মা আজ বালির দীর্ঘ শ্বাস হয়ে আছে।
মৃত পদ্মা স্বাক্ষ্য দেয়, দুজর্নের মিথ্যা বচনে ভুলিও না।
ফারাক্কা চালু করাই ইতিহাস থেকে আমরা কোনো শিক্ষা নেবো কিনা জানিনা।
এবারে ওপাড় থেকে ভেসে আসছে টিপাইমুখ বাঁধের শ্লোগান। তার বিপরীতে আমাদের 'হরিদাস পাল'রা বলছেন, আগে ক্ষতি হোক তারপর প্রতিবাদ করা যাবে।
'দেখি কি হয়' বলে একটা চুটকি লোকমুখে শোনা যায়, সে চুটকির কথা মনে করবেন এ উক্তির পরিপ্রেক্ষিতে অনেকেই। এর আগে জ্ঞানের সাগর এক 'সোনামনি' বাফার শব্দের সামনে বেকুফ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। মুখে কথা যোগায় নি তার। হায় আমাদের 'সোনামনিরে।'
এতো দীর্ঘশ্বাসের ভিড়ে দাঁড়িয়েও দেখেছি, বেশ কয়কজন ব্লগার টিপাইমুখ বাধের ব্যাপার নিয়ে আমাদের ধ্বজভঙ্গ চেতনায় আগুন ধরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছেন। চমৎকার পোষ্ট লিখেছেন। এ ধরণের অনেকগুলো পোস্ট পড়েছে। আমি জানি আরো পোষ্ট পড়বে। এ সব পোষ্টকে একজায়গায় সংকলিত করার কাজটি যদি করেন কোনো ব্লগার তবে তিনি হয়ত ইতিহাসের হাততালি পাবেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


