somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

HOTEL RWANDA---সিনেমা রিভিউ

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



HOTEL RWANDA সিনেমাটি বহুবার দেখা হয়েছে। যতবারই দেখি ততবারই ভালো লাগে। ২০০৪ সালের সিনেমা HOTEL RWANDA নির্মিত হয়েছে ১৯৯৪ সালে আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডায় ঘটে যাওয়া জঘন্যতম গৃহযুদ্ধ অবলম্বনে। ঘটনাটা একটু বলি: রুয়ান্ডা আফ্রিকার একটি সুন্দর দেশ। বেলজিয়াম শাষকরা অনেক বছর তাদের শাষন করেছিল। বেলজিয়াম যখন শাষন করছিল তখন তারা রুয়ান্ডার লোকজনদের ভেতর বিভেদ সৃষ্টি করায়। তারা বেছে বেছে লোকজন নিয়ে দুইভাবে বিভক্ত করতো। যারা একটু উচ্চতায় লম্বা ও যাদের নাকও একটু লম্বা ও যাদের গায়ের রং হালকা কালো তাদেরকে এক গ্রুপ করে নাম দেওয়া হয়েছিল টুটসি। ও যারা ছোটখাট, বোচা নাক ও যাদের গায়ের রং অনেক কালো তাদের নাম দেওয়া হয়েছিল হুতু।



বেলজিয়ানরা বদমায়শি করে ভালো ভালো পজিশনে কাজ দিত টুটসিদের আর টুটসিরাও হুতুদের দিয়ে সব কাজকর্ম করায় নিত। হুতুরা ভালো কোন কাজ পেত না। এরপর যখন বেলজিয়ানরা যখন চলে যা্য তখন তারা শয়তানি করে ক্ষমতা দিয়ে যায় হুতুদের হাতে। তখনই হুতুরা উঠেপড়ে লাগে টুটসিদের পিছনে। সেটারই রেশ ধরে ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় গৃহযুদ্ধ বাধে এবং সেই যুদ্ধে ৮লাখ নিরীহ টুটসিকে নির্মমভাবে খুন, হত্যা, ধর্ষণ করে হুতুরা। মজার ব্যাপার হলো ৮লাখ নিরীহ লোকজন মারা গেলো তারপরও সেই সময় বিশ্ব নেতারা, বিশেষ করে আমেরিকা, রুয়ান্ডায় ঘটে যাওয়া হত্যাযজ্ঞকে "জেনোসাইড" বলতে নারাজ ছিল। যাই হোক, রুয়ান্ডার সেই কাহীনি নিয়েই নির্মিত হয়েছে HOTEL RWANDA সিনেমাটি।

এখানে দেখানো হয় রুয়ান্ডার এক হোটেল ম্যানেজার Paul Rusesabagina, যার চরিত্রে অভিনয় করেছে Don Cheadle, সে কিভাবে বহু নিরীহ লোকজনদের সাহায্য করেছিল সেটাই খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা হয় গোটা সিনেমাটিতে। ছবিতে আরো রয়েছে: Sophie Okonedo, Nick Nolte ও Joaquin Phoenix।



আমার কাছে ছবিটি অসাধারণ লেগেছে যার কারণে আমি বেশ কয়েকবার এই সিনেমাটি দেখেছি। কেন যে এতোদিন এই সিনেমাটি নিয়ে রিভিউ লেখা হয়নি তা খোদাই জানেন। যাই হউক, "নাথিং ইজ টু লেইট"। আপনারা এই ছবিটি দেখতে পারেন যারা এখনো দেখেন নি। আর না দেখতে ইচ্ছে করলে সেটা আপনাদের ব্যাক্তিগত ব্যাপার। ছবিটি সম্পর্কে লিখে আমার জানানোর ই্চ্ছে ছিল জানিয়েছি। বাকিটা আপনাদের ব্যাপার।

আমি ৯.৫ দিব ১০ এ।

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫১
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আনন্দময় যন্ত্রণা

লিখেছেন অপু তানভীর, ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৩

বিয়ের পরপরই সুমনের জীবনটা বেশ সহজ হয়ে গেছে। এটা যতই দিন যাচ্ছে সুমন ততই বুঝতে পারছে। এখন ওর মনে হচ্ছে বিয়ের ব্যাপারে ওর নিজের যে একটা নেগেটিভ ধারনা ছিল সেটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৃপ্তির গল্প

লিখেছেন অপু তানভীর, ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৫



এয়ারপোর্টে থেকে বের হয়েই বুঝলাম শীত কাকে বলে! দেশের এই অঞ্চলে গরম যেমন পড়ে, শীতও। তাড়াহুড়ো করে আসতে হয়েছে তাই ঠিক মত শীতের কাপড়ও নিয়ে আসি নি। শীতের কাপড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সময় যায় চলে

লিখেছেন নূর-ই-হাফসা, ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৪৬



সময়টা ছিল অনেক আগের, স্কুলে মাত্র পা রাখলাম । আমার আর আপুর তখন পছন্দের কাজ ছিল সকাল হলেই জানালার পাশে এসে দাঁড়ানো । আমাদের জানালা বরাবর ছিল সুমি আপুদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

হোক কলরব, ফুলগুলো সব

লিখেছেন অজানিতা, ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ ভোর ৬:৫৩

আমার তোলা যত ছবি, তাঁর মাঝে অসংখ্য ছবি ফুলের। যেখানেই যাইনা কেন চোখে ফুল দেখিই :-B । সেই অসংখ্য ছবির মাঝে অল্পকিছু দেয়া হলো এখানে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রথম পাতায় লেখার সুযোগ দেওয়ার আনন্দ

লিখেছেন কামরুননাহার কলি, ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৯


আজ আমি অনেক, অনেক খুশি। কেনো খুশি সবাই প্রশ্ন করবেন না, হাহাহাহাহা। কারণ আজ আমাকে আমার প্রিয় সামহোয়্যারইন ব্লগ টিম আমাকে প্রথম পাতায় লেখার সুযোগ করে দিয়েছেন।
সত্যিই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×